Author: desk

  • দেশের ৬৪টি জেলায় হলুদের গুঁড়ো  বিক্রি করে সফলতার মুখ দেখেছেন পানছড়ির নারী উদ্যোক্তা হাসু আক্তার

    দেশের ৬৪টি জেলায় হলুদের গুঁড়ো বিক্রি করে সফলতার মুখ দেখেছেন পানছড়ির নারী উদ্যোক্তা হাসু আক্তার

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    বিভিন্ন রান্নার সামগ্রী হলুদের গুঁড়ো,লাল কালো বিনি চাল,ডাটা ফেলানো মরিচের গুঁড়ো বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় সরবরাহ করে সফলতা ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার মুখ দেখেছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলার নুকুল মাষ্টার পাড়া এলাকার নারী উদ্যোক্তা হাসু আক্তার (২৭)।

    ২০২০ সালের দিকে করোনা ক্রান্তিকালে ফেইসবুকে প্রবেশ করে একদিন তার নজরে পড়ে Women E-Commerce সাইট নামের একটা উদ্যোক্তা প্লাটফর্ম।সেই প্লাটফর্ম এর কর্ণধার নাছিমা আক্তার নিশার থেকে তিনি প্রথম অনুপ্রেরণা পেয়ে শুরু করেন ব্যবসা।তারপর সেখান থেকে গ্রুপের বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন রান্নার সামগ্রী সরবরাহ করতে শুরু করেন।

    সেই বছরের জুলাই মাসের দিকে হলুদ নিয়ে কাজ করার ঘোষণা দিলে তাতে অনেক সাড়া পান তিনি।প্রথম প্রথম একটু কম বিক্রি হলেও তারপর ধীরে ধীরে বিক্রি বৃদ্ধি পায়।

    জানা যায়,পানছড়ি উপজেলার লোগাং এলাকায় নিজস্ব জায়গায় সর্বপ্রথম কিছু লোক দিয়ে ৮ মন হলুদের চাষ করা করেন তিনি।তারপর হলুদ গুলো উপযুক্ত হলে তা ধুঁয়ে সিদ্ধ করার পর রোঁদে শুকিয়ে মিশিং দ্বারা গুঁড়ো করা হয়। এবং সর্বশেষ প্যাকেটিং করে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। এইভাবে তিনি কয়েকমাস করার পর অর্থনৈতিক যোগান না থাকায় থেমে না গিয়ে অনলাইনে পাওয়া অর্ডার অনুযায়ী তিনি বাজার থেকে হলুদ কিনে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া করা শেষে হলুদের গুঁড়া গুলো সরবরাহ করেন।আর তাতে লাভের মুখও দেখেন তিনি।

    এরপর তিনি শুরু করেন লাল কালো বিনি চাল সরবরাহ করা,তারপর ডাটা ফেলানো মরিচের গুঁড়ো।তবে তার সাথে আলাপ কালে জানা যায়, সবচাইতে সাঁড়া পেয়েছেন হুলুদের গুঁড়ো ও লাল কালো বিনি চাল বিক্রি করে। লাল কালো বিনি চাল সব জেলায় পাওয়া না যাওয়ায় তিনি অর্ডার বেশি পেতেন।সবমিলিয়ে পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তার অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসায় দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে বিক্রির চাহিদা।

    তিনি প্রতি মাসে গড়ে ১০০ থেলে ১২০ কেজি হলুদের গুঁড়া, ২০০ কেজি লাল কালো বিনি চাল,১৫ কেজি ডাটা ফেলানো মরিচের গুঁড়ো দেশের ৬৪টি জেলায় সরবরাহ করে থাকেন।এবং সকল খরচ বাদ দিয়ে প্রতিমাসে ঘরে বসেই গড়ে ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা ইনকাম করছেন বলে জানা যায় ।

    তার সাথে আলাপ কালে আরও জানা যায়, প্রথম অবস্থায় তার টিউশনির জমানো ৩০ হাজার টাকা নিয়েই শুরু করেন এই ব্যবসা।মাঝখানে পারিবারিক সমস্যা ও অসুস্থতায় ব্যবসাটি চালিয়ে নিতে পারেননি অনেক মাস।তারপর প্রবল আত্মবিশ্বাসে পুনরায় শুরু করেন ঘরে বসে রান্নার বিভিন্ন মালামাল সরবরাহ। সব খরচ বাদ দিয়ে এই পর্যন্ত তিনি ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মতো আয় করেছেন বলে জানান।

    হলুদ কালেকশন থেকে শুরু করে প্যাকেট প্রক্রিয়াজাত পর্যন্ত প্রতিদিন তিনঘন্টা করে তার কাছে কাজ করতো ৪ জন মহিলা। এবং প্রতি জনকে ১০০ টাকা করে দেওয়া হতো।

    ঘরে বসে এই কাজ করে তিনি অর্থনৈতিক সচ্ছলতার মুখ দেখেছেন এবং তার এই ইনকাম থেকে পারিবারিক খরচও চালাতেন।তার ইচ্ছা এই প্রসারটা আরও বৃদ্ধি করা।তার জন্য দরকার অর্থনৈতিক সাপোর্ট। সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা কিংবা লোন পেলে দেশের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানি করাসহ কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।তিনি বিশ্বাস করেন: যেকোনো ক্ষেত্রে সফলতার প্রথম শর্ত প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রম।

    লিপি কর্মকার নামের এক মহিলা বলেন:হাসু আপু বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।আমি অনেক বার তার থেকে সরাসরি হলুদের গুঁড়ো নিয়েছি।হলুদের গুণগত মান অনেক ভালো। তবে সরকারি সুযোগ সুবিধা পেলে এর পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।এবং কর্মসংস্থানও হবে অনেকের।

  • মিথ্যা অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র, হুমকি-ধামকী, হামলা, মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    মিথ্যা অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র, হুমকি-ধামকী, হামলা, মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    মো;বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পঞ্চগড়ে মিথ্যা অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র হুমকি-ধামকী, হামলা, বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও গত ২০ জানুয়ারী তারিখে করা সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগী এক পরিবার। সোমবার সকালে উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের পানিমাছপুকুরী এলাকায় ভূক্তভোগী জিয়াউর রহমানের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    এসময় ভূক্তভোগী জিয়াউর রহমান লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৫৫ সাল থেকে দীর্ঘ ৬৭ বছর ধরে ৩০ দশমিক ৩৩ একর জমির মালিক হয় আমার পরিবার ও আমার স্বজনেরা। এর পর থেকে ওই জমি গুলো ভোগ দখল করে আসছে আমার পরিবার ও স্বজনেরা। গত দুই বছর পূর্বে আমার বড়ভাই আব্দুর রাজ্জাক মারা যাওয়ার পর থেকে মোজাম্মেল, মোশারফ, লতিফ, সায়দার সহ তার বংশীয় লোকজন আমাদের জমিজমা দখলের চেষ্টা করে। এ নিয়ে কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে। পরে আদালত উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপরে এই বিরোধ নিয়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত স¤্রাট আপোষ করে দেন। কিন্তু তারা তা মানেনি। পরে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট উভয়ের কাগজপত্র দেখে যে প্রতিবেদন দেন তাতে আমরা ৫ দশমিক ০৫ একর জমি পাই। পরে গেল ৬ই জানুয়ারী (শুক্রবার) মোজাম্মেল, মোশারফ, লতিফ, সায়দার সহ তার বংশীয় লোকজন আমাদের জমিজমাতে প্রবেশ করে ঘর তুলে দখলের চেষ্টা করে। পরে আমরা ৯৯৯ এ ফোন দেই। সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতে তারা ঘর তৈরীর সামগ্রীতে আগুন দিয়ে আমাদের উপর হামলা করে আমাদের মারধর করে। আমরা অনেকে আহত হই। পরদিন ৭ই জানুয়ারী তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র রাম দা, চাইনজি কুড়াল, বল্লম, লোহার রড নিয়ে জমিতে হালচাষ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে তারা সটকে যায়। পরে আমাদের করা মামলায় পুলিশ তাদের কয়েকজনকে আটক করে। পরে আমরা আবারো আমাদের জমিতে চাষাবাদ করে গত ১৭ই জানুয়ারী ভূট্টা রোপন করি। ওইদিন রাতে মোজাম্মেল সহ তাদের লোকজন নিজেদের ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আমাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছে। আমরা কেন তাদের বাড়িতে আগুন ধরাতে যাবো।
    তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ তাদের পক্ষ নিয়েছে। তারা আমাদের কোনরুপ সহযোগিতা করছেনা। এটা মোটেই কাম্য নয়।
    এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের মিজানুর রহমান বলেন, আমরা কেন নিজের বাড়ি নিজে পোড়াতে যাবো। কারো দাড়া নিজের বাড়ি নিজে পোড়ানো কখনোই সম্ভব নয়। আমরা বাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। আমরা চাই এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবী করছি। নিরপেক্ষ একটি সমাধান চাই আমরা।
    পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, আমরা কখনোই কারো পক্ষ নেইনি। ভূক্তভোগীরা এ ধরনের অভিযোগ করতে পারে এটাই স্বাভাবিক। আইনের মধ্যে থেকে যতটুকু সেবা দেয়া দরকার আমরা ততটুকুই করছি। এখানে কোন পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।

  • শ্রীনগরে পুর্ব শত্রুতার জেরধরে হামলায় আহত ২

    শ্রীনগরে পুর্ব শত্রুতার জেরধরে হামলায় আহত ২

    লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা বাঘড়া ইউনিয়নে রুদ্রপাড়া ও ছত্রভোগ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

    হামলার শিকার বাদীর অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, নিজাম উদ্দিন ফকির (৩১), পিতা- সিরাজ ফকির, সাং- ছত্রভোগ, ইউপি- বাঘড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর থানায় বিবাদী- স্বপন (৩৮), জহিরুল (২৬), উভয় পিতা- মৃত মজিবর হাওলাদার, রুবেল মাঝি (৩৫), সোহেল (৩০), উভয় পিতা- আনিছ মাঝি, কালা চাঁন খাঁ (৪২), পিতা- জসু খাঁ, আব্দুল হক (৩৫), পিতা- সামু মাদবর, সর্ব সাং- তিন হালট, রুদ্রপাড়া, ইউপি- বাঘড়া, থানা- শ্রীনগর, জেলা- মুন্সিগঞ্জগণ সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ বিবাদীগণ বিবাদীগণ আমার পূর্ব পরিচিত। আমরা একই এলাকায় বসবাস করি। বিবাদীদের সহিত আমাদের পূর্ব থেকে বিরোধ চলিয়া আসিতেছিল।

    এরই ধারাবাহিকতায় ২২জানুয়ারী সকাল অনুমানিক ১০টায় সময় উক্ত বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন বিবাদীগণ কাঠের লাঠিসোটা, লোহার রড, লোহার পাইপ, ছেনদা হাতে আমার বাড়ীতে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া আমাকে সহ আমার পারিবারের লোকজনদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে।

    তখন আমি ঘর থেকে বের হয়ে বিবাদীদের কে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করি, বিবাদীগণ ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে এলোপাথারী ভাবে পিটাইয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে।

    ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা জেনদা দিয়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারিয়া গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। সে সময় আমার চাচাতো বোনের স্বামী- জাহাঙ্গীর (৩৫), পিতা- আজিজ হাওলাদার, আগাইয়া আসিতে উক্ত বিবাদীগণ তাকেও মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। ২নং বিবাদী তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া জাহাঙ্গীর (৩৫) ভাই কে হত্যার করার উদ্দেশ্যে তার মাথায় আঘাত করা কালে উক্ত আঘাত তার ডান চোখে লাগিয়া গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। ৩নং বিবাদী- রুবেল মাঝি (৩৫) জাহাঙ্গীর (৩৫) ভাইয়ের গলায় থাকা ০৬ আনি ওজনের স্বর্নের চেইন, যাহার মূল্য অনুমান ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    আমাদের ডাক চিৎকারে আমার আত্মীয় সজন সহ এলাকার পাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীগণ আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি সহ বিভিন্ন ধরনের ভায়ভীতি দেখাইয়া চলিয়া যায়।

    পরে উপস্থিত লোকজনের সহযোগীতায় আমার পরিবারের লোকজন আমাকে সহ জাহাঙ্গীর (৩৫) ভাইকে রক্তাক্ত আহত অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য শ্রীনগন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া যায়।

    এব্যপারে এস এই সামিউল জানান উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • হরিণাকুন্ডুতে কৃষকের পাতা ফাঁদে ধরা পড়লো মেছোবাঘ

    হরিণাকুন্ডুতে কৃষকের পাতা ফাঁদে ধরা পড়লো মেছোবাঘ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিভিন্ন গ্রামে মেছো বাঘের বংশ বিস্তার ঘটেছে। হরহামেশা চোখে পড়ছে বিপন্ন প্রজাতির এই প্রাণী। শৈলকুপার পর এবার হরিণাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে একটি মেছো বাঘ আটক করেছে গ্রামবাসি। সোমবার সকালে সেটি উদ্ধার করে সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। গ্রামবাসি জানায়, উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের খালপাড়া এলাকার একটি মাঠে সলেমান মোল্লা নামে এক কৃষকের পাতা ফাঁদে রোববার রাতে আটকা পড়ে মেছো বাঘটি। রিপন নামে এক গ্রামবাসি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে লোকালয়ে মানুষের বাড়িতে হানা দিয়ে হাঁস-মুরগি ধরে নিয়ে যাচ্ছিল মেছো বাঘ। উপায়ন্ত না পেয়ে সলেমান মোল্লা নামে এক কৃষক তার বাড়ির পাশে বাঁশ দিয়ে ফাঁদ তৈরি করেন। রোববার রাতের কোন এক সময় বাঘটি আটকা পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে ওই কৃষক ফাঁদের মধ্যে বাঘটিকে দেখেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বসির উদ্দিন জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। পরে তারা এসে বাঘটিকে নিয়ে যান। খুলনা বন বিভাগের কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ওই মেছো বাঘটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়, তারপর সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • গৌরনদীতে ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন

    গৌরনদীতে ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন

    রিপোর্ট!! সুমন তালুকদার গৌরনদী।

    বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী এবং স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য বিতরণ চালু রাখলেও টিসিবির পণ্য বিতরণে অনেক জায়গাতেই অনিয়ম লক্ষ্য করা যায়। একজনের পণ্য আরেকজনের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং বৃত্ত শালীদের দেখা যায় টিসিবির পণ্য ভোগ করতে।যার ফলে প্রকৃত দারিদ্র জনগোষ্ঠী এই সেবা থেকে থেকে যায় বঞ্চিত।তবে প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে সঠিকভাবে তার টিসিবির পণ্য পেতে পারে সেই লক্ষ্যে বরিশালের গৌরনদীতে টিসিবির পণ্যে বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষে ফ্যামিলি কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে ডিজিটাল কার্ড বিতরনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার দুপুরে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ডিজিটাল কার্ড বিতরণের ফলে একজনের পণ্য অন্যজনের নিয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে এবং উপকারভোগীরা যে সকল পণ্য পাবেন তার পুরো বিবরণ ম্যাসেজের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে চলে আসবে।

    সুমন তালুকদার
    গৌরনদী, বরিশাল

  • উপনির্বাচন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় মার্কা পেলেন একতারা

    উপনির্বাচন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় মার্কা পেলেন একতারা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টর।।ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার কৃত্তি সন্তান ডিএন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় গত ৫ই জানুয়ারি ২০২৩ ইং তারিখে আসন্ন উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র সাংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন।গত ৮ জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখে জেলা রিটার্নিং কার্যালয়ে বাছাই পর্বে এক জন ব্যক্তির ঋনের জামিনদার থাকার কারনে প্রার্থীতা বাতিল করেন ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং অফিসার।এ বিষয়ে উক্ত লোন গ্রহিতার সূদে আসলে সকল টাকা পরিশোধ করে।হাইকোর্টে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করলে রিট আবেদন খারিজ হয়ে যায়।এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে পূনরায় প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার জন্য রিট আবেদন করলে ২২শে জানুয়ারি ২০২৩ আদালতের রায়ের নির্দেশে প্রার্থীতা ফিরে পান অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়।উচ্চ আদালতের এ রায়ে প্রার্থীতা ফিরে পেলে তিনি মটরগাড়ি মার্কা চান সে বিষয় এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মটর গাড়ী (কার)মার্কা ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন ভোটারা নিজ খরচে পোষ্টার বানিয়ে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন এতে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা বাসীগণ গণজোয়ারে ভাসতে থাকেন গোপাল চন্দ্র রায় পক্ষে।২৩ শে জানুয়ারী ২০২৩ ইং তারিখে জেলা রিটার্নিং অফিসার তাকে একতারা প্রতীক বরাদ্দ দেন।এ বিষয়টি নিশ্চিত হলে ভোটার ও সমর্থকরা তৎক্ষনাৎ বিভিন্ন গণমাধ্যমে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের একতারা মার্কা প্রতীকের প্রচার প্রচারণায় ভাইরাল হয়ে যায়।বর্তমানে ভোটের মাঠে উত্তাল তরঙ্গের ঢেউ উঠেছে একতারা মার্কায় পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা বাসীর কাছে।

    প্রার্থীতা ফিরে পেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা বাসীর কাছে মুঠোফোনে ভোটার মাঝে পৌঁছে যায় সে খবর।এ খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয় আলোচনার ব্যাপক ঝর।ভোটার ও সমর্থকদের মাঝে মুহূর্তেই একতারা মার্কার উত্তাল তরঙ্গের ঢেউ উঠে আসে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের পক্ষে।

    আসন্ন ঠাকুরগাঁও-৩ পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল ভোটের নির্বাচনের মাঠে শুরু হলো চারিদিকে গোপাল চন্দ্র রায়ে একতারা মার্কার প্রচারণার সুর।অনেকের মুখে শোনা যায় এবার ভোট দেওয়ার জায়গা খুঁজে পেলাম।প্রার্থী এখন আমাদের গোপাল চন্দ্র রায় একতারা মার্কা এ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা বাসীর উন্নয়ন ঘটাতে চাই।

    এবিষয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি মটরগাড়ি মার্কা চাইছিলাম কিন্তু নির্বাচন কতৃপক্ষ সে মার্কা না দিয়ে একতারা মার্কা প্রতীক বরাদ্দ দেন। আর এই এক তারা প্রতীকে আগামী ১ লা ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ভোট দিয়ে আমাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করবেন বলে একতারা মার্কায় ভোট চান অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়।আর এই একতারা মার্কা নিয়ে এবিষয়ে অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় অদ্য ২৩ জানুয়ারী -২০২৩ সোমবার নিজ নির্বাচলী এলাকায় পথ সভা করার কথা আছে বলে জানা যায়।

  • ঝিনাইদহের বলুহর বাওড়পাড়ে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধনে আহাজারী

    ঝিনাইদহের বলুহর বাওড়পাড়ে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধনে আহাজারী

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের ৬টি বাওড় রক্ষায় হালদার সম্প্রদায়ের মৎস্যজীবীরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। প্রতিদিন তারা বাওড় পারে মানববন্ধন ও সমাবেশ করছেন। গতকাল সোমবার কোটচাঁদপুরের বলুহর প্রজেক্ট এলাকায় এমন মানববন্ধনে হাজির হন ৭৭ বছর বয়সী শ্রী নরেন হালদান, যার ৬৮ বছরই কেটেছে জাল দড়া টেনে। মানববন্ধনে হালদার সম্প্রদায়ের কয়েক’শ মানুষ উপস্থিত হয়ে তাদের পেটে লাথি না মারার আকুতি জানান। মানববন্ধনে সুধীর হালদার নামে এক মৎস্যজীবী বস্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, হালদার সম্প্রদায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করে বলে এসেছেন “হয় বিষ দ্যান না হয় বাওড়ের মালিকানা দ্যান”। বাপ দাদার কর্মক্ষেত্র বলুহর বাওড় ইজারা দেয়া হলে তারা সেচ্ছায় আত্মহুতির কর্মসুচি দিতে বাধ্য হবেন বলেও জানান এই মৎস্যজীবী। তাদের ভাষ্য, ব্রিটিশ ও পাকিস্তানী আমল থেকে তারা বাওড়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই বৃদ্ধ বয়সেও বৃহৎ একটি পরিবার তাদের আয়ের উপর নির্ভরশীল। জীবন সয়াহ্নে এসে তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন বলুহর বাওড়ের মালিকানা হারাতে বসেছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসন টেন্ডারের মাধ্যমে বাওড়গুলো ইজারাদানের পক্রিয়া চালাচ্ছে। ফলে কর্ম হারানোর প্রহর গুনছেন বাওড়পাড়ের হাজারো মৎস্যজীবী পরিবার। শুধু নরেণ হালদার নয়, তার মতো বাওড় পাড়ের রহমতপুর গ্রামের সাধন হালদার, বলুহর গ্রামের নিত্য হালদার, শ্রীমতি কমলা রানী হালদার, বজরাপুর গ্রামের সন্তোষ কুমার হালদারসহ জেলার ৬টি বাওড়ের উপর নির্ভরশীল প্রায় ৫ হাজার মানুষের মাঝে নেমে এসেছে চরম হতাশা। মৎস্যজীবীরা জানান, সরকারের ভুমি মন্ত্রনালয় ঝিনাইদহের ৬টি বাওড় ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাওড়গুলো হচ্ছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাঠগড়া, ফতেপুর, কোটচাঁদপুরের বলুহর, জয়দিয়া, কালীগঞ্জের মর্জাদ এবং বেড়গোবিন্দপুর। এ সব বাওড়ের মোট জলাকার হচ্ছে ১১৩৭ হেক্টর। ৬টি বাওড় এলাকায় ৭৬৭টি পরিবারের প্রায় ৫ হাজার সদস্য এ সব বাওড় থেকে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। মৎস্যজীবীরা সরকারের “জাল যার জলা তার” এই নীতির উপর ভর করে সেই ১৯৭৯ সাল থেকে বাওড়ে মাছ ধরে আসছিলেন। সুফলভোগী মৎস্যজীবী সুধীর হালদার জানান, বাওড় ইজারা দিলে সরকারের এককালীন বেশি টাকা আয় হলেও একদিকে যেমন বাওড়গুলো ক্ষতির মুখে পড়বে, তেমনি মালিকানা হারিয়ে পথে বসবে বাওড়ের উপর নির্ভরশীল হাজারো পরিবার। ফলে ধ্বংস হবে জীববৈচিত্র্য। বাওড়গুলো চলে যাবে প্রভাবশালী মধ্যসত্বভোগীদের দখলে। ইতিমধ্যে একটি মাফিয়াচক্র বাওড়গুলো ইজারা নিতে কোমর বেধে মাঠে নেমেছে। ভুইফোড় সমিতির নামে কোটি কোটি টাকার ডাক তুলে সিডি জমা দেয়া হয়েছে। সুধীর হালদার অভিযোগ করেন, কোটচাঁদপুরের শীতল হালদার নামে এক ব্যক্তি দুই কোটি ৩৭ লাখ টাকার বিপরীতে সিডি জমা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এই টাকার জোগানদাতা কারা ? শীতল হালদারের পেছনে কারা টাকার যোগান দিচ্ছে ? এ বিষয়ে বিল বাওড় প্রকল্প পরিচালক মোঃ আলফাজ উদ্দিন শেখ জানান, মৎস্য বিভাগ চেষ্টা করছে বর্তমান প্রকল্পের মেয়ার বৃদ্ধি করে চলমান নিয়মে মাছের চাষ করা। কিন্তু ভুমি মন্ত্রনালয় এগুলো ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা চুড়ান্ত ভাবে বাস্তবায়িত হলে হাজারো হালদার পরিবার পথে বসবেন। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম জানান, বাওড়পাড়ের মানুষগুলোর কথা চিন্তা করে ভুমি মন্ত্রনালয় মৎস্য অধিদপ্তরের এক প্রকল্পের মাধ্যমে মাছ চাষের জন্য দিয়েছিল। কিন্তু তারা সফলতা আনতে পারেনি। বাওড়পাড়ের হলদারদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে কথা বলবেন বলে তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুর মহেশপুর এলাকার সংসদ সদস্য এ্যাড শফিকুল আজম খান চঞ্চল জানান, আগামী ৩১ জানুয়ারি বিষয়টি নিয়ে আন্তঃ মন্ত্রনালয়ে সভা হবে। সেখানে বিষয়টি উঠবে। তিনি বলেন, বাওড়গুলো ইজারা দিলে সরকার হয়তো এককালীন টাকা পাবে, কিন্তু হালদার পরিবারগুলো কোথায় যাবে ? এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে মানবতা ভুলুন্ঠিত হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে বাওড় রক্ষায় যা যা করার তাই তিনি করবেন।
    হরিণাকুন্ডুতে কৃষকের পাতা ফাঁদে ধরা পড়লো মেছোবাঘ!
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিভিন্ন গ্রামে মেছো বাঘের বংশ বিস্তার ঘটেছে। হরহামেশা চোখে পড়ছে বিপন্ন প্রজাতির এই প্রাণী। শৈলকুপার পর এবার হরিণাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে একটি মেছো বাঘ আটক করেছে গ্রামবাসি। সোমবার সকালে সেটি উদ্ধার করে সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। গ্রামবাসি জানায়, উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের খালপাড়া এলাকার একটি মাঠে সলেমান মোল্লা নামে এক কৃষকের পাতা ফাঁদে রোববার রাতে আটকা পড়ে মেছো বাঘটি। রিপন নামে এক গ্রামবাসি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে লোকালয়ে মানুষের বাড়িতে হানা দিয়ে হাঁস-মুরগি ধরে নিয়ে যাচ্ছিল মেছো বাঘ। উপায়ন্ত না পেয়ে সলেমান মোল্লা নামে এক কৃষক তার বাড়ির পাশে বাঁশ দিয়ে ফাঁদ তৈরি করেন। রোববার রাতের কোন এক সময় বাঘটি আটকা পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে ওই কৃষক ফাঁদের মধ্যে বাঘটিকে দেখেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বসির উদ্দিন জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। পরে তারা এসে বাঘটিকে নিয়ে যান। খুলনা বন বিভাগের কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ওই মেছো বাঘটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়, তারপর সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • টুঙ্গিপাড়ায় বেগুনের বাম্পার ফলন, দামে খুশি চাষীরা

    টুঙ্গিপাড়ায় বেগুনের বাম্পার ফলন, দামে খুশি চাষীরা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চলতি মৌসুমে বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম থাকায় খুশি উপজেলার বেগুন চাষিরা। এতে একদিকে যেমন কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে অন্যদিকে আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদের। বর্তমানে বেগুন ক্ষেত পরিচর্যা ও তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষাবাদ করেছেন চাষিরা। গত মৌসুমের চেয়ে এবার প্রায় ২০ হেক্টর বেশি জমিতে বেগুন চাষাবাদ হয়েছে। ভাঙর, বিটি বেগুন ও বারি বেগুন-৫ এই তিন জাতের বেগুনের চাষাবাদ করেছেন উপজেলার ৭৫ জন কৃষক। কৃষি দপ্তর থেকে চাষীদের বিনামূল্যে সার, বীজ, নেটসহ ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ দেয়া হয়েছে।

    ফলে উপজেলার ৫০ হেক্টর জমির গাছে গাছে এখন বেগুন ঝুলে রয়েছে। সকাল ও বিকালে জমির গাছ থেকে বেগুন তুলে বাজারে বিক্রি করছেন তারা। কিটনাশক ব্যবহার না করার ফলে এ উপজেলার বেগুনের চাহিদা রয়েছে দেশ জুড়ে। ঢাকা, খুলনা, বাগেরহাট, নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলার পাইকারা বেগুন কিনছেন। পরে তা ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছেন বিক্রির জন্য।

    পাটগাতী ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামের কৃষক হানিফ ফকির বলেন, চলতি রবি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে বিটি বেগুন চাষাবাদ করেছি। ভালো ফলন ও বাজারে দাম ভালো থাকায় খুবই খুশি। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সার, বীজ, ফাঁদ, নেট পেয়ে বেগুন চাষাবাদে খরচ কম হয়েছে। এবার বেগুনে বেশ লাভবান হবো।

    কুশলি ইউনিয়নের দক্ষিণ বসুরিয়া মনির মোল্লা ও ফায়জুল মোল্লা বলেন, আমরা দুইজন ২ বিঘা জমিতে ভাঙর জাতের বেগুনের চাষাবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে ও পোকামাকড়ের উপদ্রব কম থাকায় এবার বেগুনের ভালো ফলন হয়েছে। এছাড়া বাজারে ভালো দাম রয়েছে। তাই আমরা খুব আনন্দিত।

    টুঙ্গিপাড়া কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উঁচু জায়গা গুলোতে প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষাবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি ৩৫ টন ফলন হয়েছে। বাজারে পাইকারি ও খুচরা মূল্য ভালো থাকায় কৃষকেরা খুবই খুশি। শুরু থেকে কৃষি বিভাগ থেকে তাদেরকে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আগামী মৌসুমে বেগুনের চাষাবাদ আরো বাড়বে বলেও আশা করেন তিনি।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে হেক্টর প্রতি ৩৫ টন বেগুনের ফলন হয়েছে। বাজারে কেজি প্রতি খুচরা মূল্য ৪০-৫০ টাকা ও পাইকারি ৩০-৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যা গত মৌসুমের তুলনায় ১০-১৫ টাকা বেশি। তাই বেশি দাম পেয়ে খুশি উপজেলার বেগুন চাষিরা। বেগুন চাষাবাদে প্রথমে চাষ দিয়ে জমি প্রস্তুত, পরে সার প্রয়োগ, চারা রোপন, ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন, প্রয়োজন অনুযায়ী বালাইনাশক স্প্রে ও পরিচর্যা করতে হয়। সাধারণত এ অঞ্চলে অক্টোবরে এ জাতের বেগুন চাষাবাদ শুরু করা হয়। ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধারনের উপযোগী হয়। এছাড়া ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে বেগুন পূর্ণরূপ ধারণ করে। এরপর বাজারে বিক্রি করা হয়। #

  • ডোমার থানা পুলিশের আয়োজন ওপেন হাউস ডে ও অভিবাদন মঞ্চ সহ হিমঘরের শুভ উদ্বোধন

    ডোমার থানা পুলিশের আয়োজন ওপেন হাউস ডে ও অভিবাদন মঞ্চ সহ হিমঘরের শুভ উদ্বোধন

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ “দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে ডোমার থানা, নীলফামারীর আয়োজনে ওপেন হাউজ ডে এবং থানা অভ্যন্তরে অভিবাদন মঞ্চ ও হিমঘর এর শুভ উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

    রবিবার (২২ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ) ডোমার থানা, নীলফামারীর আয়োজনে থানা চত্বরে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুযোগ্য পুলিশ সুপার, নীলফামারী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম । প্রধান অতিথি ডোমার থানায় আগমন কালে শুরুতেই ডোমার থানার নবনির্মিত অভিবাদন মঞ্চ এবং হিমঘর এর শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথি ওপেন হাউজ ডে তে আগত সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে মুক্তভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দেন এবং সকলের প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশ বাহিনী প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেন, পুলিশ বাহিনীর সাথে এদেশে রক্তের সম্পর্ক। তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্তের কোন ধর্ম নাই, তারা কারও বাবাও নয় কারও ভাইও নয়। আমাদেরকে সম্মিলিত ভাবে মাদক সন্ত্রাস থেকে আমাদের প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে। নীলফামারী জেলা হতে মাদক, জুয়া ও চুরি সমূলে নির্মূলে জেলা পুলিশ, নীলফামারী অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন নীলফামারী জেলার প্রতিটি থানায় এখন সকল স্তরের মানুষ কোন হয়রানি ছাড়াই শতভাগ সেবা পাচ্ছে, তিনি থানায় সেবা প্রাপ্তিতে কোন অনিয়ম দুর্নীতি চোখে পড়লে তা জানানোর আহ্বান জানান। এছাড়াও পুলিশ সুপার সড়ক দুর্ঘটনা, গরু চুরি ও মাদক জুয়া প্রতিরোধে জেলা পুলিশের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহমুদ উন নবী, অফিসার ইনচার্জ, ডোমার থানা। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ডোমার থানা ১০০% দালাল মুক্ত,যে কোন সমস্যায় সেবা নিতে সরাসরি থানায় আসবেন। ইভটিজিং বাল্যবিবাহ, মাদক, জুয়া, চুরি, ছিনতাই, অনিয়ম দুর্নীতি চোখে পড়লে তা থানা পুলিশ প্রশাসনকে জরুরিভাবে অবগত করার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তোফায়েল আহমেদ, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, ডোমার, নীলফামারী; মনছুরুল ইসলাম দানু,মেয়র, ডোমার পৌরসভা, ডোমার,নীলফামারী; পূবন আকতার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ডোমার নীলফামারী; আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার সার্কেল) নীলফামারী; বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ নূর নবী, সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ডোমার, নীলফামারী; মঞ্জুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ডোমার, নীলফামারী; খাইরুল আলম, সভাপতি, কমিউনিটি পুলিশ, ডোমার, নীলফামারী; আব্দুল মালেক সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, ডোমার নীলফামারী; রওশন কানিজ, ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ,ডোমার নীলফামারী; এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ, অত্র এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

  • তারাগঞ্জে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ২ চোর গ্রেফতার

    তারাগঞ্জে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ ২ চোর গ্রেফতার

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    বিভিন্ন সময় চুরি যাওয়া ৪টি মোটরসাইকেল ও চোরাই সিন্ডিকেটের ২ চোরকে গ্রেফতার করে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায় , গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে এসআই তোহাকুল ইসলাম , তোজাম্মেল ইসলাম , এএসআই সাইফুল ইসলাম, রায়হান সরকার, জিয়াউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স ইকরচালী ইউনিয়ন পরিষদের সামনের পাকা রাস্তা থেকে চোরাই ৩টি ডিসকভার ও ১টি প্লাটিনা মোটরসাইকেলসহ ২ জনকে গ্রেফতার করে । এ সময় অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন চোরের সদস্য মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায় ।

    গ্রেফতাররা হলেন , দক্ষিণ দোহাজারী এলাকার গহির উদ্দিন ( খুদি)’র ছেলে মোঃ হাসানুর আলী হাসান (২৫) ও দোহাজারীর কাফিরীয়াটারি গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৩)।

    তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন , আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।