Author: desk

  • মোরেলগঞ্জে বাঘের আক্রমনে যুবক মাছ শিকারী আহত

    মোরেলগঞ্জে বাঘের আক্রমনে যুবক মাছ শিকারী আহত

    মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বাঘের আক্রমনে অনুকুল গাইন (৩৫) নামে এক মাছ শিকারি গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের সুধীরের সিলা এলাকায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সে বাঘের কবলে পড়ে বলে আহত অনুকুল জানিয়েছেন।

    একই গ্রামের বারেক শেখের ছেলে মাহবুব শেখ(৩৫) এসময় তার সাথে ছিলো। মাহবুবের ডাক চিৎকারে নিকটস্থ আমরবুনিয়া গ্রামের ১৫-২০ জন লোক বনে গিয়ে অনুকুলকে উদ্ধার করে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ডা. কামাল হোসেন মুফতি জানিয়েছেন।
    এবিষয়ে জিউধরা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাজাহান আলী বলেন, বাঘের হামলায় আহত অনুকুল গাইনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। আমরা তার খোঁজ খবর নিচ্ছি। ##

  • নাগরপুরে পূগলীর রাস্তার উদ্বোধন করলেন এমপি টিটু

    নাগরপুরে পূগলীর রাস্তার উদ্বোধন করলেন এমপি টিটু

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে “ গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসই করণের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ড(এইচবিবি) করণ ২য় পর্যায়” শীষক প্রকল্পের আওতায় প্যাকেজ নং ডব্লিউ ২৩১ডি ডি এম এইচ বি বি -০১,গয়হাটা ইউপির সরিষাজানী জয়নাল আবেদীনের রাড়ির নিকট ব্রীজ হতে দক্ষিণ দিকে শুরু হয়ে পূগলী হাসানের দোকান সংলগ্ন পর্যন্ত রাস্তায় ১০০০.০০ মিটার পর্যন্ত এইচ বিবি করণ এর চুক্তিমূল্য ৫৯,৬৫,০৫০ টাকার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক, গয়হাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সামছুল হকসহ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও এলকার গন্যম্যান্য ব্যাক্তিবর্গরা।

    উদ্বোধন কালে এমপি টিটু বলেন, বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মাট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সারা দেশে তার দলীয় নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আমি আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকবো।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • ফেইসবুকের আশীর্বাদে ভারসাম্যহীন পাহাড়ি লোকটি অভিভাবক খুঁজে পেল

    ফেইসবুকের আশীর্বাদে ভারসাম্যহীন পাহাড়ি লোকটি অভিভাবক খুঁজে পেল

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় সেনাবাহিনী সংলগ্ন এলাকায় মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ঘুরাঘুরি করা সেই পাহাড়ি লোকের অভিভাবকের খোঁজ পাওয়া গেছে।জেঠাতো ভাই টুন্টু মনি চাকমা ও ভাইবোন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন চাকমার সহযোগিতায় বাড়ি ফিরলো সে।

    গত ২৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইল এর ঘাটাইলে সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় সেনা সদস্য সুজন দাশ খাগড়াছড়ির স্থানীয় সাংবাদিক মিঠুন সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে এর মাধ্যমে জানতে পারা যায় ভারসাম্যহীন লোকটি পানছড়ি-ভাইবোন উপজেলার নাম ছাড়া এর বেশি কিছু বলতে পারে না।তারপর সুজন দাশ এর কাছ থেকে ছবি ও প্রাথমিক তথ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন সাংবাদিক মিঠুন সাহা এবং তা মুহুর্ত্বের মধ্যে ভাইরাল হলে পরদিন সকাল ৯টার দিকে তার এক আত্মীয় সম্পর্কে জেঠাতো ভাই টুন্টু মনি চাকমা ও ভাইবোন ছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন চাকমা সাংবাদিক মিঠুন সাহার সাথে যোগাযোগ করে তার পরিচয় দেন।

    মানসিক ভারসাম্যহীন লোকটির নাম কুকু মনি চাকমা,বাবা:মৃত রামচন্দ্র চাকমা,মাতা:শান্তি বালা ত্রিপুরা গ্রাম: আনপছড়া,ভাম্ভুপাড়া ( ওগলছড়ি) পানছড়ি এলাকায় বাড়ি।

    বাবা ও মা দুজনেই মারা গেছেন অনেক আগে।তারা দুইভাই ও এক বোন।ছোট ভাইটিও মানসিক ভারসাম্যহীন।এখন বোনের সংসারে রয়েছে।এখন অভিভাবক এর মধ্যে রয়েছে বোন ও বোনের জামাই। জানা যায়, মা ও বাবা মারা যাওয়ার পরে সে মানসিকগ্রস্থ হয়ে পড়ে।কাউকে ঠিকমতো চিনে না।বাড়িতে লোকজনের সাথে অত্যাচার করে।হঠাৎ একদিন উধাও হয়ে যায়। তাকে অনেক খুঁজাখুঁজি করা হয়। কিন্তু পাওয়া যায় নি।

    ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তার জেঠাতো ভাই এর একান্ত উদ্যোগে তাকে আনতে জেঠাতো ভাই টাঙ্গাইল এর ঘাটাইল যান ২৬ জানুয়ারি সকালে।২৭ জানুয়ারি সকালে ভাইবোনছড়া জেঠাতো ভাই টুন্টু মনি চাকমার বাড়িতে তাকে নিয়ে আসা হয়।

    এই বিষয়ে টুন্টু মনি চাকমা জানান: ফেইসবুকের মাধ্যমে সাংবাদিক মিঠুন সাহার কাছ থেকে জানতে পারি জেঠাতো ভাইটি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আছে।সেখানে দায়িত্বরত সেনা সদস্য সুজন দাশ দাদার সাথে যোগাযোগ করি।২৫ জানুয়ারি সকালে আমরা দুইজন সেখানে পৌঁছায়। ঘাটাইলের লোকজন অনেক আন্তরিকতা দেখিয়েছে।আমার ভাইকে দেখভাল করেছে। আমাদেরও অনেক আপ্যায়ন করেছে এবং সেনা সদস্য সুজন দাশ ও তার স্ত্রী রান্না করে আমার ভাইকে খাওয়ানোর খবর পাই।তাদের সহযোগিতায় আমার জেঠাতো ভাই কুকু মনি চাকমাকে ভালোভাবে নিয়ে আসতে পেরেছি। বর্তমানে সে আমার একখানে আছে।তবে আমরা আত্মীয় স্বজনদের সাথে বসে তাকে চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করবো।

    এই বিষয়ে সেনা সদস্য সুজন দাশ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানানঃ খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি থানার, ভাইবোন ছড়ার ভারসাম্যহীন কুকুমনী চাকমাকে তার পরিবারের লোকজনের কাছে আজ তুলে দিতে পেরেছি।বিগত কিছুদিন আগে ভারসাম্য হীন ভাবে টাংগাইল ঘাটাইল সংলগ্ন এলাকায় ঘুরাঘুরি করছিলো,তার পরিচয় জিজ্ঞেস করেলে সে পানছড়ি ভাইবোন ছড়া নাম বলে।তারপর আমি খাগড়াছড়ির সাংবাদিক মিঠুন সাহার সহযোগিতায় তার পরিবারের খোঁজ পাই এবং ভাইবোনছড়ার চেয়ারম্যান সুজন চাকমার সাথে যোগাযোগ করে তার পরিবারের সদস্য কাছে কুকুমনী চাকমাকে হস্তনতর করি।

  • ভালুকায় দুস্থ,অসহায় ও গ্রাম পুলিশের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন এসপি মাছুম আহাম্মদ ভূঞা

    ভালুকায় দুস্থ,অসহায় ও গ্রাম পুলিশের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন এসপি মাছুম আহাম্মদ ভূঞা

    ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

    ‘বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি’ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় বিট পুলিশিং সমাবেশ ও দুস্থ, অসহায় ও গ্রাম পুলিশের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভালুকা মডেল থানার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি/২৩) বিকালে ভালুকা মাইক্রোস্ট্যান্ড মাঠে বিট পুলিশিং ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরোজা নাজনীন, ভালুকা উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড.শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা, ভালুকা পৌর মেয়র ডাঃ একে এম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম সহ জনপ্রতিনিধি এবং আ.লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, গ্রাম-পুলিশগন, সাংবাদিকবৃন্দ ও ভালুকা থানার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভালুকা মডেল থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত)মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
    বিট পুলিশিং সমাবেশে অতিথিবৃন্দ থানার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং পুলিশের সেবা-সমূহকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার মানসে সকলকে এক-যোগে কাজ করার ব্যাপারে ঐকান্তিক আহ্বান জানান। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা তাঁর বক্তব্যে জঙ্গিবাদ,সন্ত্রাস,মাদক, চুরি-ডাকাতি, ইভটিজিং,বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি আসন্ন কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়ার শতভাগ স্বচ্ছ্বতা বজায় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং কাউকে এ সংক্রান্তে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ জানান।
    এরপর প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার অনুষ্ঠানে উপস্থিত গ্রাম-পুলিশদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন। ভালুকা থানা এলাকায় এই প্রচন্ড শীতেও গ্রাম-নিরাপত্তায় অতন্দ্র প্রহরীদের মত কাজ করে চলা গ্রাম-পুলিশ সদস্য-দের মাঝে এই উদ্যোগ ব্যাপক উৎসাহ ও প্রেরণার উন্মেষ ঘটায়। কম্বল বিতরণের সময় তাদের অভিব্যক্তিতে প্রধান অতিথি পুলিশ সুপারের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাপ্রসূত ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছিল যা থানা এলাকার নিরাপত্তা রক্ষায় তাদেরকে আরও তৎপরতার সাথে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।পরিশেষে পুলিশ সুপার প্রত্যন্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করে বক্তব্য সমাপ্ত করেন।

  • গোপালগঞ্জে আলাদা দুটি সংঘর্ষে আহত-২৫

    গোপালগঞ্জে আলাদা দুটি সংঘর্ষে আহত-২৫

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে আলাদা দুটি সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার মালেঙ্গা ও জালালাবাদ গ্রমে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ মাসুদ জানান, সদর উপজেলার মালেঙ্গা গ্রামে বর্তমান মেম্বার এয়ার আলী খানের সাথে জমিজমা নিয়ে সাবেক মেম্বার আজিজুল খানের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

    আজ সকালে এয়ার আলী খানের লোকজন বিরোধপূর্ণ জমিতে কাজ করতে গেলে আজিজুল খানের লোকজন বাঁধা দেয়। এতে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০জন আহত হন। এর মধ্যে মারাত্মত আহত রাসেল খান (৩৫), কাদের খান (৬৫), সাগর খান (৩৫), আজমীর খান (৪০), আকবর খান (৬৫), ইউনুস মোল্যা (৪৫), রিপন মোল্যা (৩৫), সেলিম মোল্যা (৪০), জাহাঙ্গীর খান (৭০), রাজ্জাক মোল্য (৭৫), মিলন ঠাকুর (৩২) ও লিটন ঠাকুরকে (৩৫) গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    অপরদিকে, ইউপি নির্বাচন নিয়ে জালালাবাদ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এফএম মারুফ রেজা ও সাবেক চেয়ারম্যান সুপারুল আলমের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে সকালে জালালাবাদ গ্রামে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হন। গুরুত্বর রাসেল শেখ (৩৫), আহম্মদ মোল্যা (২১), আনিস মোল্যা (২৬) ও ইদ্রিস সরদারকে (৪০) গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। উভয় এলাকায় শান্ত থাকলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পযর্ন্ত কোন পক্ষই থানায় মামলা দায়ের করেনি। #

  • সাংবাদিক মাহবুবকে হয়রানির প্রতিবাদ ডিআরইউয়ের

    সাংবাদিক মাহবুবকে হয়রানির প্রতিবাদ ডিআরইউয়ের

    মোঃ রাসেল সরকার//
    ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার মাহবুব মমতাজীর সঙ্গে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের ডিসি হায়াতুল ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অসহযোগিতা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ডিআরইউ।

    শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৩ ) এক বিবৃতিতে ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সংগঠনের সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এ নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদকর্মীর সঙ্গে পুলিশের এ ধরনের আচরণ দুঃখজনক এবং মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতার শামিল। অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

  • গোপালগঞ্জে জমিজমা বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হাতে চাচা নিহত

    গোপালগঞ্জে জমিজমা বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হাতে চাচা নিহত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমিজমা বিরোধের জের ধরে আপন ছোট ভাইয়ের ছেলেদের হাতে আহত সাইদুর রহমান সিদ্দিকী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।

    আজ শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি কাশিয়ানী উপজেলার কলসী ফুকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত সাইদুর রহমান সিদ্দিকী কাশিয়ানী উপজেলার কলসী ফুকরা গ্রামের মশিউর রহমান সিদ্দিকীর ছেলে।

    নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে এখলাচুর রহমান সিদ্দিকী জানান, কাশিয়ানীর কলসী ফুকরা গ্রামের নিহত সাইদুর রহমান সিদ্দিকীর সাথে বাড়ির জমি নিয়ে ছোট ভাই মৃত জাহিদুর রহমান সিদ্দীকীর স্ত্রী বতুল সিদ্দিকীর সাথে বিরোধ ছিলো।

    এ বিরোধের জের ধরে গত ২৩ জানুয়ারি বতুলের সাথে সাইদুরের ঝগড়াঝাটি হয়। এর এক পয্যায়ে বতুলের দুই ছেলে আনিস সিদ্দীকী ও মফিজ সিদ্দীকী তাকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। ওই দিন রাতেই তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে পুনরায় গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় গত ২৩ জানুয়ারি কাশিয়ানী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর পুলিশ মফিজ সিদ্দীকীকে গ্রেফতার করে।

    কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামরুজ্জামান জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইদুর রহমান সিদ্দিকী মারা যান। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হলে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। #

  • সড়কে ব্যাপক চাঁদাবাজি-বেশিরভাগ পথচারী ট্রাফিক আইন মানছেন না: বাড়ছে দুর্ঘটনা!

    সড়কে ব্যাপক চাঁদাবাজি-বেশিরভাগ পথচারী ট্রাফিক আইন মানছেন না: বাড়ছে দুর্ঘটনা!

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার সাভার ও আশুলিয়ার সড়ক ও মহাসড়কে মাহিন্দ্রা, অটোরিক্সাসহ হাজার হাজার অবৈধ গাড়ি চলছে মোটা অংকের চাঁদাবাজির মাধ্যমে । অটোরিক্সা চালকসহ বেশিরভাগ চালকদের নেই ট্রাফিক টেনিং। রিক্সা চালকসহ সকল গাড়ি চালকদেরকে দ্রুত টেনিং করানো দরকার। অন্যদিকে পথচারীসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।
    ঢাকার মহাসড়ক ও শাখা সড়কে দেখা যায়, বেশিরভাগ গাড়ি চালক ট্রাফিক আইন মানেন না, তাদেরকে কেউ টেনিং করায়নি, সরকার চাইলে সকল গাড়ি চালকদের টেনিংয়ের আওতায় আনতে পারে। রাস্তায় গেলেই দেখা যায়, শিশু ও কিশোরা গাড়ি চালায়, এর কারণে যেখানে-সেখানে ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। অনেক মানুষের অকালে মৃত্যু হচ্ছে। এখন জনগণ কেন সরকারি আইন মানছেন না?।
    ট্রাফিক আইন মানতে সবাইকে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে সবাই ট্রাফিক আইন মানে আর ট্রাফিক আইনকে সম্মান করেন। মানুষ সচেতন হলে সড়ক দুর্ঘটনা কম হবে বলে অনেকেই জানান। হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা বিনা প্রয়োজনে যানবাহন থামিয়ে যদি গাড়ি চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করে এর কারণে যানজট ও জটিলতা সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি থেকে বিরত রাখতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা প্রদান করা এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কাজে নিয়োজিত সদস্যরা বিশেষ সুবিধা নেয়ার জন্য অযথা যানবাহনের ডকুমেন্ট পরিক্ষার নামে চাঁদাবাজি করার গ্রাস থেকে বিরত রাখা হলে জনগণ কর্তৃক সরকার প্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাবে এবং সম্মান করবে, প্রধানমন্ত্রী আপনার নেতৃত্বের প্রতি আরও অধিকতর শ্রদ্ধাশীল হবে জনগণ।
    অনেকেরই অভিমতঃ বাংলাদেশে ট্রাফিক বিভাগে রেকারভীতির মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহনে বিরত এবং রেকার বিল ট্রাফিক মামলার টাকা সরকারি রাজকোষে প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করা হলে এতে সরকারের রাজকোষে শত শত কোটি টাকা জমা হবে বলে দাবী করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয়। তিনি আরও বলেন, সড়ক ও মহাসড়কের যানবাহনে চাঁদাবাজি, যানজট এবং সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষার বিষয়ে আমাদের জেলা উপজেলা প্রতিনিধিদের তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা ও ঢাকা বিভাগের সাভার, আশুলিয়া, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কালিহাতি, ঘাটাইল, গাজীপুর, শ্রীপুর, নরসিংদী, সিলেট, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, বগুড়া, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনার কাশিনাথপুর, রাজবাড়ি, ফরিদপুরসহ প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যস্ততম সড়ক ও হাইওয়ে রোডসহ বিভিন্ন সড়কে তিন চাকা মাহিন্দ্রা, অটোরিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে দালাল কর্তৃক ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। নামে বে-নামে দালাল চক্র নতুন নতুন কৌশলে মাসিক মানফি (কথিত মানতি) প্রতি মাসে সিস্টেমে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে। অন্যদিকে ট্রাফিক আইন মানছে না বেশিরভাগ গাড়ি চালক ও পথচারীরা, এতে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানী বাজার রোড, ধামসোনা ইউনিয়নের শ্রীপুর, ভাদাইল মোড়, পুরাতন আশুলিয়া থেকে (নরসিংহপুর) ও নরসিংহপুর থেকে কাশেমপুরের রাস্তায় অবৈধ শত শত তিন চাকা মাহিন্দ্রা এবং অটোরিক্সা থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে প্রভাবশালী দালালরা। তারা অনেকেই বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই গাড়ি চালানো হচ্ছে। ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বিশমাইল, নবীনগর, নয়ারহাট, বাইপাইল, (ভাদাইল মোড়) শ্রীপুর, জিরানী, অন্যদিকে জামগড়া, ছয়তালা, নরসিংহপুর, জিরাবো, পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন স্পট থেকে মানিক, দুলাল, মেহেদী, বাবুল ও সুমনসহ ৭-৮জন দালাল চক্র কর্তৃক লাইনম্যান দিয়ে ঢাকা জেলার সাভার ট্রাফিক জোন এলাকায় নতুন কৌশলে চাঁদাবাজি করছে, অনেকসময় পরিবর্তন করা হয় লাইনম্যান। উক্ত ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল। সুত্র জানায়, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে লাইনম্যান বদলে দেওয়া হয়, লাইনম্যান ও দালালদের মাধ্যমে প্রতিটি মাহিন্দ্রা থেকে প্রতিদিন ১৫০ টাকা চাঁদা নেয়া হয়। মাহিন্দ্রা গাড়ি চালক মোঃ সাদ্দাম মিয়াসহ কয়েকজন গাড়ি চালক জানান, চাঁদাবাজ ও দালালরা প্রতিটি মাহিন্দ্রা চালকের কাছ থেকে প্রতিদিন ১৫০ টাকা চাঁদা নিচ্ছে। চাঁদাবাজির কথা কাউকে না বলার জন্য চালকদেরকে ভয় দেখায় এই চক্র। চালকরা আরও বলেন, নতুন নতুন কৌশলে পরিবহনে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি, এ যেন দেখার কেউ নেই। সেই সাথে সরকার নতুন আইন করায় গাড়ি চালকরা বিপাকে পড়েছেন বলে তারা দাবি করেন। গত বছরে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় চলাচলরত অটোরিকশা থেকে টোকেনের মাধ্যমে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ উঠে আশুলিয়া থানা যুবলীগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে, কিন্তু চাঁদা আদায় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এরপর আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক কবির হোসেন সরকার বলেন, যুবলীগের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজ নয়, আর যারা যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা আদায় করছে,তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে কবির সরকার গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বলেন, যুবলীগ বা আমার জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করতে একটি মহল আমার রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য বদনাম করার চেষ্টা করছে। এই চাঁদাবাজ চক্রটি দলীয় কোনো নেতা কর্মী নয়। কবির সরকার আরও বলেন, আমি গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের আহ্বান জানাই যে, আপনারা অনুসন্ধান করে সঠিকভাবে সত্য প্রতিবেদন প্রকাশ করুন।
    আশুলিয়া থানার শ্রীপুরের স্থানীয় প্রভাবশালী বাবুল নামের এক ব্যক্তি লাইনম্যান রেখে তাদের দিয়ে চাঁদার টাকা কালেকশন করায়, চাঁদাবাজির সময় বেশ কয়েকজনকে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়, এরপর সিস্টেম পাল্টেছে চাঁদাবাজরা। বাবুলের প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় হয়, প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে তারা। এ বিষয়ে বাবুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা মিথ্যা কথা। শ্রীপুরে ড্রাইভারদের কোনো সমস্যা হলে আমি দেখি। অন্যদিকে ভাদাইল মোড় থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার চাঁদাবাজি হয় বলে অনেকেই জানান। এ বিষয়ে ধামসোনা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার সাদেক হোসেন ভুঁইয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি জানিনা। এদিকে আশুলিয়াসহ সারাদেশে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে মার্কেটগুলোর সামনের ফুটপাত হকারদের দখলে, এর কারণে রাস্তার দু’পাশ ফুটপাত দিয়ে পথচারীরা চলাফেরা করতে সমস্যা হয়।
    ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাভার জোন এর (এসআই) আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক পুলিশ অফিসার জানান, তিন চাকা অটোরিকশা, বা মাহিন্দ্রা ও লাইসেন্সবিহীন কোনো যানবাহন মেইন রোডে চলাচলের সুযোগ নেই। চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলে ওই স্থানে যিনি ডিউটি করেন তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে পুলিশ জানায়। র‌্যাব ও ডিবি পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, চাঁদাবাজি করা অবস্থায় বেশকিছু চাঁদাবাজদেরকে আটক করেছি কিন্তু আদালত থেকে তারা জামিনে এসে আবারও সেই চাঁদাবাজি করে, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলে তারা জানান।

  • দেশে কতো প্রকার সাংবাদিক’-প্রকৃত সাংবাদিকরা কি সারাজীবন অবহেলিত থাকবেন?

    দেশে কতো প্রকার সাংবাদিক’-প্রকৃত সাংবাদিকরা কি সারাজীবন অবহেলিত থাকবেন?

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে কতো প্রকার সাংবাদিক? আর প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ কি?। ১। সাইনবোর্ড সাংবাদিক, ২। আইডিকার্ড সাংবাদিক, ৩। ভুয়া সাংবাদিক, ৪। প্রেসক্লাব সাংবাদিক, ৫। বহুমাত্রিক সাংবাদিক, ৬। কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক, ৭। দলীয় সাংবাদিক, ৮। ভবিষ্যতদ্রষ্টা সাংবাদিক, ৯। মৌসুমী সাংবাদিক, ১০। শখের সাংবাদিক, ১১। অপসাংবাদিক, ১২। স্বার্থপর সাংবাদিক, ১৩। বি ত সাংবাদিক, ১৪। লাঞ্ছিত সাংবাদিক, ১৫। কাঙ্খিত সাংবাদিক, ১৬। প্রকৃত সাংবাদিক। এবার বিস্তারিত:
    জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে প্রকৃত সাংবাদিকরা কি পাচ্ছেন? কেন সাংবাদিকতায় আসছেন বেকার মানুষগুলো? সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা করা হয়। সাংবাদিকরাতো কোনো চোর ডাকাত নয়, বা বড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে। সূত্র জানায়, সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু সাংবাদিক তারা ১ থেকে ১৫ প্রকার সাংবাদিক। সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, বরিশাল ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, সেই অর্থে সাংবাদিকরা কেন অপহেলায় অপমানিত হচ্ছেন?। অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক।
    সাংবাদিকদের মনের দুঃখ কেউ বুঝতে চায়না। সাংবাদিকদের পেশা যেন ধর্মকর্ম মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র কাজ। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলেই বড় ধরণের হামলা, মামলার শিকার হতে হতে হয় সেই সাংবাদিকদেরকে। থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, এটা জাতির জন্য কতটা লজ্জাজনক?। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী আর সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সম্মানি ভাতা। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব। সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও সাংবাদিক তাদের ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন যে, কখন যেন কোন হামলার শিকার হয় তারা। সাংবাদিক ও পুলিশকে বলা হয় ঘুষখোর, চাঁদাবাজ কিন্তু করোনাকালীন সময়ে যখন বাসা বাড়িতে ঘুমিয়েছেন জনগণ-তখন পুলিশ ও সাংবাদিক এবং ডাক্তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে কাজ করেছেন। যুগ যুগ ধরে সেবা সহযোগিতা করে আসছেন যারা, তারাই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। সব পুলিশ বা সাংবাদিক বা ডাক্তার খারাপ না।
    বাংলাদেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গী, খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করাসহ পাশাপাশি বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে, কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির মধ্যে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। দেশের থানা পুলিশ কর্তৃক আটক হওয়া ব্যক্তিদের হাজত থেকে কারাগারে থাকা নানারকম সমস্যা হয়ে থাকে, তারপরও মানুষ সঠিক পথে চলে না এটা দুঃখজনক ব্যাপার। ঢাকার আশুলিয়া থানায় জিডি ও অভিযোগের তদন্তই করেন না কিছু পুলিশ অফিসার এমন অনেক ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যদের দাবি-বেতন বাড়ার সাথে সেবার মান বাড়ছে, আগের চেয়ে অনেকটা উন্নতি হয়েছে পুলিশ বাহিনীর সেবার মান। পুলিশের সেবার মান আরও বাড়বে ও স্বপ্ন একদিন পূর্ণ হবে। তবে পুলিশ ও জনগণের মানুষিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। সূত্র জানায়, জরাজীর্ণ থানাগুলোতে অনেক জায়গায় নতুন ভবন করেছে সরকার। এদিকে বাংলাদেশের পুলিশের নতুন প্রায় ১৫টির মতো ইউনিট গঠিত হয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যের ভুলের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর দোষ দেয়া হয় এটা ঠিক নয়। পুলিশ সদস্যদের দাবি-বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন তারা, তবে চট্রগ্রামের মেজর সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করেন ওসি প্রদীপ এমন একটি সংবাদ শিরোনাম প্রকাশ হয়েছে শীর্ষ জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে। এরপর থেকে পুলিশ বাহিনীর অনেক বদনাম হয়। তবে তাকে র‌্যাব বাহিনী আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সিলেটে ডাক্তারের চেম্বারে কর্মচারি রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে পুলিশ দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠে। এই হত্যার ঘটনায় সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তরুণ (এসআই) আকবর ভুঁইয়াকে আটক করা হয়। গত ৯ নভেম্বর ২০২০ইং সকালে রাজধানীর আদাবর মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের কর্মচারিদের গণপিটিুনিতে এ এসপি আনিসুল করিম হত্যার ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনা কেউ আশা করেনি বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে পুলিশের। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয়, কিন্তু পুলিশের সেবার মান বাড়ছে না কেন? অনেক পুলিশ সদস্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন এর কারণও রয়েছে পারিবারিক সমস্যা। সূত্র জানায়, রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ১০-১২ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে,তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়।
    বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা এখন। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিটি গঠিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান কামাল গত ৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে “বিএসআরএফ সংলাপ” অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে সরকার গত মেয়াদে ৮০ হাজার পুলিশের জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। জরাজীর্ণ থানাগুলোতে নতুন ভবন করা হচ্ছে। পুলিশের নতুন ১৫টি ইউনিট গঠিত হয়েছে। আমরা হেলিকপ্টার সংযোজন করতে যাচ্ছি, তার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। (পিবিআই), এ ছাড়া দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ গঠন করা হয়। এ ছাড়াও কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে নতুন আরও একটি ইউনিট গঠন হয়। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি-পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগ ও রংপুর রেঞ্জে রিজাভ ফোর্স (আর আর এফ) এবং পাবনা জেলার আতাইকুলা ও আমিনপুর থানাসহ প্রায় ২৯টি নতুন থানা এবং প্রায় ৪৭টি তদন্ত কেন্দ্র নতুন হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য। আমাদের প্রশ্ন দেশের আর কত হামলা মামলা-নির্যাতন ও হত্যার শিকার হবে সাংবাদিকরা? দুঃখজনক হলেও সত্য সাংবাদিকরা সবার খবর রাখেন কিন্তু সেই সাংবাদিকরা কেমন আছেন তার খবর কেউ রাখেন না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, আমি জাতির কাছে প্রশ্ন করছি, প্রকৃত সাংবাদিকরা কি সারাজীবন অবহেলিত থাকবেন?।

  • ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণীর সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    মোঃ ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ভোলা -৩ আসনের সংসদ সদস্য দ্বীপ বন্ধু আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এর সহধর্মিনী মিসেস ফারজানা চৌধুরী রত্না অসুস্থ জনিত কারণে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার সুস্থতা কামনায় লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মোঃ শাজাহান খলিফার আয়োজনে সুস্থতার জন্য দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার মাগরিব বাদ ৪নং ওয়ার্ডের শাওন ঐক্য পরিষদের মিলনায়তনে এ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ইউপি মেম্বার শাজাহান খলিফা সকলের কাছে এমপি মহোদয় এর সহধর্মিনী মিসেস ফারজানা চৌধুরী রত্নার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং তার দীর্ঘায়ু অসুস্থতার জন্য সকলের নিকট উদার্থ ভাবে দোয়ারায় আহবান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ হাসান আলী শিকদার, চৌধুরী, মোঃ সেলিম আজম সহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী ও এলাকার মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।