বায়জিদ হোসেন, মোংলা
মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের খাসেরডাঙ্গা আবু বকর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬২ তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সপ্তাহ ব্যাপী চলা এ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার শেষ দিনে শনিবার (৪ ফ্রেব্রআরি) বেলা ১১ টায় বিদ্যায়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজ সেবক গাজী মো. ইলিয়াস’র সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষাক বিবেক আনন্দ মজুমদার’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা রাখেন পরিবেশ,বন ও জলবায়ু বিষয় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার (এমপি)। এর আগে অতিথি দের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় স্কুল এর পক্ষ থেকে। এ সময় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তৃতা রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মোংলা থানা অফিসার ইনসার্জ (ওসি) মোহম্মদ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশিনার (ভূমি) মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ারুল কুদ্দুস, বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক হারুন-অর রশিদ প্রমূখ। এ সময় অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, বিভিন্ন্য শ্রেণি-পেশার ব্যাক্তিবর্গ সহ অবিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করায় শিক্ষার্থীদের ভূয়সী প্রশংসা করে অনুষ্টানের প্রধান অতিথি উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে মর্যাদা ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে হবে। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সফল ও অর্থবহ করে তুলতে খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপকভাবে চর্চা ও অংশগ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। খাসেরডাঙ্গা আবু বকর সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬২ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট ৪৩ টি ইভেন্টে ১৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
Author: desk
-

ক্রীড়া ক্ষেত্রে মর্যাদা ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে হবে – হাবিবুন নাহার
-

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য পল্লীমাতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি কে পুণরায় এমপি হিসেবে দেখতে চাইলে তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টি কে সংগঠিত ও শক্তিশালী করে দলীয় কর্মীদের সংগঠিত করার জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার লক্ষ নিয়ে ময়মনসিংহ বিশেষ বর্ধিত সভা করেছে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি । ঘাগড়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সদর উপজেলা জাপা নেতা ডাঃ হাবিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলকে সুসংগঠিত করে আবারও বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিজয় ধরে রাখতে দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার। জাতীয় পার্টি কে তৃণমূল পর্যায়ে সু-সংগঠিত জনবান্ধব ও শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির নির্দেশনা বাস্তবায়নে উক্ত বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৪জানুয়ারী শনিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয় ময়মনসিংহ নগরীর গঙ্গাদাস রোডস্থ রওশন এরশাদের বাসভবন সুন্দর মহলে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত সভায় সঞ্চাকনা করেন সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন।
সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন বিল্লাল,আবজাল হোসেন হারুন,যুগ্ম যুগ্ন লিয়াকত আলী, রেজাউল করিম, মোশারফ হোসেন, হাছান মাহমুদ, আব্দুর রহমান, এমদাদুল হক লিটন, আজিজুল ইসলাম মেম্বার, নুরুল ইসলাম, কাওছার আহমেদ, হুসাইন মোহাম্মদ সরোয়ার সরকার, রেখা রাণী সরকার, জেলা যুব সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন,পরাণগঞ্জ ইউনিয়ন জাপা নেতা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কাউসার আহমেদ, আমির হোসেন খান ও শাহজাহান মিয়া,ঘাগড়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক খোকন মিয়া,কুষ্টিয়া ইউনিয়ন জাপা নেত্রী ইসমত আরা,চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়ন জাপা নেত্রী রাণী আক্তার
প্রমুখ। পরে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির ময়মনসিংহের প্রতিনিধি আব্দুল আউয়াল সেলিম এর নেতৃত্ব সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।ময়মনসিংহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও সংগঠিত করতে বর্ধিত সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রত্যেক ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ইউনিয়ন শেষে উপজেলা সম্মেলন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টিতে দু’পক্ষের রাজনৈতিক কোন্দলে পূর্বের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ ও অকার্যকর হওয়ায় আবারো ত্যাগী ও নির্যাতিত, দলের পরিশ্রমী নেতাকর্মীদের বাছাই করে প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় অন্যান্যদের মাঝে সদর উপজেলার সকল ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আবারও হিমেল বাতাসে কনকনে শীত
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আবারও হিমেল বাতাসে কনকনে শীতের প্রভাব পড়ছে। গত কয়েকদিন ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়ছে। তবে ঘনকুয়াশার সঙ্গে বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এর আগের দিন শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পঞ্চগড়ে গত এক সপ্তাহ ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়ায় শীতের তীব্রতাও কমতে থাকে। কিন্তু গেলো দুইদিন ধরে আবারও শুরু হয় ঘনকুয়াশা ও বাতাস। শুক্রবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। রাতভর বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝড়তে থাকে। সেইসঙ্গে ছিল বাতাসের প্রবাহ।
শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল পঞ্চগড়। সঙ্গে হিমশীতল বাতাসের কারণে কনকনে শীত অনুভূত হয়। তবে সকাল ৯টার পর সূর্যের দেখা মেলে। আর বেলা বাড়া সঙ্গে কুয়াশাও কেটে যায়। ঝলমলে রোদে স্বস্থ ফিরে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের মনে।
উপজেলার কালদাসপাড়া গ্রামের আমির উদ্দিন বলেন, কয়েক দিন ধরে মনে হচ্ছে শীত বুঝি চলে গেলো। কিন্তু দুইদিন ধরে আবারও কনকনে শীত লাগছে। প্রতিদিন ভোরে জমিতে কাজ শুরু করি। আজ (শনিবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত অস্বাভাবিক কুয়াশা ছিল। ১০ হাত দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছিল না। তবে ৯টার পর থেকে সূর্যের আলোর দেখা মিললে ঘনকুয়াশা এবং শীতের তীব্রতাও কমে যায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ বলেন, শনিবার সকালে সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দুইদিন ধরে রাতে ঘনকুয়াশা শুরু হয় এবং পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে চারপাশ। আগামী দুই-একদিনে শীত আরও কমে যেতে পারে।
-

গৌরনদীতে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ২৪ বছর পদার্পণ উপলক্ষে র্যালী
বি এম মনির হোসেনঃ-
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ২৪ বছর পদার্পণ উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদীতে কেক কাটা, র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বব্জন সমাবেশের উদ্যোগে ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চত্তরে র্যালী শেষে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা স্বজন সমাবেশের সভাপতি আবদুছ সালেক মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, মাই টিভির গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃ গিয়াসউদ্দিন মিয়া, গৌরনদী উপজেলা স্বজন সমাবেশের উপদেষ্টা যুগান্তেরের গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃআসাদুজ্জামান রিপন,গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান দ্বীপ, গৌরনদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ বদরুজ্জামান খান সবুজ,গৌরনদী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি বি এম বেল্লাল হোসেন, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক সঞ্জয় কুমার পাল। কেক কাটা শেষে উপজেলা চত্বর থেকে র্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।
-

অসহায় বাবার আত্মহত্যা: পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে দ্বায়ী করে দুই মামলা
মো:বাবল হোসেন পঞ্চগড় :
পঞ্চগড়ে কলেজ পড়ুয়া মেয়ের ধর্ষণের বিচার না পেয়ে অসহায় বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলায় জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন নামে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘটনাটির জন্য দায়ী করা হয়। এছাড়া এই মামলায় আসামী করা হয় আরো ৪ জনকে।
শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় সদর ও আটোয়ারী থানায় মামলা দুটি করেন মৃত ব্যক্তির ছেলে।
মামলায় জড়ানো ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে রয়েছেন। আর আসামীরা হলেন- ওই ইউনিয়নের লাখেরাজ ঘুমটি এলাকার পলাশ চন্দ্র বর্মন (২৫), তার বাবা শ্যামল চন্দ্র বর্মন (৪৬), একই এলাকার মৃত ধনবর বর্মনের ছেলে ভবেন বর্মন (৫০) এবং অলকান্ত বর্মনের ছেলে কাজল বর্মন (২৩)।
মামলার বাদী জানান- তার কলেজ পড়ুয়া বোনকে তুলে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন আসামী পলাশ চন্দ্র বর্মন। এঘটনার বিচার দাবি করলে বিষয়টি বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দিয়ে সুরাহার আশ্বাস দেন ইউপি চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন। কিন্তু ঘটনার ১৫ দিন পার হলেও কোন সুরাহা করতে পারেননি তিনি। বারবার চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হয়েও কোন বিচার না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তার বাবা (৫০)। গত বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে গলায় চাঁদর পেচিয়ে বাড়ির অদুরে আবাদি জমির পাশের একটি পাকুর গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি।
মামলায় উল্লেখ করা হয়- তার বোনকে গত ১৭ জানুয়ারি রাতে অভিযুক্ত পলাশ চন্দ্র বর্মন জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এতে সহযোগিতা করে অপর আসামী কাজল। পরে ভুক্তভোগির চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে গেলে পলাশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে পলাশ সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এতে মারাত্মকভাবে আহত হন তার বোন। চিকিৎসাধীন ছিলেন পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালেও। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি সুরাহার আশ্বাস দেন। পরদিন চেয়ারম্যানের কথামত আসামী কাজলের বাড়িতে বসা হয়। কিন্তু সেখানে সুরাহার পরিবর্তে মামলার বাদী এবং তার বাবাকে আসামীরা উল্টো হুমকি-ধামকি দেন। পরে চেয়ারম্যান আরো তিন-চারদিন সময় চান মিমাংসার জন্য। কিন্তু তিনি বিষয়টির গুরুত্ব না দিয়ে কালক্ষেপণ করে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।
মামলার বাদী বলেন, মৌখিক অভিযোগে চেয়ারম্যানের দায়িত্বহীনতা দেখে ২৪ জানুয়ারি লিখিত অভিযোগ দেই। পরে চেয়ারম্যান আমাদের নোটিশের মাধ্যমে জানান ১ ফেব্রুয়ারী ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত হতে। কিন্তু সেদিন খবর পাই আসামীরা উপস্থিত হবেনা। চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও টালবাহানা শুরু করেন। বিচার না পাবার আশঙ্কায় আমার বাবা ভেঙে পড়েন। এদিকে, পরিষদে অভিযোগ দেয়ায় পলাশের বাবা শ্যামল এবং আসামী ভবেন আমার বাবাকে তাচ্ছিল্য করেন এবং বাড়াবাড়ি না করতে হুমকি দেন।
তিনি বলেন, আমার বাবা বাড়ি এসেই কান্নাকাটি শুরু করেন। পরে রাতে সবার অগোচরে আত্মহত্যা করেন। একাধিকবার বলার পরেও চেয়ারম্যান ন্যায় বিচার করেননি বলেই আমার বাবা বিচার না পাবার আশঙ্কায় আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি আরো বলেন, যেহেতু আটোয়ারী থানা এলাকায় বাবার আত্মহত্যার ঘটনাস্থল, এজন্য আটোয়ারী থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে মামলা করেছি। আর সদর থানায় করেছি বোনের ধর্ষণের বিষয়ে।
এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন। তিনি বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে উভয়পক্ষকে নোটিশ করেছি। গত ১ ফেব্রুয়ারি বসার কথা ছিলো। কিন্তু অভিযোগকারিরাই আসেননি। না আসলে কিভাবে সুরাহা করবো? আর আত্মহত্যার খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তবে কেন আত্মহত্যা করেছে তা জানিনা।
পৃথক দুই মামলার বিষয় নিশ্চিত করেছেন আটোয়ারী থানার ওসি সোহেল রানা এবং সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া।l -

বাঘড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে আগুন!
লিটন মাহমুদ,
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শ্রীনগর উপজেলা বাগড়া ইউনিয়নের আঃলীগের প্রধান কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।৩জানুয়ারী ভোর আনুমানিক ০৩:৪০ ঘটিকার সময় ৪নং ক্রমিকের ঘটনাস্থলে উল্লেখিত কাঠের পাটাতন ও টিনের বেড়া বেষ্টিত দোচালা টিন দ্বারা নির্মিত বাঘড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের প্রধান কার্যালয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কার্যালয়ের দক্ষিণ পাশের দোকানে থাকা এবং উক্ত আওয়ামিলীগ কার্যালয়ের রক্ষনাবেক্ষনকারী মোঃ মোন্নাফ মাল(৫৫), পিতা – মৃত পাষান মাল সাং – পূর্ব বাঘড়া, থানা – শ্রীনগর, জেলা – মুন্সীগঞ্জ আগুনের সূত্রপাতের বিষয় টের পেয়ে কার্যালয়ের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে প্লাস্টিকের বালতি দ্বারা পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কার্যালয়ের ভিতরে থাকা ব্যানার, পোস্টার ও ব্যানার তৈরির কাজে ব্যাবহৃত বাশের চেরা পুড়ে যায়।অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে স্থানিয় আঃলীগের নেতাকর্মী ও শ্রীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের বিষয় তথ্য উদঘাটনের চেষ্টাসহ শ্রীনগর থানা পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সারাদিন পুলিশি টহল অব্যাহত রাখে।বাঘড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য মোঃ সুমন (৩৩), পিতা- শেখ মোরশেদ, মাতা- হাসিনা বেগম, সাং – মধ্য বাঘড়া, থানা – শ্রীনগর, জেলা- মুন্সীগঞ্জ থানায় হাজির হইয়া এজাহার নামীয় ৩ জন সহ অজ্ঞাতনামা ২৫/৩০জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।ঘটনাস্থল সহ বাঘড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। -

চা উৎপাদনে রেকর্ড ছাড়িয়েছে উত্তরাঞ্চল
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ সমতল ভূমিতে চা উৎপাদনে রেকর্ড ছাড়িয়েছে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় জেলা। শিল্প বিপ্লবে বদলে গেছে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়। সিলেটের পরের অবস্থানে সুপরিচিতি পেয়েছে এ প্রান্তিক জেলা। দুই দশকের নীরব চা বিপ্লবে বদলে গেছে অর্থনীতি ও জীবনমানের চিত্র। কয়েক বছর ধরেই রেকর্ড হারে উৎপাদিত হচ্ছে চা।
গত বছর ২০২২ সালে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় (পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী) চা উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ২শ’২৬ কেজি। যা বিগত বছরের তুলনায় ৩২ লাখ ১৯ হাজার ২২৬ কেজি বেশি উৎপাদনে সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে চা বোর্ডের জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়।
চা বোর্ড জানায়, উত্তরাঞ্চলে বেড়েছে চা আবাদ। এবার ১২ হাজার ৭৯ দশমিক ৬ একর সমতল জমিতে ৩০টি বাগান ও ৮ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে চা উৎপাদন হয়ে রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর এসব বাগান থেকে ৯ কোটি ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৩২ কেজি সবুজ কাঁচা চা পাতা উত্তোলন করা হয়। যা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাটের চলমান ২৫ টি কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ২শ’২৬ কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। এই উৎপাদন জাতীয় উৎপাদনের ১৮.৯২ শতাংশ।
চা বোর্ডের তথ্য মতে, ২০২০ সালে উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়সহ পাঁচ জেলায় ১০ হাজার ১৭০ একর জমির ১০টি নিবন্ধিত ও ১৭টি অনিবন্ধিত চা বাগান ও ৭ হাজার ৩১০টি ক্ষুদ্রায়তন চা বাগানে ৫ কোটি ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৬ কেজি সবুজ কাঁচা চা পাতা উত্তোলন করা হয়। সে পাতা থেকে ১৮টি চা ফ্যাক্টরিতে ১ কোটি, ৩ লাখ ১০ হাজার কেজি তৈরি চা উৎপাদিত হয়। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে ১ হাজার ৪৯০ একর জমি নতুন করে চা চাষের আওতায় আসে। তৈরি চায়ের উৎপাদন বাড়ে ৭.১১ লাখ কেজি।
২০২১ সালে এ অঞ্চলে চা আবাদের পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৪৩৩ দশমিক ৯৪ একর। উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি। সে তুলনায় গত এক বছরে চা আবাদ বেড়েছে ৬৪৫ দশমিক ১২ একর। উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার মধ্যে পঞ্চগড়ে ১০ হাজার ২৩৯ দশমিক ৮০ একর জমিতে চা উৎপাদিত হয়েছে। অন্যান্য জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ১ হাজার ৪৫৭ দশমিক ২৯ একর, লালমনির হাটে ২২২ দশমিক ৩৮ একর, দিনাজপুরে ৮৯ একর ও লালমনিরহাটে ৭০ দশমিক ৫৯ একর জমিতে এই চা আবাদ হচ্ছে। যা ২০২২ সালে বিগত বছরের তুলনায় ৩২ লাখ ১৯ হাজার ২২৬ কেজি চা উৎপাদন বেশি হয়েছে।
এক সময়ের পতিত গো-চারণ ভূমি এখন সবুজ চা বাগান। সবুজ পাতায় জোগান দিচ্ছে সবুজ অর্থনীতি। এখানকার মানসম্মত উৎপাদিত চা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রবেশ করেছে আন্তর্জাতিক বাজারে। এখন সিলেটের পর চা উৎপাদনে দ্বিতীয় অঞ্চল হয়ে উঠেছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। দুই দশকের বেশি সময় ধরে পঞ্চগড়ের চা শিল্পের বিপ্লবকে অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলা।
চা শিল্প ঘিরে এ জেলায় ২০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে উঠছে দেশের চায়ের তৃতীয় নিলাম মার্কেট। আগামী এপ্রিলের মধ্যে উদ্বোধন হতে পারে বলে জানা গেছে। জেলার ধাক্কামারায় তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপনের কাজ দ্রত এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে চা ওয়্যার হাউজ, ব্রোকার হাউজসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ করে প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ চা-বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরামর্শে গড়ে উঠছে ওয়্যার হাউজ, ব্রোকার হাউজ, টি টেস্টিং ল্যাব, বায়ার কমফোর্ট জোন। প্রস্তাবিত চা নিলাম কেন্দ্রের অবকাঠামোও প্রস্তুত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, ‘সমতল ভূমিতে চা চাষে উত্তরাঞ্চলের জেলা ৫টি জেলা অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ১৯৯৬ সালে এ জেলায় প্রথম চা চাষের পরিকল্পপনা হাতে নেওয়া হয়। ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ক্ষুদ্র পর্যায়ে চা চাষ। এ অঞ্চলে দিনদিন চা চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে তা আজ সিলেটের পর দ্বিতীয় অবস্থানে পরিচিতি পেয়েছে। পঞ্চগড়ের চা শিল্পকে অনুসরণ করে ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারীতে চা উৎপাদনে সমৃদ্ধ করেছে রংপুরের পাঁচ জেলা।
তিনি আরও বলেন, চা শিল্পে এ অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। চা বোর্ড চা চাষ সম্প্রসারণে চাষিদের বিভিন্ন সহায়তার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। উন্নত জাতের উচ্চ ফলনশীল ও গুণগতমান সম্পন্ন বিটি সিরিজের চা চারা উৎপাদনের কাজ অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের আওতায় ৮.২১ লাখ চা চারা চাষিদের মাঝে সল্পমূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
আর চাষীদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিতে ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুল’র মাধ্যমে কর্মশালা করা হচ্ছে। চাষিদের সমস্যা সমাধানে ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপস চালু করা হয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে একটি পেস্ট ম্যানেজমেন্ট ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে চাষিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, রোগবালাই ও পোকা দমনে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সহায়তা দেওয়া হয়।’
-

আগৈলঝাড়ায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ তালুকদারের দাফন সম্পন্ন
বি এম মনির হোসেনঃ-
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের চেংঙ্গুটিয়া গ্রামের ৩ নং ওর্য়াডের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলতাফ তালুকদারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকাল ৫টায় জানাজা শেষে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর নেতৃত্বে আগৈলঝাড়া থানার এস আই মোঃ মিজানুর রহমান মিসুসহ
পুলিশের একটি চৌকসদল এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, ১নং রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার, আগৈলঝাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক, ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক এইচ,এম মানিক হাসান,
আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ইত্তিকার তালুকদার,
সাংবাদিক সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেলসহবিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণ জানাজায় অংগ্রহণ করেন।উল্লেখ্য,
উল্লেখ্য ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ৫ সন্তানসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে যান। -

ঝালকাঠি জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
অদ্যকার ৪ ফেব্রুয়ারি রোজ শনিবার ঝালকাঠি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা এবিএম জাকারিয়া। এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ সিরাজুল ইসলাম। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, দেশের স্থায়ী শান্তি ও জনগণের কাঙ্ক্ষিত মুক্তির জন্য ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার বিকল্প নাই। আর এ জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রত্যেক কর্মীকে জান মাল ও সময়ের সর্বোচ্চ কুরবানির দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মোঃ আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মোঃ সাখাওত হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাওলানা আহসান উল্লাহ খান, শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি জনাব আবদুল কুদ্দুস, যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর ঝালকাঠি জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন খান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি আকন মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলন শেষে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২৩-২৪ সেশনের জন্য হাফেজ আলমগীর হোসেনকে সভাপতি ও জনাব মোঃ সাখাওত হোসেনকে সেক্রেটারি করে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। -

শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে.. এমপি বাবু
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
খুলনা ৬ পাইকগাছা কয়রা’র সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করছে শেখ হাসিনা সরকার। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে এবং শেখ হাসিনা যতদিন প্রধানমন্ত্রী থাকবে ততদিন এ দেশের মানুষ ভালো থাকবে। কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না, উন্নত জীবন যাপন করবে। দেশের প্রতিটি মানুষের উন্নত জীবন যাপন নিশ্চিত করতে আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আব্হান জানান। এমপি বাবু শনিবার সকালে নির্বাচনী এলাকার পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত মানবিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু’র স ালনায় অনুষ্ঠানে উপ¯িত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আবুল কালাম আজাদ, কাজল কান্তি বিশ্বাস, শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, জিএম আব্দুস সালাম কেরু, প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু, আওয়ামী লীগনেতা সমীরণ সাধু, আনন্দ মোহন বিশ^াস, এসএম রেজাউল হক, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, মসিউর রহমান, এসএম শাহবুদ্দীন শাহীন, শংকর দেবনাথ, বিভুতি ভুষণ সানা, নির্মল ঢালী, মঙ্গল মন্ডল, নির্মল অধিকারী, আব্দুল আজিজ, যুবলীগনেতা সায়েদ আলী কালাই, এমএম আজিজুল হাকিম, মানবেন্দ্র মন্ডল, আব্দুল হালিম, নাজমা কামাল, টিএম হাসানুজ্জামান, ফরহাদুজ্জামান তুষার, দীপংকর মন্ডল, ছাত্রলীগনেতা সাবির হোসেন, রায়হান পারভেজ রনি, শাহীন শাহ বাদশা, অহিদুজ্জামান ও মাজহারুল ইসলাম মিথুন। অনুষ্ঠানে ২৮জন দুস্থ¯ ও অসহায় ব্যক্তিকে ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।