Author: desk

  • ধামইরহাটে পৌর আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে পৌর আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে পৌর আওয়ামীলীগের ৪টি সহযোগি সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ নভেম্বর সকাল ১০ টায় স্মৃতিসৌধ চত্বরে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মুকিত কল্লোল এর সভাপতিত্বে কৃষক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের পৌর কমিটির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ দেলদার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সহ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আজাহার আলী, সহ সভাপতি আবু হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল হক সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ওমর ফারুক সুমন, জেলা কৃষক লীগের সাবেক সম্পাদক ও আহবায়ক সদস্য ডা.মো. আনোয়ারুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আনজুআরা বেগম, সম্পাদক আরজিনা খাতুন, প্যানেল মেয়র মুক্তাদিরুল হক, মেহেদী হাসান, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ সাবুবুর রহমান সাবু, সম্পাদক জাভেদ নওরোজ আলমগীর, কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেওয়ান জাহিদ, সম্পাদক আলহাজ্ব জহুরুল হক, শ্রমিক লীগের সভাপতি সহিদুল ইসলাম, সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনাজি, ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান হোসাইন, সম্পাদক আহসান হাবীব পান্নু, পৌর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পাস্কায়েল হেমরম, সম্পাদক আনন্দ কুমার শীল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। পরে দুপুর আড়াইটায় ২য় অধিবেশনে পৌর কৃষক লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম রুবেল, সম্পাদক কাউন্সিলর আলতাব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এইচএম তারিকুজ্জামান মনি, সম্পাদক এহসান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত হোসেন, শ্রমিক লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান চৌধুরী, সম্পাদক ইদ্রিস আলী ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী কুলসুম বেগম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বুলবুলি সাহা নির্বাচিত হন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সিরাজদিখানে ঘরবাড়ি সহ স্থাপনা ভাঙচুর

    ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সিরাজদিখানে ঘরবাড়ি সহ স্থাপনা ভাঙচুর

    লিটন মাহমুদ।
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের চর গুলগুলিয়া গ্রামে সারাফত আলীর ছেলে মোঃ সোহেল ও রুমেল হোসেনের বসত বাড়ি ও স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়ায় গতকাল রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের চর গুলগুলিয়া মোঃ সোহেলের বসত বাড়ি ও স্থাপনায় এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত সারাফত আলীর ছেলে রুমেল হোসেন বলেন,সিরাজদিখান থানাধীন বাসাইল ইউনিয়নের চর গুলগুলিয়া মৌজায় ১২৪ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবত আমরা ভোগদখল সহ জমির চারপাশে ইটের বাউন্ডারি এবং ভিতরে স্থাপনা নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি।এখানে ঘরবাড়ি স্থাপনা নির্মাণের পর থেকেই জমির আলীর ছেলে মোঃ আলহাচাব ও মোঃ আলমাছের ছেলে মাঈনুদ্দিন গ্রুপ একাধিকবার আমাদের কাছ থেকে চাঁদা চেয়েছে।প্রথম অবস্থায় কিছু টাকা দিয়েছি পরে আবার তারা ৫০ লাখ টাকা চাঁদা চাইলে দিতে অস্বীকার করায় আমাদের উপর হামলা করে।গতকাল আলহাচাব ও মাঈনুদ্দিন গ্রুপের প্রায় ২০ / ২৫ জনের সন্ত্রাস বাহিনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এতে বাড়ির বাউন্ডারি সিসি ক্যামেরা এবং বসত ঘর ভাঙচুর ও জিনিস পত্র লুটপাট সহ প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে যায়।

    এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম মিজানুল হক বলেন,এদের বিরুদ্ধে ইতঃপূর্বে মারামারি সহ চাঁদাবাজির মামলা হয়।মামলার প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই ধরনের ঘটনা শুরু করেছে। বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার সিরাজদিখান সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান রিফাত বলেন,ঘটনাটা আমি জানি এই ধরনের চাঁদাবাজদের অভিযোগ পেয়ে আমরা তাদের ধরছিলামও।পুনরায় আমরা এইসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐ এলাকায় সাঁড়াশি অভিযানে যাবো।

  • উত্তরাঞ্চলের জেলা, উপজেলা থেকে দেশী মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে

    উত্তরাঞ্চলের জেলা, উপজেলা থেকে দেশী মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। একটা সময় এ দেশের মানুষকে বলা হতো মাছে-ভাতে বাঙালি। সে সময় গ্রামাঞ্চলোর জলাশয়গুলোতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। বাড়িতে যদি ভাত নাও থাকত, তবুও মাছের কমতি ছিল না। অনেকের এমনও দিন গেছে যে, ভাত না খেয়ে শুধু মাছ খেয়ে থাকতে হয়েছে তাদের। মৎস্য আহরণ ছিল সহজ ব্যাপার। সেই সময় প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যেত। আজ আমরা এসব মাছ খুব বেশি দেখতে পাই না। যদিও কালেভদ্রে দেখা যায়, সেগুলোর অধিকাংশই বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। ফলে দেশি মাছের প্রকৃত স্বাদ পাওয়া যায় না।

    নদী মাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী, খাল-বিল-নালা, পুকুর ডোবা, হাওর-বাঁওড়, ধানক্ষেত, পানিবদ্ধ বিলগুলো হচ্ছে- দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রধানতম উৎস। এসব উৎস ধ্বংস, অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণ, মাত্রাতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার এবং নানাভাবে পরিবেশ দূষণের ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে। ট্যাংরা, টাকি, চান্দা, মহাশোল, সরপুঁটি, টাটকিনি, বাগাড়, রিটা, পাঙাশ আর চিতল এসব মিঠা পানির মাছের প্রজাতিগুলো চরম হুমকিতে রয়েছে। গত কয়েক দশকে বেশ কয়েক প্রজাতির পরিচিত দেশীয় মাছ এখন আর বাজারে দেখা যায় না। বর্তমানে দেশের ১১৮ প্রজাতির দেশীয় মাছ বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। কৃষি তথ্য সার্ভিসের (এআইএস) এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে বিলুপ্ত প্রায় মিঠা পানির মাছের প্রজাতির সংখ্যা ৬৪টি।
    গত কয়েক দশক ধরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলাশয়গুলোর আয়তনে সংকোচন, নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবার পানির অপরিমিত ব্যবহার, ডোবা-নালা ভরাট করা, কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশকে পানির দূষণ এবং অপরিকল্পিতভাবে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে মাত্রাতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের সংখ্যা অনেক কমছে। গত কয়েক বছরে প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের পরিমাণ অর্ধেকে নেমে এসেছে।

    বর্তমান প্রজন্ম আজ অনেক দেশি জাতের মাছের কথা ভুলে গেছে। তাদের সঙ্গে যখন দেশি মাছের কথা আলোচনা করা হয়, তখন তারা এমন ভাব করে যেন নামগুলো এই প্রথম শুনছে।
    এখন প্রশ্ন হলো, কিভাবে এই মাছগুলো বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে? আসলে এই মাছগুলো এমনি এমনি বিলুপ্ত হচ্ছে না, বরং বিলুপ্ত করা হচ্ছে। আজ আমরা অধিক ফলনের আশায় জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করছি। এসব কীটনাশক বৃষ্টির পানির মাধ্যমে খাল ও বিলে গিয়ে পৌঁছায়। এর ফলে ওইসব খাল-বিলের মাছ মরে যায়। অন্যদিকে অনেক মাছ ডিম ফুটে বাচ্চা বের করার সময় আহরণ করা হচ্ছে। এর ফলে ওই মাছগুলো ডিমসহ ধরা পড়ছে। এভাবে মাছ ধরার কারণে অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে অতি মাত্রায় পোনা মাছ আহরণ করা হয়, যার ফলে ওই মাছগুলো নিশ্চিত বিলুপ্তির পথে ধাবিত হচ্ছে। তাই মানুষকে এভাবে মাছ আহরণ থেকে বিরত রাখতে হবে।
    বাংলাদেশে প্রায় বিলুপ্তির পথে ১০০র বেশি দেশীয় মাছ থাকলেও এখনো কোন মাছকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি আইইউসিএনের এ সংক্রান্ত নিয়মটি হচ্ছে, সর্বশেষ কোন একটি প্রজাতির মাছের দেখা পাবার পর পরবর্তী ২৫ বছরে যদি সেই প্রজাতির অস্তিত্বের কোন প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে সেটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের খাল-বিল, পুকুর-জলাশয় থেকে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ দেশিয় বিভিন্ন প্রজাতির ছোট ছোট মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। এর কারন হিসেবে জানা গেছে, প্রাকৃতিক ও একশ্রেণির অসৎ মানুষের যত্রতত্র করেন্ট জাল ব্যবহার করায় এ জাতীয় দেশী অনেক মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। আইন থাকলেও এর বাস্তব প্রয়োগ না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাকৃতিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে জলাভূমির সঙ্গে সংযোগ খাল ভরাট, জলাশয়ে বছরের অধিকাংশ সময় পানি না থাকা এবং প্রজনন মৌসুমে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া। এ ছাড়া
    একশ্রেণির মানুষ অপরিকল্পিতভাবে মৎস্য আহরণ, প্রজনন মৌসুমে প্রজনন সক্ষম মাছ ও পোনা ধরা, নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার করে মাছের আবাসস্থল ধ্বংস করায় দেশিয় বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-ছোট মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

    বিলুপ্তির শঙ্কায় থাকা এসব মাছের মধ্যে রয়েছে- চ্যাপিলা, বইচা, আইড়, পুঁটি, সরপুঁটি, বাইলা, মেনি, শিং, মাগুর, শোল, কই, টাকি প্রভূতি।
    একসময় খাল, বিল, জলাশয়ে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। বাজারগুলোও ভরে যেত দেশিয় বিভিন্ন ধরণের মাছে। বর্তমানে চায়না প্রযুক্তির কারেন্ট জালের পর রিংজাল ব্যবহার করায় ওই জাতীয় ছোট মাছের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। ফলে বাজারে ছোট প্রজাতির মাছের সরবরাহ অনেকটা হ্রাস পেয়েছে।

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী, রেলওয়ে বাজার, হাটপাড়া, সুলতানগঞ্জ, রেলগেট, কদম হাজিরমোড়, পিরিজপুর, কাঁকনহাট, বাসুদেবপুর, বিলপাতিকলা, দূর্গাদহ বিল, রাজাবাড়ীর খাল, বিল, পদ্মা, মাহনন্দা নদী ও জলায়শের ছোট মাছ ধরার জন্য কারেন্ট জাল বা রিংজালের ব্যবহারে রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে একশ্রেণির মৎস্য শিকারিদের মধ্যে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ওইসব উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চায়না রিংজাল নদ-নদী, খাল-বিল জুড়ে ফাঁদ পেতে রাখা হচ্ছে। এতে প্রাকৃতিক সবধরনের দেশিয় মাছ ধরা পড়ছে চায়না প্রযুক্তির রিংজালে। এক শ্রেণীর অসৎ মৎস্যজীবিগণ নদী, খাল, বিল, বড়, বড় পুকুর, জলাজয়ে ভারতীয় বিষ প্রয়োগ করে মাছের বংশ শুধু বিলুপ্ত করছেন না। এসব বিষ মিশ্রিত মাছ খেয়ে নানা মানুষ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    রাজশাহীর একজন হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বলেন, আকারে ছোট হলেও এসব দেশিয় মাছ পুষ্টিগুণে সেরা। তাই এসব মাছ বিলুপ্তির কারণে পুষ্টির বড় উৎস্য হারিয়ে যাচ্ছে। খাল, বিল, জলাশয়ে মূলত ছোট মাছ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে থাকে। জমিতে রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে এবং কারেন্ট জাল বা রিংজাল ব্যবহার করায় প্রোটিন ছাড়াও ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়োডিন ও ভিটামিনযুক্ত এসব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম আইন শৃঙ্খলা সভায় আতঙ্কিত হয়ে বলেন, পদ্মায় বিষ দিয়ে একশ্রেনীর মানুষ মাছ আহরণ করছেন। এ মাছ খেয়ে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

    মোঃ হায়দার আলী,
    রাজশাহী।

  • জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    মো: হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন শনিবার বেলা ১১ টায় মহানগরীর উপশহরস্থ সংস্থার জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী জেলা শাখার নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ জুুলফিকারের সভাপতিত্বে ও রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি রফিক আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহসভাপতি আলমগীর গণি।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম, সহকারী মহাসচিব আবু মুসা, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাকেব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান খান আলম, রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমান, দৈনিক সোনার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত।
    সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রম সর্ম্পকিত আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সংগঠনিক সচিব আব্দুল মজিদ।
    সম্মেলনে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলা ও রাজশাহী জেলার ৯ টি উপজেলা শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের মতামতের ভিত্তিতে ২৭ সদস্য বিশিষ্ঠ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি গঠিত হয়।
    কমিটির সভাপতি- সরকার শরিফুল ইসলাম (রাজশাহী), সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল নাহিদ (পাবনা), সহসভাপতি রফিক আলম (রাজশাহী), ইকরামুল হক (সিরাজগঞ্জ) ও কবির হোসেন (জয়পুরহাট), সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান ফিরোজ (রাজশাহী), যুগ্ম সম্পাদক সালাহউদ্দিন (নাটোর) ও ফয়সাল শাহরিয়ার অনতু (রাজশাহী), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বনি (রাজশাহী) সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল সুকরানা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), অর্থ সম্পাদক জসীম উদ্দীন (রাজশাহী), দফতর সম্পাদক এহসান আলী তুহিন (রাজশাহী), প্রচার সম্পাদক মোঃ রাজিব (রাজশাহী), জন কল্যান সম্পাদক মঞ্জুয়ারা খাতুন (রাজশাহী), প্রশিক্ষন সম্পাদক তারিক হায়দার মিঠু (রাজশাহী), সাহিত্য সম্পাদক গুলবার আলী জুয়েল (রাজশাহী), ক্রীড়া সম্পাদক আফরোজা খান হেলেন (রাজশাহী), নির্বাহী সদস্য আমির ফয়সাল সম্রাট (রাজশাহী), হাবিবুর রহমান পাপ্পু (রাজশাহী), মোস্তাফিজুর রহমান রকি (রাজশাহী), মাহফুজুর রহমান রুবেল (রাজশাহী), রফিকুল ইসলাম (জয়পুরহাট), জামিরুল ইসলাম (নাটোর), আল আমিন মন্ডল (বগুড়া), সাজেদুর রহমান সাজু (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), মোঃ রকি (নওগাঁ) ও এম ফজলুল হক বাবলু (বগুড়া)।

    মো: হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পটিয়া হরিণখাইনে এলাকাবাসীর উদ্দ্যােগে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ

    পটিয়া হরিণখাইনে এলাকাবাসীর উদ্দ্যােগে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পটিয়া উপজেলার হরিণখাইনে এলাকাবাসীর উদ্দ্যােগে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ গতকাল বিকালে স্হানীয় সৈয়দ আহমদ চৌধুরী মাদ্রাসা মাঠে কুসুমপুরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য, পুরুষকৃত সমাজ কর্মী, শওকত আকবরের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক রবিউল হোসেন বাদশার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া থানার ওসি তদন্ত রাশেদুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি
    ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সমাজ সেবক নুরুল রশীদ চৌধুরী এজাজ, হাজী আবদুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, হাজী নুরুল হক,হাজী জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজ চৌধুরী, আলমগীর বাদশা, ফেরদৌস আলম লিটন, মোহাম্মদ ইউসুফ, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ , এতে সকলে বক্তব্য রাখেন। এই সময় পটিয়া থানার ওসি তদন্ত জনাব রাশেদুল ইসলাম বলেন ,পুলিশ জনগণের বন্ধু, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পুলিশ সর্বদাই কাজ করে যাচ্ছে,‌ এলাকায় কোনরকম মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংগঠিত হলে, এলাকার সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে যেন এইসব নির্মুল করতে সহযোগিতা করে।

  • ময়মনসিংহে বোররচরে স্পোটিং ক্লাবের উদ্বোধন করলেন জাপা নেতা হারুন

    ময়মনসিংহে বোররচরে স্পোটিং ক্লাবের উদ্বোধন করলেন জাপা নেতা হারুন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়নের বার্তিপাড়া এলাকায় স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বোররচর বার্তিপাড়া জুনিয়র স্পোটিং ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদেন এবং ফিতা কেটে ক্লাবের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার,সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন। পরে এক বিনিময়ে ক্লাবের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগীতার আশ্বাস দেন নেতৃবৃন্দ
    এসময় জেলা জাতীয় পার্টি যুগ্ম আহবায়ক নুর মোহাম্মদ নুরু, সাব্বির হোসেন বিল্লাল, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক কাউসার আহমেদ, আজিজুল ইসলাম মেম্বার,জেলা জাতীয় যুব সংহতির যুগ্ম আহবায়ক জালাল উদ্দিন, সিরতা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক লাল চান মিয়া,বোররচর ইউনিয়ন জাপা নেতা তফাজ্জল হোসেন দারগা,জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আরিফ রববানীসহ ক্লাবের সভাপতি জমশেদ আলী,সাধারন সাধারণ সম্পাদক ইবনে মেহেদী, সহ সভাপতি আল আমিন আহমেদ,কোষাধ্যক্ষ আরাফাত, সদস্য-আলাল উদ্দিন, তাবারুল ইসলাম,জনি আহমেদ,রমজান আলী,রকিবুল হোসেন,হাফিজ উদ্দিন, আনারুল হোসেন,হাফিজুর রহমান,শাহিনুর আলম,সিজারুল ইসলাম,রাশিদুল ইসলাম,সজিব আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জনতার পুলিশ’ হিসেবে জনসাধারণকে সেবা প্রদানের  লক্ষ্যে বিট পুলিশিং -ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    জনতার পুলিশ’ হিসেবে জনসাধারণকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিট পুলিশিং -ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
    আপনার পুলিশ, আপনার পাশে -বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি ; তথ্য দিন সেবা নিন এই শ্লোগানগুলোকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি মডেল থানা ৪৪টি বিটে চলছে বিট পুলিশিং কার্যক্রম। ৪৪টি বিটে রয়েছে ৪৪টি বিট কার্যালয়। প্রতিটি বিটে ইনচার্জ হিসেবে রয়েছে একজন সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তা। জনগণকে দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এবং সর্বোপরি এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিট পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিট পুলিশিং এর নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজ থেকে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল এবং ধর্ষণবিরোধী সভার আয়োজনের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করার কাজ করে যাচ্ছে বিট পুলিশিং কর্মকর্তারা। বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ করতে জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনা মোতাবেক থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ নিয়মিত মনিটরিং করছেন।

    শনিবার ১২ (নভেম্বর) কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার বিট নং-৩৭ পরানগঞ্জ ইউনিয়ন এর আয়োজনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিট পুলিশিং সংক্রান্তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন-ইচ্ছে করলেই কোন এলাকাকে অপরাধ মুক্ত করা একা কারো পক্ষে সম্ভব নয়, কেহ একা কোন এলাকাকে অপরাধমুক্ত পারবে না,তাই সমাজকে অপরাধমুক্ত করতে হলে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, তিনি বলেন- পুলিশ জনতার বন্ধু, তাই আসুন আমরা পুলিশ এবং জনতা এক হয়ে কাজ করার মাধ্যমে সমাজকে অপরাধ মুক্ত করি।

    মতবিনিময় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার, আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ, পরানগঞ্জ ও শাহ বাজার পরিচালনা কমিটি,স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা। উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ৩৭নং বিট ইনচার্জ থানার সাব ইন্সপেক্টর এস আই আশিকুল হাসান।
    এছাড়া উক্ত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নাজমুল হুদা, ইউপি সদস্যবৃন্দ এবং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ ও স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ ও গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রুহুল আমিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তাগণ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম রোধে জেলা পুলিশের কার্যকর ভূমিকার জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন ও ধন্যবাদ জানান।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যাশিত ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে আপামর জনসাধারণকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিট পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। অপরাধের ছোয়া থেকে প্রতিটি পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতেও জনসাধারণকে সরকারি নির্দেশনা ও আইনকানুন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ওসি শাহ কামাল আকন্দ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ও অপরাধ মুক্ত কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকা গড়তে সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।

  • ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার-১৬

    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার-১৬

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ গত ২৪ ঘন্টায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ১৬ জন আসামীদেরকে গ্রেফতার করেছে।

    কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এসআই হাবিবুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি টীম নগরীর চড়পাড়া এলাকার মসজিদের দ্বিতীয় গলি ৮/৩ নীলপদ্র জনৈক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ এর বাসার সামনে অভিযান চালিয়ে পাকা রাস্তার উপর হইতে ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী চরপাড়া বাইলেন এলাকার মৃত চান মিয়ার পুত্র মোঃ সোহান (২০),আনিস মিয়া বাসার ভাড়াটিয়া সাইবি (২৪), ৩৬বাড়ী কলোনির ফজলুল হক এর পুত্র ফরহাদ (৩৫), গ্রেফতার করে। এসময় তাদের নিকট থেকে ১ টি সিলভার কালারের সুইচ গিয়ারের চাকু, যাহা বাট সহ লম্বা ৯ ইঞ্চি, ১টি সিলভার কালারের সুইচ গিয়ারের চাকু, যাহা বাট সহ লম্বা ৯ (নয়) ইঞ্চি, ১ টি স্টীলের চাকু, যাহা প্লাষ্টিকের বাট সহ লম্বা অনুমান ৮ ইঞ্চি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    এসআই উত্তম কুমার দাস এর নেতৃত্বে একটি টীম থানা এলাকার চর রঘুরামপুর গ্রামের শম্ভুগঞ্জ রেলস্টেশন গামী পাকা রাস্তায় বঙ্গবন্ধু ঐক্য পরিষদ ক্লাবের সামনে হইতে মাদক মামলার আসামী স্থানীয় রহিম মিয়ার পুত্র মোঃ রুমন (১৯), কে গ্রেফকার করে।গ্রেফতারকৃত আসামীর নিকট থেকে ১০০(একশত) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানান পুলিশ।

    এসআই সাইদুল রহমান এর নেতৃত্বে একটি টীম থানার
    পুলিশ লাইনস এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারী শিশু মামলার আসামী স্থানীয় এইচ আর শাহ এর পুত্র এস এম আলম (৫৫), গ্রেফতার করা হয়। এসআই আল মামুন এর নেতৃত্বে একটি টীম থানা এলাকার বরবিলার পাড়ে অভিযান পরিচালনা করে
    ধর্ষণ মামলার আসামী মোঃ ফারুক (৩৮),কে তার নিজ বাড়ী হইতে গ্রেফতার করেছে।
    এসআই কমল সরকার এর নেতৃত্বে একটি টীম থানা এলাকার ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি মামলার আসামী ত্রিশালের দেওয়ানিয়া বাড়ীর হেলাল উদ্দিন এর পুত্র আজিজুল হক (৪০), চড়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলাম এর পুত্র আল আমিন (২৫), কে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে । এএসআই নুরুজ্জামান এর নেতৃত্বে একটি টীম থানা এলাকার গাঙ্গিনার পাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অন্যান্য মামলার আসামী চকছত্রপুর নদীরপাড়, বাকৃবি শেষ মোড় এলাকার
    মোঃ আজমল হোসেন ওরফে নাজমুল (২৮)কে গ্রেফতার করা হয়। ইহা ছাড়াও অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া এসআই আনোয়ার হোসেন শাহজালাল, তাইজুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, এএসআই মাসুম রানা, নুর ইসলাম প্রত্যেকে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ৫টি জিআর, ১টি সিআর ও ১টি সিআর সাজা সহ সর্ব মোট ০৭টি বডি তামিল করেন। জিআর গ্রেফতারী পরোয়ানায় ৫ জন হলেন চরপাড়া এলাকার চান মিয়া ওরফে সেন্টুর পুত্র আল হাসান ওরফে রাব্বী, উজান ঘাগড়া পুটিয়ালীর চর এলাকার সোহরাব উদ্দিন এর পুত্র গিয়াস উদ্দিন, হেলাল, তারু, সিআর সাজা গ্রেফতারী পরোয়ানা ভূক্ত ১জন হলেন বোররচর বনপাড়া এলাকার আজিজুল হক এর পুত্র হাফেজ মোঃ আল আমিন, সিআর গ্রেফতারী পরোয়ানায় ১জন হলেন বাহাদুর পুর এলাকার আব্দুর রশিদ এর পুত্র মিনহাজ উদ্দিন কে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ।উল্লেখ্য যে, একই ব্যক্তির নামে মামলা/ওয়ারেন্ট রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ।

  • চিলা ইউনিয়নের পক্ষথেকে ইউএনও কে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

    চিলা ইউনিয়নের পক্ষথেকে ইউএনও কে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

    মোংলা প্রতিনিধি
    যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়, তবু চলে যায়’।
    সৎ-নিষ্টাবান, সংস্কৃতিবান, জনবান্ধব জনসেবক মোংলা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদারকে ১২ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় সফল ভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন ও জনসেবার জন্য সংবর্ধনা দেয়া হয়। মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করে চিলা ইউনিয়ন পরিষদ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হেসেন’র সভাপতিত্বে ও সচিব
    আতাউর রহমান’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা রাখেন চিলা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল হাওলাদার, মনুমিয়া মধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল আহম্মেদ মুকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ শেখ, ইউপি সদস্য কৌসিক মল্লিক কানু , সান্ত ডাকুয়া, ওবায়দুল হাওলাদার, ৪.৫.৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম, প্রমূখ।
    সংবর্ধনায় অনুষ্টানে বক্তারা বলেন ইউএনও কমলেশ মজুমদারকে তার সততা-নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম এর জন্য মোংলাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে রাখবেন। সংবর্ধিত অতিথি কমলেশ মজুমদার মোংলায় দায়িত্ব পালনকালে তাকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন তার বক্তৃতায়। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ইউপি সদস্য সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • সুমন আহমেদ ভুঁইয়া’কে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

    সুমন আহমেদ ভুঁইয়া’কে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত সুনামধন্য চেয়ারম্যান মরহুম সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার এর সুযোগ্য সন্তান আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন আহমেদ ভুঁইয়াকে “ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী ও শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ।
    ঢাকা জেলার সাভার আশুলিয়ার মাটি ও মানুষের নেতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি, এবং আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন এর অত্যান্ত ¯েœহ ভাজন আশুলিয়ার “ইয়ারপুর ইউনিয়নের” প্রতিটি মানুষের ভালোবাসার স্পন্দন, আশুলিয়া থানা যুবসমাজের অহংকার, শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের প্রিয় বন্ধু, গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষদের শেষ ঠিকানা, ইয়ারপুর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আশুলিয়া থানা যুবলীগের সফল প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ত্যাগী নেতা সুমন আহমেদ ভুঁইয়াকে আশুলিয়ার ৪ নং “ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ।
    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন আহমেদ ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত তিন তিনবারের সফল চেয়ারম্যান এবং সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন আমার বাবা সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার, তিনি গত ২৮/১০/২০২২ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাই আমার বাবা মরহুম সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া’র অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার লক্ষ্যে আমি তার সন্তান হিসেবে ইয়ারপুর ইউনিয়নবাসীর কাছে সমর্থন ও দোয়া চাই। আশুলিয়া থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষকলীগসহ দলীয় সকল নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন সুমন আহমেদ ভুঁইয়া। তিনি আরও বলেন, দল যাকে যোগ্য প্রার্থী মনে করবে তাকে নৌকা মার্কা দিবেন, আমাকে নৌকা মার্কা দেয়া হলে আমার সবটুকুও দিয়ে হলেও চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ বিজয় নিশ্চিত বলে দাবী করেন এই আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন আহমেদ ভুঁইয়া।