Author: desk

  • আশুলিয়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ-ফিটিংবাজি ও খুন ধর্ষণসহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    আশুলিয়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ-ফিটিংবাজি ও খুন ধর্ষণসহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ-ফিটিংবাজি, খুন, ধর্ষণসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। সূত্র জানায়, নারীরা সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে পরিচয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে বিভিন্ন কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে যুবকদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ মুক্তিপণ আদায় করে। এর আগে এক যুবককে আটক রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী ফিটিংবাজ দুই নারীকে গ্রেফতার করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) জানা গেছে, দেশের প্রায় ৬৪ জেলার মানুষ কাজের সন্ধানে ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় আসেন আর আশুলিয়ায় স্থানীয়দের ছত্রছায়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে অনেকেই, এসব বিষয়ে প্রায় প্রতিদিন দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইন এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ-মাঝে মধ্যেই লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ, যার হিসাব রাখা খুবই কঠিন ব্যাপার। এর আগে গত ১০ মার্চ ২০২২ইং দুই অপহরণকারী ফিটিংবাজ নারীকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-মোছাঃ লিপি বেগম (২৭) ও মোছাঃ সীমা বেগম (২৫)। ভিকটিম হলেন, মোঃ সোলায়মান হক (২৬)। ওই ফিটিংবাজ নারীরা সম্পর্কে দুই বোন, তারা ভিকটিম যুবককে টার্গেট করে ফেসবুকে সম্পর্ক গড়ে তুলে এরপর কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে ফিটিং নেয়ার চেষ্টা করে। জানা যায়, উক্ত ফিটিংবাজ চক্রের সাথে এলাকার প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ অপহরণকারী ও ফিটিংবাজ কিছু যুবক রয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার খবর পেয়ে তারা কৌশলে পালিয়ে যায়।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষ গণমাধ্যমকে জানান, এক যুবক জাতীয় সেবা ‘৯৯৯’ নাম্বারে ফোন করে জানান, তার বন্ধু সোলায়মান হক তার বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অপহরণ হয়েছেন। তার বন্ধু আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গিয়েছিলো বান্ধবীর সাথে দেখা করতে, পরে তার বন্ধুর মোবাইল ফোন থেকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। তাদের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ নম্বর দেয় অপহরণকারীরা। জানানো হয়, দাবিকৃত টাকা না পাঠালে তার বন্ধুকে মেরে ফেলবে তারা। পুলিশ আরও জানায়, অপহরণকারীরা সোলায়মান হককে যখন মারধর করে তখন ফোন করেছিলো তার বন্ধুকে, এসময় ওই মারধরের শব্ধ শুনতে পাচ্ছিলেন কলার। তবে গ্রেফতার হওয়ার আগে তার বন্ধু বুদ্ধি খাটিয়ে কৌশলে হোয়াটসঅ্যাপে তার অবস্থানস্থল গুগল ম্যাপে পাঠিয়েছিলেন। সেই তথ্য সূত্র অনুযায়ী কলার জানান, তার বন্ধুকে আশুলিয়া থানার বাইপাইল ন্যাশনাল ব্যাংকের পেছনে একটি ভবনে আটক রাখা হয়েছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ৯৯৯-এর কলটি কনস্টেবল রেজোয়ান মিয়া রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল রেজোয়ান দ্রুত আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসারকে এ বিষয়ে জানান। ওই সময়ে রেজোয়ান টেলি কনফারেন্স এর মাধ্যমে কথা বলিয়ে দেন। পরে জাতীয় সেবা ৯৯৯-এর দায়িত্বে থাকা (এসআই) শাহরিয়ার রুবেল কলার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।
    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান (পিপিএম) এর নেতৃত্বে (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যান। এসময় এসআই শ্যামলেন্দু ঘোষসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উক্ত ভিকটিমকে আটকে রাখা বাড়িটি শনাক্ত করেন। সেটি ছিলো আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকার তাহের পাটোয়ারীর বাড়ি “কুসুম ভিলা”। এরপর বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী ভিকটিম সোলায়মান হককে উদ্ধার করেন। এরপর অপহরণকারী ও ভিকটিমের বক্তব্যে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে অপহরণের ফাঁদে ফেলার জন্য প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি করা হয়।পরে সোলায়মান প্রেমিকার সাথে দেখা করতে আসলে তাকে আটক রেখে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পুলিশ জানায়, সোলায়মানকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে লিপি বেগম ও তার বোন সীমা বেগমকে গ্রেফতার করে।
    জানা যায়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের পুরুষ সহযোগীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত লিপি বেগম ও সীমা বেগম লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানার বড়খাতা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে। তারা আশুলিয়ার গাজীরচটসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন বলে স্থানীয়রা জানান। আশুলিয়ায় এরকম অনেক নারী পুরুষ আছে তারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করে ফিটিংবাজি, চাঁদাবাজি ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরকম ২-৪জন গ্রেফতার হলেও অন্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে বলে অনেকেই জানান। সংবাদ প্রকাশ করলে গণমাধ্যম কর্মীদের ভয়-ভীতি পদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে আশুলিয়ায়। এসব ঘটনার সাথে কিছু বাড়িওয়ালা ও প্রভাবশালীরা অনেকেই জড়িত বলে ভুক্তভোগী এবং সচেতন মহল জানায়।
    ১৫/০৯/২০২২ইং জানা গেছে, আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ, পলাশবাড়ি. বাইপাইল, ভাদাইল, জামগড়া, শিমুলতলা, গাজিরচট, চিত্রশাইল, কাঠগড়া, ঘোষবাগ, বাগানবাড়ি, নরসিংহপুর, জিরাবো, দূর্গাপুর, পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। কিছু স্থানীয় প্রভাবশালীরা এসব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় ন্যায় বিচার থেকে বি ত হচ্ছে ভুক্তভোগীরা। উক্ত বিষয়ে পুলিশ, র‌্যাবসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল।

  • ABABA (আবাবা) অ্যাপস ব্যবহার করে  প্রতারনার অভিযোগে আত্মসাৎকারী চক্রের ২  সদস্য গ্রেপ্তার

    ABABA (আবাবা) অ্যাপস ব্যবহার করে প্রতারনার অভিযোগে আত্মসাৎকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    অনলাইন অ্যাপসের মাধ্যমে জনসাধারণের সাথে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের ০২ (দুই) সদস্য গ্রেপ্তার। ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আশিকুর রহমান,বিপিএম,পিপিএম (বার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ঝিনাইদহ সদর থানাধীন কুমড়াবাড়ীয়া এলাকায় ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে কতিপয় ব্যক্তি ABABA (আবাবা) অ্যাপস ব্যবহার করে এলাকার সাধারন জনগনের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রতারণা করছে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মহোদয় ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সদস্যদের কে বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেয়।পরবর্তীতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্ত করে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণ পায় এবং ইং-১৪/০৯/২০২২ তারিখ প্রতারক ১। মোঃ তাবিবুর রহমান (৩০), পিতাঃ মোঃ ইয়াহিয়া মুন্সি,সাং- রামনগর ২। সমাপ্তি খাতুন (২৩),স্বামী-মোঃ সবুজ,সাং- ডেফলবাড়ীয়া, উভয় থানা ও জেলা-ঝিনাইদহ কে গ্রেফতার করে এবং অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ০২ (দুই) টি এন্ড্রয়েড মোবাইল জব্দ করে। এ সংক্রান্তে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • সুজানগরের গাজনার বিলে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ

    সুজানগরের গাজনার বিলে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুজানগরে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রওশন আলীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খানের স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুল হাননান ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন। এ সময় উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আ.লীগ নেতা মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক,আনোয়ার হোসেন আয়নাল, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী খোকন বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান জানান, ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের বাস্তবায়নে এদিন উপজেলার খয়রান ব্রীজ সংলগ্ন গাজনার বিল/ প্লাবন ভূমিতে ৩৭০ কেজি, দুলাই ইউনিয়নের শিবরামপুর আশ্রয়ন পুকুরে ৪০ কেজি ও চরভবানীপুর আশ্রয়ন পুকুরে ৩০ কেজি সহ সর্বমোট ৪৪০ কেজি মৎস্য পোনা অমুক্তকরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    সুজানগরে নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় সুষ্ঠ ও নকলমুক্ত পরিবেশে বৃহস্পতিবার থেকে ৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এসএসসি,দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা। এদিন সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রওশন আলী। এ সময় সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম,উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন জানান, সুজানগর উপজেলায় এবারে সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চিনাখড়া উচ্চ বিদ্যালয়, নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ ও দুলাই উচ্চ বিদ্যালয় সহ ৫টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের মাধ্যমে দাখিল পরীক্ষা ও সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে এবছর উপজেলার ৫টি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার পরীক্ষার্থী, একটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রায় ৩০০ পরীক্ষার্থী এবং একটি ভোকেশনাল পরীক্ষা কেন্দ্রে উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫৫০জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিনে দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্ন বিতরণ

    নড়াইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিনে দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্ন বিতরণ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছে। নড়াইলের কালিয়া প্যারী শংকর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
    এর মধ্যে কালিয়া প্যারী শংকর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে বাংলা প্রথম পত্রের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন সরবরাহ করার পর বিষয়টি পরীক্ষার্থী ও কক্ষ পরিদর্শকদের নজরে আসে। এছাড়া বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৫টি প্রশ্ন সরবরাহের পর বিষয়টি নজরে আসলে কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন দেয়া বন্ধ করে দেন।
    এদিকে, লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রশ্ন সরবরাহের আগেই বিষয়টি নজরে আসে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমলেন্দু হিরা জানান, ১৫টি প্রশ্ন সরবরাহের পর বিষয়টি নজরে আসলে কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন দেয়া বন্ধ করে দেন। পরে তা গুছিয়ে নেয়া হয়।
    দিঘলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব সুভাষ চন্দ্র কুন্ডু বলেন, আমাদের এখানে সরবরাহকৃত একটি প্যাকেটে প্রথম পত্রের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্ন ছিল। এ প্যাকেটে ১০০ প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার্থীদের হাতে দেয়ার আগেই বিষয়টি আমাদের নজের আসে।
    কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নের প্যাকেটে প্রথমপত্রের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্র উল্লেখ করায় এ সমস্যা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম বলেন, কালিয়ায় সরবরাহকৃত প্যাকেটের উপরে বাংলা প্রথম পত্র লেখা থাকলেও ভেতরে দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্ন পাওয়া গেছে। কক্ষ পরিদর্শকেরা এ প্রশ্ন বিতরণ করলেও তাৎক্ষণিক সবার কাছ থেকে তা গুছিয়ে নেয়া হয়েছে। #

  • নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখছেন এসপি সাদিরা খাতুন

    নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখছেন এসপি সাদিরা খাতুন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১:০০ ঘটিকায় জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে নড়াইল পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সাথে পুলিশ সুপার এ মতবিনিময় সভা করে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার, মোসা: সাদিরা খাতুন । মতবিনিময়ের শুরুতে পুলিশ সুপার সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং পূজা উদযাপন বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সকলের মতামত শোনেন। পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নড়াইল জেলা পুলিশ সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রেখে
    সরকারি সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে এবং নড়াইল জেলা পুলিশের মেসেজ তৃণমূল পর্যায়ে সকলের নিকট পৌঁছে দিতে সকলকে আহবান জানান। এ সময়ে তিনি পূজা মন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের পূজামন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন,স্বেচ্ছাসেবক ও গার্ড নিয়োগ, কলাপসিবল গেটের ব্যবস্থা করা, সীমানা প্রাচীর তৈরী এবং পূজা মন্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মন্ডপে পালাক্রমে ডিউটির ব্যবস্থা করার জন্য
    অনুরোধ করেন। এছাড়া কোথাও কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিট অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ৯৯৯ অথবা পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবহিত করার জন্য তিনি সকলকে পরামর্শ দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, প্রশাসন ও অর্থ জনাব মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এন্ড অপারেশন এস, এম,কামরুজ্জামান, পিপিএম, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডূ,সহ-সভাপতি বাবুল সাহা, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, অসীম কুমার দাস,সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার
    সরকার, লোহাগড়া থানা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পরীক্ষিত শিকদার,বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতি তপন কুমার বিশ্বাস, মলয় কুমার বিশ্বাস সহ নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন কমিটির অন্যান্য সভাপতি সেক্রেটারি এবং সদস্যগণ
    সহ নড়াইল জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • রাঙ্গাবালীতে মায়ের দোয়া বেকারির মালিক’কে ১ মাসের কারাদন্ড

    রাঙ্গাবালীতে মায়ের দোয়া বেকারির মালিক’কে ১ মাসের কারাদন্ড

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী:
    পচাঁ, বাশি দ্রব্য রাখা এবং খাবারের সাথে কেমিক্যাল মেশানোর দায়ে পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে আবু তাহের নামের এক বেকারি মালিককে ১ মাসের কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাঙ্গাবালী উপজেলা সদর বাহেরচর বাজারের মায়ের দোয়া নামের বেকারি কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মো.সালেক মুহিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.সালেক মুহিদ জানান, ময়লা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বেকারি তৈরী হচ্ছে এমন অভিযোগে মায়ের দোয়া নামের বেকারি কারখানায় অভিযান চালানো হয়।

    পরে কেমিক্যাল দিয়ে বেকারি তৈরীর প্রমাণ মেলে এবং পঁচা বিস্কুট ও কেক পাওয়া যায়। অপরাধী তার দোষ শিকার করছেন। যার কারণে তাকে এক মাসের কারাদন্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।

  • জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমনের মনোনয়নপত্র দাখিল

    জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমনের মনোনয়নপত্র দাখিল

    আব্দুল আউয়াল বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    আসন্ন বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি,পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের জ্যেষ্ঠ সহ- সভাপতি রাহাদ সুমন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার সিনিয়র নির্বাচন ও রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ নুরুল আলমের কাছে তিনি এ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এসময় বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা,বানারীপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম,বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা,যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া বরিশাল প্রতিনিধি।

  • পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিলেন রাজু

    পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিলেন রাজু

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ড-৪(সুজানগর উপজেলা) সদস্য পদে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ। এ সময় সুজানগর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পাশু সরদার, আহম্মদপুর ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ, যুবলীগ নেতা মোস্তফা, আলাল উদ্দিন, মিজানুর রহমান রুবেল, খন্দকার রাসেল, বাদশা, রাকিব হাসান রতন, সাচ্চু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়ন ফরম জমা প্রদান শেষে সরদার রাজু আহমেদ বলেন, আমি কোনদিন অপরাজনীতি করিনি। চেষ্টা করেছি সবার অংশগ্রহন ও সহযোগিতায় পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দিতে। সংগঠনকে গতিশীল করতে নেতাকর্মী সবার সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ করেছি। সবাইকে নিজের মতো করে আপন করার মধ্যদিয়ে রাজনীতি করছি। তিনি আরো বলেন, পাবনা জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হলে চেষ্টা করবো এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজে বিশেষ অবদান রাখতে। জনগণের সুখ দুঃখের সাথী হতে। আশাকরি দল এবং সকল ভোটারেরা আমার ত্যাগের মূলায়ন করবে। জানাযায়, আওয়ামী পরিবারে জন্ম হওয়ায় ১৯৯৩ সালে নবম শ্রেণীর ছাত্র থাকা কালীন সময় থেকে সরদার রাজু আহমেদের ছাত্রলীগের রাজনীতির হাতেখড়ি। ১৯৯৫ সালে এন এ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা এবং ১৯৯৭ সালে পাবনা সরকারী এডওয়ার্ড কলেজে বি কম অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর ১৯৯৯ সালে ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচন করার মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর কলেজ থেকে তাকে বিতারিত করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার এক নম্বর যুগ্ন আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। বিএনপি জামায়াত এর দায়ের করা মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলায় ২০০৬ সালের ১১ জুলাই ঢাকা থেকে গ্রেফতারের পর সরদার রাজু আহমেদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় এবং বাম পা ভেঙ্গে দেয় র‌্যাব । সে সময় দীর্ঘ ১৯ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। ওয়ান ইলেভেনের সময় বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কারা মুক্তির দাবিতে রাজপথে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল-সমাবেশ করার কারণে সরদার রাজু আহমেদকে মামলার আসামি বানিয়ে সে সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালায় সেনাবাহিনী। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে তিনি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়া রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার বিএনপি-জামায়াত এর পাশাপাশি পুলিশের দ্বারা নির্যাতনেরও স্বীকার হন। উল্লেখ্য সরদার রাজু আহমেদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত আবুল কাশেমের পুত্র এবং সুজানগর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের আপন বড় ভাই।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগর পৌরসভায়  টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন

    সুজানগর পৌরসভায় টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুজানগরে নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে ৩ ধরনের পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( টিসিবি)। সুজানগর পৌরসভা সহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবি ডিলাররা। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সুজানগর পৌরসভায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় সুজানগর পৌরসভার ২ হাজার একশত বাইশটি পরিবার সহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১৭ হাজার ছয়শত সতেরোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে টিসিবি ডিলারদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে পারবেন। ৪ জন ডিলার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ সকল পণ্য বিক্রি করবেন। এদিকে লাইনে দাঁড়িয়ে কম মূল্যে টিসিবির নিত্য পণ্য চিনি,মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল কিনতে পেরে খুশি নি¤œ আয়ের মানুষেরা। তবে ডিলার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকেরা। আর গ্রাহকের সুবিধার্থে পণ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়ার দাবি করেছেন টিসিবির ডিলারেরা। উদ্বোধনকালে সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের কোন মানুষ না খেয়ে মরবে না । দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে সরকার। এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।