Author: desk

  • হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত প্রতিষ্ঠান হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর উদ্যোগে দরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে গতকাল ১৫ জানুয়ারি হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার মিলনায়তনে কম্বল বিতরণ করা হয়।
    কম্বল বিতরণ করেন হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিইও মোঃ আনোয়ার হোসেন,হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ কাওছার আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিনিয়র স্টাফ, পাবলিক রিলেশন অফিসার আফসার আলী, সহাকারী ব্যবস্থাপক নূরুন্নবী, তৈয়বুর রহমান, আনু মোহাম্মদ, শরিফুল ইসলাম, আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন প্রমুখ।
    প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, রংপুরের উদ্যোগে শতাধিক দরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে উন্নতমানের কম্বল বিতরণ করা হলো।

  • নীলফামারীতে যোগদানের ৪ মাসের মধ্যেই তিন বার শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হলেন  মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম

    নীলফামারীতে যোগদানের ৪ মাসের মধ্যেই তিন বার শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হলেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    নীলফামারীতে যোগদানের মাত্র ৪ মাসের মধ্যেই পরপর ৩ বার রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম।
    রোববার (১৫ জানুয়ারী) রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম,এর সভাপতিত্বে গত ডিসেম্বর মাসের অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় রংপুর রেঞ্জের ডিসেম্বর/২০২২ মাসের সামগ্রিক কর্ম মূল্যায়নে শ্রেষ্ঠ জেলা নীলফামারী ও শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপারের গৌরব অর্জন করায় নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম কে সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন , রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম।
    উল্লেখ্য যে,গত অক্টোবর/২০২২ এবং নভেম্বর/২০২২ মাসের কর্ম মূল্যায়নেও রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা হয়েছিলো নীলফামারী ও শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হয়েছিলো নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম ।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন্স) এস এম রশিদুল হক পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ সুজায়েত ইসলাম এবং রংপুর রেঞ্জের সকল জেলার পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিসের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) সহ রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বৃন্দ।

  • ক্ষেতলালের এক নারী প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর মামলা করলেন জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে

    ক্ষেতলালের এক নারী প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর মামলা করলেন জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    হাসপাতালে চাকুরী দেওয়ার নাম করে ১৫ জনের কাছ থেকে ৩৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ
    করার অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সরদার রাশেদ
    মোবারক জুয়েল, তার স্ত্রী পপি বেগম, শালিকা নিগার সুলতানা রিক্তা ও ড্রাইভার মোস্তফাসহ ৪
    জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
    রোববার দুপুরে মর্জিনা খাতুন নামে এক নারী জয়পুরহাট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়ার
    ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক নিশিত রঞ্জন মামলাটি এজাহার
    হিসেবে গণ্য করার জন্য ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেন।
    মামলার বিবরণের বরাত দিয়ে বাদিনী পক্ষের আইনজীবি উজ্জল হোসেন জানান, বাদীনি মর্জিনা
    খাতুন তত্বাবধয়াকের বাসাতে দীর্ঘদিন থেকে ঝিয়ের কাজ করতেন। এর সুবাদে আসামীরা
    যোগসাজসে তার মাধ্যমে ১৫ জন লোকের কাছ থেকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে
    চাকরি দেওয়ার নাম করে ৩৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা নেন। পরে চাকুরী না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে
    আসামীরা বিষয়টি অস্বীকার করে মর্জিনা খাতুনকে হুমকি প্রদান করেন। বাধ্য হয়ে মর্জিনা
    আদালতে মামলা দায়ের করেন।
    ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ রাজিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আদালত থেকে এখনও কোন
    কাগজ পাইনি (রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত)।
    এ ব্যাপারে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ রাশেদ মোবারক জানান,
    তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক। তাকে হেয় করার জন্য কোন গোষ্ঠী বা মহলের
    সাথে যোগসাজোসে মর্জিনা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন।

  • গোদাগাড়ীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করায় এক যুবকে কারাদন্ড  ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    গোদাগাড়ীতে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করায় এক যুবকে কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করায় কামাল হোসেন (৩৫) নামের এক যুবককে জেল ও আর্থিক দন্ড দিয়েছে ভ্রম্যমান আদালত। সে পৌর এলাকার সারাংপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।

    সোমবার সকাল ৯ টার দিকে মেডিক্যাল মোড়ে স্কুল ছাত্রীর ওড়না টেনে এবং অশ্লীল ভাষায় ব্যবহার করে যৌন হয়রানী করা করার সময় কামাল হোসেনকে স্থানীয় লোকজন ধরে পুলিশের কাছে দেয়া হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানে আলম যৌন হয়রানী করার অপরাধে কামাল হোসেনকে এক বছর জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুইমাস কারাদন্ড প্রদান করেন।

    গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন,কারাদন্ডপ্রাপ্ত কামাল হোসেনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • সুন্দরগঞ্জে সরকারি বই বিক্রির দায়ে গ্রেফতার -৩

    সুন্দরগঞ্জে সরকারি বই বিক্রির দায়ে গ্রেফতার -৩

    গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিপুল পরিমাণ সরকারি বই পাচার করে বিক্রির অভিযোগে শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক মো. মাজেদুর রহমান (৪৫)কে আটক করেছে পুলিশ।

    রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি বই ট্রাকে যোগে পাচার করার সময় ড্রাইভার এবং হেলপার শ্যামলকে আটক করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্য মতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক মাজেদুর রহমানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়।

    সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক মাজেদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসা মোহাম্মদ আল-মারুফ বলেন, ‘ওইসব বই সুন্দরগঞ্জের কি না তা যাচাই করতে বই গণনার কাজ চলছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • দোয়ারাবাজারে অসহায় পরিবারের ভিটে বাড়িও গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা

    দোয়ারাবাজারে অসহায় পরিবারের ভিটে বাড়িও গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

    দোয়ারাবাজারে জোরপূর্বক ভিটে বাড়ির গাছ কেটে অবৈধভাবে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা করে আসছে একটি শক্তিশালী মহল।

    সোমবার (১৬জানুয়ারি-২৩) সরেজমিনে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের করালিয়া গ্রামে উপস্থিত হলে, স্থানীয় করালিয়া গ্রামের মৃত খুরশিদ আলীর পুত্র আরজ আলী, মৃত ইমান আলীর পুত্র জামাল উদ্দিন সহ এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিলের বাড়ির সীমানা সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি বিশাল রাস্তা থাকলেও জোরপূর্বক ময়না মিয়ার বসত বাড়ির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা করছে তারা। ময়না মিয়া দীর্ঘদিন যাবত নিজ রেকর্ডিয় ও সরকারি হালটে গাছপালা লাগিয়ে বসত ভিটা তৈরী করে বসবাস করে আসছে। হালটের মধ্যে পাড়ার মানুষের খাবার পানির সুবিধার্থে একটি টিউবওয়েল ও রয়েছে। ময়না মিয়া একজন অসহায় ও গরিব লোক এই জায়গায় রাস্তা হলে ঘরবাড়ি ভেঙে ও গাছপালা কেটে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হবে বলেও জানান তারা। এছাড়াও আব্দুল জলিল অসহায় ময়না মিয়াকে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।

    এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, আব্দুল জলিলের লাঠিয়াল বাহিনী ও জোরজুলুমের কাছে কেউ টিকতে পারে না। পুরো এলাকা তার কাছে জিম্মি।

    ময়না মিয়া বলেন আমার রেকর্ডিয় বসত ভিটার মধ্য দিয়ে ৮/৯ ফুট প্রস্তের একটি সরকারি হালট রয়েছে। হালট ও আমার রেকর্ডিয় ভূমিতে লাখ টাকার গাছ লাগিয়েছি, সেখানে আমার বসতঘর ও টিউবওয়েল রয়েছে। আব্দুল জলিলের বাড়ির সীমানা সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি রাস্তা রয়েছে। একাধিক সরকারি রাস্তা থাকার পরও আমাকে মেরে ফেলার হুমকি সহ আমার বাড়িঘর ভেঙে রাস্তা নির্মাণের পায়তারা করছে আব্দুল জলিল।

    আব্দুল জলিলকে না পাওয়ায় তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম বলেন, হালট টি সরকারি জজ কোট থেকে সার্ভেয়ার পাঠিয়ে মাপঝোঁক করা হয়েছে। এই হালটি আমাদের কাগজের জায়গা। ময়না মিয়া বাড়িঘর ও গাছ লাগিয়ে রাস্তা দখল করে রাখছে।

    দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেবদুলাল ধর জানান, হালটের জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে।

  • মুন্সীগঞ্জে ২ দিনব্যাপী ” মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

    মুন্সীগঞ্জে ২ দিনব্যাপী ” মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

    মুন্সীগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

    মুন্সীগঞ্জ জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য “মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক ১৬ ও ১৭ জানুয়ারী ২দিন ব্যাপী এক প্রশিক্ষণ” আজ থেকে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। জেলার কর্মরত ৩৫ জন বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে অংশ নিয়েছেন।

    মুন্সীগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে ভিডিও রেকডিং, ভিডিও সম্পাদনা ও স্টোরি তৈরিসহ নীতিমালার উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। 

    মুন্সীগঞ্জ জেলার কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক গণ উক্ত প্রশিক্ষণে অংশ নেন। দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে প্রথম দিনে ট্রেণিং পরিচালনা করেন প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) প্রশিক্ষক পারভিন সুলতানা রাব্বি, এবং ডেফোডিল ইউনির্ভারসিটি সহযোগী অধ্যাপক ( জার্নালিজম মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগ) ড. জামিল খান। 

    আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড সোহানা তাহমিনা। আগামী ১৭ জানুয়ারি “মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষন” এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে ।

  • আক্কেলপুরে নব যোগদানকৃত নির্বাহী অফিসারের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

    আক্কেলপুরে নব যোগদানকৃত নির্বাহী অফিসারের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন তাহমিনা আক্তার। এ যোগদান উপলক্ষে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার(১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে সদ্য যোগদানকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার উপজেলার সকল সরকারি দফতরের প্রধান,শিক্ষক, ইমাম, গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি,ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে পরিচয় পর্ব শেষে মতবিনিময় করেন তিনি।

    অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি উপজেলার শিক্ষার উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নসহ সকল ভালো কাজের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করে বক্তব্য রাখেন।

    উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম আকন্দ,সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফিরোজ হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মোকসেদ আলী, পৌর মেয়রের পক্ষে প্যানেল মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেকুর রহমান সাদেক,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রাধেশ্যাম আগরওয়ালা,আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক,উপজেলা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো.আতিকুজ্জামান মুন, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার নবীবুর রহমান, সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজেন্দ্রপ্রসাদ আগরওয়ালা,সাংবাদিক ওমপ্রকাশ আগরওয়ালা ওমলা,কলেজ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি শফি কাজীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,শিক্ষক ও ইউপি চেয়ারম্যানগণরা।

    পরিচিতি ও আলোচনা সভা শেষে নির্বাহী অফিসারের অফিসকক্ষে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার’কে উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষথেকে ফুলের তোড়া দিয়ে নির্বাহী অফিসারের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন উপজেলা প্রেসক্লাবের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মো.আতিকুজ্জামান মুন,সাধারণ সম্পাদক নিরেন দাস,যুগ্ম সম্পাদক চৈতন্য চ্যাটার্জি,সদস্য ইউসুফ প্রধান,সদস্য রিদয় হোসেন, সদস্য জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

  • চাকুরী দেওয়ার নামে প্রায় ৪০ লাখ আত্মসাৎ এর অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    চাকুরী দেওয়ার নামে প্রায় ৪০ লাখ আত্মসাৎ এর অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    হাসপাতালে চাকুরী দেওয়ার নাম করে ১৫ জনের কাছ থেকে ৩৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল, তার স্ত্রী পপি বেগম, শালিকা নিগার সুলতানা রিক্তা ও ড্রাইভার মোস্তফাসহ ৪ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

    রোববার (১৫) দুপুরে মর্জিনা খাতুন নামে এক ভুক্তভোগী নারী জয়পুরহাট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক নিশিত রঞ্জন মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

    মামলার বিবরণের বরাত দিয়ে বাদিনী পক্ষের আইনজীবি উজ্জল হোসেন জানান, বাদীনি মর্জিনা খাতুন তত্বাবধয়াকের বাসাতে দীর্ঘদিন থেকে ঝিয়ের কাজ করতেন। এর সুবাদে আসামীরা যোগসাজসে তার মাধ্যমে ১৫ জন লোকের কাছ থেকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নাম করে ৩৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা নেন। পরে চাকুরী না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে আসামীরা বিষয়টি অস্বীকার করে মর্জিনা খাতুনকে হুমকি প্রদান করেন। বাধ্য হয়ে মর্জিনা আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আদালত থেকে এখনও কোন কাগজ পাইনি (রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত)।

    বিষয়টি নিয়ে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ রাশেদ মোবারকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক। আমাকে হেয় করার জন্য কোন গোষ্ঠী বা মহলের সাথে যোগসাজশে মর্জিনাসহ তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন বলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন।

  • পটিয়ার মুজাফরাবাদ বালিকা উচ্চ  বিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

    পটিয়ার মুজাফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।
    পটিয়া প্রতিনিধি: পটিয়ার মুজাফ্ফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রনি দাশ নামের এক প্রতারক প্রকৃতির ব্যক্তিকে নিয়োগের ব্যাপারে নিয়োগ কমিটি প্রস্তাব দেওয়ায় এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ সংক্রান্তে গত ৪ ডিসেম্বর চাকুরী প্রার্থীদের কয়েকজন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দিয়েছে।

    লিখিত অভিযোগে জানা যায়, পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি সূত্রে অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদে চাকুরীর জন্য এলাকার প্রায় ১৩ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে গত ২৯ নভেম্বর তাদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সততা, যোগ্যতা ও দক্ষতা সম্পন্ন প্রার্থীকে নিয়োগ কমিটি মূল্যায়ন না করে লোকজনের বয়স্ক ভাতা ও উপবৃত্তি আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত রনি দাশ নামের এক ব্যাক্তিকে নিয়োগ কমিটি নিয়োগের প্রস্তাব দেয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মুজাফ্ফরাবাদ এলাকার মৃত সুনীল দাশের পূত্র রনি দাশের এলাকায় মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিং এর দোকান রয়েছে। এর সুবাদে সে অনেক ব্যাক্তির বয়স্কভাতা ও উপবৃত্তির টাকা প্রতারণার মাধ্যমে তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ট্রান্সফার করে আত্মসাৎ করে। এতে স্থানীয় বেনী গোপাল বর্ধনের পূত্র কানু বর্ধন তার বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ করলে তিনি খরনা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান দুই পক্ষকে হাজির করলে অনলাইন চেকিং-এ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমানিত হয়। এ ধরনের একজন অসৎ ব্যাক্তিকে বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদে নিয়োগ দিলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

    এব্যাপারে নিয়োগ কমিটির সচিব ও মুজাফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমিতাভ দত্ত জানান, প্রতারণার বিষয়টি আমাদের জানা নেই, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তাকে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।