Author: desk

  • বাংলাদেশ মানবা-ধিকার কল্যাণ ট্রাস্ট ফুলবাড়ীয়া শাখার কমিটি অনু-মোদন

    বাংলাদেশ মানবা-ধিকার কল্যাণ ট্রাস্ট ফুলবাড়ীয়া শাখার কমিটি অনু-মোদন

    ময়মনসিংহ ব্যুরোঃ
    বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্ট ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট ২০২৫ ইং বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্টের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি প্রভাষক মোঃ রেজাউল করিম খান রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল হাসানের স্বাক্ষারিত পত্রে ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ তারা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম হীরা সহ ৬৫ সদস্য বিশিস্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ স্ট্রাষ্ট আগামী দিনে তাহাদের নেতৃত্বে আরো শক্তিশালী হবে।

  • জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মু-ছে ফেলার ভুল বো-ঝাবুঝি নিয়ে জেলা প্রশাসকের বক্তব্য

    জুলাই গ-ণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মু-ছে ফেলার ভুল বো-ঝাবুঝি নিয়ে জেলা প্রশাসকের বক্তব্য

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    সম্প্রতি  ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের সীমানাপ্রাচীরে আঁকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবী করেছেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।বরং দীর্ঘ দিন ধরে সীমানা প্রাচীরের সংস্কার না করায় সেখানে ময়লা লেগে এর পরিচ্ছন্নতা নষ্ট হওয়ায় সেখানে নতুন করে রং করার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো জানান-ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের বাংলো, জেলা প্রশাসকের বাংলোর দেয়াল সহ বাসভবন , ভবনের গেইট, এবং পাঁচটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই ভবন ও দেয়াল মেরামত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনেক লেখালেখি করার পরে কিছু আর্থিক বরাদ্দ পাওয়ার পর গণপূর্ত অধিদপ্তর ময়মনসিংহ পরিচালিত এই নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম ও ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসককে নিয়ে প্রকাশিত ভিত্তিহীন সংবাদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বক্তব্য পোস্ট করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে যা লিখেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো- তিনি লিখেছেন

    এটা সকলেই অবগত আছেন যে ৫ ই আগস্ট ২০২৪ তারিখে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের বাংলো, জেলা প্রশাসকের বাংলোর দেয়াল সহ বাসভবন , ভবনের গেইট, এবং পাঁচটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ভবন ও দেয়াল মেরামত করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনেক লেখালেখি করার পরে কিছু আর্থিক বরাদ্দ পাওয়া যায়। ওই বরাদ্দ প্রাপ্তির পরে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন দেয়াল এবং চতুর পাশে বেড়া কাঁটাতারের বেড়াসহ নানাবিধ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কাজের অনেকদূর অগ্রগতি হয়েছে। এ জীর্ণশীর্ণ ওয়ালের মধ্যে কিছু গ্রাফিতি ছিল। এগুলো থাকা অবস্থায় সংস্কার করা না হলে ভবন ও দেয়াল অরক্ষিত থাকবে। অর্থ বরাদ্দ ল্যাপস হয়ে যাবে।

    ভবনের নিরাপত্তার স্বার্থে চার পাশে কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে।ওয়ালগুলোকে উপরের দিকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ওয়ালকে টাচ না করে কাজ করার কোন সুযোগ নেই মর্মে গণপূর্ত অধিদপ্তর , ময়মনসিংহ কর্তৃক জানানো হয়। তাদের কাজের সময় কিছু গ্রাফিতির উপর সিমেন্টের আঁচড় লাগে। এতে কিছুটা বেমানান লাগছিল। এটা নিয়ে ভুল বুঝবুঝির কোন অবকাশ নেই। গণপূর্ত কর্তৃক নির্মাণ ও মেরামত কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে গেলে আমি পূর্বের চাইতে আরো সুন্দর ও মনোমুগ্ধকরভাবে গ্রাফিতি অংকন করে দিব- ইনশা আল্লাহ ।

    এই নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তর ময়মনসিংহ জেলার পক্ষ থেকে। ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের থেকে। ঠিকাদার নিয়োগের সাথে জেলা প্রশাসকের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

    আমি নিজেও ২৪ কে ধারণ করি এবং লালন করি। ২৪ এর আদর্শকে সমুন্নত রাখতে চাই। ২৪ এর চেতনার পরিপন্থী কোন কাজ আমার দ্বারা হবেনা – এটা সকলকে আশ্বস্ত করতে চাই।

    বিনীত
    মুফিদুল আলম
    জেলা প্রশাসক
    ময়মনসিংহ।

    জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকে ২৪ এর আদর্শ ও চেতনা সমুন্নত রাখাসহ আদর্শ ও চেতনাগুলোকে টিকিয়ে রাখতে, গুরুত্ব দিতে এবং এর বাস্তবায়নে কাজ করছেন। তিনি
    জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করার জন্য তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। সফলভাবে বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করায় জেলাব্যাপী তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিয়মিত পরিদর্শন এবং উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসন কে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    গ্রাফিতি নিয়ে ভূল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক  বলেন, “ভবন ও দেয়ালের নিরাপত্তা রক্ষায় গণপূর্ত অধিদপ্তর কাজ পরিচালনা করছে। ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছে গণপূর্ত, জেলা প্রশাসকের এ বিষয়ে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কাজ চলাকালীন সময়ে কিছু গ্রাফিতিতে সিমেন্টের আঁচড় পড়ায় কিছুটা বেমানান দেখাচ্ছে। তবে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। কাজ শেষ হলে পূর্বের চাইতে আরও সুন্দর ও মনোমুগ্ধকরভাবে গ্রাফিতি পুনরায় আঁকা হবে—ইনশা আল্লাহ।

  • পঞ্চগড়ে অস্বা-স্থ্যকর পরিবেশে চানা-চুর উৎপাদন, দুই কারখানাকে জরি-মানা

    পঞ্চগড়ে অস্বা-স্থ্যকর পরিবেশে চানা-চুর উৎপাদন, দুই কারখানাকে জরি-মানা

    বাবুল হোসেন,

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড়ে  অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চানাচুর তৈরি ও মানহীন তেলসহ নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই কারখানাকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের বিশমনি ও পৌরসভার জালাসী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও প্রশাসন।

    অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজি। এ সময় দুটি কারখানাকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দ করা হয় প্রায় দুই শতাধিক কেজি চানাচুর।

    সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হাফিজাবাদ ইউনিয়নের বিশমনি এলাকায় ‘বাবু চানাচুর’ নামের কারখানায় পোকামাকড়যুক্ত বাদাম, মানহীন মরিচগুঁড়া ও নোংরা তেল ব্যবহার করে চানাচুর তৈরি করা হতো। এ অপরাধে কারখানার মালিক শরিফ উদ্দিনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কারখানায় প্রস্তুত রাখা প্রায় ১২০ কেজি চানাচুর জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

    একই অভিযানের দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভার জালাসী এলাকায় ‘সারোয়ার চানাচুর’ কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদনের অভিযোগে মালিক নজরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দকৃত প্রায় ১০০ কেজি চানাচুরও ধ্বংস করা হয়।

    পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন খালিদের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহন মিনজি, সদর থানার উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম, সেনা সদস্য ও থানা পুলিশের একটি টিম।

    অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহন মিনজি বলেন, “কারখানাগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চানাচুর তৈরি হচ্ছিল। ব্যবহৃত তেলের মান ছিল অত্যন্ত নোংরা, চারদিকে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই অপরাধ করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও জানান, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • দ্রব্যমূল্যের লাগা-মহীন বৃদ্ধি-তে দি-শেহারা শ্রমিকরা—ন্যা-য্য মজু-রি এখন সময়ের দা-বি

    দ্রব্যমূল্যের লাগা-মহীন বৃদ্ধি-তে দি-শেহারা শ্রমিকরা—ন্যা-য্য মজু-রি এখন সময়ের দা-বি

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম: দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র পতেঙ্গা। এখানে অবস্থিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অধীনস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডসহ পাঁচটি কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার সকালে একযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রধান ফটকের সামনে সকাল থেকে শুরু হয় অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি। এতে শত শত শ্রমিক-কর্মচারী অংশ নেন। তারা ৫ দফা দাবি আদায়ে শ্লোগানে শ্লোগানে উত্তাল করে তোলেন পুরো এলাকা।

    শ্রমিকদের মূল দাবিঃ-১. ন্যূনতম দিনমজুরি ৮০০ টাকার পরিবর্তে ১০৫০ টাকা করতে হবে।(২).শ্রমিকদের জন্য দুই ঈদে উৎসব ভাতা চালু করতে হবে।(৩). নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির মূল্যবৃদ্ধি শ্রমিকদের জীবনে যে চরম চাপ তৈরি করছে, তার জন্য ভর্তুকি বা সহায়তা ব্যবস্থা চালু করতে হবে।(৪.) শ্রমিক পরিবারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহজলভ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।(৫.) তেল সেক্টরে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও তালবাহনা বন্ধ করতে হবে।

    ইস্টার্ন রিফাইনারি নিযুক্ত ঠিকাদার দিনমজুর শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি. নং ১০২২)-এর সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন জুয়েল, প্রবীণ নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ আরাফাত রহমান, আনোয়ার হোসেন, মোঃ মিজান, মোঃ সালাউদ্দিনসহ আরও অনেকে।

    পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও এলপিজি কারখানার শ্রমিকরাও একাত্মতা প্রকাশ করে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন।

    তারা অভিযোগ করে বলেন,-> “একদিকে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি, অন্যদিকে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি কাঠামো অবহেলিত। ৮০০ টাকায় আর বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। পরিবার চালাতে আমরা ন্যূনতম ১০৫০ টাকা চাই।”

    শ্রমিক নেতারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,চেয়ারম্যান বা এমডি শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে যৌক্তিক আলোচনায় না বসলে এই আন্দোলন আরও কঠোর আকার ধারণ করবে। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে জ্বালানি উপদেষ্টা ও সচিবকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে হবে।
    দাবি উপেক্ষা করা হলে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা অচল হয়ে যাবে, যার মারাত্মক প্রভাব পড়বে সারাদেশে।

    বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম গত এক দশকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির দামও একের পর এক বেড়েছে। কিন্তু শ্রমিকদের দিনমজুরি এখনো ৮০০ টাকার কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে পরিবার চালানো, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় বহন করা শ্রমিকদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি—এই বৈষম্যমূলক বাস্তবতা অবিলম্বে সমাধান করা না হলে জ্বালানি সেক্টরে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়বে শিল্পখাত ও সাধারণ মানুষের জীবনে।

  • কুমিল্লার নির্বাচনী সীমানা পু-ননির্ধারনে জটিলতা নিয়ে জ-নমনে নানান প্রশ্ন

    কুমিল্লার নির্বাচনী সীমানা পু-ননির্ধারনে জটিলতা নিয়ে জ-নমনে নানান প্রশ্ন

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন,

    সারা দেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন অনুযায়ী প্রাথমিক তালিকার ওপর প্রাপ্ত আপত্তি, দাবি, সুপারিশ ও মতামত পর্যালোচনা শেষে এবং প্রকাশ্য শুনানি গ্রহণ করে কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করেছে।

    চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সংসদীয় আসনগুলোর সীমানায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কুমিল্লা-১ আসন এখন দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে গঠিত।

    কুমিল্লা-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে হোমনা ও তিতাস উপজেলা। কুমিল্লা-৩ আসন নির্ধারিত হয়েছে মুরাদনগর উপজেলা, কুমিল্লা-৪ আসন দেবীদ্বার উপজেলা নিয়ে। অন্যদিকে, কুমিল্লা-৫ আসন গঠিত হয়েছে ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলা দিয়ে পূর্বের ন্যায় রয়ে গেছে।

    কুমিল্লা-৬ আসন রাখা হয়েছে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, সেনানিবাস এলাকা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা মিলিয়ে।
    কুমিল্লা-৭ আসন চান্দিনা উপজেলাও আগের মতোই সীমানা রয়েছে, কুমিল্লা-৮ আসন বরুড়া উপজেলা, কুমিল্লা-৯ আসন মনোহরগঞ্জ ও লাকসাম উপজেলা এবং কুমিল্লা-১০ আসন নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা-১১ আসন নির্ধারণ করা হয়েছে এককভাবে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে।

    এর আগে ৩০ জুলাই প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক মহল থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব ও আপত্তি জমা পড়ে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত এসব দাবির ভিত্তিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে তথ্য-উপাত্ত এবং শুনানিতে উপস্থাপিত যুক্তি বিশ্লেষণ করে কমিশন নতুন এই তালিকা প্রকাশ করে।

    এদিকে আসন পুনর্বিন্যাস তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরপরই আবারো বিতর্ক শুরু হয়েছে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানান, কুমিল্লা সদর আসন আগেই অনেক বড় ছিলো, এর মাঝে সদর দক্ষিণ যুক্ত হয়ে এই এক আসনের ভোটার এখন ৬ লক্ষের উপরে হয়ে যাবে। এত ভোটার একটি আসন, এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মোট ৩০০ আসনের পুনঃনির্ধারিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এবং তা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় সংযুক্ত থাকবে।

    আসনবিন্যাসকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চললেও ইসি মনে করছে, এই চূড়ান্ত তালিকা আসন্ন নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। কমিশন এখন সকল রাজনৈতিক দল ও অংশীজনকে নির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল হক চৌধুরী তার পূর্বের আসন পূর্ণবহালের দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা সহ কুমিল্লাতে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে গত ৩ রা সেপ্টেম্বর কুমিল্লা নগরীর পূর্বালী চত্বর সংলগ্ন লাকসাম সড়কে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালন করে।

  • পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের আলোচনা সভা

    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের আলোচনা সভা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৭ হিজরী উদযাপন উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠান যেন একটি গতানুগতিক বিষয়ে পরিণত না হয়। নবীর জীবনী ও সিরাতকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র উপায়ে সবার কাছে উপস্থাপন করা গেলে তা প্রত্যেকের জীবনকে, সমাজকে সুন্দরভাবে গঠন করবে। রাসুল (সা.) এর আদর্শকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ময়মনসিংহের ইমাম, ওলামায়ে কেরামগণকে জেলা প্রশাসক আহ্বান জানান।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. হাবেজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ইমাম সমিতি, ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমিনুল হক। আলোচনা সভার শেষে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমাম, ওলামায়ে কেরামগণসহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের অংশ হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এদিন ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

  • সেনবাগে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলো-চনা সভা

    সেনবাগে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলো-চনা সভা

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে, নোয়াখালীর সেনবাগে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ জামাল উদ্দিন বাবলুর উদ্দ্যোগে, ৬নং কাবিলপুর ইউপির ৭নং ওয়ার্ডে এক আলোচনা সভা,বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্য পদ নবায়ন অনুষ্ঠিত হয়।৩ রা সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাবিলপুরে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন ফারুকের সঞ্চালনায় ও বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য জামাল উদ্দিন বাবলু।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক শ্রমিক নেতা খুরশিদ আলম,৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী,সাবেক কৃতি ফুটবলার রুহল আমিন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন, নুরুজ্জামান চৌধুরী সহ অনেকেই।এসময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, জিয়া পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ সমগ্র দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ওবায়দুল হক। অনুষ্ঠানে বিএনপির শতাধিক নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও পুরাতন সদস্যের পদ নবায়ন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

  • সুজানগরে বিএনপির প্রতি-ষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেলিম রেজা হাবিবের নেতৃ-ত্বে বর্ণা-ঢ্য র‍্যালি

    সুজানগরে বিএনপির প্রতি-ষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেলিম রেজা হাবিবের নেতৃ-ত্বে বর্ণা-ঢ্য র‍্যালি

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার( ৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা বিএনপির ব্যানারে এবং বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট একে,এম সেলিম রেজা হাবিবের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি পৌর শহরের বিভন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বালুর মাঠ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

    পরে উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য,পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট একে,এম সেলিম রেজা হাবিব। সমাবেশে প্রধান অতিতির বক্তব্যে সেলিম রেজা হাবিব বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করেছেন। তাই এদেশের মানুষের ভালবাসার আঙিনা বিএনপি আর ভালবাসার প্রতীক ধানের শীষ।

    এ সময় তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির যাত্রা শুরু। দীর্ঘ সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক পথচলায় বিএনপি কখনো ক্ষমতায় থেকেছে, কখনো আন্দোলনে। বিগত দেড়যুগ রাজপথেই কেটেছে আমাদের বিএনপি নেতাকর্মীদের। আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের দাবিতে আন্দোলনে অবিচল ছিলাম। অবশেষে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশ নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

    সেলিম রেজা হাবিব বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০শে মে বিপথগামী সেনা সদস্যদের হাতে শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠার পর নানা ঘাত-প্রতিঘাত সইতে হয়েছে বিএনপিকে। নানা ঘটনার মধ্যদিয়ে ১৯৮৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বিএনপি’র হাল ধরেন তারই সহধর্মিণী খালেদা জিয়া। এরপর বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা, আপসহীন ও সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বিএনপি এগিয়েছে দুর্দান্ত গতিতে। ১৯৯১ সালে বিপুল সমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিল বিএনপি। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আরও সুসংগঠিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সমাবেশে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, বিএনপি নেতা আহম্মদ আলী প্রামানিক লাটু, ডাক্তার আব্দুস সালাম, মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন হাজারী, সাবেক যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলী টুকু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু ,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল, সুজানগর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান খোকন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন প্রমুখ।

    সমাবেশে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা হারুন মন্ডল, তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা তঁাতিদল নেতা আসাদুজ্জামান রোকন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আযম শফি, আবু জাকারিয়া তরঙ্গ, রাশেদ খান, মনিরুজ্জামান মনি, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান ফজলু, যুগ্ন আহ্বায়ক ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক সাহেব আলী মন্ডল, রতন বিশ্বাস, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক সুজাউদ্দিন সুজা,সদস্য সচিব বিপুল প্রামানিক, জেলা ছাত্রদল নেতা সাকিবুল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রমজান মন্ডল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা গাজী মাজাহারুল ইসলাম, এস এম আফতাব, সংগ্রাম ও আব্দুস সবুর জয়সহ উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।

  • র‌্যাব-১২ এর অভি-যানে ১৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন নারী মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ এর অভি-যানে ১৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন নারী মা-দক ব্যবসায়ী গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে সলঙ্গা থানা এলাকা হতে ১৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামি গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ বিকাল ১৭.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানাধীন সাতটিকরী তালতলা বাজারের সামনে ছাইফা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর সামনে পাকা রাস্তার উপর’’ একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক পরিবহন কালে ১৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০৩ জন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামিগণ ১। মোছাঃ সাথী আক্তার (৩০), স্বামী- মোঃ মাসুদ রানা, ২। মোছাঃ আজেদা বেগম (৪৪), স্বামী- মোঃ আবু তালেব খান, পিতা- মৃত আবুল হোসেন, ৩। মোছাঃ শারমিন আক্তার (৩১), পিতা- মোঃ আব্দুল খালেক, সর্ব সাং- উত্তর গোপালপুর, থানা- পাঁচবিবি, জেলা- জয়পুরহাট।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিগণ দীর্ঘ দিন যাবৎ তারা অবৈধ নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল বিভিন্ন জেলা হতে সংগ্রহ করে পরস্পর যোগসাজসে একে অপরের সহায়তায় নিজ হেফাজতে রেখে বিভিন্ন কৌশলে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় করে আসছে।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • নড়াইলে সেপটিক ট্যাং-ক থেকে শি-শুর মর-দেহ উদ্ধার ও অ-র্ধগলিত সেই ম-রদেহের পরিচয় মিলেছে

    নড়াইলে সেপটিক ট্যাং-ক থেকে শি-শুর মর-দেহ উদ্ধার ও অ-র্ধগলিত সেই ম-রদেহের পরিচয় মিলেছে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার ও অর্ধগলিত সেই মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে জুনায়েদ সর্দার (৫) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুনায়েদ কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর সর্দারের ছেলে।
    স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সেদিন মা–এর সঙ্গে খালাবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল জুনায়েদ। দুপুরে তার মা বাজারে গেলে নানার সঙ্গে বাড়িতে ছিল সে। খেলার ছলে ফড়িং ধরতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পেছনে সেপটিক ট্যাংকের ভাঙা ঢাকনা দেখা যায়। সেখানে জুনায়েদের জুতা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ট্যাংকের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন।
    কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
    অপরদিকে
    নড়াইলে অর্ধগলিত সেই মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অর্ধগলিত অজ্ঞাত সেই মরদেহটির পরিচয় মিলেছে। তার নাম মুন্নি খানম (২০)। তিনি নড়াগাতী থানার বাঐসোনা ইউনিয়নের নলামারা গ্রামের প্রবাসী শিমুল মিনার মেয়ে।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল জানান, মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে নড়াগতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান ঢাকা মেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    এর আগে এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার থানা এলাকার যোগানিয়া-নলামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের এক ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
    নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের হৃদয়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে মুন্নির বিবাহ হয়। গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি নলামারা গ্রামে বেড়াতে যান মুন্নি। সেখানে গিয়ে ওইদিন রাতে বাড়ির উঠান থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) নড়াগাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
    নিখোঁজের তিনদিন পর মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নড়াগাতী থানার যোগানিয়া-নলামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের এক ডোবার পাশ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজন ডোবায় থাকা কচুড়িপানার মধ্যে অর্ধ গলিত একটি মরদেহ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা নড়াগাতী থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল গিয়ে ডোবার কচুড়িপানার ভেতর থেকে অজ্ঞাত অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করেন। মরদেহটি উদ্ধারের পর নিহতের স্বজনরা পরিচয় শনাক্ত করেন।
    নড়াগাতী থানা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান বলেন, মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল।