Author: desk

  • মহান বিজয় দিবসকে ঘিরে সুজানগরে বেড়েছে জাতীয় পতাকা বিক্রি

    মহান বিজয় দিবসকে ঘিরে সুজানগরে বেড়েছে জাতীয় পতাকা বিক্রি

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বিজয়ের চেতনায় এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকার ব্যবহার বেড়ে যায়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের। এই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এটি চূড়ান্ত বিজয়ের রূপ ধারণ করে। এই দিনটিকে ঘিরে সুজানগর উপজেলায় জাতীয় পতাকার বেচাকেনার ধুম পড়েছে। জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সেই দিনটিকে কেন্দ্র করে চারদিকে লাল-সবুজের ফেরিওয়ালাদের কাঁধে সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় পতাকা । ফেরিওয়ালারা উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন বিজয়ের নিশান। কয়েক ফুট লম্বা বাঁশের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বড় থেকে ছোট আকারের জাতীয় পতাকা সাজিয়ে পথে পথে পায়ে হেটে ঘুরে ঘুরে পতাকা বিক্রি করছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তাদের কাঁধে ফরফর করে উড়ছে আমাদের বিজয়ের নিশান। তারা শহরের অলিগলিতে হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের জাতীয় পতাকা। এক একটি বাঁশের বাহারি সাইজের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। কেউ কেউ ডাক দিয়ে দেখছেন পতাকা। সাইজের সঙ্গে দামে মিললেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। নির্ধারিত মাপে কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি কাগজ দিয়ে তৈরি পতাকাও বেশ বিক্রি হচ্ছে। পাবনা শহর থেকে সুজানগর উপজেলাতে পতাকা বিক্রি করতে আসা আব্দুল খালেকের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) কথা বলে জানা যায়, জীবিকার জন্যই শুধু তার এই পতাকা বিক্রি করা নয়। এই পেশার মধ্যে রয়েছে দেশাত্মবোধ ও দেশপ্রেম। প্রতিবছর বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে তারা ফেরি করে পতাকা বিক্রি করেন। আর বিজয় দিবস যতই ঘনিয়ে আসে ততই তাদের জাতীয় পতাকা চাহিদা বেড়ে যায়। আকারভেদে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জাতীয় পতাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাগজের ছোট পতাকা ১০-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাগজের বিজয় স্মৃতিসংবলিত ক্যাপ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকা করে। মাথায় পরার পতাকাসংবলিত রাবার ব্যান্ড বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ২০-৩০ টাকা। হাতের ব্যান্ড বিক্রি হচ্ছে ২৫-৪০ টাকায়। এই পতাকাগুলো বর্তমান ভালো বিক্রি হচ্ছে তাদের। ডিসেম্বর মাসে সব খরচ বাদ দিয়ে তাদের আয় থাকবে প্রায় ১২ হাজার টাকা বলেও জানান তিনি।পৌরসভার কাঁচারীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, আমার সন্তান ও ভাতিজার জন্য জাতীয় পতাকা ক্রয় করে আমি গর্বিত। আমি মনে করি-পতাকার মাধ্যমে শহীদদের সম্মানকে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। আর তারা সেটিকে অন্তরে যতেœর সঙ্গে লালন করবে। সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য ভয়াবহ যুদ্ধ করেছে এ দেশের মুক্তিকামী মানুষেরা। তিরিশ লাখ মানুষের জীবন ও দুই লাখের মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে জন্ম হয়েছে আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। আমরা পেয়েছি লাল-সবুজ পতাকা।তাই সেই অনুভূতি আর সেই ভালোবাসা দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে থাকার প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড়ে হাজতির মৃত্যু

    পঞ্চগড়ে হাজতির মৃত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়।
    পঞ্চগড়ে সিভিল মামলায় সাজা প্রাপ্ত সলেমান আলী (৫৫) নামে এক আসামি’র মৃত্যু হয়েছে। বুধবার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানা যায়, মৃত সলেমান আলী দেবীগঞ্জ উপজেলার সুন্দর দিঘী এলাকার মোহমদ আলীর ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গত ৪-৫ দিন আগে একটি সিভিল মামলায় এক মাসের সাজা হয় সলেমান আলীর। আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে সে শ্বাসকষ্ট সহ হৃদ রোগে আক্রান্ত হলে গত সোমবার রাতে (১২ ডিসেম্বর) তাকে চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন এ ঘটনায় মরদেহের সুরতহাল শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বানারীপাড়ায় তরু লতা খেলাঘর আসরের কমিটি গঠন

    বানারীপাড়ায় তরু লতা খেলাঘর আসরের কমিটি গঠন

    বানারীপাড়া প্রতিবেদক।। বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর বেলা ১১ টায় সলিয়া বাকপুর ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনের সম্মলনে তরুলতা খেলাঘর আসরের কমিটি গঠন করা হয়। বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক এম তরিকুল ইসলাম তারেকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির প্রতিনিধি ও নতুনমুখ সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক, বানারীপাড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের উপজেলা সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ। সম্মেলন শেষে তরুলতা খেলাঘর আসরের এম তরিকুল ইসলাম তারেক সভাপতি এবং আবুল কালাম আজাদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্যের কমিটি ঘোষনা করা হয়। পরে নতুন কমিটিকে খেলা ঘরের উপজেলা কমিটির সভাপতি শপথ বাক্য পাঠ করান।#

  • লক্ষ্মীপুরে  সড়ক উদ্বোধন করলেন এমপি নয়ন

    লক্ষ্মীপুরে সড়ক উদ্বোধন করলেন এমপি নয়ন

    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: এলজিইডির উদ্যোগে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পৃথক দুইটি সড়কের উদ্বোধন করেছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাংসদ নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের কালাকুরুল্লা কামানখোলা রোড উদ্বোধন ও চররুহিতা ইছাগোতেমুহনী থেকে রানিরহাট সড়কটি উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা শাহে আলম পাটোয়ারী, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরনবী চৌধুরী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান মাস্টার, তাফাজ্জল হোসেন ফিরোজ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল, যুবলীগ নেতা মাহুবুল হক মাহবুব, শ্রমিক লীগ নেতা বেল্লাল ক্বারী সহ আরে অনেকে।

  • নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা ঔষধ প্রতিনিধির হাতে জিম্মি

    নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা ঔষধ প্রতিনিধির হাতে জিম্মি

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ,পিরোজপুর।

    পিরোজপুরে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সেবা কথিত ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ।নিম্ন মানের কোম্পানিতে চাকরিরত স্হানীয় প্রতিনিধিরা হ্মমতার দাপট দেখিয়ে যখন তখন ঢুকে পরে চেম্বারে তাদের কোম্পানির ঔষধ লিখতে বাধ্য করা হয়।এরকম অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় অখ্যাত ওই ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি (এমআর) শামিম হাসানের বিরুদ্ধে তার কথায় চলতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেশির ভাগ চিকিৎসক ও কর্মচারীদের। হাসপাতালের জরুরী বিভাগ থেকে শুরু করে ডাক্তার চেম্বার ও ইনডোরে সবখানেই রয়েছে তার দৌরাত্ম। হাসপাতালের প্রতিটি জায়গায় রোগীদের প্রেসক্রিপশনে তার কোম্পানীর দুই একটি পোডাক্ট লেখা এখন নিয়মে পরিণত।

    এ নিয়ে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: ফিরোজ কিবরিয়ার কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেননা ভুক্তভোগীরা।

    শামিম হাসান ক্ষমতাশীন দলের স্থানীয় কথিত যুবলীগ নেতা হিসেবে তার বেশ নাম ডাক রয়েছে হাসোতালের ডাক্তার ও কর্মচারীদের কাছে। যেকারনে হাসপাতাল সহ আশপাশের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতেও রয়েছে তার বেশ সখ্যতা। তবে বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করছেন অভিযুক্ত শামিম হাসান।

    হাসপাতালের একাধিক সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সল্প শিক্ষিত শামিম হাসান দেড় যুগের বেশি সময় ধরে নেছারাবাদ উপজেলা হাসপাতালে একটি অখ্যাত ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। তার ঔষধ কোম্পানীর প্রোডাক্ট ডাক্তারি প্রেসক্রিপশনে লেখানোর জন্য কড়া তাগিদ রয়েছে হাসপাতালে সদ্য যোগদান করা ডাক্তার সহ জরুরী বিভাগের উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের উপর। বিশেষকরে ডাক্তারদের চেম্বারের চেয়ে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা বেশি টার্গেটে থাকে তার। সেখানে কাটা ছেড়া,জ্বর,সর্দি নিয়ে যেকোন রোগ নিয়ে আসা রোগীদের জন্য তার কোম্পানীর এন্টিবায়োটিক,এন্টি আলসার এর ঔষধ লেখার জন্য অব্যাহত চাপ রয়েছে শামীম হাসানের। এ ব্যাপারে কেহ মুখ খুলতেও নূন্যতম সাহস পাচ্ছেনা।

    হাসপাতাল থেকে সদ্য অবসরে যাওয়া আব্দুস সালাম নামে এক উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার অভিযোগ করে বলেন, শামীম হাসান স্থানীয় একজন অঘোষিত রাজনীতিবিদ। তার ব্যাপারটা আমাদের সকলের কাছে খুবই সেনসেটিভ। তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কয়েকবার পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। সর্বশেষ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় একটি রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছিল। বিয়টি নিয়ে শামিম আমাকে সন্দেহ করে অনেক চাপ দিয়েছিল। হাসপাতালে সামন্য রোগ ব্যাধি নিয়ে দূর থেকে কেহ আসলেই তার কোম্পানীর এন্টিবায়োটিক,এন্টিআলসার এর ঔষধ লেখা ছিল আমাদের সকলের জন্য বাধ্যতামুলক।

    জানাযায়, শামীম হাসান কোম্পানীর চাকরির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ভিবিন্ন সভা সমাবেশে নেতাদের পাশে ছবি তুলে সর্বদাই নজরে থাকেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে কোন জনপ্রতিনিধি বা রাজনীতিবিদের কেহ হাসপাতালে আসলেই ঝাপিয়ে পড়েন তাকে সেবার উদ্দেশ্য। এ সুবাধে খুব কম সময়ে উপজেলার সর্ব মহলে আশিবাদপুষ্ট হয়ে ওঠেন শামীম হাসান। তাই অনেকটা ভয় ও তার অশোভন আচরনে ভীত সন্তষ্ট হয়ে তার কথামত চলেন হাসপাতালের অনেক নার্স ও ডাক্তার। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ডাক্তার কাজ করলেই তাকে পড়তে হয় নানা বিপদে। এমনকি তার হয়রানির শিকাড় হয়ে গত পাচ বছরে হাসপাতাল ছেড়েছেন কয়েকজন ভাল ভাল ডাক্তার।

    এ নিয়ে একাধিকবার পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশের পর দালালদের বিরুদ্ধে অভিযান হলেও শামীম রয়ে যাচ্ছেন অধোরা।

    নাম প্রকাশ না শর্তে হাসপাতালের কয়েকজন নার্স ও দু’জন ডাক্তার জানান,শামিম হাসান ওষুধ প্রতিনিধির চাকরির পাশাপাশি হাসপাতালে
    চিকিৎসা নিতে আসা বিশেষকরে গর্ভবতী রোগীদের ফুসলিয়ে পছন্দের ক্লিনিক ও প্যাথলজিতে পাঠান সেখান থেকে রোগী প্রতি ডাক্তার ও ক্লিনিকের কাছ
    কমিশন নেয়ার অভিযোগ রয়েছে ।

    এ ব্যাপারে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: ফিরোজ কিবরিয়া বলেন, সে যেহেতু স্থানীয় তাই অনেক সময় ইচ্ছা স্বত্ত্বেও তাকে কিছু বলা যায়না। তাই মাঝেমধ্য তার কোম্পানীর দুই একটি প্রোডাক্ট রোগীদের প্রেসক্রাইভড করছি। তবে শামিম যদি চেম্বারে ডুকে তার কোম্পানীর ঔষধ লেখাতে বাধ্য করেন তাহলে তাকে অফিস সময়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে নিষেধ করব।

    অভিযুক্ত শামীম হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কাউকে বাধ্য করে আমার কোম্পানীর ঔষধ লিখাইনা। হাসপাতাল থেকে কোন গর্ভবর্তী রোগী ভাগিয়ে নেইনা। এমনকি কোন জায়গা থেকে কোন কমিশনও খাইনা। আমার সহকর্মিরা এবং হাসপাতালের একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

  • ধামইরহাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেন্টাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম উদ্বোধন

    ধামইরহাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেন্টাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম উদ্বোধন

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেন্টাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম ও ডিজিটাল ইসিজি মেশিনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো.শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো.আজাহার আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.আরিফুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো.সোহেল রানা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা পরিষদের সদস্য মো.নুরুজ্জামান, উপজেলা প্রকৌশলী মো.সুমন মাহমুদ, ধামইরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো.মোজাম্মেল হক কাজী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পদক অধ্যক্ষ মো.শহীদুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক, হারুন আল রশীদ, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু মুছা স্বপন, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
    ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডা.স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ধামইরহাট উপজেলা পরিচালনা ও উন্নয়ন তহবিল থেকে জাইকার অর্থায়নে ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ টাকা ব্যয়ে সেন্টাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম স্থাপন করা হয়। এছাড়া ওই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি নতুন ইসিজি মেশিন ক্রয় করা হয়েছে এবং সেন্টার অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের মাধ্যমে বহিঃ বিভাগ, আন্তঃ বিভাগ এবং জরুরী বিভাগের এক সঙ্গে ১৮ জন স্বাসকষ্ট রোগি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারবেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • মুরাদনগরে আ’লীগের সম্মেলনে বীর আবুল কালাম আজাদ সভাপতি, চিনু সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল

    মুরাদনগরে আ’লীগের সম্মেলনে বীর আবুল কালাম আজাদ সভাপতি, চিনু সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল

    কুমিল্লা প্রতিনিধি : মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন বৃহস্পতিবার দুপুরে ডি. আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্বা অ‍্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি, গোলাম সারওয়ার চিনুকে সাধারণ সম্পাদক ও রফিকুল ইসলাম সরকারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আলহাজ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও জাতীয় সংসদের হুইফ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন, আওয়ামীলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। সম্মেলনটি উদ্বোধন করেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমিন। প্রধান বক্তা ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার।

    কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক রানার উপস্থাপনায় সম্মেলনে আরোও বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা-২ আসনের এমপি সেলিনা আহমেদ মেরী এমপি, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুন আল রশীদ, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হানিফ সরকার ও মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোর প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম রাজীব ও কোরআন তেলাওয়াত করেন, মাওলানা আনম জসিম উদ্দিন।

  • মুক্তিযোদ্ধা ভাতা না পাওয়ায়   বিজয়ের মাসেই স্ব- পরিবারে আত্ন হত্যার সিদ্ধান্ত এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের।

    মুক্তিযোদ্ধা ভাতা না পাওয়ায় বিজয়ের মাসেই স্ব- পরিবারে আত্ন হত্যার সিদ্ধান্ত এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের।

    মোঃ নাসির উদ্দিন।
    বিভাগীয় প্রতিনিধি ,বরিশাল।

    মুক্তি যোদ্ধার ভাতার নামে সময় খেপন করায় ধৈর্য হারিয়ে অবশেষে বিজয়ের মাসেই স্ব- পরিবারে আত্বহত্যার সিদ্বান্তে নিয়েছেন অসহায় ভূমি ও আশ্রয়হীন যুদ্ধাহত বীর মুক্তি যোদ্ধার পরিবারের লোকজন।

    এমনটি জানিয়েছেন বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠি গ্রামের মৃত অসহায় ভূমিহীন গেজেট প্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তি যোদ্ধা মোঃ ইসমাইল খানের পরিবারের লোকজন।।

    পরিবার সুত্রে জানাগেছে ইসমাইল খানের যুদ্ধাহত গেজেট নং-১৫০১,লাল মুক্তি বার্তা নং-০৬১১০০২৫৪,বেসামরিক গেজেট নং- ৩৪২৩।ইসমাইল খানের স্ত্রী রেনু বেগম বলেন, পরাধীনতা শক্তির মোকাবেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারা দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে নিজের স্ত্রী সন্তান রেখে দেশ ত্যাগ করে ভারতে যুদ্ধেের প্রশিক্ষনে যান তার স্বামী ইসমাইল খান। বাংলাদেশে ফিরে পাক-হানাদারদের সম্মুখ যুদ্ধে গ্যানেটের আঘাতে আঘাত প্রাপ্ত পঙ্গুত্ব জীবন কাটান তিনি।

    দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধাহত রাষ্ট্রীয় সন্মানি ভাতা গ্রহন করেন তিনি। কতিপয় অসধু লোক তাদের স্বার্থ হাসিল করতে না পারায আমার স্বামীর ভাতা বন্ধ করে দেয়। এর ফলশ্রুতিতে আমাদের না খেয়ে না পরে অন্যের জায়গায় থাকতে হচ্ছে। এ যেন দেখার কেউ নেই।

    তিনি (রেনু) আরো বলেন আমার স্বামীর জীবদ্বশায় কতিপয় স্বার্থান্নেশি লোক আমার স্বামী ইসমাইল খানের দ্বারা তাদের অনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে না পারায় ভুয়া যুদ্ধাহত মুক্তি যোদ্ধা বলে আখ্যায়িত করে ২০১৪ ইং
    সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত করেন। ফলে সম্মানী রাষ্ট্রীয় ভাতা বন্ধ করে দেয় সরকারি দাপ্তরিক সংশ্লিষ্টরা।

    স্বামী ইসমাইল নিরুপায় হয়ে তার রাষ্ট্রীয় বেতন ভাতা চালুর দাবিতে সরকারের বিভিন্ন মহলে দৌরঝাপ করে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে অবশেষে ভাতা চালুর দাবিতে সর্বস্য হারিয়ে
    সরকারের উচ্চ আদালতে ভাতা চালু রাখতে মামালা করেন।
    তার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ৭ বৎসর মামলা চালানোর পর ২০২০ ইং ৪ ফেব্রুয়ারি র উচ্চ আদালতের আদেশ বলে ভাতা চালু হয়।

    রাষ্টীয় সম্মানী ভাতা ভোগ করে আমার স্বামী ২০২০ ইং সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ফুসফুস ক্যান্সার জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে- রাষ্ট্রিয় মর্যদায় তাকে দাফন করা হয়।

    স্বামীর মৃত্যুর পর আমার নামে ভাতা চালু করতে প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র ঢাকা মুক্তি যোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্টে জমা দিয়ে দীর্ঘ দুই বছরের অধিক সময় তাদের টেবিলে ঘুরে ভাতা চালুর দাবিতে বরিশালের মুক্তি যোদ্ধা ইউনিয়ন ও থানা কমান্ডারের সুপারিশ নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ মুক্তি যোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হকের সাথে স্বাক্ষাৎ করি।

    মন্ত্রী মহোদয় দরখাস্ত আমলে নিয়ে কল্যান ট্রাস্টের পরিচালকের কাছে পাঠালে পরিচালক ইসমাইল খানের প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র যাচাই করনের লক্ষে যামুখায় পাঠালেওে দীর্ঘ দিন তাদের টেবিলে ঘুরে লাঞ্চনার স্বিকার হয় মুক্তি যোদ্ধার কন্যা পারভিন। তিনি ( পারভিন) আরো বলেন চলিত বছরের ১০ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ঃ৩০ ঘটিকায় যামুখার সহকারি পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমানের কাছে গেলে তিনি (হাফিজ) তাকে ( পারভিনকে) ঘোরাঘুরি না করে গার্মেন্সে চাকুরি সহ নানান ভাষায় কটাক্ষ করে অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন ।

    তার এমন আচারনে অসহায় মুক্তি যোদ্ধার কন্যা পার়ভিন কান্নায় ভেঙ্গে পরে দ্রুত অফিস ত্যাগ করেন, বলে এমনটি জানিয়েছেন পারভিন। পরবর্তিতে একই দপ্তরের যুগ্ম সচিব মোঃ শাহ আলম সরদারের সাথে তার বাবার বন্ধ ভাতা চালুর দাবিতে একাধিক বার সাক্ষাৎ করেও এখনো সুরাহা পাচ্ছেন না পারভিন।

    অপর দিকে মৃত যুদ্ধাহত মুক্তিযুদ্ধার স্ত্রী রেনু বেগম বলেন মহামান্য হাইকোর্টে ৫৯২৪-২০১৭ এবং কনটেমট্ ৭৬৯ -২০১৯ এর আদেশ বলে মুক্তি যোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্ট হইতে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতা পাইতেন আমার স্বামী মোঃ ইসমাইল খান। আমার স্বামী মৃত জনিত কারনে ভাতা বন্ধ হওয়ায় আমার নামে ভাতা চালু করতে প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র দিয়েও দীর্ঘ ৩০ মাসের অধিক সময় ধরে কোন সুরাহা না পেয়ে না খেয়ে সন্তান নাতিদের নিয়ে আমাকে নিদারুন অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

    অবশেষে কোন সুরাহা না পেলে শেষ সিদ্ধান্তে বিজয়ের মাসেই স্ব- পরিবারে আত্মহত্যার পথ বেছে নিবেন, এই অসহায় ভূমি হীন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের লোকজন এমনটি জানিয়েছেন রেনু বেগম ও তারপরিবার।।

  • পাকিস্তানপন্থী রাজাকার আলবদর ও তাদের রাজনৈতিক সঙ্গীরা ক্ষমতায় আসতে পারবেনা-হাসানুল হক ইনু এমপি

    পাকিস্তানপন্থী রাজাকার আলবদর ও তাদের রাজনৈতিক সঙ্গীরা ক্ষমতায় আসতে পারবেনা-হাসানুল হক ইনু এমপি

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।
    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে আজ ১৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি,সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার,ফজলুর রহমান বাবুল,শফি উদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের চৌধুরী, মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির, শওকত রায়হান, মোহাম্মদ মোহসীন, মীর্জ মোঃ আনোয়ারুল হক, জাতীয় শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ এর সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাসদের সাধারণ সম্পাদক এড.মুহিবুর রহমান মিহির, ঢাকা মহানগর পূর্ব জাসদের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান,ঢাকা মহানগর পশ্চিম জাসদের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বাবুল, জাতীয় যুব জোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম সুমন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (ন-মা) কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাশিদুল হক ননী প্রমূখ।

    বীরমুক্তি যোদ্ধা জননেতা হাসানুল হক ইনু ও সাবেক তথ্য মন্ত্রী সভাপতির ভাষণে হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন,মুক্তিযুদ্ধে বিজয় বাঙালি জাতির ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম গৌরব ও অহংকারের বিষয়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছে পৃথিবীর কোনো শক্তিই বাঙালি জাতিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি,পারবেও না।৩০ লক্ষ শহীদের আত্মবলিদান,দুই লক্ষ নারীর সম্ভ্রম, কোটি কোটি মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি অতীতের সকল বিভ্রান্তি,বির্তক,অমীসাংসিত বিষয়ের চূড়ান্ত মীমাংসা,ফয়সালা,সমাধান করেছিল।মুক্তিযুদ্ধে মীমাংসিত ফয়সালা সমাধানের ভিত্তিতেই ১৯৭২ সালের সংবিধান রচিত হয়েছিল।তিনি আরও বলেন, জাতির দুর্ভাগ্য স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি মুক্তিযুদ্ধে মীমাংসিত বিষয়সমূহ ও সংবিধানকে অস্বীকার করে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করছে।সামরিক শাসক জিয়ার চাপিয়ে দেয়া রাজনৈতিক দল বিএনপিই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি,স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি,পাকিস্তানপন্থীর মূল ধারক,বাহক,দূর্গ।জনাব ইনু বলেন,বিএনপি-জামাতের ক্ষমতা পুনর্দখলের আন্দোলন আসলে গোলাম আযমে ‘পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার আন্দোলন’। বিএনপির ১০ দফা সংবিধান,আইন,আদালতের কবর দিয়ে অসাংবিধানিক অস্বাভাবিক জঙলি সরকার আনা এবং সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক যুদ্ধাপরাধ,জঙ্গবাদী সন্ত্রাস,দূর্নীতি অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের পক্ষাবলম্বনের কালো দলিল।তিনি বলেন,১০ দফা দিয়ে বিএনপি আবারও প্রমাণ করলো যে,তারা দেশকে সংবিধানের বাইরে ঠেলে ফেলে দিয়ে অসাংবিধানিক অস্বাভাবিক জঙলি সরকার আনার ষড়যন্ত্রের রাজনীতির পথই আঁকড়ে ধরে আছে।তাদের আসল উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধ, জঙ্গীবাদী সন্ত্রাস ও দূর্নীতির বিচার বন্ধ করা। সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসী,দূর্নীতিবাজদের মুক্ত করা। বিএনপি সংবিধান,আইন,আদালত কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করে না।হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন,দেশে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কোনোভাবে আলেম, ওলেমা,ইসলামী চিন্তাবিদ,ইসলাম ধর্ম প্রচারক বন্দি নাই।যুদ্ধাপরাধ ও জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রকাশ্য আদালতে সাজাপ্রাপ্ত এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক সে সাজা নিশ্চিত হয়ে যারা বন্দি আছে তারা কেউই প্রকৃত আলেম,ওলামা,ইসালামি চিন্তাবিদ, ইসলাম ধর্ম প্রচারক নয়।তারা ধর্মের অপব্যবকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা,কর্মী।কোনো যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসী,রাজনৈতিক নেতা ধর্মের মনগড়া ব্যাখা বা অপব্যাখ্যা দিয়ে ওয়াজ করলেই আলেম বা নিরপাধী হয়ে যায় না।দেশের কেউই আইন আদালতে উর্ধে না,মসজিদের ইমাম বা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল বা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক নেতাও আইন আদালতে উর্ধে না।দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সুনির্দিষ্ট রায়ের পর বিচারবিভাগকে সম্পৃক্ত করে পুরাতন ধাচের তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কোনোই সুযোগ নাই। তারপরও পুরাতন ধাচের তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা,আরপিও বাতিল করার দাবি তুলে বিএনপি সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করিতে সংঘাত-সংঘর্ষের মাধ্যমে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করে জলঘোলা করার পথে যাবারই ইংগিত দিয়েছে। বিএনপির ক্ষমতা পুনর্দখলের আন্দোলনের ১০ দফায় চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলা করে জাতীয় অর্থনীতি সচল রাখা,মানুষের আয় ও জীবিকা রক্ষাসহ জনজীবনে স্বস্তি বজায় রাখার কোনো প্রস্তাব নাই। বিএনপির সময় দফায় দফায় বিদ্যুৎ,জ্বালানি, গ্যাস,পানির দাম অযোক্তিকভাবে বাড়িয়েছিল। বিএনপি নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতেও পারেনি,সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়াতে পারেনি।বিএনপির আমলেই রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক চালু এবং পরিচালক নিয়োগ শুরু হয়।দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত বিএনপির চালু করা দুষ্ট চক্রের অশুভ প্রভাব থেকে এখনও মুক্ত হতে পারছে না।বিএনপি যতবার ক্ষমতায় ছিল ততবারই বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডকে ইনডেমনিটি দিয়েছে।বিএনপির আমলে বিচার বিভাগ,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীগুলিকে হাওয়া ভবনের অধিনস্থ করা হয়েছল।বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নিজদের তোলা দাবি যে ভুলে যায়,তার প্রমান হলো জিয়া,খালেদা জিয়া,খালেদা-জিয়া,ইয়াজউদ্দিন সরকার ক্ষমতায় থাকা কালে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন বাতিল করেনি।বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় থাকা কালে ২০০৬ সালে আইসিটি আইন করেছিল।

    দেশকে সংবিধানের বাইরে ঠেলে ফেলে দিয়ে অসাংবিধানিক অস্বাভাবিক জঙলি সরকার আনা,যুদ্ধাপরাধ-জঙ্গবাদী সন্ত্রাস-দূর্নীতির অপরাধের বিচার বন্ধ,সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গীবাদী সন্ত্রাসী-দূর্নীতিবাজদের মুক্ত করা এবং সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করার জন্য বিএনপি-জামাত ও এদের রাজনৈতিক পার্টনারদের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি সম্পর্কে সজাগ থাকা এবং বাংলাদেশ বিরোধী এই ষড়যন্ত্রের রাজনীতি মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য জাসদ ও ১৪ দলসহ দেশপ্রেমিক,গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল,শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সকল ব্যক্তি,মহল, গোষ্ঠী ও শক্তির প্রতি আহবান জানান।ইনু বলেন, জাসদ ১৪ দলসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রি প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল,মহল,গোষ্ঠী,ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি ও তাদের রাজনৈতিক সঙ্গীদের ক্ষমতা পুনর্দখলের আন্দোলন প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের মাটিতে আর কোনো দিনই পাকিস্তানপন্থী রাজাকার আলবদর ও তাদের রাজনৈতিক সঙ্গীরা ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের পথেই,মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতেই পরিচালনা করার সংগ্রাম চিরদিন চলবে।বাংলাদেশ বিরোধী এই রাজনৈতিক শক্তির সাথে কোন রাজনৈতিক লেনদেন, সমঝোতার সুযোগ নেই।যত নির্মমই হোক বাংলাদেশ বিরোধী এই অশুভ রাজনৈতিক শক্তিকে বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠ থেকে চির বিদায় দিতেই হবে।মহান বিজয় দিবস জাসদের প্রস্তুতি সভায় এসব বক্তব্য ইনু।

  • আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউপি নির্বাচনে ঘোড়া মার্কা চেয়ারম্যান প্রার্থী বকুল ভুঁইয়া’র প্রচারণা চলমান

    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউপি নির্বাচনে ঘোড়া মার্কা চেয়ারম্যান প্রার্থী বকুল ভুঁইয়া’র প্রচারণা চলমান

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে ঘোড়া মার্কা স্বতন্ত্র প্রার্থী বকুল ভুঁইয়ার প্রচারণা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। বকুল ভুঁইয়া আশুলিয়ার জামগড়া ভুঁইয়া বাড়ির কফিল উদ্দিন ভুঁইয়া’র বড় ছেলে।
    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে (স্বতন্ত্র) ঘোড়া মার্কা’র চেয়ারম্যান প্রার্থী সমাজ সেবক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ বকুল ভুঁইয়া বলেন, আমাকে যদি এলাকাবাসী ঘোড়া মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন, প্রথমে এলাকার মাদক সন্ত্রাস দমন করবো, এলাকার রাস্তা ও ড্রেনের সুব্যবস্থা করবো। তিনি আরও বলেন,বর্ষার সময় বৃষ্টি হলে অনেক রোডে হাটু পানি হয়, আমি চেয়ারম্যান হলে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো, আর জনগণের চাহিদামতো সেবা করার চেষ্টা করবো।
    ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুনামধন্য চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ থেকে ভারতের চেন্নাইয়ে এ্যাপোলো হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁকে বাংলাদেশে আনার পর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়, গত (২৮ অক্টোবর ২০২২ইং) বিকেল ৩টা ৫৮মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর উক্ত ইউনিয়নটির উপ-নির্বাচন ঘোষণা করা হয়।