Author: desk

  • খাগড়াছড়িতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ মাসুদ পারভেজ ও সম্পাদক কার্তিক ত্রিপুরা

    খাগড়াছড়িতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ মাসুদ পারভেজ ও সম্পাদক কার্তিক ত্রিপুরা

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি জেলা শাখা’র শিক্ষকের মর্যাদা জয় হোক” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো আজ ০৭জানুয়ারি রোজ শনিবার কাউন্সিল ও শিক্ষক সম্মেলন জেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সম্মেলনে মোঃ আনোয়ার হোসেনকে পরাজিত করে সভাপতি পদে মোঃ মাসুদ পারভেজ ও বিনা প্রতিদন্ধীতায় সাধারণ সম্পাদক পদে কার্তিক ত্রিপুরা, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুরেজ কুমার ত্রিপুরা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ নজরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

    উক্ত এ সময়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন’র সভাপতিত্বে
    কাউন্সিল ও শিক্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত প্রত্যাগত শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স’র চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদ-মর্যাদা) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর হচ্ছেন শিক্ষকেরা। শিক্ষকের গুরুদায়িত্ব হচ্ছে মানুষ গড়া। তারাই ভবিষ্যতের জন্য আগামী প্রজন্মকে তৈরি করেন। যে জাতি বা দেশের শিক্ষার অবকাঠামো ও শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ যত উন্নত, দেশ ও জাতি হিসেবে সার্বিকভাবে তারাই উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।

    খাগড়াছড়ি জেলা শাখা কমিটির আহবায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেনে’র সভাপতিত্বে এ সময় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পাথমিক শিক্ষক সমিতি’র জেলা আহ্বায়ক নিলোৎপল খীসা, জেলা প্রাথমিক অফিসার মোঃ শাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রহমান শাহীন প্রমুখ।

  • দাওয়াতে খায়ের ইজতেমায় যোগদিন আমল আখলাকের তালীম নিন- এম.বেলাল উদ্দিন আলমদার

    দাওয়াতে খায়ের ইজতেমায় যোগদিন আমল আখলাকের তালীম নিন- এম.বেলাল উদ্দিন আলমদার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    বিশিষ্ট সংগঠক এম.বেলাল উদ্দিন আলমদার তার এক বিবৃতিতে বলেন বিশ্বের অন্যতম আধ্যাতিক তরীকত ভিত্তিক মানবিক সংগঠন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও চন্দনাইশ উপজেলা শাখার যৌথ ব্যবস্থাপনায় চন্দনাইশ গাছবাড়ীয়া সরকারী কলেজ ময়দানে আগামী ১৩ জানুয়ারী-২৩ জুমাবার সকাল ৮ ঘটিকা হতে দাওয়াতে খায়ের ইজতেমা অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। উক্ত ইজতেমায় প্রত্যেক মুমিনের দৈনিন্দন জীবনে ওজু,নামাজ,গোসল,জানাজা,মৃত ব্যক্তির দাফন কাপন সহ দরসে কোরআন,দরসে হাদিস বিষয় ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের মাসালা মাসায়েলের উপর বয়ান তথা প্র্যাকটিক্যাল ভাবে দেখানো হবে।যা প্রত্যেক মুমিনের উপর জানা অতীব প্রয়োজন।উক্ত দাওয়াতে খায়ের ইজতেমায় জুমার নামাজ সহ দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা থাকবে।বিশিষ্ঠ সংগঠক এম.বেলাল উদ্দিন আলমদার গাউছিয়া কমিটির সদস্য ,দায়িত্যশীল,ছিলছিলার তরীকতরে ভাইয়েরা তথা ধর্মপ্রাণ সকল মুসলিম মিল্লাত কে ইসলামী শরীয়তের তালিমী জলছায় উপস্থিত থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে উভয় জাহানে নেকী হাসিল করার উদাত্ব আহবান জানান।উল্লেখ্য যে,উক্ত দাওয়াতে খায়ের মাহফিল টা পীরে বাঙ্গাল আওলাদে রাসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীকত হুজুর আল্লামা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবের শাহ মাঃজিঃ আঃ নির্দেশে চালু হয়ে বিভিন্ন স্থানে সাপ্তাহিক,মাসিকভাবে চলমান আছে।

  • ইসহাক কন্টেইনার ডিপো ও আদিলা এপারেলস ফায়ার সেফটি প্ল্যান না থাকায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

    ইসহাক কন্টেইনার ডিপো ও আদিলা এপারেলস ফায়ার সেফটি প্ল্যান না থাকায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের ইসহাক কন্টেইনার ডিপো এবং বারেক বিল্ডিং এলাকার বাংলাবাজারের আদিলা অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের একটি গার্মেন্টসে অভিযান চালিয়েছেন জেলা প্রশাসন এবং ফায়ার সার্ভিসের যৌথ টিম। এ সময় ফায়ার সেফটি প্ল্যান ও পর্যাপ্ত ফায়ার এক্সটিংগুইসার না থাকায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    গতকাল দুপুরের দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানের সময় ইসহাক ডিপোতে একটি লাইসেন্স বিহীন পেট্রোল পাম্প শনাক্ত করা হয়েছে। ডিপোটি গত ২২ বছর ধরে ব্যবসা করলেও ফায়ার সেফটি প্ল্যানের

    অনুমোদন বা বাস্তবায়ন কোনটিই করা হয়নি। এছাড়া সেখানে কয়েক হাজার কন্টেইনার থাকলেও ফায়ার এঙটিংগুইসার ছিল মাত্র ৩৫০টি। বলা যায় অগ্নিঝুকিতেই রয়েছে প্রতষ্ঠিানটি। যার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সাত দিনের ভিতর পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়।

    তিনি আরও বলেন, এছাড়া বাংলাবাজারের দোভাষ ঘাটের পাশে আদিলা অ্যাপারেলস লিমিটেড নামের গার্মেন্টসটিতে ফায়ার সেফটি প্ল্যান ও পর্যাপ্ত ফায়ার এঙটিংগুইসার, ভূ–গর্ভস্থ পানির ট্যাংক এবং বিকল্প এঙিট প্ল্যান পাওয়া যায়নি। যার কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধেই মূলত এমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যা পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে।

  • মধুপুরের কলা ও আনারস চাষী সমবায় সমিতির   ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    মধুপুরের কলা ও আনারস চাষী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা কলা ও আনারস চাষী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার (৮ জানুয়ারী) সকাল ১০.টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্ষন্ত মধুপুর বাস্টান্ড এলাকার অগ্রনী ব্যাংকের উপরে তিনতলায় এই ভোট গ্রহন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সমিতির মোট ভোটার সংখ্যা ১০৬জন। নির্বাচনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধন্দিতা করছেন। আর বাকী ৭ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় পাশ করেছেন বলে জানা যায়।
    নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। আাইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন মধুপুর থানার পুলিশ।

  • জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    জেলা যুবলীগের সভাপতি সুমন কুমার সাহার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দীন, সহ-সম্পাদক রাজু আহমেদ, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হাসানুল ইমাম রবিন, মেহেদী হাসান হিটলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তমাল আহমেদ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অশোক ঠাকুর, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন, পৌর যুবলীগের সভাপতি ইজাহারুল ইসলাম ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক অলিউজ্জামান বাপ্পি প্রমুখ।

  • সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা

    সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে ২০ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ১০টি পদে ২০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ (৮ই জানুয়ারী) সকাল ১০টায় পৌর শহরের অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে সকল প্রার্থীর মনোয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত আহবায়ক ও একুশে টিভির সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি আব্দুস সালাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্য সচিব ও দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম শ্যামল, সদস্য ও দৈনিক সোনলী খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ ফরিদ মিয়া, সদস্য ও গ্লোবাল টিভির জেলা প্রতিনিধি
    মিজানুর রহমান রুম্মান, সদস্য ও দৈনিক সুনামগঞ্জের সময় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নজরুল ইসলাম। সভাপতি পদে প্রার্থী একে মিলন আহমেদ, মোঃ শহীদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি পদে এম এ মোতালিব ভূইয়া, আবুল হোসেন শরীফ, মোঃ উস্তার আলী,মাহফুজুল রহমান সজীব, সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ আফজাল হোসেন, আবু হানিফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে মোশারফ হোসেন লিটন, তাজুল ইসলাম তারেক, বদরুজ্জামান বদরুল, আবু জাহান তালুকদার, সাংগঠনিক পদে আলী হোসেন, কল্যান ব্রত রিংকু চৌধরী, কোষাধ্যক্ষ পদে বিপলু রজ্ঞন দাস, মঈনুল হক, প্রচার সম্পাদক পদে আপ্তাব উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ শফিউল আলম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তুষার আহমেদ টিপু, নির্বাহী সদস্য আমিনুল ইসলাম জিল্লুর মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত পহেলা জানুয়ারি অনলাইন প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। ৮ই জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার এবং ১৫ ই জানুয়ারি শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ##

  • একজন সফল ইউপি সদস্য থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক

    একজন সফল ইউপি সদস্য থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার খাগডহর ইউনিয়নের একজন জনবান্ধব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক। তিনি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ইউপি সদস্য থেকে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি অধিক গুণে গুনান্বিত। ব্যক্তিগত জীবনে সৎ, নির্ভীক, জনদরদী এবং এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তিনি ৯নং ওয়ার্ডের জনগনের নির্বাচিত একজন সফল মেম্বার। ইউপি সদস্যর পাশাপাশি তিনি একজন সমাজসেবক ও রাজনৈতিক নেতা। যিনি ছাত্রজীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ কে বুকে ধারণ করে আওয়ামীলীগের রাজনিতির মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় গণমানুষের বিপদে পাশে থেকে নিজেকে একজন জনবান্ধব নেতা হিসাবে গড়ে তোলেছেন। মোঃ একরামুল হক করোনাকালীন সময়েও নিজস্ব অর্থায়নে ইউনিয়নবাসীর জন্য যে উন্নয়নমুলক কার্যক্রম চালিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রেখে একজন নিঃস্বার্থ মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রশংসিত হয়েছেন। তার মানবিক কর্মকান্ডের জন্য ৯নং ওয়ার্ড বাসীর হৃদয়ে স্হান করে নেওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সমস্যা জনিত কারণে পদটি শুন্য হওয়ায় পরিষদের সকল মেম্বাররা তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে সমর্থন করেন। বর্তমানে তিনি খাগডহর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

    ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে জীবনে ইউনিয়মবাসীর উন্নয়নে কি ভুমিকা পালন করেছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আমি ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছি প্রায় ১বছর হয়েছে। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে ১বছর হলেও অফিসিয়াল স্বাক্ষরের ক্ষমতা পেয়েছি মাত্র ২,মাস পুর্বে। এই সময়ের মাঝে আমাদের সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন ভাই এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, মক্তব, মসজিদ’র কাজ প্রায় ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। যাহা সকল উন্নয়মুলক কার্যক্রমের একমাত্র অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন ভাই।

    তিনি আরো জানান, শুধু তাই নয়, প্রতিটি ওয়ার্ডে স্কুল, মাদ্রাসা, গরীব মেয়ের বিয়ে পর্যন্ত সামাজিক ভাবে অনুদান দিয়ে থাকি। করোনাকালীন সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান, সাবান, হ্যান্ডস্যানিটাইজার, মাস্ক সহ নগদ টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে অনুদান দিয়েছেন।

    একরামুল হক আরো বলেন, আমাদের দলীয় হাইকমান্ড যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন ও ইউনিয়নবাসীর সমর্থন পাই তাহলে আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রয়েছে।

    প্রতিটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের সাধারণ জনগন জানান, একজন মানবিক, একজন সফল জনপ্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক। তিনি একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি, ইউনিয়নবাসীর কাছে মানবিক ইউপি চেয়ারম্যার হিসেবে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন। ইউনিয়নবাসীর হৃদয়ে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকবেন। এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন খাগডহর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগন।

  • ত্রিশালে এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে উপজেলা ভূমি অফিস এখন জনবান্ধব অফিস

    ত্রিশালে এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে উপজেলা ভূমি অফিস এখন জনবান্ধব অফিস

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রথমবারের মত ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা ভূমি অফিসে সব ধরণের জনদূর্ভোগ দুর হয়ে বর্তমানে জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। এতে অফিসের অতীতের চেয়ে সব ধরণের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। নেই জনগণের ভিড়, বস্তাবন্দী ফাইল, নেই কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি।

    সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, অফিসে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সেবা দেয়ার মননশীলতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে স্বচ্ছতা। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সততা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার কথা শোনা গেছে। ওনার কর্মতৎপরতা, ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের করে ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনা ও নামজারিসহ অন্যান্য সেবা এখন মিলছে খুব সহজেই। তাছাড়া উপজেলার কানিহারী ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও অভিযোগ ছিলো,তিনি দায়িত্বে আসার পর দীর্ঘ তদন্তে অবশেষে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সহকারী কর্মকর্তা ভূমির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ায় উপজেলা ব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি ।

    এছাড়াও অনুমোদিত মিউটেশন খতিয়ান গুলো পৌরসভা/ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মৌজা অনুযায়ী সাজিয়ে ভলিউম আকারে বাঁধাই করা হয়েছে। এতে যেকোন নাগরিক জমির খতিয়ান যাচাই বাছাই করতে পারাসহ জমি ক্রয়ের পূর্বে স্বত্ব যাচাই করতে চাইলে খতিয়ান বা নামজারি কেস নম্বর দিয়ে সহজেই যাচাই করতে পারছেন। কোর্ট ফি যাচাই করে আবেদনপত্র গ্রহণের ফলে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না। একজন সেবাগ্রহিতা অফিসের সততা স্টোরের নির্ধারিত মুল্যে আবেদন ও কোর্ট ফি কিনে নিতে নিতে পারছেন। অফিসের সামনেই টাঙানো হয়েছে সিটিজেন চ্যাটার এবং এসিল্যান্ড মহোদয়ের মুঠোফোন নাম্বার। এর মাধ্যমে সেবা গ্রহিতারা ভূমি অফিসের যেকোন নিয়ম-কানুন, খাজনা-খারিজ, পর্চা, রেকর্ড সংশোধন, জমি সর্ম্পকিত যাবতীয় তথ্য সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারছেন।

    এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, যোগদানের পর জাতীয় উন্নয়ন মেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন সংক্রান্ত গ্রহিত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। ভুমি অফিস দালাল ও ঘুষমুক্ত রাখার চেস্টা করছি। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কোন প্রকার হয়রানী ছাড়াই নাম জারী জমা খারিজ দেওয়া হচ্ছে । সরকার হচ্ছে জনগণের সেবক এবং আমরা সরকারে অংশ হিসাবে জনগণের ভূমি সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ নিশ্চিত করবো ইনশাল্লাহ

  • জয়পুুরহাট জেলা মাদক উদ্ধারে সারাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে:প্রশংসায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম

    জয়পুুরহাট জেলা মাদক উদ্ধারে সারাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে:প্রশংসায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    মাদক উদ্ধারে সারাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৩ উপলক্ষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মাদক উদ্ধারে জয়পুরহাট জেলা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করায় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার) পিপিএম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম এর হাতে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

    পার্শ্ববর্তি দেশ ভারত ও চেঁচরা সিমান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর ঘাট দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার পিস ফেন্সিডিল, মদ, গাঁজা, হেরোইন ও নেশাজাতীয় ইনজেকশন ব্যাপকভাবে চোরাইপথে জয়পুরহার জেলার বিভিন্ন এলাকায় এনে এসব মাদক স্থানীয়ভাবে বেচা-বিক্রিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাত এবং রাতদিন সমানে চলতো রমরমা মাদক ব্যবসা।

    এদিক ওদিক থেকে আসছে মোটরসাইকেল, হাত বাড়িয়ে টাকা দিচ্ছে, একই সঙ্গে তারা মাদকের পুটলি বুঝে নিচ্ছে। মাদক কারবারিরা ২৪ ঘন্টা জুড়ে হয়ে উঠেছিল সক্রিয়। যার কারণে বিভিন্ন সময় খবরের শিরোনামে থাকতো এই জেলা।

    পুলিশ সুপার হিসেবে জয়পুরহাটে মোহাম্মদ নূরে আলম যোগদান করার পর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে, স্থানীয় থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা টিমের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখে মাদক উদ্ধারসহ মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের আটক করে মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করে আসছে। যার ফলশ্রুতিতে মাদক উদ্ধারে সারাদেশের মধ্যে জয়পুরহাট জেলা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ছোট জেলা হিসেবে অন্য জেলাগুলোর সাথে কম্পিটিশনের মাধ্যমে এই অর্জন করে আমরা জয়পুরহাট জেলার জন্য বিরাট সন্মান বয়ে আনতে পেরেছি। জয়পুরহাট জেলার সকল পুলিশ অফিসার ও ফোর্সরা আন্তরিকভাবে কাজ করে বলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    এই অর্জনে জয়পুরহাট জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর সদস্য সচিব বাবু নন্দলাল পার্শী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলমসহ পাঁচটি থানার ওসি ও জয়পুুরহাট জেলার সকল পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,পুলিশ সুপার হিসেবে জেলাতে যোগদানের পরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক জেলা পুলিশের এই চৌকশ কর্মকর্তা পেশাদারিত্বের সাথে কাজ শুরু করে জয়পুুরহাট
    জেলাকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে আনার জন্য দিনরাত অবিরাম চেষ্টা করছেন এবং ইতিমধ্যে তিনি সফলতা পাচ্ছেন। ওনার কর্ম দক্ষতায় এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো রেখেছেন। এছাড়াও তিনি জেলার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, আদিবাসী সম্প্রদায় এবং প্রতিবন্ধীদের সকল বিবিধ বিষয়ে সহযোগিতা করছেন। আমার জেনেছি তিনি ইতিমধ্যে হতদরিদ্র ও শীতার্তদের মাঝে প্রায় পঁচিশ হাজার কম্বল বিতরণ বিতরণ করেছেন। এটি তার মানবিক দিক। কাজেই আমরা বলতেই পারি এই মানবিক পুলিশ সুপার এবং জেলা পুলিশ জয়পুরহাটের জন্য যে সন্মান বয়ে এনেছে তাতে আমরা গর্ববোধ করি।

    জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, এত বড় পুরস্কার আসলে সৌভাগ্যের ব্যাপার। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে স্যারকে নিয়ে আমরা গর্বিত।ওনার নেতৃত্বে শতভাগ নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আমরা আগামীতে দ্বিতীয় থেকে প্রথম স্থান অর্জন করবো ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এ জেলার সকল পর্যায়ের মানুষকে সর্বোচ্চ পুলিশি সেবা দেওয়ার চেষ্টা করব।

    এদিকে জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সুধীমহল পুলিশ সুপার ও জেলা পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে আরো সফলতা কামনা করেছেন।

  • আশুলিয়ার তৈয়বপুরে একটি খালের মাছের ঘের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের আশঙ্কা

    আশুলিয়ার তৈয়বপুরে একটি খালের মাছের ঘের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের আশঙ্কা

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর গ্রামের গজারিয়া একটি খালের মাছের ঘের নিয়ে দুই পক্ষের মাছের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় দুইপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, এ ঘটনায় যেকোনো সময় বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
    সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর গ্রামের নামায় গজারিয়া একটি খালে বিভিন্ন কোম্পানির নামে সাইনবোর্ড স্থাপন করে রাখা এবং বিভিন্ন প্রজেক্ট ও ব্যক্তির মালিকানা জমিতে স্থানীয় আলী দেওয়ানসহ তার লোকজন প্রথমে ১০জন মাছের ঘের করেন, কিছুদিন ভোগদখল করে রাখার পর নিজেদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় তাদের মধ্যে বিবাদ নিয়ে মারপিট এর ঘটনাও ঘটে। এরপর উক্ত খালে সোহেল তালুকদার নামের এক প্রভাবশালী আরও একটি গ্রুপ যোগ হয়ে তাদের দখলে নিয়েছেন মাছের ঘেরটি। এ ব্যাপারে দুই পক্ষ আশুলিয়া থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    উক্ত ব্যাপারে অভিযোগকারী আলী দেওয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, গজারিয়া খালে কোম্পানি ও বিভিন্ন মালিকের কাছ থেকে তিন বছরের চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে তারা ১০জন অনেক কষ্ট করে মাছের ঘের করেন, এই ঘের পরিচালনার জন্য ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আলী দেওয়ান তার নামে একটি ট্রেড লাইসেন্স করেন কিছুদিন আগে, এই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে আবার লাইসেন্সটি মেয়াদ বাড়ানো হয় বলে ভুক্তভোগী আলী দেওয়ান জানান। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করে আশুরিয়া ইউনিয়নের টঙ্গাবাড়ির বাসিন্দা সোহেল তালুকদার ও তার লোকজন এসে সেখানে থাকা লোকজনকে মারপিট করে মাছের ঘেরটি দখল করে নিয়ে ১০জনের ভেতর জাহিদ হাসান জিতু অন্যতম তাকেও জোরপূর্বক একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে ভয়-ভীতি পদর্শন করেন তার লোকজন এই ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জিতু।
    এ ব্যাপারে বর্তমানে দখলে থাকা সোহেল তালুকদারের লোকজনের মধ্যে নাজিম বলেন, সোহেল তালুকদার এই ঘেরের মালিক, আর আলী দেওয়ান এই ঘেরে কর্মচারী ছিলেন। সে গোপনে ট্রেড লাইসেন্স তার নামে করে এই ঘেরের মালিক দাবী করেছেন। আলী দেওয়ানকে বছর চুক্তিতে কর্মচারী হিসেবে রাখা হয়, সে মাছ বিক্রি করে হিসাব না দেওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়। তার সহযোগী নাহিদও হিসাব দিতে ব্যর্থ হয়। তারা আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেছি, এ ব্যাপারে শনিবার বিকেলে থানায় বসার কথা রয়েছে। সোহেল তালুকদারের পক্ষে রনি নামের একজন বলেন, উত্তরণ কোম্পানির ৪০শতাংশ মালিক সোহেল তালুকদার কিন্তু আলী দেওয়ানের এখানে কোনো জমি নেই বলে দাবী করেন। আলী দেওয়ান যে অভিযোগ করছেন এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে রনি জানান।
    উক্ত বিষয়ে আশুলিয়া থানার ইন্টেলিজেন্স কার্যক্রম (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন থানায়, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান। অন্যদিকে র‌্যাব জানায়, ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুরের শেষ সীমান্তে উক্ত এলাকায় মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সেই সাথে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই এলাকার সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে। তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও র‌্যাব জানান।