Author: desk

  • কুয়াশার চাদরে মোড়া পঞ্চগড়:  শিক্ষা সুপারভাইজার সজীবের স্বপ্নিল ভ্রমণকথা

    কুয়াশার চাদরে মোড়া পঞ্চগড়: শিক্ষা সুপারভাইজার সজীবের স্বপ্নিল ভ্রমণকথা

    বিশেষ প্রতিনিধি ।।

    পঞ্চগড় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি মনোরম জেলা। এখানে প্রকৃতির অবারিত সৌন্দর্য, বিস্তীর্ণ চা বাগান, উর্বর কৃষি জমি এবং শান্ত জীবনযাত্রা মিলিত। পঞ্চগড়ের মানুষদের জীবন সরল, প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে মিশে আছে। এখানকার অর্থনীতি মূলত কৃষি, চা শিল্প এবং পর্যটনের উপর নির্ভরশীল। জেলার তেতুলিয়া থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে ঘিরে আছে পাহাড়, নদী এবং অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য। বাংলাদেশের উত্তরদিকের শেষ জেলা হিসেবে পঞ্চগড় ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক অপরিসীম প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

    আমি, সজীব সাহা, বেসরকারি সংস্থা আশার একজন শিক্ষা সুপারভাইজার, আমার বন্ধু ওমর ফারুক (মার্কেটিং চাকুরীজীবি), রিদয় পাল (ব্যবসায়ী) এবং শামীম ইসলাম (ব্যবসায়ী) সঙ্গে এই মনোরম ভ্রমণে যাই। সবাই প্রকৃতিপ্রেমী এবং ভ্রমণে উৎসুক। যখন ঘুরতে যাওয়ার কথা শুনি, নিজেকে ধরে রাখতে পারি না। পুরো ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিল বন্ধু ওমর ফারুক।

    আমাদের যাত্রা শুরু হয় ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ৯টায় কমলাপুর রেলস্টেশন, ঢাকা থেকে। সবাই শীতের কাপড় নিয়ে প্রস্তুত ছিল। পরের দিন, বুধবার সকাল ৭ টা ৩০ এ আমরা পঞ্চগড় রেলস্টেশনে পৌঁছাই। নামার সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো, যেন বর্ষাকাল চলছে—সারা জায়গা কুয়াশায় ঢাকা। আমরা মাফলার দিয়ে মুখ ঢেকে নিই এবং নাস্তা সেরে অটো ভাড়া করি। যাত্রা শুরু হয় তেতুলিয়া, কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং বাংলাবান্ধার উদ্দেশ্যে। পঞ্চগড়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো—যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো অটো এবং তিন চাকার ভ্যান, কারণ সন্ধ্যা ৬টার পর সিএনজি বন্ধ হয়ে যায়।

    অটো চলতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রকৃত অনুভূতি আসে। আমি জ্যাকেটের উপরে আরেকটি জ্যাকেট পড়েছিলাম। মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে রং চা খেয়ে শরীর গরম করি। পরে পৌঁছাই তেতুলিয়া চা বাগানে, যেখানে রাস্তার বাম পাশে মাত্র ৪–৫ হাত দূরেই ভারতের সীমানা। এরপর যাই শিলিগুড়ি ব্রিজ ভিউ পয়েন্টে, যেখানে মাঝখানে একটি নদী, তারপরই ভারত। কুয়াশায় ঢাকা ব্রিজ যেন এক অন্য জগৎ। আমরা কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্টেও গিয়েছিলাম, কিন্তু কুয়াশার কারণে পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখা হয়নি।

    তেতুলিয়া জেলা বাংলাদেশের উত্তর দিকের শেষ জেলা হলেও, উত্তরবঙ্গের শেষ প্রান্ত হলো বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। তেতুলিয়া থেকে বাংলাবান্ধা প্রায় ১২–১৫ কিমি, শিলিগুড়ি ১৬ কিমি, দার্জিলিং ৭৭ কিমি, গ্যাংটক ১৩৩ কিমি, সিকিম ১৫৪ কিমি, থিম্পু (ভুটান) ২৮৬ কিমি এবং কাঠমুন্ডু (নেপাল) ৪৯৪ কিমি। বাংলাবান্ধায় পৌঁছে আমরা সূর্যের আলো পাই—আহা, শান্তির অনুভূতি! সেখানে বাংলাদেশ থেকে ভারত আসে বড় বড় পাথর বোঝাই ট্রাক, যা ভাঙা হয়ে ব্যবহারযোগ্য করা হয়। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো বাংলাদেশের বিশাল জাতীয় পতাকা উড়ছে, চোখ জুড়িয়ে যায়। পর্যটকদের আনাগোনা এবং মুখরিতা প্রতিটি পর্যটন স্পটে লক্ষ্য করা যায়।

    পঞ্চগড়ের মানুষদের জীবনযাত্রা সরল ও প্রকৃতির সাথে মিশে আছে। তারা মূলত কৃষি, চা শিল্প, এবং পর্যটন নিয়ে নিয়োজিত। তেতুলিয়ার বিস্তীর্ণ চা বাগান এখানকার অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানকার মানুষ শান্ত, মনোরম, এবং পর্যটকদের আতিথেয়তায় আন্তরিক। প্রতি বছর অসংখ্য পর্যটক কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। এছাড়া, স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ছোঁয়া চোখে পড়ে—উৎসব, স্থানীয় খাবার (পিঠা, পায়েস) সকলেই উপভোগ করে। পঞ্চগড় এক শান্তি, এক প্রকৃতি, এক অভিজ্ঞতা—যা মনে রাখার মতো।

    লেখা :
    সজীব সাহা
    বেসরকারি সংস্থা আশা
    শিক্ষা সুপারভাইজার,।
    জেলা: কুমিল্লা
    উপজেলা : নাঙ্গলকোট
    ইনস্টিটিউট: ফেনি সরকারি কলেজ
    মাস্টার্স শেষ বর্ষ (২০২২-২০২৩) সেশন।
    হিসাববিজ্ঞান বিভাগ

  • যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে  শীতার্তদের মাঝে বিনামূল্যে কম্বল বিতরন

    যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে বিনামূল্যে কম্বল বিতরন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ও অর্থায়নে অসহায়, দুস্থ শীতার্তদের মাঝে নলছিটিতে বিনামূল্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারী)বিকাল ৪ টায় উপজেলার ৯ নং দপদপিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দপদপিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাফেজি মাদ্রাসার মাঠে এ কম্বল বিতরন করা হয়।
    কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক বরিশাল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজার জনাব মনজ কুমার সেন, আরো উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক বরিশাল শাখার ফাস্ট অফিসার আমিনুল হক,বরিশাল ব্যাংক শাখার অফিসার আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরো উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মুহতামিম হাফেজ মোঃ আবুল কালাম।এ সময় প্রায় ২০০ এতিম ও অসহায় দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়৷

  • আপনারা শুধু আজকের পুলিশ নন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পুলিশ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আপনারা শুধু আজকের পুলিশ নন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পুলিশ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আপনারা শুধু আজকের পুলিশ নন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশের পুলিশ। পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়; তারা জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মচারী। পুলিশ বাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর চারঘাটে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসন রক্ষা অনেকটাই মাঠপর্যায়ের পুলিশের আচরণের ওপর নির্ভর করে। জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ১ লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশকে শতভাগ নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং কোনো অনৈতিক সুবিধা বা আপ্যায়ন গ্রহণ করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।

    আইন প্রয়োগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশের শক্তি কেবল কঠোরতায় নয়; প্রকৃত শক্তি হলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। তদন্ত, গ্রেপ্তার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে পুলিশকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ও বিচক্ষণ হতে হবে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত চাপের কাছে নতিস্বীকার করা যাবে না। জনগণ এমন একটি পুলিশ বাহিনী চায়, যারা ভয় নয়, বরং নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি সৃষ্টি করবে।

    দুর্নীতিকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে এবং জনগণের বিশ্বাস নষ্ট করে। কোনো পুলিশ সদস্য যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ বা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দায়িত্বচ্যুত হয়, তবে সে রাষ্ট্রের ভিত্তিকেই দুর্বল করে দেয়। অন্যায় আদেশ বা পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া যাবে না।

    সাহসের ব্যাখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সাহস মানে শুধু বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা নয়; অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা এবং জুলুমের বিরুদ্ধে মজলুমের পক্ষে দাঁড়ানোই প্রকৃত সাহস। সততা ও নৈতিকতাই নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, পেশাগত জীবনে নানা চাপ ও সমালোচনা আসতে পারে। তবে সততা ও দেশপ্রেম থাকলে কোনো কিছুই দায়িত্ব পালনে বাধা হতে পারে না। আপনারা শুধু আজকের পুলিশ নন, আপনারাই ভবিষ্যত বাংলাদেশের পুলিশ। তাই জনগণের আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশাকে ধারণ করে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বমুক্ত একটি মানবিক, সাহসী ও গৌরবময় পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে।
    সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী।

    ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৯৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এদিন প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। কুচকাওয়াজে ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৮৭ জন ছাড়াও ২৮তম বিসিএসের ১ জন, ৩৫তম বিসিএসের ৩ জন, ৩৬তম বিসিএসের ১ জন, ৩৭তম বিসিএসের ২ জন এবং ৪০তম বিসিএসের ২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

    কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ধীমান কুমার মন্ডল। প্রশিক্ষণে সামগ্রিক কৃতিত্বের জন্য বেস্ট প্রবেশনার নির্বাচিত হন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পান শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী আরিফ, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড পান মো. সজীব হোসেন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ এবং বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হন সালমান ফারুক।

    প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে নবীন সহকারী পুলিশ সুপারদের দেশের বিভিন্ন জেলায় ছয় মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য পদায়ন করা হবে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে অবৈধভাবে ভেকু দিয় মাটি ও বালু উ-ত্তোলনের অপরাধে জ-রিমানা

    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে অবৈধভাবে ভেকু দিয় মাটি ও বালু উ-ত্তোলনের অপরাধে জ-রিমানা

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮ জানুয়ারি (রবিবার ) দুপুরে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের গরকোই বিলে অভিযান পরিচালনা করেন রানীশংকৈল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

    এ সময় অভিযান পরিচালনা করেন রানীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবর রহমান ।
    এ সময় অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে ১ জনকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সহায়তা করেন রানীশংকৈল থানা পুলিশ।

    জানা যায়,অবৈধভাবে কৃষিজমি কেটে মাটি ও বালু উত্তোলনের অপরাধে -দুর্লভপুর গ্রামের পাহুলান হোসেনের ছেলে উমের আলীকে এ অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
    সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবর রহমান জানান– কৃষিজমি কেটে মাটি ও বালু উত্তোলনের দায়ে উমের আলী নামের এক ব্যক্তিকে ৮০,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

  • আলো–ছায়ার মেলবন্ধনে চট্টগ্রামের রাত, প্রবর্তকের নগরজীবনের নান্দনিক রূপ

    আলো–ছায়ার মেলবন্ধনে চট্টগ্রামের রাত, প্রবর্তকের নগরজীবনের নান্দনিক রূপ

    মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

    আলো–ছায়ার নান্দনিকতায় ভিন্ন এক রূপে ধরা দেয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। রাত নামলেই ব্যস্ত নগরজীবনের কোলাহলের মাঝেও ফুটে ওঠে শহরের নিজস্ব সৌন্দর্য। ছবিতে দেখা যাচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রবর্তক মোড়—যা রাতের আলোয় হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।

    প্রবর্তক মোড় সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঐতিহ্যবাহী ইসকন মন্দির, শ্রী শ্রী মহাশ্মশান গোলপাহাড় কালী মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি ধর্মীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এসব স্থাপনার আশপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন, রেস্টুরেন্ট, শপিং আউটলেট ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা রাতের বেলায় আলোয় ঝলমল করে উঠে।

    রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি, রিকশা ও পথচারীদের ব্যস্ততা জানান দেয়—এই নগরী কখনো ঘুমায় না। সড়কবাতির আলো, দোকানপাটের ঝলমলে সাইনবোর্ড আর ভবনগুলোর আলোকসজ্জা মিলিয়ে সৃষ্টি হয় এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। কর্মব্যস্ত মানুষ দিনের ক্লান্তি ঝেড়ে রাতে বেরিয়ে পড়েন প্রয়োজন ও বিনোদনের খোঁজে।

    নগরবাসীর মতে, চট্টগ্রামের রাত মানেই নিরাপত্তা, গতিশীলতা আর সৌন্দর্যের এক অনন্য সংমিশ্রণ। বিশেষ করে প্রবর্তক এলাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাতের এই দৃশ্য নতুন প্রজন্মের কাছে শহরের প্রতি ভালোবাসা আরও বাড়িয়ে তোলে।

    আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের সহাবস্থানে চট্টগ্রামের রাত তাই শুধু সময়ের পরিক্রমা নয়—এ এক জীবন্ত নগরচিত্র, যেখানে আলোয় আঁকা হয় শহরের গল্প।

  • সলঙ্গায় ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনে বি-দ্যুৎস্পর্শে দিনমজুরের মৃ-ত্যু

    সলঙ্গায় ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনে বি-দ্যুৎস্পর্শে দিনমজুরের মৃ-ত্যু

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিদ্যুৎ সংযোগের একটি ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রেজাউল করিম (৩০) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বে অবহেলা ও খাম খেয়ালিপনার কারণে একটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ায় সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুত অফিস সংশ্লিষ্টদের এমন ঘটনা ধামাচাপা ও তাদের এহেন কর্মকাণ্ড নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে সলঙ্গা ইউনিয়নের চৌবিলা গ্রামের মাঠে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রেজাউল করিম চড়িয়া উজির শাওপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী শেখের ছেলে।তিনি দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দিন মজুর,বিদ্যুৎ লাইনে গাছ কাটা,অফিস ঝাড়ু ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও লেবারের কাজ করে আসছিল।
    স্থানীয়রা জানায়,রোববার সকালে পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান আতিকের সঙ্গে লেবার হিসেবে রেজাউল করিম চৌবিলা উত্তরপাড়া মাছিডাঙ্গা বিলের মধ্যে ইরিগেশনে একটি শ্যালো মোটরের
    ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনের কাজে যায়। সেখানে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইনম্যান আতিক বিদ্যুতের খুঁটিতে না ওঠে সহযোগী দিমজুর রেজাউলকে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠিয়ে দেয়।
    কাজ শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে বলে আতিক জানায়।তবে দুর্ভাগ্যবশত: লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকায় রেজাউল করিম উক্ত পোলে উঠলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এমন দুর্ঘটনার পর আতিক দ্রুত বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খুঁটি থেকে রেজাউল করিমের নিথর লাশ নামানো হয়।
    এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সলঙ্গা সাব-জোনাল অফিসের (ভারপ্রাপ্ত) এজিএম জিলাল এর সাথে একাধীক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।বিকেলে সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস গিয়েও অফিস বন্ধ পাওয়া যায়। জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার,(ভারপ্রাপ্ত) এজিএম জিলাল হোসেনের মুঠোফোনে সন্ধ্যার পর আবারো যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে ব্যস্ত আছি পরে কথা বলবো বলেই ফোন কেটে দেন।
    সলঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ নন্দী জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করেছেন।এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছেন এজিএম জিলাল হোসেন।মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।একজন পরিচ্ছন্নকর্মী,গাছ কাটা শ্রমিক,দিনমজুরকে কীভাবে ট্রান্সফরমার স্থাপনের কাজে বিদ্যুতের পোলে উঠিয়ে দেয়া হলো?কে দিবে এই তাজা প্রাণের বিচার?সলঙ্গা পল্লী বিদ্যুতের রয়েছে এমন অনেক অনিয়ম,দুর্নীতি,কাজে ফাঁকি ও অবহেলার অভিযোগ।মৃত ব্যক্তির পরিবারকে পল্লী বিদ্যুত অফিসে চাকরির আশ্বাস ও অর্থের বিনিময়ে এমন ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

  • শাজাহানপুরে  শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

    শাজাহানপুরে শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে ফুলকোট নিউ স্টার ক্লাবের উদ্যোগে শহীদ জিয়া অনূর্ধ্ব ১৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩ ঘটিকায় উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের ফুলকোট নবোদয় কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে । আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ চঞ্চলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মাশফিকুর রহমান মামুন, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমরুল ইউনিয়ন ছাএদলের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ পায়েল, বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য সাংবাদিক সরকার মুক্তা, শাজাহানপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ইবনে সাউদ, সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাএদল বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখার সদস্য সচিব হোসেন সোহাগ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক শামিম আহম্মেদ,খেলার আয়োজন ও সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন আজিজুল হাকিম নয়ন,রহেদ আলী, আবু সাইদ সহ ফুলকোট নিউ স্টার ক্লাবের সকল সদস্য বৃন্দ । খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হওয়াই ট্রাইবেকারে বামনদীঘি একাদশ কে ০৪-০৫ গোলে হারিয়ে ফুলকোট ইয়াং ষ্টার ক্লাব চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
    বিজয়ী দল কে পুরষ্কার হিসাবে ২টি রাজহাঁস এবং পরাজিত দলকে ১টি রাজহাঁস উপহার প্রদান করা হয় । খেলাটি উপভোগ করতে ফুলকোট গ্রাম সহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় সহস্রাধীক লোকজন উপস্থিত ছিলেন ।

  • গোলপাহাড় মহাশ্মশান  কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত

    গোলপাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা , চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার ঐতিহ্যবাহী গোলপাহাড় শ্রী শ্রী মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ভক্তি ও উৎসবের আবহে রটন্তী অমাবস্যা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনভর নানা ধর্মীয় আয়োজন ও ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল মুখরিত।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ২০২৬ রটন্তী অমাবস্যা উপলক্ষে এ পূজার আয়োজন করা হয়।
    আয়োজক সূত্রে জানা যায়, পূজার আনুষ্ঠানিকতায় তন্ত্রধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পণ্ডিত শ্রী পরিমল ভট্টাচার্য ও পণ্ডিত শ্রী সুমন কান্তি চক্রবর্তী। তাঁদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ পূজা, অর্চনা ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পন্ন হয়।

    পূজা উপলক্ষে দুপুরে ধর্মীয় ভজন ও ভক্তিমূলক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়, যা উপস্থিত ভক্ত ও দর্শকদের মধ্যে আধ্যাত্মিক অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ভজন-সঙ্গীতের মাধ্যমে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণ ভক্তিময় পরিবেশে পরিণত হয়।

    এছাড়া ভক্তদের জন্য দুপুর ও রাতে প্রসাদ অন্ন বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির তথ্যমতে, এদিন প্রায় ৩০ হাজার ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। সুশৃঙ্খলভাবে প্রসাদ বিতরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক ও আয়োজকরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

    আয়োজকরা জানান, রটন্তী অমাবস্যা পূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এদিন মা কালীর আরাধনার মাধ্যমে ভক্তরা শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করেন।

    উল্লেখ্য, গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা পরিষদ এ পূজার সার্বিক আয়োজন করে। আয়োজকরা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • সুজানগরে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার স্মরণে শো-কসভা  ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার স্মরণে শো-কসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে পাবনা-সুজানগর রোডে চলাচলকারী সুজানগর সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে শোকসভা ও খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । এতে উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, সুজানগর উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান খোকন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আওয়াল, সাবেক যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম টুটুল,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ইকরাম হোসেন মধু,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহ্বায়ক কামাল হোসেন,সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হোসেন শান্ত, সুজানগর পৌর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দ্বীন ইসলাম, সুজানগর সিএনজি মালিক সমিতির মো.বঁাকী, রুবেল, বিল্লাল, মাসুম, রুহুল, ইকবাল, মাসুদ, ইমদাদুল, শামীমসহ এলাকার সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও সততা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে দোয়া মাহফিলের পূর্বে বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তার অকৃত্রিম দেশপ্রেম এবং সততা আমাদের সকলের জন্য আদর্শ ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক।

  • সুজানগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষধ ও শীতবস্ত্র পেল পঁাচ শতাধিক অস-হায় মানুষ

    সুজানগরে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষধ ও শীতবস্ত্র পেল পঁাচ শতাধিক অস-হায় মানুষ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের খেয়ে পরে বেঁচে থাকাই তো দায়! আর চিকিৎসা বলতে খুব বেশি হলে বাজারের কোন ফার্মেসি থেকে বড় জোর দুয়েক পাতা ট্যাবলেট। জটিল কোন রোগেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের হাতের ছেঁায়া পায় না তারা। এমবিবিএস ডাক্তার তাদের কাছে যেন এক স্বপ্ন! এমন পাবনার সুজানগর উপজেলার অসহায় চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দঁাড়ালেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ঢাকার শিক্ষার্থীরা। উপজেলার ভঁায়না ইউনিয়নের চরবিশ্বনাথপুর গ্রামে ওই মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শীতকালীন ফ্রি এ মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্থানীয় প্রত্যন্ত চরাঞ্চলসহ উপজেলার পঁাচ শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহন করেন এবং তাদের মাঝে বিনামূল্যে ওষধ ও শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ শীতবস্ত্র কম্বল পাওয়ায় নির্মল আনন্দ এনে দেয় এ অঞ্চলের অসহায় মানুষদের ।আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১১ জন চিকিৎসক ও ১৪ জন শিক্ষার্থী ক্যাম্পেইনে আসা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন । বুকে ব্যথা নিয়ে এদিন মেডিকেল ক্যাম্পেইনে এসেছিলেন মোতালেব হোসেন, অনেকদিন থেকেই ভুগছিলেন। তবে অর্থের অভাবে যেতে পারেননি কোনো হাসপাতালে। হাতের কাছে ডাক্তার পেয়ে তার অবস্থা যেন সোনায় সোহাগা! শুধু মোতালেব হোসেনই নয়, এমন অনেক নানান আকুতি নিয়ে এসেছেন আরো অনেকে। মাজেদা খাতুন এসেছেন ঘুমের সমস্যা নিয়ে। চিকিৎসকের পরামর্শও মিলেছে। বেশ হাসিখুশি মনেই পা বাড়ান বাড়ির পথে। যাওয়ার আগে বলেন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাইছি, এটাই আমার জন্য অনেক পাওয়া। মানুষের এমন ভালোবাসার অনেক অভিব্যক্তিই শোনা গেছে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের এ আয়োজনে।স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও রকি ইসলাম জানান , মানবসেবার এমন ধারা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা তাদের ।আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাদমান ফাইজার সাব্বির জানান, জনকল্যাণ মূলক উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে এসে আমরা মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা পেয়েছি।এদিকে এমন মহতী কর্মকাণ্ড প্রশংসা কুড়িয়েছে সুধীমহলে।