Author: desk

  • ফুলপুরে ইউএনও’র মানবিকতায় খুশী প্রতিবন্ধী যুবক ও তার পরিবার

    ফুলপুরে ইউএনও’র মানবিকতায় খুশী প্রতিবন্ধী যুবক ও তার পরিবার

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মানবিকতায়
    কপাল খুলল ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নের পশ্চিম বাশাটি গ্রামের শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী নাজিমের। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে দেয়া হয়েছে একটি হুইল চেয়ার।

    সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা সমাজসেবা অফিস ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থায়নে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে তাকে চেয়ারটি প্রদান করা হয়।

    এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে অবগত হয়ে নাছিম হোসাইন নামে ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধীকে একটি হুইল চেয়ার দিয়েছেন ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এম সাজ্জাদুল হাসান।

    নাছিম উপজেলার ছনধরা ইউনিয়নের পশ্চিম বাশাটি গ্রামের আব্দুল জলিল ও নাছিমা খাতুনের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার বড় ছেলে।

    নাছিমের মা জানান, প্রতিবন্ধী নাছিমের জন্য তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একটি হুইল চেয়ার দাবি করে আসছিল।

    অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেখে উপজেলা প্রশাসন এগিয়ে আসায় খুশি হয় নাছিম ও তার পরিবার।

    ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম সাজ্জাদুল হাসান বলেন, হত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের উপকার করাই আমাদের কাজ। নাছিমের জন্য কিছু করতে পেরে ভাল লাগছে। তবে এটাই শেষ নয়, এ ধরনের নাছিমদের পাশে উপজেলা প্রশাসন সবসময়ই আছে এবং থাকবে।

    এসময় ফুলপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্য্যন আতাউল করিম রাসেল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত রায়, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শিহাব উদ্দিন খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হুমায়ুন কবীর, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এ এস এম আনোয়ার হোসেন ও রূপসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ সুলতান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    বিশ বছর পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’র মানবিকতায় হুইল চেয়ার পেয়ে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি খুশীতে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রতিবন্ধী যুবক ও তার পরিবার।।

  • শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলার জনগন ভালো থাকে-ভাবখালীতে যুবলীগ নেতা এইচ এম ফারুক

    শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলার জনগন ভালো থাকে-ভাবখালীতে যুবলীগ নেতা এইচ এম ফারুক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহঃ অষ্টগুরু সামাদ পাগল দস্তগীর এর স্মরনে প্রতিষ্ঠিত খাজা বাবা দায়রা শরীফ এর উদ্যোগে মিলাদ,দোয়া ও বিশাল বাউল সংগীতানুষ্ঠানের করা হয়। রবিবার (১৫ই জানুয়ারী) ভাবখালী বড় বাড়ী সংলগ্ন মাঠে রাত ১০টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক বলেন- গ্রামবাংলার ঐতিহ্য তথা দেশীয় সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য আমরা বেশী বেশী করে বাউলগান পালাগান শুনব।

    ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাউল সঙ্গীতানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আগত ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে এইচ এম ফারুক আরো বলেন আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন,কেননা তিনি ভালো থাকলে বাংলার জনগন তথা ১৭ কোটি মানুষ ভালো থাকে।এখন বাউলগান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কোন বোমাবাজি হয় না, মানুষ আতঙ্কে থাকে না।শেখা হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উত্তরোত্তোর উন্নয়ন অব্যহত থাকে।

    জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মী আরিফ রব্বানীর সঞ্চালনায় এবং অষ্টগুরু সামাদ পাগল দস্তগীর এর স্মরনে প্রতিষ্ঠিত খাজা বাবা দায়রা শরীফ এর ভক্ত আশেকান রবিউল সানি (রবি পাগল) ও মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও অষ্টগুরু সামাদ পাগল দস্তগীর এর স্মরনে প্রতিষ্ঠিত খাজা বাবা দায়রা শরীফ সুতিয়াখালীর প্রতিষ্ঠাতা ফকির মোঃ উসমান (গনি পাগল) ও ঠিকাদার মোঃ আব্দুল হাসিম এর সার্বিক তত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাউলগান শোনার জন্য আশপাশের ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে প্রচুর নারীপুরুষ ভিড় জমায়। এর আগে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া করা হয়।।এসময় জাতীয় শ্রমিকলীগ কোতোয়ালি শাখার সদস্য আল আমিন,ভাবখালী ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক জুয়েল মিয়া,সদস্য সচিব জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ,দলীয় নেতাকর্মী,ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

  • নৌকাই করে অসহায় ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষগুলোকে কম্বল দিলেন লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার

    নৌকাই করে অসহায় ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষগুলোকে কম্বল দিলেন লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ লক্ষ্মীপুরে ভাসমান জেলেদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করেছেন লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার।

    সোমবার (১৬ জানুয়ারি)দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরী ঘাট এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক অসহায় দরিদ্র জেলেদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় এসপি নৌকাই করে প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের হাতে কম্বল, সোয়েটার ও চাদর পৌঁছে দিয়েছেন।

    শীতবস্ত্রবিতরণের সময় পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) সভানেত্রী সেলিনা মাহফুজ।

    এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআইও-১ একেএম আজিজুর রহমান মিয়া, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) প্রশাসন প্রবীর কুমার দাস ও লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মোসলেহ উদ্দিন।

    পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ্জামান আশরাফ জানান, দিন দিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। অসহায় মানুষগুলোর কথা চিন্তা করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।

    এর আগে গতকাল গভীর রাতে
    লক্ষীপুর পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে অসহায় দুস্থ ও ভেদে পল্লীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তা।

  • ভেজাল বীজে ক্ষতিগ্রস্ত শৈলকুপার পেঁয়াজ চাষিদের বিক্ষোভ

    ভেজাল বীজে ক্ষতিগ্রস্ত শৈলকুপার পেঁয়াজ চাষিদের বিক্ষোভ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভেজাল পেঁয়াজ বীজ কিনে ক্ষতিগ্রস্ত পেঁয়াজ চাষিরা প্রতারক বীজ ব্যবসায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপুরনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। রোববার দুপুরে শৈলকুপা থানা ও উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক চাষি বিক্ষোভ করে। তাদের অভিযোগ অসাধু বীজ ব্যবসায়ীরা উচ্চফলনশীল বলে ভেজাল পেঁয়াজ বীজ বিক্রি করেছেন। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বীজ চার হাজার টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা দরে তারা কিনেছেন। এই ভেজাল ও নি¤œমানের বীজ কিনে কৃষকরা চারা তৈরি করে ক্ষেতে লাগানোর পর চারা মরে গেছে। এতে চাষিদের বিঘা প্রতি ২০ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা করে ক্ষতি হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলার মহিষাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক বিজন বিশ^াস বলেন, আমি ৭ হাজার টাকা কেজি করে ১২ কেজি বীজ কিনেছি। আমাকে বলা হয়েছে ভারতীয় লালতীর জাতের পেয়াজ। কিন্তু পেঁয়াজ লাগানোর পর গাছ মরে গেছে। আমরা খুব ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। ধাওড়া গ্রামের মোকাদ্দেস আলী বলেন, আমি ৩ কেজি বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের আশরাফ মাস্টার, জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজু আহম্মেদসহ বেশ কয়েকজন কৃষকদের সাথে এই প্রতারণা করেছে। আমরা এই প্রতারকদের শাস্তি ও আমাদের ক্ষতিপুরণ দাবী করছি। মোকাদ্দেস আরও বলেন, চাষের সময় পার হয়ে গেছে। এখন নতুন করে চারা তৈরি করে চাষ সম্ভব নয়। প্রতারক বীজ ব্যসায়ীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান খান বলেন, কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতারণার বিষয় সঠিক হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • ঝিনাইদহে শিক্ষা উপকরণের মুল্য বৃদ্ধিতে দিশেহারা অভিভাবক সমাজ – ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রতিবাদের বজ্রমুষ্টি হাত আর ওঠে না

    ঝিনাইদহে শিক্ষা উপকরণের মুল্য বৃদ্ধিতে দিশেহারা অভিভাবক সমাজ – ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রতিবাদের বজ্রমুষ্টি হাত আর ওঠে না

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    মিঠু শেখ পেশায় দিনমজুর। সারাদিন কাজকর্ম করে যে টাকা তিনি আয় করেন তা দিয়ে সংসার চালিয়ে কলেজ পড়–য়া মেয়ে ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া ছেলের পড়া-লেখার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। দেশে খাদ্য সামগ্রীর মূল্যের সাথে পাল্লা দিয়ে যে হারে শিক্ষা সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে তাতে করে ছেলে-মেয়ের পড়া-লেখার খরচ চালিয়ে সংসরা চালনো তার পক্ষে দায় হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন মিঠু শেখ। তিনি বলেন, এক বছর আগে যে খাতা ৭০টাকা দিয়ে কেনা হতো, এখন সেই খাতা কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকায়। ঝিনাইদহ সরকারী কেসি কলেজের অর্নাস প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রায় এক বছর আগে যখন অর্নাসে ভর্তি হয়েছিলামত তখন বই, খাতা, কলমসহ অন্যান্য সামগ্রীর যে মূল্য ছিলো তা এখন অনেক বেড়েছে। এ জন্য দরিদ্র পরিবার থেকে খরচ জোগাতে হিমসিম খাচ্ছে। না পারছি বলতে না পারছি পড়া-লেখা ছেড়ে দিতে। দিনমজুর মিঠু শেখ বা শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদের মতো হাজারো শিক্ষার্থী ও অভিভাবক শিক্ষা উপকরণের মুল্য বৃদ্ধির ফলে পড়েছেন বিপাকে। রং পেন্সিল থেকে শুরু করে, বই, খাতা, কলম, ব্যবহারিক খাতা, ক্লিপ বোর্ড, জ্যামিতি বক্স সহ সকল পণ্যে দাম বাড়লেও ছাত্র সংগঠনগুলো নীরব ভুমিকা পালন করছে। আগে রাজপথে “বই খাতা ককলমের দাম কমাতে হবে কমিয়ে নাও” এমন শ্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানানো হতো। এখন ছাত্র রাজনীতির নামে লেজুড়বৃত্তি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের কোন ভুমিকা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এদিকে কাগজের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব চেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। যেখানে একটি শিক্ষার্থীর পেছনে একজন অভিভাবক মাসে দুই হাজার টাকা ব্যয় করতেন বর্তমানে সেখানে শিক্ষায় ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়ার কারণে সেই অভিভাবককে মাসে আরো এক হাজার টাকা বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে চাপ বাড়ছে সংসারে। ঝিনাইদহের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, ষ্টেশনারি ব্যবসায়ী ও লাইব্রেরি মালিকদের সাথে কথা বলে শিক্ষা সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির এ চিত্র উঠে এসেছে। তারা বলেন, বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃয় হয় বসুন্ধরা. ফ্রেস ও গুডলাক কোম্পানির পণ্য। কাগজ ব্যবসায়ী রাজিব হোসন জানান, গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে বাজারে কাগজের মুল্য বৃদ্ধি শুরু হয়। অক্টোবরের আগে ডিমাই ২১/৩৪ সাইজের কাগজের দাম ছিল ২২০ টাকা। এখন সেই কাগজ বিক্রি হচ্ছে ৪১০ টাকায়। ডিমাই ২২/৩৫ সাইজের কাগজের দাম ছিল ৩২০ টাকা। এখন বিক্রি ৫১০ টাকা। ২০০ পাতার খাতা ৪২০ টাকা ডজন ছিল। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা। পত্রিকার জন্য নিউজপ্রিন্ট এক রিম কাগজের দাম ছিল ৬৫০ টাকা এখন ১৪০০ টাকা। ছাপাখানার জন্য ২৩/৩৬/৫৫ কাগজ ছিল ১২২০ টাকা রিম। এখন সেই কাগজ বিক্রি হচ্ছে ২৩০০ টাকায়। স্টেশনারি ও কম্পিউটার আইটেমর মালামালও কোন কোন ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৪০% বৃদ্ধি হয়েছে বলে রাজিব হোসেন জানান। অভিযোগ রয়েছে কাগজ কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছেমত দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কাগজের বাজার নিয়ন্ত্রনের কোন উদ্যোগ নেই বরং পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ব্যবহারিক খাতার দাম। শিক্ষা মেলার মালিক আব্দুস সবুর জানান, করোনা ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে কাগজের বাজা উর্ধ্বমুখী। তাই কাগজের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে কোম্পানিগুলো খাতার দাম প্রতিনিয়ত বাড়িয়েই চলেছে। তিনি বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত হয় ম্যাক্স মারশাল জ্যামিতি বক্স। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নাগালের মধ্যে থাকলেও এখন সেই জ্যামিতি বক্সের মূল্য এক লাফে ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় দাড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রানা হামিদ জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শিক্ষা উপকরণের মুল্য বৃদ্ধি করছে বলে আমি মনে করি। এই পক্রিয়ায় মুল্যবৃদ্ধির প্রবণতাকে আমরা ঘৃনা করি এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী।

  • সুজানগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    সুজানগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ পাবনার সুজানগরের পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পদ্মা নদীর চরভবানীপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.তরিকুল ইসলাম। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.তরিকুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন,২০১০ এর ১৫(০১) ধারায় মুসা সরদার, নয়ন মোল্লা ও সোহান হোসেন নামে তিন ব্যক্তির প্রত্যেককে প াশ হাজার টাকা করে সর্বমোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সবসময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবে উপজেলা প্রশাসন বলেও জানান তিনি। অর্থদন্ড প্রাপ্ত তিন ব্যক্তি পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের হুগলাডাঙ্গি ও বাহিরচর এলাকার বাসিন্দা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নাচোলে অসুস্থ পিতার শেষ ভরসা ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রাফিয়া সুলতানা

    নাচোলে অসুস্থ পিতার শেষ ভরসা ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রাফিয়া সুলতানা

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে অসুস্থ্য বাবা রফিকুলের পানের দোকানে সহযোগিতা করছে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী রাফিয়া সুলতানা (১৩)। জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের মোল্লাটোলা গ্রামের শহিমুদ্দীনের ২য় সন্তান রফিকুল। সর্বনাশা পদ্মার ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে নাচোলের মুরাদপুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতে থাকেন।

    রফিকুল পিতার সংসারের দায়িত্ব ভার কাঁধে নিয়ে নাচোল বাসস্ট্যান্ডে ৬ ভাইকে (ইসলামীয়া হোটেল) ব্যবসায় নিয়োজিত করেন।
    নিজে পানের দোকান দিয়ে ৪ মেয়েকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে স্ট্রোকে অক্রান্ত হন রফিকুল ইসলাম।
    বাধ্য হয়ে স্কুলের লেখাপড়া শেষে অসুস্থ্য পিতাকে সহযোগিতা করতে নাচোল বাসস্ট্যান্ডে ইসলামী হোটেলের সামনে পান দোকানে দু’বেলা বসতে হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া মেয়ে রাফিয়া সুলতানাকে।
    রফিকুল ইসলামের চার মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে রাফিজা সুলতানা বিবাহিত। তবুও সে মেধা ও অদম্য মনোবল নিয়ে স্বামী ও পিতার আশা ভরসায় গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ালেখা করছে।
    মেজো মেয়ে ফাওজিয়া খাতুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারী কলেজে বিএসসি পড়ছে। সেজো মেয়ে রিজিয়া সুলতানা এ বছর নাচোল খুরশেদ মোল্লা সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে নাচোল মহিলা কলেজে এইচএসসিতে ভর্তি হয়েছে।
    ছোট মেয়ে রাফিয়া সুলতানা এবছর নাচোল খুরশেদমোল্লা সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়ালেখা করছে। মেয়েদের লেখাপড়া ও সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন রফিকুল।
    জীবন সংগ্রামী কিশোরী রাফিয়া সুলতানা পিতাকে ছেলের অভাব বুঝতে দিতে চায়না।
    তাই লিখাপড়ার পাশপাশি পান দোকানে সহযোগিতা ও মনোবল জুগিয়ে সেও ভাল ফলাফল করে মানুষের মত মানুষ হতে চায়। রাফিয়া বলেন সরকারী বা কারো সহযোগিতা পেলে বড় বোনদের মত সেও উচ্চ শিক্ষিত হতে চায়। অসুস্থ্য পিতাকে সহযোগিতা করতে জীবন সংগ্রামে নেমেছে কিশোরী রাফিয়া সুলতানা। অসুস্থ রফিকুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে ছোট মেয়ে রাফিয়া আমাকে ছেলের মত করে পানের দোকানে সহযোগিতা করছে। দোকানের আয় দিয়েই এখন আমার সংসার ও চিকিৎসা শেষ ভরসা।

  • সরিষা চাষে বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে-কৃষিমন্ত্রী

    সরিষা চাষে বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে-কৃষিমন্ত্রী

    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ভোজ্যতেলের চাহিদার শতকরা ৯০ ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এতে বছরে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। এ অবস্থায়, দেশে ৫০ ভাগ তেল উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমাতে তিন বছর মেয়াদি রোডম্যাপ আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। প্রথম বছরেই এবার সারা দেশে দ্বিগুণ পরিমাণ সরিষা চাষ হয়েছে। সরিষা চাষে বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যেই আমরা বছরে ভোজ্যতেল আমদানিতে কমপক্ষে ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারব।

    রবিবার (১৫ জানুয়ারী২৩)ইং সকালে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দিতে উন্নত জাতের বারি সরিষা ১৮ জাতের মাঠ পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, শুধু সরিষার আবাদ বৃদ্ধিই নয়, এর সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে মৌচাষ ও মধুর উৎপাদন। অন্যদিকে, আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী সময়ে পতিত জমিতে সরিষার আবাদ হওয়ায় ধানের উৎপাদন কমছে না, একইসঙ্গে কৃষকেরা অতিরিক্ত ফসল হিসেবে এই সরিষা পেয়ে লাভবান হচ্ছেন। সরিষা চাষীরা যাতে সরিষার ভালো দাম পান, এ বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

    এসময় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিনা খাতুন, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহসানুল বাশার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মাহমুদুল হাসান, ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাকিয়া ও সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কৃষিকর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক আনছার আলী, হাফিজুর রহমান, কৃষক মিজানুর রহমান ও ছোহরাব আলীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভাঁয়না ইউপি কার্যালয়ের পতিত জমিতে সবজি চাষ নজর কেড়েছে সবার

    ভাঁয়না ইউপি কার্যালয়ের পতিত জমিতে সবজি চাষ নজর কেড়েছে সবার

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের পতিত জমিতে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ নজর কেড়েছে সবার। জানাযায়, ইউনিয়ন পরিষদের ৫০ শতক জমির মধ্য পরিষদের সামনের প্রায় ১৫ শতক জমি পতিত অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনে গেলে কার্যালয়ের সামনের পতিত জমিতে সবজি চাষের পরামর্শ দেন ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিনকে। এরপরপরই ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ইউপি সদস্যদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন শাকসবজি চাষ শুরু করেন। অফিস চলাকালীন সময়ের বাইরে সবজি ক্ষেত দেখাশোনা করেন স্থানীয়া। পতিত জমির সদ্ব্যবহার ও পরিষদের সকলের সবজির চাহিদা পূরণ করতে পেরে খুশি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যরা। স্থানীয়দের অনেকেও এখানকার সবজি তুলে পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। পতিত জমিতে পুঁইশাক, লালশাক, টমেটো,পেঁয়াজ সহ বিভিন্ন সবজি করা হয়েছে। রবিবার পৌর সদর থেকে দেখতে আসা সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, পরিষদের চারদিকে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ দেখে খুব ভালো লাগলো। যেসব জায়গায় সবজির বাগান করা হয়েছে আগে তো এসব জায়গা নোংরা ছিল। এসব জায়গায় সবজি চাষ করার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন বলেন, ইউএনও স্যার পরিষদের পতিত জমিতে সবজির চাষের পরামর্শ প্রদান করার পরপরই আমরা এই সবজি চাষ শুরু করি । উপজেলা উপ সহকারী কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, কোন রকম রাসায়নিক সার ও বিষ প্রয়োগ না করে শুধুমাত্র জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ওষুধ প্রয়োগ করে পরিষদ চত্বরে এ সবজি চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম জানান, এ ধরণের কাজ দেখে অন্যরাও পতিত জমিতে সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে দেশের পতিত থাকা প্রতি ইি জমি কৃষিকাজের আওতায় আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলার সরকারি-বেসরকারি যেসব অফিসের আনাচে-কানাচে পতিত জায়গা আছে সেখানেই সবজির বাগান করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভাঁয়না ইউপি কার্যালয়ের পতিত জমিতে সবজি চাষ করেছে ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা। এটি খুবই ভাল একটা উদ্যোগ। তিনি আরো বলেন, কৃষকরাই যে কেবল কৃষিকাজ করবে তা কিন্তু নয়। যে কোন ব্যক্তি কৃষিকাজ করতে পারে। একজন ব্যক্তি চাকরিজীবি বা ব্যবসায়ী বা যে পেশাই নিয়োজিত থাকুক না কেন, তার হাতে কিছু না কিছু সময় থাকে। সেই সময়টুকু সে কৃষি কাজে ব্যয় করতে পারে । তাতে তারও লাভ, দেশেরও লাভ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • নড়াইলে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী মনোমুগ্ধকর ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত

    নড়াইলে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী মনোমুগ্ধকর ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী মনোমুগ্ধকর ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত। নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাড়ের লড়াই প্রতিযোগিতা। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ১৪দিনব্যাপী (৭-২০ জানুয়ারী) এসএম সুলতান মেলায় ৮ম দিনে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে এ খেলার আয়োজন করা হয়। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী মনোমুগ্ধকর ষাড়ের লড়াই দেখে খুশি দূর-দূরান্ত আসা দর্শকেরা।
    আয়োজকরা জানালেন, আধুনিক সভ্যতার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার
    ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এ আয়োজন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইলে চলছে ১৪দিনব্যাপী (৭-২০ জানুয়ারী) এসএম সুলতান মেলা। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ মেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা। এ গ্রামীণ খেলাধুলার অন্যতম আকর্ষণ ষাড়ের লড়াই।
    মেলার ৮ম দিনে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে এ ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই ষাড়ের মালিকেরা ষাড় নিয়ে মাঠে আসতে থাকেন। দুপুর ১২টা থেকে লটারির মাধ্যমে জোড়ায় জোড়ায় শুরু হয় ষাড়ের লড়াই। এ ষাড়ের লড়াই দেখতে আবাল বৃদ্ধ নানা বয়সী হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। নড়াইলসহ আশে পাশের জেলা থেকে হাজারো মানুষের আগমনে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গন। প্রতি বছর সুলতান মেলায় ষাড়ের লড়াই এর আয়োজন করা হয়।
    করোনার কারনে বিগত দুই বছর মেলা হয়নি।দীর্ঘদিন পর সুলতান মেলায় ষাড়ের
    লড়াই উপভোগ করে খুশি দর্শকেরা।
    নড়াইল,যশোর,খুলনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ১০০টি ষাড় এ প্রতিযোগিতায়
    অংশগ্রহন করে।
    ষাড়ের মালিকেরা জানালেন, গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাড়ের লড়াই ধরে
    রাখার পাশাপাশি মানুষের বিনোদন দেওয়ার জন্য তারা ষাড় নিয়ে এসেছেন। এ ছাড়া
    ষাড় বিজয়ী হলে অনেক দামে বিক্রি হয়ে যায়।
    ১৪ দিনব্যাপী সুলতান মেলায় বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে রয়েছে চিত্রশিল্পী
    এসএম, সুলতানের জীবন দর্শন,শিল্পীসত্তা ও কর্মময় জীবনের উপর সেমিনার ও
    আলোচনা সভা, দেশ বিদেশিও বিশিষ্ট শিল্পীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী, শিশুদের
    চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা , গ্রামীণ খেলাধুলা (কাবাডি, লাঠিখেলা, ভলিবল,
    কুস্তি,ভলিবল, আর্চারী, ঘোড়ার গাড়ির দৌড় প্রতিযোগীতা), সুলতান পদক
    প্রদান, প্রতিদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের শিল্পীদের অংশগ্রহণে
    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ। এবারের সুলতান মেলায় স্থানীয় ৪৪টি
    সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং জাতীয় পর্যায়ের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।