Author: desk

  • পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার চুক্তিতে ভাতিজাকে হত্যা, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার

    পঞ্চগড়ে ১০ হাজার টাকার চুক্তিতে ভাতিজাকে হত্যা, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার

    মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাত্র ১০ হাজার টাকার চুক্তিতে কামরুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। আগে থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটান নিহত কামরুলের চাচা সাইফুল ইসলাম। গলায় মাফলার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে অভিযুক্তরা।
    সোমবার বিকেলে পঞ্চগড় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা।
    এর আগে, নিখোঁজের তিন দিন পর চা বাগানের পরিত্যক্ত ড্রেন থেকে কামরুল ইসলাম (৩৫) নামে ওই ব্যক্তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
    কামরুল ইসলাম তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের যুগিগছ এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে।
    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ভাতিজাকে হত্যা করতে দিদার আলী এবং নজিবুল হক নামের দুইজনকে মাত্র ১০ হাজার টাকায় ভাড়া করেন চাচা সাইফুল ইসলাম। পরে সেখানে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যান হত্যাকারীরা।
    জানা গেছে, গত ২৩ জানুয়ারী নিহত কামরুল নিখোঁজ হন। দুইদিন ধরে কামরুলের খোঁজ না পেয়ে ২৫ জানুয়ারি তার ছোট ভাই কাবুল হেসেন তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। পরে ওই দিনই বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের ধানশুকা এলাকার করতোয়া নদীর ধারে একটি চা বাগানের নালা থেকে কামরুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/২৫ জনের নামে তেতুঁলিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরদিন ঘটনার সাথে জড়িত দিদার আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে পার্শ্ববর্তী জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে মামলার সাথে জড়িত নজিবুল হক এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • ইসলামাবাদে রাস্তা দখল, ভোগান্তিতে শতাদিক পরিবার

    ইসলামাবাদে রাস্তা দখল, ভোগান্তিতে শতাদিক পরিবার

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ

    রাস্তা দখল, ভোগান্তিতে শতাদিক পরিবার
    কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদে মানুষ চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারী দিয়ে রাখায় ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় শতাদিক পরিবার। এ বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার গুলো।

    বর্ণিত ইউনিয়নের পূর্ব বোয়াল খালী এলাকার রাস্তার ওপর থেকে দ্রুত বাউন্ডারি অপসারণ করে পরিবারগুলোর যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

    এ ঘটনায় ২২ জানুয়ারী এলাকাবাসীর পক্ষে নাছির উদ্দীন নামের এক যুবক বাদী হয়ে দু”জনকে অভিযোক্ত করে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ও ঈদগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযুক্তরা হলেন,একই এলাকার আবু বক্কর পিতা-মৃত ছিদ্দিক আহমদ,মনজুর আলম প্রাকাশ (মনিয়া) পিতা আবু বক্কর।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা অতিশয় খারাপ, দাঙ্গাবাজ ও পরধন লোভী প্রকৃতির লোক হয় তাহারা দেশের প্রচলিত আইন কানুন মোটেও তোয়াক্কা করে না। পূর্ব বোয়ালখালী কক্সবাজার দোহাজারী নির্মিত নতুন রেল লাইনের পাশে বহু দিনে চলাচলের সরকারী রাস্তা জোর পূর্বক ধীরা বেড়া দিয়ে আবদ্ধ করে রেখেছে। যার কারনে এলাকার সাধারন জনগণের চলাচলের ব্যাঘাত ঘটতেছে। এই নিয়ে এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ উপরোক্ত বিবাদীদের অনেক বার বলার পরও কোন সমাধান হয় নাই। বরং আমরা এলাকার সচেতন নাগরিক উপরোক্ত বিবাদীদের চলাচলের রাস্তা খোলে দিতে বলার কারনে বিবাদীরা আমাদের অকথ্যভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০/০১/২০১৩ইং তারিখ অনুমান সকাল ০৮.৩০ ঘটিকার সময় সরকারী কর্মসূচীতে কর্মরত কর্মচারীরা কাজ করিতে গেলে উপরোক্ত বিবাদীরা তাহাদের কাজে বাধা প্রদান করে।

    এঘটনার বিষয় জানতে অভিযোগ উঠা আবু বক্করের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, চেয়ারম্যানের কথায় রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণ করেছি।

    দীর্ঘ এক মাস ধরে সরকারি রাস্তা প্রভাবশালী কিছু লোকজন সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণের বিষয় টা চেয়ারম্যানকে জানানো হলেও সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে স্থানীয় এমইউপি সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে অবৈধ দখলকারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানান তিনি।

    এঘটনার অভিযোগের দায়িত্ব প্রাপ্ত ঈদগাঁও থানার পুলিশের এএস আই শামুশু জানান,ঘটনা স্থাল পরিদর্শন করা হয়েছে। রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণের বিষয় টা সত্য।উভয় পক্ষকে থানায় আসায় জন্য বলা হয়েছে।

    কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়া জানান,জনগণের রাস্তা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জনগণের চলাচলের সরকারি রাস্তা কেউ অন্যায়ভাবে দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণের বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এদিকে সরকারি রাস্তা দখল করে ব্যক্তিগত বাউন্ডারি নির্মাণ করার নিয়ে তার ভয়ে মুখ খুলছে না সাধারণ মানুষ। প্রভাবশালীদের কবল থেকে সরকারি রাস্তা দখলমুক্তর দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

  • শখের ফটোগ্রাফি এখন পেশা-আবু মুসা আশয়ারীর

    শখের ফটোগ্রাফি এখন পেশা-আবু মুসা আশয়ারীর

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    ছোট বেলাা থেকে স্বপ্ন ফটোগ্রাফি পাশাপাশি Human Robots নিয়ে কাজ করা
    কিন্তু বাবা ফটোগ্রাফি পছন্দ করে না, তবুও চালিয়ে যাচ্ছে ফটোগ্রাফি ভালো ডিভাইস না থাকলেও থেমে নেই ছবি তোলা। তার একটি ছবি দেশের বাইরে আই, সি সি, কলকাতা নান্দানাল বস এন্ড জামিন গ্যালারিতে প্রদর্শনীতে।
    অন্যদিকে সময় পেলেই ফুজি সাইবার শট ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতেন। জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বারইল গ্রামের, আবু মুসা আশয়ারী
    বাবা মকবুল হোসেন, একজন ব্যবসায়ী, মাতা,গৃহিণী পারভীন বিবি। তিনি একজন ছাত্র, খুলনা ম্যানগ্রোভ ইন্সটিটিউট অফ সায়ন্স এন্ড টেকনোলজি কলেজে ডিপ্লোমা, কম্পিউটার ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করছেন। বাবা,মা’র দুই সন্তানের মধ্যে সে ছোট, বড়ো একটি বোন ৩০ পারা কোরআন হাফেজ।
    ছবি তুলতে ভালোবাসতেন তিনি, সময়ের সাথে সাথে তার মন ফটোগ্রাফিতে আটকে যায়। আগে সখ, তারপর নেশা। এখন এটি একটি পেশায় পরিণত হয়েছে। কিভাবে যে ঘটল? অদম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী ফটোগ্রাফার আবু মুসা আশয়ারী সেই গল্প শোনালেন।
    ছবি তোলার এত অনুপ্রেরণা তিনি কোথায় পেলেন। আবু মুসা আশয়ারী বলেন, যারা আমার ছবি দেখে তারাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। একবার একটা গ্রুপে ৪টা ছবি পোস্ট করেছিলাম, সেই ছবিগুলোতে আমার বন্ধু বান্ধব অনেক বড় ভাইয়েরা কমেন্টে ছবির প্রশংসা করেছিল। অনেক সিনিয়র এবং জুনিয়র ছবিগুলো পছন্দ করায় আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। বিশেষ করে বড় ভাই যারা ক্যাম্পাসের বাইরে থাকেন তারা ক্যাম্পাসে এলে আমার সাথে যোগাযোগ করেন। এমন অনেক সুন্দর গল্প আছে যা আমাকে প্রতি মুহূর্তে ছবি তুলতে অনুপ্রাণিত করে।
    তার ছবি এবং ফটোগ্রাফি নিয়ে অনেক স্বপ্ন রয়েছে তার। তিনি ভালোবেসে ছবি তোলেন, মূলত সবসময় ছবির মাধ্যমে পশু-পাখির সৌন্দর্য ধরার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, এখন আমি ছাত্র এবং বেকারও। বিভিন্ন সময়ে ছবি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা হয়, ছবি বাছাই করা হয়, অর্থ বা সময়ের অভাবে অংশগ্রহণ করা হয় না। যে কোনো চাকরিতে যোগদানের পর সেদিকেই মনোযোগ দেব। তিনি স্বপ্ন দেখেন তার ছবিগুলো দেশের বড় বড় প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হবে।

  • ক্ষেতলালে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে যুবক নিহত

    ক্ষেতলালে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে যুবক নিহত

    এস এম মিলন এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    জয়পুরহাট ক্ষেতলালে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মিলন মন্ডল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত মিলন মন্ডল ক্ষেতলাল উপজেলার ইকোরগাড়া গ্রামের মৃত ছাত্তার মন্ডলের ছেলে।
    ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ রাজিবুল ইসলাম জানান, গতকাল সকালে ক্ষেতলাল উপজেলার ইকরগাড়া গ্রামের বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মিলনকে প্রতিপক্ষরা লাঠি দিয়ে বেধরক মারপিট করে। এসময় সে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। পরে তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসাধীন আজ দুপুরে সে মারা যায়। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি রাজিবুল ইসলাম।

  • ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের  অভিযানে গ্রেফতার-৯

    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার-৯

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে বিভাগীয় নগরী ও সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধসহ আদালতের পরোয়ানা ভুক্ত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে পলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া সহ মোট ০৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    এর মাঝে এসআই রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম অভিযান পরিচালনা করে কৃষ্টপুর মেডিকেল গেইট এলাকা থেকে মারামারি মামলার আসামী ছাকিব খান ওরফে সাকি, এসআই আশিকুল হাসানের নেতৃত্বে একটি টীম অভিযান পরিচালনা করে বোররচর পয়েস্তি বাজার এলাকা থেকে মারামারি মামলার আসামী আইনাল হক, এসআই কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি টীম অভিযান পরিচালনা করে পাটগুদাম এলাকায় স্মৃতি সৌধের সামনে থেকে মাদক মামলার আসামী মোঃ হৃদয়কে ২৫০ গ্রাম গাঁজা, এসআই আনোয়া্র হোসেনের নেতৃত্বে একটি টীম চকনজু গ্রাম থেকে মাদক মামলার আসামী খায়রুল ইসলাম, ওয়াসিমকে সাত গ্রাম হেরোইনসহ, এসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি টীম কলেজ রোড মীর বাড়ী থেকে মাদক মামলার আসামী গোলাম মোহাইমিনুল তুর্য্যকে ২০ পিচ ইয়াবাসহ, এসআই রিফাত আল আফসানীর নেতৃত্বে একটি টীম কেওয়াটখালী এলাকা থেকে ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ আলাল উদ্দিন ওরফে বার্মিচ, শাহরিয়ার হোসেন রিফাত, এএসআই শামীমুল হাসানের নেতৃত্বে একটি টীম চুরখাই পাঁচ রাস্তার মোড় ব্র্যাক অফিসের সামনে থেকে অন্যান্য মামলার আসামী মোঃ আঃ রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে মঙ্গলবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • মধ্যনগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    মধ্যনগরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    শান্ত তালুকদার প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ,৩১ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নুরুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ অমর ফারুক, উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তৌফিক আহমেদ, এল এস ডি কর্মকর্তা রবিন কূর্মি,আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন তালুকদার, বাজার বণিক সমিতির সভাপতি অমরেশ রায় চৌধুরী, যুবলীগের সভাপতি মোস্তাক আহামেদ, উত্তর বংশীকুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার,পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দেবল কিরন তালুকদার, বাঙ্গালভিটা, মহেষখলা, মোহনপুর, ক্যাম্পের বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার , উপজেলার বিভিন্ন পেশার মানুষ ও
    বক্তারা নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা উন্নতি ও অবনতির বিষয় গুলো তুলে ধরেন, এবং পরিশেষে বক্তারা এলাকার যাতায়াতের ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলো মেরাত করার জন্য সরকারের কতৃপক্ষের কাছে দাবী করেন , এলাকার সীমান্তে নজর দাড়ি বাড়ানো ও ইভটিজিং সহ অপরাধ অরাজকতার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহন করে এলাকার পরিস্থিতি শিথিল রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর থাকবে বলে প্রশাসন আশ্বাস দেন।। ####

    শান্ত তালুকদার
    মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ

  • প্রেসক্লাব মধুপুর এর বার্ষিক বনভোজন ২০২৩ ইং অনুষ্ঠিত

    প্রেসক্লাব মধুপুর এর বার্ষিক বনভোজন ২০২৩ ইং অনুষ্ঠিত

    আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রেসক্লাব মধুপুরের আয়োজনে জাতীয় উদ্যানে সোমবার দিনব্যাপী বার্ষিক বন ভোজন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বনভোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ মো. সিদ্দিক হোসেন খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ডা.আব্দুর রহিম, সিনয়র রিপোটার রুমি আক্তার পলি। দিনব্যাপী এ অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন প্রেসক্লাব মধুপুরের সভাপতি, আ. হামিদ, সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক বাবুল রানা, যুগ্নসম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহীদুল কবীর জুয়েল সহ প্রেসক্লাব মধুপুরের সকল সদস্যবৃন্দ। সন্ধায় লাকী কূপন ড্র এর মধ্য দিয়ে দিবসের সমাপ্তি ঘটে।

  • আগৈলঝাড়ায় সদ্য যোগদানকৃত ৫৭জন শিক্ষক মন্ডলীকে সংবর্ধনা প্রদান

    আগৈলঝাড়ায় সদ্য যোগদানকৃত ৫৭জন শিক্ষক মন্ডলীকে সংবর্ধনা প্রদান

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য যোগদানকৃত ৫৭জন শিক্ষক মন্ডলীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
    উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ৩১ জানুয়ারি
    মঙ্গলবার সকালে শহীদ সুকান্ত আবদুল্লাহ হল রুমে আয়োজিত সংবর্ধণা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত। সংবর্ধণা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখর রঞ্জন ভক্ত, সহকারী শিক্ষা অফিসার সুনীল চন্দ্র দেবনাথ,জামাল হোসেন গাজী, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মাসুমসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রতি সরকারের নিয়োগকৃত যোগদান করা ৫৭জন সহকারী শিক্ষককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় প্রশাসন। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষক ছাড়াও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন, সরকারী কর্মকর্তাগন, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। পরে হল রুমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন সওজ’র প্রধান প্রকৌশলী

    টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন সওজ’র প্রধান প্রকৌশলী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ইছাহাক।
    আজ মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারী) দুপুরে গোপালগঞ্জে এসে পৌছান এবং টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়ক পরিদর্শন করেন। পরে বিকেলে তিনি গোপালগঞ্জে চলমান উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের সার্বিক অগ্রগতি বিষয়ে এক পর্যালোচনামূলক আলোচনা সভা করেন।
    সভায় প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ইছাহাক মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। সেই সাথে সড়কটি যাতে মানসম্মতভাবে নির্মান করা হয় তার জন্যও তিনি নির্দেশনা দেন।
    ৬শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৪ কিলোমিটার লম্বা ও ৩৪ ফুট চওড়া এই আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৪ সালের ৩০ জুন। মহাসড়কের কাজ শেষ হলে একদিকে যেমন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপর চাপ কমবে আবার অন্যদিকে এই আঞ্চলিক সড়কে চলাচলকারীদের ঢাকার সাথে দূরত্ব কমে আসবে এবং অর্থ সাস্রয় হবে।
    এসময় গোপালগঞ্জ সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সুরুজ মিয়া, গোপালগঞ্জ সড়ক সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তাপশী দাস, ফরিদপুর সড়ক সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীর, গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহিদ হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কুমারেশ বিশ্বাস, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার, ঠিকাদার মোঃ সিরাজ মিয়া, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ ফারুক হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। #

  • নড়াইলে ৪ বছরের শিশু সন্তান আরিয়ানকে ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন মা

    নড়াইলে ৪ বছরের শিশু সন্তান আরিয়ানকে ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন মা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ৪ বছরের শিশু সন্তান আরিয়ানকে ফেলে প্রেমিকের হাত ধরে ঘর ছাড়লেন মা খাদিজা বেগম (২২)। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১৫ জানুয়ারি) নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    ঘটানার ১৬ দিন পার হলেও কান্না থামেনি ছোট্ট শিশু আরিয়ানের। কিন্তু এই কান্নাও মন গলাতে পারিনি তার জন্মদাত্রী মাতা খাদিজা বেগমের।
    অভিযোগ রয়েছে, পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়ে প্রতিবেশি ১৮ বছর বয়সী এক কিশোরের সঙ্গে উধাও হয়েছে ওই মা। শিশু সন্তান ফেলে রেখে মায়ের চলে যাওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার পাচুড়িয়া গ্রামের আহাদুজ্জামান নান্নুর ছেলে সজল শেখের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার চাপুলিয়া গ্রামের নজরুল মোল্লার মেয়ে খাদিজা বেগমের। বিয়ের এক বছর পর তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। তার নাম রাখা হয় আরিয়ান। পেশাগত কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন সজল শেখ। স্বামী বাড়িতে না থাকায় পাশের বাড়ির সৈয়দ শাকিল মিরের সঙ্গে প্রেমে লিপ্ত হয় খাদিজা। পরকীয়ার জের ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় খাদিজা। পরকীয়া প্রেমিক সৈয়দ শাকিল মিরে (১৮) তাকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। সিনেমার মত এই প্রেম কাহিনীর কাছে হার মেনেছে মায়ের মমতা। সন্তানের জন্য মায়ের যে ভালোবাসা শুধু সেইটুকু আবদার নিয়ে অবুঝ শিশুটি অঝরে চোখের পানি ফেলছে। তার কান্না যেন থামানোর কেউ নেই।
    আরিয়ানের দাদি বিউটি পারভীন বলেন, ৪ বছরের শিশু সন্তান মাকে না পেয়ে অঝরে কাঁদতে থাকে। মায়ের জন্য শিশুটির হাও মাও কান্নায় প্রতিবেশীরা কান্না করে। আমি খোঁজাখুজি করে না পেয়ে পরবর্তীতে স্থানীয়দের পরামর্শে লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
    এদিকে, বিউটি পারভীনের করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা লোহাগড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুকুর বলেন, খাদিজা বেগমকে উদ্ধারের জন্য একাধিকবার উভয় পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা ঢাকা আছে। তাদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যহত রয়েছে।
    অভিযুক্ত শাকিলের বাবা জাকির মির বলেন, ছেলেটি তাকে নিয়ে চলে গেছে। আমরা তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।
    লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে বিউটি পারভীন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা খাদিজার সঙ্গে কথা বলেছেন। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।