Author: desk

  • পলাশবাড়ীতে সারের কৃত্রিম সং-কট,ডিলারদের বি-রুদ্ধে কা-লোবাজারীর অ-ভিযোগ

    পলাশবাড়ীতে সারের কৃত্রিম সং-কট,ডিলারদের বি-রুদ্ধে কা-লোবাজারীর অ-ভিযোগ

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত সারের কৃত্রিম সংকট তৈরী হয়েছে। এতে করে ভরা মৌসুমে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এমন অভিযোগ উঠেছে যে ডিলাররা সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি না করে অবৈধভাবে তা কালোবাজারে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করছেন। যার ফলে কৃষকদের এক বস্তা সারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে।

    ভুক্তভোগী এক কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,”গত দুই দিন ধরে জমিতে সার দেয়ার জন্য টিএসপি ও ইউরিয়া সার খুঁজছি। কিন্তু কোনো ডিলারের কাছেই সার পাইনি। পরে বাধ্য হয়ে খুচরা দোকানে যাই,সেখানে এক বস্তা টিএসপি ২ হাজার ৪’ টাকা এবং এক বস্তা ইউরিয়া ১ হাজার ৩’শ ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দোকানদার সরাসরি বলেছেন, ‘নিলে নেন,না নিলে এটাও পাবেন না’।”

    ক্ষুব্ধ এই কৃষক আরও জানান, তিনি অনলাইনে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে ৩১শে আগস্ট, ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ীর ৩৪ জন ডিলারকে সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দিলীপ বাবুর রনি ট্রেডার্স ৬২ বস্তা টিএসপি, আবু তালেব সরকার ৫২ বস্তা, আঃ হাই মন্ডল ৫২ বস্তা এবং অবিনাশ চন্দ্র ৫২ বস্তা টিএসপি সার পেয়েছেন। এর পাশাপাশি এই সারের ক্রয়মূল্য ছিল ১হাজার ২’শ ৫০ টাকা,যা ডিলাররা এখন ২ হাজার ৪’শ টাকায় বিক্রি করছেন।
    কৃষকের প্রশ্ন,”এত সার যদি ডিলারদের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়,তাহলে সারগুলো গেলো কোথায়?”

    তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন,এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়া হলে কৃষকদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে, যার দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।

    পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সাজ্জাদ হোসেন সোহেলের সাথে কথা হলে তিনি জানান,অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলমের সাথে কথা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান,“এই ব্যাপারে তেমন কিছু জানা ছিল না। ” তিনি আরো জানান,সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে অভিযোগের বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।।

  • বরগুনার তাল-তলীতে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উ-দযাপন

    বরগুনার তাল-তলীতে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উ-দযাপন

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আকন মো. আল মামুনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‌্যালিটি ভূমি অফিসের দক্ষিণ পাশে মামুন লাইব্রেরির সামনে গিয়ে শেষ হয় এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক। তাঁর আদর্শকে ধারণ করেই বিএনপি গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের দমন-নিপীড়ন উপেক্ষা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এসময় বক্তারা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইসাহাক আকন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, তাঁতি দলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ওলামা দলের সভাপতি ফারুক, ছাত্রদলের  সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক ফারুক হোসেন, যুবদল নেতা রাজু মৃধা, সেচ্ছাসেব দল নেতা মামুন প্রমুখ।###
    তাং০৭-০৯-২০২৫ইং
    মংচিন থান
    ০১৭১৬৩১৩১২৭

  • কোটালীপাড়ায় নি-ষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রে-প্তার

    কোটালীপাড়ায় নি-ষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রে-প্তার

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার সাবেক সহ-সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ হিরো (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    আজ রোববার দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার স্টার এক্সপ্রেসে প্রধান কাউন্টারের সামনে থেকে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রতাল গ্রামের নাদের আলী মিয়ার ছেলে ।
    বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরেই নিয়াজ মোর্শেদ হিরোকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ
    করেছে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই কোটালীপাড়া উপজেলার ওয়াবদার হাট নামক স্থানে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতারা জড়ো হয়ে মহাসড়কে গাছ ফেলে বিক্ষোভ করে। এতে জনমনে আতঙ্ক ও জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এক ‘শ ৫৫ জনকে জ্ঞাত ও এক হাজার পাঁচ শ’ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে কোটালীপাড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করে।
    এই মামলায় কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ হিরোকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, নিয়াজ মোর্শেদ ১৬ জুলাই মহাসড়কে গাছ ফেলে বিক্ষোভের ঘটনায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলার অজ্ঞাত আসামী হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করেছি। এ পর্যন্ত এই মামলায় আমরা ৬১ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • মুকসুদপুরে আলোচিত নৈশপ্রহরী গৌতম হ-ত্যা মাম-লায় একজনকে আট-ক করেছে পুলিশ

    মুকসুদপুরে আলোচিত নৈশপ্রহরী গৌতম হ-ত্যা মাম-লায় একজনকে আট-ক করেছে পুলিশ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় জে, কে, এম বি মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়ের  নৈশপ্রহরী গৌতম গাইন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ।  

    আটককৃত ব্যক্তির নাম রাজা চোকদার (৩৮) ওরফে কিলার রাজা। সে জলিরপাড় ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী চোকদারের ছেলে ও পতিত সরকারের প্রভাবশালী এক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাগ্নে বলে জানাগেছে। 

    মুকসুদপুর থানার সিন্দিয়া ঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আলমগীর হোসেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর নৈশপ্রহরী গৌতম গাইন হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে রাজা চোকদারকে গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বিধুর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায়  আটক করেন। এ সময় তিনি জানান রাজা চোকদারের বিরুদ্ধে মুকসুদপুর থানায় হত্যা মামলা সহ বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) দিয়ে প্রতারণা সহ বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। তিনি আরো বলেন,  গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার স্যারের দিকনির্দেশনায় ও মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস গৌতম হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারি উক্ত হত্যা মামলায় রাজা চোকদার ওরফে (কিলার রাজা) জড়িত থাকতে পারে।

    আমরা বিজ্ঞ আদালতে রাজার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করেছি, আশা করছি চাঞ্চল্যকর গৌতম হত্যা মামলায় ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিজ্ঞ আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করবেন। আর এর মাধ্যমেই ক্লুলেস গৌতম গাইন হত্যা ও শিক্ষার্থী গৌতম হত্যার রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, জে, কে, এম ,বি মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়ে রাজা তার বাহিনী নিয়ে নিয়মিত মাদকের আড্ডা ও জুয়ার আসর বসাতো, মাঝে মধ্যে নারী নিয়েও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকতো। নাইট গার্ড গৌতম বাঁধা দেওয়ায় তার সাথে বিরোধ দেখা দেয়। হয়তো সেই বিরোধের জেরে রাজা তার বাহিনী নিয়ে গৌতমকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়ে থাকতে পারে। এছাড়াও রাজা এলাকার প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ইফটিজিং ও খুন-খারাপির সাথে জড়িত ছিলো। এর আগে ২০০৫ সালে রাজা চোকদার ওই স্কুলের একজন প্রাক্তন ছাত্র ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী, চাকুরী প্রত্যাশী গৌতম বিশ্বাসকে বাড়ি থেকে ডেকে জে কে এম বি মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাদে নিয়ে নির্যাতন করে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করে। পরে শুনেছি মামলায় জামিনে বেরিয়ে সে নিহত গৌতম বিশ্বাসের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাপ দিয়ে সেই মামলার মীমাংসা করেছে।

     পুলিশ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিবেন এমনটি আমাদের সকলের প্রত্যাশা। 

    এ বিষয়ে সরেজমিনে গৌতম বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের সাথে কথা হলে তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে ছেলে হত্যার বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ ব্যক্ত করে বলেন, আমার সুস্থ ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কিভাবে মেরে ফেললো ওরা জানিনা। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। 

    জলিরপাড় এলাকায় নিরীহ দু’জনকে হত্যায় পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি রাজা চোকদারকে আটক করায় পুলিশের প্রতি এলাকাবাসীর আস্থা বেড়েছে এবং খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করার জোর দাবী জানিয়েছেন নিহতের পরিবার সহ এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    উল্লেখ্য, জে, কে, এম, বি মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী গৌতম গাইন প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখে রাতে স্কুল পাহারা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের পরিচালিত মুদি দোকান থেকে রওনা দিয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে তাঁর পরিবার তাকে খুঁজে না পেয়ে গত ১০/০৭/২০২৫ ইং তারিখে মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। (ডায়েরী নং ৫১৫। পরবর্তীতে  গত ১১/০৭/২০২৫ ইং তারিখে গোপালগঞ্জ সদর থানাধীন মধুমতি নদীর কংশুর খেয়া ঘাটে গলায় গামছা প্যাঁচানো ভাসমান অবস্থায় গৌতম গাইনের লাশ উদ্ধার করে বৌলতলী ফাঁড়ির পুলিশ। পরবর্তীতে হত্যার শিকার গৌতম গাইনের স্ত্রী মিলি বৈরাগী মুকসুদপুর থানায় অজ্ঞাত আসামী উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং -২৯, তারিখ ১২ জুলাই ২০২৫

  • কাজের উদ্বোধনের ৮ মাস পর  জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে রহ-স্যজনক অ-পপ্রচার-নে-পথ্যে চাঁ-দা

    কাজের উদ্বোধনের ৮ মাস পর জেলা প্রশাসকের বিরু-দ্ধে রহ-স্যজনক অ-পপ্রচার-নে-পথ্যে চাঁ-দা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলোর নিরাপত্তা, সৌন্দর্য, এবং কাঠামোগত অখণ্ডতা বজায় রাখতে চলমান কাজের ফলে জেলা
    প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের সীমানাপ্রাচীরে আঁকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতির উপরে নতুন ভাবে রং করায় জুলাই গ্রাফিতি মুছে যাওয়া নিয়ে ভূল বুঝে জেলা প্রশাসককে নিয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করায় জেলার বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষের মাঝে চরম সমালোচনার দেখা দিয়েছে। যদিও জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কাজ শেষে গ্রাফিতিগুলো আবারো আকবেন।

    সরকারি বিধি মোতাবেক- একজন জেলা প্রশাসক সরকারের বিভিন্ন নীতি, সিদ্ধান্ত ও জনকল্যাণমূলক কাজ জেলা পর্যায়ে বাস্তবায়ন করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদসহ অন্যান্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর তত্ত্বাবধান করে সরকারের সকল প্রকার সেবা মোলক কর্মকান্ডকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে নাগরিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনকে জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে সক্ষমতা অর্জন করে। আর সে লক্ষ্য অর্জনে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলমের নেতৃত্বে ও নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা মানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকে কাজ করছেন।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনকে দেশের অন্যতম উন্নীত জেলা হিসাবে ময়মনসিংহকে উপহার দিতে নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক। জেলার প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসন গড়তে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে একটি দেশ বিরোধী ও নানামুখী ষড়যন্ত্রকারী মহল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে করে কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে যাচ্ছে। কমে যাচ্ছে সেবার গতি।

    আধুনিক সাজ-সরঞ্জামে পর্যায়ক্রমে সমৃদ্ধ হচ্ছে ময়মনসিংহের এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কাজের মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উপজেলায় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    জেলার বিভিন্ন জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো সংস্কার ও মেরামতের মাধ্যমে নতুন রুপে সাজানো হচ্ছে। এসব অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড বর্তমানে চলমান রয়েছে। বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদাররা এর কাজ করছে। আর উন্নয়ন কর্মকান্ড চালানো হলে পুরাতন অনেক স্থাপনা ভেঙে নতুন করে কাজ করতে হয় আবার কিছু কিছু সরকারি স্থাপনা আছে যেগুলোর জরাজীর্ণ পরিবেশকে দৃশ্যমান ও নতুন সাজে সাজাতে অনেক পুরোনো স্মৃতিও বিনষ্ট হয়, তেমন এক চলমান উন্নয়ন কাজের স্থাপনা জেলা প্রশাসকের ডাক বাংলো। জেলা প্রশাসকের ডাক বাংলোতে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে, এর ফলে ডাক বাংলোতে আঁকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গ্রাফিতি মুছে যাচ্ছে যা পরবর্তীতে আবার নতুন করে আকবেন বলে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম আশ্বস্ত করেছেন। কারণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই গ্রাফিতি চিত্র গুলো মুছে ফেলারমত নয়,এগুলো এক-একটা গ্রাফিতি হচ্ছে ইতিহাস। ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না,তাই চলমান উন্নয়ন কাজ শেষ হলে এই ইতিহাসগুলো ফের আকা হবে বলে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম মনস্থির করে রেখেছেন। চলতি বছরের শুরুতে গত ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলোর প্রাচীরের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজসহ এখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন,স্যানিটারির কাজ,সৌন্দর্য বর্ধনে রং এর কাজসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। সরকারী বিধি অনুসারে গণপূর্ত অধিদফতর আওতায় চলমান এসব কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। জেলা প্রশাসনের এ সব উন্নয়ন মোলক কাজের সাফল্যকে ম্লান করে দিতে একটি অসাধুচক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের নামে মনগড়া কল্প কাহিনী গণমাধ্যমে সংবাদ আকারে প্রকাশ করে প্রশাসনের বদনাম রটাচ্ছে। তাদের কাহিনির মাঝে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মুছে ফেলা, ঠিকাদার আওয়ামী লীগের দোসর আরো নানান কিছু। এখানে আগেই বলা হয়েছে কাজ শেষ হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান গ্রাফিতি আবারো আকা হবে,আর ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছে গণপুর্ত অধিদপ্তর এখানে জেলা প্রশাসকের কোন সম্পৃক্ততা নেই। অপরদিকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে আওয়ামী লীগের সব বড় বড় নেতা ও তাদের সহযোগীরা পলাতক-সেখানে আওয়ামী লীগের ঠিকাদাররা সিডিউল ক্রয় করে কাজ পাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এসব কাজ করছেন বাংলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষে। ইতিমধ্যে একটি সৌন্দর্য বর্ধন গেইট করা হয়েছে যা বাংলোকে আরো দৃশ্যমান করে তুলেছে।

    প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে- সবচেয়ে কম মুল্যে এসব কাজ ঠিকাদারদের দেওয়া হয়েছে, তারা স্বল্প রেটে কাজ করছে। তবে ময়মনসিংহের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের মতে- ঠিকাদাররা যেকোন এলাকায় কাজ করলে সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ আছে তারা অনৈতিক সুবিধা হাসিল করার চেষ্টা করে,, হয়তো জেলা প্রশাসনের বাংলোর সেই কাজে ঠিকাদারের কাছে গিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় জেলা প্রশাসককে নিয়ে এসব অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যদি তাই না হতো তাহলে গত ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু হয়েছে হঠাৎ করে ৮মাস পর গ্রাফিতি মুছে যাচ্ছে, আওয়ামী দোসররা ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছে এসব তথ্য কোথায় থেকে পেলো, এতদিন পেলো না কেনো? সম্প্রতি দক্ষ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভূঁইফোড় কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে এসব ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় ময়মনসিংহর সচেতন মহলের মাঝে এসব প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে যারা স্বল্প মুল্যে এসব কাজ করছেন তাদের কাছে চাঁদা চাইলেই তারা চাঁদা দিবে কিভাবে?

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবী: সুনামধন্য এই জেলা প্রশাসক স্যারের সুনাম খুন্নের উদ্দেশ্য তাকে জড়িয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে নিজ দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) মুফিদুল আলম স্যার।
    তিনি সততা আর নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। চাকুরী জীবনে অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করেননি। আর এ কারণেই একটি কুচক্রী মহল তাদের অন্যায় আবদার এবং কাঙ্খিত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি কে অস্ত্র বানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা কল্পকাহিনী প্রদান করা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ এবং ঘৃণা প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহে চাকরী করছেন তিনি তার সময় শেষ হলে ময়মনসিংহ থেকে বদলী হয়ে চলে যেতে হবে, তবে সরকারি এসব স্থাপনাগুলো ময়মনসিংহের ঐতিহ্য হিসাবে থাকবে,এর সংস্কার প্রয়োজন আছে

    বর্তমান সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম এর কর্মদক্ষতায় এবং বুদ্ধিদীপ্ত নির্দেশনায় প্রচেষ্টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন মানুষের কাছে একটি বিশ্বস্থ ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। কোন অপপ্রচারে এই প্রতিষ্ঠানের ভাবমুর্তি কোন ভাবেই যেন ক্ষুন্ন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য সকল মহলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনে কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা।

  • বিএনপির প্র-তিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঈশ্বরগঞ্জে এম এ মজিদ এর উদ্যোগে  ফুটবল ম্যাচ অ-নুষ্ঠিত

    বিএনপির প্র-তিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঈশ্বরগঞ্জে এম এ মজিদ এর উদ্যোগে ফুটবল ম্যাচ অ-নুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে
    উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইন্জিঃ এম এ মজিদ এর আয়োজনে এক ব্যতিক্রমী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার(৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কোনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এই খেলার আয়োজন করা হয়।

    কোনাপাড়া ফুটবল একাদশ বনাম সতর বয়রা ফ্রেন্সক্লাব একাদশ এর অংশ গ্রহণে উক্ত প্রীতি ফুটবল খেলার উদ্ভোদন করেন ইন্জিঃ এম এ মজিদ।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন একরি সুস্থ দেহ একটি সুস্থ সমাজ। আর মাদক মুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই । তিনি আরো বলেব বাংলাদেশের জাতীয়তা বাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ফুটবল প্রেমি লোক তার আমলে জাতীয় পর্যাায়ে বাংলাদেশের ফুটবলের অনেকে উন্নতি হয়েছিলো, পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেও ফুটবলের ব্যপক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। উক্ত ফুটবল খেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন – আব্দুল বাতেন মাষ্টার, বিএনপি নেতা এনামুল হক, সোহাগ মাষ্টার, আজাহারুল মন্ডল, যুবদল নেতা মো. আব্দুল হাকিম প্রমূখ। ওরে বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন।

  • বানারীপাড়া উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের কমিটি গঠন- সভাপতি জাকির সম্পাদক পলাশ

    বানারীপাড়া উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের কমিটি গঠন- সভাপতি জাকির সম্পাদক পলাশ

    বানারীপাড়া প্রতিনিধি //
    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৬ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার বানারীপাড়া উপজেলা এনজিও পরিষদের কার্যালয় এনজিও প্রতিনিধি ও মালিকদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জনাব সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে সবার সম্মতি ক্রমে বানারীপাড়া উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের কার্যকরী কমিটিতে জাকির হোসেনকে সভাপতি নুরুজ্জামান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী তিন বছর এই কমিটি বানারীপাড়া উপজেলা সমন্বয় পরিষদের নেতৃত্ব দিয়ে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

  • রাজশাহীতে মা-লপাহাড়ি আ-দিবাসীদের ঘরবাড়ি র-ক্ষার আ-ন্দোলন

    রাজশাহীতে মা-লপাহাড়ি আ-দিবাসীদের ঘরবাড়ি র-ক্ষার আ-ন্দোলন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী নগরীর মোল্লাপাড়ায় বসতভিটা উচ্ছেদ বন্ধ ও পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি, বরেন্দ্র ইউথ ফোরাম রাজশাহী, সবুজ সংহতি রাজশাহী মহানগর, দিনের আলো হিজরা সংঘসহ বিভিন্ন সংগঠন এবং রাজশাহী মহানগর ও কাশিয়াডাঙ্গা এলাকার মোল্লাপাড়া মালপাহাড়ি আদিবাসী ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গণেশ মার্ডি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিমল চন্দ্র রাজোয়ার, সহ-সভাপতি রাজ কুমার সাও, রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক মুকুল বিশ্বাস, মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলা সভাপতি কল্পনা রায়, মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবর্তন’-এর পরিচালক ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সদস্য রাশেদ রিপন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ছোটন সরদার, দিনের আলো হিজরা সংঘের সভাপতি মোহনা প্রমুখ।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, কাশিয়াডাঙ্গা থানার মোল্লাপাড়া ও শেখপাড়ায় ভূমিদস্যু সাজ্জাদ আলী জাল দলিল তৈরি করে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তত সাতটি পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত আদিবাসীদের উচ্ছেদ করে ঘরবাড়ি দখলের চেষ্টা চলছে। অথচ প্রশাসন এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

    বক্তারা আরও বলেন, মোল্লাপাড়ায় আদিবাসীরা প্রায় ৫৩ বছর ধরে বসবাস করছে। আইন অনুযায়ী ১২ বছর বসবাস করলে দখলসত্ত্ব মালিকানা হয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে ১৬টি পরিবার বসবাস করছে। তারা ঘরবাড়ি নির্মাণের পাশাপাশি শৌচাগার, নলকূপ স্থাপন করেছেন। এমনকি রাজশাহী সিটি করপোরেশনও তাদের এলাকায় অবকাঠামোগত সুবিধা দিয়েছে, যা দীর্ঘদিনের বসবাসের প্রমাণ বহন করে।

    মানববন্ধনে দাবি জানানো হয়, আদিবাসীদের যেন কোনো প্রভাবশালী বা ভূমিদস্যু উচ্ছেদ করতে না পারে এবং তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়। একইসঙ্গে আদিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানান বক্তারা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পাবনা-২ আসনে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যব-দ্ধভাবে কাজ করতে হবে : অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন

    পাবনা-২ আসনে দঁাড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যব-দ্ধভাবে কাজ করতে হবে : অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন


    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ ‎ ‎পাবনা-২ আসনের জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থী ওসুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন বলেছেন, পাবনা-২ আসনের ভোটারেরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। জনগণ মনে করেন একমাত্র জামায়াতই পারবে সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায় ইনসাফ ও কল্যাণমূলক আদর্শ রাষ্ট্র গঠন করতে। জনগণের সেই আকাঙ্খাকে বাস্তবে রূপ দিতে সকল নেতা কর্মীদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ জনগণ একমাত্র জামায়াতে ইসলামীকেই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে রক্ষার অতন্ত্র প্রহরী মনে করে।

    তিনি বলেন, এখন থেকে সাংগঠনিক কাজের ন্যায় নিয়মিত নির্বাচনী কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সবাইকে দঁাড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে।
    সকলকে নির্বাচনী ময়দানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

    শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে সুজানগর উপজেলা কাম কমিউনিটি সেন্টারের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত নির্বাচনি প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন,জনগণ ফ্যাসিবাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে জামায়াতকে ক্ষমতায় আসীন করতে চায়। তাই পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার সবার কাছে পৌঁছার এবং তাদের খেঁাজখবর নিতে পাশে থাকতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে শহরে ও গ্রামে উভয়দিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।

    পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার জনগণের আমৃত্যু খেদমত করে যাবো, ইনশাআল্লাহ এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে অধ্যাপক হেসাব উদ্দিন বলেন, আগামীর নির্বাচনে বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ। যদি কেউ কেন্দ্র দখলের হুমকি দেয় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের বিজয়ের মাধ্যমে সুজানগর-বেড়াবাসী সন্ত্রাসী ও চঁাদাবাজদের কবল থেকে জনগণের মুক্তি মিলবে।‎ ‎তিনি বলেন, যেসব মানুষ এখনি আমাদের পোস্টার বিলবোর্ড ভেঙে ফেলানোর চেষ্টা করছে এদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিলবোর্ড পোস্টার ছিঁড়ে নোংরা রাজনীতি করে আমাদের ঠেকাতে পারবেন না। জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করবে।‎‎

    ‎পাবনা-২ আসনের আসন পরিচালক অধ্যাপক রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি এসএম সোহেল।‎‎ অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ফারুক -ই-আযম, সেক্রেটারি টুটুল হুসাইন বিশ্বাস, বায়তুল মাল সম্পাদক রাফি আহমেদ ফুল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মকবুল হোসেন (বকুল মাস্টার), জামায়াত নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সাত্তার, জামশেদ আলম খান, আব্দুস সুবাহান, আবু ইউসুফ প্রমুখ।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ফঁা-সির মঞ্চে শীর্ষ আ-লেমদের অন্যা-য়ভাবে হ-ত্যা করেছে ফ্য-সিবাদী হাসি-না সরকার- গাফফার খান‎

    ফঁা-সির মঞ্চে শীর্ষ আ-লেমদের অন্যা-য়ভাবে হ-ত্যা করেছে ফ্য-সিবাদী হাসি-না সরকার- গাফফার খান‎

    ‎এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান বলেছেন, ফঁাসির মঞ্চে শীর্ষ আলেমদের অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে ফ্যসিবাদী হাসিনা সরকার।‎ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আদর্শিক বিপ্লবের নামÑযাকে ধ্বংস করতে বারবার ষড়যন্ত্র করেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। হাসিনা জানে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এদেশে লুটপাট থেমে যাবে, ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও দুঃশাসনের অবসান ঘটবে। তাই আমাদের হাজারো নেতা-কর্মীর ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, পুলিশি হামলা এমনকি আমাদের নেতা-কর্মী ফঁাসিও দিয়েছে। আমরা জানি, এই পথ সহজ নয়। কিন্তু আমরা আদর্শের লড়াইয়ে পিছপা হইনি। তারা ভয় পায় জামায়াতকে, কারণ তারা জানেÑজামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি করে হাত ঘষে খাওয়া যাবে না, চাইলেই মদের আসর বসানো যাবে না, রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ করা যাবে না। এ কারণেই তারা অঁাতকে ওঠে জামায়াতের নাম শুনলেই।
    আমরা এসেছি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বদলে দিতে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের রায়েই এই পরিবর্তন নিশ্চিত হবে। শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার পাবনার সুজানগর উপজেলা উলামা মাখায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এদেশের সব আলেমদের সেরা আলেম ছিলেন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। জেলের মধ্যে তাকে সীমাহীন জুলুম নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তার জনপ্রিয়তা ভয় পেয়ে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। এদেশে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমে তার হত্যার বদলা নেওয়া হবে। রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়ে মানবরচিত আইন কবর দিতে হবে। এদেশের মানুষের জন্য আলেমদের ভূমিকা অনেক রয়েছে। আলেমদের থেকে মানুষের চাওয়া পাওয়া অনেক বেশি।‎ ‎এদেশে চঁাদাবাজ, দখলবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আগামীতে জনগণ রায় দিবেন। দঁাড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে এদেশের মানুষের মুক্তি মিলবে। ‎‎উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আপনাদের এলাকার বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ অধ্যাপক হেসাব উদ্দিনকে ভোট দিয়ে বিজয় করতে হবে। তিনি সংসদে গিয়ে কোরআনের কথা বলবেন। সন্ত্রাস ও চঁাদবাজমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দঁাড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।

    সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্টÑএমন একটি সমাজ গঠন, যেখানে বৈষম্য থাকবে না, অন্যায়ের জায়গা থাকবে না। ইসলামি মূল্যবোধ হবে রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি, আর প্রতিটি নাগরিক পাবে তার ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা।
    দঁাড়িপাল্লা প্রতীক আমাদের আদর্শের প্রতীকÑএটি ইনসাফ, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার প্রতীক। এই প্রতীকের বিজয় মানে শুধু একটি দলের জয় নয়, বরং একটি শোষিত জাতির জাগরণ। ইনশাআল্লাহ, জনগণই এবার পাবনা-২ আসনে ইতিহাস সৃষ্টি করবে। আমরা শাসক নয়Ñআমরা সেবক হতে চাই। ভোট দিয়ে জনগণ এই আন্দোলনে সঙ্গী হলে আমরা প্রমাণ করবো, কীভাবে ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
    এ সময় হেসাব উদ্দিন আরো বলেন “আমরা রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, আদর্শের জন্য। এই আদর্শের পথ কতটা কণ্টকাকীর্ণÑতা আপনাদের সামনেই প্রমাণ। এই জাতিকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করার সংগ্রাম এখনই সবচেয়ে জরুরি। ইতিহাসের চাকা ঘুরছে, এবং এই জনগণই শিগগিরই তাদের রায় দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দঁাড়াবে। ‎
    ‎জেলা উলামা মাখায়েখ পরিষদের সদস্য মাওলানা মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ও সুজানগর উলামা মাশায়েখের সভাপতি মাওলানা মো: রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে ‎অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন, মাওলানা মাসুম খান, মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মাহতাব উদ্দিন, মাওলানা শফিউল্লাহ প্রমুখ।

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।