Author: desk

  • প্রতিবাদী ও অমিতাচারী কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা

    প্রতিবাদী ও অমিতাচারী কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা:
    ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের স্রষ্টা তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র ৬৬ তম জন্মবার্ষিকীতে রবিবার
    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পিডিএম ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে কবির সমাধীতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সকাল ১০ টায় সংগঠনের সদস্য তুহিন মন্ডল, সজীব মন্ডল সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যের উপস্থিতিতে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। পিডিএম ফাউন্ডেশের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান দিপংকর মৃধা ‘দৈনিক নতুন বাজার’ কে বলেন, কৈশোরবেলা থেকেই সাহিত্যমনা ছিলেন রুদ্র। কবিতা পড়তে ও আবৃত্তি করতে ভালোবাসতেন; কবিতা ছিলো তার মজ্জাগত। তার জীবনের প্রধান একটা অংশ জুড়ে দখল করেছিল কবিতা। অন্যদিকে পরিণত বয়সে এসে জীবনের জন্য কবিতা নয় বরং কবিতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। দিপংকর মৃধা বলেন আমার জানা মতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়ার আগেই সাহিত্যে প্রচণ্ড অনুরাগ ছিলো তার; আর অনুরাগ থেকেই কবিতা লেখায় হাতে-খড়ি। সময়ের চিলেকোঠায় ‘কবিতা’নাম্নি বর্গক্ষেত্রের মধ্যেই রুদ্র মানুষের একাকিত্বতা, নিমগ্নতা, লৌকিক সভ্যতার মানচিত্র এঁকেছেন দক্ষ হাতে। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ কবি, কবি এবং কবি। কবির ঊর্ধ্বে আর কিছুই নন তিনি। তার কবিতা স্বপ্ন দেখায় কবিতার আড়ালে এক বিশুদ্ধ সময়ের। দিপু মৃধা বলেন, রুদ্র তার কবিতায় অপ্রতিরোধ্য গতি সৃষ্টি করে সহজেই পৌঁছে গেছেন কালোত্তীর্ণের কাতারে। ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয়, চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী। চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে, আমার না-থাকা জুড়ে’মোংলার মিঠেখালির বুকে শুয়ে আছেন কবিতার এই খেয়ালী চাষা। সব বাঁধা ছিঁড়ে যে কবি বেরিয়ে এসেছেন, তাঁর কাঁধে এখন বাংলা কবিতার জোয়াল!
    ভালোবাসার তীব্রতাকে প্রতিবাদের রূপ দিয়ে আশির দশকে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি আমাদের বাংলা সাহিত্যের দ্রোহ এবং প্রেমের কবি। কবি মহলে ‘প্রতিবাদী রোমান্টিক’ শিরোনামেও পরিচিত এই কবি। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের একজন সফল গীতিকার। তার লেখা গান শুধু বাংলাদেশে নয়, ওপার বাংলাতেও বেশ জনপ্রিয়। কবিতাপ্রেমী ও দ্রোহ অনুরাগীদের কাছে রুদ্রের কবিতা নিঃসঙ্গ রাতের এক অপার স্বস্তি। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র ৬৬ তম জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশন পক্ষথেকে তারুণ্যের তেজোদীপ্ত কবি রুদ্রকে
    জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে রাত পোহালে জেলা পরিষদের সদস্য পদে ভোট শুরু গণজোয়ারে হাতি মার্কা-মোস্তাফিজুর

    ঠাকুরগাঁওয়ে রাত পোহালে জেলা পরিষদের সদস্য পদে ভোট শুরু গণজোয়ারে হাতি মার্কা-মোস্তাফিজুর

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ে রাত পোহালে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ভোট শুরু।

    জানা যায়,১৭ই অক্টোবর ২০২২ সোমবার সকাল ৯ ঘটিকা হতে ঠাকুরগাঁও সদর সহ মোট ৫টি উপজেলায় সদস্য পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ইভিএম পদ্ধতিতে জেলার সকল ভোট কেন্দ্র সিসি ক্যামরা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।আসন্ন ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে পীরগঞ্জে সদস্য পদে এগিয়ে রয়েছেন ৯নং সেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৎ,নির্ভীক,ন্যায় নীতিবান ও শিক্ষানুরাগী,মহান নেতা পীরগঞ্জ উপজেলার সুনামধন্য ব্যক্তি।

    আসন্ন ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে পীরগঞ্জ উপজেলা সদস্য পদে একমাত্র যোগ্য প্রার্থী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম পীরগঞ্জ উপজেলার ভোটার সদস্যদের মুখে মুখে তার নাম শোনা যায়।পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ঘুরে একই সুর শুধু মোস্তাফিজুর।সৎ ও যোগ্য লোক,আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে পীরগঞ্জে সদস্য পদে মোস্তাফিজুরের কোন বিকল্প নেই। মোস্তাফিজুর কে ভোট দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভোটার সদস্যবৃন্দ।

    এবিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিক বলেন আমি কখনো দালালী,ঘুষ,দূর্নীতি পছন্দ করিনা।আমাকে প্রিয় ভোটার সদস্য ভাইয়েরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সকলের সাথে সুসন্পর্ক বজায় রেখে কাজ করবো।

  • নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে…. ইউএনও মমতাজ বেগম

    নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে…. ইউএনও মমতাজ বেগম

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অত্র এলাকার কোন নির্বাচনে এবারই প্রথম ইভিএম (ইলেকট্রিক) পদ্ধতিতে ভোট দিবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী জেলার পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত খুলনা জেলা পরিষদের ৩নং সাধারণ ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে ১০টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৬। সংশ্লিষ্ট এ ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ জন প্রার্থী। হাতি প্রতীকে নির্বাচন করছেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজু, বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে নির্বাচন করছেন সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান গাজীর ভাই মোঃ রবিউল ইসলাম রবি গাজী, তালা প্রতীকে নির্বাচন করছেন আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শেখ কামরুল হাসান টিপু’র ভাতিজা এ্যাডঃ শেখ তৈয়ব হোসেন নূর, বক প্রতীকে নির্বাচন করছেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মন্ডল, টিউবওয়েল প্রতীকে নির্বাচন করছেন সালমান আলী শেখ। ইতোমধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করার মধ্য দিয়ে প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন। জয়ের ব্যাপারে সবাই আশাবাদী হলেও দ্বি-মুখী লড়াই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক রাজু জানান, জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী, এলাকার উন্নয়ন ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা আমাকেই নির্বাচিত করবেন। রবিউল ইসলাম রবি গাজী জানান, নির্বাচনে প্রত্যেক ভোটারকে গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন ও সাড়া পেয়েছি। নির্বাচিত হলেও একই ভাবে সব এলাকাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সরকারের উন্নয়ন এবং অগ্রগতিকে এগিয়ে নিবো। এ্যাডঃ শেখ তৈয়ব হোসেন নূর জানান, পেশায় একজন দক্ষ আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এবং যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা আমাকেই নির্বাচিত করবেন বলে আশা করছি। কৃষ্ণপদ মন্ডল জানান, ভোটাররা জনপ্রতিনিধি হওয়ায় সবাই অনেক সচেতন। আশা করি কোন সুবিধার বিনিময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কেউ ভুল করবেন না। যোগ্য প্রার্থীকেই ভোটাররা ভোট দিবেন। এদিকে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সবাই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান করবেন। প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে কেন্দ্রের ভিতর এবং বাহির সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া র‌্যাব সহ অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবে। কোস্ট গার্ড প্রস্তুতি থাকবে, প্রয়োজন হলে তারাও চলে আসবে। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষনিক কেন্দ্র মনিটরিং করবেন। কেন্দ্রের ২শ গজের মধ্যে ভোটাররা ছাড়া সাধারণ কোন মানুষ চলাচল করতে পারবে না। সম্পূর্ণ শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইউএনও মমতাজ বেগম।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা॥

  • চোখ ওঠা রোগে চশমা কেনার হিড়িক; মিলছেনা চোখের ড্রফ

    চোখ ওঠা রোগে চশমা কেনার হিড়িক; মিলছেনা চোখের ড্রফ

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা,খুলনা॥
    পাইকগাছায় হঠাৎ করে চোখ ওঠা রোগী রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে রোগটি। ফলে দৈনন্দিন কাজের সময় সংক্রমণজনিত ছোঁয়াচে এই রোগ থেকে বাঁচতে চশমার দোকানে ভিড় বেড়েছে। তবে মিলছে না চোখের ড্রপ।
    শিশু শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষ সম্প্রতি এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ছে রোগী থেকে সুস্থদের মাঝে। কোনো কোনো পরিবারের এক বা একাধিক ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
    পাইকগাছা ও কপিলমুনির চশমার দোকানগুলোতে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতার চাপকে পুঁজি করে বেড়ে গেছে দামও। অন্যান্য সময় যেখানে ৫০ থেকে ১০০ টাকায় চশমা মিলতো এখন সেখানে গুনতে হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। পাইকগাছা সুমা অপটিক্যালের মালিক মোঃ জাহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, চোখ ওঠার কারণে কালো রঙ্গের চশমার চাহিদা বেড়েছে। চোখ ওঠা চশমা ক্রেতা মনোহর সানা বলেন, বাড়ীতে ৪/৫ জনের চোখ ওঠেছে। দুই নাতির জন্য কালো চশমা কিনতে এসেছি। তবে এখন চশমার দাম একটু বেশি নিচ্ছে। চোখ ওঠায় আক্রান্ত কারও চোখের দিকে তাকালে চোখ ওঠে সাধারণ মানুষের এমন ভ্রান্ত ধারণা থেকে ভিড় জমিয়েছে চশমার দোকানে।
    যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত রোগীর চোখের দিকে তাকালে চোখ উঠে না। ওই রোগীর চোখের পানিতে ভাইরাস ভেসে বেড়ায়। যখন এই পানি মুছতে যায়, তখনই এটি রোগীর হাতে এসে যায়। এরপর থেকেই সেই হাত দিয়েই যা কিছুই ছুঁক না কেন, সেখানে ভাইরাস চলে আসে। এতে করে চশমা ব্যবহারের ফলে চোখে স্পর্শ করা কমবে এবং ধুলাবালু, ধোঁয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
    চিকিৎসকের কাছ থেকে জানা যায়, কনজাংটিভাইটিস, সাধারণভাবে যাকে আমরা বলে ‘চোখ ওঠা’। চোখের পাতার নিচে ঝিল্লির মতো পাতলা পর্দা যা চোখের সাদা অংশকে ও চক্ষুপল্লবের ভেতরভাগকে ঢেকে রাখে। মূলত গরম আবহাওয়া এবং হঠাৎ ঝিরি বৃষ্টির কারণে চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস রোগটি বেশি দেখা যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কিছু পরামর্শ মেনে চললে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। কনজাংটিভাইটিসের লক্ষণ হলো, চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ ব্যথা, খচখচ করা বা অস্বস্তি। লক্ষণগুলো দেখা গেলেই যেহেতু এটি ছোঁয়াচে রোগ তাই বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। কোনো কারণে চোখ ভেজা থাকলে চোখ টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে। এছাড়া চোখ উঠলে চশমার ব্যবহার করা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করা যায়। তবে চোখ ঘষে চুলকানো যাবে না। অন্য কারও আই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত হবে না, এতে কনজাংটিভাইটিস ছড়াতে পারে। একইসঙ্গে এলার্জিজনিত খাবার পরিহার করতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবেন। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের আরও বেশি সময় লাগতে পারে।
    বিভিন্ন কমক্ষেত্রে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগীর ভিড়। চোখ ওঠা রোগীর মধ্যে বেশিরভাগই স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী। সকালবেলা, স্কুল, কলেজ পড়ুয়া অনেক শিক্ষার্থীকে চশমা পড়ে গন্তব্য যেতে দেখা যায়। গদাইপুর গ্রামের আফসার আলী জানান, বাড়ীতে ৩ জনের চোখ ওঠেছে। কিন্তু চোখের জন্য আই ড্রাপ পাচ্ছি না। পাইকগাছার ফাতেমা ফার্মেসীর মালিক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। আমরা চাহিদা পাঠিয়েও ড্রপ পাচ্ছি না।
    পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, চোখ ওঠা রোগ নিয়ে মূলত উদ্বেগের কিছু নেই। কিছুদিন ঘরে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেই ঠিক হয়ে যায়। তবে রোগটি ছোঁয়াচে, তাই যথাসম্ভব আইসোলেশনে থাকা ভালো। আর এ রোগে আক্রান্তদের থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে। এছাড়া সানগ্লাস পরতে বলা হচ্ছে।
    চোখ উঠা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ বড় ভ্রান্ত ধারণা আছে। রোগীর চোখে তাকালে এই রোগ কখনো ছড়ায় না। উল্টো সংক্রমিত রোগীর চশমা, টিস্যু বা কাপড় ব্যবহার করলে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও কালো চশমা পরলে রোদের কারণে চুলকানি, অস্বস্তি, ব্যথা থেকে কিছু উপশম পাওয়া যায়।
    তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত রোগীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। চোখে পানি দিতে হবে বারবার। এছাড়াও ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল খেতে হবে। অবশ্যই ডাক্তার দেখিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করতে হবে। তবে কোনোভাবে রাস্তাঘাট বা বাড়ির পাশের ফার্মেসি থেকে এক্সট্রা ড্রপ কিনে ব্যবহার করা উচিত নয়।

  • পাইকগাছায় পাখির বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন

    পাইকগাছায় পাখির বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা,খুলনা॥
    পাইকগাছায় পাখি বাসার জন্য গাছে গাছে মাটির পাত্র স্থাপন অব্যাহত রেখেছে পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবি। পরিবেশ সুরক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসিম। তাই বন্য পাখি সুরক্ষা ও পাখির অভায়াশ্রয় গড়ে তোলার লক্ষে পাখির বাসার জন্য বনবিবি এ কার্যক্রম করে যাচ্ছে। ১৬ অক্টোবর রবিবার সকালে পরিবেশবাদি সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন গাছে পাখির বাসার জন্য ৪০টি মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। মাটির মাত্র স্থাপন করার সময় উপস্থিত ছিলেন বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, পরিবেশ কর্মী কওসার আলী গাজী, কার্ত্তিক মন্ডল, সুশান্ত বিশ্বাস, প্রমথ সানা প্রমুখ। সকালে উপজেলা চত্ত্বর, থানা চত্ত্বর, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স চত্ত্বর, মানিক তলা স্কুল,শহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন,সরল, বাতিখালী গ্রামের বিভিন্ন গাছে মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, পরিবেশবাদি সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে ২০১৬ সাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবস্থিত বিভিন্ন গাছে পাখি বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গাছে ১৫ শতাধিক মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে ঝড়ে গাছের ডালপালা ভেঙ্গে প্রায় তিন শতাধিক মাটির পাত্র ভেঙ্গে গেছে। সে সকল গাছের মাটির পাত্র ভেঙ্গে গেছে সে সব গাছে পুনরায় পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন করা হচ্ছে। সেই সাথে সংগঠনটি পাখির আবাসস্থল নিরাপদ ও পাখিদের বিচরণস্থল সংরক্ষনে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছে।

  • সুজানগরে বিশ্ব খাদ্য দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    সুজানগরে বিশ্ব খাদ্য দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ “কাউকে পশ্চাতে রেখে নয়,ভালো উৎপাদনে উত্তম পুষ্টি, সুরক্ষিত পরিবেশ এবং উন্নত জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে পালিত হয়েছে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২২। এ উপলক্ষ্যে সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের আয়োজনে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ হলরুমে রবিবার(১৬ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খাদ্য দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাননান। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ মোস্তফা মিল্টন। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ এখন ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম, অভ্যন্তরীন মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন এবং ধান উৎপাদন ও শাকসবজি উৎপাদনে তৃতীয়, চা উৎপাদনে চতুর্থ, আম ও আলু উৎপাদনে সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে রয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতির ইন্ধনে শৈলকুপায় কালীমূর্তি ভাংচুর গ্রেফতার ৩

    সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতির ইন্ধনে শৈলকুপায় কালীমূর্তি ভাংচুর গ্রেফতার ৩

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কালী মূর্তি ভাংচুর মামলায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তবে এখনও পলাতক রয়েছে প্রধান পরিকল্পনাকারী ও ইন্ধনদাতা শৈলকুপা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দিনার বিশ্বাস। তার ইন্ধনে গ্রেফতারকৃতরা কালীমূর্তি ভাংচুর করা হয় বলে পুলিশী তদন্তে উঠে এসেছে। রোববার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আশিকুর রহমান গনমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ৬ অক্টোবর রাতে শৈলকুপা উপজেলার ডাউটিয়া গ্রামে শতবছরের পুরোনো কালীমন্দিরের মূর্তি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন মন্দির কমিটির সভাপতি সুকুমার মন্ডল বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট গত ১২ অক্টোবর শৈলকুপার উপজেলার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের কুশাবাড়ীয়া গ্রাম থেকে এস এম আরব আলীর ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী আসাদুজ্জামান হিরোকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক চাচাতো ভাই একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ ও পাঞ্জাবী আলী খানের ছেলে তুষারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেলা পুলিশেরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দিনার বিশ্বাস ও জিনারুল গড়াই নদীতে নৌকায় ১৫/১৬ জন যুবতী মেয়ে নিয়ে অশ্লীল নাচ ও জুয়া খেলার আয়োজন করে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম, সাউন্ডবক্সসহ ২ টি ট্রলার জব্দ করে। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয় শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দিনার বিশ্বাস। পুলিশকে বিতর্কিত ও শায়েস্তা করতে কালীমূর্তি ভাংচুরের পরিকল্পনা করে সে। যা বাস্তবায়ন করে গ্রেফতারকৃত ৩ জন। তবে এখনও পলাতক রয়েছে প্রধান পরিকল্পনাকারী দিনার বিশ্বাস।

  • নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা ও গাড়ি ভাংচুর

    নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা ও গাড়ি ভাংচুর

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সদস্য প্রার্থীর নির্বচনী প্রচারনার দুটি গাড়ি ভাংচুর করেছে বিরোধি সমর্থকেরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,
    শনিবার রাতে ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী কালিয়া উপজেলার খান শাহিন সাজ্জাদ (পলাশ) এর প্রচারনা কাজের লোকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারিরা প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত দুইটি প্রাইভেটকার ভাংচুর করে।
    এ হামলার সদস্য প্রার্থী খান শাহিন সাজ্জাদ (পলাশ) এর গাড়িচালক জামাল হোসেন (৪২) আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে কালিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ অক্টোবর (সোমবার) নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে কালিয়া উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী খান শাহিন সাজ্জাদ (পলাশ) নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন শনিবার (১৫ অক্টোবর) তার অনুসারীদের নিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে প্রচারণা চালান। প্রচারণা শেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালিয়া পৌর ভবনে আসেন। এসময় পৌর ভবনের ভেতরে পৌর মেয়র ওয়াহিদুজ্জামান হিরা, উপজেলা চেয়ারম্যান কৃষ্ণ পদ ঘোষ, সালামাবাদ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ, খান শাহিন সাজ্জাদ (পলাশ)সহ অন্যান্যরা বসেছিলেন। এ সময় বিদ্যুৎ ছিলনা। হঠাৎ সংঘবদ্ধ হয়ে কিছু লোক এসে হামলা চালিয়ে পৌর ভবনের সামনে থাকা দুইটি প্রাইভেটকার ভাংচুর করে। হামলার সময় খান শাহিন সাজ্জাদ (পলাশ)এর গাড়িচালক জামাল হোসেন (৪২) আহত হন। হামলার বিষয়ে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমিম আলম বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সালামাবাদ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ ৩৪জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে দোষীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলে ছাত্রলীগের আয়োজনে শহীদ চয়ন মল্লিকের মুর‌্যালে পুস্প স্তবক অর্পন

    নড়াইলে ছাত্রলীগের আয়োজনে শহীদ চয়ন মল্লিকের মুর‌্যালে পুস্প স্তবক অর্পন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ছাত্রলীগের আয়োজনে শহীদ চয়ন মল্লিকের মুর‌্যালে পুস্প স্তবক অর্পন। ৯০ এর গণ আন্দোলনের ছাত্রনেতা শহীদ চয়ন মল্লিকের ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন পালিত হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নড়াইল জেলা শাখা এর আয়োজনে, ৯০এর গণ
    আন্দোলনের সহযোদ্ধা এবং শহীদ মানিক ও চয়ন স্মৃতি সংসদ এর সহযোগীতায়
    কালোব্যাচ ধারন, শহীদ চয়ন মল্লিকের মুর‌্যালে পুস্প স্তবক অর্পন, সংক্ষিপ্ত শোক সভা, দুপুরে গণভোজ ও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জলনের আয়োজন করা হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ চত্বরে নবমির্মিত শহীদ চয়ন মল্লিক মুর‌্যালের উদ্বেধন করেন শহীদ চয়ন মল্লিক এর বড় বোন অন্বেষা সুত্রধর, জামাইবাবু রঞ্জন সুত্রধর, সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিলারা বেগম। শহীদ
    চয়ন মল্লিকের মুর‌্যালে নড়াইল পৌর আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নড়াইল
    জেলা শাখা, ৯০এর গণ আন্দোলনের সহযোদ্ধাগণ, শহীদ মানিক ও চয়ন স্মৃতি
    সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্প স্তবক অর্পন করা হয়।
    ৯০এর গণ আন্দোলনের সহযোদ্ধা এর আহবায়ক আবু ফেরদৌস মিলন এর সভাপতিত্বে পৌর
    মেয়র আঞ্জুমান আরা, ৯০এর গণ আন্দোলনের সহযোদ্ধা এ্যাডঃ মাহমুদুল হাসান
    কায়েস,মোঃ কামরুজামান খান তুহিন, প্রিন্স মোল্যা, বিপ্লব বিশ্বাস বিলো,
    দিপক বোস, সোনা সাহা, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মলয় কুমার কুন্ডু, সাধারন
    সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর মোঃ রেজাউল বিশ্বাস, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ
    ওয়াহিদুজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক নেতা ফরহাদ হোসেন মোল্যা, জেলা ছাত্রলীগের
    সভাপতি নাইম ভ’ইয়া, সাধারন সম্পাদক স্বপ্নীল সিকদার নীল, ৯০এর গণ
    আন্দোলনের সহযোদ্ধা ও পৌর কাউন্সিলর শরফুল আলম লিটু, ,সদর উপজেলা
    ছাত্রলীগের সভাপতি আকাশ ঘোষ রাহুল, সাধারন সম্পাদক সিদ্ধর্থ সিংহ,
    মী,আওয়ামীলীগ.যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য ৯১ সালে বিএনপির সন্ত্রাসীরা ছাত্রনেতা শহীদ চয়ন মল্লিককে নির্মম ভাবে হত্যা করে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলের চিত্রা নদীতে কুমির, স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের মাঝে আতঙ্ক

    নড়াইলের চিত্রা নদীতে কুমির, স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের মাঝে আতঙ্ক

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে :

    নড়াইলের চিত্রা নদীতে কুমির, স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের মাঝে আতঙ্ক। নড়াইলের সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ছাগল ছিড়া-বাগডাঙ্গা এলাকার চিত্রা নদীতে কয়েক দিন ধরে কুমির ভাসতে দেখা যাচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,
    স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ছাগল ছিড়া-বাগডাঙ্গা এলাকার খেয়াঘাটে চিত্রা নদীতে জনৈক মাঝি বাসারের নৌকার কাছে হঠাৎ একটি কুমির ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা কুমির দেখতে নদীর তীরে ভিড় করেন। প্রায় প্রতিদিনই কুমিরটি ওই নদীর কোনো না কোনো স্থানে ভেসে থাকতে দেখছেন এলাকাবাসী।
    এ নিয়ে এলাকায় হুলুস্থুল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গা থেকে কৌতূহলী মানুষ কুমির দেখতে ভিড় করছেন ওই নদীর তীরে। গত কয়েক কয়েক দিন ধরে ওই নদীর বিভিন্ন অংশে বড় আকারের কুমিরটি ভাসতে দেখা যাচ্ছে। এর আগে ওই নদীতে কোনো কুমির ছিল না। গত ১০০ বছরের মধ্যে কেউ কখনো কুমির দেখেনি। হঠাৎ সেই নদীতে কুমিরের আগমনে নদীর দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
    এমন পরিস্থিতিতে নদী তীরের লোকজন নদীতে নেমে গোসল করতে সাহস পাচ্ছেন না। মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন জেলেরা। এমনকি নদী থেকে পানি নেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ওই এলাকায় একটা ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
    ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ছাগল ছিড়া গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী ভ্যানচালক মোজাফফর হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খেয়াঘাট সংলগ্ন বাগডাঙ্গা গ্রামের মিনাবাড়ীর সামনে চিত্রার মাঝ নদীতে অল্প সময়ের জন্য কয়েকবার পানির ওপর শরীর ভাসিয়ে দেয় একটি মাঝারি আকারের কুমির। একেক দিন একেক এলাকায় দেখা যায় কুমিরটিকে। জোয়ার-ভাটার মাঝামাঝি সময়ে এটি বেশি দেখা যায়।
    শুক্রবার দুপুরের দিকে কুমিরটি দেখা যাচ্ছিল ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ছাগল ছিড়া খেয়াঘাটের কাছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় যাওয়ার পথেই দেখা যায় কুমির নিয়ে মানুষের আগ্রহ। মানুষের মুখে মুখে কুমিরের গল্প। পথ চিনতে যে কারও কাছে কুমিরের কথা জিজ্ঞাসা করতেই দেখিয়ে দিচ্ছেন কোন পথে যেতে হবে কুমির দেখতে।
    হঠাৎ চিত্রা নদীতে কুমির দেখা মেলার কারণ জানতে চাইলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এইচএম বদরুজ্জামান বলেন, সাগর থেকে দলছুট হয়ে কুমিরটি শাখা নদীতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।