Author: desk

  • বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠে মাঠে এখন পাকা সোনালী আমনের নজরকাড়া দুলনী। সে সাথে দুলছে কৃষকের মন। মাঠের পর মাঠজুড়ে সোনালী শিষে ভরা আমনের ক্ষেত। সোনালী ধানের শীষের সাথে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। করোনা বিপর্যয়, বন্যা, অতিবর্ষণের ধকল কাটিয়ে ঘাম ঝরা ফসল ঘরে তোলার সোনালী স্বপ্ন কৃষকের চোখে মুখে। কোথাও কোথাও দেখা যায় শীতের সোনামাখা রোদ্র গায়ে মেখে আমন কাটা ও মাড়াইয়ে কৃষকের ব্যস্ততা। মাঠ ভরা ধান দেখে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের ভাষ্য এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে ১৫ শতাংশ রোপা আমন ধান কাটা শেষ হয়েছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে আমন ধান কাটা শেষ হবে।
    কৃষকরা বলছেন, এবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ধানের আবাদে অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি শ্রম দিতে হচ্ছে। শঙ্কাও কম ছিলো না। এখন তাদের অনেকেরই ধান পরিপক্ক হয়েছে। তারা ধান কাটতে শুরু করেছেন। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শেষ পর্যন্ত ফলন কিছুটা কমলেও দাম ভালো থাকায় খুশি তারা।
    কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, রাজশাহী অঞ্চলে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৯০০ হেক্টর। আর ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। মৌসুমে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ লাখ ৪৫ মেট্রিক টন। এরমধ্যে নওগাঁ জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪০ হাজার ১১৫ মেট্রিক টন অতিরিক্ত চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন ভালো হবে। মাঠ পর্যায়ে ঘোরার সময় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর বেশি জমিতে আমনের চাষ করেছেন। বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের পরেই আমন ধান চাষ করা হয়েছে। ফলে জমি পতিত থাকেনি। তবে দুর্যোগের কারণে দেড় বিঘা মতো জমিতে ধান লাগাতে বিলম্ব হয়েছিলো তার। এবার ফলন ভালোই হয়েছে। আর দাম ভালো থাকায় লাভ হবে এমন প্রত্যাশা তার।
    কৃষক আবদুল মতিন জানান, প্রাকৃতিক বৃষ্টিতেই এবার আমনের চাষ হয়েছে।
    চলতি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছিলেন তিনি। এখন ধান কাটা শুরু করেছেন। তবে গত বছরের মতো ফলন তেমন ভালো হয়নি। বিঘা প্রতি ফলন ১৫ থেকে ১৭ মণ হতে পারে। তবে ফলন কম হলেও দাম ভালো থাকায় পুষিয়ে যাবে। আর সামনে যদি দাম কমে যায় তাহলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
    রাজশাহী কৃষি সম্প্রপ্সারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ মোসদার হোসেন জানান, রাজশাহীতে রোপা আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ আগে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এবার ফলন খারাপ হয়নি। এখন পর্যন্ত যে ধান কাটা হয়েছে সেখানে ১৫ থেকে ২০ মণ করে বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে।
    তিনি আরো জানান, এবার ধানের দামও ভালো আছে। ধানের ফলন ও দামে কৃষকরা খুশি। যেসব জমির ধান বন্যার পানি নামতে দেরি হয়েছে সে জমিতে আগাম জাতের আমন ধান চাষ করা হয়েছিলো। সব মিলিয়ে এবার ডিসেম্বরের মধ্যেই ধান কাটা শেষ হবে। আর এ বছর বিভিন্ন দুর্যোগ বিবেচনায় কৃষি বিভাগের লোকজন সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন।

    কৃষকরা বলছেন, এবার আলুর দাম ভালো পাওয়ায় ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে চাষীরা আলু চাষের জন্য আগাম ধান কেটে আলু লাগানো শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে দেখা দিয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের সঙ্কট। ধান কাটা শেষ হলেই আলুর জন্য জমি প্রস্তুত করা হবে। তাই দ্রুত ধান কাটার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
    বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় শ্রমিকদের মজুুরি বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক ধান কাটা পর আলু রোপনের জন্য জমি তৈরি শুরু করতে পারেন নি। বিভিন্ন এলাকায় থেকে নিয়মিতভাবে আসা শ্রমিকদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাদের আসার অপেক্ষায় রয়েছেন কৃষকরা। প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা এই সময়ে আসেন আলু রোপনের জন্য। এদিকে গেরস্ত বাড়ির আঙ্গিনা আর মাঠের খৈলান প্রস্তুত করা হচ্ছে নতুন ধান মাড়াইয়ের জন্য। কৃষানীরা উৎসবের আমেজ নিয়েই ব্যস্ত। নতুন চাল দিয়েই হবে পিঠা পায়েসের স্বাদ নেয়া। ধান বেচেই মিলবে জামা, কাপড়সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ। করোনা আর বিরুপ আবহাওয়ার ক্ষতিও খানিকটা কাটিয়ে ওঠা যাবে। কোন কোন কৃষক কৃষানির সাথে কথা বলে জানা, গেছে এ ধান বিক্রি করে ছেলে মেয়ের বিয়ে আনন্দ করবেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী

  • সুজানগরে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    সুজানগরে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত পালিত হয়েছে জাতীয় সংবিধান দিবস-২০২২। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের অংশগ্রহনে এক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংবিধান দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী প্রমুখ। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, সংবিধান একটি দেশের দর্পন সংবিধান ছাড়া কোন দেশ চলতে পারেনা। সংবিধানের মাধ্যমে একটি দেশ সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন,আন্তর্জাতিকভাবে গর্ব করার মত আমাদের অর্জন হল সংবিধান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনন্য নেতৃত্বের কারণে অতি অল্প সময়ে আমরা একটি সংবিধান পেয়েছি। যেখানে সকল নাগরিকের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড়ে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা

    পঞ্চগড়ে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় হতে :
    এমনই সময়ে পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের তৃতীয় সবোর্চ্চ পবর্তশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মিলছে। স্থানীয়রা জানান, সাধারণত অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত শীতের আগে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা। বছরের এই নির্দিষ্ট সময়ে বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখতে প্রতি বছরই অসংখ্য পর্যটক সেখানে যান। সূর্যোদয়ের পর আজ শুক্রবার সকালেও অনেক পর্যটক পঞ্চগড়ে ঢুকছে থেকেই চলতি মৌসুমে কয়েকদিনের মতো স্থানীয়দের চোখে ধরা পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার নয়নাভিরাম নৈসর্গিক রূপ। সূর্যকিরণের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সকাল দশটা থেকে এগারটা পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই দেখা যায়। তারপর ক্রমান্বয়ে আবার ঝাপসা হয়ে হারিয়ে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। তবে শেষ বিকেলে সূর্যকিরণ যখন তির্যকভাবে বরফাচ্ছাদিত পাহাড়ে পড়ে তখন অনিন্দ্য সুন্দর হয়ে আবারও ধরা দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
    তথ্যানুযায়ী, দেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন (স্থলবন্দর) থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার, চীনের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গের দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। কিন্তু মেঘ-কুয়াশামুক্ত আকাশের উত্তর-পশ্চিমে তাকালেই দেখা মেলে বরফ আচ্ছাদিত সাদা পাহাড়, মনে হয় এইতো চোখের সামনেই কাঞ্চনজঙ্ঘা! সূর্যোদয়ের আগে কিছুটা কালো দেখায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। জানা গেছে, কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ নেপাল ও ভারতের সিকিম সীমান্তে অবস্থিত। হিমালয় পৃথিবীর সবোর্চ্চ পর্বতমালা। এই পর্বতমালার তিনটি চূড়া আবার পৃথিবীর সবোর্চ্চ চূড়া। এরমধ্যে প্রথম অবস্থানে থাকা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার বা ২৯ হাজার ২৯ ফিট। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চূড়া কেটু’র উচ্চতা ৮ হাজার ৬১১ মিটার বা ২৮ হাজার ২৫১ ফিট। তৃতীয় অবস্থানে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার উচ্চতা ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার বা ২৮ হাজার ১৬৯ ফিট। যদিও ১৮৫২ সালের আগে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পৃথিবীর সৰ্বোচ্চ শৃঙ্গ বলে মনে করা হতো। ১৯৫৫ সালের ২৫ মে মাসে ব্রিটিশ পবর্তারোহী দলের সদস্য জোয়ে ব্রাউন এবং জর্জ ব্যান্ড সর্বপ্রথম কাঞ্চনজঙ্ঘায় আরোহণ করেন।
    এদিকে, সুউচ্চ এই চূড়া দেখতে প্রতি বছর অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক ছুটে যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলা শহরের টাইগার হিল পয়েন্টে। টাইগার হিলই হচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া দেখার সবচেয়ে আদর্শ জায়গা। তবে কেউ কেউ যান সান্দাকপু বা ফালুট। আবার কেউ কেউ সরাসরি নেপালে গিয়েও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। তবে যাদের এসব সুযোগ মেলে না সেইসব বাংলাদেশি পর্যটকেরা কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ অবলোকন করতে ছুটে যান তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায়। এখানে মেঘমুক্ত আকাশে দিনের প্রথম সূর্যকিরণের সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা। একটু বেলা বাড়লেই তেজোদীপ্ত রোদ যখন ঠিকরে পড়ে বরফাচ্ছাদিত পাহাড়ের গায়ে, কাঞ্চনজঙ্ঘা তখন ভিন্নরূপে ধরা দেয় পর্যটকের চোখে। যে রূপের টানে প্রতি বছর হাজারো পর্যটক আসেন তেঁতুলিয়ায়।

  • নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর  পালাতক স্বামী রনি শেখ

    নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর পালাতক স্বামী রনি শেখ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর স্বামী রনি শেখ পালাতক। নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যা। নড়াইলে নিজের ঘরের বিছানায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, শুক্রবার (৪ ননভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের সড়াতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আছিয়া বেগম (২২) তিনি ওই গ্রামের রনি শেখের স্ত্রী। তবে ঘটনার পর রনি শেখ পালাতক রয়েছেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত গৃহবধু আছিয়া একই গ্রামের এখলাছ শিকদারের মেয়ে। চার বছর আগে রনি শেখের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাঁদের আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। শোনা যায় রনির অন্য মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল। এদিনে দুপুর ১২টার দিকে রনিদের বসতঘরের জানালা দিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভান। এরপর ঘরে গিয়ে বিছানায় আছিয়ার গলাকাটা ও পুড়ে যাওয়া মরদেহ দেখতে পান তারা। বিছানার চাদর, তোষক,কাথা ও আছিয়ার গায়ের কাপড় পুড়ে গেছে।
    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের কারনে রনি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যা করেছে।তবে রনি পালাতক রয়েছে। ওই বাড়িতে শিশুটিকে নিয়ে তাঁরা দুজনই থাকতেন। নিহতের লাশ নড়াইল সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী-সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী-সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সনদ বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে ভূক্তভোগী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

    ভুক্তভোগী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্ৰামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ছোবেদ আলীর স্ত্রী মোমেনা বেওয়ার লিখিত অভিযোগমতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) দপ্তর থেকে গত ১নভেম্বর তাঁর মৃত স্বামীর ডিজিটাল সনদ গ্ৰহন করার বার্তা দেওয়া হয়। সে মোতাবেক তিনি তার ছোট ছেলে বাদল মিয়াকে সাথে নিয়ে সকাল ১০টায় ইউএনও অফিসে আসেন। ইউএনওর দপ্তরে সনদ বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান। সারাদিন অপেক্ষার পর তিনি জানান, আজ নয় পরের দিন আসতে হবে। এভাবে পরের দিনও কেটে যায়। তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার দীর্ঘ অপেক্ষার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান জানান সনদ তার সৎ পুত্র নুর আমিনকে দেয়া হয়েছে। এতে তার ছেলে প্রতিবাদ করলে মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং এক পর্যায়ে দ্বিতল ভবনের ইউএনওর কক্ষ থেকে মারপিট করে বের করে দেন। চোখের সামনে নিজের ছেলের এই অবস্থা দেখে তিনি ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন পরেন। উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। তিনি আরও বলেন, সনদ বিতরণ ইউএনও অফিস থেকে বিতরণ করার কথা থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান স্বজনপ্রীতি ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সনদ বিতরণ করে আসছেন। আমার মৃত স্বামীর সনদ আমাকে না দিয়ে আমার সৎপত্তিকে সনদ দিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান দীর্ঘদিন হতে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সমবায় সমিতির নামে টাকা তুলে আত্মসাত করে আসছেন। আমিও সেই সমিতির একজন সদস্য। আজ পর্যন্ত সমিতির আয় ব্যায়ের হিসাবে কেউ জানে না। তিনি প্রায় ৪শত মুক্তিযোদ্ধাকে তার এই সমিতির সদস্য করে অনেকটা জিম্মি করে রেখেছেন। সমিতির সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করার পূর্বে সদস্যদের চেক বই তিনি জমা নিতেন। টাকা তুলে সমিতির মাসিক চাঁদা নিতেন। এসব টাকা দিয়ে তিনি ব্যবসায় খাটাতেন। এসব টাকার হিসাব আজ পর্যন্ত দেননি। গত ২০বছর যাবৎ তিনি বিভিন্ন সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কম্পিউটারের দায়িত্ব পালন করেন। আর এই কারণে বর্তমান প্রশাসনের তিনি প্রভাব বিস্তার করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে চলেছেন।

    সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুজিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি নিজেকে কমান্ডার দাবি করে বলেন, এ সকল কার্যক্রম তাকেই করতে হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশাসক মাত্র ‌।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস জানান, তিনি এখনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

  • রাঙ্গাবালীতে ভাঙা সড়ক সংস্কারে বিভিডিএস বাংলাদেশ

    রাঙ্গাবালীতে ভাঙা সড়ক সংস্কারে বিভিডিএস বাংলাদেশ

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী,
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কাঁচা রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় ভেঙে বড় গর্ত তৈরি হয়। এই রাস্তাগুলো যানবাহন চলাচলের অন্যতম পথ। এ কারণে ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। আর এ রাস্তা সংস্কারে কাজ করছে বড়বাইশদিয়া ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিভিডিএস বাংলাদেশ)।

    জানা গেছে, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে ছোট-বড় প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ যানবাহন চলাচল করে। বর্ষার আগেই গ্রামের মধ্যে রাস্তায় ছোট ছোট ভাঙা ছিল। টানা বৃষ্টির কারণে রাস্তার এসব জায়গা ভেঙে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।

    রাস্তা ভেঙে যাওয়ার কারণে যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না। অনেক সময় দ্বীপাঞ্চল বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের একমাত্র যানবাহন মোটরসাইকেল রাস্তার বড় ভাঙা গর্তে আটকে যায়, তখন গাড়ি ওঠাতে যাত্রী অথবা স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতা নিতে হয়। এ ছাড়া এসব স্থানে প্রায় সময় ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। এ ভাঙা রাস্তা সংস্কারের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার ১৫ জন যুবকদের সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করতে দেখা গেছে।

    সংগঠনের একজন সদস্য বলেন, ‘গ্রামের রাস্তার বেহাল অবস্থা দেখে আমরা নিজ উদ্যোগেই রাস্তা সংস্কারের কাজ করছি। রাস্তায় প্রায় জায়গা ভাঙ্গা ও গর্ত থাকায় অনেক মাটির প্রয়োজন ছিল, এর জন্য আমাদেরকে অন্যের ধানিজমি থেকে মাটি চেয়ে ঐ জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে।

    সদস্যগণরা আরও জানিয়েছে, মাটি কাটা বা টানার জন্য কোন গাড়ী বা শ্রমিক ভাড়া করা হয়নি। স্বেচ্ছাশ্রমে সংগঠনের সদস্যরা মাটি কাটা, টানা ও সংস্কারের সব কাজই করেছে।

    রাস্তার গাড়িচালকেরা বলেন, ‘গ্রামের মধ্যে রাস্তার ভাঙা অংশগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ রাস্তা সংস্কারে আমাদের সবার জন্য অনেক ভালো হয়েছে।থ

    তারা আরও বলেন, গ্রামের মধ্যে সংস্কার করে চালকদের কাছ থেকে টাকা না নেওয়া, এটা একটি বিরল ঘটনা।

    এই সংস্কারকাজে অংশগ্রহণ করেন শামসুল আরেফিন, রাকিব, বাইজিদ বোস্তামি, শাকিল, আর্ক, গোলাম রাব্বি, হৃদয়, লাজিম ইমরান, মোঃ বাইজীদ মৃধা, পারভেজ, আয়ুব হাওলাদার, স্বপন, পারভেজসহ আরও অনেকে।

    সংগঠনের সভাপতি শামসুল আরেফিন বলেন, ‘রাস্তায় যানবাহন যাতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে, এ জন্য দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এ সংস্কারকাজ করছি।থ

    চালিতাবুনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বাইজিদ বোস্তামি বলেন, শহর বা গ্রামের যেসব রাস্তা বৃষ্টির কারণে ভেঙে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব স্থানে নিজ দায়িত্বে কাজ করলে সাময়িকভাবে হলেও দেশের মানুষের উপকার হবে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা ঃ

  • ঝিনাইদহে ইজিবাইক চোর সিন্ডিকেটের দুইজনকে গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে ইজিবাইক চোর সিন্ডিকেটের দুইজনকে গ্রেফতার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    চেতনা নাশক ওষুধ সেবন করে ইজিবাইক চুরি মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ঝিনাইদহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার ভোরে মাদারীপুরের নায়ারচর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে মাদারীপুর জেলার কুলুবর্দ্দি গ্রামের সিকিম আলীর ছেলে সালমান ব্যাপারী ও নায়ারচর গ্রামের শের আলীর ছেলে অন্তর ঢালী। শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোঃ শাহিন উদ্দীন এ খবর জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর এলাকার রাবেয়া ক্লিনিকের সামনে থেকে ফিরোজ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চেতনা নাশক ওষুধ সেবন করিয়ে তার ইজিবাইক চুরি হয়। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা হলে পুলিশ গোপালগঞ্জের মকছেদপুর উপজেলার বাটিকামারি গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে মেরাজ শেখকে গ্রেফতার করে। তার ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দি মোতাবেক গোয়েন্দা পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ঝিনাইদহে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    ঝিনাইদহে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। এরপর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার, সরকারি কৌসুলী বিকাশ কুমার ঘোষ, জেলা তথ্য অফিসার আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান, পরিবেশবিদ মাসুদ আহম্মেদ সঞ্জু ও এ্যাড. সালমা ইয়াছমিন বক্তব্য রাখেন। বক্তারা, দেশের মানুষের অধিকার বাস্তবায়নে সর্বস্তরে সংবিধানের সঠিক চর্চা ও জনগণকে সংবিধান সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার আহবান জানান।

  • স্বরূপকাঠিতে বনবিভাগের টেন্ডার বিহীন গাছে কেটে নেয়ার অভিযোগ

    স্বরূপকাঠিতে বনবিভাগের টেন্ডার বিহীন গাছে কেটে নেয়ার অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন।

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি//

    স্বরূপকাঠি উপজেলার বন বিভাগের ঝড়ে পড়ে যাওয়া ৯০% নষ্ট মরা গাছের টেন্ডার দেয়া হয়েছে।ঐ ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছের পাশাপাশি তাজা গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে দুজন ঠিকাদার সোহেল আরমান এবং আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ।এ ঘটনায় ঐ ঠিকাদারদের গাছ আটক করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট রাস্তার সভাপতি, মেম্বার ও চৌকিদারের জিম্মায় রাখা হয়েছে বলে জানান, বনবিভাগের কর্মকর্তা।

    তথ্য সূত্রে জানা যায়, স্বরূপকাঠি বন বিভাগের গাছ ঝড়ে পড়ে যাওয়া মরা গাছ (৯৭-৯৮ সালে পড়ে যাওয়া গাছ)২০২০-২১ অর্থবছরে ৮৩৭ নম্বর গ্রুপে টেন্ডার দেয়া হয়। ওই টেন্ডারের ভিত্তিতে জেলা বন কর্মকর্তার স্বাক্ষরে ১১ মে ৪৯৫.৪৭ ঘনফুট কাঠ অপসারণের জন্য স্বরূপকাঠি উপজেলার আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক এবং সোহেল আরমানকে ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া হয়।

    এলাকাবাসী অভিযোগ করেন , টেন্ডারের নামে ঠিকাদার, বন কর্মকর্তা, পাহারাদার সহ স্থানীয় ও কয়েকজন যোগসাজশে টেন্ডার বিহীন গাছ কাঠা হয়েছে ।

    সরজমিন গেলে সমুদয়কাঠি এলাকার মেম্বার জানান, ঠিকাদারের লোকজন উপজেলার বন কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাজা ও মোটা গাছ কাটতে শুরু করে। ৩৭টি গাছ কেটে নেয়ার অর্ডার ছিলো কিন্তু তারা ৯০পিচ গাছে কেটে ফেলা হয়েছে কিন্তু ঐ রাস্তার গাছ কারটার অর্ডার ছিলোনা।তাই আমরা বন বিভাগের কর্মকর্তাকে জানাই।তবে কিছু দিন পরে কাউকে কিছু না জানিয়ে গাছ নিয়ে গেছে।

    এ বিষয়ে ঠিকাদার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি গাছ কাটার সময় ছিলাম পরে আমি শুনেছি। যে গাছ গুলো অতিরিক্ত কাটা হয়েছে সেগুলো আনা হয়নি।বন বিভাগকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

    এদিকে স্বরূপকাঠি বানারীপাড়া সড়কের
    সরজমিনে দেখা যায়, মরা গাছের পাশাপাশি সোহেল আরমান দুটি আকাশ মনি গাছ কেটেছে। এ বিষয় সোহেল আরমান বলেন, টেন্ডারের একটি গাছ পাওয়া যাচ্ছে না কেবা কারা গাছটি নিয়ে গেছে। তাই সভাপতি এবং মেম্বারকে বলে ঐ গাছটি কাটা হয়েছে। তবে এ বিষয় মেম্বার বলে এ ব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি।

    এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আব্দুর রাজ্জাক এবং সোহেল আরমান টেন্ডারের বাইরেও গাছ কাটার কথা স্বীকার করেন। পরিদর্শনে গিয়ে অতিরিক্ত গাছ কাটর প্রমাণ মিলেছে এর সাথে জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আমাদের উপজেলা লেবেলে জনবল কম হওয়ায় একটু সমস্যা হয়।

  • সুজানগরে গোস্ত বিতান উদ্বোধন

    সুজানগরে গোস্ত বিতান উদ্বোধন

    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর পৌর বাজারের হাসপাতাল গেট সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী গোস্ত বিতান নামে নতুন দোকানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ দোকানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। এ সময় সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, এন এ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, মোহাম্মদ আলী গোস্ত বিতান এর কর্ণধার গোলাম রব্বানী,অন্যান্যদের মধ্যে কতুব, রুহুল সরদার সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দোয়া পরিচালনা করেন হাসপাতাল জামে মসজিদের পেশ ইমাম সিদ্দিকুর রহমান।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।