Author: desk

  • পহেলা পৌষ থেকে শীতে কাবু তেঁতুলিয়ার জনজীবন

    পহেলা পৌষ থেকে শীতে কাবু তেঁতুলিয়ার জনজীবন

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া প্রতিনিধিঃ সর্বউত্তরের জেলা প গড়ের তেঁতুলিয়ায় শীতে কাবু জনজীবন। ঘন কুয়াশা আর সূর্যের লূকোচুরিতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রচ- শীতের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের প্রকোপে অসহায় হয়ে দিনপাত করছে ছিন্নমূল মানুষেরা। দেশের উত্তর জনপদের সর্বশেষ উপজেলা প গড়ের তেঁতুলিয়া। হিমালয়ের অনেক কাছে হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা প্রতি বছরই বেশি হয়। কিন্তু এবার যেন শীত একটু বেশি দাপুটে। ডিসেম্বরের শুরুতে শীতের তীব্রতা শুরু হলেও মাসের ১৬ ডিসেম্বর পহেলা পৌষের শুরুতেই অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় হাঁড় কাঁপাতে শুরু করেছে এই উপজেলায়।

    তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় জেলায় তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড ধরা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।

    এদিকের দিনের তাপমাত্রা অনেক কমে এসেছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রেকর্ড হচ্ছে।

    কদিন ধরে হাড়কাঁপানো শীত পড়ায় বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ। ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কনকনে শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেকেই। তবে পেটের তাগিদে কাউকে নদীতে পাথর তুলতে, কাউকে চা-বাগানে আবার কাউকে দিনমজুরের কাজ করতে যেতে দেখা গেছে এর আগে কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়ার পর মাঘের শুরুতেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করায় শীতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দেশের এই সীমান্তঘেষা উপজেলার প্রান্তিক জনপদের মানুষ।

    উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রামের ৯০ বছর বয়সী আবুল হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন আগে তেমন ঠান্ডা না থাকলেও মাঘ পড়ার পর থেকে প্রচন্ড ঠান্ডা। গরম কাপড় পড়লেও ঠান্ডা দূর হচ্ছে না।

    মহানন্দায় পাথর উত্তোলনকারী রবিউল ইসলাম বলেন, বরফ গলা নদীর পানি এমনিতেই ঠান্ডা। তার মধ্যে হঠাৎ করে তীব্র শীত। যার কারণে কাজে যেতে কষ্ট হচ্ছে। কাল থেকে ঘরে বসে আছি।

    প্রচন্ড শীতের কারণে চা বাগানের গাছের পরিচর্যা করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চা শ্রমিকদের। তারা জানান, ভাই কদিন ধরে বরফের মতো ঠান্ডা। বাগানে গাছের ছাটাই করতে গিয়ে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। তাই কয়েকদিন ধরে কাজে যেতে পারছি না।

    এদিকে বেড়েছে শীতজনিত নানা ব্যাধি। হাসপাতাল, ক্লিনিকগুলোতে জ্বর-সর্দি, কাশি, অ্যাজমা, সাইনোসাইটিস, ইসনোফিলসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগীর ভিড় জমাতে লক্ষ্য করা গেছে। শীতে করোনার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা থাকায় চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিচ্ছেন।

    চিকিৎসকরা বলছেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রোগীর চাপ বেড়েছে। এমনিতে শীত মৌসুমে আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় বাতাসে জীবাণুর পরিমাণ বেড়ে যায়। শীতজনিত রোগ হিসেবে সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট বেশি হয়ে থাকে। আর শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পারলে কিছুটা হলেও সুরক্ষা মিলবে।

    তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, কদিন ধরেই তাপমাত্রা অনেকটা কমেছে। জেলায় আজ (১৭ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টায় রেকর্ড হয়েছিল ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সারা দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে আজ রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • ইয়ারপুর ইউনিয়নে দলমত নির্বিশেষে আনারস মার্কার প্রচারণা-জনমতে এগিয়ে সুমন ভুঁইয়া

    ইয়ারপুর ইউনিয়নে দলমত নির্বিশেষে আনারস মার্কার প্রচারণা-জনমতে এগিয়ে সুমন ভুঁইয়া

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে আনারস মার্কার প্রচারণা-জনমতে এগিয়ে সুমন ভুঁইয়া। ইয়ারপুর ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ সুমন ভুঁইয়া দলমত নির্বিশেষে প্রচারণা ও জনমতে এগিয়ে আছেন বলে এলাকাবাসী জানায়।
    শনিবার (১৭ ডিসেম্বর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকা জেলা সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামিম আহমেদ সুমন ভুঁইয়ার ধারাবাহিক ভাবে নির্বাচনী জনসভা ও জোর প্রচারণা চলমান রয়েছে। প্রচারণা ও জনমতে এগিয়ে আছেন সুমন ভুঁইয়া। তিনি ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া, ঘোষবাগ, জিরাবোসহ বিভিন্ন এলাকায় জনতার চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসী জন¯্রােতে রূপান্তরিত করেছেন। গতকাল ১৬ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া মীর বাড়ি এলাকায় ইয়ারপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের বিভিন্ন ব্যানারে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামগড়া যুবসমাজের বৃহত্তর একটি সংগঠন (স্বরলা ক্লাব) এর বেশিরভাগ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত গন্যমান্যব্যক্তিবর্গ মরহুম সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়ার সুযোগ্য এতিম সন্তান জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করায় তাকে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদটি হারাতে হয়, তাই এলাকাবাসী সর্বস্তরের জনগণ তার পাশে দাঁড়িয়ে দলমত নির্বিশেষে আনারস মার্কার ভোট চাচ্ছেন, তাদের দাবি আনারস মার্কা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে সেই লক্ষ্যে আমরা সবাই কাজ করছি।
    বিশেষ করে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের পর পর ৩বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত সুনামধন্য চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়া মাষ্টার সাহেব গত (২৮ অক্টোবর ২০২২ইং) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর কারণে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদটির আসন শুণ্য ঘোষণা করা হয়। সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ ভুঁইয়ার একমাত্র ছেলে সুমন ভুঁইয়া’র নির্বাচনী প্রচারণায় উৎসব মূখর পরিবেশে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে জন¯্রােতে পরিণত হয়েছে ইয়ারপুর এলাকা। তার একটি চিত্র প্রকাশ করা হলো। জাতীয় শ্রমিক লীগের আশুলিয়া থানা আ লিক কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আতিকুজ্জামান আতিক পাটোয়ারী, যুগ্ন-আহ্বায়ক সানাউল্লাহ ভুঁইয়া সানি, আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছোসেবক লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সুমন মীরসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ রাতদিন একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন সুমন ভুঁইয়ার আনারস মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে।
    ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে (স্বতন্ত্র) আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম আহমেদ সুমন ভুঁইয়া বলেন, আমি ইয়ারপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলাম, ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং আশুলিয়া থানা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম, আমার বাবা চিকিৎসার জন্য আমি ভারতে গিয়েছিলাম তখন আমাকে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়, এখন পদ নেই এতে কি হয়েছে? আমি সুমন ভুঁইয়া, আমাকে নতুন করে চিনতে হবেনা, আমি গরীবের বন্ধু আছি, গরীবের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে এলাকাবাসী সবার কাছে আনারস মার্কায় ভোট চাই। সুমন ভুঁইয়া আরও বলেন, আমার বাবা সৈয়দ আহমেদ মাষ্টার নৌকার মাঝি হিসেবে বিপুল ভোটে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার এক বছরের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন, আমি তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি, আমি সবার কাছে দোয়া চাই, ইয়ারপুর ইউনিয়নবাসী আমাকে আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আমি সবার স্বার্থে কাজ করবো কথা দিলাম।
    সাভার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন উপ-নির্বাচনে (২৯ ডিসেম্বর ২০২২ইং) ভোট গ্রহণ হবে। এই ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৬ হাজার ৩৬১ জন, যার মধ্যে পুরুষ ৪৫ হাজার ৮৯০ জন, ও নারী ভোটার ৪০ হাজার ৪৭১ জন। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলে তিনি জানান।

  • সুজানগরে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার জাল নোটসহ ২ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    সুজানগরে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার জাল নোটসহ ২ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের রামনগর(পূর্বপাড়া)এলাকা থেকে ৫,০১,১৬০/-(পাঁচলক্ষ একহাজার একশত ষাট) টাকার জাল নোটসহ মীর মঞ্জুরুল ইসলাম ও আলিফ হোসেন নামে ০২ জন শীর্ষ জাল টাকা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাবের) সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত মীর মঞ্জুরুল ইসলাম সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের রামনগর এলাকার মীর আব্দুল মালেকের ছেলে এবং অপরজন আলিফ হোসেন নাটোর জেলার লালপুর থানার যয়রামপুর(মধ্যপাড়া এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে। র‌্যাব-১২ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন আবুল হাশেম সবুজ জানান, গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল মঞ্জুরুল ইসলামের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচলক্ষ একহাজার একশত ষাট টাকার জাল নোটসহ ওই দুই ব্যবসায়ীকে আটক করে। এ সময় তাদের নিকট থেকে জাল টাকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত ০১ টি ল্যাপটপ,০১ টি কালার প্রিন্টার এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ এই জাল টাকা সরবারহ করে আসছিল তাঁরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • মালদ্বীপে মহান বিজয় উপলক্ষে  দূতাবাস’র উদ্যোগে টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    মালদ্বীপে মহান বিজয় উপলক্ষে দূতাবাস’র উদ্যোগে টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) ২০২২ স্থানীয় সময় দুপুর ২টা – ৪টা মালদ্বীপের রাজধানী মালে ক্রিকেট গ্রাউন্ড মাঠে, মালদ্বীপ বনাম বাংলাদেশ টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ, মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে হাইকমিশন কর্তৃক একটি টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ ।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মালদ্বীপের পররাষ্ট্র সচিব জনাব আহমেদ লতিফ।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার, জাপানের এম্বাসেডর, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, চীন, আরব আমিরাত দূতাবাসের প্রতিনিধিগন, ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাগন।

    উল্লেখ্য বাংলাদেশ বনাম মালদ্বীপ টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ খেলায় বিজয়ী লাভ করেন মালদ্বীপ জাতীয় ক্রিকেট দল স্থানীয় সময় বিকাল ৫ঃ০০ ঘটিকায় বিজয়ী ম্যাচটিতে মালদ্বীপ জাতীয় ক্রিকেট দল বিজয়ী অর্জন করায় পুরস্কার তুলে দেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ আহমেদ লতিফ, মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দু। এই টি২০ প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ বিজয়ীদের হাতে টপি তুলে দেওয়া পর সংক্ষিপ্ত ভাবে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস এর ইতিহাস তুলে ধরেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার।

    বাংলাদেশর জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মোঃ সামিম পাটোয়ারী এই খেলায় অংশ গ্রহণ করেন।
    খেলা দেখতে আসা আরও উপস্থিত অতিথিবৃন্দুরা হলেন
    ,ডাঃ মোক্তার আলী লস্কর, মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব দুলাল মাতব্বর, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাজী সাদেক, সহসভাপতি মোঃ ফাইজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরে আলম রিন্টু, মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ নূরে আলম ভূইয়া, প্রবাসী বাংলাদেশী এবং মালদ্বিভিয়ান, বিভিন্ন সংগঠন এর নেত্রবিন্দু।

  • সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শামীম সরদারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শামীম সরদারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

    নিজস্ব প্রতিবেদক,সুজানগরঃ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পাবনার সুজানগর উপজেলার কৃতি সন্তান এডভোকেট শামীম সরদারকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এডভোকেট শামীম সরদারের হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম। এ সময় পাবনা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাননান, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল জলিল বিশ্বাস, রাজা হাসান,ইউনুস আলী বাদশা, মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ,পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সোহাগ, স্থানীয় আ.লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সম্মাননা স্মারক গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পাবনার সুজানগর উপজেলার কৃতি সন্তান এডভোকেট শামীম সরদার জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করার পাশাপাশি আমি অতীতেও সুজানগর উপজেলা সহ পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং আগামীতেও এ জনপদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব ইনশআল্লাহ। আর এ জন্য পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নাচোলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

    নাচোলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের পুকুরিয়াপাড়া যুব উন্নয়ন সংঘের আয়োজনে আজ শনিবার পুকুরিয়া পাড়া গ্রামে দিনব্যাপী বার্ষিক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এতে সভাপতিত্ব করেন উক্ত গ্রামের সমাজসেবী বাদোল।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহাবুদ্দিন,
    সংরক্ষিত মহিলা রেবিনা বেগম, নূরুননাহার সামাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ এনামুল হক, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সাংবাদিক মোঃ মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
    খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।

    পরে মনোঙ্গসাংস্কৃতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়।

  • ঝিনাইদহে কালের সাক্ষী  নীলকুঠি যেখানে চলতো অমানুষিক নির্যাতন

    ঝিনাইদহে কালের সাক্ষী নীলকুঠি যেখানে চলতো অমানুষিক নির্যাতন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুরের খালিশপুর গ্রামে কপোতাক্ষ নদের পাশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইংরেজ শাসন আমলের অভিশপ্ত নিদর্শন নীলকুঠি। এ নদ দিয়েই নৌকায় মহেশপুরে আসতেন ইংরেজরা। আঠারো শতকের শুরুর দিকে কোটচাঁদপুর দুতিয়ারকাঠি কুঠির মালিক ব্রিজবেন মহেশপুরের খালিশপুরের কপোতাক্ষ নদের তীরে কুঠিটি স্থাপন করেন। দক্ষিণমুখী এ ভবনের দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট, প্রস্থ ৪০ ফুট ও উচ্চতা ৩০ ফুট। দক্ষিণ দিকে রয়েছে প্রশস্ত বারান্দা। ১২ কক্ষবিশিষ্ট দ্বিতল ভবন এটি। নিচ তলা থেকে দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলো আয়তনে বড়। চুন, সুরকি ও পাকা ইট দিয়ে তৈরি করা হয় ভবনটি। কুঠির নিচ তলায় ছিল নীল চাষের খাজনা আদায় ও নির্যাতন কক্ষ। দ্বিতীয় তলায় আদায়কারীরা রাতযাপন করতেন। বিশ্রাম ও গোসল করার জন্য নির্মিত পাকা সিঁড়ি কপোতাক্ষের তীর পর্যন্ত নামানো। এখানে ১৮১০-১৮৫৮ সাল পর্যন্ত নীলকররা নীল চাষ পরিচালনা করত। এলাকার কৃষকের মাধ্যমে নীল চাষ করে পাঠানো হতো ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে। দিনের পর দিন অত্যাচারে মাত্রা বাড়াতে থাকে ইংরেজ নীলকরদের। যারা নীলচাষ করতেন না তাদের এ কুঠিতে এনে করা হতো নির্যাতন। কুঠির সামনে থাকা গাছে বেঁধে চলত অমানুষিক নির্যাতন। গ্রাম থেকে নারীদের ধরে এনে রাখা হতো কুঠির কক্ষগুলোয়।উপমহাদেশে নীল বিদ্রোহের সূচনা হওয়ার পর অন্যান্য নীলকুঠির মতো এ নীলকুঠিটিও রেখে চলে যান নীলকররা। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জমিদাররা এটি তাদের কাছারি হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় তত্কালীন নীলকুঠির মালিক জমিদারও জায়গাটি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত রয়েছে স্থানটি। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করলেও অদ্যাবধি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। স্থানটি দর্শনীয় করতে দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • সাভার আশুলিয়াসহ সরকারি জমি ফুটপাত হকারদের দখলে-বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক চাঁদাবাজি

    সাভার আশুলিয়াসহ সরকারি জমি ফুটপাত হকারদের দখলে-বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক চাঁদাবাজি

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার আশুলিয়াসহ সরকারি জমি খাল প্রভাবশালীদের দখলে আর ফুটপাত হকারদের দখলে- বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে মাহিন্দ্রা, অটোরিক্সাসহ তিন চাকা গাড়ি বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশিরভাগ চালকদের নেই কোনো টেনিং।
    শনিবার (১৭ ডিসেম্বর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি জমি, খাল বিল, নদী ও ফুটপাত বেদখল হয়ে যাচ্ছে। ঢাকার মহাসড়ক ও শাখা সড়কে অনেক বেশি তিন চাকা অটো রিক্সাসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশিরভাগ গাড়ি চালক ট্রাফিক আইন মানেন না, তাদেরকে কেউ টেনিং করায়নি বলে তারা জানায়, সরকার চাইলে সকল গাড়ি চালকদের টেনিংয়ের আওতায় আনা যেতে পারে বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল। রাস্তায় গেলেই দেখা যায়, শিশু ও কিশোরাও গাড়ি চালায়, এর কারণে যেখানে-সেখানে ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। অনেক মানুষের অকালে মৃত্যু হচ্ছে।
    বিশেষ করে ট্রাফিক বিভাগের নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা বিনা প্রয়োজনে যানবাহন থামিয়ে যদি গাড়ি চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করে এর কারণে যানজট ও জটিলতা সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি থেকে বিরত রাখতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কাজে নিয়োজিত সদস্যরা বিশেষ সুবিধা নেয়ার জন্য অযথা যানবাহনের ডকুমেন্ট পরিক্ষার নামে চাঁদাবাজি করার গ্রাস থেকে বিরত রাখা হলে জনগণ কর্তৃক সরকার প্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাবে এবং সম্মান করবে,প্রধানমন্ত্রী আপনার নেতৃত্বের প্রতি আরও অধিকতর শ্রদ্ধাশীল হবে জনগণ। অনেকেরই অভিমতঃ বাংলাদেশে ট্রাফিক বিভাগে রেকারভীতির মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহনে বিরত এবং রেকার বিল ট্রাফিক মামলার টাকা সরকারি রাজকোষে প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করা হলে এতে সরকারের রাজকোষে শত শত কোটি টাকা জমা হবে।
    সড়ক ও মহাসড়কের যানবাহনে চাঁদাবাজি, যানজট এবং সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষার বিষয়ে প্রতিনিধিদের তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা ও ঢাকা বিভাগের সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কালিহাতি, ঘাটাইল, গাজীপুর, শ্রীপুর, নরসিংদী, সিলেট, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, বগুড়া, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনার কাশিনাথপুর, রাজবাড়ি, ফরিদপুরসহ প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যস্ততম সড়ক ও হাইওয়ে রোডসহ বিভিন্ন সড়কে তিন চাকা মাহিন্দ্রা, অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে দালাল কর্তৃক ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। নামে বে-নামে দালাল চক্র নতুন নতুন কৌশলে মাসিক মানফি (কথিত মানতি) প্রতি মাসে সিস্টেমে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে। অন্যদিকে ট্রাফিক আইন মানছে না বেশিরভাগ গাড়ি চালক ও পথচারীরা, এতে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানী বাজার রোড, ধামসোনা ইউনিয়নের শ্রীপুর, ভাদাইল মোড়, পুরাতন আশুলিয়া থেকে (নরসিংহপুর) ও নরসিংহপুর থেকে কাশিমপুরের রাস্তায় অবৈধ শত শত তিন চাকা মাহিন্দ্রা এবং অটোরিক্সা থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে প্রভাবশালীদের দালালরা। তারা অনেকেই বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই গাড়ি চালানো হচ্ছে। ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বিশমাইল, নবীনগর, নয়ারহাট, বাইপাইল, (ভাদাইল মোড়) শ্রীপুর, জিরানী, অন্যদিকে জামগড়া, ছয়তালা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন স্পট থেকে মানিক, দুলাল, মিজান, মেহেদী, বাবুল ও সুমনসহ ৭-৮জন দালাল কর্তৃক লাইনম্যান দিয়ে ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোন এলাকায় নতুন কৌশলে চাঁদাবাজি করছে, অনেকসময় পরিবর্তন করা হয় লাইনম্যানকে। উক্ত ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
    সুত্র জানায়, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে লাইনম্যান বদলে দেওয়া হয়, লাইনম্যান ও দালালদের মাধ্যমে প্রতিটি মাহিন্দ্রা থেকে প্রতিদিন ১৫০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়। মাহিন্দ্রা গাড়ি চালক মোঃ সাদ্দাম মিয়াসহ কয়েকজন গাড়ি চালক জানান, চাঁদাবাজ ও দালালরা প্রতিটি মাহিন্দ্রা চালকের কাছ থেকে প্রতিদিন ১৫০ টাকা চাঁদা নিচ্ছে। চাঁদাবাজির কথা কাউকে না বলার জন্য চালকদেরকে ভয় দেখায় এই চক্রটি। চালকরা আরও বলেন, নতুন নতুন কৌশলে পরিবহনে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি, এ যেন দেখার কেউ নেই। সেই সাথে সরকার নতুন আইন করায় গাড়ি চালকরা বিপাকে পড়েছেন বলেও তাদের দাবি। গত বছরে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় চলাচলরত অটোরিকশা থেকে টোকেনের মাধ্যমে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ উঠে আশুলিয়া থানা যুবলীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে, কিন্তু চাঁদা আদায় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এরপর আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক কবির হোসেন সরকার বলেন, যুবলীগের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজ নয়, আর যারা যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা আদায় করছে,তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে কবির সরকার গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বলেন, যুবলীগ বা আমার জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করতে একটি মহল আমার রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য বদনাম করার চেষ্টা করছে। এই চাঁদাবাজ চক্রটি দলীয় কোনো নেতা কর্মী নয়। কবির সরকার আরও বলেন, আমি গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের আহ্বান জানাই যে, আপনারা অনুসন্ধান করে সঠিকভাবে সত্য প্রতিবেদন প্রকাশ করুন।
    আশুলিয়া থানার শ্রীপুরের স্থানীয় প্রভাবশালী বাবুল নামের এক ব্যক্তি লাইনম্যান রেখে তাদের দিয়ে চাঁদার টাকা কালেকশন করায়, চাঁদাবাজির সময় বেশ কয়েকজনকে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়, এরপর সিস্টেম পাল্টেছে চাঁদাবাজরা। বাবুলের প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় হয়, প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে তারা। এ বিষয়ে বাবুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিথ্যা কথা। শ্রীপুরে ড্রাইভারদের কোনো সমস্যা হলে আমি দেখি। অন্যদিকে ইপিজেড ও ভাদাইল মোড় থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা চাঁদাবাজি হয় বলে অনেকেই জানান। এ বিষয়ে ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার সাদেক হোসেন ভুঁইয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি জানিনা। এদিকে আশুলিয়াসহ সারাদেশে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে মার্কেটগুলোর সামনের ফুটপাত হকারদের দখলে, এর কারণে পথচারীরা চলাফেরা করতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
    ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাভার জোন এর (এসআই) আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক পুলিশ অফিসার জানান, তিন চাকা অটোরিকশা, বা মাহিন্দ্রা ও লাইসেন্সবিহীন কোনো যানবাহন মেইন রোডে চলাচলের সুযোগ নেই। চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলে ওই স্থানে যিনি ডিউটি করেন তিনি বিষয়টি দেখবেন।

  • গৌরনদীতে ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক এ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত

    গৌরনদীতে ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক এ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত

    গৌরনদী প্রতিনিধিঃ-

    গৌরনদী ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের কমিটি-২০২২ গঠনের লক্ষে গৌরনদীতে এক সভা বৃহস্পতিবার এ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।সিকদার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা আদুল ওহাব সিকদার’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি ছিলেন আনোয়ারা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মো হেদায়েত উল্লাহ-প্রমুখ। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ২০২২-২০২৪ সালের ২বছরের জন্য কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা হলেন সভাপতি সিকদার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদুল ওহাব সিকদার,সহ-সভাপতি মৌরী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহমুদুল হোসেন শরীফ মুহিত ও এবি সিদ্দিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ডক্টর চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আনিসুর রহমান।সাধারন সম্পাদক আল-খিদমাহ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.সাজ্জাদ হোসেন বাবুল, সহ-সাধারন সম্পাদক গৌরনদী নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিফা শওকত উল্লাহ,ও গৌরনদী চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.তানভীরুজ্জামান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিইউএসপি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আবু সালেহ, কোষাধ্যক্ষ, আঁখি ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক হলি কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নূর-আহসান মিঠু,প্রচার সম্পাদক, নিউ মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মো এনামূল হক মনির, সাংস্কৃতিক ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সুইজ হাসপাতাল (বেজগাতি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ রুপা খাতুন,কায্যকরি সদস্য ৫জন যথাক্রমে শ্রী সুজন সরকার, মো.শওকত হোসেন, তপন কুমার বনিক, তহিদুল ইসলাম স্বাগর ও মো.মিজানুর রহমান- সহ মোট ১৬সদস্য বিসিস্ট ২বছরের এই পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ হেদায়েত উল্লাহ,
    আর এম এসকান্দার, আকন আজাদ, ডা.মুস্তাফিজুর রহমান, ডা.মো.আনোয়ার হোসেন, মো. মোশাররফ হোসেন ও এসএম আলম শাহ ।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ সদরে ০৪ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ সদরে ০৪ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়রে নির্দেশনায় ১৭/০৩/২০২২ ইং তারিখ সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, অর্ডন্যান্স এর নেতৃত্বে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে গোলচত্বর এলাকায় গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিঃ(পেট্রো বাংলা) সয়দাবাদ ভাল্ব ষ্টেশন এর সামনে একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ০৪ কেজি ৮০০(চার কেজি আটশত) গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ জিবলু মল্লিক(৪২), পিতা-মৃত তাসু মল্লিক, (বর্তমান ঠিকানা), সাং-ব্যাংক কলোনী, তালবাগ, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা। স্থায়ী ঠিকানা, সাং-কাদীরপাড়া, থানা-শ্রীপুর, জেলা-মাগুড়া।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭৭১১২৫৫