Author: desk

  • দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মুখে কোরআন তেলওয়াত শুনে মুগ্ধ এসপি

    দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মুখে কোরআন তেলওয়াত শুনে মুগ্ধ এসপি

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ ক্ষুদে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মুখে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত ও গজল শুনে মুগ্ধ হলেন, লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ। মধুর কন্ঠে কোরআন তেলওয়াত শুনার সঙ্গে-সঙ্গেই আলোচনা সভা থেকে উঠে। শিশুদের পাশে গিয়ে বসেন। এসময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ প্রথম তিনি অন্ধ শিশুদের পাশে বসে কোরআন তেলওয়াত ও গজল শুনছেন।

    বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের কালু হাজি সড়কের পাশে অবস্থিত ‘আব্দুল গণি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্রেইল হাফিজীয়া ও ফোরকানিয়া মাদ্রাসা’য় পরিদর্শনে যান পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ।

    এতে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিশেষ শাখার কর্মকতা (ডিআই-ওয়ান) মো. আজিজুর রহমান ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিনসহ প্রমুখ।

    জানতে চাইলে পুলিশ সুপার আশরাফ বলেন, সত্যিই তিনি মুগ্ধ। শিশুরা চোখে দেখে না,তবুও এতো সুন্দর করে কোরআন তেলওয়াত করে। চমৎকার গজল পরিবেশন করে। তার জানা ছিলো না,জেলা শহরের পাশে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মাদ্রাসা আছে। তিনি খুশি হয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শিশুদের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান দেন। সবসময় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ মাদ্রাসার খোঁজখবর রাখবেন এমন প্রতিশ্রুতি দেন।

    নাজিম উদ্দিন রানা।।

  • ইঁদুর মারার ফাঁদে মৎস্য শিকারীর মৃত্যু, গুমের ৬ দিন মরদেহ উদ্ধার, আটক-১

    ইঁদুর মারার ফাঁদে মৎস্য শিকারীর মৃত্যু, গুমের ৬ দিন মরদেহ উদ্ধার, আটক-১

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ইঁদুর মারা বৈদ্যুতিক ফাঁদে আটকে মারা যাওয়ার ৬ দিন পর লুকিয়ে রাখা মৎস্য শিকারী নির্ভসা বৈরাগীর (৬০) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশ মূল হোতা অরুন দাসকে খুলনা থেকে আটক করেছে।

    আজ বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে মুকসুদপুর উপজেলার চান্দার বিলের দুর্জধনের জোড়া পুকুরের কচুরীপানার নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    আজ বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আবু বকর মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত মৎস্য শিকারী নির্ভসা বৈরাগী মুকসুদপুর উপজেলার কলিগ্রামের মৃত যতীনময় বৈরাগীর ছেলে।

    মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আবু বকর মিয়া জানান, গত ২৫ জানুয়ারী সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে বড়শী দিয়ে মাছ ধরার জন্য চান্দার বিলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সে বাড়িতে ফেরৎ না আসায় ২৬ জানুয়ারী তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান পায়নি।

    পরে একই গ্রামের অরুন দাসের ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদের তারে জঁড়িয়ে নিখোঁজ নির্ভসা বৈরাগী মৃত্যুবরন করেন বলে জানতে পারেন। পরে ইদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে নির্ভসা বৈরাগী মারা গছ তার মরদেহ দূর্জয়ধনের জোড়া পুকরের কচুরীপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়।

    পরে ৩১ জানুয়ারী তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অরুন দাসকে খুলনা থেকে আটক করে পুলিশ। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে আটককৃতর দেয়া তথ্য মতে চান্দার বিলের দুর্জধনের জোড়া পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মোহাইমিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ-২৫০ শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। ঘটনার সংক্রান্তে ভিকটিম নির্ভসা বৈরাগীর ছেলে পিংকু বৈরাগী বাদী হয়ে তার বাবার মৃত্যুর ঘটনায় অরুন দাস ও মিনি বৈরাগীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মূল হোতা অরুন দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক আসামী মিনি বৈরাগীকে আটকের চেষ্টা চলছে। #

  • সুজানগরে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশু ক্রীড়াবিদ কে সংবর্ধনা

    সুজানগরে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশু ক্রীড়াবিদ কে সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০২১ এ জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত শিশু ক্রীড়াবিদ (দীর্ঘ লম্ফ) সুজানগর উপজেলার মথুরাপুর শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র নিশানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় বিদ্যালয় চত্বরে তাঁকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান জর্জ এর স ালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য কামরুজ্জামান উজ্জল। অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ(অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল হালিম মানিক, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল জব্বার মাষ্টার, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পাবনা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেও, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, ভাঁয়না ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সুজানগর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ রায়হান আলী মিলন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • শুরু হয়েছে সুন্দরবনে গোলপাতা আহরন মৌসুম

    শুরু হয়েছে সুন্দরবনে গোলপাতা আহরন মৌসুম

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা ( খুলনা)
    শুরু হলো চলতি বছরের সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণ মৌসুম। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ২টি কুপে এখন চলছে গোলপাতা আহরণ। নির্বিঘে গোলপাতা কাটতে পেরে খুশি বাওয়ালিরা। বন বিভাগের কঠোর নিরাপত্তা আর কড়াকড়িতে প্রথম ট্রিপের গোলপাতা কাটতে এখন অধিক ব্যস্ত বাওয়ালীরা। বন বিভাগের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গোলপাতা আহরণে বনের অভ্যন্তরে যাচ্ছেন বাওয়ালিরা। ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ মৌসুম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের (মোংলা) স্টেশন অফিসার মো. ওবায়দুর রহমান। তিনি জানান, গোলপাতা আহরণকারী বাওয়ালিদের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে। অনুমতি নিয়েই বনে ঢুকছেন উপকূলের বাওয়ালিরা।
    জানা গেছে, সুন্দরবন থেকে বনজদ্রব্যআহরণ সঙ্কুচিত এবং চাহিদা কমে যাওয়ায় গোলপাতা সংগ্রহে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে বাওয়ালীরা। গোলপাতা আহরণের ভরা মৌসুমে এবার বাওয়ালীদের বিএলসি (অনুমতি) দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর ছিল বন বিভাগ। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ২টি কুপ (জোন) থেকে ব্যবসায়ীরা অনুমতি গ্রহণ করে সুন্দরবন অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে এর উপর নির্ভরশীল শ্রমজীবি মানুষেরা। তবে বনের ওপর থেকে চাপ কমাতে বনজদ্রব্য আহরণ সঙ্কুচিত করার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে বন বিভাগ।
    বাওয়ালী নুর ইসলাম সানা জানান, ২০ বছর ধরে তিনি সুন্দরবন থেকে গোলপাতা সংগ্রহ করে আসছি। কিন্তু বন বিভাগের এত কড়াকড়ি আগে কখনও দেখেনি। ব্যবসায়ীদের আগ্রহ না থাকায় গোলপাতা আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নাও হতে পারে বলে তিনি জানান।
    মোংলা খুচরা গোলপাতা ব্যবসায়ী লিটন বলেন, এখন আগের মতো আর গোলপাতার চাহিদা নেই। বিক্রি কম হওয়ায় অনেক খুচরা বিক্রেতাদের গত বছরের গোলপাতা এখনো রয়ে গেছে। তবে অনেক বাওয়ালী বলেন, গোলপাতায় যে পরিমাণ টাকা লগ্নি করা হয়, সেই তুলনায় ব্যবসা নেই।
    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের (মোংলা) স্টেশন অফিসার মো. ওবায়দুর রহমান জানান, নিবির্ঘে যাতে বাওয়ালীরা গোলপাতা কাটতে পারে তার জন্য বন বিভাগ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জে দুটি গোলপাতার কূপ রয়েছে। একটি হলো শ্যালা গোলপাতা কূপ আরেটি হলো চাঁদপাই গোলপাতা কূপ। সুন্দরবনের ওপর থেকে চাপ কমানোর জন্য বনজদ্রব্য আহরণ সীমিত করা হয়েছে। তিনি প্রতিটি কুপে নিয়মিত তদারকি করে বিএলসি নবায়ন করার অনুমতি দিয়েছেন। পাশাপাশি কুপে নৌকার মিল রেখে গোলপাতা কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    বন বিভাগের তথ্য মতে, গোলপাতা আহরণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, গোলপাতা আহরণের সময় বনের অন্য কোনো ধরনের গাছপালা কাটা যাবে না, গোলপাতা আহরণের জন্য নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময় বনে অবস্থান করা যাবে না, নির্দেশনা সঠিকভাবে পালন করতে হবে, গোলপাতা ঝাড়ের মাইজপাতা ও ঠেকপাতা কোনোভাবেই কাটা যাবে না এবং গোলপাতার আড়ালে যাতে কোনো ধরণের বনজদ্রব্য পাচার না হয় সে বিষয়টি নিবিড় তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। যদা কোনো বাওয়ালি গোলপাতার পাশাপাশি অন্য প্রজাতির গাছ কাটে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    বন বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, ২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গোলপাতা আহরণ মৌসুম চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এ মৌসুমে শ্যালা কূপ থেকে চার হাজার মেট্রিক টন ও চাঁদপাই কূপ থেকে তিন হাজার মেট্রিক টন গোলপাতা আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত মৌসুমে প্রতি কুইন্টাল গোলপাতা আহরণে রাজস্ব নেয়া হয়েছিল ২৫ টাকা। আর এবার তা বাড়িয়ে প্রতি কুইন্টাল ৬৮ টাকা করা হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।

  • নড়াইলে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা

    নড়াইলে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা মাঠ জুড়ে যেন হলুদের সমারোহ। দূর থেকে দেখে মনে হয় মাঠ যেন হলুদ চাদরে ঢাকা। মাঠের পর মাঠ সরিষার চাষ হচ্ছে নড়াইলে। বাতাসে দুলছে হলুদ ফুল। তাই মধু চাষিরাও ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সরিষার ক্ষেত থেকে মধু সংগ্রহে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, ক্ষেতের পাশে পোষা মৌমাছির শত শত বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করছেন চাষিরা। জেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে। চাষিরা সাধারণত পছন্দের একটি সরিষা ক্ষেতের পাশে খোলা জায়গায় চাক ভরা বাক্স ফেলে রাখেন। একেকটি বাক্সে মোম দিয়ে তৈরি ৮ থেকে ১০টি মৌচাকের ফ্রেম রাখা হয়।
    প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মৌচাষিরা এসব মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন। বাক্সের ভেতর রাখা হয় একটি রানি মৌমাছি। রানি মৌমাছির কারণে ওই বাক্সে মৌমাছিরা আসতে থাকে। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু এনে বাক্সের ভেতরের চাকে জমা করে। আর এই চাক থেকেই মধু সংগ্রহ করেন চাষিরা।
    মৌ চাষের মাধ্যমে চাষিরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে দূর হচ্ছে বেকারত্ব। সরিষা ফুলের মধু খাঁটি ও সুস্বাদু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানসহ বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌচাষিরা এসেছে নড়াইলে তিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
    নড়াইল সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামে আসা মৌচাষি মো. জাহাঙ্গীর মোল্যা বলেন, আমরা সরিষা ক্ষেত থেকে বছরে চার মাস মধু সংগ্রহ করি। অন্য আট মাস কৃত্রিম পদ্ধতিতে চিনি খাইয়ে মৌমাছিদের পুষে রাখা হয়। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সরিষা থেকে মধু সংগ্রহের উপযুক্ত সময়। তখন সর্বত্রই সরিষার ফুল ফোটে।
    তিনি আরও বলেন, আকার ভেদে একটি বাক্সে ৩০ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত মধু পাওয়া যায়। এখানে মৌ চাষের বিশেষ বাক্স কলোনি রয়েছে ১০০টি। প্রতিটি কলোনিতে খরচ হয় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। আর প্রতি কেজি মধু বিক্রি করা হয় ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ জেলায় আরও বেশ কয়েকটি চাষির দল রয়েছে।
    লোহাগড়া উপজেলার চাচই গ্রামে আসা মৌচাষি রিপন শেখ বলেন, মৌমাছির রোগবালাই বলতে মাইট রোগ, মাথাঘোরা রোগ হয়। পরিবহনসহ প্রতি ফ্রেম মৌমাছি প্রতিপালনে বছরে গড়ে সাড়ে ৩০০ টাকা খরচ হয়। মৌচাষের প্রধান সমস্যা মধু বিক্রি। উদ্যোগের অভাবে দেশ-বিদেশে মধুর বাজার সম্প্রসারিত না হওয়ায় উৎপাদিত মধু বিক্রি করতে তাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
    উপরন্তু ভারতীয় ডাবর কোম্পানিসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির মধু আমাদের দেশে আমদানি করা হয়। ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে কষ্টার্জিত মধু বিক্রি করতে হয় পানির দরে। তার দাবি সরকারিভাবে চাষিদের কাছ থেকে মধু সংগ্রহ করা হোক।
    নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় বলেন, সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌমাছির চাষ হলে সরিষার ফলন বেড়ে যায়। সরিষা ক্ষেত থেকে বিনা খরচে মধু সংগ্রহ লাভজনক ব্যবসা হয়ে দেখা দিয়েছে। এতে কৃষক যেমন একদিকে মধু বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে ক্ষেতে মধু চাষ করায় সরিষার ফলনও বাড়ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • বাগেরহাটের রামপালে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত চন্ডিতলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা পেল পোশাক

    বাগেরহাটের রামপালে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত চন্ডিতলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা পেল পোশাক

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বঙ্গবন্ধুর শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার চন্ডিতলা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী, দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীরা পেল স্কুলের পোশাক। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি’র পক্ষে বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল এসব পোশাক শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পোশাক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদি, শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফকির রবিউল ইসলাম, যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান রাজু, মো. আল আমীন প্রমুখ। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি সোহেল তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত চন্ডিতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘোষণা দিয়েছি এ বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থীর টাকার অভাবে লেখাপড়া বন্ধ হবে না। তবে সকল শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ভালোভাবে লেখাপড়া করতে হবে। মাদক ও ইভটিজিং যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। #

  • ফ্যাক্টরীর কিছু কিছু জায়গায় এখনও আগুন দেখা যাচ্ছে, দুপুর নাগাদ পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হবে – ফায়ার সার্ভিস

    ফ্যাক্টরীর কিছু কিছু জায়গায় এখনও আগুন দেখা যাচ্ছে, দুপুর নাগাদ পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হবে – ফায়ার সার্ভিস

    মোংলা প্রতিনিধি।
    মোংলা ইপিজেডের ভিআইপি লাগেজ ফ্যাক্টরীর কিছু কিছু জায়গায় এখনও আগুন দেখা যাচ্ছে। পুরোপুরি আগুন নিভাতে বুধবার দুপুর পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় এ আগুন লাগলেও বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তা পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হয়নি। মোংলা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক ও ভারতীয় মালিকানাধীন লাগেজ কোম্পানী ভিআইপি-০১ এর প্রশাসনিক ও মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ মিজান জানান, এখনও আগুন পুরোপুরি নিভেনি। কিছু কিছু জায়গায় আগুন জ্বলছে। ফেব্রিকস ও প্লাস্টিক মাঝ থেকে এখনও আগুন উঠছে।
    খুলনা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মামুন মাহমুদ বলেন, রাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও মাঝে মাঝে আগুন দেখা যাচ্ছে। এখনও ৬টি পাম্প দিয়ে আগুন পুরোপুরি নিভানোর কাজ চলছে। আশা করছি দুপুরের মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হবে। বর্তমানে সেখানে ইপিজেড ইউনিট কাজ করছেন। তিনি আরো বলেন, আমরা কর্ম্পামেন্ট আকারে কাজ শেষ করেছি। এখন সার্চ করবো তারপর নির্বাপন করে কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিবো।
    এদিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফ্যাক্টরীটির ১৫০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে মঙ্গলবার থানা সাধারণ ডায়েরী করেন ফ্যাক্টরী কর্তৃপক্ষ। ফ্যাক্টরীটির এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আশীষ কুমার কর্মকার এ জিডি করেন। এছাড়া বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে জিডিতে। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়।

  • কালীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে বেঞ্চ বিতরণ করেন মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

    কালীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে বেঞ্চ বিতরণ করেন মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

    মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।।

    শিক্ষার মান উন্নত করার লক্ষ্যে বেঞ্চ বিতরণ করলেন রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহাবুবুজ্জান আহমেদ।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব বেঞ্চ বিতরণ করেন রংপুর বিভাগের তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান ও দু’বারের সফল উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ইউজিডিপি প্রকল্পের আওতায় ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৪৫ জোড়া প্লাস্টিকের ফাইবারে তৈরি বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে।

    কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, জীবনের সবটুকু সময়ই বিনিয়োগ করেছেন আওয়ামী রাজনীতির পেছনে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে স্কুলজীবনে ছাত্রলীগের পতাকাতলে আশ্রয় নেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেন, দেখান মানুষকে। মানুষকে নিজের দেখানো স্বপ্ন পূরণ করাই ফের তার স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়। তারুণ্যদীপ্ত মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে। তিনি সর্বদা মানুষের সেবা করে চলছেন। তবে এ জননেতা এবার মানুষের সেবা করার লালিত স্বপ্ন পূরণের জন্য, কালীগঞ্জ উপজেলা কে মডেল রুপে গড়ে তুলতে লড়তে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন। তিনি আরো বললেন তার স্বপ্নের কথা, আশার কথা, ভালোবাসার কথা। মানুষের প্রতি দরদ আর প্রেমের কথা। বললেন আধুনিক উপজেলা গড়ে তোলার স্বপ্নের কথা।

    এবার মানুষের ভালোবাসাকে পুঁজি করে তিনি একটি আধুনিক উপজেলা উপহার দেওয়ার স্বপ্নে বিভোর। ‘একটি আধুনিক মডেল উপজেলা উপহার দেওয়ার জন্য যা কিছু করতে হয়, সব করব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড স্বচ্ছতার সহিত মানুষের নিকট পৌঁছে দিতে চাই। মানুষ যেমন স্বপ্ন দেখেন কালীগঞ্জ উপজেলাকে নিয়ে, ঠিক তাদের স্বপ্নের মতো করে সাজাব এ উপজেলাকে।

    বেঞ্চ বিতরণ অনুষ্ঠানে কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, আজ ২০ শিক্ষা প্রতিষ্টানে ১৪৫ জোড়া বেঞ্চ দেয়া হয়েছে। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ৭০% অর্থ বরাদ্দ দিয়ে আসছি। আগামী বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ খাতে বেশির ভাগ অর্থ বরাদ্দ দেয়া চেষ্টা করবে বলে জানান তিনি। তিনি আরোও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্টানের অবকাঠামো নির্মান, ওয়াসব্লক, বাই-সাইকেল, সিলিং ফ্যান, উপবৃত্তি, খেলার সামগ্রী, বই সহ বিভিন্ন বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করবো।

    বেঞ্চ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বীরেন্দ্রনাথ রায়, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রনবীর কুমার রায় নায়েক, উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর ইয়াছিন আলী, বেঞ্চ প্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বৃন্দ ও উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স পিন্ট্র মিডিয়ার ব্যাক্তিবর্গ।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি এটিএম গোলাম রসুল

    লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি এটিএম গোলাম রসুল

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম গোলাম রসুল। জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়। পরে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল আলীম মাহমুদ বিপিএম এর কাছ থেকে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ওসি এটিএম গোলাম রসুল।

    এর আগে তিনি রংপুর রেঞ্জের ৬১ টি থানার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন। একজন দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি অর্জন করেছেন আইজিপি ব্যাজ এবং কালীগঞ্জে যোগদানের পর এ নিয়ে জেলার নবমবারের মতো নির্বাচিত হলেন জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি। মাদক উদ্ধার, লিস্টেট মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার, হত্যা,ধর্ষন,নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার মূল আসামীকে গ্রেফতার, অপহরণের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ভিকটিম উদ্ধার, আলোচিত ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের মূল আসামীকে গ্রেপ্তারসহ মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, দাগী আসামী গ্রেফতার, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামী, ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার, আদালত থেকে প্রাপ্ত গ্রেপ্তারি পরোয়ানার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ ওয়ারেন্ট তামিল,ক্রোকি পরোয়ানা তামিল, মামলা রেকর্ডের চেয়ে নিষ্পত্তি বেশী, মামলার বিচার কার্যের জন্য অধিক পরিমাণ সাক্ষী আদালতে হাজির করন,জুয়ার সরঞ্জাম সহ ১০ জন আসামীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ,মানবিক ও জনকল্যাণমুখী কাজ,জনসন্তুষ্টি অর্জনসহ সার্বিক কর্ম মূল্যায়নে সর্বোচ্চ কাজ করায় ৯ বারের মত জেলার শ্রেষ্ট ওসি হিসেবে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম গোলাম রসুলের নাম ঘোষনা করেন।

    ক্রেস্ট প্রদান শেষে ডিআইজি অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন এবং কালীগঞ্জ থানার ওসির মাধ্যমে কালীগঞ্জের ১৫ জন অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। এই ১৫ জন অসহায় মানুষের কালীগঞ্জ থেকে লালমনিরহাট যাতায়ত খরচও প্রদান করেন ওসি।

    নবম বারের মত শ্রেষ্ঠ হওয়ায় উর্দ্ধতন সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ওসি বলেন, দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আমি গর্বিত। শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রাপ্তি আমার একার নয়, আমার থানার সকল পুলিশ সদস্যের। তাদের দায়িত্বশীলতায় আমি এই পুরস্কার পেয়েছি। এবং স্যারের এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের জন্য আমার ও আমাদের কাজের স্পৃহা আরও তরান্বিত হবে বলে আমি আশা করি।আমার এই প্রাপ্তি আমার কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।কালীগঞ্জ থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফসলও এটি।আর এজন্য আমি সহস্রাধিক স্যালুট জানাই আমাদের প্রিয় স্যারদের কে ।আমার এই সফলতা যেনো অব্যাহত থাকে- এটাই আমার প্রার্থনা ও কামনা। আমরা পুলিশ জনগনকে সাথে নিয়ে শ্রেনী ভেদে সবার সহযোগিতায় সফলতা অর্জন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমাকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে পুরস্কার প্রাপ্তি সময় আনন্দের, সেই সাথে দায়িত্ব বোধ ও কাজের স্পৃহা অনেক গুন বেড়ে যায়।সিনিয়র স্যারদের এমন অনুপ্রেরণা মুলক কার্যক্রম সবসময় কাজে প্রেরণা জোগায়। আমাকে সবসময় সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    আরো জানা গেছে ওসি এটি এম গোলাম রসুল , পুলিশ হিসেবে যোগদানের পর তিনি এ দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদে সু নামের সাথে কাজ করে প্রশংসা অর্জন করেন।তিনি একজন ক্রীড়াবিদ ও বটে। ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ও বিভিন্ন সময় পুরস্কার লাভকরেন।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • মুরাদনগরে কৃষি জমিতে ড্রেজার স্থাপনে হ্রাস পাচ্ছে রবি  ফসল

    মুরাদনগরে কৃষি জমিতে ড্রেজার স্থাপনে হ্রাস পাচ্ছে রবি ফসল

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের কাগাতুয়া বিলে ও রামচন্দ্রপুর, শ্রীকাইল,বাঙ্গরাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অবৈধ পন্থায় চলছে মাটি কাটার মহাউৎসব। বিনষ্ট করছেন ২৭০০ বিঘা কৃষি জমি ও এলজিইডি’র সড়ক। ২৫টি ড্রাম ট্রাক ও ১০টি ট্রাক্টরে মাটি যাচ্ছে ইটভাটা ও অপরিকল্পিত বাসাবাড়ির কাজে।
    এভাবেই উপজেলার ২২ ইউনিয়নে চলছে প্রায় ১৫০ টি ড্রেজার । ড্রেজিং বন্ধে প্রশাসনের দুর্বল ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে চলছে নানা গুঞ্জন।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায় , উপজেলার প্রায় ২২ ইউনিয়নের ৩০৮টি গ্রামের কোন না কোন স্থানে ড্রেজার ও ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করছেন। মাইলের পর মাইল পাইপ সংযোগ দিয়ে কৃষি জমির মাটি কেটে উজাড় করা হচ্ছে। ভেকুতে জমির টপ সয়েল ও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে তিন ফসলি জমিগুলোকে ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর গর্ত করা হচ্ছে। এতে আশ-পাশের ফসলী জমি ভেঙে তৈরি হচ্ছে জলাশয় ও ডোবা।
    বাবুটি পাড়া ইউনিয়নের কৃষক অহেদ মীর, জুনাবআলী মিয়া, কাজী অলিউল্লাহ জানান,
    “ গান্দ্রা ভূমি অফিসের অধীনে দৈয়ারা মৌজার মাইনকা বিলে একটানা ২ বছর কৃষি জমি থেকে মাটি উত্তলণ করছেন ড্রেজার ব্যবসায়ী কাজী রাকিব ও মোশারফ। ওরা ৩০ শতক জায়গা ক্রয় করে ড্রেজিং শুরু করেন বর্তমানে ১২০ শতকে চলছে তাদের ড্রেজিং। আশেপাশের জমিগুলো ড্রেজিংয়ের গর্তে পড়ে যাওয়ায় কৃষকরা নাম মাত্র টাকায় জমি বিক্রি করতে বাধ্য হয় । বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পাইনি। ”।

    জনস্বার্থে রিটকারীর দেয়া তথ্যের সূত্রে জানা যায়, “মুরাদনগর উপজেলার কৃষি জমি রক্ষায় মাটি কাটার সকল প্রকার অবৈধ যন্ত্রপাতি ৬০দিনের মধ্যে জব্দ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এসিল্যান্ডকে রিট ১৪১০৮/২০২২ মোকাদ্দমায় নির্দেশ দেন মহামান্য
    হাইকোর্ট নির্দেশনার ৫৫ দিন অতিবাহিত। এসময়ের মধ্যে ইউএনও – এসিল্যান্ড অফিস মিলে মোট ১৬টি ড্রেজার ও একটি ভেকু জব্দ করেছেন। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বিশাল এ উপজেলায় দেদারসে চলছে ড্রেজার, ভেকু ও মাটিবাহী ট্রাক্টর।

    উল্লেখ্য – ৬০ দিনের মধ্যে মুরাদনগর উপজেলার সকল প্রকার অবৈধ মাটিকাটার যন্ত্রপাতি জব্দ করতে ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনার ১২ দিনের পর কৃষক খোকন মিয়ার জমি থেকে ভেকু দিয়ে রাতে মাটি তুলে নিচ্ছিল এতে বাঁধা দেওয়ায় মাটি ব্যবসায়ীরা তাকে হত্যা করেন। এঘটনার পর উপজেলার কৃষকরা প্রাণ নাশের ভয়ে মাটি উত্তলণে বাঁধা বা অভিযোগ দিতে অনিহা প্রকাশ করছেন।
    মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিন ভূইয়া জনী বলেন, ড্রেজার বন্ধে অভিযান চলছে । আগামী দুই মাস আরো ব্যাপকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।