Author: desk

  • ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জাহানপুর ইউনিয়নের ৪টি সহযোগি সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৬ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪ টায় মঙ্গলবাড়ী সিরাজিয়া স্কুল ও কলেজ মাঠে কৃষকলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইউনিয়ন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীজুজ্জামান সরকার এম.পি। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি লুইছার রহমানের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেলদার হোসেন, সহ-সভাপতিও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদকও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী, উপজেলা কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেওয়ান জাহিদ, সম্পাদক আলহাজ্ব জহুরুল হক, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি সহিদুল ইসলাম, সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনাজি, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি সাবুবুর রহমান সাবু, সম্পাদক জাবেদ নওরোজ আলমগীর, মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী আনজুয়ারা, সম্পাদক আরজিনা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শিহাব উদ্দিন, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু মুছা স্বপন, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় সম্মেলনে ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ফিরোজ, সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল মোমিন, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রহিদুল ইসলাম সাগর ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ইউসুফ হোসেন। অপরদিকে ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোশারফ হোসেন, সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী তানজুমা পারভীন পাপিয়া ও রুপালি বেগম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উভয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা)’র সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্যানেল উপজেলা চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দিন ফিরোজ বুলু, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, ডিজিএম রেজায়েত আলী, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, কৃষি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিষ্ণুপদ বিশ্বাস, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে মোঃ মনিরুজ্জামান, শাহাজান আলী শেখ,পারভীন আক্তার বানু, সরদার আলী আহসান, প্রেমানন্দ রায়, মৌলুদা খাতুন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জয়ন্ত ঘোষ, পিআইও ইমরুল কায়েস, হাসিবুর রহমান, রাকিবুল হাসান, বাবলুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ কালাম আজাদ, রিপন কুমার মন্ডল, কাওসার জোয়াদ্দার, কাজল বিশ্বাস, জিএম আব্দুস সালাম কেরু সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

  • পাইকগাছায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত

    পাইকগাছায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উন্নয়ন সংস্থা র্ডপ, দুঃস্থ স্বাস্থ কেন্দ্র ও নবলোক এর যৌথ সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাসাস্থ প্রকৌশল অধিদপ্তর র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করে। পরে হাতধোয়া প্রদর্শনী শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু। বিশষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মটু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জনস্বাস্থ প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, কাজল কান্তি বিশ্বাস, রিপন কুমার মন্ডল, আব্দুল মানান গাজী, জিএম আব্দুস সালাম কেরু, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম রেজায়েত আলী, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পারভীন আক্তার বানু, খাদ্য নিয়ন্ত্রন হাসিবুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাজিবুল হাসান, বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়, ইউআরসি ইন্সট্যাক্টর ঈমান আলী, তথ্য সেবা কর্মকর্তা সাথী রায়, জেলা যুবলীগনেতা শামীম সরকার, যুবলীগনেতা এমএম আজিজুল হাকিম, নাজমা কামাল, শেখ জুলি, নবলোকের মাসুম বিল্লাহ, র্ডপ এর আবু সায়েম ও দুঃস্থ ও স্বাস্থ কেন্দ্রর মোর্তজা।

  • পাইকগাছায় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা সরকারি কলেজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা -কয়রা)র সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। সভাপতিত্ব করেন, পাইকগাছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মিহির বরন মন্ডল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী ও শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, ওসি (তদন্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম। সদস্য সচিব ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাজান আলী শেখ ও সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম এর স ালনায় বক্তৃতা করেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, আজহার আলী ও মোঃ হাবিবুল্লাহ বাহার, অব: অধ্যক্ষ হরেকৃষ্ণ দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ কালাম আজাদ, রিপন কুমার মন্ডল,ইন্সট্রাক্টর রিসোর্সসেন্টার মোঃ ঈমান উদ্দিন,একাডেমীক সুপারভাইজার নূরে আলম সিদ্দিকী,সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, মোঃ আলমগীর হোসেন ও শেখ ফারুক হোসেন, সহকারী অধ্যাপক শেখ রুহুল কুদ্দুস, সুধাংশু শেখর মন্ডল, যুবলীগের আজিজুল হাকিম সহ বিভিন্ন দপ্তর কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।।

  • শিক্ষকদের হাত ধরেই শিক্ষা রূপান্তর শুরু’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত

    শিক্ষকদের হাত ধরেই শিক্ষা রূপান্তর শুরু’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ আজ ২৭ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সারাদেশের মত রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯ টার সময় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের শাপলা চত্তর থেকে র‍্যালি, ব্যান্ডের তালে তালে যাত্রা শুরু করে। উপজেল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষক কর্মচারীগণ নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে
    র‍্যালিতে অংশ গ্রহন করেন। র‍্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়।

    পরে উপজেলা অডিটারিয়ামে আলোচনা করা হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ দুলাল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইমরুল হোসেন, গোদাগাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মইনুল হক, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান, পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহাফুজুল আলম তোতা প্রমূখ।

    বক্তাগণ বলেন, প্রথমবারের মত সরকারিভাবে শিক্ষক দিবস পালন করতে পেরে শিক্ষকগণ আনন্দিত। দিবসটি উপলক্ষে এ উপজেলায় র‍্যালি, আলোচনা সভা, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।

    গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কো ঘোষিত ‘শিক্ষকদের হাত ধরেই শিক্ষা রূপান্তর শুরু’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এসব কর্মসূচি উদযাপিত হয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, কলেজ, কারিগরি, মাদরাসাসহ সব পর্যায়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।
    কিছু অসৎ শিক্ষক নেতা, আমলাদের কারণে শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় নি। শিক্ষকদের বৈষম্য দূর হচ্ছে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শিক্ষকদের বেতনভাতা বেশী হলেও বাংলাদেশে শুধু ব্যতিক্রম, শিক্ষকদের ২৫ ভাগ ঈদ বোনাস দেয়া এটা সত্যি লজ্জার ব্যপার। সুপার, সহঃসুপার, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদান থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। বাড়ী ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা সরকারীদের চেয়ে অনেক কম দেয়া হয়। সব বৈষম্য দূর করার জন্য একটি পথ সেটা হলো সকল ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণ করা।

    সকল শিক্ষকগণ ১৬ বছরে দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পেলেও প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহঃসুপারগণ দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পাচ্ছেন না। একদেশে দুই নিয়ম এ যেন একচোখে তেল অন্য চোখে লবন দেয়ারমত অবস্থা। শিক্ষা মন্ত্রী, প্রধান মন্ত্রী পারেন এ বৈষম্য দূর করতে শিক্ষা প্রধান, সহঃ প্রধানদের মাঝে হতাশা কাটিয়ে সুদিন ফিরিয়ে আন্তে। শিক্ষকগণ নানামূখি সমস্যায় মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। তাদের নুন আন্তে পান্তা ফুরায় অবস্থা। বেসরকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবী, শিক্ষক দিবসে বেসরকারী শিক্ষকদের শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ঘোষনা হউক, এ কাজ টি করতে পারেন প্রধান মন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর সুযৌগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।
    শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড হলে শিক্ষকরা শিক্ষার মেরুদন্ড। কিন্তু আজ শিক্ষক সমাজ অবহেলিত ও বিভিন্নভাবে হয়রানি-নির্যাতনের শিকার। শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা, আর্থিক স্বচ্ছলতা, সামাজিক মর্যাদা নেই বলে মেধাবীরা এই পেশায় আসতে চান না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষকরা রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়ে চাকরি হারিয়ে পথে পথে ঘুরছেন। শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা নেই বলেই আজ শিক্ষার বেহাল অবস্থা।
    শিক্ষাক্ষেত্রে আজ পর্বতসম বৈষম্য বিদ্যমান। সরকারি বেসরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষক-কর্মচারীদের সমযোগ্যতা ও সমঅভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি স্কুল ও বেসকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পার্থক্য রয়েছে। সরকারি স্কুল-কলেজের ছাত্রদের যে সিলেবাস বেসরকারি স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ও একই সিলেবাসে পড়ানো হয়। কিন্তু তাদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়। আমাদের বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন স্কেলের ২৫% ও কর্মচারীদের ৫০% উৎসব ভাতা দেওয়া হয়। বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাথে ইহা বিমাতাসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ।
    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ১/১/১৯৮০ থেকে জাতীয় বেতনর স্কেলের অন্তুর্ভূক্ত করেন এবং ৫০% বেতন স্কেল প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ১০%+১০% = ২০% প্রদান করেন। ১৯৯৪ সালের শিক্ষক আন্দোলনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০%, ২০০০ সনে আন্দোলনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০% এবং সর্বশেষ ২০০৬ সনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০% বেতন প্রদান করে ১০০% এ উন্নীত করেন। এখন চাকুরী জাতীয়করণের কোন বিকল্প নেই। চাকুরী জাতীয়করণের জন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন নেই।
    বর্তমানে শিক্ষক কর্মচারীরা সরকার থেকে ১০০% বেতন পান। এজন্য সরকারকে প্রদান করতে হয় প্রতি মাসে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা মাত্র। ১২ মাসে সরকারকে দিতে হয় ১২০০০ কোটি টাকা মাত্র।
    প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে সরকারকে প্রদান করতে হবে মোট প্রায় ১৭৮২০ কোটি টাকা প্রায়। বর্তমান সরকার বেতন বাবদ প্রদান করছে ১২০০০ কোটি টাকা। অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে প্রায় ৫৮২০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারের আয় হবে প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।
    শিক্ষকগণ হচ্ছেন জাতির বিবেক ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের ধারক ও বাহক। শিক্ষার সংস্কার, সম্প্রসারণ ও মান উন্নয়নে সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিবেন বলে শিক্ষক সমাজ প্রত্যাশা করে। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন, শাহসুলতান কামিল মাদ্রাসার আরবী বিভাগের প্রভাষক মাওঃ দুরুল হোদা।

    পরবর্তীতে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • শিক্ষকদের অবহেলায় কমে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার মান

    শিক্ষকদের অবহেলায় কমে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার মান

    খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ রংপুর,প্রতিনিধি

    রহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানব শেখরের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা ও কর্মে ফাঁকির অভিযোগ এনে তার অপসারণের দাবিতে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন না অভিভাবকরা।
    লিখিত ও অভিভাবকের অভিযোগে জানা গেছে, স্কুলের হাজিরা রেজিষ্টারে প্রধান শিক্ষক মানব শেখরের নিয়মিত উপস্থিতি থাকলেও বেশিরভাগ দিনই স্কুলে অনুপস্থিতি থাকেন । শিক্ষকরা সপ্তাহে দুই – একদিন বিদ্যালয়ে এসে পুরো সপ্তাহের স্বাক্ষর করেন। প্রধান শিক্ষকের এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন দায়িত্ব পালনের সুযোগে অন্যান্য শিক্ষকগণ পাঠদান এবং স্কুলে আসা-যাওয়া করছেন খেয়াল খুশিমত। এ কারণে বিদ্যালয়টিতে ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি শূন্যের দিকে যাচ্ছে।

    সরকারি নির্দেশনায় প্রতিদিন পাঠদানের আগে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, শপথ ও জাতীয় সংগীত বাধ্যতামূলক হলেও দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সংগীত ও সমাবেশ হচ্ছে না। ২৩ অক্টোবর ২২ তারিখ সকাল ৯ টায় সরেজমিনে রহিমাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গেলে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীদের কেউ ঝাড়ু দিচ্ছে , কেউ কেউ খেলাধুলা করছে । প্রতিনিধির উপস্থিতি টের পেয়ে প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের ফোন দিয়ে স্কুলে তাড়াতাড়ি আসতে বলেন শিক্ষিকা কণিকা রানি । তড়িঘড়ি করে মাত্র দশ থেকে পনের জন শিক্ষার্থী নিয়ে একাই ছাত্রছাত্রী সমাবেশ (পিটি ক্লাস) শুরু করেন।

    রহিমাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকা কণিকা রানিকে অন্যান্য শিক্ষকদের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই দূর দূরান্ত থেকে আসেন , আবার কেউ কেউ রংপুর থেকে আসেন । তাই একটু বিলম্ব হয় ।

    প্রায় সাড়ে ৯টায় বিদ্যালয়ে আসেন শিক্ষকা সুচিত্রা রানী।দেরি করে আসার কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি যখনই আসি আর যাই না কেন আগমনের সময় ৯.০০ টা আর প্রস্থানের সময় ৩.১৫ লিখতে হবে ।

    সহকারি শিক্ষিকা শ্যামলী রানী গত ১১ থেকে ১৩ অক্টোবর ছুটিতে, আবারও ১৯ ও ২০ অক্টোবর স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন। ২৩ তারিখে বিদ্যালয়ে আসেন শ্যামলী । কিন্তু ২১ ও ২২ তারিখের উপস্থিতি ঘরে সিএল লেখা ছিলনা। প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই ২ দিনের ফাঁকা ঘরে আগমন ও প্রস্থানের সময় লিখতে না পেরে ক্ষেপে যান শ্যামলী রানী।

    প্রতিবেদকের সামনেই খসখস করে আগমন ও প্রস্থানের মোট ৯ দিনের সময় ও স্বাক্ষর লিখলেন আরেক শিক্ষিকা কণিকা রানী । সব দিনই আগমন ৯.০০ টায় ও প্রস্থান ৩.১৫ মিনিটে লিখলে প্রতিবেদক তার কাছে জানতে চায় , আপনি এক দিনেই ৯ দিনের স্বাক্ষর করলেন কেন ? আবার সবদিনেই একই সময়ে এসেছেন – গিয়েছেন তা কিভাবে আপনার মনে থাকল ? কণিকা রানী জানান, আমাদের সকল সহকর্মীরাও একই ভাবে যাওয়া-আসার সময় লেখেন । তাই আমিও লিখি ।

    প্রতিবেদকদের দেখে তড়িঘড়ি করে হাজিরা রেজিষ্টারে আগমন ও প্রস্থানের সময় লিখতে গিয়ে পরবর্তী দিনের অর্থাৎ ২৪ তারিখের সহ স্বাক্ষর করে ফেললেন দুই শিক্ষক সুচিত্রা রানী ও কণিকা রানী।

    উপস্থিতি রেজিষ্টারে নিয়মিত উপস্থিত অনুপস্থিত শিক্ষকদের তদারকি করা ও সি এল লেখার বিষয়ে অনীহার কারণ জানতে চাইলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানব শেখর বলেন, আসলে শ্যামলী রানী আসেননি তা আমার মনে ছিল না । তাই লেখা হয়নি। পরের দিনও মনে ছিল না লিখতে । আসলে বয়স হয়েছে তো তাই প্রায়ই লিখতে ভুলে যাই।

    অভিভাবক মোঃ মানিক জানান, তাদের ছেলে-মেয়েরা বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত হচ্ছে। কিন্ত প্রধান শিক্ষকের প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে এসে পড়া লেখা বাদ দিয়ে খেলা-ধূলা , গল্প-আড্ডা আর সবজি বাগানে কাজ করে বাড়ি চলে যাচ্ছে।

    অভিভাবক কমল কান্তি রায় বলেন , আমার শিশু শ্রেণীতে পড়া ৪ বছরের ছোট্ট ছেলেটি কয়েকদিন আগে বিদ্যালয় কক্ষের চটে বমি করেছিল ।পরে
    চট ধুইয়ে দিতে ডেকেছেন শিক্ষকরা। বাধ্য হয়ে আমি চটগুলো নদীতে নিয়ে গিয়ে ধুয়ে দেই ।

    শিক্ষক সুমিতা রানীর কাছে অভিভাবককে চট ধোয়ার জন্য বাধ্য করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কি নিজে বমি করেছি, যার বমি তার অভিভাবক পরিস্কার করবে? প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে আমি পালন করেছি মাত্র।

    অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে প্রধান শিক্ষক মানব শেখর তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার হুমকি দেন বলে জানান স্কুলের ভুক্তভোগী অভিভাবকরা । তারা জানান , মানব শেখরের দুর্নীতি অনিয়ম অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব , দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনার , বিভাগীয় উপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) , ইউএনও বরাবর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেয়া আছে।
    প্রধান শিক্ষক মানব শেখর বলেন, আমার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর আনীত অভিযোগ মিথ্যা। আমি নিয়মিত বিদ্যালয়ের পাঠদান হতে উন্নয়ন কল্পে কাজ কনে থাকি।

    উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, রহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নানান অভিযোগ জেনেছি। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ইউএনও রাসেল মিয়া বলেন, রহিমাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানব শেখরের বিরুদ্ধে এর আগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আবারও অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • তারাগঞ্জে শিক্ষক দিবস পালিত

    তারাগঞ্জে শিক্ষক দিবস পালিত

    খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ
    ‘শিক্ষকদের হাত ধরেই শিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তর’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার রংপুরের তারাগঞ্জে পালিত হয়েছে শিক্ষক দিবস।

    দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তারাগঞ্জ মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় শিক্ষকদের মর্যাদা, দিবসটির তাৎপর্যসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনিছুর ইসলাম লিটন, তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেহেনা ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, আঞ্জুমান আরা বেগম, তারাগঞ্জ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আব্দুল বারী মন্ডল। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন তারাগঞ্জ কাজীপাড়া আদর্শ মহিলা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ আনিছুল হক, তারাগঞ্জ কারিগরি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন, কুর্শা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিশিন সরকার, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মাদরাসা সুপার, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক, সহ শিক্ষক, উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক বিপ্লব হোসেন অপু, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা,কর্মচারী প্রমুখ।

  • সাক্কুুর নেতৃত্বে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    সাক্কুুর নেতৃত্বে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কুমিল্লায় বুধ বার সকালে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর নেতৃত্বে যুবদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন হয়।নগরীর নানুয়া দিঘির পারস্থ মেয়রের বাসভবনের সামনে থেকে আনন্দ মুখর পরিবেশে একটি মিছিল বের হয় নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন
    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর যুবদলের
    জেলা সিনিয়র সহ সভাপতি ফেরদৌস পাটওয়ারি, সহ সভাপতি মোঃ কবির হোসেন, কুমিল্লা মহানগর
    সহ সভাপতি লুৎফুর রহমান ভোলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বদরুল হাসান রাব্বু। জেলা সহ-সভাপতি কাজী আবেদ কবির, মমিন আহম্মেদ রনি,কাজী খায়ের উদ্দিন রতন, মোঃ ইকবাল হোসেন,
    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, মোঃ সাহাদাত হোসেন (সানি),মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ আব্দুর রহিম খাঁন, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ ফরিদ মিয়া, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
    আব্দুল হালিম, ইকরাম হোসেন ইকু,
    জেলা সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, মোঃ সাইদুল হক,কাজী মোহাম্মদ নেহাল,শরীর আহাম্মদ টিপু,হাজী ওসমান গনি শাহিদ,লিটন চন্দ্র পাল সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সামছুল আলম,অন্তর আহাম্মদ সুমন, মোঃ মফিজুদ্দিন মোল্লা, সহ প্রচার সম্পাদক নিজাম বিন মুসা পাবেল,আইন সম্পাদক এডভোকেট গাজী মোঃ নজরুল ইসলাম মানিক, সহ আইন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সহ যোগাযোগ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন, সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, সহ পল্লিউন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক মোঃ তারিক ইসলাম, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ সুজন মিয়া, সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ, সহ গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জুম্মন মিয়া, সদস্য মাসুকুর রহমান, আবু কাওসার, আমির হোসেন পাখি, হারুনর রশীদ মেম্বার, এডভোকেট বিল্লাল হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন ও মোঃ রফিক মহানগর -সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, কাজী জামান, সহ কোষাধ্যক্ষ মোঃ আরিফুর রহমান, সহ সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ নাহিন মিয়া, সহ আইন সম্পাদক মোঃ তারেক হাসান রাসেল, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ ইমন আহম্মেদ, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আরিফ হোসেন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সানি, সহ পল্লিউন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ হোসেন, সহ শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন মোল্লা, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আইয়ুব আলী, সদস্য সাইফুর রহমান ওপেল,গোলাম জিলানী ও শাহাবুদ্দিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কালীগঞ্জে শুভ উদ্বোধন জাতীয় ইদুর নিধন অভিযান এর

    কালীগঞ্জে শুভ উদ্বোধন জাতীয় ইদুর নিধন অভিযান এর

    মো.হাসমত উল্লাহ,সিনিয়র রিপোর্টার লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে জাতীয় ইদুর নিধন অভিযানের শুভ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সমপ্রশারন অধিদপ্তর কতৃক আয়োজিত জাতীয় ইদুর নিধন অভিযান এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রে গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়।

    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন এর সভাপতিত্বে জাতীয় ইদুর নিধন অভিযান এর বিভিন্ন কর্ম কান্ডে কৌশল অবলম্বন করে ইদুর নিধন নিয়ন্ত্রণ করার উপর গুরুত্বরোপ করে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আব্দুল মান্নান, বিশেষ অতিথি রংপুর আঞ্চলিক বীজ প্রত্যায়ন কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল মতিন,সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম, কালীগঞ্জ রিপোর্টস ক্লাব সভাপতি মোখলেছুর রহমান টুকু, কৃষক মফিজার রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রশারন কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র রায়,স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম,অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফজলুল করিম ও উপসহকারী আলতাফ হোসেন।

    অনুষ্ঠান শেষে জীবিত দুইটি ইদুর প্রকাশ্যে মারা হয়।এসময় সার ব্যবসায়ী,কৃষক, কৃষানী,কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • বেনাপোলে ১০ পিচ স্বর্ণের বারসহ দুই ভাই আটক

    বেনাপোলে ১০ পিচ স্বর্ণের বারসহ দুই ভাই আটক

    আজিজুল ইসলাম ,বেনাপোলঃ যশোরের বেনাপোল থেকে ১ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের ১০ পিচ স্বর্ণের বার সহ আপন দুই ভাইকে আটক করেছে বিজিবি।

    বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বেনাপোল পোর্ট থানার গাজীপুর এলাকার পাকা রাস্তার উপর হতে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার পীরপুরকুল্লার মুন্সিপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের দুই ছেলে মিলন হোসেন (২৮) ও হিরন মিয়া (২৫)।

    ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল সৈয়দ মিনহাজ সিদ্দিকী জানান, স্বর্ণ পাচারের গোপন খবরে, পোর্ট থানার গাজিপুর এলাকার পাকা রাস্তার উপর হতে অভিযান চালিয়ে ১০ পিচ স্বর্ণের বারসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

    এবং আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।