Author: desk

  • বাংলাদেশ গাল-গাইডস এসোসিয়েশন আত্রাই নওগাঁ গ্রুপের দীক্ষা দানও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান

    বাংলাদেশ গাল-গাইডস এসোসিয়েশন আত্রাই নওগাঁ গ্রুপের দীক্ষা দানও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান

    রওশন আরা পারভীন শিলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় গাল-গাইডস এসোসিয়েশন আত্রাই,নওগাঁ গ্রুপের দীক্ষা দান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশ গাল-গাইডস এসোসিয়েশন আত্রাই নওগাঁ গ্রুপের দীক্ষা দান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। মঙ্গলবার সকালে অত্র স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিশনার,গাল গাইড এসোসিয়েশন,নওগাঁ নিলীমা জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবাহী অফিসারের সহ ধর্মিনী তাবাচ্ছুম ইকতেখারুল,অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান,একাডেমিক সুপারভাইজার প্রদীপ কুমার সরকার, শিক্ষিকা পারভীন আকতার প্রমূখ।স্কুল গভনিং বডির সদস্যবৃন্দ,শিক্ষক,কমচারী ও শিক্ষকবৃন্দ। এ অনুষ্ঠানে তিন ষাট জনকে দীক্ষাদান এবং সনদ বিতরন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জোবা রানী ঘোষ।
    ,

  • সুজানগরে মহান বিজয় দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা

    সুজানগরে মহান বিজয় দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২২ উদযাপন ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২২ পালন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন,থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননান,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো প্রমুখ। সভায় জনপ্রতিনিধি,উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী মাস্টার, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও সরকার নির্দেশিত বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে নিরাপদ খাদ্য  নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি

    সুজানগরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ‘নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক’ জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ পাবনা জেলা শাখার আয়োজনে ও সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বক্তব্য দেন পাবনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শাকিলুজ্জামান। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান ও হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন, আমরা যে যার মত জায়গা থেকে সচেতন থাকলে খাদ্য নিরাপদ রাখা সম্ভব। নিরপদ খাদ্য নিশ্চিতে সকলকে সচেতন হতে হবে বলেও জানান তিনি। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, আইন কিংবা চাপ দিয়ে খাদ্যে ভেজাল নির্মূল করা কঠিন। এ জন্য প্রয়োজন বিবেকের জাগরণ। সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঈদগাঁওতে এক সন্তানের জননী নিখোঁজ

    ঈদগাঁওতে এক সন্তানের জননী নিখোঁজ

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ ঈদগাঁওঃ
    কক্সবাজার জেলার নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালীতে শাওরিন মোস্তফা রূপা(২২) নামের এক সন্তানের জননী গত ৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে।
    আত্মীয় স্বজন’সহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজির পর কোন হদিস না পাওয়ায় ওই গৃহবধূ স্বামী নূরুল আনোয়ার বাদি হয়ে ঈদগাঁও থানায়
    নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছেন।
    দায়েরকৃত ডায়েরি সূত্রে জানা যায়,
    পোকখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মৃত আবুল হাশেমের মেয়ে
    এবং একই গ্রামের লবণ ব্যবসায়ী নূরুল আনোয়ারের স্ত্রী এক সন্তানের জননী শাওরীন মোস্তফা রূপা(২২) গত ১৭ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বোনের বাড়ী থেকে ঈদগাঁও বাজারে স্বর্ণের দোকানে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর ঘরে ফিরেনি।
    নিখোঁজের স্বামী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ৩ বছরের কন্যা রুহীকে বাড়িতে রেখে মা ঘরে ফিরে না আসায় আমরা পরিবারের সবাই উদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছি।
    গত ৪ দিন ধরে আত্মীয়স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে কোন সন্ধান না পেয়ে থানায় একটি ডায়েরি দায়ের করেছি।
    ওদিকে ৪দিন ধরে মাকে না পেয়ে শিশু সন্তান রুহী নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়ে দিনরাত অবিরাম কান্নাকাটি করে সবাইকে অস্থির করে তুলেছে বলে জানা গেছে।

  • কুসুম্বা মসজিদ একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি

    কুসুম্বা মসজিদ একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি

    লেখক: মোঃ হায়দার আলী।। গত শনিবার গেলাম পারিবারিক কাজে নওগার মান্দা গিয়েছিলাম, কাজ শেষে কুসুম্বা মসজিদ দেখার জন্য গেলাম, সেখানে এর আগে অনেক বার গিয়েছিলাম, এবার সেখানে কিছু সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ চোখে পড়লো।দেখে খুবই ভাল লাগলো তাই তো এ সম্পের্কে লিখার খুব ইচ্ছা হলো। আল্লাহর নাম নিয়ে লিখা শুরু করলাম। কুসুম্বা মসজিদ (Kusumba Mosque) নওগাঁ জেলায় অবস্থিত প্রায় সাড়ে চারশত বছর পুরনো একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি। নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন ৮ নং কুশুম্বা ইউনিয়নের কুশুম্বা গ্রামে কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান। নওগাঁ থেকে মসজিদটির দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এবং মান্দা উপজেলা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। সুলতানি আমলের সাক্ষী কুসুম্বা মসজিদ এর ছবি বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে মুদ্রিত আছে। কুসুম্বা মসজিদকে নওগাঁ জেলার ইতিহাস এবং মুসলিম স্থাপত্য শিল্পরীতির অনবদ্য নিদর্শন হিসাবে গন্য করা হয়। এ অঞ্চলের মুসলিম স্থাপত্য শৈলীর প্রথম যুগের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ দেখতে সারাদেশ থেকে অসংখ্য লোকের সমাগম ঘটে।

    কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত। প্রাচীর দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনার ভেতরে মসজিদটি অবস্থিত। এ আঙ্গিনায় প্রবেশের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় একটি প্রবেশদ্বার যেখানে প্রহরীদের দাঁড়ানোর জায়গা রয়েছে। বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি সম্ভবত একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।

    পূর্বদিকের কেন্দ্রীয় প্রবেশদ্বারের উপরে স্থাপিত আরবিতে (শুধু নির্মাতা শব্দটি ফারসিতে) উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে এ মসজিদের নির্মাণকাল ৯৬৬ হিজরি (১৫৫৮-৫৯ খ্রি.)। মসজিদটি শূর আমলে নির্মিত হলেও এ মসজিদে উত্তর ভারতে ইতঃপূর্বে বিকশিত শূর স্থাপত্যের প্রভাব মোটেই দেখা যায় না, বরং এটি বাংলার স্থাপত্য রীতিতেই নির্মিত। ইটের গাঁথুনি, সামান্য বক্র কার্নিশ এবং সংলগ্ন অষ্টকোণাকৃতির পার্শ্ববুরুজ প্রভৃতি এ রীতির পরিচায়ক বৈশিষ্ট্যাবলি। এ মসজিদ ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত।

    ভূমি নকশা, কুসুম্বা মসজিদ
    মসজিদটির মূল গাঁথুনি ইটের তৈরী হলেও এর বাইরের দেওয়ালের সম্পূর্ণ অংশ এবং ভেতরের দেওয়ালে পেন্ডেন্টিভের খিলান পর্যন্ত পাথর দিয়ে আবৃত। এর স্তম্ভ, ভিত্তিমঞ্চ, মেঝে এবং পাশের দেওয়ালের জালি নকশা পাথরের তৈরী। আয়তাকার এ মসজিদ তিনটি ‘বে’ এবং দুটি ‘আইলে’ বিভক্ত। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণে একটি করে প্রবেশপথ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মিহরাবটি পশ্চিম দেওয়াল থেকে সামান্য অভিক্ষিপ্ত।

    অভ্যন্তরভাগের পশ্চিম দেওয়ালে (কিবলা দেওয়ালে) দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এবং মাঝের প্রবেশপথ বরাবর মেঝের সমান্তরালে দুটি মিহরাব আছে। তবে উত্তর-পশ্চিম কোণের ‘বে‘তে অবস্থিত মিহরাবটি একটি উচু প্লাটফর্মের মধ্যে স্থাপিত। পূর্বদিকে স্থাপিত একটি সিঁড়ি দিয়ে এ প্লাটফর্মে উঠা যায়।

    কুসুম্বা মসজিদের কেন্দ্রীয় মিহরাবঃ
    মিহরাবগুলি খোদাইকৃত পাথরের নকশা দিয়ে ব্যাপকভাবে অলংকৃত। এগুলিতে রয়েছে বহুখাজ বিশিষ্ট খিলান। সূক্ষ্ম কারুকার্য খচিত পাথরের তৈরী স্তম্ভের উপর স্থাপিত এ খিলানগুলির শীর্ষে রয়েছে কলস মোটিফের অলংকরণ। স্তম্ভগুলির গায়ে রয়েছে ঝুলন্ত শিকল ঘন্টার নকশা। মিহরাবের ফ্রেমে রযেছে প্রায় সর্পিল আকারে খোদিত আঙ্গুর গুচ্ছ ও লতার নকশা। এ ছাড়া রয়েছে প্রায় বিন্দুর আকার ধারণকারী কলস, বৃক্ষলতা ও গোলাপ নকশা। প্লাটফর্মের প্রান্তেও রয়েছে আঙ্গুর লতার অলংকরণ। আর এ প্লাটফর্মের ভারবহনকারী খিলানের স্প্যান্ড্রিল এবং মসজিদের কিবলা দেওয়াল জুড়ে রয়েছে গোলাপ নকশা।

    বাইরের দেওয়ালে আস্তরণ হিসেবে ব্যবহূত পাথরগুলি অমসৃণ এবং এতে রয়েছে গভীর খোদাইকার্য। বাইরের দিকে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন অলংকরণ গুলি ছাঁচে ঢালা। এগুলি দেওয়াল গাত্রকে উচু নিচু অংশে বিভক্ত করেছে। এ ছাড়া বক্র কার্নিশ জুড়ে, পাশ্ববুরুজগুলিকে ঘিরে, কার্নিশের নিচে অনুরূপ অলঙ্করন বিস্তৃত। পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালের গায়ে আয়তাকার খোপ নকশাকে ঘিরে ফ্রেম হিসেবে ছাঁচে ঢালা অলংকরণ রয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের খিলানের স্প্যান্ড্রিল ছোট ছোট কলস ও গোলাপ নকশায় পরিপূর্ণ। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালে রয়েছে জালি ঢাকা জানালা।

    বাংলার প্রকৃতিতে এখন পৌষপার্বণ। বলা হয় যে, কোনো ভ্রমণের জন্য সেরা মৌসুম হচ্ছে শীতকাল।
    তাই শীতকালে দেশের পর্যটন শিল্প চাঙা হয়ে ওঠে।
    প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটনস্পট। একটু নির্মল আনন্দ ও বিনোদনের আশায় মানুষ ছুটে যাচ্ছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। প্রাণভরে উপভোগ করছেন সব নৈসর্গিক সৌন্দর্য। আমাদের সবুজ শ্যামল বাংলার এমনিতেই রূপের অভাব নেই। দেশের যে প্রান্তেই যান না কেন, আপনি প্রাণ ভরে পান করতে পারবেন এ দেশের রূপসুধা।

    ঘোরাঘুরি করতে চাইলে এদেশের ভেতরেই আছে অসংখ্য জায়গা। এই শীতে ঘুরে আসতে পারেন রাজশাহীর পাশের জেলা নওগাঁ শহরে। এখানে অনেক প্রাচীন স্থাপত্যের মধ্যে রয়েছে সুলতানি আমলের ঐতিহ্য ‘কুসুম্বা’ মসজিদ।

    রাজশাহী বিভাগের উত্তরেই নওগাঁ জেলার অবস্থান। এটি বিভাগের বরেন্দ্রীয় অংশ। ভারত সীমারেখা ঘেঁষে থাকা নওগাঁ জেলার মোট উপজেলার সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে মান্দা অন্যতম। কারণ প্রায় সাড়ে চারশ বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতি ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে ‘কুসুম্বা মসজিদ’। রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মান্দা ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৪শ মিটার উত্তরে ঐতিহাসিক এই মসজিদের অবস্থান।

    নওগাঁ জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। স্থানীয়দের কাছে এর আরেক নাম কালাপাহাড়। কুসুম্বা মসজিদকে তাই নওগাঁ জেলার ইতিহাস ও মুসলিম ঐতিহ্যের উজ্জ্বল নিদর্শন বলা হয়। মসজিদের উত্তর-দক্ষিণ দিকে রয়েছে ৭৭ বিঘা বিশিষ্ট একটি বিশাল দিঘি। গ্রামবাসী ও মুসল্লিদের খাবার পানি, গোসল ও অজুর প্রয়োজন মেটানোর জন্য এ দিঘিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর পাড়েই তৈরি করা হয়েছে কুসুম্বা মসজিদ। কুসুম্বা মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ৫৮ ফুট লম্বা, চওড়া ৪২ ফুট।

    চারদিকের দেয়াল ৬ ফুট পুরু। মসজিদের সামনের দিকে রয়েছে তিনটি দরজা। এই কুসুম্বা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি পুরাকীর্তি। চারদিকের দেয়ালের ওপর বাইরের অংশ পাথর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

    মসজিদের সামনে থাকা তিনটি দরজার মধ্যে দু’টি বড়, একটি অপেক্ষাকৃত ছোট। দরজাগুলো খিলানযুক্ত মিহরাব আকৃতির। মসজিদের চার কোণায় রয়েছে চারটি মিনার। মিনারগুলো মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত উঁচু ও আট কোণাকার। ছাদের ওপর রয়েছে মোট ছয়টি গম্বুজ। যা দু’টি সারিতে তৈরি। বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষদিকের শাসক গিয়াস উদ্দিন বাহাদুর শাহর রাজত্বকালে জনৈক সুলাইমান মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। এ মসজিদের নির্মাণকাল ৯৬৬ হিজরি (১৫৫৮-৫৯ খ্রিস্টাব্দ)।

    ইতিহাসবিদদের মতে, কুসুম্বা মসজিদ মুসলিম স্থাপত্যকলার এক অনুপম নিদর্শন। সবর খান বা সোলায়মান নামে ধর্মান্তরিত এক মুসলিম এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মূল প্রবেশপথে শিলালিপি থেকে প্রমাণিত হয় এ মসজিদটি ৯৬৬ হিজরি বা ১৫৫৮-৫৯ খ্রিস্টাব্দে শের শাহ’র বংশধর আফগান সুলতান প্রথম গিয়াস উদ্দিন বাহাদুরের শাসনামলে (১৫৫৪-১৫৬০) নির্মিত। সে হিসাবে মসজিদটির বর্তমান বয়স ৪৭৪ বছর। কেন্দ্রীয় মেহরাবের ওপরাংশ শেরশাহের শাসনামলে নির্মিত।

    বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে রাজশাহী জেলা পরিষদের ওভারশিয়ার সুরেন্দ্র মোহন চৌধুরী কুসুম্বা গ্রামের প্রাচীন ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি শিলালিপি আবিষ্কার করেন। শিলালিপিটি বর্তমানে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র জাদুঘরে রয়েছে। যে কেউ জাদুঘরে গেলে শিলালিপিটি দেখতে পারবেন।

    ১৮৯৭ সালের এক ভূমিকম্পে কুসুম্বা মসজিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষিত। মসজিদটির মূল গাঁথুনি ইটের তৈরি হলেও এর বাইরের দেয়ালের সম্পূর্ণ অংশ এবং ভেতরের দেয়ালে পেনডেন্টিভের খিলান পর্যন্ত পাথর দিয়ে আবৃত। এর স্তম্ভ, ভিত্তিমঞ্চ, মেঝে ও পাশের দেয়ালের জালি-নকশা পাথরের তৈরি। আয়তাকার এ মসজিদ তিনটি ‘বে’ ও দুটি ‘আইলে’ বিভক্ত। পূর্বদিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণে একটি করে প্রবেশপথ আছে।
    কেন্দ্রীয় মিহরাবটি পশ্চিম দেয়াল থেকে সামান্য অবিক্ষিপ্ত। মসজিদের অভ্যন্তরভাগের পশ্চিম দেয়ালে (কিবলামুখী দেয়ালে) দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এবং মাঝের প্রবেশপথ বরাবর মেঝের সমান্তরালে দু’টি মিহরাব আছে। তবে উত্তর-পশ্চিম কোণে থাকা মিহরাবটি একটি উঁচু প্ল্যাটফর্মের মধ্যে স্থাপিত। পূর্বদিকে স্থাপিত একটি সিঁড়ি দিয়ে এ প্ল্যাটফর্মে ওঠা যায়।

    মিহরাবগুলো খোদাই করা পাথরের নকশা দিয়ে ব্যাপকভাবে অলংকৃত। কারুকার্য খচিত পাথরের তৈরি স্তম্ভের ওপর স্থাপিত এ খিলানগুলোর শীর্ষে রয়েছে কলস মোটিফের অলংকরণ। স্তম্ভগুলোর গায়ে রয়েছে ঝুলন্ত শিকল ঘণ্টার নকশা। মিহরাবের ফ্রেমে রয়েছে প্রায় সর্পিল আকারে খোদিত আঙুরগুচ্ছ ও লতার নকশা। এছাড়া প্রায় বিন্দুর আকার ধারণকারী কলস, বৃক্ষলতা ও গোলাপ নকশা রয়েছে গা ঘেঁষে। প্ল্যাটফর্মের প্রান্তেও রয়েছে আঙুরলতার অলংকরণ। আর এ প্ল্যাটফর্মের ভারবহনকারী খিলানের স্প্যান্ড্রিল ও মসজিদের কিবলা দেয়ালজুড়ে রয়েছে গোলাপ নকশা। বাইরের দেয়ালে আস্তরণ হিসেবে ব্যবহৃত পাথরগুলো অমসৃণ।

    বর্তমানে বছরের যে কোনো উৎসবে বা শীত মৌসুমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক এই কুসুম্বা মসজিদ দেখতে যান। তবে মসজিদটি ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাবে ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে ওঠেনি। রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতি বছর শীতের সময় অনেকে এ মসজিদ পরিদর্শনে আসেন।

    কুসুম্বা মসজিদকে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা প্রশ্নে নওগাঁ জেলা প্রশাসক (ডিসি) হারুন-অর-রশিদ জানান, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা তাদের রয়েছে।

    কীভাবে যাবেন কুসুম্বা মসজিদ
    রাজধানী ঢাকা থেকে প্রথমে রাজশাহী যেতে হবে। রাজশাহীর ওপর দিয়ে ছাড়া এখানে যাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে ঢাকা-রাজশাহীর বাস ভাড়া লাগবে ৫০০ টাকা। এরপর রাজশাহী মহানগরের গোরহাঙ্গা রেলগেট বাসস্টপেজ থেকে নওগাঁর বাসে উঠে ৫০ টাকা ভাড়ায় মান্দার ফেরিঘাটের আগে কুসুম্বা মোড়ে নামতে হবে। এখানে নেমে হেঁটে এক মিনিটের পথ কুসুম্বা মসজিদ। আর থাকার জন্য নওগাঁ শহরে রয়েছে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল। সেখানে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে এক হাজার টাকায় একদিনের জন্য রুম ভাড়া পাওয়া যাবে

    লেখক : মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়ে  হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি

    পঞ্চগড়ে হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
    পঞ্চগড় জেলা জুড়ে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে হাতে দিয়ে চাঁদাবাজ অনেকেই বিব্রত বোধ মনে করছে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরো হীরা চলন্ত অবস্থায় আটক করছে হাতি যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা।

    মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

  • বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এমপি ফারুক চৌধুরী

    বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এমপি ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ

    রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও শহীদ পরিবারের সন্তান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। দলের ভিতর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, প্রতিহিংসা ও গুজবের বহু অন্ধকার গলিতেও তিনি পথ হারাননি এবং গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে গা ভাসিয়ে দেননি।নিজস্ব,স্বকীয়তা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন অমায়িক ব্যবহার ও প্রচণ্ড সাহসী নেতৃত্বের লৌহমানব এই মানুষটি ছাত্র রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করে ধীরে ধীরে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার পুরুষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রতি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ তাতে তিনি না চাইলেও তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ তাকেই নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে, এখানে তার কোনো বিকল্প নাই। কারণ সাধারণ মানুষের নিখাদ ভালবাসার চেয়ে বড় কোন শক্তি নাই। জানা গেছে,সম-সাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনিই একমাত্র নেতা যাকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সকল প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে দলে যোগদান করিয়েছেন এবং পরবর্তীতে একটানা পাঁচবার দলীয মনোনয়ন দিয়েছেন, করেছেন প্রতিমন্ত্রী, জেলার সম্পাদক ও সভাপতি তিনি একটানা তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগেই হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি অর্জন করেছেন সিআইপি মর্যাদা। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি এবং বিশ্বমানের নেতা কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে নেমে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতির শুরু। তার অবৈধ অর্থলিপ্সা না থাকায় তিনি কখানোই রাজনীতিকে বাণিজ্যকরণ করেননি। আর এই বিষয়টি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে এখানে ফারুক চৌধুরীকে সুবিধাবাদী গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত নানা রঙে, নানা ঢঙে ও নানা উছিলায় তার বিরোধীতা করে আসছে। এমনকি এমন একজন আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সরিয়ে তাদের অনুগত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া। কিন্ত্ত ফারুক চৌধুরীর জনসমর্থনের কাছে তারা বার বার পরাজিত হচ্ছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। সেই সুত্রে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে এবং জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত আছে। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি ? এমপি ফারুক চৌধুরী যখন চার চাকায় চড়তেন তখন এরা ভাঙাচোরা বাইসাইকেল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতেন। এমপি হিসেবে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কি একটিও ভাল কাজ করেননি ? না কি ? যা করেছেন সবই মন্দ ? তিনি চাকরি মেলা করে অনেক বেকারের চাকরি দিয়েছেন, বিনা টাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সহকারী জজ, পুলিশের এসআই, সদস্য ইত্যাদি, নিজের ব্যক্তিগত কয়েক কোটি টাকা মুল্যর সম্পত্তি কলেজের জন্য দান করেছেন, নিজের সম্মানি ভাতার টাকা দলের দরিদ্র নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষকে দিয়েছেন, রাজনৈতিক সহাবস্থান ও দালালমুক্ত প্রশাসন দিয়েছেন, রাজশাহী, তানোর, মান্দা, মোহনপুর, বাগমারা, নিয়ামতপুর ও নাচোল এলাকায় এখানো এমপি পরিবারের শত শত বিঘা ফসলী জমিতে সাধারণ মানুষ চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, এসব তো কখানো খবরে আসেনি। এমপি ফারুকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক কাজের মধ্যে দু একটি নিয়ে বিতর্ক আলোচনা বা সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্ত্ত জামায়াত-বিএনপির দুর্গ রাজশাহী। এখানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা বা জামায়াত-বিএনপির আঁতুড়ঘর ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের বসতঘর করতে এমপি ফারুকের যে অবদান রয়েছে তা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক জৈষ্ঠ নেতার ভাষ্য, জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের বিপদগামী একশ্রেণির বগী নেতা নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে এমপিবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছে।তাদের টার্গেট ফারুক চৌধুরী, তারা মনে করেন যেকোনো মুল্য তাকে সরিয়ে দিতে পারলেই এখানে তাদের অনুগত বা জামায়াত-বিএনপির নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে তাদের হাতের পুতুল করে রাজনীতি নিয়ে বাণিজ্য করতে পারবেন।কিন্ত্ত যতোদিন ফারুক চৌধুরী আছে ততোদিন সেটা সম্ভব নয়। তারা বলেন, ইতমধ্যে ফারুক চৌধুরীকে ঠেকাতে পালের গোদা এক প্রতিমন্ত্রী সেভেনস্টার-বগীস্টার, শতবর্ষী, তিনপ্রজন্ম ইত্যাদি সৃষ্টি করে ধরাশায়ী হয়েছেন। এরপর তিনি কমলা সুন্দরীকে নামিয়েছেন, যে কমলা সুন্দরী নৌকার মনোয়ন চেয়ে বিএনপির সাবেক মেয়রের সঙ্গে গোপণ বৈঠক করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের ঝড় তুলে উধাও হয়েছে বলে গুঞ্জন বইছে।

    এদিকে এবার এক রাজমিস্ত্রীর কন্যাকে মাঠে নামানো হয়েছে, যিনি

    ভদ্র সমাজের চোখে বিতর্কিত ও সমালোচিত। এমনকি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার আপত্তির অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠে। তিনি

    এই অশুভ চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এমপি হবার খোয়াব দেখছে। অথচ তিনি নিজেও জানেন এখানে আওয়ামী লীগবিরোধীরাও ফারুক চৌধুরীর বিকল্প চিন্তা করে না। তবে তিনি নিজেও মাঠে নেমে তৃণমুলের তোপের মূখে লেজ গুটিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।এবিষয়ে বিশিষ্ট সমাজসেবক, তরুণ উদ্যোগক্তা ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাসার সুজন বলেন, রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি, সেই সম্ভবনাও নাই। তিনি বলেন, আগামি জাতীয সংসদ নির্বাচনে এই আসনে তিনি ফের নৌকার প্রার্থী হচ্ছেন এটা নিশ্চিত, এনিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই।

  • ঝিনাইদহে আইনজীবীদের হামলায় এক আইনজীবী আহত

    ঝিনাইদহে আইনজীবীদের হামলায় এক আইনজীবী আহত

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে আইনজীবীদের হামলায় তবিবুর রহমান এম টি নামের একজন আইনজীবী আহত। আহত আইনজীবী তবিবুর রহমান এমটি এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে একটি মামলার জামিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের মধ্য থেকে ধরে নিয়ে এসে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের গেটের রাস্তার উপরে,অ্যাডভোকেট সবুজ ,অ্যাডভোকেটমনজুরুল হাসান শিমুল ,অ্যাডভোকেট মিথুন সহ আরো ৫-৭ জন আইনজীবী তাকে মারধর করে। এই ঘটনা নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামসুর রহমান লাকি এর সাথে কথা বলে ঘটনা জানতে চাইলে সে বলে যে এখন এখন সভাপতি উপস্থিত নাই তাই আমি ঘটনা নিয়ে কিছু বলতে পারব না।তার কিছুক্ষণ পর ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রবিউল ইসলামের সাথে কথা বললে সে বলে যে ঘটনার সময় আমি আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলাম না। তবে ঘটনা সত্য বলে তিনি স্বীকার করেন। তবে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এই ঘটনা নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা আইনজীবী সমিতির অনেক সদস্য এর মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়। তারমধ্যে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী উল্লেখযোগ্য।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • মালদ্বীপে যুবদলের উদ্যোগে তারেক রহমান’র ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন

    মালদ্বীপে যুবদলের উদ্যোগে তারেক রহমান’র ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ প্রতিনিধি ঃ- গতকাল সোমবার (২১ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান, তৃণমূলের প্রাণ পুরুষ আজকের প্রজন্মের দিকনিদের্শক তারেক রহমানের ৫৮ তম জন্মদিন পালিত হয় মালদ্বীপের রাজধানী তান্দুরি রেস্টুরেন্ট স্থানীয় সময় রাত ১১ টায়।পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সূচনা করেন, মালদ্বীপ যুবদলের প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল বিন রাজ্জাক এর সঞ্চালনায়, মালদ্বীপ যুবদলের প্রস্তাবিত সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সহ-প্রচার সম্পাদক মো. হালিম ভুঁইয়া, প্রস্তাবিত যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আল আমিন, সহ-সভাপতি রমজান আলী, সহ-সভাপতি মিজান আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু জাহের, কাইয়ুম শিকদার, মাসুম মুন্না, সাদেকখান রমজান আলী, রিয়াদ হোসেন,রাকিবুল ইসলাম , সুমন মাহমুদ, সুমন প্রধান, হাফেজ নোমান, আল হাসান, সুমন সরকার

    উল্লেখ্য জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর।

    পরিশেষ তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। পরে জিয়া পরিবারসহ বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তির প্রত্যাশায় দোয়া ও মোনাজাত করেন মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম। সবশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  • তেঁতুলিয়ায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    তেঁতুলিয়ায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া প্রতিনিধিঃ ‘দেশের এক ইি জমিও পরিত্যক্ত/অনাবাদি রাখা যাবে না’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প গড়ের তেঁতুলিয়ায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তেঁতুলিয়া অডিটোরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা’র সভাপতিত্বে উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোঃ জহুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প গড় এর উপপরিচালক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াছিন আলী মন্ডল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

    এ সময় স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ও গনমাধ্যমকর্মী সহ উপজেলার শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

    কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন- সকল ইউনিয়ন পরিষদ, এসিল্যান্ড অফিস সহ সকল অফিসের সামনে খালি জায়গা পরে আছে সে যায়গাগুলোতে আবাদ করতে হবে। আপনারা যারা বিশেষ করে মা বোনেরা এই সমাবেশে উপস্থিত আছেন আপনাদের বাড়ির উঠানে লাউ অথবা শিমের গাছ লাগান। যদি আপনাদেও (কৃষাণী) বোনদের বীজের প্রয়োজন হয় তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নিকট যোগাযোগ করবেন তিনি আপনাদের বিনামূল্যে বীজ দিবেন। এতে যদি পতিত জমিতে আবাদ করতে বীজ কেনার টাকা না থাকলে আমি টাকা দেব। তবুও এই জেলায় আমরা এক ইি জমিও পরিত্যক্ত/ অনাবাদি রাখবো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা সমগ্র জেলায় মাঠে নেমেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সঠিক ভাবে বাস্তবায়নে নিরলস ভাবে কাজ করবে জেলা প্রশাসন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।