Author: desk

  • ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম (ডিবি) প্রধান হিসেবে নিযু-ক্ত হওয়ায় অভি-নন্দন

    ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম (ডিবি) প্রধান হিসেবে নিযু-ক্ত হওয়ায় অভি-নন্দন

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম (ডিবি) প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

    জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার কৃতি সন্তান ডিআইজি মো: শফিকুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের একজন সৎ, দক্ষ, মেধাবী, কর্মঠ ও চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। মো: শফিকুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শেষ করে ১৯৯৯ সালে অনুষ্ঠিত ১৮তম বিসিএস এ বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

    শফিকুল ইসলাম (শফিক) কর্মজীবনের শুরুতে ২০০০ সালে লক্ষীপুর জেলায় সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। এরপর থেকে সেখানে দক্ষতার সাথে ৯ মাস দায়িত্ব পালনের পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে এ্যাসিসটেন্ট পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে ২ মাস কর্মরত ছিলেন শফিকুল ইসলাম। সেখান থেকে ২০০২ সালে তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তে যোগদান করেন। ডিবিতে ২০০৭ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ৫ বছর কর্মরত ছিলেন। এরপর তিনি সারদা পুলিশ একাডেমিতে ২মাস এ্যাডিশনাল এসপি (ট্রেনিং) এ দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৭ সালের জুন মাসে জাতিসংঘ মিশনে লাইবেরিয়া’তে চলে যান। মিশন থেকে এসে ২০১০ সালে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হোন। তিনি ২০১০ সালে আবারও জাতিসংঘ মিশনে লাইবেরিয়া যান। ২০১৩ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি সিলেট মেট্রোপলিটন এ পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৪ সালে তিনি ৩য় বারের মতো জাতিসংঘ মিশনে আইভরি কোস্ট এ যান। আইভরি কোস্ট থেকে মিশন শেষ করে পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশে যোগদান করেন। এরপর ২০১৯ সালে বাংলাদেশ নৌ-পুলিশের এসপি’র দায়িত্ব পান। ২০২১ সালে পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ নৌ-পুলিশে অতিরিক্ত ডিআইজি (এ্যাডমিন এন্ড অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। এরপর তিনি বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশে ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্বরত ছিলেন। এখন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গোয়েন্দা ডিবি প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

    জনাব শফিকুল ইসলাম অপরিসীম বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে (পিপিএম) এবং ২০২০ সালে (বিপিএম) পদক লাভ করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে মো: শফিকুল ইসলাম শফিক ২ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রীর নাম সুমাইয়া পারভীন। তিনি উত্তরবঙ্গের মানুষের অহংকার, পুলিশ বাহিনীর গর্ব।

  • শিবপুরে তিন প্রেমি-কের হাত ধরে পা-লালো একই পরিবারের ৩ মেয়ে, এলাকায় চা-ঞ্চল্যকর সৃষ্টি

    শিবপুরে তিন প্রেমি-কের হাত ধরে পা-লালো একই পরিবারের ৩ মেয়ে, এলাকায় চা-ঞ্চল্যকর সৃষ্টি

    হেলাল শেখঃ নরসিংদী জেলার শিবপুরে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা, তিন প্রেমিকের হাত ধরে পালালো একই পরিবারের ৩ মেয়ে, সম্পর্কে তিন চাচাতো বোন।

    স্থানীয়রা জানান, শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের একই পরিবারের তিন চাচাতো বোন গত বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেমিকদের হাত ধরে পালিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন বোনের প্রত্যেকের বয়স ১৫-১৬ বছর। তাদের প্রেমিকদের বাড়ি একই ইউনিয়নের আক্রাশাল, কুন্দারপাড়া ও শ্রীফুলিয়া গ্রামে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়রা নিখোঁজ তিন বোনের সন্ধানে তৎপরতা চালাচ্ছে।

    এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে কি না, জানতপ চাইলে থানা পুলিশ জানায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিন ভিকটিমের কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি বলে তাদের পরিবারের দাবি।

  • নাঙ্গলকোটে প্রত্যয় সংগঠনের উদ্যোগে বৃ-ক্ষরোপণ কর্মসূচি

    নাঙ্গলকোটে প্রত্যয় সংগঠনের উদ্যোগে বৃ-ক্ষরোপণ কর্মসূচি

    মোঃ আব্দুর রহিম বাবলু :-
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আজ বৃক্ষরোপণ প্রত্যয় সংগঠনে উদ্যোগে ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার নাঙ্গলকোট খানকায়ে মুহিব্বিয়া দীনিয়া মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছ।
    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যয় সংগঠনের সহ-পরিচালক আব্দুল মান্নান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাকিম , সহ প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবলু,সহ প্রচার সম্পাদক মাওলানা ইউসুফ আলী , প্রবাসী সদস্য ফয়সাল ইসলাম,নাঙ্গলকোট খানকায়ে মুহিব্বিয়া দীনিয়া মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা নিজাম উদ্দিন সহ মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মসজিদ নি-র্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন- ডিসি গোপালগঞ্জ

    সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মসজিদ নি-র্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন- ডিসি গোপালগঞ্জ

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মসজিদ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্মসচিব) মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

    আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে তিনি সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যদিয়ে মসজিদ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর এর উদ্বোধন করেন। গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে উক্ত কলেজ ক্যাম্পাসে এ মসজিদ নির্মাণ হবে বলে জানা গেছে।

    এ সময় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ওহিদ আলম লস্কার, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ মোঃ মহব্বত আলী, গোপালগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম তারেক সুলতান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউর রহমান সহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষকগণ ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • রহমতপুরে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মিন্টু, সম্পাদক কামাল নি-র্বাচিত

    রহমতপুরে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মিন্টু, সম্পাদক কামাল নি-র্বাচিত

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন রহমতপুরের গুরুত্বপূর্ণ ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে খানপুরা আলীম মাদ্রাসায় এ কর্মী সভা বসে।

    সভায় এলাকার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে কণ্ঠ ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। এতে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিন্টু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন কামাল সিকদার।

    কর্মী সভায় বক্তারা বলেন, স্থানীয় সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় রাখতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নতুন সভাপতি ও সম্পাদক তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন।

    নির্বাচিত সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু ও সম্পাদক কামাল সিকদার নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তারা দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

    কর্মী সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদারীপুরে রাতের আঁ-ধারে বসতবাড়িতে দু-র্বৃত্তদের স-শস্ত্র হা-মলা

    মাদারীপুরে রাতের আঁ-ধারে বসতবাড়িতে দু-র্বৃত্তদের স-শস্ত্র হা-মলা

    আরিফুর রহমান মাদারীপুর প্রতিনিধি
    মাদারীপুরে রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে দুর্বৃত্তদের সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে মাদারীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এইচ এম আতিকুর রহমান বাবুর বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে।

    ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের শামসুন্নাহার স্কুল সংলগ্ন প্রতিবন্ধী স্কুলের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন আতিকুর রহমান বাবু। মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন দুর্বৃত্ত একযোগে তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা থাই গ্লাস, দেয়াল ও তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং লুটপাটেরও চেষ্টা চালায়।

    এ সময় বাড়িতে পুরুষ সদস্য কেউ না থাকায় বাবুর মা, স্ত্রী রুনিয়া আক্তার ও দুই সন্তান ভয়াবহ আতঙ্কের মধ্যে পড়েন। হামলার সময় রুনিয়া আক্তার তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

    বাবুর স্ত্রী রুনিয়া আক্তার জানান,“প্রতিদিনের মতো রাতে আমরা সবাই খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। বাড়িতে তখন আমি, আমার শাশুড়ি ও দুই সন্তান ছিল। হঠাৎ প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে আমাদের বাড়ির থাই গ্লাস, দেয়াল ও তালা ভেঙে লুটপাটের চেষ্টা করে। আমরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

    এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

    আরিফুর রহমান
    মাদারীপুর প্রতিনিধি।

  • নোয়াখালীতে চালককে হ-ত্যা করে অ-টোরিকশা ছি-নতাই

    নোয়াখালীতে চালককে হ-ত্যা করে অ-টোরিকশা ছি-নতাই

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    চালককে হত্যা করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পার্শ্ববর্তী সুবর্ণচরের চরজব্বার ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ির পাশ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত অটোরিকশাচালকের নাম মো.রফিকুল ইসলাম (৫৫)। তিনি সিরাজপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের ফজল হক মিয়ার বাড়ির আক্কেল আলীর ছেলে। নিহতের মেয়ে মৌসুমী বেগমের বরাত দিয়ে তার বান্ধবী পাকিজা আক্তার জানান,গত ২-৩ মাস আগে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কিনেন রফিকুল ইসলাম। সোমবার বাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে যান তিনি। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল করে বন্ধ পায়। পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ির পাশে স্থানীয় লোকজন তার মরদেহ পড়ে থাকতে দাখে। তার গলায় দড়ির দাগের ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ চরজব্বার ইউনিয়ন ৫নম্বর ওয়ার্ডে ফেলে অটোরিকশা ও মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে এলাকাবাসী মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।
    চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, প্রাথমিক ভাবে এটিকে হত্যাকান্ড মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায় নি। মরদেহের গলায় গোলাকার দড়ি পেঁঁছানো কালো একটি দাগ আছে, বাম হাতের আঙুল থেতলানো, পিঠের পিছনে ফোলা জখম। মুখের মধ্যে কি দিয়ে, নাক-মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। অন্য কোন পদার্থ কিনা দেখা হচ্ছে।
    ওসি আরও বলেন, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
    নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নোয়াখালীর সেনবাগে ঘুমের মধ্যে ৪(চা) মাস বয়সী শিশুর মৃ-ত্যু

    নোয়াখালীর সেনবাগে ঘুমের মধ্যে ৪(চা) মাস বয়সী শিশুর মৃ-ত্যু

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় ঘুমের মধ্যে (৪)চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের জিরুয়া পশ্চিম পাড়া আলী আহম্মদ মাষ্টার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
    নিহত শিশুটির নাম লাইবা। সে স্থানীয় ব্যবসায়ী জিয়াউল হক লিটনের কন্যা।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে লাইবা ছিল সবার ছোট। সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা শারমিন আক্তার তাকে শোবার ঘরে ঘুম পাড়িয়ে গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত হন। কিছুক্ষণ পর রুমে ফিরে এসে দেখেন শিশুটি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। দ্রুত স্বজনেরা সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. কামাল হোসেন বলেন, “শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়।

  • ব্রাহ্মণপাড়ায় অর-ক্ষিত জ-মিদার বাড়ি বি-লীন হচ্ছে, দেখবার নেই প্রত্ন-তাত্ত্বিক নিদ-র্শন বি-ভাগের

    ব্রাহ্মণপাড়ায় অর-ক্ষিত জ-মিদার বাড়ি বি-লীন হচ্ছে, দেখবার নেই প্রত্ন-তাত্ত্বিক নিদ-র্শন বি-ভাগের

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা দঃ প্রতিনিধি,
    বাংলাদেশের অনেক স্থানেই রয়েছে ঐতিহাসিক অনেক অনেক নিদর্শন। যা দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনও ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার একটি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের তেঁতাভূমি এলাকার তারেক রাজা চৌধুরী বাড়ি।
    কালের স্বাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচুু করে দাঁড়িয়ে আছে বাড়িটি। বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়িটি দেখার জন্য ইতিহাস ঐতিহ্য বিনোদন
    প্রেমী মানুষজন ছুটে আসছেন।
    স্থানীয়দের অভিমত সংরক্ষণের অভাবে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কালের সাক্ষী ওই বাড়িটি।
    প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিভাগের কর্মকর্তাদের আজো যে চোখে পরেনি এইটাই জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।অবহেলা অযত্নের
    ফলে নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পুরনো ইতিহাস।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই বাড়িটি তৎকালীন জমিদার তারেক রাজা চৌধুরীর। তারেক রাজা চৌধুরী তেঁতাভুমির জমিদার হিন্দু পরিবার ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ছিলেন। তিনি একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে পার্শ্ববর্তী চড়ানলের স্থায়ী বসতীস্তাপন করে ছিলেন।

    পরে একসময় সপরিবারে ভারতে চলে যান। তেতাভুমির পরিত্যক্ত ওই জমিদার বাড়ি তার নামেই তারেক রাজা চৌধুরীর বাড়ি নামে আজও পরিচয় বহন করছে।
    ওই পরিত্যক্ত বাড়ির প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষণাবেক্ষণের দাবি এলাকাবাসীর।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তারেক রাজা চৌধুরীর ওই বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রাচীন ওই অট্টালিকা থেকে সংরক্ষণের অভাবে ইট সুরকি খসে খসে পড়ছে। খসে যাওয়া দালানটির ইটের ফাঁকে ফাঁকে গজিয়েছে পরজীবি বৃক্ষ। জমেছে শেওলার আস্তরণ। বাড়ির বিভিন্ন কামরায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে লোহার সিন্ধুক, আসবাবপত্র ও জমিদার পরিবারে ব্যবহারিক নানা সামগ্রী। কোথাও কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। বাড়িটির পাশের আরেকটি ভবন সংরক্ষণের অভাবে আগেই বিলীন হয়ে গেছে।
    কথা হয় ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের সাথে, তিনি জানান, তারেক রাজা চৌধুরী জমিদার ছিলেন। তার জমিদারীর চিহ্ন আজও বহন করছে বাড়িটি। এই বাড়িটি সংরক্ষণ করলে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরা যাবে। সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
    স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, তারেক রাজা চৌধুরী জমিদার বাড়িটি দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাড়িটি সংরক্ষণ করা হলে আগামী প্রজন্ম এর ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হবে।

    এব্যপারে শশীদল ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম রিয়াদ বলেন, ঐতিহ্য ও ইতিহাস দেশের সম্পদ। প্রতিটি জাতি তাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাস নিয়ে গর্ববোধ করে। আমাদের এ দেশের বিভিন্ন এলাকায় থাকা পুরনো স্থাপত্য সংরক্ষণ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তেঁতাভূমির ওই জমিদার বাড়িটি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। অনাগত প্রজন্ম এর থেকে এ দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ে জানতে পারবে।
    ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, আমি এইমাত্র আপনার কাছ থেকে শুনতে পেরেছি বাড়িটির কথা আমাদের সকলের উচিত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করতে হলে এসব পুরাতন স্থাপনাকে সংরক্ষণ করতে হবে। আমি এই রাজার বাড়িটি পরিদর্শন করে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

  • জিআই স্বীকৃ-তি পেল ফুলবাড়িয়ার সুস্বাদু লাল চিনি

    জিআই স্বীকৃ-তি পেল ফুলবাড়িয়ার সুস্বাদু লাল চিনি

    মোঃ সেলিম মিয়া, ফুলবাড়িয়া : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কৃষকের আবাদকৃত অন্যতম ফসল আখ। এই আখ থেকে হাতে তৈরি লাল চিনি স্বাদে ভরপুর। এবার সেই লাল চিনি পেয়েছে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের মর্যাদা। এমন খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ ও প্রবাসে অবস্থানকারী ফুলবাড়িয়ানরা ভাইরাল করে ফুলবাড়িয়ার লালচিনি। জানা যায়, আখ এই এলাকার সুপরিচিত নাম। আঞ্চালিক ভাষায় কুশাইল অথবা উক নামে বেশ পরিচিত। পৌষ মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে একটানা ফাল্গুন-চৈত্র মাস পর্যন্ত চলে আখ মাড়াই ও হাতে তৈরি লাল চিনি তৈরির ধুম। ঐ সময়টাতে লাল চিনি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করে উপজেলার বাকতা, কালাদহ, এনায়েতপুর এবং রাধাকানাই ইউনিয়নের প্রায় ২০/২২টি গ্রামের কৃষক-কৃষানিরা। জ্বাল ঘরে (দু’চালা পাতা দিয়ে ছাউনি সাময়িক ঘর) কড়াইয়ে আখের রস জ্বাল দেওয়া হয়। দূর থেকে বাতাসে ভেসে আসে গরম গরম লাল চিনির ম-ম ঘ্রাণ। লাল চিনির শরবত নয়, এটি দিয়ে মুড়ির মুয়া, পিঠা-পায়েস, চিড়ার নাড়–, খিরসহ বাহারি মিষ্টিজাতীয় রান্নায় যুগ যুগ ধরে এই জনপদের মানুষের কাছে এই চিনি বেঁচে আছে গ্রামীণ ঐতিহ্য হিসেবে। পৌষের শেষ দিকে শুরু হয়ে চৈত্র মাস পর্যন্ত চলে আখ মাড়াইয়ের কার্যক্রম। আখ মাড়াই করে রস বের করার সময় ফুলবাড়িয়ার গ্রামে গ্রামে শুরু হয়ে যায় উৎসবের আমেজ। খবর দেওয়া হয় পরিবারের দূর-দূরান্তের আত্মীয় স্বজনদের। মেয়ে, মেয়ের জামাই, কিংবা ছেলের শ্বশুরবাড়ির লোক, বোন, মামা, ফুফা, খালা-খালু, শ্যালক-শ্যালিকাসহ গ্রামের সবাই মিলে একে অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমে সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত আখের রস জ্বাল করে হাতে তৈরি করা হয় লাল চিনি। বড়দের পাশাপাশি শিশু, কিশোর-কিশোরীরাও সমান তালে কাজ করে ঐ সব গ্রামে। লাল চিনি দিয়ে তৈরি হয় মজাদার খাবার ‘খির’। এখনও ফুলবাড়িয়ায় নতুন জামাইকে শাশুড়ি গরম খির খাইয়ে আদর করে থাকেন। গ্রামে প্রবাদ রয়েছে ‘করলে তৈরি লাল চিনির খির, খাওয়ার জন্য পড়ে যায় ভিড়।’ বাংলাদেশে একমাত্র ফুলবাড়িয়াতেই তৈরি হয় এই লাল চিনি। ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে পাহাড়ি লাল মাটিতে এক সময় প্রচুর পরিমাণে আখের আবাদ হতো। অন্য ফসলের তুলনায় দামের দিক দিয়ে কম, আখ চাষে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও কম। ফলে আখ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করছেন অনেক কৃষক। দিনে দিনে ফুলবাড়িয়ায় কমছে হাতে তৈরি লাল চিনির উৎপাদন। তবে ইদানিং বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষেরা চিনি সংগ্রহের আগ্রহ প্রকাশ করায় বেড়েছে চাহিদা। পাল্লা দিয়ে দামও বেড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নূর মোহাম্মদ জানান, এ স্বীকৃতির কার্যক্রম অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। এমন খবরে আমরা উচ্ছসিত, এতে কৃষকরা আরও সাহস পাবে। ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গন্ডি পেরিয়ে বিশ^ অর্থনীতিতে স্থান করে নিবে। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে তাদের ওয়েব সাইডে ২৫ জুলাই এর মধ্যে কোন আপত্তি না থাকায় ৩১ জুলাই চূড়ান্ত তালিকায় ৫৮ নম্বর রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয়। উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, খুবই খুশির খবর। আমার সময়ে পূর্ণতা পেয়েছে ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি শুরুটা হয়েছিল অনেক আগে। এ অঞ্চলের একটা পণ্য দেশ ও দেশের বাহিরে যাবে খুবই গর্বের। আমরা আজকেই সরকারি সনদ পেতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছি।