Author: desk

  • পানছড়িতে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখতে এসেছেন অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইজ উদ্দিন

    পানছড়িতে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে দেখতে এসেছেন অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইজ উদ্দিন

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    দীর্ঘ মাস যাবত বার্ধক্যজনিত ও নানা রোগে আক্রান্ত পানছড়ির সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও জেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান উপদেষ্টা মোঃ ইউসুফ ( ইউসুফ ডিলার) কে খোঁজ খবর নিতে ও দেখতে এসেছেন জেলা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী
    সহ-সভাপতি সমীর দত্ত চাকমা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইজ উদ্দিন।

    রবিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টার সকল সময় তার বাসভবনে আসেন এবং খোঁজ খবর নেন।

    এই সময় তারা এই অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ ডিলার এর আরোগ্য কামনায় সবার নিকট দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন।

  • পানছড়িতে অসহায় হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করলেন  বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    পানছড়িতে অসহায় হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    মানবিক সেবার অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলাতে অসহায় পরিবারের পাশে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (খাগড়াছড়ি সদর জোন) খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন)।

    রবিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার সময় উল্টাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কর্তৃক মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড খাগড়াছড়ির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি ।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জি-২ আই, খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড মেজর জাহিদ হাসান,৩০ বীর খাগড়াছড়ি জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ শামীম রহমান,পানছড়ি সেনা সাবজোন কমান্ডার,মেজর জোবায়ের মাহমুদ ,উপজেলা প্যানেল চেয়ারম্যান, চন্দ্র দেব চাকমা ,উল্টাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান,মোঃ আহির উদ্দিন , পানছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উচিত মনি চাকমা , লোগাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, জয় কুমার চাকমা সহ সাংবাদিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এর সাথে মতবিনিময় কালে ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড খাগড়াছড়ির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি বলেন, জানান, মানুষের মৌলিক অধিকারসমূহ যাতে সঠিকভাবে ভোগ করতে পারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ বিষয়ে সর্বদাই কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। খাগড়াছড়ি সদর জোন যেকোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে আর্ত-মানবতার সেবায় বেসামরিক প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক সহায়তায় সর্বক্ষণ পাশে ছিল এবং আগামীতেও পাশে থাকবে। শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছে। মনে রাখতে হবে আমরা সকলেই খাগড়াছড়ি জেলার বাসিন্দা। এ জেলার উত্তরোত্তর উন্নতি এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। এছাড়াও তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও পাহাড়ী -বাঙ্গালী জনসাধারণ সহ পাহাড়ে বসবাসরত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সেনাবাহিনীর এরূপ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জানমাল রক্ষা ও যেকোন দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সদা তৎপর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সাম্প্রদায়িকতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা সহ সকল ধরণের সহযোগীতা চলমান থাকবে।

  • বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে – মুহাম্মদ বদিউল আলম

    বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে – মুহাম্মদ বদিউল আলম

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য প্রতিহত করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম।

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ১২ ডিসেম্বর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করতে পটিয়ার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে মুহাম্মদ বদিউল আলম বলেন, সম্মেলনের মাধ্যমে যোগ্য ও ত্যাগী নেতা নির্বাচন করতে হবে।

    দুর্নীতিবাজ, আমীয়করন, নবাগত, হাইব্রীড কেউ যাতে ঐতিহ্যবাহী এই দলের নেতৃত্বে আসতে না পারে দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে।

    ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে পটিয়া আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জাতীয় দিবসগুলো উদযাপনের জন্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়।

    আজ ১০ ডিসেম্বর শনিবার দুপুরে মুন্সেফ বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে “৭৫ পরবর্তী পটিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মাহাবুবুল রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি আইন কর্মকর্তা ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট বদিউল আলম। “৭৫ পরবর্তী পটিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির রাশেদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম।

    বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়ের আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুদৌল্লাহ্, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ ছফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইসহাক, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মোঃ আলমগীর, আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুর রহমান, মোঃ সোলাইমান, আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর সিদ্দিকী, মোঃ ইউনুচ মিয়া, খলিলুজ্জমান শিবলু আমিরী, কমিশনার হাসান মুরাদ, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক ডি.এম. জমির উদ্দিন, ভাটিখাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল ইমরান, সাবেক কাউন্সিলর আবদুল খালেক, নুরুল কবির, আবু ছৈয়দ, শাহজাহান, যুবলীগ নেতা মোখতার আহমেদ আরিফ, এনামুল হক এনাম, দেলোয়ার হোসেন, হাসান শরীফ, সাইফুদ্দীন ভোলা, নুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সাইফু, তৌহিদুল আলম জুয়েল, রিটন বড়ুয়া, খোরশেদ আলম, সাহাবুদ্দীন সাদী, সাইফুল ইসলাম জুয়েল, আনোয়ার হোসেন, ছৈয়দ নুর, মোঃ আরিফ, বাদশা মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা এস.এম. আসিফ প্রমূখ।

    সভায় প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় যুবলীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু’র কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নিবার্চনে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে হবে। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি, জামায়াত-শিবির দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি’র চেষ্টা করছে। বিএনপি-জামাতের সকল সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

  • ভারতে পাচার হওয়া ৭ বাংলাদেশি যুবককে বেনাপোলে হস্তান্তর

    ভারতে পাচার হওয়া ৭ বাংলাদেশি যুবককে বেনাপোলে হস্তান্তর

    আজিজুল ইসলামঃ
    ভারতে পাচার হওয়া ৭ বাংলাদেশি যুবককে ৩ বছর পর ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোলে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

    রোববার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন, যশোর কোতোয়ালি থানার ভেকুটিয়া গ্রামের ইকবাল হোসেনের ছেলে মুন্না খাঁন (২৬), সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বাগাতি গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে আরিফুর হোসেন (২৩), নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার আব্দুল্লা আহম্মেদর ছেলে তোফেল আহম্মেদ (২৪), ময়মনসিংহ জেলার আব্দুর কাদের মিয়ার ছেলে হুমায়ুন কবির (২৮), সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সুরোত আলী গাজীর ছেলে আরিফুল (২২), বরিশাল পটুয়াখালী উপজেলার আব্দুল কাদের হাওলাদারের ছেলে আল-আমিন (২৫) ও সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ উপজেলার আববাচ্ছতুল্লার ছেলে মোকছেদ আলী (৩০)।

    বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে এসব যুবকরা বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচারের পর, সেদেশের পুলিশের কাছে আটক হয়। ৩ বছর পর ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। পরে, ৭ যুবককে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, ভারতে পাচারের শিকার ৭ যুবককে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাজা ভর্তি প্রাইভেটকারসহ দুই মাদক কারবারি আটক

    কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাজা ভর্তি প্রাইভেটকারসহ দুই মাদক কারবারি আটক

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানায় ৪০ (চল্লিশ) কেজি গাঁজা ও একটি প্রাইভেট কার গাড়ীসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।
    কুমিল্লার পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ বাঙ্গরা বাজার থানার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/হৃদয় পাল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বাঙ্গরা বাজার থানাধীন ০৫নং পূর্ব ধৈইর (পশ্চিম) ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডের খৈয়াখালী সাকিনস্থ ৩৯নং উত্তর হাটাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে খৈয়াখালী বাজার টু কোরবানপুরগামী পাকা রাস্তার উপর পৌঁছিয়া চেক পোষ্ট বসাকালে ধৃত আসামী দ্বয়।

    আসামীরা হলেন ১। মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৯), পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ লাইলীয়া খাতুন, সাং-বাশদি(সুজন মাষ্টারের বাড়ি),
    ২। মোঃ আবুল কাশেম (৩২), পিতা-মোঃ ইমান আলী, মাতা-রোকিয়া বেগম, সাং-বাশদি(আবুল হোসেন মাষ্টারের বাড়ি), উভয় ১২নং আছিম পাটুলি ইউপি, থানা-ফুলবাড়িয়া, জেলা-ময়মনসিংহ।আসামি
    দ্বয় কুমিল্লা জেলার বি-পাড়া থানাধীন মাধবপুর হইতে বাঞ্চারামপুরের উদ্দেশ্যে দুই জন লোক একটি সাদা রং-এর প্রাইভেট কার যোগে মাদকদ্রব্য (গাঁজা) বহন করিয়া যাওয়ার পথে পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া তাহারা উক্ত প্রাইভেট কার যোগে পালানোর সময় সঙ্গীয় অফিসার/ফোর্সদের সহযোগীতায় আসামীদ্বয়কে আটক করে।
    তাহাদের হেফজত হইতে ৪০ (চল্লিশ) কেজি গাঁজা এবং মাদকদ্রব্য পরিবহনে নিয়োজিত একটি প্রাইভেট কার উদ্ধারপূর্বক উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মূখে জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করিয়া এসআই (নিঃ)/হৃদয় পাল থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিলে বাঙ্গরা বাজার থানার মামলা নং- ০৯, তারিখ-১১/১২/২০২২ইং, ধারা- ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) সারণীর ১৯ (গ)/৪১/৩৮ রুজু করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানাজায়।

  • ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস

    ১১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক তানোর দিবস

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    ১১ ডিসেম্বর রোববার ঐতিহাসিক তানোর দিবস। ডিসেম্বর মাসের ১১ তারিখের কথা মনে হলে রাজশাহীর তানোরের মানুষের হৃদয়ের স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে কান্নার রোল। ১৯৭৩ সালের ১১ই ডিসেম্বর তৎকালিন সরকার প্রগতিশীল কৃষক আন্দোলনের (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল এম.এল) রাজশাহী জেলার তানোর থানার গোল্লাপাড়া বাজারের গোডাউনের পার্শ্বে এরাদ আলী, এমদাদুল হক মুন্টু মাষ্টার ও রশিদসহ হতভাগ্য ৪৪ বিপ্লবী শহীদ নেতাকর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে রাতের আঁধারেই গণকবর দেয়। এরপর থেকেই ঐতিহাসিক এই দিনটি পালনে প্রতিবছরই কয়েকটি সংগঠন ও রাজনৈতিক দল স্বল্প পরিসরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদদের স্মরণে দিবসটি উদযাপন করে থাকেন। পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন সরকার ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, ১৯৭৩ সালে হঠাৎ করেই সরকারের রক্ষীবাহিনীর নজিরবিহীন বৈরী আচরণ ও রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দৌরাত্ন ছাড়াও জোতদার মজুদদারের দৌরাত্ন্য শুরু হয়। রিলিফ কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা নির্দ্বিধায় রিলিফের টিন, কম্বল, চাল, গমসহ টাকা আত্নসাৎ করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যেতে থাকে। এছাড়াও জোতদার মজুদদারের অত্যাচারে আবার মানুষ হারাতে বসে সর্বস্ব। রক্ষিবাহিনী ও মজুতদার জোতদারের অসৎ উর্পাজনে নেমে আসে বরেন্দ্র এলাকার খেঁটে খাওয়া কৃষক সমাজের মাঝে হাহাকার।
    এসময় রাজশাহী জেলার তানোর, গোদাগাড়ী ও পবা থানাসহ নওগাঁ জেলার মান্দা থানায় প্রগতিশীল কৃষক আন্দোলনের বিল্পবী নেতা এরাদ আলী ও এমদাদুল হক মন্টু মাষ্টারের নেতৃত্বে গড়ে উঠে অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ। রিলিফ পাচারকালে অত্র এলাকার বহু চেয়ারম্যান-মেম্বাররা ধরা পড়ে কৃষক জনতার হাতে। গণ-আদালতে তাদের বিচার করা হয়। জোতদার ও মজুদারের গোলার ধান নামিয়ে বিতরণ করা হয় হত দরিদ্র জনতার মাঝে। এছাড়াও জোতদার ও মজুদারের বেনামী রাখা জমি ও খাস জমি বিতরণ করা হয় ভূমিহীনদের মাঝে। ওই সময়ের সরকার দলীয় নেতাদের দৌরাত্ন ও রক্ষিবাহিনীর নজিরবিহীন লুটপাট, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অত্যাচারের বিরুদ্ধে আবার স্বাধীনতা সংগ্রামের সৈনিক এরাদ আলী ও ৭১ সালের রনাঙ্গনের কমান্ডার এমদাদুল হক বাবু ছাড়াও মন্টু মাষ্টারের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে সশস্ত্র প্রতিরোধ। তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বাঁচার পথ পায় বরেন্দ্রবাসিরা। প্রবীণ কৃষক এ নেতা বলেন, কৃষক আন্দোলনের বিল্পবী নেতা এরাদ আলী ১৯৬৯ সালে ম্যাট্রিক পরিক্ষায় পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্র জীবনে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধার সৈনিক হয়ে যুদ্ধ করে ছিলেন। এরপর তৎকালিন সরকারের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে তার নেতৃত্বে তানোরে গড়ে ওঠে সশস্ত্র কৃষক জনতার গণ অভ্যুত্থান। তবে তা দমনে তৎকালিন সরকার আধিকার আদায়ে অটল সশস্ত্র কৃষক জনতার গণ অভ্যুত্থানের নেতাদের উপর শুরু করে অমানবিক অত্যাচার। ওই নেতাদের বাড়ি-ঘর ছাড়াও গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়। বহু মা-বোন ধর্ষিত হয়।এছাড়াও তাদের আত্যাচারে অনেক মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করে।
    তাদের অসহনীয় অত্যাচারের পরেও সারা দেশের অত্যাচারিকে হার মানিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে সশস্ত্র কৃষক জনতার গণ অভ্যুত্থানের নেতারা। এরপর আন্দোলন দমাতে নামানো হয় তৎকালিন সরকারের সেনাবাহিনী। ওই সেনা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয় সশস্ত্র কৃষক জনতার গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে। কয়েকটি লড়াইয়ের পর ১৯৭৩ সালে ১০ ডিসেম্বর নওগাঁ জেলার মান্দা থানার তেতুলিয়ার লড়াইয়ে ধরা হয় সশস্ত্র কৃষক জনতার গণ অভ্যুত্থানের তানোরের ৩৭ জন নেতা-কর্মীকে।
    এছাড়াও ওই একই দিনে রাজশাহীর তানোর থানার শিবনদীর পশ্চিম পাড়ে বাতাসপুর গ্রামে ধরা হয় কৃষক আন্দোলনের শীর্ষ স্থানীয় বিল্পবী ১১ জন নেতাকে। আর মান্দা থানায় যাদের ধরা হয় তাদেরকে মান্দা থানার কালিসাবা সেনা ক্যাম্পে নেয়া হয় এবং তানোরের ১১ জনকে তানোর ডাকবাংলো সেনা ক্যাম্পে আটক রাখা হয়। এসময় ক্যাম্পে তাদের ওপর নির্মমভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করে সামরিক ক্যাডাররা।
    ওই সময়ের দায়িত্বরত রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট অবস্থিত সেকেন্ড ইন কমান্ড জিয়াউর রহমান নিজে মেজর হাফিজকে সাথে নিয়ে বন্দীদের দেখতে আসে। তারা ওই বন্দীদের মধ্যে এরাদ আলী, মন্টু মাষ্টারসহ রশিদের সাথে প্রায় ঘন্টাব্যাপী রুদ্ধদার আলাপ করেন। শেষে বন্দীদের মধ্যে মাত্র ৪ জনকে কারাগারে পাঠিয়ে ১১ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলার তানোর থানার গোল্লাপাড়া বাজারের গোডাউনের পার্শ্বে বিল্পবী ৪৪ নেতা-কর্মীকে অমানবিক নির্মম নির্যাতনে হত্যা করে গণকবর দেয়। এই মর্মান্তিক লোমহর্ষক ঘটনার মাইল ফলক হিসাবে আজ ১১ ডিসেম্বর তানোর দিবস হিসেবে ইতিহাসের পাতায় কালো অধ্যায় হয়ে থাকে।
    পরে ওই শহীদদের স্মৃতি অমর করে রাখতে তানোর থানার গোল্লাপাড়া বাজারের গোডাউনের পার্শ্বে প্রগতিশীল কৃষক আন্দোলনের (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল এম এল) উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের স্মৃতি চারণে দলের নেতা-কর্মী ও স্বজনরা ১১ ডিসেম্বর পুষ্প অর্পণ ও শহীদদের আত্নার মাগফেরাৎ কামনার জন্য হাজির হন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছরই ১১ ডিসেম্বর আসার ১ থেকে ২ দিন আগে ওই স্মৃতিম্ভবটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে স্মৃতিচারণ করার মানসে বর্ণিল সাজে। আর বছরের বাকি মাসগুলো ওই স্থানটি পরিণত হয় গরু-ছাগলের বিচরণ ভূমিতে। সে সঙ্গে লোকজন খোলা জায়গা হিসেবে এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা আর প্রাকৃতিক কার্যাদি সম্পন্ন করে। তারা আরও জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পালাবদলের রাজনীতির স্রোতধারায় একে একে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার রাজনৈতিক সরকার হয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। কিন্তু হতভাগ্য সেই প্রগতিশীল কৃষক আন্দোলনের ৪৪ নেতাকর্মীর গণকবরের স্থানটি রক্ষণাবেক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কেবল বছরে শুধু একটি দিন (১১ ডিসেম্বর) সাম্যবাদী দলের নেতাকর্মীরাই ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে তানোর দিবস উদযাপন করতে দেখা যায়। কিন্তু ক্ষমতাসীন কোনো সরকার এই মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার মাইলফলক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় গাঁথা থাকলেও যথাযথ মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি উদযাপনের জন্য কোনো উদ্যোগ আজও নেয়নি।
    তবে ঐতিহাসিক এ দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের জন্য স্থানীয় সাম্যবাদী দলের নেতাকর্মীরা বার বার সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে তারা জানান।#

  • পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও বাইসাইকেল বিতরণ

    পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও বাইসাইকেল বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে বাইসাইকেল ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার লস্কর ইউনিয়নবাসীর পক্ষে স্থানীয় চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে উক্ত সনদ ও বাইসাইকেল প্রদান করেন।
    উক্ত সনদ ও সাইকেল প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীরা হলো, উপজেলার লস্কর-কড়ুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী রুকাইয়া সুলতানা, খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র নবতোষ কুমার সানা, খড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র রুদ্র সরকার, ছাত্রী প্রিয়াংকা বৈরাগী, লস্কর-পাইকগাছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র বাপ্পী হোসেন, আলমতলা ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্রী শাহনাজ পারভীন ও লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট স্কুলের মেধাবী ছাত্র আলিফ শরীফ।
    বাইসাইকেল ও সনদ প্রদানকালে ইউপি সদস্য জি এম তাজ উদ্দিন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সানা, মোঃ রফিকুল ইসলাম, পরমানন্দ কুমার সানা, অরবিন্দ কুমার মন্ডল, দিলীপ কুমার মন্ডল, লস্কর-পাইকগাছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা আজগার হোসাইন, খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র মন্ডল, লক্ষীখোলা কলেজিয়েট স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোঃ হাফিজ, ইউপি সচিব ইকবাল হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য হারুন জমাদ্দার, আলহাজ্ব হারুনার রশিদ গাইন, অজিত কুমার সানা, আমির হোসেন ঢালী, আফিল মোড়ল, আঃ কালাম কাগজী, রুবেল জমাদ্দার, দিনারুল ইসলাম সানা, সালামুন হোসেন ও বাহারুল জমাদ্দার সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,(খুলনা)।

  • পাইকগাছায় আমনের বাম্পার ফলন

    পাইকগাছায় আমনের বাম্পার ফলন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    বৈরি আবহাওয়া ও অনাবৃস্টির পরও পাইকগাছায় আমন ধানের আশানারুপ ফলন হয়েছে। আমন ধান কর্তন শুরু হয়েছে। উঁচু ক্ষেতের আমন ধান কর্তন ও ঝাড়াই চলছে। তবে নিচু ও মৎস্য লিজ ঘেরে আমন ক্ষেতের ধানে ফুল ফুটছে ও দুধ এসেছে মাত্র।উচু ক্ষেতের ধান আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে কাটা সম্পন্ন হবে বলে কৃষকরা জানিয়েছে। অনাবৃস্টি ও বৈরি আবহাওয়ার জন্য কৃষকরা সময় মত আমনের আবাদ করতে পারেনি।কৃষকরা আগাম কিছু ক্ষেতে সেচ দিয়ে চারা রোপন করেছে আর দেরিতে বৃস্টি হওয়ায় নাবি আবাদ করতে হয়েছে।জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অন্য এলাকা থেকে উপকূল এলাকায় এক মাস পরে কৃষি কাজের পরিবেশ তৈরি হয়। আবহাওয়া জনিত কারণ ও মৎস্য লিজ ঘের গুলোতে দেরিতে আমনের আবাদ করা হয়। সে জন্য আমন ধান কাটাও দেরিতে শুরু হয়। নতুন আমন ধান আশানারূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আমন ধান মন প্রতি সাড়ে ৮শ থেকে সাড়ে ৯শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ধানের থেকে বিচুলীর চাহিদা থাকায় কৃষকরা বেশী লাভবান হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১৭ হাজার ২৫৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। অনাবৃস্টির কারণে ধানের আবাদ সময়মত করতে পারেনি কৃষকরা।অনেক ক্ষেতে নাবি আবাদ হয়েছে।উপজেলায় উঁচু ক্ষেত্রের প্রায় ৪০ ভাগ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে আর নাবিতে লাগানো ক্ষেতের ১০ ভাগ ধানে ফুল ধরেছে ও ২০ ভাগ ক্ষেতের ধানে দুধ হয়েছে।কর্তনকৃত ধানের হেক্টর প্রতি ফলন হাইব্রীড ৬.৪ মেট্রিকটন, উফশী ৫.৪ মেট্রিকটন ও স্থানীয় জাতের ৩.৮ মেট্রিকটন হারে ফলন পাওয়া যাচ্ছে। উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের পুরাইকাটী ব্লকের কৃষক ফারুক হোসেন ও তোকিয়া ব্লকের কৃষক শফিকুল জানান, অনাবৃস্টির পরও তাদের ক্ষেতের আমনের ফলন ভালো হয়েছে।মটবাটি গ্রামের আলাউদ্দিন বলেন,তার ক্ষেতের ধান সবে ফুল ধরেছে।তাছাড়া মাজড়া পোকা লাগায় অতিরিক্ত পরিচর্যা ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেতের ধানে চিটার পরিমান বেশী হচ্ছে। এতে আবাদ করা খরচের টাকা ফিরে না পাওয়ায় কৃসকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আর সে সাথে সরকারের বেধে দেওয়া দামের চেয়ে ধান উপাদনে খরচ বেশী পড়েছে বলে কৃষকরা জানায়। সে জন্য ধানের নায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা হতাশ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান,আমনের ফলন ভাল হয়েছে।অনাবৃস্টির কারণে আমন চাষের শুরুতে কিছুটা ব্যহাত হলেও পরে প্রচুর বৃষ্টিতে লবণাক্ত মাটি পরিশোধিত হওয়ায় আমনের ফলন ভাল হয়েছে।

  • চরতারাপুরে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

    চরতারাপুরে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে বের হওয়া মিছিলটি তারাবাড়িয়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির স ালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম বাদশা, আব্দুস সামাদ জানু, মকছেদ আলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) শফিউল ইসলাম দুলাল, ইউপি সদস্য ও আ.লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ঝন্টু প্রামানিক, ইউনিয়নের ৬ নংওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সন্তেশ প্রাং, আওয়ামীলীগ নেতা বাদশা, নাসিম, আবর আলী,রইচ উদ্দিন,রেজা, শাহজাহান, রেজাউল করিম রতন, সিদ্দিকুর রহমান,মিরাজ, হাসেন আলী, মির্জা ফিরোজ, জামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি ইসলাম খা, সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী,কৃষকলীগ নেতা আব্দুল হান্নান, ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক শাহজাহান আলী তোফাই, যুগ্ন আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল প্রমুখ। চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান খান জানান, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন অগ্রযাত্রার মহাসড়কে, সে সময় এ উন্নয়ন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে একটি মহল। দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে ৭১-এর পরাজিত শক্তির দোসর বিএনপি-জামায়াত। আমরা চরতারাপুরবাসী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থেকে এ ষড়যন্ত্র,সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যে রুখে দাঁড়াব।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহে শিশুদের আর্ট ও ক্রাফট প্রদর্শনী

    ঝিনাইদহে শিশুদের আর্ট ও ক্রাফট প্রদর্শনী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    শিশুদের মেধা বিকাশ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ঝিনাইদহে শিশুদের আঁকা আর্ট ও ক্রাফট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত শহরের চারুগৃহ শিশুসর্গ স্কুলের আয়োজনে স্কুল প্রাঙ্গণে এ প্রদর্শনী শুরু হয়। এতে ওই বিদ্যালয়ের প্লে থেকে ২য় শ্রেণীর শতাধিক শিক্ষার্থী তাদের আঁকা ছবি ও হাতের কাজ নিয়ে অংশ গ্রহন করে। দিনভর আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। আয়োজক চারুগৃহ শিশুসর্গ স্কুলের অধ্যক্ষ আরেফিন অনু বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ও তাদের উৎসাহ প্রদানের জন্যই এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশ শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চার দেশ। সুযোগ পেলে এ দেশের শিশুরা অনেক বড় শিল্পী হয়ে দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হবে এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।’ আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী স্বল্প পরিসরে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। পৃষ্টপোষকতা পেলে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা সম্ভব।