Author: desk

  • সুজানগরের আবুল কাশেম প্লাজায় কাশবন ফাস্টফুড সেন্টার উদ্বোধন

    সুজানগরের আবুল কাশেম প্লাজায় কাশবন ফাস্টফুড সেন্টার উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আবুল কাশেম প্লাজার দ্বিতীয় তলায় কাশবন ফাস্টফুড থাই চাইনিজ ইন্ডিয়ান এন্ড বাংলা পার্টি সেন্টরের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের একমাত্র পুত্র আবিদজ্জামান আরাফকে সাথে নিয়ে ফিতা কেটে সুজানগর পৌর শহরের এই প্রথম আধুনিক মানসম্মত কাশবন ফাস্টফুড থাই চাইনিজ ইন্ডিয়ান এন্ড বাংলা পার্টি সেন্টরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আবুল কাশেমের সহধর্মিণী মোছাঃ শামছুন্নাহার। এ সময় আবুল কাশেম প্লাজার মালিক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন,পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম,এন এ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম,সুজানগর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার, উপজেলা আ.লীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ ও কাশবন ফাস্টফুড থাই চাইনিজ ইন্ডিয়ান এন্ড বাংলা পার্টি সেন্টরের কর্ণধার জহুরুল ইসলাম সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কাশবন ফাস্টফুড থাই চাইনিজ ইন্ডিয়ান এন্ড বাংলা পার্টি সেন্টরের কর্ণধার জহুরুল ইসলাম জানান,কোন খাবার গ্রাহকের কাছে পরিবেশনের আগেই আমাদের নিজস্ব টিম খাবারের মান পরীক্ষা করবে। যদি কখনো খাবারের মান পরিবেশন যোগ্য না হয় ,সেটি পরিবেশন করা হবেনা। আশা করছি কাশবন ফাস্টফুড থাই চাইনিজ ইন্ডিয়ান এন্ড বাংলা পার্টি সেন্টরের খাবারের মান ভাল হওয়ার পাশাপাশি এই সেন্টারের সৌন্দর্যতা ক্রেতাদের বিমোহিত করবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • চাঁদার টাকা না দেয়ার গরুর খামার মালিককে কুপিয়ে জখম

    চাঁদার টাকা না দেয়ার গরুর খামার মালিককে কুপিয়ে জখম

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃসন্ত্রাসীদের চাহিদা মতো দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় মো.জাকির হোসের(জাহা মন্ডল) নামে এক গরুর খামার মালিককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে আহত গরুর খামার মালিক মো.জাকির হোসের(জাহা মন্ডল) সুজানগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সে সুজানগর পৌরসভার চরভবানীপুর এলাকার মৃত ঝড়– মন্ডলের ছেলে। ঘটনাটি ঘটে পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর পদ্মার চরা লের বাহির চরে। এ ঘটনায় আহত মো.জাকির হোসের(জাহা মন্ডল)এর আপন বড় ভাই আনছার আলী মন্ডল পাবনা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, কয়েকটি অবৈধ বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পদ্মার চরে অবস্থিত মো.জাকির হোসের(জাহা মন্ডল) এর গরু ও ভেড়া পালনের খামারে গিয়ে কোলচুরী গ্রামের মো.রতন, বিলাই, মুদে, মজিদ, আব্দুল হাই রেজার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চাঁদা দাবী করে। এ সময় চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে জাকির হোসের(জাহা মন্ডল কে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে সুজানগর হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে গরুর খামার মালিকের উপর এ ধরণের হামলার ঘটনার ত্রীব নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে থানা পুলিশ জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে মানব পাচার চক্রের সদস্য ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ৬

    নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে মানব পাচার চক্রের সদস্য ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ৬

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে মানব পাচার চক্রের সদস্য ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ছয়জন। নড়াইলে মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল জেলা গোয়েন্দা ডিবি’র ওসি মোঃ সাজেদুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে এসআই মঞ্জুর মোর্শেদ সঙ্গীয় ফোর্স এর প্রচেষ্টার নড়াইল সদর থানাধীন দুর্গাপুর এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রদের গ্রেফতার করেছে। নড়াইল সদর উপজেলার নুরজাহান বেগম ওরফে জলি (৪৫), রাশিদা খাতুন (২৭), সালাউদ্দিন সরদার ওরফে মন্নু (৪৫), মো: মশিয়ার খন্দকার (৪০) এবং মাগুরা জেলার,শালিখা থানার বাসিন্দা মো: ইয়ামিন মোল্যা (২৮) কে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি’র) ওসি মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান,নড়াইলের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এর নির্দেশনায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃংখলা রক্ষায় জেলা পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। নড়াইলে ফেনসিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে আটক। নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার রামপুর গ্ৰামের সুবাহান হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (৩৫)কে লোহাগড়া পৌর এলাকার সিংগা রাস্তার পাশে ব্যারাক অফিসের সামনে মেইন সড়কের উপর থেকে ১১ পিচ ফেনসিডিল ও ফেনসিডিল বেচা কেনার ১২ হাজার ৪০০শত টাকাসহ গ্রেফতার করে,লোহাগড়া থানা পুলিশ। নড়াইলের সুযোগ্য পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুনের নির্দেশনায় লোহাগড়া থানা’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাসির উদ্দিনের নেত্রীত্বে এস আই তৌফিক হাসান এর পরিচালনায় এ এস আই বাচ্চু শেখ,এ এস আই সাহাবুর রহমান,কনেস্টোবল মহিসুননাহ,আবু মুসা,নুর ইসলামসহ গত (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের সময় একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদব বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে,মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল হাওলাদারকে ১১পিচ ফেনসিডিল ও ফেনসিডিল বেচা কেনার ১২ হাজার ৪০০শত টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেন লোহাগড়া থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায় জুয়েল হাওলাদার একজন চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ী এবং এলাকাবাসী জানান,জুয়েল হাওলাদার এর জন্য আমাদের গ্ৰামের অনেক ছেলে মাদকের গ্রাসে নষ্ট হয়ে গেছে। এবিষয়ে, লোহাগড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,জুয়েল হাওলাদার নামের একজন ফেনসিডিল কারবারিকে ১১পিচ ফেনসিডিল ও ফেনসিডিল বেচাকেনার ১২ হাজার ৪০০ শত টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেছি এবং তাকে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ মোতাবেক কোর্টে চালান করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

    নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে মানব পাচার চক্রের সদস্য ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ৬

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশের পৃথক অভিযানে মানব পাচার চক্রের সদস্য ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ছয়জন। নড়াইলে মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল জেলা গোয়েন্দা ডিবি’র ওসি মোঃ সাজেদুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে এসআই মঞ্জুর মোর্শেদ সঙ্গীয় ফোর্স এর প্রচেষ্টার নড়াইল সদর থানাধীন দুর্গাপুর এলাকা থেকে মানব পাচার চক্রদের গ্রেফতার করেছে। নড়াইল সদর উপজেলার নুরজাহান বেগম ওরফে জলি (৪৫), রাশিদা খাতুন (২৭), সালাউদ্দিন সরদার ওরফে মন্নু (৪৫), মো: মশিয়ার খন্দকার (৪০) এবং মাগুরা জেলার,শালিখা থানার বাসিন্দা মো: ইয়ামিন মোল্যা (২৮) কে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি’র) ওসি মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান,নড়াইলের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এর নির্দেশনায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃংখলা রক্ষায় জেলা পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অপরদিকে থানা পুলিশের অভিযানে।
    Show quoted text

  • সুজানগরের চরা লে নিত্যদিনের ভরসা এখন ঘোড়ার গাড়ি

    সুজানগরের চরা লে নিত্যদিনের ভরসা এখন ঘোড়ার গাড়ি

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ যান্ত্রিক সভ্যতার যুগ ও কালের বিবর্তনে গ্রাম বাংলার মানুষের একমাত্র যোগাযোগের বাহন ঘোড়ার গাড়ির ব্যবহার হারিয়ে গেলেও চরা লের মালামাল ও মানুষের যোগাযোগের বাহন হিসেবে এখনো ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন রয়েছে। বর্ষার সময় যোগাযোগের মাধ্যম নৌকা আর কালের পরিক্রমায় পাবনার সুজানগরের চরা লে শুকনো মৌসুমে মালামাল বহনের একমাত্র বাহন হলো ঘোড়ার গাড়ি। এ কারণে বর্তমানে চরবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল ঘোড়ার গাড়িযোগেই বহন করে থাকেন। জানাযায়, পদ্মা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে চর জাগতে শুরু করে। চর জাগলেই শুকনো মৌসুমে ঘোড়ার গাড়ি যোগাযোগের অন্যতম বাহন হয়ে দাঁড়ায় চরা লের মানুষদের কাছে। সুজানগরের পদ্মার চরা লে উঁচু নিচু ও বালুমিশ্রিত পথে অন্য কোনো যানবাহন না চলায় শেষ ভরসা ঘোড়ার গাড়িতেই।উপজেলার চর মানিকদীর, চলনাচরপাড়া,চরভবানীপুর,চরসুজানগর,চরখলিলপুর,,লক্ষীপুরসহ স্থানীয় বিভিন্ন চরা লে প্রধান বাহন হিসেবে বর্তমানে দিব্যি চলছে ঘোড়ার গাড়ি। নদীর পানি নেমে যাওয়ায় পদ্মার চরা লে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনে ঘোড়ার গাড়ির ব্যবহার বেড়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে চরবাসীর কষ্টের স্বপ্নের ফসল মূলকাটা পেঁয়াজ, বাদাম, ভুট্ট, মসুর ডাল, বোরো ধানসহ নানা ফসল চরা লের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে খুবই কষ্ট হয়ে থাকে। তাই এ কষ্ট লাঘবে ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করছে এ অ লের মানুষ। চর ভবানীপুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়ি চালক আলাল হোসেন বলেন, বর্ষাকালে নৌকা আর শুকনো মৌসুমে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জিবিকা নির্বাহ করে থাকি। সংসার চালানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ ঘোড়ার গাড়ি চালাই। দৈনিক আয় ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় হলেও ঘোড়ার খাবারের জন্য ব্যয় করতে হয় ২৫০ টাকা। বাকি টাকায় চলে সংসার। চর খলিলপুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়ি চালক আব্দুল লতিফ বলেন, ২ বছর আগেও এই চরে ১২-১৫টি ঘোড়ার গাড়ি ছিল। কিন্তু এই অ লে এখন ৫০ থেকে ৬০টি ঘোড়ার গাড়ি হয়েছে। চর মানিকদীর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান,উপজেলার বিভিন্ন চরে মালামাল পরিবহনে ব্যবহার হচ্ছে ঘোড়ার গাড়ি। এই গাড়ি ব্যবহারের ফলে যেমন দ্রুত সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া সহজ, তেমনি কমছে পরিবহন খরচ। চর মানিকদীর এলাকার বাসিন্দা কৃষক জাহিদ হোসেন বলেন, পদ্মার পানি শুকিয়ে যাওয়ায় জেগে উঠেছে অসংখ্য ছোট বড় চর। যার কারণে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন বাহন হিসেবে ঘোড়ার গাড়ি এ চরা লের মানুষের একমাত্র ভরসা। এ ছাড়া চরের কৃষকদের উৎপাদিত ফসল জমি থেকে তুলে বাড়ি কিংবা ও উপজেলা শহরে বিক্রি করার জন্য আনার মাধ্যম এ ঘোড়ার গাড়ি। সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী জানান,ইঞ্জিনযুক্ত যানবাহনের ভিড়ে রাস্তায় ঘোড়ার গাড়ী আগের মতো চোখে না পড়লেও চর অ ল গুলোতে নদীর বুকে নৌকার পাশাপাশি ঘোড়ার গাড়ী প্রচলন রয়েছে। পদ্মা নদীবেষ্টিত এই জনপদে রয়েছে বিস্তীর্ণ চরা ল। বর্ষায় নৌকা ব্যবহার হলেও গ্রীস্মে চরা লে মানুষদের পরিবহন মানেই অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায় ঘোড়ার গাড়ি। সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রবীন সাংবাদিক আব্দুস শুকুর বলেন, আগে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন ছিল চোখে পড়ার মতো। এক সময় উপজেলার প্রায় সব অ লে দেখা মিললেও সময়ের ব্যবধানে এখন শুধু চরেই দেখা মেলে ঘোড়ার গাড়ি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন ,শুধু পণ্য পরিবহন নয়,ঘোড়ার গাড়ি এখন চরা লের কয়েক শ মানুষের জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। মরুভূমির জাহাজ খ্যাত উটের মতো ঘোড়া এখন চরের জাহাজ হয়ে উঠেছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের ওয়ার্ড চৌকিদার রুবেল গ্রেফতার

    রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের ওয়ার্ড চৌকিদার রুবেল গ্রেফতার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সিআর মামলার ১ বছর ৬ মাস (৪ হাজার) টাকার সাজা প্রাপ্ত আসামি মো. রুবেল (৩০) নামের এক চৌকিদার কে গ্রেফতার করেছ রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ। শনিবার ১২টার সময় উপজেলার যুগির হাওলা গ্রাম থেকে মো. রুবেল কে গ্রেফতার করে। রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ড যুগিরহাওলা গ্রামের তোতা মিয়া খার ছেলে রুবেল। পুলিশ জানান, সিআর ৩২/২২ সিনিয়র জুডিসিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালত ভোলার কোর্টে মামালা দায়ের করে রুবেলের স্ত্রী সেই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, রুবেল রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ডের চৌকিদার ছিলেন। স্ত্রীর করা একটি মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।।

  • ঝিনাইদহের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরির  মহোৎসব

    ঝিনাইদহের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরির মহোৎসব

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত হাড় কাপানো শীত উপেক্ষা করে গ্রাম অঞ্চলের ঘরে ঘরে এখন চলছে শীত মৌসুমের অন্যতম মজাদার গ্রামীণ খাবার কুমরো বড়ি। ঝিনাইদহের প্রতিটি গ্রাামে গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরির যেন মহোৎসব চলছে। শীতকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামের কম বেশি প্রায় সব বাড়িতেই চলছে কুমড়ো ও ডালের বড়ি তৈরি। স্বাদে ও মান ভালো হওয়ায় দিন দিন বেড়েই চলেছে বড়ির চাহিদা। বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হওয়ায় অন্যান্য কাজের পাশাপাশি বড়ি তৈরি করছেন নারীরা। মাষকলাই ভিজিয়ে সেই ডালের সঙ্গে পাকা চালকুমড়ো মিশিয়ে তৈরি করা হয় এ সুস্বাদু বড়ি। শীতের সময় গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ নারীরা বড়ি তৈরি করার কাজটি করে থাকেন। কুমড়ো বড়ি তরকারির একটি মুখরোচক খাদ্য।এতে তরকারির স্বাদে যোগ হয় নতুন মাত্রা। জানা যায়, উপজেলার নারীরা এই বড়ি তৈরি করার জন্য বেশ কয়েক মাস আগে থেকে চাহিদা মতো পাকা চাল কুমড়োর ব্যবস্থা করে রাখেন। কুমড়ো বড়ি তৈরিতে মূলত চালকুমড়া এবং মাষকলাইয়ের ডাল প্রয়োজন হয়। মাষকলাইয়ের ডাল ছাড়া অন্য ডালেও তৈরি করা যায় এই বড়ি। মচমচে করে রোদে শুকাতে পারলে এই বড়ির ভালো স্বাদ পাওয়া যায়। খালিশপুর গ্রামের রোজিনা খাতুন জানান, ৫ কেজি কুমড়ার সাথে দুই কেজি মাসকলাইয়ের মিশ্রণে কুমড়া বড়ি ভাল তৈরী হয়। আগে মাসকলাই পানিতে ভিজিয়ে পরিস্কার করা, আর ঢেকিতে কুটে বড়ি তৈরী করতে প্রচুর পরিশ্রম হয়, সেই সাথে অনেক সময় লাগে। এখন খোসা ছাড়ানো মাসকলাই বাজারে ক্রয় করতে পাওয়া যায়। মাসকলাই পানিতে ভিজিয়ে মেশিনের সাহায্যে মাড়াই করে অল্প সময়ে বড়ি তৈরীর মিশ্রণ তৈরী করা খুব সহজ হয়েছে। এতে করে অল্প সময় প্রচুর পরিমাণ কুমড়া বড়ি তৈরী করা সম্ভব হচ্ছে। এক কেজি কুমড়া বড়ি তৈরী করতে প্রায় ১৩০ টাকা মত খরচ হচ্ছে। আর বাজারে ২শ থেকে আড়াই’শ টাকা দরে কুমড়ার বড়ি বিক্রি হচ্ছে। এতে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে। উপজেলার কুমড়ো বড়ির ব্যবসায়ী রমজান আলী বলেন, এখানকার কুমড়ো বড়ি খুব সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলের বড়ি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বিশেষ করে ঢাকায় এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী জানান, শীত মৌসুমে গ্রামের নারীরা কুমড়ো বড়ি তৈরি করে বাড়তি আয় করছে। গ্রামীণ নারীরা উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতা পেলে তারা নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • পঞ্চগড়ে পৃথক ৫টি মামলায় ১৮ জন আটক

    পঞ্চগড়ে পৃথক ৫টি মামলায় ১৮ জন আটক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    পঞ্চগড়ে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় পৃথক ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পঞ্চগড় সদর থানায় ৫ জন উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করেন। এসব মামলায় ৮১ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

    গত শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামাতের আটজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে।
    পরবর্তীতে দফায় দফায় এ পর্যন্ত মোট ১৮ আটক

    থানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, সদর থানার উপপরিদর্শক রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান, দাঙ্গা সৃষ্টি, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর মারধর, সরকারি কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে এজাহার নামীয় ২২ জনসহ ১১শ-১২শ নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

    উপপরিদর্শক সাইদুল রহমান বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১৩ জনের নামীয়সহ ১৫০-২’শ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।

    উপপরিদর্শক ভবেশ চন্দ্র রায় বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান, দাঙ্গা সৃষ্টি,সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর মারপিট, সরকারি কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে ১৬ জনের নামসহ ২৪৫-১৫০ জনের অজ্ঞাত নামে মামলা দায়ের করেন। একই অভিযোগে উপপরিদর্শক আলতাব হোসেন সরকার বাদী হয়ে ১৬ জনের নামসহ অজ্ঞাত ১২৫-১৩৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন এবং উপপরিদর্শক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ১৬ জনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১৫৫-১৬০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

    পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা বলেন, মামলায় প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা হবে না।

    মোহাম্মদ নাবুল হোসেন পঞ্চগড়

  • “চুরি করতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে আমার স্বামীকে” সুরমা আক্তার

    “চুরি করতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে আমার স্বামীকে” সুরমা আক্তার

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চুরি করার জন্য বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় নজমুল এতে মারা যায় আব্দুর রহিম (৩০) নামের এক ব্যক্তি। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের দাফাদারপাড়া গ্রামে এমন ঘটনাটি ঘটে। আব্দুর রহিম ওই গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে। অন্যদিকে চুরি করতে নিয়ে যাওয়া চোরের গডফাদার নজমুল একই গ্রামের মৃত গোমির উদ্দিনের ছেলে।

    “গত (২৯ ডিসেম্বর) রাতে আমার স্বামীকে পাশের বাড়ির কমলা (নজমুলের মেয়ে) ডাকতে আসলে, তাদের বাড়িতে যায়, একটু পরে বাড়িতে এসে কাপড়-চোপড় নিয়ে বের হলে তাকে বালি তুমি কথায় যাবা, সে বলে সাইফুলের বাপের (নজমুলের) সঙ্গে রংপুর দিনাজপুরে যাবো। চুরি করতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে আমার স্বামীকে” দুই চোখে অশ্রু ভেজা জল আর আড়াই বছরের ইশাকে নিয়ে গর্ভধারীনি সুরমা আক্তার এসব কথা জানিয়েছেন।

    জানতে পারা যায়, শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের বাংলাদেশ বেতারের সামনে সালন্দর এলাকার ঠাকুরগাঁও-প গড় মহাসড়কের উপর এলাকার লোকজন রাত ১টার দিক আব্দুর রহিমকে পড়ে থাকতে দেখে জরুরি কল ৩৩৩ লাইনে ফোন করলে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

    এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত রহিম খুবই ভালো ছেলে ছিল। কয়েক বছর হলো বিয়ে করার। সে আগে দোকানে কাজ করতো। পরে ট্রাক ও ট্রলিতে পাথর লোড-আনলোডের কাজ করে আসছে। হঠাৎ তাকে নজমুল চোর চুরি করার জন্য নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। এলাকাবসি আরও বলেন, নজমুল এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। তার অত্যাচারে এলাকায় বসবাস করা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাবাসি নজমুল ও তার ছেলে সাইফুলকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে পুলিশ প্রশাসনসহ আদালতকে দৃষ্টি আকর্ষণ জানিয়েছেন।

    এদিকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন রহিমের মা জাহেদা বেগম তিনি বলেন, ওই দিন সে তার মেয়ের বাড়িতে যান। মেয়ের বাড়ি থেকে জানতে পারে তার ছেলে আর বেঁচে নেই। জাহেদা বাড়িতে এসে জানেন নজমুল তার ছেলেকে চুরি করার জন্য নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে নজমুলই মারছে।

    এ বিষয়ে দেবনগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ছলেমান আলী বলেন, নজমুল চোর রহিমকে চুরি করতে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। রহিমের মৃত লাশ এখনো ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে রয়েছে। আগামীকাল (৩১ ডিসেম্বর) সকালে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানতে পেরেছি।

    এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জরুরি কল ৩৩৩ লাইনে ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রহিমকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিমের মৃত্যু হয়। তাকে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ময়না তদন্তের পর বুঝা যেতে পারে কিভাবে তাকে মারা হয়েছে এবং কে বা কাহারা তাকে মেরেছে।
    এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত আছেন। রহিমের লাশ ঠাকুরগাঁও সদর থানার আওতায় ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে রয়েছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • নড়াইলের নবগঙ্গা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবে মা-ছেলের মৃত্যু, নিখোঁজ ৪

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবে মা-ছেলের মৃত্যু, নিখোঁজ ৪

    উজ্জ্বল যায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের নবগঙ্গা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নবগঙ্গা নদীর বাহিরডাঙ্গা খেয়াঘাটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উজ্জ্বল যায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নিহতরা হলেন-মা নাজমা বেগম ও ছেলে তাছিম শেখ।
    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার বাহিরডাঙ্গা এলাকার নবগঙ্গা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে কয়েকজন অপরপাড়ে পার বাহিরডাঙ্গায় যাচ্ছিলেন। কিছুদূর গেলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে দুইজনের মৃত্যু হয় এবং কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।
    স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। এছাড়াও পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
    কালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, নৌকাটিতে ১৮ থেকে ২০ জনের মতো লোক ছিলেন। এর মধ্যে শিশুসহ দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠলেও ৪-৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    উজ্জ্বল যায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • মধুপুরে কৃষি জমিতে মাটি কাটার চলছে মহোৎসব

    মধুপুরে কৃষি জমিতে মাটি কাটার চলছে মহোৎসব

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে ফসলি জমিতে মাটি কাটার মহোৎসব।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে ফসলি জমিতে মাটি কাটার প্রতিযোগিতা।
    জানা যায়, মধুপুরে মাটি ব্যবসায়ী সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় চলছে ফসলি জমিতে মাটি কাটা। মাটি ব্যবসায়ীগন সমিতির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা দিয়ে অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে বেকু বসিয়ে ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে বিক্রি করছেন স্থানীয় ইট ভাটায়।
    ফলে কৃষি জমি আবাদে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে বলে জানান ভুক্তভোগী কৃষকগন। মাটি ব্যবসায়ীগন কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে এক ফিট গর্ত করে মাটি কাটার কথা বলে ৩/৪ ফিট গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নিচ্ছে যার ফলে পাশের ফসলি জমি সেই গর্তে ভেঙে বিলীন হয়ে পড়ছে।পরবর্তীতে সেই আবাদি জমির মাটি বিক্রি করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা কৃষকের।
    এভাবেই কৃষকের হাজার হাজার একর ফসলি জমি ডোবা নালায় পরিনত হচ্ছে। দিনরাত মাটির গাড়ি যাতায়াতের কারণে এলাকার নতুন পাকা রাস্তা ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
    বিশেষ করে উপজেলার কুড়ালিয়া, আলোকদিয়া, আউশনারা, মহিষমারা, মির্জাবাড়ী, পিরোজপুর, কুড়াগাছা, গোলাবাড়ি ইউনিয়ন সহ পৌরসভা এলাকায় চলছে ফসলি জমিতে মাটি কাটার প্রতিযোগিতা। এলাকার বাসিন্দারা জানান, দিনরাত মাটির গাড়ি চলাচলের কারণে ঘরবাড়ি দোকানপাট রান্না করা খাবার ধূলায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব খাবার খেয়ে ছোট বড় সব বয়সের মানুষের ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা জানান,উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। কুড়ালিয়া কেওটাই এলাকার গ্রামবাসী রাস্তায় শুয়ে মাটির গাড়ি বন্ধের জন্য প্রতিবাদ জানায় পরে সেই পয়েন্ট থেকে বেকু উঠিয়ে নিতে বাধ্য হয় মাটি ব্যবসায়ীগন। কুড়ালিয়া সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ মাটির গাড়ি চলাচল বন্ধ না করলে অচিরেই মানববন্ধন করে এর প্রতিবাদ জানাবে বলে জানান।

    বিশিষ্টজনেরা বলছেন, এ বছরের মতো ফসলি জমিতে মাটি কাটার মহোৎসব অতীতে আর চোখে পড়েনি। এ বছর প্রশাসনিক ভাবে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে মাটি ব্যবসায়ীগন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এক ইঞ্চি জায়গাও অনাবাদি রাখা যাবেনা, সেই নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে কাদের অনুমতিতে এই আবাদি জমির মাটি কাটা হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
    প্রশাসন এ বিষয়ে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে দেশের কৃষিখ্যাত ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে জানান বিশিষ্টজনেরা।