Author: desk

  • আগৈলঝাড়ায় দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে থানায় মামলা

    আগৈলঝাড়ায় দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে থানায় মামলা

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের লখারমাটিয়া গ্রামের চুন্নু মৃধার মেয়ে ও বাশাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী চৈনিকা ইসলাম মিথিলাকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরণের কু-প্রস্তাবসহ প্রেম নিবেদন করে আসছিল বড় বাশাইল গ্রামের মহিউদ্দিন ফকিরের ছেলে নিরব ফকির। তার কু-প্রস্তাবসহ প্রেমে রাজি না হওয়ায় চৈনিকা ইসলাম মিথিলাকে ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পরতে আসলে নিরব ফকিরসহ ৪-৫ জনের একটিদল মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে স্কুলের সামন থেকে মটরসাইকেলে মিথিলাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। মেয়ে অপহরণের ঘটনায় তার মাতা মিষ্টি বেগম বাদী হয়ে বুধবার বিকেলে নিরব ফকিরসহ ৪জনের নামে আগৈলঝাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিল্টন মন্ডল বলেন, স্কুলছাত্রী অপহনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার ও অপহৃতা স্কুল মিথিলাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য পদে রেজাউল করিমের পক্ষে মনোনয়ন দাখিল

    পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য পদে রেজাউল করিমের পক্ষে মনোনয়ন দাখিল

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ড-৪(সুজানগর উপজেলা) সদস্য পদে রেজাউল করিম (বাচ্চু মোল্লার) পক্ষে জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট মনোনয়ন ফরম জমা প্রদান করা হয়েছে । এ সময় সুজানগর পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন, ভাঁয়না ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মাস্টার ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ড-৪(সুজানগর উপজেলা) সদস্য প্রার্থী রেজাউল করিম বাচ্চু মোল্লা বলেন, আমার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আব্দুর রহিম মোল্লা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও দুলাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি । আওয়ামী পরিবারে আমার জন্ম হওয়ায় ছাত্র থাকা কালীন সময় থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির হাতেখড়ি। আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দুলাই ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও আওয়ামী যুবলীগ দুলাই ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইতিপূর্বে আন্তরিকতা ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। এবং বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিএনপি জামায়াত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন ধরণের হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি। ওয়ান ইলেভেনের সময় বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কারা মুক্তির দাবিতে রাজপথে করেছি আন্দোলন সংগ্রাম। এ সময় তিনি আরো বলেন আমি কোনদিন অপরাজনীতি করিনি। চেষ্টা করেছি সবার অংশগ্রহন ও সহযোগিতায় পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দিতে। সংগঠনকে গতিশীল করতে নেতাকর্মী সবার সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ করেছি। সবাইকে নিজের মতো করে আপন করার মধ্যদিয়ে রাজনীতি করছি। পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হলে চেষ্টা করবো এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজে বিশেষ অবদান রাখতে। জনগণের সুখ দুঃখের সাথী হতে। আশাকরি দল এবং সকল ভোটারেরা আমার ত্যাগের মূলায়ন করবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • জয়পুরহাটে মনোনয়পত্র দাখিল করলেন আ”লীগ মনোনীত প্রার্থী-অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম

    জয়পুরহাটে মনোনয়পত্র দাখিল করলেন আ”লীগ মনোনীত প্রার্থী-অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    আসন্ন জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে বাংলাদেশ আ”লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আ”লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ খাঁজা সামছুল আলম বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা কাছে তিনি এ মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

    এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রার্থীরা ও সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থীরাও এ সময় মনোনয়ন দাখিল করেছেন। জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ আমিনুর রহমান মিঞা’র উপস্থিতে৷

    জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানাযায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী-মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বৃহস্পতিবার(১৫ সেপ্টেম্বর),মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই এর শেষ তারিখ রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর),মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ (১৮ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর),আপিল নিষ্পত্তির শেষ তারিখ (২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর), প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ (২৫ সেপ্টেম্বর)। সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে এবং সোমবার (১৭ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত এই ভোটগ্রহণ চলবে। আরও জানাযায় এখন পর্যন্ত জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সর্বমোট ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    আর এই নির্বাচনে জেলার অধীনে যতগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে বিশেষ করে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর সভার মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্যসহ ৪ শত ৯৫ জন ভোটারের ভোটে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাতজন সদস্য ও তিনজন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করবেন।

    জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আ”লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম এর সাথে উপস্থিত ছিলেন,জেলা আ”লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রকেট,সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম সোলায়মান আলী,জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ”লীগ নেতা মুনিরুল শহীদ মুন্না,জেলা আ”লীগ নেতা নন্দলাল পার্শি,জেলা আ”লীগের যুগ্ম-সাঃ-সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর,সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাত্রাই ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হাবিব তালুকদার লজিক সহ জেলা ও উপজেলার বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মীরা।

    অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচন’কে সামনে রেখে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে গণভবনে আ”লীগের স্থানীয় সরকারের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় জয়পুরহাট জেলা আ” লীগের সিনিয়র বর্ষীয়ান এই নেতা অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম কে জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আ”লীগ মনোনীত একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়।

  • ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির মনোনয়ন পত্র জমা

    ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির মনোনয়ন পত্র জমা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁও আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২২ বুধবার মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃসাদেক কুরাইশী।

    জানা যায়,ঠাকুরগাঁও জেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পুনরায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দেন।ঠাকুরগাঁও জেলার উন্নয়নের জোয়ারে সাদেক কুরাইশী এক সুনামধন্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তি।মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গণমানুষের নেতা দীপক কুমার রায়,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অরুণাংশু দত্ত টিটু,এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি
    স্টাফ রিপোর্টার।

  • ময়মনসিংহে কোতোয়ালির অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ গ্রেফতার ৯

    ময়মনসিংহে কোতোয়ালির অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ গ্রেফতার ৯

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে বিভাগীয় নগরীসহ সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাইরোধ, মাদক ব্যবসা বন্ধকরণ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে কোতোয়ালী পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে কোতোয়ালি পুলিশ গত ২৪ ঘন্টায় ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
    এর মাঝে এসআই কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি টীম চর কালীবাড়ী থেকে দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ আকাশ মিয়া, এসআই শাহজালালের নেতৃত্বে একটি টীম চরপাড়া মোড় এলাকা থেকে দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী সুমন সরকার, এসআই আল মামুনের নেতৃত্বে একটি টীম নওমহল সরকারবাড়ী থেকে অপহরন সহ ধর্ষনের চেষ্টা মামলার আসামী তানভীর আহমেদ শিহাবকে গ্রেফতার করে।

    এছাড়া এসআই রাশেদুল ইসলাম, শাহ মিনহাজ উদ্দিন, নিরুপম নাগ, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা, হযরত আলী এবং এএসআই ইকবাল পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানা আরো ৬ জনকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, মোঃ আশরাফ হোসেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, খোকন মিয়া, টুটুল, মোঃ সেতু মিয়া ও মোছাঃ নুরুন্নাহার। গ্রেফতারকৃতকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • ময়মনসিংহে পাঁচ দফা দাবিতে পিআইও’দের স্মারকলিপি প্রদান

    ময়মনসিংহে পাঁচ দফা দাবিতে পিআইও’দের স্মারকলিপি প্রদান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ। জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে ময়মনসিংহে চতুর্থ দিনের মতো কর্মবিরতি পালন শেষে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গত ১২সেপ্টেম্বর থেকে টানা কর্মবিরতির পর ১৫সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার অর্ধ কর্মদিবস কর্মবিরতি পালন শেষে দুপূরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক এনামুল হক এর মাধ্যমে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন ময়মনসিংহ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ।

    এ সময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুল হক ফারুক রেজা,
    ত্রিশালের শহীদ উল্ল্যাহ,ঈশ্বরগঞ্জের শফিকুল ইসলাম,পিআইও আবুল কালাম আজাদ,আশীষ কর্মকার,রাশেদ খান,ইসতিয়াক হোসেন উজ্জল,সাইফুল ইসলাম,রফিকুল ইসলাম,বুরহান উদ্দীন,আতিকুর রহমান,মাহফুজুর রহমান হেলাল উদ্দিন আকন্দ,সুজন মিয়া প্রমুখসহ ১১টি উপজেলার পিআইওগণ এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
    দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে গত ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপূর পর্যন্ত জেলার ১১টি উপজেলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে এই কর্মসূচী পালন করা হয়।
    সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুল হক ফারুক রেজা জানান, তার অফিসে অন্তত ৯ জন জনবল প্রয়োজন। কিন্তু তারা সেখানে মাত্র ৪ কাজ করছেন। জনবল সংকট সমস্যার সমাধান ছাড়াও তাদের অন্যতম দাবি হচ্ছে, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদ ও বেতন গ্রেড উন্নীতকরণ করা।তিনি বলেন, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর আলোকে জনবল কাঠামো এবং নিয়োগবিধি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত না হওয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সূচনালগ্ন হতে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও ক্ষতিগস্ত হয়ে আসছেন। আইন পাশ হওয়ার ১০ বছর অতিবাহিত হলেও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদ আপগ্রেডেশন ও নতুন পদ সৃষ্ট না হওয়া এবং বিভিন্ন পদ শূন্য থাকায় মাঠ পর্যায়ের কাজ কর্মে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ফলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মনে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

    তিনি আরো জানান, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২ এর আলোকে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) পদের আপগ্রেডেশন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পদ আপগ্রেডেশন, সচিবালয়ের ন্যায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম পরিবর্তণ এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সব শূন্যপদ/পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের এ পাঁচটি যৌক্তিক দাবি নিয়ে উক্ত অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গত ৮/১০ বছর ধরেই সুশৃঙ্খল আন্দোলন করে আসছে।

  • গোদাগাড়ীতে  খালেকুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত

    গোদাগাড়ীতে খালেকুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকে।। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার মাদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মরত প্রধান শিক্ষক মোঃ খালেকুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বচিত হয়েছেন। গোদাগাড়ী প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    খালেকুল ইসলাম মাদারপুর সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকে ন্যয়, নিষ্ঠা, সততার সাথে দায়িত্ব পালন করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী খুব আনন্দিত। তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানসম্মত উন্নত পাঠদান পদ্ধতিতে পাঠদান করায় শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছে, পরীক্ষার ফলাফল ভাল হচ্ছে। শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন এ প্রধান শিক্ষক। নিয়মিত মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মনিটারিং করা হয় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। প্রধান শিক্ষক শ্রেষ্ঠ হওয়ায় এলাকায় বইয়েছে আনন্দের বন্যা, মিষ্টি বিতরণ।

    মাদারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খালেকুল ইসলাম বলেন, এধরনে পুরস্কার পাওয়া সত্যি আনন্দের ব্যপার। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠ মনিটারিং করা, ক্লাস পরীক্ষা, সাপ্তাহিক পরীক্ষা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আলাদা ভাবে দেখভাল করা, ক্লাসে অনু উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিত করার জন্য নিয়মিত অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। জাতীয় দিবসগুলি নিয়মিত পালন করা, খেলাধুলাসহ সহপাঠ্যক্রমিক বিভিন্ন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ সৃষ্টি করা হয়।

    প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক নেতা মোঃ সিদ্দিক হোসেন বলেন, খালেকুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বচিত হওয়ায় আমরা খুশি, তার সাফল্য কামনা করচ্ছি। আগামীতে আরও ভাল করুক এ প্রত্যশা করি।

    গোদাগাড়ী উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাজাহান শাহীন বলেন, মোঃ খালেকুল ইসলাম উপজেলা সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। এ সাফল্যে প্রধান শিক্ষকের কর্মদক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • জয়পুরহাট ক্ষেতলালে এস এসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাট ক্ষেতলালে এস এসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাটঃ

    বন্যার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় জয়পুরহাট ক্ষেতলালেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলে। উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১২৯৯ জন। এবারে এস এসসি/ সমমানের পরিক্ষা ২০২২ এ অংশগ্রহণকারী, এস এসসি পরিক্ষার্থী ৭৭৯ জন, দাখিল পরিক্ষার্থী ২৩৮ জন, কারিগরি পরিক্ষার্থী ২৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।

    ক্ষেতলালে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন
    ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল হাসান,
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল্লা সরকার,
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ রওশন ইয়াজদানী, ডিআইও মাসুম খান।

    এসময় সংবাদ সংগ্রহ উপস্থিত ছিলেন, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার শাহিদুল ইসলাম সবুজ, ক্ষেতলাল রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক যুগান্তর প্রতিনিধি হাসান আলী , সাংবাদিক এস.এম মিলন আমান উল্লাহ আমান, শাহিনুর ইসলাম প্রমূখ।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ক্ষেতলাল উপজেলায় মোট তিনটি কেন্দ্রে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরীক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা চলাকালে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত উপজেলার সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • তারাকান্দায় পাখি শিকারের দায়ে শিকারীকে শাস্তি দিয়েছে ইউএনও

    তারাকান্দায় পাখি শিকারের দায়ে শিকারীকে শাস্তি দিয়েছে ইউএনও

    পাখিরা প্রকৃতির অপরূপ সুন্দর একটি অনুষঙ্গ। পাখিরা বনভূমি এবং বীজ পরাগায়ন থেকে শুরু করে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ এবং মাটির নিষেক করণ পর্যন্ত করে থাকে। কোন বন, খামারে বা কেবল বাগানেই হোক না কেন, এই পালকযুক্ত বন্ধুরা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অথচ সমাজের এক শ্রেণীর মানুষেরা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারী পাখিদের নির্বিঘ্নে শিকার করে আটক করে কেউ বিক্রি করে আবার কেউ খাচার ভিতরে রেখে গৃহবন্দী করে রাখে। আর এসব পাখি খেকো দের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছেন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত। ১৪ ই সেপ্টেম্বর বুধবার তিনি মোবাইল কোর্টের অভিযান চালিয়ে পাখি শিকার করে বাজারে এনে বিক্রির অপরাধের প্রেক্ষিতে এক পাখি শিকারীকে বণ্যপ্রানী (সংরক্ষণ) আইন ২০১২ মোতাবেক শাস্তি প্রদান করেন। কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কাওছার আহম্মদ খান, স্থানীয় বিসিআইসি ও বিএডিসি সার পরিবেশক হাবিবুর রহমান মাসুদ ও জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত পাখি গুলো মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

    উপজেলা বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ কমিটির নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় পাখি শিকারি ও পাচার করায় শিকারীকে মোবাইল কোর্টের আওতায় শাস্তি প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত ।

    ইউএনও মিজাবে রহমত জানান, শিকারিরা ভবিষ্যতে আর বন্যপ্রাণি শিকার না করার অঙ্গিকার করেছে। ভবিষ্যতে এধরণের অপরাধ করলে তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হবে।তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ এর ধারা ৬ অনুযায়ী পাখি শিকার, হত্যা, ক্রয় বিক্রয়, আটক রাখা, ইত্যাদি দণ্ডনীয় অপরাধ।

  • ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন আলভী

    ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন আলভী

    আসন্ন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলার সদস্য পদে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার দেওয়ান মোহাম্মদ সারোয়ার জাহান, সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোজাম্মেল হোসেন এর নিকট দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন, সদর উপজেলার সদস্য প্রার্থী, তরুণ মেধাবী রাজনীতিবিধ,সমাজ সেবক ও যুবনেতা আল আমিন আলভী।

    আল আমিন আলভী উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ও একজন সফল ব্যবসায়ী। রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী কর্মকান্ড ব্যস্ত থাকার পরও নির্বাচনী এলাকায় গরীব অসহায় মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে জনসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। উপজেলার রাজনীতির অঙ্গনে তিনি একজন জনবান্ধব নেতা হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিতও হয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের সকলপর্যায়ের নেতাকর্মী তাকে রাজনীতিতে সাদা মনের মানুষ হিসেবে জানেন।

    মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

    উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের ভোটারদের সাথে কথা বললে তারাও জানান- আল আমি আলভী একজন তৃর্ণমুল এর নেতা।আর তৃণমূলের একজন নেতাই গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের সমস্যা বুঝেন। তারা বলেন-আলভী একজন নিরহংকারী সাদামনের মানুষ।তার মাঝে কোন অহংকার নাই।যে কোন মানুষ,যেকোন বিপদে আপদে তাকে ডাকলে কাছে পায়,তার মত নেতাকে আমরা জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত করবো।

    মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার পর আল আমিন আলভী বলেন, আমি কোনদিন অপরাজনীতি করিনি। চেষ্ঠা করেছি, সবার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দিতে। বড়জনকে সম্মাণ করেছি, ছোটদের আদর স্নেহ দিয়েছি। সংগঠনকে গতিশীল করতে নেতাকর্মী সবার সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ করেছি। সবাইকে নিজের মতো করে আপন করার মধ্যদিয়ে রাজনীতি করেছি। তিনি আরোও বলেন, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলে, চেষ্ঠা করবো, সাধ্য মতো এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজে অংগ্রহন করতে এবং জনগনের সুখ দুঃখের সারথী হতে। আশাকরি দল ও ভোটাররা আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে।