Author: desk

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ০১ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার।

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ০১ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় ০৮/১১/২০২২ তারিখ বিকেল ০৫.১৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ তৈয়ব আলী সরকার,পিতা- মৃৃত রিয়াজ সরকার,সাং-হাওড়া, থানা-উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জ (সূত্রঃ সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার জিআর নং-২৬১/১৯(সলঙ্গা) মাদকদ্রব্য আইনের ৩৬(১) সারনীর ১০(ক) এবং পি ৭২/২২ (জিআর সাজা), কে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানাধীন হাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিকট থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবা-০১৭৬৯-৭৬৩০৬৬

  • গোদাগাড়ীতে দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ীতে দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দিনব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলা ক্যাম্পাস থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি পৌর শহরের ফিরোজ চত্ত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জানে আলমের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ দুলাল আলমসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

    মেলা উদ্বোধনের পর অতিথিবৃন্দ ৪৬ টি স্টল পরিদর্শন করেন। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন করে সমালোচনার মুখে মহেশপুরের কলেজ শিক্ষক প্রশান্ত কুমার

    সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন করে সমালোচনার মুখে মহেশপুরের কলেজ শিক্ষক প্রশান্ত কুমার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন তৈরী করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঝিনাইদহের কলেজ শিক্ষক প্রশান্ত কুমার। মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশান্ত গা ঢাকা দিয়েছেন। প্রশান্ত কুমার জেলার মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া ডাঃ সাইফুল ইসলাম কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজরা খানা গ্রামের মৃত দুলাল চন্দ্রপালের ছেলে। কলেজের অধ্যক্ষ বলায় চন্দ্র পাল খবরের সত্যতা নিশ্চত করে জানান, সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ভাইরাল ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে তোলপাড় সৃষ্টির পর তিনি ঘটনাটি প্রথম জানতে পারেন। এরপর দেশের নানা প্রান্ত থেকে একের পর এক তার কাছে ফোন আসতে থাকে।
    অধ্যক্ষ বলেন, মঙ্গলবার সকালে শিক্ষক প্রশান্ত কুমার সাম্প্রদায়িক প্রশ্ন তৈরীর জন্য ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করে আমাকে ফোন করেন। তিনি তাকে জানিয়েছেন, ঢাকা বোর্ডে তিনি একটি সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরী করে পাঠিয়েছিলেন। সেটি মনোনীত হয়ে প্রশ্নের ১১ নং ক্রমিকে স্থান পেয়েছে। তার করা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক ও সাম্প্রদায়িক উস্কানী তৈরী হওয়ায় তিনি মর্মাহত হয়েছেন। এরপর থেকে তার মুঠোফান বন্ধ এমনকি বাড়িতেও পাওয়া যাচ্ছে না।
    অধ্যক্ষ বলায় চন্দ্র পাল বলেন, এখন শিক্ষা বোর্ড বা মন্ত্রনালয় যে শাস্তির নির্দেশনা প্রদান করবে, সেই মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। উল্লেখ্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বাংলা প্রথম পত্র সৃজনশীল ১১ নম্বর প্রশ্নে নাটক সিরাজউদ্দৌলা অংশে অনুচ্ছেদে ধর্মকে সামনাসামনি করে উদ্দীপকে এ কথা বলা হয়। অভিযোগ উঠেছে প্রণীত প্রশ্নপত্র ধর্মীয় সংবেদনশীলতাকে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যে প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তা হলো ‘নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোট ভাই নেপাল বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙ্গে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবারে ভারতে চলে যায় সে।’ এরপর প্রশ্ন করা হয়েছে-“(ক) মিরজাফর কোন দেশ হতে ভারত আসেন। (খ) ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব। ব্যাখ্যা কর। (গ) উদ্দীপকের ‘নেপাল’ চরিত্রের সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ‘মিরজাফর’ চরিত্রের তুলনা কর। (ঘ) ‘খাল কেটে কুমির আনা’ প্রবাদটি উদ্দীপক ও ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। উক্তিটির সার্থকতা নিরূপণ কর।” সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তরের জন্য উদ্দীপকে অনেক প্রাসঙ্গিক উদাহরণ টানা যেত। কিন্তু তা না করে এখানে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে প্রশ্ন প্রণয়নের অভিযোগ উঠেছে।
    এদিকে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কিত এই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি জানতে কাঠগড়া কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক প্রশান্ত কুমারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে যশোর শিক্ষাবেডর্রে চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীব বলেন, এ জাতীয় প্রশ্ন যারা করেছেন তারা জঘন্ন কাজ করেছেন। এতে কারো দ্বিমত থাকার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, প্রশান্ত কুমার একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক। তার ২২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া তার লেখা বেশ কিছু বইও আছে। সেকারণে তিনি হয়তো জৈষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।প্রফেসর ড. আহসান হাবীব বলেন, যে মডারেটর প্রশ্ন করেন, সেই প্রশ্ন আমাদের দেখার কোন সুযোগ নেই। কোন ভুল ভ্রান্তি থাকলে তারাই আবার সংশোধন করে সিলগালাসহ বিজি প্রেসে পাঠিয়ে দেন। ফলে দায়ভার বোর্ডের নয়।এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নারিকেলবাড়িয়া আমেনা খাতুন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ধর্মকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। মুসলমানের কাছে জমি বিক্রি করে দেশ ত্যাগ করছে এমন তথ্য সমাজে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবতাবোধ বাড়ানো। ধর্মে-ধর্মে সহিষ্ণুতা বাড়াতে কাজ করা।’ প্রশ্ন তৈরী করার ক্ষেত্রে অনেক চিন্তা করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার। উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহার দিকনির্দেশনায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে নড়াগাতি থানা পুলিশ।জাহাঙ্গীর মোল্লা বাগুডাঙ্গা গ্রামের জামাল মোল্লার ছেলে। সকালে বাগুডাঙ্গা বাজার থেকে আসামি জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই (নি:) মো: আমিনুল হক সঙ্গীয় ফোর্সসহ বাগুডাঙ্গা বাজারে অভিযান চালিয়ে জিআর-১০০/১৩ গ্রেফতারি পরোয়ানা মূলে তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নড়াইল জেলা পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। উজ্জ্বল রায় জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • নড়াইলে হাঁস, মুরগী, টার্কি ও কবুতরের খামার করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান

    নড়াইলে হাঁস, মুরগী, টার্কি ও কবুতরের খামার করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস, মুরগী, টার্কি ও কবুতরের খামার করে নিজের সফল তিনি।
    মো. আশরাফুল ইসলাম (৪২)। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কামরগ্রামে গড়ে তুলেছেন সমন্বিত খামার। পাঁচ একর জায়গায় গরু, ছাগল, বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস, মুরগী, টার্কি ও কবুতরের খামার করে নিজের সফল তিনি। মাত্র ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে আজ তার খামারের মূল্য দাঁড়িয়েছ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এলাকায় একজন সফল খামারি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। এছাড়া তার খামারে এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, আশরাফুল খামার গড়ে তোলার মাধ্যমে নিজে আর্থিকভাবে যেমন লাভবান হয়েছে তেমনি তার খামারে অনেক বেকার যুবকরা কাজ করে সচ্ছল হয়েছেন। পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ।
    খামারে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, এই খামার গড়ে তোলার ফলে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। মালিকের পাশাপাশি তারাও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। পরিবার-পরিজনদের নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছেন।
    আশরাফুল ইসলাম জানান, তিনি আগে ঢাকায় ব্যবসা করতেন। ব্যবসা ছেড়ে গ্রামে এসে ‘খামারবাড়ি’ নামে সমন্বিত খামার গড়ে তোলেন। ২০১৯ সালে একজোড়া মোরগ-মুরগী দিয়ে শুরু করলেও এখন ৫ একর জমিতে তার এই খামার। ভবিষ্যতে আরো বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এই খামার থেকে বর্তমানে বছরে ১০-১২ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। তবে তিনি আশা করছেন আগামী বছর তার আয় দেড়গুণ বৃদ্ধি পাবে।
    জানা গেছে, শহর থেকে গ্রামে এসে তার এই খামার করা দেখে প্রথম দিকে মানুষ হাসাহাসি করলেও এখন তারাই আশরাফুলের খামার দেখতে আসেন। তবে তার এই খামার গড়ে তোলার পেছনে পরিবারের সদস্যদের বিশাল অবদান রয়েছে। তার প্রত্যাশা, এলাকার অন্যরাও তার মতো এমন খামার তৈরি করুক। কারণ তিনি মনে করেন এ ধরনের খামারে কোনও লস নেই বরং এটি অত্যন্ত লাভজনক।
    ওই ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের এআই টেকনিশিয়ান সরজিৎ কুমার টিকাদার বলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তত্বাবধানে তিনি প্রথম থেকে আশরাফুলের খামারের দেখাশোনা করেন, যাতে এই খামারটা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয় এবং এ দেখে অন্যান্যরাও উদ্বুদ্ধ হয়।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • পঞ্চগড়ে গণপ্রকৌশল দিবস পালিত

    পঞ্চগড়ে গণপ্রকৌশল দিবস পালিত

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    ‘টেকসই উন্নয়নে- নবায়নযোগ্য জ্বালানী’ এই প্রতিপাদ্যে পঞ্চগড়ে গণপ্রকৌশল দিবস এবং ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর ৫২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
    এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি)।
    শোভাযাত্রাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আইডিইবির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
    এতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম। এছাড়া আইডিইবির পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজার রহমান, সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দীন, সা
    ধারণ সম্পাদক আতিউর রহমান, পঞ্চগড় সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন ডালি, পঞ্চগড় গণপূর্তের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানসহ আইডিইবির সদস্যরা অংশ নেন।

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

  • প্রথমে বিয়ে পরে ডিভোর্স অতঃপর হাফেজ স্বামীর নাটকীয়তায় স্ত্রীর অনশন

    প্রথমে বিয়ে পরে ডিভোর্স অতঃপর হাফেজ স্বামীর নাটকীয়তায় স্ত্রীর অনশন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নে প্রথমে বিবাহের ঘোষণাপত্র পাঁচ দিনের মাথায় ডিভোর্স অতঃপর স্বামীর নাটকীয়তায় স্ত্রী অনশন পালন করেছে। সোমবার (৭ নভেম্বর) উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের আমজুয়ানী গ্রামের বসির উদ্দিনের ছেলে বজলুর রহমানের পুরানা বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
    সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, গত সোমবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে কোরআনে হাফেজ বজলুর রশিদ ওই ইউনিয়মের খল্টাপাড়া গ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে যায়। প্রেমিকার বাবা হাফেজ বজলুর রশিদকে হাতেনাতে ধরে ফেললে পরের দিন (১ নভেম্বর) নোটারী পাবলিক পঞ্চগড়ে একখানা বিবাহের ঘোষনাপত্র করা হয়। এতে ছোট ভাইয়ের সম্মান রক্ষার্থে বড় ভাই বেলাল বিবাহের ঘোষণাপত্রের সমস্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর রোববার (৬ নভেম্বর) হাফেজ বজলুর রশিদ তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন জানতে পারেন মেয়ের বাবা। বজলুরের স্ত্রী তার বাবার কাছ থেকে এই সংবাদ জানতে পারলে বজলুরের পরিবার তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে বজলুরের স্ত্রী ডিভোর্সের প্রতিবাদে বাড়ির ভিতরে ঘরের সামনে অনশন পালন করতে থাকেন।
    বজলুরের মা প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলে পরে স্বীকার করেন। এদিকে বজলুরের বড় ভাই বেলাল জানান, তারা বজলুরের স্ত্রী (প্রেমিকাকে) ডিভোর্স দিয়েছেন। ঘটনার দিন মেয়ের বাবা জোর পূর্বক বজলুরকে বিবাহ করান।
    অপরদিকে বজলুরের স্ত্রী বলেন, বজলুরের সাথে তার এক বছর ধরে প্রেম কাহিনী হয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন বজলুর গভীর রাতে তার রুমে যায়। তিনি আরোও বলেন, সে তার স্বামীর ঘরসংসার করবেন।
    মেয়ের বাবা আমিরুল ইসলাম বলেন, ছোট ভাইয়ের সম্মান রক্ষার্থে বেলার তার ভাইয়ের সাথে আমার মেয়েকে বিয়ের মাধ্যমে মেনে নিয়ে এখন নাটকীয়তা শুরু করছেন। তিনি আরও বলেন, মেয়ের সুখের জন্য ছেলেকে ২ লাখ দিতে চেয়েছেন।
    এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে দুপুর বেলা মুঠোফোনে ফোন করলে তাকে জানানো হয়নি এবং তিনি ডিসি অফিসে মিটিং এ আছেন জানিয়েছেন।

  • বরগুনার তালতলীতে জেয়ারামা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

    বরগুনার তালতলীতে জেয়ারামা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে জেয়ারামা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে ৭ নভেম্বর সোমবার যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় বৌদ্ধদের মহাপুন‍্যময় অনুষ্ঠান দান শ্রেষ্ঠ,দানোওম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব দিনব‍্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ‍্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।
    অনুষ্ঠানে ত্রিশরনসহ পঞ্চমশীল ও অষ্টম শীল গ্রহন,বৌদ্ধ পূজা,অষ্ঠউপকরন সহ সংঘদান,কল্পতরু,কঠিন চীবর দান করা হয়।আগাঠাকুর পাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত উ ওয়ারাচামী মহাথের এর সভাপতিত্বে দনোওম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব ধর্মদেশনা দান করেন টেকনাফ চৌধুরীপাড়া বৌদ্ধ বিহারের ভদন্ত
    উচানওয়ারা মহাথের, অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন বড়বালিয়াতলী বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ উপান্ডি মহাথের,কুয়াকাটা কলাচান পাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ‍্যক্ষ ভদন্ত উচোমানান্দা মহাথের ও উচান্দা ভিক্ষু প্রমূক্ষ।উক্ত,ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক নারী -পুরুষ,দায়ক-দায়িকা উপস্থিতির মাধ্যমে সফল ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

    মংচিন থান

  • জনবান্ধবে পরিণত ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিস

    জনবান্ধবে পরিণত ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিস

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসে সব ধরণের জনদূর্ভোগ রোধ হয়ে অফিসটি বর্তমানে জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। এতে অফিসের অতীতের চেয়ে সব ধরণের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। অফিসে আর আগের মত জনগণের ভিড় দেখা যায় না। নেই কোন বস্তাবন্দী ফাইল। নেই কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি। সরজমিনে গিয়ে জানাগেছে- অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সারাদিন কাজ করে এ স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে বর্তমান ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ ইকতিয়ার উদ্দীন ভূইয়ার সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার কথা শোনা গেছে। তার শ্রম, কর্মতৎপরতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিষয়টি ফুটে উঠেছে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনা ও নামজারিসহ অন্যান্য সেবা এখন সেবা প্রত্যাশিরা খুব সহজেই পেয়ে যাচ্ছে। এছাড়া কোন ব্যক্তি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাতের মুঠোয় তার ভূ-সম্পত্তির হিসাব করতে পারছেন। অপরদিকে ই-নামজারী সিস্টেমের মাধ্যমে জনগণ ঘরে বসেই নামজারির আবেদন করতে পারছেন। যা বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এছাড়াও অনুমোদিত মিউটেশন খতিয়ানগুলো পৌর/ভূমি অফিসের মৌজা অনুযায়ী সুবিন্যাস্তভাবে সাজিয়ে তা সুচিপত্র তৈরি শেষে ভলিউম আকারে বাঁধাই করা হয়েছে। তাছাড়াও কম্পিউটারে স্ক্যান করে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এতে যেকোন নাগরিক জমির খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে পারবেন কিংবা জমি ক্রয়ের পূর্বে স্বত্ব যাচাই করতে চাইলে খতিয়ান বা নামজারি কেস নম্বর দিয়ে সহজেই যাচাই করতে পারছেন। অন্যদিকে কোন নাগরিক তার চাহিদা মোতাবেক খারিজ খতিয়ানের জাবেদা কপি রেকর্ডরুমের মাধ্যমে দ্রুত পেয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আবেদনের সময় সংযুক্ত কোর্ট জালিয়াতি রোধে ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কর্মতৎপরতা উল্লেখযোগ্য। তিনি লেজার মেশিন দিয়ে কোর্ট ফি যাচাই করে আবেদনপত্র গ্রহণ করেন। ফলে কোর্ট ফি হতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে। অন্যদিকে জনগণ কোর্ট ফি জালিয়াতির প্রতিরোধ হচ্ছে। তাছাড়া আবেদন ফরম ও কোর্ট ফি সেবাগ্রহিতাদের সহজীকরণের লক্ষে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। একজন সেবাগ্রহিতা অফিসের সততা স্টোরের নির্ধারিত মুল্যে আবেদন ও কোর্ট ফি নিজেরাই নিতে পারছেন। এক্ষেত্রে সেবাগ্রহিতারা ভূমি অফিস থেকে সরাসরি ও খুব সহজেই ভূমি সেবা পেয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও অফিসের সামনেই টাঙানো হয়েছে সিটিজেন চ্যাটার। এর মাধ্যমে সেবা গ্রহিতারা ভূমি অফিসের যেকোন নিয়ম-কানুন, খাজনা-খারিজ, পর্চা, রেকর্ড সংশোধন, জমি সর্ম্পকিত যাবতীয় তথ্য দেয়া আছে। ফলে সেবাগ্রহিতারা আর অফিসে সময় ও অর্থ খরচ না করে সিটিজেন চ্যাটার দেখে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন। এ বিষয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইকতিয়ার উদ্দীন ভূইয়া বলেন, যোগদানের পর জাতীয় উন্নয়ন মেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন সংক্রান্ত গ্রহিত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। ফলে অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে কাজ শুরু করে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই কাজগুলি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, সরকার হচ্ছে জনগণের সেবক এবং আমরা সরকারে অংশ হিসাবে আমাদের সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড স্যারের দিক নির্দেশনা মোতাবেক জনগণের ভূমি সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ নিশ্চিত করবো ইনশাল্লাহ।
    ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া এর আগে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন ভূনি অফিস সহ বিভিন্ন ভূমি অফিসে সততার কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি জনগণের মাঝে হয়রানি মুক্ত ভূমি সেবা উপহার দেওয়ার পাশাপাশি জেলার ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের কল্যাণেও বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে থেকে জেলা ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • ঠাকুরগায়ের রাণীশংকেলে ২ দিনব্যাপী হরিবাসর নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগায়ের রাণীশংকেলে ২ দিনব্যাপী হরিবাসর নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের নেকমরদ ইউনিয়নের বামন বাড়ী পাড়া এলাকায় গত ৬/৭ ই নভেম্বর ২০২২ সোমবার ও মঙ্গলবার ২ দিন ধরে বিভিন্ন এলাকার কীর্ত্তনের দল দিয়ে হরিবাসর অনুষ্ঠিত হয়।

    জানা যায়,ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের বামন পাড়া হরিবাসর কমিটির উদ্যোগে এ হরিবাসরের আয়োজন করা হয়।

    উক্ত হরিবাসর অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকার ভক্তবৃন্দ,দর্শক শ্রোতা দলে দলে আসিয়া পুজো পার্বন,কীর্ত্তন ও নাম সংকীর্তন করেন।

    হরিবাসর অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কীর্ত্তনের দল ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়।আর সে কীর্ত্তনের দল দিয়ে হরিবাসর মঞ্চে কীর্ত্তন গাওয়া হয়।সে সময় পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি উপস্থিত ছিলেন।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।