Author: desk

  • আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র নয় যেন এক প্রাকৃতিক মনরম পরিবেশ

    আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র নয় যেন এক প্রাকৃতিক মনরম পরিবেশ

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃবাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর খোলা মরু উদ্যানকে সবুজ রংঙ্গের বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা দিয়ে বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক মনরম পরিবেশে রুপান্তরিত করেছেন আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রধান নানা গুনে গুণান্বিত ওই এলাকার স্বল্প সময়ের বহুল প্রসাংশিত জন প্রিয় ব্যাক্তি ইন্সপেক্টর অব পুলিশ বাবু সনজিৎ চন্দ্র শীল।

    তিনি ( সনজিৎ) সম্প্রতি আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করে মানুষের সেবা ও আইন শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যেমনি ভাবে ওই এলাকার মানুষের সমস্যা লাঘবে স্বল্প সময়ে মন কেরে নিয়ে ধন্য হয়েছেন, তেমনি ভাবে তার অফিস চত্বরের খোলা জরাজীর্ণ অবহেলিত মরু উদ্যানটিকে নজরে নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম মেধা ও সাধনা দিয়ে সবুজ বৃক্ষ রোপনের মধ্য দিয়ে যেন এক বাসর ঘড় সজ্জিতে কেরে নিয়েছেন ওই এলাকার সর্ব মহলের মানুষের মন। তার সহোযোগিতায় ছিল তদন্ত কেন্দ্রের অন্যান্য একাধিক পুলিশ সদস্য

    এ ছারাও গুরু দায়িত্বে ব্যাপক উৎসাহ যোগিয়ে আরো সৌন্দর্য্য লাঘবে অর্থ অনুদান করেছেন তারি অভিভাবক জেলা সু- যোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম ( বিপিএম)।

    তারি অনুদান ও উৎসাহর অবদানের ফলশ্রুতিতে অন্ধকারকে আলোকিত এবং অনাবাদি স্হানকে সবুজ রঙ্গের নানান প্রজাতের ফলজ চারা দিয়ে আলোক সয্যায় রুপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছেন ওই তদন্ত কেন্দ্রের প্রধান বৃক্ষ বন্ধু বাবু সনজিৎ চন্দ্র শীল।

    তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ কর্মকর্তা সনজিৎ বলেন, প্রচেষ্টা উৎসাহ উদ্দীপনাই অন্ধকারকে আলোকিত করে সৃষ্টি করতে পারে সোনার বাংলাদেশ। তাই আমরা সকলে পরিশ্রমি হই এবং সকল অনাবাদি জায়গাকে আবাদ করে দেশকে সমৃদ্ধশালি করে গড়ে তুলে তৈরি করতে সক্ষম হই সোনার বাংলাদেশ।

  • মেরাদিয়া নিজ বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

    মেরাদিয়া নিজ বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

    মোঃ রাসেল সরকার : রাজধানীর খিলগাঁও মেরাদিয়া এলাকার একটি টিনসেড বাসা থেকে হেলেনা আক্তার (২৩) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    হেলেনা মাদারীপুর জেলার টেকেরহাট উপজেলার খসপুর গ্রামের মৃত হেলিমের মেয়ে। বর্তমানে খিলগাঁও মেরাদিয়া বড়বাড়ি কবরস্থান রোডের ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

    খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোছা. সোনিয়া পারভীন বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পাওয়া যায়। ওই গৃহবধূর স্বামী মো. সুজন একজন রিকশাচালক।

    তাদের ঘরে তিন বছরের এক ছেলে সন্তান আছে। রাতে স্বামী-স্ত্রী পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে রাত ১টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী সুজন ঘুম থেকে উঠে হেলেনাকে ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

    তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • “প্রিয় শিক্ষকের বদলী : চোখের জলে বিদায় দিলো শিক্ষার্থীরা”

    “প্রিয় শিক্ষকের বদলী : চোখের জলে বিদায় দিলো শিক্ষার্থীরা”

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮নং পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উদ্দীপন সরকারকে চোখের জলে বিদায় দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এতটাই প্রিয় শিক্ষক ছিলেন যে প্রিয় শিক্ষার্থীদের চোখের জলে নিজেকে আর ধরতে রাখতে না পেরে কেঁদেছেন অঝোর ধারায়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন ভালবাসার কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন ভালবাসায় ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন অনেকে।

    জানাগেছে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৮নং পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন উদ্দীপন সরকার। প্রায় দুই বছরে শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষকে পরিনত হয়ে ওঠেন তিনি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থী না ভেবে সন্তানের মত পড়ালেখা করিয়েছেন তিনি। শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিয়েছেন প্রতিনিয়ত। ফলে শিক্ষক আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে ওঠে আত্মার আর ভালবাসার সম্পর্ক। কিন্তু বিদলিজনিত কারণে ৮নং পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেড়ে যোগ দিতে হচ্ছে মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ১৮৬নং আচারপাড়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জন্মগতভাবে এক পায়ে সমস্যা থাকলেও পথ চলায় আটকাতে পারিনে কখনো, পিছনে ফিরেও তাকাতে হয়নি কখনো। নিজের মেধা, গুণ ও ভালবাসা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন শিক্ষার্থীদের ভালবাসা।

    মঙ্গলবার দুপুরে প্রিয় শিক্ষক উদ্দীপন সরকার বিদায় নিতে স্কুলে গেলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রিয় শিক্ষককে যেতে মানা করে। শিক্ষার্থীদের কান্না দেখে নিজেও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এসময় ভারী হয়ে ওঠে বিদ্যালয়ের পরিবেশ। বিদায় বেলা প্রিয় শিক্ষককের হাতে চিঠি তুলে দেয় শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষক উদ্দীপন সরকার তার ফেসকুব আইডিতে (Uddipan Sarkar) কয়েকটি ভিডিও দিয়ে লিখেন, বিদায় ০৮নং পাঁচুড়িয়া সঃপ্রাঃবি। স্বাগতম ১৮৬নং আচারপাড়া আদর্শ সঃপ্রাঃবি। ছাত্রছাত্রীদের কি দিতে পেরেছি, কতটুকু দিতে পেরেছি জানি না তবে সাগরের মত গহিন, আকাশের মত অসীম আর পর্বতসম ভালবাসা আর শ্রদ্ধা পেয়েছি। এ ভালবাসা চিরন্তন, সার্বজনীন, এ ভালবাসা প্রান ছোয়ার। ছাত্রছাত্রীরা গগনভেদী স্নিগ্ধ, আর অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বার বার বলেছে স্যার যেয়ো না, যেয়ো না। আপনার মত এত ভাল স্যার আর পাব না, আপনার মত কেউ আসবে না। আপনি যে স্কুলে যাচ্ছেন আমরা সেই স্কুলে পড়ালেখা করব, আমাদের নিয়ে যান আপনার সাথে। এমন কথা শুনে আমি নির্বাক, স্তব্ধ ও অশ্রুসিক্ত। আমার আঁখিযুগলে অবাধে বারি ঝরে।

    তিনি আরো লিখেছেন, শিশুদের এই অব্যক্ত কান্নায় কেঁদেছে প্রকৃতি, কেঁদেছে আকাশবাতাস, কেঁদেছে বিদ্যালয়ের বৃক্ষরাজি, অশ্রু ঝরেছে বিদ্যালয় ভবনের প্রতিটি ইটেরও। সর্বোপরি, সকলকে দোয়া/আর্শীবাদ করি তোমরা পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হও, বাবা মায়ের মুখ উজ্জ্বল কর, দেশকে উন্নতির উচ্চ শিখরে আরোহন কর।

    শিক্ষক উদ্দীপন সরকারের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এই স্ট্যাটাসে উৎপল ভক্ত লিখেন, এটাই তো শিক্ষকের স্বার্থকতা।

    লিপটন সরকার লিখেন, শিক্ষার্থীদের আবেগ আর ভালোবাসা প্রমান করে শিক্ষকতাই মহান পেশা। বন্ধু তুমি জয় করে নিয়েছো প্রতিটি শিক্ষার্থীর অফুরন্ত ভালোবাসা যেটা কখনো ভোলার নয়। শিক্ষার্থীদের অশ্রুপাত দেখে মনে হচ্ছে বদলি না হলেই ভালো হতো কিন্ত এতো দূরে তোমার স্কুল বদলি হওয়াটা আবশ্যিক ছিলো। তোমার শিক্ষকতায় আরো মহান হও ভগবানের কাছে এই প্রার্থনা রাখছি।

    ৮নং পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সিয়াম শেখ জানায়, স্যার আমাদের পড়ালেখার দিকে সব সময় খেয়াল রাখতেন। আমাদের মারধর করাতো দূরের কথা কখনো ধমকও দেননি। মনেই হয়নি তিনি আমাদের শিক্ষক। আমরা আর এমন স্যার পাবো না।

    ৫ম শ্রেনীর অপর শিক্ষার্থী অনিশা ও নূসরাত জানায়, স্কুলে আসলে মনে হয়নি তিনি আমাদের শিক্ষক। সব সময় বন্ধুর মত করে পড়ালেখা করিয়েছেন। আমরা আমাদের শিক্ষাজীবনে এমন শিক্ষক আর পাবো না। আমরা উদ্দীপন স্যারকে আবার ফিতে পেতে চাই।

    ৮নং পাঁচুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন সুলতানা বলেন, দুদিনের এই ক্ষনস্থায়ী পৃথিবীতে আমাদের সকলকেই বিদায় নিতে হবে। তবে এই পার্থিব জগতে কিছু বিদায় আছে স্থানান্তর মাত্র। এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় চলে যাওয়া। তেমনি কর্মস্থল ত্যাগ করে বদলিজনিত বিদায় নিলেন আমার সহকর্মী উদ্দিপন সরকার। নামের সাথে কর্মের ভীষন মিল, প্রত্যেকটা কাজে খুব ইচ্ছাশক্তি নিয়ে কাজ করে যেতেন দিবা নিশি। অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখেছি আর খুব অবাক হয়েছি। শিশু মনে খুব দাগকেটে চলে গেলেন। বিদায় বেলায় কান্নায় কাউকে থামাতে পারি নাই। নিজের চোখের জলকে ধরে রাখতে পারি নাই। এত অল্প সময়ে একজন শিক্ষক শিশুদের মনি কোঠায় এমনভাবে জায়গা করে নিতে পারে, তার দৃস্টান্ত একমাত্র তাকেই দেখেছি। একজন নি:স্বার্থ, পরপকারী শিশুবান্ধব সহকর্মীকে হারিয়ে অপুরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল। বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা শিক্ষার্থী যেভাবে কান্নায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এই শোক কাটিয়ে উঠতে কতদিন সময় লাগবে জানি না। #

  • আর কলেজে পড়া হলো না ইসরাফিলের

    আর কলেজে পড়া হলো না ইসরাফিলের

    মোঃ রাসেল সরকার: কলেজে ভর্তি হতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছাত্র মো. ইসরাফিল (১৭) মারা গেছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

    এর আগে গত ২২ জানুয়ারি দুপুরে রামগতি-লক্ষ্মীপুর সড়কের কমলনগরে চর লরেন্স এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর হয় ইসরাফিল।

    সে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চর উভূতি গ্রামের হেঞ্জু মিয়ার ছেলে। তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২২ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সে।

    তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাসান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইসরাফিল কমলনগরের হাজিরহাট উপকূল সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

  • জৌলসে ফিরে জমে উঠেছে ২২৮ তম ঐতিহ্যবাহী সূর্যমনি মেলা

    জৌলসে ফিরে জমে উঠেছে ২২৮ তম ঐতিহ্যবাহী সূর্যমনি মেলা

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় সূর্য পূজাকে কেন্দ্র করে ২২৮ তম ঐতিহ্যবাহী সূর্য মনি মেলা জমে উঠেছে। গত ২৮ জানুয়ারি শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সূর্য দেবের পূজার মধ্য দিয়ে বেশ জমকালো ভাবে মেলা উদ্বোধনী শুরু হয়েছে। ইতিহাসটা বেশ পুরোনো। বর্তমান সূর্যমনি মেলার কোল ঘেঁষে যাওয়া ছোট্ট খালটি এক সময় ছিলো বেশ বড় । খালে চলাচল করত বড় বড় নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত বোট‌। তার কোল ঘেঁষেই অবস্থিত সূর্যমনি মেলা।
    মেলা প্রাঙ্গণ সেখানে গঙ্গু সরকারের চাষিরা চাষ করতে গেলে লাঙলের মাথায় উঠে আসে সূর্য দেবের এক বিশাল আকারের প্রতিমা যার উচ্চতা ছিলো চার ফুট ও পাশে ছিলো প্রায় দুই ফুট ,ওজনে প্রায় চার মনের মত যেটি ছিলো মুল্যবান কষ্টিপাথরের প্রতিমা। লাঙলের মাথায় বেধেঁ ওঠায় প্রতিমাটির এক কর্নারে কিছু যায়গা ভাঙে যায়। কিছুদিন পরে গঙ্গু সরকারের মা স্বপ্ন দেখেন প্রতিমাটি দিয়ে সূর্য পুজো দেয়ার, সেই থেকে মাগি সপ্তমীতে শুরু হয় সূর্য দেবের পুজো যা আজ ঐতিহ্যবাহী সূর্যমনির মেলা। প্রথমে সূর্য পুজো উপলক্ষে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসত ছোট আকারে একটি মেলা। তখনকার সময়ে কোন রকমের ছাপড়াঘরে পুজো হত যা আজ বেশ বড় মন্দিরে রূপান্তরিত হয়েছে। তখনকার সময়ে গঙ্গু সরকার ও তার পরিবারের সাথে সুসম্পর্ক ছিলো। মৃত চেরাগআলী মোল্লার আর চেরাগআলী মোল্লা ছিলো মৃত খবির উদ্দিন মোল্লার পিতা। দেশ ভাগের সময়ে গঙ্গু সরকারের পরিবার চেরাগআলী মোল্লার সাথে সুসম্পর্ক থাকায় চেরাগআলী মোল্লাকে গঙ্গু সরকারের পরিবার তাদের স্থাবর অস্থাবর সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে তারা ভারতে চলে যান। সেই থেকে এই সূর্য পুজার দ্বায়িত্ব পরে চেরাগআলী মোল্লার কাছে। মৃত চেরাগআলী মোল্লা সূর্য প্রতিমাটি রাখার জন্য বর্তমান হাতি রাখার জায়গায় ভিন্ন একটি ছাপড়াঘর তৈরী করেন এবং পুজো শেষ হলে সেখানেই প্রতিমাটি রাখতেন এবং পুজো শুরু হওয়ার পূর্বে বর্তমান যেখানে মন্দির স্থাপন করা হয়েছে সেখানে নিয়ে রাখতেন যদিও তখন ওখানে কোন মন্দির তৈরি হয়ে ওঠেনি। সেই থেকে আজও মোল্লাদের যায়গায় উৎসাহ উদ্দিপনায় মেলাটি গর্বের সহিত চলতেছে। মূলত চেরাগআলী মোল্লার পুত্র খবির উদ্দিন মোল্লা যে সময় থেকে এই পুজোটির দ্বায়ভার গ্রহন করে সেই থেকে মেলাটি বিস্তৃত হতে শুরু করে। প্রথমে একদিন মেলাটি হলেও পরে খবির উদ্দিন মোল্লা মেলাটিকে তিনদিন এবং সাতদিনে থেকে এক মাসে রুপান্তরিত করে রেখে যায়। স্বাধীনতার পরে ও পূর্বে মেলাটির উপর বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সব বাধা মোল্লারা শক্ত হাতে দমন করে এগিয়ে নেয় ঐতিহ্যবাহী এই সূর্য পুজোটি। উল্লেখ্য যে মোল্লা বংশোদ্ভূত কেহই কোনদিন মেলা কমিটিতে সম্পৃক্ত ছিলোনা। স্বাধীনতার পর পর সময়ে সূর্য দেবের প্রতিমাটি চুরি হয়ে যায় যদিও তারপরে মৃত খবির উদ্দিন মোল্লা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও প্রতিমাটির কোন হদিস করতে পারেননি পরে জানা যায় যে এই সূর্য পুজো বিরোধী লোকজনরা প্রতিমাটি চুরি করে নিয়ে যান যাতে ওখানে আর কোনদিন পুজো দিতে না পারে। কিন্ত সেই থেকে ঘট দিয়ে সূর্য পুজো হত তবে এখন সূর্য দেবের সাদৃশ্য একটি প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছে গড়ে উঠেছে বেশ বড় একটি মন্দির যেখানে গত ২৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছে সূর্য দেবের পুজো বা সূর্য মনির মেলা। তবে মেলা কমিটির সভাপতি বাদাল কৃষ্ণ সাহা ও সাধারণ সম্পাদক ধ্রুব লাল সাহা জানান প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও পুজারী কৃষ্ণ কান্ত ভট্টাচার্য ২৮ জানুয়ারি শনিবার সকালে সূর্য পুজো দিয়ে মাসব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে তবে ভক্তগনরা মেলা চলাকালীন যে কোন সময়ে তারা পুজো দিতে পারবেন। মেলা ঘুরে দেখা যায় মেলায় প্রায় তিন শতাধিক দোকান রয়েছে যারা প্রতিবছরের নেয় পসরা সাজিয়ে বসে রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী লক্ষন দাস সার্কাস,পুতুল নাচ পার্টি,যাত্রাপালা, নাগর দোলা, কসমেটিকস, বাশ, বেত, লোহা,মাটি ও কাঠের আসবাবপত্রের দোকান এছাড়াও রয়েছে লোভনীয় সব খাবারের দোকান যেমন মিষ্টি ,চটপটি, চানাচুর, ফুসকা, মনখুশি,ঘুঘনি ও গরম গরম জিলেপী ও রয়েছে এক কেজি ওজনের একটি মিষ্টি এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের রেষ্টুরেন্ট, ফল ও ফুলের দোকান। তবে এবারের মেলা খুবই সুশৃঙ্খল পরিবেশ বহন করছে। ঐতিহ্যবাহী সূূূূর্যমনি মেলা ঘিরে বানাড়ীপাড়া, উজিরপুর, সরুপকাঠী,বাবুগঞ্জ, ঝালকাঠির মানুষের মধ্যে দেখা গেছে ব্যপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও মেলা ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসব মুখর পরিবেশ। এই মেলার দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা ও কঠোর নিরাপত্তা।

    বি:দ্র: এছাড়াও রয়েছে প্রতি বছরের চমক র‍্যাফেল ড্র। এযাবৎ পর্যন্ত চার থেকে পাঁচটি মটর সাইকেল,গরু,স্বর্নের চেইন,কানের দুল ও পারিবারিক কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র প্রায় চারশ দর্শনার্থীরা জিতে গেছেন সূর্যমনির মেলা প্রঙ্গন দিয়ে। তাই আর বাসায় বসে থাকবেন না অতিসত্বর ঘুরে যান মেলা প্রাঙ্গনে।

  • প্রিয় এস আই শামীম হাসান ভাইকে মনে পড়ে

    প্রিয় এস আই শামীম হাসান ভাইকে মনে পড়ে

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    এস আই শামীম হাসান শাজাহানপুর থানার ইতিহাসে একটি নাম। এই নামটি হয়তো যুগ যুগ ধরে শাজাহানপুরের মানুষ মনে রাখবে। এখনো মানুষের মুখে গল্প শোনা যায় এই পুলিশ অফিসার তাদের কত আপন ছিল। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শাজাহানপুরের মানুষের এক প্রিয় নাম ছিল এস আই শামীম হাসান। আজও শাজাহানপুরের মানুষ ভালবেসে স্বীকার করে তার নাম। আমরুল ইউনিয়ন সহ পুরো থানা এলাকায় এস আই শামীম হাসান ছিল একটি আস্থার প্রতীক। মানুষের হৃদয় জয়কারী এই মেধাবী পুলিশ অফিসার শাজাহানপুরে চুরি, ডাকাতি দমন সহ মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি ছিলেন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার অকুতোভয় সৈনিক। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেন নি। দালাল, চাটুকার আর ভন্ডদের তিনি কঠোর হস্তে দমন করেছেন।যুবকদের আইডল এই পুলিশ অফিসার বর্তমানে নওগাঁ জেলার মান্দা থানায় কর্মরত আছেন। সেখানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদান রাখছেন জানা গেছে। শাজাহানপুরের মানুষের একটাই প্রার্থনা প্রিয় পুলিশ এস আই শামীম হাসান ভাল থাকুক।

  • কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি-শশুর কর্তৃক পুত্রবধূ ধর্ষণসহ বাড়ছে ক্রাইম

    কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি-শশুর কর্তৃক পুত্রবধূ ধর্ষণসহ বাড়ছে ক্রাইম

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস-খুন ও শশুর কর্তৃক পুত্রবধুকে ধর্ষণসহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড (ক্রাইম)। সূত্র জানায়, মাদক সন্ত্রাসী শক্তিশালী সিন্ডিকেটে মাধ্যমে নানারকম মাদকদ্রব্য অবাধে বিক্রি করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এসব মাদক সেবন করে জামগড়ার তাজিবুল মীর (৩১) এর মতো অনেক যুবকের অকালে মৃত্যু হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ। ২০০ থেকে ৫০০ টাকা দিলে মাদক সেবনকারীদের দিয়ে সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ড করাতে পারছেন অনেকেই।
    মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৩ইং) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠের পাশে এক পুলিশ অফিসার ভাই মোঃ মোসলেম এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ লতিফ শেখ (৪৫) তার আপন ছেলের বৌ-নববধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেন ভিকটিম (১৭) এর বাবা। এই ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ১নং বিবাদী আসামির নাম লতিফ শেখ, পিতা-দিদার আলী, গ্রাম-সোনামরি, পোষ্ট-জাউয়াল, থানা-গোপালপুর, জেলা টাংগাইল, বর্তমান ঠিকানা,আমিনুরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, জামগড়া রূপায়ন, আশুলিয়া ঢাকা। বিবাদীর বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদী সম্পর্কে আমার মেয়ের শশুর, উক্ত বিবাদীর ছেলে, মোঃ আরিফ (২১) এর সহিত আমার মেয়ের গত ৪ মাস আগে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ে (১৭) কে নিয়ে বর্তমান ঠিকানায় আমার মেয়ে জামাইসহ বাসা ভাড়া থাকিয়া আসিতেছিলো, আমার মেয়ে জামাই গার্মেন্টসে চাকরির সুবাধে কারখানায় থাকায় ও আমার মেয়েবাসায় একা থাকার সুযোগে গত ২৮/০১/২০২৩ইং সকাল ১১টার দিকে আমার মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ভাবে ধর্ষণ করে তার আপন শশুর। এ ব্যাপারে আমার মেয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। আমি আমার মেয়ের ফোন পেয়ে বর্তমান ঠিকানায় আসিয়া মেয়ের মুখে সবকিছু শুনিয়া আইনের সহায়তা নেওয়ার কথা বলিলে বাড়িওয়ালা মোসলেম বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ের সাথে যে এমন ঘটনা করতে পারে তার শশুর এটা মেনে নিতে পারছিনা, এ ঘটনার আসামি লতিফ শেখকে ছাড়বো না, আইনে বিচার না হলে আমি আইন নিজে হাতে তুলে নিবো বলে কান্না করছিলো এই ভুক্তভোগী বাবা। উক্ত নববধূ ধর্ষণের বিষয়ে জানতে ভিকটিমের কাছে প্রশ্ন করলে সে স্বীকার করে বলেন, আমার ধর্ষণকারী শশুরের কঠিন শাস্তি চাই, যাতে আর কোনো মেয়ের জীবন নষ্ট করতে না পারে এই খারাপ লোকটা।
    এদিকে আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠের পাশে পুলিশ অফিসার ভাইয়ের বাড়ির মালিকের দায়িত্বে থাকা মোঃ মোসলেম এর কাছে শশুর কর্তৃক নববধুকে ধর্ষণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ ঘটনার সত্যতা আছে বলে স্বীকার করেন এবং উক্ত ধর্ষণকারীকে পুলিশ বা র‌্যাবের কাছে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করবেন বলে জানান। অন্যদিকে আশুলিয়ার জামগড়া উত্তর মীর বাড়ির বাসিন্দা তাজিবুল মীর (৩১) কে মদ সেবন করানোর কারণে মৃত্যুর জন্য দোষীদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখে একটি মামলা দায়ের করেছেন নিহত তাজিবুল মীরের বাবা ওয়াহিদ মীর। ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোনো আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেননি বলে বাদীর অভিযোগ। উক্ত মামলা নং ৩৯/৩৯, তারিখ ১৮/০১/২০২৩।
    ঢাকার আশুলিয়ায় ও টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানায় একাধিক মাদক মামলার আসামী মোছাঃ নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগম (৪২) এর দাপটে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার শক্তিশালী মাদকের সিন্ডিকেট রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও অসামাজিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে, এরকম অনেক মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে এলাকাবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। এদিকে মাদক ও দেহ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী হালিম মৃধা’র বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে বলে তিনি জানান। অনুসন্ধান করে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দড়িসয়া গ্রামে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে হাতে নাতে গাঁজাসহ ফিরোজা বেগমকে আটকের পর দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। গাঁজা সেবন ও নিজ হেফাজতে গাঁজা সংরক্ষণ যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সালের ৩৬ (১) এর ২১ ধারা লঙ্ঘন ও দ-নীয় অপরাধ। এই ধারা মতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ২ (দই) বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
    জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামের আলী আকবরের স্ত্রী মোছাঃ নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগমের বিরুদ্ধে ঢাকার আশুলিয়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। এবারের গল্পটাই যেন ভিন্ন: স্বামী একজন রিক্সা চালক আর স্ত্রী বাসা বাড়িতে কাজের বোয়া থেকে এখন বিশাল প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেটের পরিচালনাকারী নারী ফিরোজা বেগম। তিনি এখন টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামে ইটের দালানকোঠা তৈরি করে বাড়িতে চারসাইড দিয়ে লাগিয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এলাকাবাসীর দাবি-সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দেখে তার বাড়িতে কারা কখন আসছে, প্রতিবেশি কেউ তার বাড়িতে প্রবেশ করলে তাকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করাসহ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। অনেকেরই প্রশ্ন: কি তার উপার্জন আর কি বা তার ব্যবসা? দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে উঠে আসে কে এই নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগম। জানা গেছে, একজন দিনমজুর আলী আকবরের অপ্রতিরোধ্য স্ত্রী ফিরোজা বেগম মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ করেন, এরপর এখন ক্ষমতাধরের খাতায় নাম লিখেছে মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকান্ডকে পুঁজি করে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, টাঙ্গাইলের দড়িসয়া পাড়া গ্রামের একবেলা খেয়ে আর অন্যবেলা না খেয়ে অনাহরে অর্ধাহারে থাকা সেই দিনমজুর স্বামী আলী আকববসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে ফিরোজা বেগম কাজের উদ্দেশ্যে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মোশারফ ম্যানশন নামের একটি বাড়ির কক্ষ ভাড়া নিয়ে ওই বাড়ির মালিকের বিশাল ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে প্রায় ১০বছর ধরে বিভিন্ন মাদক ব্যবসা করে আসছে। সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি এই মাদকের কারবার করে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছেন। এলাকাবাসী জানায়, ফিরোজা বেগমের মাদকের বিশাল শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে, দেশের সীমান্ত দিয়ে আসা বিদেশী মদ, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক তার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় চালান পাঠানো হয়। ২০১২ সালে সিরাজগঞ্জ, ২০১৭ সালে আশুলিয়া, ২০২১ইং সালে টাঙ্গাইলে মাদকসহ হাতে নাতে আটক হয় ফিরোজা বেগম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে অনেকবার গ্রেফতার হলেও আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে তিনি ও তার দুই ছেলে কৌশলে বেড়িয়ে এসে ক্ষমতা ও টাকার দাপটে অবাধে চালাচ্ছে তাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
    এলাকাবাসী-মাদককে না বলে পৃথক ভাবে একাধিকবার মাদক বিরোধী মিছিল ও মানববন্ধনসহ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। মাদক নির্মূলের দাবিতে সামাজিক ভাবে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা। মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বারা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা বন্ধের জন্য সামাজিক প্রতিরোধে এলাকার যুবসমাজকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে দড়িসয়া গ্রামের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আব্দুস সামাদ বলেন, পূর্বের ইতিহাস তারা আগে জামগড়ায় থাইকা কাম কাজ করছে। ১৫-১৬ বছর যাবতসেখানেই থাকতো তারা। তার দুই ছেলে বিভিন্ন মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে একাধিকবার, ফিরোজা বেগমও গাঁজাসহ আটক হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনি আরও বলেন, এই ফিরোজা বেগমের পরিবারের লোকজন সবাই এখন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছেন। শীতের মধ্যে মানুষ গরম পোশাক ও মুখোশ ব্যবহার করেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাদক বিক্রেতারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকের জমজমাট কারবার করছে। কিছু মাদক সেবনকারী নির্বাচনে মিছিল মিটিং করাসহ বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে ব্যবহার করছেন প্রার্থী অনেকেই।
    উক্ত বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গিয়ে আশুলিয়ার জামগড়া ও টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুরের দড়িসয়া গ্রামে মোছাঃ নুর জাহান ওরফে ফিরোজা বেগমের বাড়িতে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনেও তার সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে গোপালপুর থানা পুলিশ ও আশুলিয়া থানা পুলিশ এবং র‌্যাব জানায়, অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। সচেতন মহলের প্রশ্ন কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস ও খুনি, ধর্ষণকারীদের খুঁটির জোড় কোথায়?।

  • তেঁতুলিয়ায় আপন চাচার পরিকল্পনায় ভাতিজা খুন

    তেঁতুলিয়ায় আপন চাচার পরিকল্পনায় ভাতিজা খুন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন চাচার পরিকল্পনায় ভাতিজাকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেকজন পলাতক রয়েছেন।

    সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা পুলিশের নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এএসএম সিরাজুল হুদা পিপিএম।

    জানা যায়, গত বুধবার (২৫ জানুয়ারি) জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের করতোয়া নদীর পাশে ধানশুকা এলাকার একটি চা বাগান থেকে কামরুল ইসলাম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৪ঘন্টা না পেরুতেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ। যা গত ২৬ জানুয়ারি তেঁতুলিয়া মডেল থানার ১৭নং মামলায় হত্যাকারীকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি তিরনইহাট ইউনিয়নের যুগীগছ এলাকার কামরুল ইসলাম বাজার করতে শালবাহান হাটে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় বাড়িতে বাজার ও সাইকেল পাঠালেও তিনি ফেরেননি। বাড়িতে না ফেরায় পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তাকে না পেয়ে গত ২৫ জানুয়ারি দুপুরে তার ছোট ভাই মোঃ কাবুল হাসান তেঁতুলিয়া থানায় হাজির হয়ে নিখোঁজ সংক্রান্তে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার সাধারণ ডায়েরী নং ৯৮৭। জিডির পর থেকেই পুলিশ তদন্তে নামে। সাধারণ ডায়েরী করার চার ঘন্টার মধ্যেই প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ ওই উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের একটি চা বাগানের ড্রেন হতে কামরুলকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া আলামত এর সূত্র ধরে পঞ্চগড় পুলিশ সুপার এস.এম সিরাজুল হুদা পিপিএম এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) কনক কুমার দাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রাকিবুল ইসলামের সার্বিক সহযোগীতায় তেঁতুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যার অভিযোগে প্রথমে দিদার ও পরে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদেরকে রিমান্ডে আনা হলে ঘটনাটি জমি-সংক্রান্ত বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ। ঘটনার মূল পরিকল্পনা করেন কামরুলের আপন চাচা সাইফুল ইসলাম। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরেকজন নজিবুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

    পুলিশ সুপার এএসএম সিরাজুল হুদা পিপিএম বলেন, নিহত কামরুল ইসলাম কামুর সঙ্গে চাচা সাইফুলের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরে চাচা সাইফুল কামরুলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন। সে পরিকল্পনায় হত্যাকারী দিদার ও নজিবুল ইসলাম গত ২৩ জানুয়ারি কামরুলকে মেরে চা বাগানে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় প্রথমে আমরা দিদারকে গ্রেপ্তার করি। পরে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হলে তার তথ্য অনুযায়ী রোববার (২৯ জানুয়ারি) হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলামকে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর এক সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করি। এ ঘটনায় মোট তিনজন জড়িত। এদের মধ্যে পলাতক নজিবুল ইসলামকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে।

    এসময় প্রেস ব্রিফিং-এ উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এসএম শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অ্যাপস) কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রাকিবুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

  • মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৩ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ,সাবেক পৌর মেয়র ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব এবং সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হান্নান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পাবনা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,সাবেক পৌর মেয়র ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক আখতারুজ্জামান জর্জ এর স ালনায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য ও পাবনা-২ আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ(অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল হালিম মানিক, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল জব্বার মাষ্টার, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, ভাঁয়না ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সুজানগর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ রায়হান আলী মিলন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য সমীর কুমার সরকার, আব্দুর রহমান মিয়া, মজিবর রহমান, আনিছুর রহমান, রবিউল হক, সাথী খাতুন, মোস্তাফিজুর রহমান, আজিজুর রহমান, ভক্তি রানী দাস, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্য আলহাজ্ব জাহেদ আলী সেখ, ইউসুফ আলী প্রাং, হাতেম আলী , জনাব আলী, আবুল হোসেন, ইসহাক আলী, আব্দুস সাত্তার, গোলাম মোস্তাফা বাবু, চাঁদ আলী, মনসুর আলী, ইসমাইল উদ্দিন, আব্দুল খালেক সেকেন্দার আলী, ইকবাল হোসেন, আকতার হোসেন, আফছার আলী মোল্লা, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.ইসহাক আলী, দেব প্রসাদ রায়, আবু বকর সিদ্দিক, রেজাউল করিম, তাসলিমা খাতুন, এনামুল হক, মাসুদ রানা, আফরোজা পারভিন, মাহফুজা আক্তার, সোহেল রানা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অফিস সহকারী জয়নুল আবেদীন, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর শাকিল হোসেন, অফিস স্টাফ শামীম শেখ, মানিক শেখ, হেলেনা খাতুন, হান্নান খান ও রমজান আলী সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিক স্তর থেকেই প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মুজিব আদর্শে জীবন গড়ার শপথ নিতে হবে বলে জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য ও পাবনা-২ আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান উজ্জল বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন ঠিক তেমনি ভাবে যেন তোমরাও গড়ে উঠতে পারো সেই লক্ষ্যে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ,সাবেক পৌর মেয়র ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব প্রতিটি শিক্ষার্থীর অভিভাবককে তাদের সন্তানদের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে শিশু কাল থেকেই জানানোর প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া একই দিনে মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মথুরাপুর শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধ মারপিট গুরুতর জখম আটক ১

    পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধ মারপিট গুরুতর জখম আটক ১

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগর;
    পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার মহাজন পাড়া অরাজি চামেস্বর চুচলি গ্রামে গ্রামের মইনুল হকের ক্রয় কৃত আশি শতক জমি তফসিল মৌজা চুচুলি জেল নং ৫৩ সাবেক খতিয়ান ৩৮৬ হাল খতিয়ান ৪২৫ দলিল নং ৩১৭১ মোট জমি একা কর বাষট্টি শতাংশ মধ্যে মইনুল হকের ৮০ শতক জমি জবর দখল করতে গেলে স্থানীয় চুচু লি মহাজন পাড়া মোস্তাকিম নুর আলম শুয়েল আসারু শিমু বেগম বিষেনি লাকি বেগম বুলি জোরপূর্বক জমিতে দখল করতে গেলে তৎক্ষণাৎ রাজু ইসলাম বাধা দিলে তাকে মারপিট করে রাজুর পিতা মইনুল হক রাজুকে বাঁচাতে গেলে মইনুল ডান পা কোদাল দিয়ে জখম করে এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা চিকিৎসার জন্য অটোয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে অবস্থার অবনতি দেখলে দায়িত্বগত চিকিৎস উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফাট করে বর্তমানে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন। পরবর্তীতে মইনুল এর ছেলে মোঃ রাজু ইসলাম বাদী হয়ে গত ২৮/১/২৩ ইং আটোয়ারী থানায় আটজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
    এ বিষয়ে অটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা মামলা দায়ের একজন আসামি আটকের বিষয়ে নিশ্চিত করেন।
    বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান।