Author: desk

  • মহালছড়িতে জোন কর্তৃক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    মহালছড়িতে জোন কর্তৃক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    (রিপন ওঝা,মহালছড়ি)

    মহালছড়ি উপজেলার আওতাধীন সিন্ধুকছড়ি ইউনিয়নের পঙ্খীমূড়ায় সেনাবাহিনী কর্তৃক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

    উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় একটি মেডিক্যাল টিম আজ ২৪ জানুয়ারি রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে বিকাল ২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক (৩০০) দুঃস্থ ও হতদরিদ্র পাহাড়ি-বাঙ্গালীদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।

    দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনীর এরূপ মহতি উদ্যোগে স্থানীয় জনসাধারন অত্যন্ত আনন্দিত। মহিলা, শিশু ও বয়োবৃদ্ধগণ নিজেদের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা সেবা পেয়ে মহালছড়ি সেনা জোনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ ব্যক্ত করেন।

    এ বিষয়ে মহালছড়ি সেনা জোনের অধিনায়ক এর সাথে কথা বলে জানা যায়, “মহালছড়ি সেনা জোন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের উন্নত মানের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আন্তরিকভাবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এর ধারা অব্যাহত থাকবে।

  • ধামইরহাটে মধ্যরাতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার বাদীর বাড়ীর সামনে অগ্নিকান্ড ঘটালো দূর্বৃত্তরা

    ধামইরহাটে মধ্যরাতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার বাদীর বাড়ীর সামনে অগ্নিকান্ড ঘটালো দূর্বৃত্তরা

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে ধর্ষন চেষ্টা মামলার বাদীর বাড়ীর সম্মুখে অগ্নিকান্ড ঘটিয়েছে দূর্বৃত্তরা। মামলায় জামিন পেয়ে প্রতিপক্ষরা এই হামলা চালাতে পারে বলে আশংকা ভুক্তভোগীর। এ বিষয়ে ২৩ জানুয়ারী রাতে ধামইরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ও মামলা বাদী রেবেকা সুলতানা।
    ধামইরহাট থানার অভিযোগ সূত্রে ও সরেজমিনে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট’২০২২ তারিখে আড়ানগর ইউনিয়নের গোকুল গ্রামের রেবেকা সুলতানার বিবাহিত কন্যা (১৮) কে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ এনে ধর্ষণের চেষ্টাকারী খেয়াড়শুকনা গ্রামের মোতালুর ছেলে সজল হোসেন ও গোকুল গ্রামের ধনবর আলীর ছেলে ছানোয়ার হোসেন ও ধনবরের পুত্রবধু বিথী খাতুন নামে থানায় মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় চলতি মাসের ২২ জানুয়ারী স্বেচ্ছায় আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত ১নং আসামীকে কোর্ট হেফাজতে ও ২ এবং ৩ নম্বর বিবাদীকে জামিন প্রদান করেন। ওই রাতেই বাদী রেবেকা সুলতানার বাড়ীর প্রধান ফটকের সম্মুখে আড়াই বিঘার খড়ের গাদা ও অতি সন্নিকটে আরও একটি খড়ের গাদায় অগ্নিকান্ড ঘটে। মধ্যরাত দেড়টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে রেবেকা সুলতানা অগ্নিকান্ড দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তা নিয়ন্ত্রনে আনে। বাদী রেবেকা সুলতানার আশংকা ধর্ষন মামলার আসামী ছানোয়ার ও তার বাবা ধনবর আলী এই অগ্নিকান্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারে। দুটি খড়ের গাদায় অগ্নিকান্ডে ৯৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবী।
    অভিযোগ অস্বীকার করে ধনবর আলী বলেন, আমি স্ট্রোকের রোগী, অসুস্থ্য মানুষ, আমার জামাইয়ের মোটরসাইকেল চুরি হওয়ায় আমি দুঃচিন্তায় আরও অসুস্থ্য হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি, আমি কারও খড়ে আগুন দেইনি, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে প্রতিপক্ষরা, মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাসিয়েছে, আবারও অগ্নিকান্ডের মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে ফাসানোর চেষ্টা করছে তারা।’
    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মিঠন জানান, রাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ডাক-চিৎকার শুনে আমিসহ বেশ কয়েকজন আগুন নিভাতে সহযোগিতা করেছি, তবে কে বা কাহারা আগুন দিয়েছে তা আমাদের জানা নেই।
    ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাই-অন্তে প্রকৃত দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট (নওগাঁ)

  • বেনাপোলে পোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ১০ পিচ স্বর্ণের বার উদ্ধার

    বেনাপোলে পোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ১০ পিচ স্বর্ণের বার উদ্ধার

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ পিচ (১ কেজি ১শ ৬০ গ্রাম ওজনের) স্বর্ণের বার উদ্ধার করা করেছে পুলিশ।

    তবে, এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে স্বর্ণ পাচারকারী পালিয়ে যায়।

    মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী ) দিবাগত রাতে বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী গ্রাম সাদিপুর ব্রীজের উপর
    এ চালানটি উদ্ধার করে পোর্ট থানা পুলিশ।

    নাভারন সার্কেলের এএসপি নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, স্বর্ণ পাচারকারীরা সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের স্বর্ণ পাচার করবে , এমন গোপন সংবাদে সেখানে অভিযান চালালে স্বর্ণ পাচারকারীরা পালিয়ে যায় ৷ পরে অজ্ঞাতনামা আসামীদের ফেলে যাওয়া ১০ পিচ স্বর্ণেরবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা ৷ স্বর্ণ পাচারকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান৷

  • হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর বার্ষিক পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর বার্ষিক পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর আয়োজনে গতকাল হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর মিলনায়তনে বার্ষিক পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
    পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ শাহ মোহাম্মদ সরওয়ার জাহান,অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জিম্মা হোসেন, রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক মোঃ জাকিরুল ইসলাম লেলিন,ডাঃ লাইক আহমেদ খান,ডাঃ সুশান্ত কুমার বর্মন,ডাঃ জাহাঙ্গির কবির পলাশ, ডাঃ শফিকুস সালেহীন অপু,ডাঃ এ এস এম রওশন আলম, ডাঃ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, ডাঃ সুকুমার মজুমদার, ডাঃ এমদাদুল হক,ডাঃ মফিজুল ইসলাম মান্টু, ডাঃ কাওছার আহমেদ, ডাঃ একিউএম মনজুরুল হাসান মেনন, ডাঃ মোস্তফা আলম বনি, ডাঃ এসএম মোছাদ্দেকা ইসলাম রুপসা,ডাঃ মনিকা রায়,ডাঃ ফাহমিদা পারভীন লুবনা, ডাঃ বিউটি প্রমূখ।
    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিইও মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় পুরো আয়োজনটি পরিচালিত হয়।
    উল্লেখ্য প্রতিবছর শীত মৌসুমে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এরকম নিয়মিত ভাবে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছেন।

  • মহালছড়ি জোন কর্তৃক প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ

    মহালছড়ি জোন কর্তৃক প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ

    (রিপন ওঝা, মহালছড়ি)

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে আজ ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখ সোমবার প্রত্যন্ত অঞ্চল পাইন্দাপাড়া এলাকায় সাবজোন কমান্ডার মেজর মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রধান উপস্থিত থেকে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেন যেখানে প্রায় ১০০টি পরিবার উপকৃত হয়।

    এছাড়া মানিকছড়ি পাইন্দাই পাড়া বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী (যেমনঃ- খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, স্কেল, পেন বক্স ইত্যাদি) বিতরণ করা হয়েছে।

    প্রত্যন্ত এলাকায় মহালছড়ি জোনের এরূপ সাহায্য পেয়ে স্থানীয় জনগণ অত্যন্ত আনন্দিত। পাহাড়ি এবং বাঙ্গালীদের মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখার মহত উদ্দেশ্যে মহালছড়ি জোন সর্বদা নানা রকম সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এলাকার কারবারিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এরূপ মহতি উদ্যোগে স্থানীয় জনগণ মহালছড়ি জোনের অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও সাধুবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বানারীপাড়ায় বিট পুলিশ কমিউনিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বিট পুলিশ কমিউনিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী বেলা ১১ টায় উপজেলার বাইশারী ইউপি মিলনায়তনে বেসরকারী সংস্থা নাগরিক উদ্যোগ এর আয়োজনে “প্রকল্প কার্যক্রম বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, বিট পুলিশ এবং কমিউনিটি পুলিশের” সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন এ এস আই মোঃ মামুনুর রশিদ, সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউপি সচিব সারমিন। কমিউনিটি প্যারলিগ্যাল সুমাইয়ার সঞ্চালনায় প্রকল্পের পরিচিতি বিষয়ে আলোচনা করেন সংস্থার এরিয়া অফিসার মোঃ মহাসিন মিয়া। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বৃন্দ, বিট পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ প্রমুখ।একই বিষয়ে মতবিনিময় সভা সোমবার উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউপি সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবীর, বিশেষ অতিথি ছিলেন এ এস আই মোঃ মামুনুর রশিদ প্রমূখ।

  • বানারীপাড়ায় লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে হনুমান

    বানারীপাড়ায় লোকালয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে হনুমান

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা।। বেশ কিছুদিন ধরে বানারীপাড়া পৌর এলাকাসহ সলিয়া বাকপুর এবং সদর ইউনিয়নের মাছরং, আজালিয়া গ্রামে দুই হনুমানের অবাধ বিচরণ। এরা কখনো গাছে, দালানের কার্নিশ, টিনের চাল, ছাদের পানির ট্যাংকের ওপর, বানারীপাড়া বন্দর বাজারের বিভিন্ন দোকনের চালে স্বাধীনভাবে বসছে। পাশাপাশি তাদের মানুষজন দেখতে ভিড় করছে। কৌতূহলী অনেকে বিভিন্ন ফল, সবজি ইত্যাদি ওদের সামনে দিচ্ছে খাবারের জন্য।
    সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ¯হানীয়রা হনুমান দুটিকে খাবার দিলে এরা এসে সেসব খাবার শান্তভাবে নিয়ে যাচ্ছে। হনুমান দুটি পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন এলাকায় বিচরণ করছে। ওরা এখন পর্যন্ত কারোর কোনো ক্ষতি করেছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে কেউ কেউ এদের উত্ত্যক্ত করলে মাঝে মধ্যে হাত-পা ছড়িয়ে ভয় দেখায়।
    স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক কৃষ্ণ কান্ত বলেন, আমার বাড়িতে এরা প্রায়ই আসে। আমরা খাবার দেই। হনুমান দুটিকে যদি পুনর্বাসন করা যায় তাহলে ভালো হবে। লোকজন যে খাবার ছিটিয়ে দেয় তাতেই ওদের খিদে মিটে যায়।
    স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তম আলী বলেন, কয়েক দিন ধরে এলাকায় এদের দেখা যাচ্ছে। হয়তো খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছে। এদেরকে যেন কেউ উত্ত্যক্ত না করে।
    পৌর মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল বলেন, পৌরসভার পরিষদবর্গের সঙ্গে বসে হনুমান দুটির ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।#

  • মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রিকেট দল সিরাজগজ্ঞ জেলা  দলকে ২৮ রানে হারিয়েছে

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রিকেট দল সিরাজগজ্ঞ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়েছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালযের ক্রিকেট টীম সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ২৮ রানে হারিয়ে খেলায় টিকে থাকলো।

    মঙ্গলবার দুপুর ২ টার সময় রাজশাহী কলেজ মাঠে অনু্ষ্ঠিত (বালিকা) ক্রিকেট খেলায় মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সাথে সিরাজগজ্ঞ সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মোসাঃ হালিমা খাতুন টচে হেরে ব্যাট করার সুযোগ পায়।

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথমে ব্যট করে ৩ ইউকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৮ ওভারে ১০৯ রান করে। ১১০ রানের টারগেটে বাট করতে নেমে দলীয় অধিনায়ক হালিমার প্রথম ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েন ।
    ধারাবাহিকভাবে ইউকেট পড়ায় প্রতিপক্ষ আর চাপ সামাল দিতে পরেনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৮ ওভারে ৬ ইউকেট হারিয়ে ৮১ রান তুলতে সমর্থ হয়। মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২৮ রানের ব্যবধানে জয় লাভ করে।

    মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজশাহী জেলা চ্যাম্পিয়ন ও সিরাজগঞ্জ জেলা টীমকে হারানোর গৌরব অর্জন করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোসাঃ আমেনা খাতুন, প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • গোপালপুরে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আহত

    গোপালপুরে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আহত

    হাফিজুর রহমান,
    প্রতিদিন প্রতিবেদক:
    টাঙ্গাইলের গোপালপুরে চাঁদা না দেওয়ায় হাদিরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় কয়েক মাদক সেবীর বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার(জানুয়ারী২৩)ইং সন্ধ্যায় শিমলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    আহত হাদিরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, দীর্ঘদিন যাবত একই উপজেলার শিমলা(মাইজবাড়ী)এলাকার হাবেলের মাদকাসক্ত সন্ত্রাসী ছেলে মিন্টু ও নগদা শিমলা গ্রামের শুকুরের ছেলে নাসির উদ্দিন এরা দুজনে আড়াই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে। আমি চাঁদা না দেওয়ায় শিমলা বাজারে তরুণের চায়ের দোকানে মদকাসক্ত মিন্টু, নাসির সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬জন মিলে অতর্কিতভাবে হামলা করে মারপিট করে। এসময় আমার পকেটে থাকা ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা চলে যায়। এসময় বলে এলাকায় থাকতে চাইলে আরো ২ লক্ষ টাকা দাবী করে বলে টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে যায়।

    এসময় আমাকে গুরুত্বর আহতবস্থায় উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয়রা। আমি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছি। আমি এই স্বাধীন দেশে এই চাঁদাবাজ মাদকসেবীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করি।

    আহত ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে মনোহর হোসেন তার বাবার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুুত গ্রেপ্তার সহ দৃষ্টান্ত মূলক শস্তির দাবী জানিয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলশ প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করনে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয় প্রত্যেক্ষদোষী জাহাঙ্গীর হোসেন, বাদশা মিয়া, বাদল, আনোয়ার হোসেন সহ স্থানীয়রা জানান, তরুনের চায়ের দোকানে আবু বক্কর সিদ্দিক চা পান করার সময় মিন্টু, নাসির এরা অর্কিতভাবে হামলা করে তাকে গুরুত্বর আহত করেন। এঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার হওয়া দরকার।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুছেছি খুবই নেক্ক্যারজক ঘটনা। এঘটনায় দোষীদের বিচার দাবী করেন।

    নাম প্রশাকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েক সচেতন ব্যাক্তি জানায়, মিন্টু ও নাসির গংদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। বয়ো জৈষ্ঠ্য আবু বকর সিদ্দিক কে তারা হমালা করে পিটিয়ে আহত করেছে এঘটনায় দ্রুুত প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবী করেন।

    গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোশারফ হোসেন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ধনবাড়ীতে খড়ের গাদায় আগুন, দু-গ্রুপে উত্তেজনা

    ধনবাড়ীতে খড়ের গাদায় আগুন, দু-গ্রুপে উত্তেজনা

    হাফিজুর রহমান।

    টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ধানের খড়ের গাদায় আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দু-পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের আংশষ্কা করছে এলাকাবাসী।

    জানাযায়, সোমবার(২৩ জানুয়ারী২৩)ইং সন্ধ্যায় উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের উখারিয়াবাড়ী চৌরাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    খড়ের গাদের মালিক কৃষক আরশেদ আলী জানান, আমি বিগত ২৫ বছর পূর্বে একই এলাকার তোরাপ আলীর কাছ থেকে ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। এখন বর্তমানে তোরাপ আলীর ভাতিজা আব্দুর রাজ্জাক তিনি জমিটি তাদের বলে দাবী করে আসছে। বিভিন্ন সময় আমাদের কে মারতে আসে ও উচ্ছেদ সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। পূর্ব শত্রুুতার জেরে গত সোমবার(২৩ জানুয়ারী২৩)ইং সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাযের সময় রাজ্জাক আমার খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি ঐ সময় বাইরে ছিলাম দেখেছি। পরে আমরা পানি দিয়ে নিয়ন্ত্রয়ন করি। এঘটনায় আমি রাজ্জাকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।

    এব্যাপারে বিবাদী আব্দুর রাজ্জাক সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আমার মায়ের নামের ৮ শতাংশ জমি আরশেদ জোরপূর্বক বেদখল করে নিয়েছে। সেই জমি বিরোধ বিষয়ে আমাদের উপর মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করে আসছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় আমি পাশের জাগিরাচালা এলাকায় এক লোজকের জানাযা নামজে ছিলাম। জানাযা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ী ফিরলে আরশেদ গংরা আমাকে দা,শাবল ও বাঁশের লাঠি দিয়ে মারতে আসে। আমি নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ে বাড়ীর ভিতরে চলে আসি। বাড়ী এসে জানতে পারি কে বা কাহারা আরশেদের খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে আরশেদ ও তার পরিবার পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর পাঁয়তারা করছে। আমি তাতক্ষণিক ধনবাড়ী থানা পুলিশ কে অবগত করি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছেও বলে তিনি জানিয়েছেন।

    স্থানীয় এলাকাবাসী ইব্রাহিম, শাজাহান, আলাউদ্দিন সহ আরো অনেকে জানান, খড়ের গাদায় আগুনের ঘটনা কে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ হতে পারে। তাই এ ঘটনায় দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী করেন তারা।

    ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, খড়ের গাদায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। তবে এবিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।