Author: desk

  • নলছিটিতে বাদীর পরিবারকে প্রাণনা-শের হু-মকি দিচ্ছে আ-সামিরা

    নলছিটিতে বাদীর পরিবারকে প্রাণনা-শের হু-মকি দিচ্ছে আ-সামিরা

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করায় আসামিরা নিহতের পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী। সোমবার (৮ই সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নলছিটি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত কন্যার পিতা মামলার বাদী উপজেলার গোহালকাঠি গ্রামের মো: জসিম মীর।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো: জসিম মীর অভিযোগ করে বলেন, গোহালকাঠি গ্রামের খালেক জমাদ্দার সহ তার পরিবারের লোকজন শিয়াল ধরার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতে। গত ১৮ই জুলাই সেই ফাঁদে পা পড়ে
    মো: জসিম মীরের কন্যা ফাহিমা আক্তার মনিরা মৃত্যু বরন করেন। এ ঘটনায় খালেক জমাদ্দার, মন্টু জমাদ্দার, আউয়াল জমাদ্দার ও রুনু বেগমকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলায় তাদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হলেও কয়েকদিন পরেই জামিন পেয়ে জেল থেকে বেড়িয়ে এসে মো: জসিম মীরকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় আসামিরা। গত ৩ শে আগষ্ট আসামিরা নিহতের পিতা ও মামলার বাদি মো:জসিম মীরকে মামলা তুলে নিতে বলে। মামলা না তুললে তাকেও মেয়ের মতো হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয় অভিযুক্ত আসামিরা। এ ঘটনায় গত ৬ই সেপ্টেম্বর মো:জসিম মীরের স্ত্রী ও নিহত ফাহিমা আক্তার মনিরার মা নয়নতারা নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৩৯, তারিখ-০৬/০৯/২০২৫) করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান মো: জসিম মীর।
    তিনি আরও বলেন, এর আগে আসামিরা জেল থেকে বেড়িয়ে এসে “আমাদের হয়রানি করার জন্য গত ৩ আগষ্ট আসামিরা ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আমাদেও বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা (নং সি আর মোং নং-২৬১/২০২৫-নল) দায়ের করে।
    সংবাদ সম্মেলনে আসামিদের জামিন বাতিল করে আসামির জেল হাজতে প্রেরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানান কন্যা হারনো পিতা মো: মীর জসিম।

  • শ্রীমঙ্গলে আনসার ব্যা-টালিয়নের সফল ফা-য়ারিং অ-নুশীলন

    শ্রীমঙ্গলে আনসার ব্যা-টালিয়নের সফল ফা-য়ারিং অ-নুশীলন

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    দেশের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় নিয়োজিত আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলার শ্রীমঙ্গল ফায়ারিং রেঞ্জে একটি সফল ফায়ারিং অনুশীলন সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা ও থানা আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ-২০২৫ (১ম ধাপ)-এর অংশ হিসেবে এই অনুশীলনটি আয়োজন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল আনসার সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, সঠিক শুটিং কৌশল রপ্ত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও শৃঙ্খলাবোধ শক্তিশালী করা।

    ব্যাটালিয়নের উপপরিচালক মোঃ সাহাদাত হোসেন, বিভিএম, পুরো অনুশীলনের নেতৃত্ব দেন। এ সময় সহকারী পরিচালক জাহিদ হোসেন ও ব্যাটালিয়ন কোম্পানি কমান্ডার রাফিউল ইসলাম কাঞ্চন প্রমূখ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। উপপরিচালকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে ফায়ারিং কার্যক্রম শেষ হয়। অনুশীলন শুরুর আগে উপপরিচালক সাহাদাত হোসেন একটি সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং দেন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং তাদের মনোবল চাঙ্গা করার জন্য উৎসাহিত করেন। প্রশিক্ষণার্থী সদস্যরাও অত্যন্ত আগ্রহ ও দক্ষতার সাথে এতে অংশগ্রহণ করেন। ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের নিয়মিত প্রশিক্ষণ শুধু মিশনের প্রস্তুতির জন্যই নয়, বরং সদস্যদের মনোযোগ ও শৃঙ্খলাবোধ বৃদ্ধিতেও সহায়ক। এই সফল কার্যক্রমের মাধ্যমে আনসার সদস্যরা নিজেদের আরও দক্ষ ও চৌকস করে গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছেন, যা ভবিষ্যতে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • ভারতের মু-খপোড়া হনুমান  এখন গোদাগাড়ীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বে-ড়াচ্ছে

    ভারতের মু-খপোড়া হনুমান এখন গোদাগাড়ীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বে-ড়াচ্ছে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ গত এ সপ্তাহ থেকে একটি মুখপোড়া হুলমান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে দলছুট মুখপোড়া হনুমান। এ হনুমানটি দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছেন।

    গত এক সপ্তাহ আগে হুলমানটি টিকে গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী, মাদারপুর, শিবসাগর, সিএন্ডবি, গড়ের মাঠ, সুলতানগঞ্জ, কামারপাড়া, সারাংপুর, আলীপুর এলাকায় মানুষের ছাুদে, টিনের উপর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়াল, বিভিন্ন গাছে দেখা গিয়েছে। খাবারের সন্ধানে সে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছে

    আর রবিবার দুপুর সাড়ে সময় উপজেলার হরিন বিস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাচীরের উপরে বসে থাকতে দেখা যায়। মুখপোড়া হনুমানটি খুবই শান্ত স্বভাবের। অনেকেই হাত বাড়িয়ে কলা, রুটি, বিস্কুট খেতে দিচ্ছেন। লোকজনের আনাগোনা বেশি হলে বিরক্ত হয়ে সেখান থেকে চলে যাচ্ছে অন্যত্র। গত কয়েক দিন ধরেই উপজেলার পিরিজপুর, হরিন বিস্কা, ফরাদপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে বাড়ির ছাদে, প্রাচীরে, গাছের ডালে হনুমানটি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ হনুমানটির দৃষ্টি আর্কষণের জন্য নানাভাবে অঙ্গ-ভঙ্গি প্রর্দশন করছে।

    পৌরসভার মাদারপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খালেকুজ্জামান বলেন, ৫ দিন আগে আমাদের এলাকায় মুখপোড়া হুলমানটি আমরা দেখেছি। এটা বন্যার পানিতে ভারত থেকে ভেসে এসেছে অথবা সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে পাথরের ট্রাকে উপর উঠে চলে এসেছে।
    একই মন্তব্য করেন গোগ্রাম আর্দশ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম।

    খাবারের খোঁজে ছুটে বেড়াচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে। খাদ্য সংকটের কারণে হনুমানটি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে বলে ধারণা এলাকাবাসীর।

    এ হনুমান দেখতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা। শিশুরা কিছুটা ভয় পেলেও তাদের পিছু ছাড়ছে না। তবে কারও কোনো ধরনের ক্ষতি করছে না হনুমানটি।

    মুখপোড়া হনুমান (ইংরেজি: Capped langur, Capped Monkey, Capped leafed monkey, Bonneted Langur) প্রাইমেট প্রজাতির একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী। মূলত গাছের পাতা খেয়ে জীবনধারণ করে বলে এদের পাতা বানরও বলা হয়।[৩] এরা Cercopithecidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Trachypithecus pileatus । বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, চীন, ভারত এবং মিয়ানমারে এদের দেখতে পাওয়া যায়। এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হচ্ছে ক্রান্তিয় ও নিরক্ষীয় শুষ্ক বনভূমি। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, শিল্পায়ন ও কৃষিক্ষেত্রের সম্প্রসারণের দরুন বনভূমির পরিমাণ হ্রাসের কারণে এদের অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়েছে। বর্তমানে পুরো বিশ্বে এরা বিপন্ন বলে বিবেচিত

    প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘মুখপোড়া হনুমানটি সম্ভবত দলছুট। এটি খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছে। বাংলাদেশে বিপন্ন তালিকায় স্থান পাওয়া প্রাণীদের একটি কালোমুখো হনুমান। এরা দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করা বৃক্ষচারী শান্তিপ্রিয় প্রাণী।’

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • সন্ধ্যা নদীর কবলে উত্তর নাজিরপুর ধানের হাট জামে মস-জিদ

    সন্ধ্যা নদীর কবলে উত্তর নাজিরপুর ধানের হাট জামে মস-জিদ

    সাব্বির হোসেন।

    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর ধানেরহাট জামে মসজিদটি সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার পথে।মসজিদটির মুসল্লীগণ জানান এ মসজিদে
    ১৯৯২ সাল থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সাথে পড়ে বিভিন্ন প্রান্তর থেকে আশা মুসল্লীরা এ। কিন্তু নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হওয়ায় এ পর্যন্ত পর পর চারবার মসজিদটি স্থানান্তরিত করতে হয়েছে।বর্তমানে মসজিদটি একেবারে সন্ধ্যা নদীর কিনারায় এসে গেলে মুসল্লিরা শঙ্কায় রয়েছে। যেকোনো সময় এর স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় মসজিদটি অতিদ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। নিম্মবিত্ত ও মধ্যবিত্ত’র গণবসতি এলাকার মসজিদটির ফান্ডে কোন টাকা না থাকায় তারা কোনো উপায় খুজে পাচ্ছে না।ইতোপূর্বে থেকেই ধানের হাট থেকে খাজনা তুলে, স্থানীয়দের অর্থে এবং সরকারি কিছু অনুদানে মসজিদটি ৪ বার স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।কিন্তু নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হওয়ায় এখানকার অনেক বাসিন্দা বাড়ি ঘর নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে যার কারণে অর্থাভাবে মসজিদটি চালাতেও এর কমিটির লোকজন হিমশিম খাচ্ছে।মুসল্লিগণ সরকারিভাবে কিছু আর্থিক অনুদান পাওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন।যাতে তারা মসজিদটি অন্যত্র সরিয়ে পূনঃনির্মান করে মুসলমানদের মূল ইবাদত নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করতে পারেন।পাশাপাশি তারা স্বচ্ছল ও বিত্তবান ইসলাম ধর্মপ্রাণ মানুষদের নিকট মসজিদটি পুনঃনির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

    মোঃ সাব্বির হোসেন

  • চারঘাট-বাঘার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার নি-শ্চিত করার আহ-বান – অধ্যক্ষ নাজমুল হক

    চারঘাট-বাঘার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার নি-শ্চিত করার আহ-বান – অধ্যক্ষ নাজমুল হক

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার হল মোড় বাজারের ব্যবসায়ী, পথচারী ও সর্বস্তরের জনতার জন্য আবাম ফাউন্ডেশন রাজশাহী এর আয়োজনে রবিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় ১৪০ তম টিউবওয়েল (নলকূপ) স্থাপন করেন, জামায়াত মনোনীত রাজশাহী-০৬ আসন তথা চারঘাট-বাঘার সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক।

    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াত মনোনীত চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম, চারঘাট উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ আইয়ুব আলী, পৌর জামায়াতের আমীর মোঃ নকিব উদ্দিন, নায়েবে আমীর, মোঃ ওবায়দুল হক বদি সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং হল মোড়ের ব্যবসায়ী বৃন্দ।

    প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ নাজমুল হক আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ চারঘাট-বাঘা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানানোর সাথে সাথে এমন মানবিক কাজ অব্যাহত রাখার দৃড়হ প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী

  • চারঘাটে স্থানীয় সরকারি সেবা খাত সমূহে নাগরিক পরি-বীক্ষণ বিষয়ক প্রশি-ক্ষণ

    চারঘাটে স্থানীয় সরকারি সেবা খাত সমূহে নাগরিক পরি-বীক্ষণ বিষয়ক প্রশি-ক্ষণ

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাটে “Voices for Change Project এর সহযোগিতায় স্থানীয় সরকারি সেবা খাত সমূহে নাগরিক পরিবীক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার  (০৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত আবদুল মোমেন খান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (খান ফাউন্ডেশন) এর আয়োজনে ও সমতা নারী কল্যাণ সংস্থা, রাজশাহী বাস্তবায়ন সহযোগিতায় থানাপাড়া সোয়ালোজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি প্রশিক্ষণ কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন, থানাপাড়া সোয়ালোজের নির্বাহী পরিচালক রায়হান আলী, Voices for Change এর জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প কর্মকর্তা শিরিন আক্তার, চারঘাট চেতনা সমাজ উন্নয়ন সংস্কার পরিচালক বাবলু সরকার, অর্পণ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, সূর্য উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক  সাদিকুল ইসলাম, দারিদ্র কল্যাণ সংস্থার পরিচালক জিল্লুর রহমান, তালতলা উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি আসিফ ইসলাম, নারীনেত্রীর সহ-সভাপতি রেহেনা খাতুন, নারীনেত্রীর নুরিয়া খাতুন, ফতেপুর সমাজকল্যাণ সংস্থার সহ-সাধারন সম্পাদক আব্দুল রশিদ, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মৌসুমী দাসসহ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য ও বিভিন্ন সংগঠনের নারীনেত্রী গন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট,রাজশাহী ।

  • সুজানগরের তঁাতিবন্দে পরি-ত্যক্ত অবস্থায় মিল+লো দেড় কেজি গঁা-জা

    সুজানগরের তঁাতিবন্দে পরি-ত্যক্ত অবস্থায় মিল+লো দেড় কেজি গঁা-জা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে একটি পুকুরের ধার থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রায় দেড় কেজি গঁাজা উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার(০৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার তঁাতিবন্দ ইউনিয়নের তঁাতিবন্দ বাজারের পাশের গঙ্গা সাগর নামক একটি পুকুরের ধার থেকে এসব গঁাজা উদ্ধার করা হয়।বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবর রহমান। তঁাতিবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শ্রী আনন্দ কুমার জানান, সে তঁাতিবন্দ বাজারের পাশের গঙ্গা সাগর নামক একটি পুকুরের ধার দিয়ে হেটে যাবার পথে পলিথিনে মোড়ানো একটি বস্তা দেখতে পাই এবং সেটি খুলে গঁাজা দেখতে পেয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।
    সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবর রহমান জানান, গঁাজা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এই ঘটনায় কেউ আটক হননি। তবে, কে বা কারা ওই স্থানে এত পরিমাণ গঁাজা কি কারণে রেখেছে সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং এর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • আদর্শ গ্রামের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    আদর্শ গ্রামের স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন

    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর একজন তরুণ সমাজকর্মী ও সংগঠক সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের রাজনপুর গ্রামের ক্লিন ভিলেজ গ্রীণ ভিলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কানাডা প্রবাসী রোটারিয়ান মোঃ ইকবাল হোসেন। যিনি ইতিমধ্যে তার মরহুম বাবার নামে “আবুল হোসেন ফাউন্ডেশন ” ও গঠন করেছেন যা মুলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য,সমাজ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে।

    গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও একটি আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রযুক্তি ও নৈতিকতা—এই পাঁচটি স্তম্ভকে ভিত্তি করে তিনি গড়ে তুলতে চান একটি টেকসই ও মানবিক সমাজ।

    রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে রাজনপুর গ্রামে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় ইকবাল হোসেন এর নিজস্ব অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় চলছে আদর্শ গ্রামের কাজ। আদর্শ গ্রামের পরিকল্পনায় রয়েছে গ্রামের প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে প্রতিটা বাড়ির ঘর পর্যন্ত সৌন্দর্য বর্ধন। পরিষ্কার পরিছন্ন রাস্তাঘাট নির্মান ও ঘর বাড়ি নির্মান এবং মেরামত। রয়েছে যাত্রী ছাউনি, বাথরুম, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ওয়াশরুম, প্রতি বাড়ী ও নির্দিষ্ট স্থান সমুহে ডাস্টবিন স্থাপন,রাস্তার পাশে প্রবীনদের জন্য বসার জায়গা, যুবকদের বসার জায়গা ,বাচ্চাদের খেলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

    কর্মসংস্থানের লক্ষে সেলাই প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা। ফ্রি কোচিং এর ব্যবস্থা করা। গরীব অসহায়দের ঘর নির্মাণ,সাকো, কালভার্ট,নৌকা ইত্যাদির ব্যবস্থা, খাদ্য সহায়তা করার ব্যবস্থা, লাইব্রেরী ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র, গ্রামকে শতভাগ শিক্ষিত করা।

    ইকবাল হোসেনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা একটি প্রত্যন্ত গ্রামে হলেও, তার চিন্তা ও কর্মে ফুটে উঠেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। তিনি সুদূর কানাডায় বসেও নিজের গ্রামকে নিয়ে ভাবেন।

    ইতিমধ্যে তিনি তার ছোট ভাই মো. সাখাওয়াত হোসেন এর মাধ্যমে পরিবারের অন্যান্য ও গ্রাম বাসীদের সহায়তায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
    দায়িত্ব শীলদের অক্লান্ত পরিশ্রমে রাজনপুর আদর্শ গ্রামের ৩০% কাজ সম্পূর্ণ করেছেন। আগামী ২/৩ মাসের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করতে দ্রুত গতিতে চলছে রাজনপুর আদর্শ গ্রামের কাজ।
    রাজনপুর গ্রামের হবিবুর রহমান বলেন, শুধু আদর্শ গ্রামই নয় ইকবাল হোসেন আমাকে বসবাসের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন। আমার ঘর ছিল না, ভাঙা ঘরে মাথা গুজে থাকতাম। আমি তার সুন্দর জীবন কামনা করি।

    সাংবাদিক আলাউদ্দিন বলেন, ইকবাল হোসেন একজন পরোপকারী মানুষ। সবসময় তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। করোনা কালিন সময় ইকবাল হোসেন হাজার হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা ,মাস্ক,ওষুধ ,পিপিই সহ নানাবিধ সহায়তা করেছেন।
    ২০২২ এর বন্যায় পানি বন্ধী লাখ লাখ মানুষকে তিনি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ঔষধ সামগ্রী, শাড়ি, লুঙ্গি ও অনেক গৃহহীন পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছেন। বাংলার প্রতিটা ঘরে ঘরে একজন ইকবাল হোসেন এর প্রয়োজন।

    আব্দুল কাদির বলেন, স্বপ্নেও ভাবিনি আমাদের গ্রাম এতো সুন্দর হবে।
    স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেশে বহু মানুষ দেখেছি, টাকা হলে শহরে গাড়ি, বাড়ি বানায়।আমাদের ইকবাল হোসেন এর নেশা সমাজের সবাই ভালো থাকা,সবাইকে নিয়ে ভালো থাকা। উপজেলা গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো।এছাড়াও গরীবের হাসপাতাল,তালগাছ রোপন করে রাস্তা সুন্দর করন সহ দোয়ারাবাজার উপজেলায় আর ও অনেক জায়গায় কাজের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা ,খেলাধুলার মান বাড়াতে যুবকদের উৎসাহী করতে ইতিমধ্যে কর্মপরিকল্পনা করেছেন বলে আমাদের জানান।

    আদর্শ গ্রাম নিয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন বলেন, “আমি চাই এমন একটি গ্রাম গড়ে তুলতে, যেখানে মানুষ হবে স্বাবলম্বী, শিক্ষিত ও নৈতিকতাসম্পন্ন। শুধু আমার বাড়ী বাগান বাড়ি নয় আমার পুরো গ্রামই হবে বাগান বাড়ী।শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই আমার মূল লক্ষ্য।”

    আদর্শ গ্রাম প্রসংগে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, কাজ শুরু হওয়ার পর আমি ঐ এলাকায় যাইনি। তবে সময় পেলেই তরুণ সমাজ কর্মী ইকবাল হোসেন এর আদর্শ গ্রাম দেখতে যাবো।

    স্থানীয়দের ধারনা ইকবাল হোসেনের স্বপ্ন, একদিন তার এই আদর্শ গ্রামের ভাবনা ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে।একটি প্রত্যন্ত জনপদে কিভাবে উন্নয়নের ছোয়ায় এগিয়ে নেওয়া যায় তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ রোটারিয়ান মো ইকবাল হোসেন।

  • ময়মন‌সিংহে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এমরুল এর  ম-তবিনিময়

    ময়মন‌সিংহে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এমরুল এর ম-তবিনিময়

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করছেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মন‌সিংহ-৪ (সদর) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    শনিবার (৬সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টায় নগরীর বাউন্ডারি রোডস্থ মেজবান খানা টিউলিপ গার্ডেন মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে গেলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুটপাটসহ কোনো অন্যায় থাকবে না। ময়মন‌সিংহ-৪ আসনের জনগণ আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আসন এলাকার বাসিন্দাদের চাহিদা পুরনে পরামর্শ মোতাবেক মানুষের কল্যাণে কাজ করব।এসময় নগরীর জলাবদ্ধতা ও গ্যাস সংকট দূর করাসহ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত সদর আসন উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    তিনি আরো বলেন, ‘সবার জন্য শিক্ষা, কর্ম, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য একটি মানবিক, আধুনিক এবং আত্মনির্ভর ময়মন‌সিংহ গড়ে তোলাই আমাদের স্বপ্ন।’ তিনি ন্যায়বিচারে সমৃদ্ধ একটি আলোকিত ময়মন‌সিংহ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর শাখার আয়োজনে জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সহকারী সেক্রেটারী মোঃ আনোয়ার হাসান সুজনের পরিচালনায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ,মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ আজিজুর রহমান, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর যুব বিভাগের সভাপতি ইঞ্জিঃ আব্দুল বারী,মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য হায়দার করিম, মহানগর জামায়াতে অমুসলিম শাখার বিভাগীয় নেতা এডভোকেট দেবব্রত নাগ ভূলু সহ ময়মনসিংহে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন আধুনিক এবং সমৃদ্ধিকরণ ময়মনসিংহ সদর গড়ার লক্ষ্যে কাজ করব আমরা, জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের গুণগত পরিবর্তন ঘটাতে জামায়াতে ইসলামী আদর্শিক ও রাজনীতির মাধ্যমে অবাধ-উন্মুক্ত ভাবে কাজ করবে। দেশ সুন্দরভাবে গড়ার জন্য আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে একসাথে কাজ করতে চাই। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, তাদেরকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে হবে। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং নির্বাচিত হলে ময়মনসিংহে সাংবাদিক সহ সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলা নিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্র-স্তুতিমূলক সভা

    ময়মনসিংহের ১৩ উপজেলা নিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্র-স্তুতিমূলক সভা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ

    তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, ২০২৫ এর প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দপ্তর কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    সভায় জানানো হয়, ময়মনসিংহ জেলার ১৩ উপজেলা নিয়ে এই টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ সদর বনাম মুক্তাগাছা উপজেলা মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে ময়মনসিংহ জেলা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    সভাপতি বক্তব্যে বলেন, আসন্ন এই টুর্নামেন্টেটি ময়মনসিংহ জেলার ভাবমূর্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই টুর্নামেন্ট চলাকালীন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেই দিকে সকলের লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান ‌।

    এছাড়াও সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আল-আমিন, জেলা ও উপজেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ ।