Author: desk

  • সুজানগরে যুগান্তর স্বজন সমাবেশের কমিটি গঠন

    সুজানগরে যুগান্তর স্বজন সমাবেশের কমিটি গঠন

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার পাঠক সংগঠন স্বজন সমাবেশের পাবনার সুজানগর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সত্যের সন্ধানে নির্ভীক যুগান্তর । সত্যই সুন্দর-এ শুভবোধকে জাগ্রত করে যুগান্তরের দীপ্ত উচ্চারণ- উঠুক যত ঝড়, সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলবে যুগান্তর। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মানবতার কল্যাণে যুগান্তর স্বজন সমাবেশে প্রদীপ্ত মানুষের মিছিল। দেশ, মানুষ ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত একটি মুক্ত প্রাঙ্গন। এরই আলোকে দৈনিক যুগান্তর স্বজন সমাবেশের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট সুজানগর উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। এ উপলক্ষে শনিবার(২১ জানুয়ারী) সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ আলোচনা সভার মাধ্যমে সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেনকে সভাপতি ও সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এছাড়া কমিটির অন্যরা হলেন সহ সভাপতি সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী এবং এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলাল ও সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফেরদৌসী সুলতানা লিজা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আয়শা সিদ্দিকা ইভা, ক্রীড়া সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন, অর্থ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম যাদু, দফতর সম্পাদক ফিরোজ রানা, সাহিত্য সম্পাদক শিউলি আক্তার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সোহেল হাসান বাবু, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামীমা ফেরদৌস, পাঠচক্র সম্পাদক আলামিন শেখ। কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন- আসলাম উদ্দিন, জাহিদুল হাসান রোজ, জহুর আহম্মদ সরকার, নাজমুল হোসেন, আলাউদ্দিন, মেহেদী মাসুদ,মো. রাকিবুল ইসলাম, শ্রী বিজন কুমার পাল,শাহীনুর রহমান, রাশেদুল হাসান জন, রোজিনা খাতুন, মমিনুর রহমান ও শ্রী সুভাষ কুমার। এ সময় স্বজনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ মাষ্টার, সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুস শুকুর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম রতন এবং যুগান্তরের সুজানগর উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্বজনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ মাষ্টার সবার উদ্দেশে বলেন, যুগান্তর পত্রিকার দায়বদ্ধতা শুধু নিজেদের কাছে নেই, আছে দেশ-মাটি ও মানুষের কাছে। তাই যুগান্তর কেবল সংবাদপত্রই নয়, একটি আন্দোলনও। এ আন্দোলন আঁধারের বিরুদ্ধে আলোর। এ আন্দোলন তরুণ প্রাণ পাঠকই যুগান্তরের প্রাণ। নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আলো অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়াই সবচেয়ে মহৎ কাজ। যুগান্তর স্বজন সমাবেশের কমিটিও পাঠকের কাছ থেকে সেই প্রত্যাশা করে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে যুগান্তর স্বজন সমাবেশ সুজানগর উপজেলার শুভ কামনান্তে উপস্থিত সবাইকে মিষ্টিমুখ করিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহীসহ গোদাগাড়ীতে  উৎসবের আমেজ

    প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহীসহ গোদাগাড়ীতে উৎসবের আমেজ

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ বছর পর রাজশাহী আসছেন। আগামী ২৯ জানুয়ারি তিনি রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে গোদাগাড়ীতে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী সমর্থদের মাঝে চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড থেকে শুরু উপজেলা পর্যায়ে নেতা কর্মী সমর্থকগণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। কি ভাবে প্রধান মন্ত্রীর সমাবেশে বেশী লোকজন উপস্থিত করা যায় সে ব্যপারে প্রস্ততিমূলক সভা করা হচ্ছে। রাস্তার দুপাশে, মোড়ে মোড়ে ব্যানার, পোষ্টার, ফেস্টনে ছেঁয়ে গেছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা প্রধান স্বাগত জানাতে প্রস্তুুত।
    এদিকে ওবর্ণিল রূপে সাজছে পদ্মাপাড়ের এ প্রানের রাজশাহী শহর। রাজশাহীতে জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে সকালে সারদা পুলিশ একাডেমী পরিদর্শন ও পুলিশ প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    পরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।
    এরই মধ্যে রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, নিশান, তোরণের পাশাপাশি চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জায় বিভাগজুড়ে এক ভিন্ন রকমের উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

    সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী মহানগর ছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে প্রচার মাইকিং। রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে প্রতিদিনই ওয়ার্ড, থানা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে হচ্ছে- প্রচার মিছিল, গণসংযোগ, হ্যান্ডবিল বিলি, প্রস্তুতি সভা ইত্যাদি।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা সফল করতে পুরো রাজশাহী বিভাগজুড়েই এখন ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্রের ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণে সাজতে শুরু করেছে রাজশাহীসহ পুরো উত্তরাঞ্চল। দেশের সরকার প্রধানকে বরণ করে নিতেই এতো আয়োজন। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির অংশগ্রহণে রাজশাহীতে সম্ভাব্য শেষ জনসভা এটি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ণিল রূপে সাজতে শুরু করেছে মহানগর। স্থানীয় নেতাদের মধ্যেও নতুন করে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। দলীয় সভাপতির নজরে আসতে রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, নিশান, তোরণ টানানোসহ নানা কর্মসূচি পালনে তাদের মধ্যে রীতিমত প্রতিযোগিতা চলছে।

    স্থানীয় নেতারা পথে ঘাটে, অলিতে-গলিতে, হাটে-বাজারে এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে ব্যানার ফেস্টুন নেই। সবখানেই এখন প্রধানমন্ত্রী আগমনের শুভেচ্ছা ও উন্নয়ন বার্তা। শীর্ষ নেতা থেকে জুনিয়ররা সবাই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের শুভেচ্ছা দিচ্ছেন ব্যানার আর ফেস্টুন ঝুলিয়ে। কোথাও কোথাও এক খাম্বাতেই আছে ৪/৫ নেতার শুভেচ্ছা।

    বিশেষ করে সমাবেশস্থল রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ থেকে শুরু করে রাজশাহী মহানগরীর বানেশ্বর হয়ে সারদা পুলিশ একাডেমির সড়ক পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া মহানগরীর কোনো গলিও বাদ যাচ্ছে না।

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করতে রাজশাহীবাসী অধীর অপেক্ষায় আছেন। তার আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তার সম্মানে বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে পুরো রাজশাহীকেই। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে রাজশাহী মহানগরীর ততোই সজ্জিত হয়ে উঠছে।

    খায়রুজ্জামান লিটন আরও বলেন, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করার লক্ষে ১ জানুয়ারি থেকেই আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। মহানগর পর্যায়ে ও জেলা পর্যায়ে সভা করেছি, বিভিন্ন কমিটিগুলো করেছি। এরপর বিভাগীয় পর্যায়ে আমাদের নয়টি সাংগঠনিক জেলা, তাদেরকে নিয়ে কমিটি গঠন করেছি। স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে সভা করেছেন।
    এই মাদ্রামা মাঠ শুধু নয়, মাঠের পাশে যে ঈদমাঠ আছে সেটিসহ পুরো শহর লোকে লোকারণ্য হবে। মাঠ কানায় কানায় ভরে যাবে। তিল ধারণের ঠাঁই থাকবে না।

    এদিকে, সরকার প্রধানের আগমন উপলক্ষে প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এরই মধ্যে সমাবেশস্থলে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজশাহীজুড়ে নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছে।

    রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) রফিকুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে সামনে রেখে হেড কোয়ার্টারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আগে থেকেই সক্রিয় রয়েছে পুলিশ।

    তিনি আরও বলেন, রাজশাহীতে একজন ভিভিআইপির প্রটোকলে যত সুবিধা লাগে তার সব কিছুই আমরা প্রস্তুত রেখেছি। এছাড়াও মাদ্রাসা মাঠে একটি অস্থায়ী পুলিশের তাবু টানিয়ে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে। পাশাপাশি সাইবার টিম, বোম্ব ডিস্পোজাল টিম, সিআইডি, সাদা পোষাকি পুলিশ মোতায়েন আছে। সমাবেশের দিন নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে। এরই মধ্যে সিসি ক্যামেরাগুলো চেক করা হচ্ছে পাশপাশি নতুন ক্যামেরাও যোগ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের পর প্রথম কোনো নির্বাচনী সমাবেশ। এর আগে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর এই ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানেই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা উপস্থিত জনতার কাছে আওয়ামী লীগের জন্য ভোট চেয়েছিলেন। এছাড়াও ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর বাগমারায় ও ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চারঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দেন তিনি।

    ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর পবার হরিয়ানের বিশাল জনসভায় হাজির হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এরপর গত ২৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী গণভবনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় রাজশাহীতে এই সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে প্রতিদিনই ওয়ার্ড,উপজেলা ও ইউনিয়নে হচ্ছে- প্রচার মিছিল, গণসংযোগ, হ্যান্ডবিল বিলি, প্রস্তুতি সভা ইত্যাদি। ২৯ জানুয়ারী প্রধান মন্ত্রীর জনসভা হবে স্মরনকালের বড় জনসভা। একই মন্তব্য করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস।

    দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষায়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল উদ্দিন সোহেল বলেন, আমার ইউনিয়ন থেকে সব চেয়ে বেশী নেতা কর্মী সমর্থক, সুধিজন প্রধান মন্ত্রীর জনসভায় উপস্থিত এজন্য প্রতিদিন প্রস্ততিমূলক সভা করা হচ্ছে। কিভাবে, কখন জনসভায় উপস্থিত হবেন সে ব্যপারে পরামার্শ দেয়া হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভাসমান বেডে সবজি চাষ উদ্বোধন

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভাসমান বেডে সবজি চাষ উদ্বোধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক,গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় আজ দুইহাজার চারশ’ মিটার ভাসমান বেডে সবজি চাষের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের কয়েকটি জলাভূমির উপর তৈরী ৬০ মিটার দীর্ঘ ৪০ টি বেডে সবজির চারা রোপণ করে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ‘ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

    এ সময় কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায়, কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তুষার মধুসহ এলাকার কৃষক- কৃষাণীরা উপিস্থত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায় জানান, কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নে একহাজার পাঁচশ’ বিঘা জলাবদ্ধ পতিত জমি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ পতিত জমিতে ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জমির যেখানে ধান চাষ করা সম্ভব সেখানে ধান চাষ করা হবে, আর যেখানে ধান চাষ সম্ভব না সেখানে সবজি চাষ করা হবে।

    তিনি আরো জানান, এই একহাজার পাঁচশ বিঘা জলাবদ্ধ পতিত জমিতে ধান ও সবজির চাষ করা হলে ৬০ হাজার মন ধান উৎপাদিত হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ছয়কোটি টাকা। এছাড়া কচুরিপানার ভাসমান বেডে লাউ, কুমড়া, করলাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করলে অন্তত ৩০ লাখ টাকার সবজি উৎপাদন সম্ভব হবে।

  • ধামইরহাটে দৈনিক ভোরের দর্পণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত

    ধামইরহাটে দৈনিক ভোরের দর্পণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। ২০ জানুয়ারী রাতে ধামইরহাট পাবলিক লাইব্রেরীতে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু মুছা স্বপনের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম। ভোরের দর্পণের ধামইরহাট প্রতিনিধি এম এ মালেকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ হামিদী, আবুল বয়ান মো. আব্দুজ্জাহের, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক মেহেদী হাসান, আব্দুল্লাহেল বাকী, জাহিদ হাসান, সাইফুল ইসলাম, শামীম রেজা, পাস্কায়েল হেমরম, সুফল চন্দ্র বর্মন, আমজাদ হোসেন, আলতাব হোসেন, মেহেদী হাসান উজ্জল, তাওসিফ ইসলাম, মেহেদী সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, উজ্জল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকরা হলেন সমাজের দর্পণ, আর ভোরের দর্পণ পত্রিকা নিত্যদিন নতুন নতুন ভোরের আলো ছড়াবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।’

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • চরাঞ্চলে বসালেন কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসুল

    চরাঞ্চলে বসালেন কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসুল

    মো.হাসমত উল্লাহ লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটে কালীগঞ্জ থানার (ওসি)এ টি এম গোলাম রসুল, চরাঞ্চলের বালুর উপরে একটি প্লাস্টিকের চেয়ারে বসেই শুনলেন সেখানকার বসবাসরত মানুষের অভিযোগ ও চরাঞ্চলের মানুষকে পুলিশি সেবা দিতে জনগনের মন থেকে ভীতি কাটাতে।

    কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী ইউনিয়নের চর ভোটমারী ও শৈলমারীর চর এলাকায় গিয়ে দেখাযায়, খোলা আকাশের নীচে বালুর উপরে চেয়ার টেবিল পেতে বসেছে কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসুল । সঙ্গে থানার এসআই সহিদুল ইসলাম ও এএসআই সেলিমসহ পুলিশ ফোর্স। শুনছেন মানুষজনের কথা ।

    টাকার অভাবে, নদী পেরিয়ে ভয়ে অনেকে নানা সমস্যায় থানা পর্যন্ত যেতে পারেন না চরাঞ্চলের মানুষ। অনেকে দুষ্কৃতীকারিদের হুমকি উপেক্ষা করে থানায় যেতে ভয়ও পান। কালীগঞ্জ থানার ওসি হিসাবে কাজ করতে গিয়ে এমন নানা অভিজ্ঞতা হয়েছে এটিএম গোলাম রসুলের। তিনি পরিকল্পনা করেন, সপ্তাহে এক দিন থানা বসবে প্রত্যন্ত গ্রামে বা চরাঞ্চলে। তারই সূচনা করতে একটি প্রাস্টিকের চেয়ার ও ছোট্ট একটি টেবিলসহ পানি ও বালু পার হয়ে চরাঞ্চলে যান ওসি। চরাঞ্চলের বালুর উপরেই শুরু হয় থানার কাজকর্ম।

    সেখানে এসে ওসিকে কেউ জানাচ্ছেন ব্যক্তিগত অভিযোগ, কেউ বলছেন এলাকার নানা সমস্যার কথা। আবার অনেকে অপরাধমুক্ত এলাকা গড়তে দিচ্ছেন নানা প্রস্তাব। ওসি নিজেই সেসব অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ সব সময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে। ওসির এই উদ্যোগ পুলিশকে জনগণের আরও কাছে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে। ওসির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চরাঞ্চলের মানুষজন।

    চরাঞ্চলের বাসিন্দারা বলেন কালীগঞ্জ থানার ওসি এটি এম গোলাম রসুল, মহোদয়ের এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর আগে কখনও এমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। পুলিশের এ ধরনের ব্যাতিক্রমি কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকুক। তাহলে থানায় সাধারণ মানুষ তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • রাতের আঁধারে শীতের উষ্ণতা নিয়ে হেফজখানায় ইউএনও

    রাতের আঁধারে শীতের উষ্ণতা নিয়ে হেফজখানায় ইউএনও

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জি আর সারোয়ার,মাদ্রাসার মেঝেতে ঘুমানো হেফজখানার শিক্ষার্থীদের শীতের উষ্ণতা দিতে রাতের আঁধারে কম্বল পৌছে দিলেন। মধ্যরাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বারঘড়িয়া হাফেজিয়া মাদরাসায় কম্বল বিতরন করেন তিনি।

    জানা গেছে, তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের অনাথ দুস্থ ও অসহায় পরিবারের সন্তানরা হেফজখানায় কোরআন মুখস্ত করছে।তীব্র এ শীতের ঠান্ডাও তারা টিনের বেড়ার মাদরাসার মাটির মেঝেতে ঘুমায়। ছিন্নমুল পরিবারের এসব শিশু সামান্য কাপড়ে শীত নিবারন করছে। মাদরাসার মেঝের মাটির উপর খড় ও একটি কাপড় বিছিয়ে রাত্রী যাপন করে এসব শিশু। মাটির ঠান্ডা আর টিনের বেড়ার ফুটা দিয়ে শীতের হিমেল হাওয়ায় রাতভর শরীর গরম হয় না।

    এসব শীতার্ত শিশু শিক্ষার্থীদের শীতের উষ্ণতা পৌছে দিতে কম্বল নিয়ে ছুটে যান ইউএনও জিআর সারোয়ার। তিনি নিজ হাতে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে তাদের শিক্ষার খোঁজ খবর নেন।

    এ সময় তার সাথে ছিলেন, আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মফিজুল ইসলাম, মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ রোবেল মিয়া,মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ রোবেল মিয়া বলেন, মাঝ রাতে হঠাৎ মাদরাসা মাঠে গাড়ির হর্ণ বাজলে উঠে দেখি ইউএনও স্যার এসেছেন। পরে তিনি শিশু শিক্ষার্থীদের ঘুমানোর জায়গা দেখতে চাইলেন। তিনি শিশুদের ঘুমানোর অবস্থা দেখে গাড়ি থেকে কম্বল নিয়ে এসে সকল শিশুদের হাতে তুলে দেন শীতের উষ্ণতা। শিশুদের প্রতি স্যারের ভালবাসা দেখে আমি অবাক হয়েছি। স্বপ্নের মত মনে হয়েছে।

    আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জিআর সারোয়ার বলেন, শুধু মাদরাসাতে নয়, হাটবাজার পথে ঘাটে থাকা ভবঘুরে ও ছিন্নমুল পরিবারের মানুষদের হাতে সারাসরি কম্বল তুলে দিতে প্রতিরাতে গাড়িতে কম্বল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। এভাবে প্রতিরাতে শতাধিক কম্বল বিতরন করা হচ্ছে। শীতের কম্বল থাকার পরেও অনেকেই কম্বল দাবি করেন। তাই সরেজমিনে দেখে দেখে রাতের আঁধারে এভাবে পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছি। এটা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • সরকার দেশকে আওয়ামী লীগের দেশ বানাতে চায় : মির্জা ফখরুল

    সরকার দেশকে আওয়ামী লীগের দেশ বানাতে চায় : মির্জা ফখরুল

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারাই ভিন্নমত পোষণ করবে তাদেরই এ সরকার সন্ত্রাস বানিয়ে দেয়। তারা এদেশকে আওয়ামী লীগের দেশ বানাতে চায়।

    তিনি বলেন, আগামীদিনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এই জবরদখলকারী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকা এই সরকারকে আর কোনোভাবেই ভোট চুরির সুযোগ দেয়া হবে না।

    শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি কার্যালয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ফ্রন্টের এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    এর আগে সকালে তিনি দলীয় কার্যালয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের দেশের লোকেরা আসলেই অনেক সহজ-সরল। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরাও তাই। তারা বুঝতেও পারে না যে টোপর মাথায় পড়া একদিনের বরের যে কদর থাকে, একদিনের ভোটকে কেন্দ্র করে এ সরকারের কাছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরাও ঠিক তাই।

    তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় আজ যে মারামারি, হানাহানি, মন্দির ভাংচুরের মতো সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো ঘটছে, এগুলো সব বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারই ঘটাচ্ছে। আর এতে করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করা আওয়ামী লীগের কাছেই সুরক্ষিত নয়। এ সরকার বারবার সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো অস্ত্র বানিয়ে বিএনপির ওপর চাপিয়েছে।

    ২৭ দফা নতুন রূপরেখা অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা হবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে কমিশন গঠনের মাধ্যমে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করে জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি পরপর দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবে না – এ লক্ষ্যে সংশোধনী আনা হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সাল আমিন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ফ্রন্টের সভাপতি মনোরঞ্জন সিংসহ জেলা বিএনপির নেতারা।

    গৌতম চন্দ্র বর্মন
    ঠাকুরগাঁও

  • শহীদ বীরমুক্তিযুদ্ধা শাহাজাহান  মাস্টারের সহধর্মিনী  লুতফুন্নেছা বেবী আর নেই

    শহীদ বীরমুক্তিযুদ্ধা শাহাজাহান মাস্টারের সহধর্মিনী লুতফুন্নেছা বেবী আর নেই

    অমল তালুকদার, পাথরঘাটা থেকেঃ পাথরঘাটা উপজেলার না
    পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান
    সাবেক ছাত্র নেতা পাথরঘাটা উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক বর্তমান আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রিপন মোল্লার রত্নগর্ভা মা লুৎফুননেছা বেবী (৬৪) আর নেই।

    তিনি ২০ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ৮টা ২০ মিনিটের সময় পাথরঘাটা পৌরশহরের ৮নং ওয়ার্ডস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাথরঘাটা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে ।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর একমাত্র সন্তান রফিকুল ইসলাম রিপনকে ৮ মাসের গর্ভে রেখে বাবা হানাদার বাহিনীর হাতে শাহাদাৎ বরন করেন। সেইথেকে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

    এমন ত্যাগ কেবল এই সকল লুৎফন্নেছা বেবীদের দারা-ই সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলর ডেপুটি কমান্ডার ও জেলা পরিষদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক।

    শনিবার বলা ১১টায় এই বীরাঙ্গনা মায়ের জানাজায় হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণ করেন। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পাথরঘাটার কেন্দ্রীয় গোরস্থানে সমহিত করা হয়#

  • পাঁচবিবিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীম কুমারের দাহ সম্পূর্ণ,রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অব অনার প্রদান

    পাঁচবিবিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা অসীম কুমারের দাহ সম্পূর্ণ,রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অব অনার প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌরসভার পূর্ব-বালিঘাটা মহল্লার অসিম কুমার সাহা (৭০) নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যু বরণ করেছেন। তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার ( ২০ জানুয়ারি) রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    শনিবার(২১ জানুয়ারি) সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধার নিজ বাসভবনের সামনে পাঁচবিবি উপজেলা প্রশানের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড অফ অনার প্রদান করার হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.বরমান হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মিছির উদ্দিন মন্ডল, পাঁচবিবি থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হাবিবুর রহমানসহ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা।পরে তাকে নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাহ কাজ সম্পূর্ণ করা হয়।

    ১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালীন সময় স্বর্গীয় বীর মুক্তিযুদ্ধা অসীম কুমার সাহা ৭ নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন বলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো.মিছির উদ্দিন গণমাধ্যম কর্মীদের তার অবদান সম্পর্কে বলেন।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট

  • ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানে চোরাইকৃত নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণলংকার উদ্ধার

    ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানে চোরাইকৃত নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণলংকার উদ্ধার

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে চোরাইকৃত নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণলংকার উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    গত ৯ জানুয়ারি বিকাল ০৩.৩০ ঘটিকার সময়
    কোতোয়ালী থানাধীন ইটাখোলা রোডে জনৈক মো: আবুল মুনসুর এর বাড়ীতে উক্ত দুর্ধষ চুরি সংঘটিত হয়। জনৈক আবুল মুনসুর সহ তার পরিবারের লোকজন ঘটনার কিছুদিন র্পূব হইতে ঢাকায় থাকার সুযোগে চোর দিনের বেলায় বাসার মূল গেইট টপকে বাসা ও রুমের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এরূপ সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাছুম আহাম্মদ ভূঞা পিপিএম এর নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম-বার এর তত্বাবধানে এসআই নিরুপম নাগ, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা, কনস্টেবল জোবায়েদ, মিজানুর রহমান সহ একটি টিম চোরাই মালামাল উদ্ধার ও চোরকে গ্রেফতারের জন্য ঘটনার আশপাশের সিসি ক্যামেরা পর্যালোচনা করে চোরকে সনাক্ত পূর্বক অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সহিত জড়িত চোর মো: মাহফুজুর রহমান ওরফে তুহিন (২০) পিতা-মো: জুয়েল, সাং-আকুয়া চুকাইতলা বড়বাড়ী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ কে ধূর্ততম সময়ে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালত আসামীকে ২ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রদান করিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নিরুপম নাগ আসামীকে চোরাই মালামাল উদ্ধারের বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চোর মো: মাহফুজুর রহমান ওরফে তুহিন (২০) এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ জানুয়ারী চোরাইকৃত মালামালের মধ্য হতে ১ টি স্বর্নের আংটি, ১জোড়া স্বর্নের বালা, ১টি স্বর্নের চেইন ও নগদ ৫০০০০০/= (পাঁচ লক্ষ) টাকা উদ্ধার করেন। আসামী মো: মাহফুজুর রহমান ওরফে তুহিন (২০) একজন দুর্ধষ চোর। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম-বার।