Author: desk

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে  ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে পতাকা বিক্রির হিড়িক

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে পতাকা বিক্রির হিড়িক

    আ: হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

    আগামী ২০ নভেম্বর কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। বিশ্বকাপ শুরুর দিন যত ঘনিয়ে আসছে বাড়ছে সমর্থকদের মাঝে ততো উত্তেজনা। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্ছাসে মেতেছে বাংলাদেশি সমর্থকরাও। এর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পতাকা বিক্রির হিড়িক পরেছে।
    মধুপুরে প্রায় ৭ জন ভ্রাম্যমাণ পতাকা ব্যবসায়ী ফেরি করে পতাকা বিক্রি করছেন। তারা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কিংবা পথে হেঁটে লাঠিতে পতাকা বেঁধে বিক্রি করছেন। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক বেশি থাকায় এই দুই দেশের পতাকা বিক্রি হয় বেশি হচ্ছে। এ ছাড়াও গত কয়েক বছরে জার্মানি, স্পেন ও পর্তুগাল ও ফ্রান্সের সমর্থক বেড়েছে। তাই এসব দেশের পতাকাও কমবেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।
    এদিকে পতাকার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের জার্সি ও বিক্রি হচ্ছে। বাসা-বাড়ির ছাদ কিংবা দোকানঘরে ওড়ানোর জন্য পছন্দের দেশের পতাকা সংগ্রহ করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। ধারণা করা হচ্ছে আগামী ৫ দিনের মধ্যে পুরোপুরি শুরু হবে বিশ্বকাপের আমেজ। পতাকার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, চায়ের দোকান থেকে বাড়ির উঠোনে যুক্তিতর্কে মেতে উঠবেন ফুটবলপ্রেমীরা।
    পতাকা বিক্রেতা মো. বাদল মিয়া জানান, বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করি। কয়েক দিন আগে বিক্রি কম ছিল। বিশ্বকাপের দিন যত ঘনিয়ে আসছে পতাকা বিক্রিও তত বাড়ছে। আমি বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স , ইংল্যান্ড, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করছি। বিভিন্ন সাইজ এবং কোয়ালিটি ভেদে প্রতিটি পতাকা ৫০ -৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি। বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করি। তবে অন্যান্য বিশ্বকাপের তুলনায় এবছরের পতাকা বিক্রি কিছুটা কম। তবে আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রি অনেক বেড়ে যাবে।
    সমর্থকদের মধ্যে যারা দেশপ্রেমিক তাহারা পছন্দের দেশের পতাকার পাশাপাশি নিজের দেশের পতাকাও কিনছেন। বাড়ির ছাদে কিংবা জানালাতে টাঙানো হলে সেখানে উপরে বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে নিচে পছন্দের দলের পতাকা প্রদর্শন করে। যে সকল দেশের পতাকা ও জার্সি তৈরি সহজ তারচেয়ে যে সকল দেশের পতাকা এবং জার্সি তৈরি কঠিন তার দাম একটু বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

  • বানারীপাড়ায়  মাদকসহ  পুলিশের খাঁচায় শোভন

    বানারীপাড়ায় মাদকসহ পুলিশের খাঁচায় শোভন

    আব্দুল আউয়াল বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ার ইলুহার ইউনিয়ন থেকে এক চিহৃিত মাদক কারবারিকে গাঁজাসহ গ্রেফতার করেছে বানারীপাড়া থানা পুলিশ। গতকাল ১৪ নভেম্বর সোমবার রাত আনুমানিক ৯ টার পরে ইলুহার ইউনিয়ন থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুলাল সরকারের ছেলে মৌলিক সরকার শোভন(২৪) নামের এই চিহৃিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছে
    আড়াই শত গ্রাম গাঁজা পায় পুলিশ। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে বানারীপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে।এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মাসুদ উল আলম চৌধুরী বলেন,আসামীকে আজ সকালে মাদক নিয়ন্ত্রণ মামলায় কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • ক্যাচার জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেয়ার সময় কামড়ে দিল কুকুর

    ক্যাচার জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেয়ার সময় কামড়ে দিল কুকুর

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক ।। বানারীপাড়ায় কুকুরকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেয়ার সময় খোদ ক্যাচারকেই কামড়িয়েছে কুকুর। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাইশারীতে। মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদানকারী টীম কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য মাঠে নামে। এ সময় দক্ষ ক্যাচার আল আমিন (৩২) সিরিঞ্জ দিয়ে কুকুরটিকে ভ্যাকসিন দেয়ার সময় বেরসিক কুকুরটি উল্টো ক্যাচারকেই কামড় দেয়। দায়িত্বরত উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আব্দুর রব জানান, এ সময় আল আমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাৎক্ষনিক জলাতঙ্কের হিউম্যান ভ্যাকসিন দেয়া হয়। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁয়ে।
    তিনি আরো জানান, বানারীপাড়া উপজেলায় ১৩ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পযর্ন্ত ৬০৫ টি কুকুরদের ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। এ জন্য ভ্যাকসিন প্রদানকারী ২৫, দক্ষ ক্যাচার ৫০, সহকারী সার্ভেয়ার ২৫ এবং সহকারী ক্যাচার ২৫ জন কাজ করছে। ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে কুকুরকে লাল রং মেখে চিহ্নিত করা হচ্ছে।#

  • আ.লীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার -শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

    আ.লীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার -শেখ আফিল উদ্দিন এমপি

    আজিজুল ইসলামঃ যশোর ৮৫/১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকার জনবান্ধব ও উন্নয়নমূখী সরকার। বিএনপি সরকার বিগত দিনে উন্নয়নের বদলে প্রত্যেক আওয়ামীলীগ কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করেছে। বিএনপি’রা ক্ষমা কি জিনিস করতে পারে না, শেখে নাই। বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে নিচিহ্ন করেছে। জোট বিএনপি জামাত যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে তখন লুটপাট, খুন-গুম, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের পরিবর্তে ভাগ্য নিয়ে তারা ছিনিমিনি খেলে। তাই জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী আওয়ামীলীগ সরকারকে আবারো আগামী সংসদ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। ১৫ই নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১২টার সময় শার্শার কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে কায়বা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়ের সামনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৪ই নভেম্বর যশোর আগমন ও আওয়ামীলীগের সমাবেশ সফল করার লক্ষে বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু। আরও বক্তব্য রাখেন, কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন প্রমুখ।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক সালমা আক্তার, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলিল,
    উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস, ডিহি ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মুকুল, বাগআঁচড়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ কবির বকুল।
    আওয়ামীলীগ নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম, আফিল উদ্দিন, নাজমুল ইসলাম ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন, আব্দুল মান্নানসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • শৈলকুপায় পান বরজে চুরির ঘটনায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে কলা ব্যবসায়ী নিহত

    শৈলকুপায় পান বরজে চুরির ঘটনায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে কলা ব্যবসায়ী নিহত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    শৈলকুপায় পান বরজে চুরির ঘটনায় দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে সাইদ বিশ্বাস(৫০) নামের এক কলা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামে। এ ঘটনায় ১০ ব্যক্তি আহত হয় বলে জনা যায়। নিহত সাইদ বিশ্বাস কেষ্টপুর গ্রামের মৃত জাবেদ বিশ্বাসসের ছেলে। ১৩নং উমেদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, গত বৃহস্পতিবার কেষ্টপুর গ্রামের দেব প্রসাদের পানের বরজে চুরির ঘটনায় এক ব্যক্তিকে জরিমানা করার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই জেরে সোমবার সকালে কেষ্টপুর গ্রামের তরিকুল নামের এক ব্যক্তি বিএলকে বাজারে তেল কিনতে আসলে তার উপর হামলা চালায় ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসসের সমর্থকরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল ৯টার দিকে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান সমর্থক ও ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাসসের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় আহত সাইদ বিশ্বাস, শরিফুল ইসলাম, রেজাউল বিশ্বাস, গোলাম কিবরিয়া, শরিফ, বকুল ইসমাইল সহ ১০ ব্যক্তি। আহতদের মধ্যে সাইদ বিশ্বাসসকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান বলে জানান ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান। ইউপি সদস্য মান্নানের অভিযোগ সোমবার সকালে ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাস সমর্থক কেষ্টপুর গ্রামের হানিফ মন্ডল, লক্ষণদিয়া গ্রামের মতিউর রহমান, আমিন উদ্দিন, বেষ্টপুর গ্রামে আফজাল আনোয়ার বিএলকে বাজারে তরিকুল কে পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় আহত তরিকুলকে সাইদ সহ কয়েকজন তার বাড়িতে দেখতে গেলে পূনরায় অতর্কিত হামলা চালায় কপিল সমর্থকরা।অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য কপিল বিশ্বাস বলেন, মান্নান সমর্থকরা তার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এরপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।শৈলকুপা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, কেষ্টপুর গ্রামে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে সাইদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। সংঘর্ষকারীদের ধড়তে এলাকায় অভিযান শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী

    ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী

    ষ্টাফ রিপোর্টার : রাজনৈতিক, সামাজিক ও নির্বাচনী বিরোধের জের ধরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কদ্দুস মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাতার অর্থ আত্মসাৎ ও সম্প্রতি ইউনিয়নের রায়মনি গ্রামে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের গৃহ নির্মাণ কাজে বাধা ও ভাংচুরের অভিযোগ এনে হয়রানি মোলক মামলা দায়ের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউপি সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষও একাত্মতা প্রকাশ করে অপপ্রচারের জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।

    ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সহ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি বলেন, সম্প্রতি প্রতিবন্ধী ভাতা সহ বিভিন্ন ভাতার টাকা আত্মসাৎ করার বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ নিয়ে একটি মহল নানা অপপ্রচার চালিয়ে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডলের সুনাম ক্ষুন্ন করছে। ভাতার টাকা চেয়ারম্যানের পকেটে এবিষয়টা একটা ভূয়া ও ভিত্তিহীয় অভিযোগ, কারণ দেশ এখন ডিজিটাল, ভাতার টাকা সরকার ব্যাংকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মোবাইলে দিয়ে থাকে, যে সেব নাম্বারে টাকা আসে সেই নাম্বার গুলো চেক করলেই বেরিয়ে আসবে টাকা কোথায় যায়, এ ঘটনায় সামাজিকভাবে চেয়ারম্যান-মেম্বাদের
    হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অপরদিকে ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে, অথচ চেয়ারম্যান অবগত না,তাকে অবগত করা হয়নি কেন? কি উদ্দেশ্যে? কাজের ব্যাপারে চেয়ারম্যান কে অবগত করা হয়নি এবিষয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। আর কাজ চলছে, কাজ কিভাবে হচ্ছে, ইউনিয়নের কাজের মানের সচ্ছতা যাচাই ও সিডিউল মোতাবেক করা হচ্ছে কিনা এটা স্থানীয় সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে তার দায়িত্ব আছে,সেই দায়িত্ব থেকে তিনি আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজের মান যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে দেখেন কাজ হচ্ছে নিম্নমানের, ইউনিয়নের জনগণের স্বার্থেই চেয়ারম্যান প্রতিবাদ করেছে, এটা কোন অন্যায় হতে পারেনা বলেও মনে করছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা। অথচ এই বিষয়েও চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে ৪জনের নামে মামলা করা হয়েছে, ইউনিয়নের একজন সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার তিনিও এই নাটকীয় মামলা থেকে রেহায় পাননি এই নিয়েও চলছে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা। মামলায় লেখা হয়েছে অনধিকার প্রবেশ করে নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে,অনেকে বলছেন ইউনিয়নের সরকারি কাজের মান যাচাই-বাছাই করার লক্ষে যদি চেয়ারম্যান মেম্বার পরিদর্শন করতে গেলে অনধিকার প্রবেশ হয়, তাহলে সেখানে প্রবেশে কাদের অধিকার রয়েছে? মামলায় লেখা হয়েছে চেয়ারম্যান বলেছে সিমেন্ট কোথায় নিয়ে যাস! তাহলে এথেকে বুঝা যায় প্রকল্পের কাজের সাথে জড়িত কেহ সিমেন্টের বস্তা চুরি করে সরানোর চেষ্টা করছিলেন যা দেখে চেয়ারম্যান হয়তো প্রশ্নটা করেছে সিমেন্টের বস্তা নিয়ে কোথায় যাস,তাহলে সিমেন্ট চুরি,কাজের অনিয়ম,নিম্নমানের সামগ্রি ব্যবহারের প্রতিবাদ করা যদি চেয়ারম্যানের অন্যায় হয় আর সে কারণে যদি চেয়ারম্যানের নামে মামলা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ অন্যায়, অনিয়মের প্রতিবাদ করার সাহস করবে কিভাবে? আলোচনা চলছে যদি এভাবে চলে তাহলে মানুষ প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলবে, সরকারের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যদি অনিয়ম করে তার প্রতিবাদ করলে যদি ষড়যন্ত্র আর হয়রানি মোলক মামলার আসামী হতে হয় তাহলে এদেশ থেকে প্রতিবাদ নামক শব্দ টা উঠে যাবে বলেও মন্তব্য চলছে বিভিন্ন মহলে।এজন্য সচেতন মহল প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তারা উক্ত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

    চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল একজন জনবান্ধব ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান, মঠবাড়ীর ইতিহাসে কেহ পরপর দুবার নির্বাচিত হতে পারেনি,তিনি এর আগে গত ২০১৬সালের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিল,পরে গত ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছিলো,তবে সাধারণ মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেও বিপুল ভোটে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত হয়েছেন। এমন একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যানকে এসব ষড়যন্ত্রের ঘটনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করছেন চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল।

    গত ইউপি নির্বাচনে পরাজিত একটি গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এটা উক্ত ষড়যন্ত্রেরই অংশ বলে তাদের দাবী।তারা আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান তারা।

    স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা বলেন, একটি কুচক্রীমহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেছে। তারা চেয়ারম্যানকে হয়রানি করতে একের পর এক ভুয়া ভিত্তিহীন ও কল্পকাহিনী রটাচ্ছে।

    চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস মন্ডল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আমি প্রথমবার নৌকা প্রতীক নিয়ে ও দ্বিতীয়বার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর থেকে এলাকার একটি চিহ্নিত অপরাধী ও কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, করোনাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ইউনিয়নের ৪থেকে ৫ হাজার দরিদ্র, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের প্রাথমিক তালিকা করে সরকারী সহায়তার পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সহায়তা দেয়ে হয়েছে। সরকারের বরাদ্দকৃত সকল ভাতা দলমত নির্বিশেষে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে যারা প্রাপ্য তাদের মাঝে বিতরণের লক্ষে তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রকৃত ভূক্তভোগীর নাম ও মোবাইল নাম্বার তালিকায় দেওয়া হয়। যার কাছে মোবাইল তার কাছে বরাদ্দের টাকা যাচ্ছে ব্যাংকের মাধ্যমে। তারপরও কারা এসব ষড়যন্ত্র করছেন আর কারা শেল্টার দিচ্ছেন সেটি সবার জানা। সময় মতো তাদের মুঁখোশ উন্মোচন হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ সকল বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। এ সকল বিষয়ে তারাও অবগত আছেন। তিনি কর্মী-সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, এসব বিষয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য্য ধরুন, ষড়যন্ত্র করে কারো জনপ্রিয়তা নষ্ট করা যায় না।

  • পিস্তল ৮ রাউন্ড গুলি সহ  দুই যাত্রী আটক

    পিস্তল ৮ রাউন্ড গুলি সহ দুই যাত্রী আটক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়;
    পঞ্চগড়ে একটি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি ও একটি চাকুসহ মাসুম কামাল মাসুম (৬০) ও আহসান হাবীব (৪০)নামের দুই যাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১টায় দেবীগঞ্জে ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি নৈশকোচ থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।আটককৃত মাসুম কামাল মাসুম বগুড়া জেলার গোহাইল রোড সুত্ররাপুর এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে।একই জেলার দক্ষিণ ধাওয়াপাড়া এলাকার শাজাহান আলীর ছেলে আহসান হাবিব (৪০)।

    পুলিশ জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীগঞ্জে ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনে অভিযান পরিচালনা করে সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ মডেলের একটি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি ও একটি চাকুসহ দুই যাত্রীকে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা জানান,অস্ত্রসহ দুইজন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাদের দাবী এটি বৈধ অস্ত্র। আমরা তাদের লাইসেন্সটি দেখেছি সেটা ভূয়া মনে হচ্ছে।আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হচ্ছে।

  • নড়াইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাসি দুই আসামীকে বেকসুর খালাস

    নড়াইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাসি দুই আসামীকে বেকসুর খালাস

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর ফাসি দুই জন খালাস। নড়াইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মোঃ হেদায়েত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও আসামিকে ১০হাজার টাকা জরিমান করা হয়েছে। সোমবার (১৪অক্টোবর) সকালে নড়াইলের অতিরিক্ত জেলাও দায়রা জজ মোঃ কেরামত আলী এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। আসামি পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই আদালত এ দণ্ড দেন। মামলার অন্য দুই আসামীকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, মামলার বিবরণে জানাগেছে, মোঃ হেদায়েত হোসেন নামে দণ্ডপ্রাপ্ত ঐ আসামি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পদ্মবিলা গ্রামের মৃত গোলাম রব্বানী শেখের ছেলে। পেশায় কসাই হেদায়েত তার দ্বিতীয় স্ত্রী আঞ্জু আরার প্ররোচনায় ২০১২সালের ৩ ফেব্রæয়ারি প্রথমস্ত্রী মমতাজ বেগমকে রাতে কৌশলে বাড়ির অদূরে গম ক্ষেতে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। ঘটনার পরে হেদায়তের কাপড়ে রক্ত লেগে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে তাদের ছেলে রবিউল বাদি হয়ে পরদিন ৪ ফেব্রæয়ারি বাবা হেদায়েতের বিরুদ্ধে মাকে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করে। লোহাগড়া থানায় দায়ের কৃত এ মামলায় বাদি রবিউল তার বাবা ছাড়াও সৎমা আঞ্জুআরা এবং হত্যায় সহযোগিতা করায় মুকুল সিকদারের স্ত্রী জাহানার ও তাদের মেয়ে স্বাধীনাকে আসামী করে । এদিকে ঘটনার পর হেদায়েত গাঢাকা দেয়। পরে পুলিশের জালে ধরা পড়ে প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে পুলিশের নিকট স্ত্রী মমতাজকে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তাকে আদালতে তোলা হলে সেখানেও হেদায়েত নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। এ অবস্থায় পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে হেদায়েত ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী আঞ্জুআরা ও ছোট ভাই খলিলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়ার পাশাপাশি হত্যায় জড়িত থাকার প্রমান না পেয়ে অব্যাহতি দেয়া হয় এজাহার নামীয় জাহানারা ও স্বাধীনাকে। এদিকে বিচারিক প্রকৃয়াচলা কালে আসামী হেদায়েত আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে কিছুদিন পরে পালিয়ে যায়। ফলে তার অনুপস্থিতিতেই দীর্ঘ বিচারিক প্রকৃয়া চলাকালে মোট ১৪জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহনসহ আনুসঙ্গিক প্রমানাদী বিচারবিশ্লেষন শেষে আসামি হেদায়েতের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমান হলে সোমবার রায়ের ধার্য দিনে তাকে ফাঁসী ছাড়াও অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এ দিকে গৃহবধু মমতাজ হত্যাকান্ডে অপর দুই আসামি সম্পৃক্ততার প্রমান না পাওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে

  • নাচোলে কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ

    নাচোলে কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের মাঝে গম, সরিষা, ভুট্টা, পেয়াজ, মসুর, মুগ, চিনাবাদাম, খেসারীর বীজ ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাইমেনা শারমীন এর সভাপতিত্বে কৃষি প্রনোদনা বিতরণী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার বুলবুল আহম্মেদ।
    এসময় পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাবু, কুষি-সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুন নূর ও উপ-কৃষি-কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
    পরে উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৯৭৪৫ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।

  • র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৪২ কেজি গাঁজাসহ ৫ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এর ধারাবাহিকতায় ১৪/১১/২০২২ ইং তারিখ রাত ০২:২৫ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর সদর কোম্পানী এবং স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ যৌথ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন পাঁচলিয়া বাজারের অনুমান ১০০ গজ পূর্ব দিকে জনৈক আঃ আজিজ ফিলিং স্টেশনের দক্ষিন পার্শ্বে মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশী চালিয়ে ১১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহাদের নিকট হতে মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ দুলাল মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত আঃ করিম, সাং-গোবিন্দপুর, থানা-কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা ২। মোঃ সাইফুল ইসলাম @ সোহেল (৩০), পিতা-মোঃ সেলিম মিয়া, সাং- দ্বিতীয় মুরাদপুর, থানা- দ্বিতীয় মুরাদপুর, জেলা-কুমিল্লা ৩। মোঃ রুবেল আহম্মেদ @ সেন্টু (৩২), পিতা- মোঃ হিরোন মিয়া, সাং- দ্বিতীয় মুরাদপুর, থানা- দ্বিতীয় মুরাদপুর, জেলা-কুমিল্লা।

    ২। ১৪/১১/২০২২ ইং তারিখ রাত ০৩:০৫ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর সদর কোম্পানী এবং স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ যৌথ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন পাঁচলিয়া বাজারের অনুমান ১০০ গজ পূর্ব দিকে জনৈক আঃ আজিজ ফিলিং স্টেশনের দক্ষিন পার্শ্বে মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর একটি পিকআপ ভ্যানে তল্লাশী চালিয়ে ৩০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহাদের নিকট হতে মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ ইকবাল হোসেন (২৩), পিতা- মৃত আঃ রাজ্জাক, সাং-রাধানগর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা ২। মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৩৫), পিতা- মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাং-রাধানগর, থানা-দেবীদ্বার, জেলা-কুমিল্লা ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত……..

    মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

    সহকারী পুলিশ সুপার

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০৩