Author: desk

  • মৌলভীবাজার আনসার ব্যাটালিয়নের মাসিক দরবা-র অনুষ্ঠিত

    মৌলভীবাজার আনসার ব্যাটালিয়নের মাসিক দরবা-র অনুষ্ঠিত

    ।।এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের কালাপুরে অবস্থিত আনসার ব্যাটালিয়ন ২৪ বিএন-এর মাসিক দরবার প্যারেড সম্প্রতি ব্যাটালিয়নের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ও পরিচালক মোঃ এনামুল খাঁন বিভিএমএস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রতি নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দরবারের কার্যক্রম শুরু হয়। দরবারে ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মোঃ জাহিদ হোসেন আগস্ট মাসের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডের একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিচালক মোঃ এনামুল খাঁন বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ও উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। আমাদের ব্যাটালিয়নের উন্নয়নের জন্য আমি সকল সদস্যকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানাই। তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের জানমাল সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই দায়িত্ব পালনে আমাদের সকলকে আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে করতে হবে। তিনি বলেন, ব্যাটালিয়নের উন্নতির জন্য আপনাদের যে কোনো গঠন মূলক মতামত অত্যন্ত মূল্যবান। আমি আপনাদের দেওয়া মতামতগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিচ্ছি। ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরিচালক বলেন, “সুস্থ শরীর ও মন নিয়েই আমাদের কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অবদান রাখা সম্ভব। আমি চাই, আমাদের প্রতিটি সদস্য যেন শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ থেকে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারে। অনুষ্ঠানে ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে, ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ডার মোঃ রাফিউল ইসলাম কাঞ্চন পরিচালকের কাছ থেকে দরবার প্যারেড সমাপ্ত করার অনুমতি নেন। এ সময় আনসার ভিডিপি সংগঠনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী,ব্যাটালিয়ান সদস্য ও মিডিয়া কর্মী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ধামইরহাটে বিএনপি’র আয়োজনে ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আ-লোচনা সভা ও র‌্যা-লী

    ধামইরহাটে বিএনপি’র আয়োজনে ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আ-লোচনা সভা ও র‌্যা-লী

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

    পতিত আওয়ামীলীগ ও হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার পঙ্গপালেরা দেশকে নিয়ে বিভিন্ন শড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা একজন জামায়াতের কর্মী হয়ে গেছে, আর জামায়াতের নেতাকর্মীরা যেন বেহেস্তের চাবি নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন, তাদের থেকে নেতাকর্মী ও জনগণকে সজাগ থাকতে হবে, জনগণকে ধোকা দিয়ে ধর্ম বিক্রি করে হলেও জামায়াত বিএনপি’র বিরুদ্ধাচরণ করছেন, আর সময় নেই, আগামীকাল থেকে নির্বাচনের মাঠে নেমে যান, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিই আগামীতে সরকার গঠন করবে, ইনশাআল্লাহ।
    বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সামসুজ্জোহা খান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

    ধামইরহাট উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর বিএনপি’র সভাপতি শহিদুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হানজালার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নওগাঁ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ই আলম মিঠু, বিশেষ অতিথি জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল আলম গোল্ডেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গীর আলম লিটন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এম এ ওয়াদুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জনতার চেয়ারম্যান শামিম কবির মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম রাঙ্গা, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান মীর, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি মাজেদা বেগম, উপজেলা মহিলাদলের সভানেত্রী সেলিনা আকতার, পৌর বিএনপি’র মহিলা বিষয়ক সহ সম্পাদিকা শাহিনা ইয়াসমিনসহ উপজেলা বিএনপি’র অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খানের নেতৃত্বে একটি বিশাল র‌্যালী উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি।

  • গোদাগাড়ীতে বিএনপির দুপক্ষের সংঘ-র্ষ- ১৪৪ ধারা জা-রি

    গোদাগাড়ীতে বিএনপির দুপক্ষের সংঘ-র্ষ- ১৪৪ ধারা জা-রি

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছেন। পৌরসভা এলাকায় দুই দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    আহতরা হলেন, পৌরসভার যুবদলের আহ্বায়ক, সাবেক কাউন্সিল মাহবুবুর রহমান বিপ্লব, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মোঃ নাসির উদ্দিন বাবু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ রানা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম ও পৌর ছাত্রদলের নাদিম।

    গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ জারি করেন। এতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে ও বুধবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত পৌরসভা এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

    জানা গেছে, বুধবার পৌরসভা এলাকার মহিষালবাড়িতে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরীফ উদ্দিনের অনুসারীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। কাকনহাট পৌরসভা বিএনপির ব্যানারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিল শরীফ উদ্দিন।

    অন্যদিকে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি বুধবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলাদা কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। এ অনুষ্ঠানে অতিথি থাকার কথা চিল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর এডভোকেট সুলতান ইসলাম তারেক, ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল, ব্যারিস্টার মাহফুজুল হক মিলন, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সালাম বিপ্লব।

    মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠান প্রস্তুতির সময় শরীফ উদ্দিন গ্রুপের অনুসারীরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, বিএনিপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পালন কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের উত্তেজনা ও সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে শান্তি বজায় ও আইন শৃঙ্খলা রাক্ষর্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ জানান, বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা হতে বুধবার রাত ১২ পর্যন্ত পৌরসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। গোদাগাড়ী পৌর এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক ,
    রাজশাহী।

  • আনসার ও ভিডিপি’র মহাপরিচালক কুমিল্লা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করলেন

    আনসার ও ভিডিপি’র মহাপরিচালক কুমিল্লা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করলেন

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি সম্প্রতি কুমিল্লা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেছেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আনসার ব্যাটালিয়ন (১৫ বিএন), আনসার ভিডিপি কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কুমিল্লা রেঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা রেঞ্জ কমান্ডার পরিচালক মোহাঃ মাহবুবুর রহমান, পিএএমএস, পিভিএমএস সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আনসার ব্যাটালিয়নের (১৫ বিএন) পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ব্যাটালিয়নের পরিচালক মো. জানে আলম সুফিয়ান, পিএএমএস, পিভিএমএস তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে “গার্ড অব অনার” প্রদান করে। এরপর মহাপরিচালক চলমান উপজেলা আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণে (১ম ধাপ) প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য সবাইকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি বাহিনীর বিভিন্ন কর্মমুখী ও আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশের টেকসই উন্নয়নে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান।

    পরিদর্শন শেষে তিনি ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গোলাপজাম গাছের চারা রোপণ করেন। দেশ, জাতি ও বাহিনীর সার্বিক উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে এ পর্বের সমাপ্তি ঘটে। এরপর মহাপরিচালক ব্রাহ্মণবাড়িয়া আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থাপনা এবং আধুনিক অস্ত্রাগার পরিদর্শন করেন। এ কার্যালয়ের প্রাঙ্গণেও তিনি একটি গোলাপজাম গাছের চারা রোপণ করেন। সফরের শেষ অংশে মহাপরিচালক কুমিল্লা রেঞ্জ কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি চলমান উপজেলা আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণের (১ম ধাপ) সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। তিনি আনসার-ভিডিপি সদস্যদের নিজস্ব সক্ষমতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে জাতির সেবায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, যোগ্য সদস্য নির্বাচন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তোলার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মহাপরিচালক বাহিনীর ‘সঞ্জীবন প্রকল্প’-কে একটি উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হিসেবে উল্লেখ করেন, যা প্রান্তিক পর্যায়ের সদস্যদের জীবিকা ও কর্মসংস্থান উন্নয়নে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, “সঞ্জীবন প্রকল্প কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে জাগ্রত করবে এবং দারিদ্র্যের শৃঙ্খল ছিন্ন করে সমাজকে মুক্তির পথে এগিয়ে নেবে। পরিদর্শন শেষে মহাপরিচালক রেঞ্জের সকল প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকা এবং আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনের সমাপ্তিতে তিনি কুমিল্লা রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এই সকল অনুষ্ঠানে বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মচারী, ব্যাটালিয়ন আনসার, ইউনিয়ন দলনেতা ও দলনেত্রী, সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি সদস্যসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

  • নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সদস্য ফকরুল আলমের নেতৃত্বে প্র-তিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সদস্য ফকরুল আলমের নেতৃত্বে প্র-তিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন ব্যানারে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব প্রদান করেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির একজন সদস্য ও নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মো. ফকরুল আলম।

    বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সুটিয়াকাঠি বাজার থেকে র‍্যালি শুরু হয়ে স্বরূপকাঠি বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ফেরিঘাট সংলগ্নে আলোচনা সভায় সমবেত হয়। এই দিনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে তুলে ধরে দলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যের আহ্বান জানায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    ফকরুল আলম বলেন, “নেছারাবাদের মাটি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। এখানে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে, আর সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিএনপি প্রস্তুত।”

    বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষকদের মতে, পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি, জামাত এবং এনসিবির মধ্যে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ফকরুল আলমের সক্রিয়তা ইতোমধ্যে জনগণের মধ্যে ব্যস্ততা সৃষ্টি করেছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের মধ্যে কোন ধরনের বিভাজন চাই না। আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক। অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা জনগণের পাশে থেকে তাদের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছি।”

    ফকরুল আলম নির্বাচনী অঙ্গীকার ঘোষণা করতে গিয়ে জানান, যদি তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় এবং জনগণ নির্বাচিত করেন, তাহলে তিনি নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া উপজেলায় আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ঋণ প্রদান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে গুরুত্ব দেবেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, “দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির কোন বিকল্প নেই।” জনসাধারণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, ফকরুল আলমের জীবনযাপন ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে পিরোজপুর-২ আসনে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

    এদিকে, নেছারাবাদে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজনটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি মহড়ারূপে পরিণত হয়েছে। বিএনপি নেতাদের মধ্যে ঐক্য এবং জনগণের সমর্থন নিয়ে তারা কার্যক্রমে অগ্রসর হচ্ছে।

    আলোচনা সভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন, যা দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্যের প্রতিফলন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি ।।

  • নেছারাবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ-যাপন

    নেছারাবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ-যাপন

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) উপজেলার মিয়ারহাট ফজিলা রহমান মহিলা কলেজের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সংগঠনে একটি বৃহৎ সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় নেতারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে শ্রদ্ধার সহিত তুলে ধরেন এবং কাজের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে ও দলের শক্তি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, “বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।”

    এ উপলক্ষে সাবেক আহবায়ক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ তার বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই দিনে আমরা একত্রিত হয়েছি আমাদের প্রতিষ্ঠার আদর্শ ও দলীয় ঐতিহ্য স্মরণ করার জন্য। বিএনপি কেবল রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি দেশের গণতন্ত্র এবং মানুষের স্বার্থের প্রতীক। সকল নেতাকর্মীকে বলব, একসাথে কাজ করতে এবং আমাদের মূলনীতিগুলি প্রতিষ্ঠার জন্য আরও সক্রিয় হতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সব সময় সাধারণ মানুষের পক্ষে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের উদ্দেশ্য হল দেশের উন্নতি ও গণতন্ত্রের সুরক্ষা করা। আসুন আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করি যাতে দেশের জনগণের স্বার্থে আমাদের উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি।”

    অথবা, ওয়াহিদ তার বক্তব্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শের প্রতি মর্যাদা প্রদানের গুরুত্বও আলোচনা করেন এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও নৈতিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    সভা শেষ হলে একটি আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়, যা মিয়ারহাট-ইন্দুরহাট বাজারের প্রধান সড়ক ধরে বের হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা দলের স্বার্থে নানা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড বহন করে।

    এছাড়া, বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা স্পষ্ট দেখা যায়।

  • বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পুঠিয়ায় বর্ণা-ঢ্য র‍্যালি ও আলো-চনা সভা

    বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পুঠিয়ায় বর্ণা-ঢ্য র‍্যালি ও আলো-চনা সভা

    পুঠিয়া   (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর আয়োজনে এক আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ) বিকালে পুঠিয়া উপজেলা চত্বরে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক। পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।

    সভা শেষে একটি বিশাল র‍্যালি বের করা হয়, যা পুঠিয়া উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে ত্রিমোহনী বাজার ঘুরে কাঁঠালবাড়িয়া মোড়ে নজরুল ইসলাম মন্ডলের ডাল মিলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। 

    উক্ত আলোচনা সভা ও র‌্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনে এমপি পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও রাজশাহী জেলা বিএনপি সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম মন্ডল, 

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনঃ পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনে এমপি পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল সদস্য মোছাঃ মাহমুদা হাবিবা, পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনে এমপি প‌দে ম‌নোনয়ন প্রত‌্যাশী ও রাজশাহী জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, সভাপতি মোঃ রুকুনুজ্জামান আলম, পুঠিয়া-দূর্গাপুর-৫ আসনে এমপি প‌দে ম‌নোনয়ন প্রত‌্যাশী ও  মোঃ ইসফা খায়রুল হক শিমুল, পু‌ঠিয়া উপ‌জেলা বিএন‌পি ও  পু‌ঠিয়া পৌরসভা সা‌বেক‌ মেয়র মোঃ আল মামুন খান প্রমুখ্যা

    আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিএনপি এবং সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। #

    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 

    পুঠিয়া, রাজশাহী 

  • ৫০ বছর পর বেদ-খলে থাকা ৪ একর জমি বুঝে পেল কোটালীপাড়া থানা পুলিশ 

    ৫০ বছর পর বেদ-খলে থাকা ৪ একর জমি বুঝে পেল কোটালীপাড়া থানা পুলিশ 

    কে এম সাইফুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বেদখল থাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার ৪ একর ৭ শতাংশ জমি অবশেষে বুঝে পেয়েছে পুলিশ। 

    গত শনিবার (৩০ আগস্ট) থানার জমি অবৈধভাবে দখল করে থাকা ১৩টি পরিবার জমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) কোটালীপাড়া থানা তাদের জমি বুঝে পায়। 

    জানা গেছে, স্বাধীনতার পর থেকে কোটালীপাড়া থানা ভবনের পাশের পরিত্যক্ত জমিতে আশ্রয় নিয়ে বসতবাড়ি গড়ে তোলে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার। আশ্রয়কৃত পরিবারগুলো তখন থানার  বাবুর্চি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে দিনমজুরিতে কাজ করতেন। আশ্রয় নেওয়ার কয়েকবছর  পর থেকে তাদের আত্মীয় স্বজনেরাও থানার জমি দখল করে বসতবাড়ি গড় তোলে। বেশ কয়েক বছর আগে থেকে থানা কর্তৃপক্ষ কয়েকবার তাদের নোটিশ করে জমি ছেড়ে দিতে। কিন্তু বিগত দিনে তারা জমি না ছাড়তে গড়িমসি করে। কিছুদিন আগে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ তাদের সঙ্গে আলোচনা করে জমি ছেড়ে দিতে বললে তারা গত শনিবার দখল করা জমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে মঙ্গলবার কোটালীপাড়া থানা পুলিশ তাদের বেদখল থাকা ৪ একর ৭ শতাংশ জমি বুঝে পায়। 

    এবিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের জমি দীর্ঘদিন পরে বুঝে পেয়েছি। এতে করে আমাদের থানার আরও ৪ একর জমি আমাদের কাছে ফিরে এলো। আমাদের ফোর্সের আবাসন সংকট রয়েছে। যার ফলে আমাদের পুলিশ সদস্যরা মানবেতর দিনপার করছে। জমি সংকট ও বেদখল থাকায় আমরা ভবন তৈরি করতে পারছি না। এখন জমি যেহেতু আমরা বুঝে পেয়েছি আমাদের সদস্যদের জন্য আবাসস্থল সহ প্রয়োজনীয় কাজে জমি ব্যবহার করতে পারবো।

  • মুকসুদপুরে প্রেমিকের সাথে পা-লিয়েছেন স্ত্রী, বিচা-রের দাবি-তে ভুক্ত-ভোগী স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

    মুকসুদপুরে প্রেমিকের সাথে পা-লিয়েছেন স্ত্রী, বিচা-রের দাবি-তে ভুক্ত-ভোগী স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

    কে এম সাইফুর রহমান,
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    সিঙ্গাপুর প্রবাসী শেখ ফরিদ ইকরামের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে প্রতারক স্ত্রী ফাতেমা আক্তারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী স্বামী সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

    আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব (বিজেসি) দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রধান কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী স্বামী (সিঙ্গাপুর প্রবাসী) শেখ ফরিদ ইকরাম বলেন, আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছি। আমি সিঙ্গাপুরে কর্মরত থাকাকালীন অবস্থায় বাংলাদেশে এসে গত ১৭/১২/২০১৮ ইং তারিখে আমার স্ত্রীর আপন মামাতো ভাই মোঃ আরিফুল ইসলামের মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম নিবাসী মৃত আবুল বাসার মুন্সি ও রেশমা বেগমের সেজ মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৩২) এর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমি সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন প্রতারক ফাতেমা আক্তার বাংলাদেশের মাসুদ রানা (৩৮), পিতা মাহবুব, সাং- রহমান ভিলা, গ্রেটওয়াল সিটি গাজীপুর চৌরাস্তা এর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন। আমি সিঙ্গাপুর থেকে গত ০৬/০৮/ ২০২৪ ইং তারিখে বাংলাদেশে ছুটিতে আসি। দেশে আসার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার পশ্চিম নওখন্ডা গ্রামে আমার নিজ বাড়িতে বসে আমার শালা, শালি, ভাইরা এবং আমার বৌয়ের বড় বোন রিমা আক্তারের কাছে গাজীপুরে থাকা আমার শ্বশুরের বাড়ির পাশে ৩ কাঠা জমি ক্রয়ের জন্য নগদ ২০ লক্ষ টাকা অগ্রিম বায়না দেই। তারা জমি না কিনে আমার কষ্টার্জিত পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেছেন। পরবর্তীতে, আমি জমির বিষয়ে মীমাংসা করার জন্য গাজীপুরে শ্বশুরবাড়িতে যাই। এ সময় আমার স্ত্রী আমার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আমি বাড়ি থেকে যাওয়ার পরে সে তার পরকীয়া প্রেমিক মাসুদ রানার সঙ্গে পালিয়ে যায়। এ সময় সে আমার ঘরে থাকা নগদ এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা সহ প্রায় আনুমানিক ৫ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় আমার মায়ের চিৎকারে অন্যান্য সাক্ষীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আমার স্ত্রীকে বাড়ির বাহিরে না যাওয়ার অনুরোধ করে তাকে বাঁধা দিয়ে ব্যর্থ হন। পরে সে সকলের বাঁধা অমান্য করে পরকীয়া প্রেমিক মাসুদ রানার সাথে পালিয়ে যায় বলে নিশ্চিত হয়েছি।

    একজন প্রবাসী হিসাবে সরকারের নিকট আমার আকুল আবেদন আমার কষ্টার্জিত খোয়া যাওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং অন্যান্য মালামাল যেন দ্রুত ফেরত পাওয়া সহ অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

    এ সংক্রান্তে ভুক্তভোগী মুকসুদপুর আমলী আদালতে দুইটি পিটিশন মামলা দায়ের করেছেন। যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী।

  • কোটালীপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরি-দর্শন শেষে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ

    কোটালীপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স পরি-দর্শন শেষে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন ইউএনও মাসুম বিল্লাহ

    কে এম সাইফুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম বিল্লাহ (অঃ দাঃ) গতকাল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবন পরিদর্শনের পর প্রাণ ফিরে পেয়েছে ভবনটিতে।

    আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পূনরায় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে বীর সন্তানদের ব্যাবহার অনুপোযোগী আসবাবপত্র গুলোর সংস্কার পরিবর্তন পরিবর্ধন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা – সেখ আঃ মান্নান, মোদাচ্ছের হোসেন ঠাকুর, তৈয়াবুর রহমান সরদার, আবুল কালাম আজাদ, আলাউদ্দিন তালুকদার, দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস সহ অন্যান্য বীর সৈনিকেরা উপস্থিত ছিলেন।