Author: desk

  • মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হওয়ার পূর্বেই ইকোনমিতে গেমচেঞ্জার

    মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চালু হওয়ার পূর্বেই ইকোনমিতে গেমচেঞ্জার

    কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হওয়ার কথা ২০২৬ সালে কিন্তু এরই মধ্যে বিগত ২ বছরে এ বন্দরে ভিড়েছে ১১২টি পণ্যবাহী জাহাজ। এছাড়াও এই ১১২ টি জাহাজ থেকে মোট ৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে এখানে শুধু একটি কয়লা জেটি নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের কাজ শুরুর পর এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর স্থাপনের সম্ভাবনা দেখে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

    ২০২০ সালের মার্চে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের অনুমোদন দেয়।

    এই চ্যানেলের গভীরতা বেশি হওয়ায় বিশ্বের যেকোনো বাণিজ্যিক বড় জাহাজ এই বন্দরে নোঙর করতে পারবে এবং লোড-আনলোড করার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এখানে।

    তাই বাংলাদেশের ইকোনমিতে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর’কে এক সময় গেমচেঞ্জার হিসাবে দেখা যাবে।

  • পটিয়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে হামলা, আহত-১০

    পটিয়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে হামলা, আহত-১০

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,
    নিজস্ব প্রতিনিধি: পটিয়ায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম বদির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে একটি পক্ষ হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা মৎস্যজীবি লীগের আহবায়ক সাইফুল ইসলামসহ (৪৫) উভয় গ্রুপের অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। আহতরা পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পাচুরিয়া কলেজ গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত অন্যরা হলেন- দক্ষিণ জেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা লিটন(৩৫), জুয়েল (৩৪), উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আতিক(২০), কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রবিন(২১), আ.ন.ম. মহিউদ্দিন নওশাদ (৪০), তার ভাই আ.ন.ম. মঈনুদ্দিন আজাদ (৩০)।

    জানা গেছে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলমের পক্ষে উপজেলার পাচুরিয়া কলেজ গেইটে ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার কম্বল বিতরন কর্মসূচির মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় নওশাদ মঞ্চটি তাদের পৈত্রিক জায়গায় তৈরির করার ইস্যু তুলে বাকবিতন্ডায় জড়ায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির হয় এবং মঞ্চ ভাংচুর করা হয়। অবশ্যই বিকেলে অন্য একটি স্থানে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলম কম্বল বিতরণ করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্যজীবিলীগের আহবায় সাইফুল ইসলাম সাইফু। বক্তব্য রাখেন- বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ ছফা, ছোটন সরকার, মো. হোসেন লিটন, রিয়াজ খাঁন সাইফু।
    বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম বলেন, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের পক্ষ থেকে শনিবার বিকেলে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি ছিল। সেখানে আমাকে প্রধান অতিথি করা হয়। একটি গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে আমার অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে।

  • গাইনী ডাক্তার ছাড়াই অপারেশন- পটিয়ায় প্রসূতির মৃত্যু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    গাইনী ডাক্তার ছাড়াই অপারেশন- পটিয়ায় প্রসূতির মৃত্যু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী।
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    পটিয়ায় গাইনী ডাক্তার ছাড়াই অপারেশন করতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষণ হয়ে এক
    প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। ওই প্রসূতির নাম জয়নাব বেগম ঝর্না (২০)। সে
    উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র
    ব্যাংকার ছৈয়দ নুরের স্ত্রী। পৌর সদরের বেসরকারি পটিয়া জেনারেল হসপিটালে
    প্রসূতি ঝর্ণার গত ১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) রাত ৩টার দিকে ডেলিভারীর সময়
    ভুল চিকিৎসা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তকরন ও খিচুনি শুরু হলে পরে ২
    ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঝর্নাকে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালে ভর্তি করা
    হয়। সেখানেই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
    জানা গেছে, পটিয়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাগজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা
    মোহাম্মদ রফিকের কন্যার সঙ্গে উপজেলার উজিরপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর
    পুত্র ব্যাংকার ছৈয়দ নুরের সঙ্গে ১ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের
    মাথায় প্রসূতির প্রসবদেনা দেখা দিলে বুধবার সকালে স্থানীয় একটি বেসরকারি
    হসপিটালে ভর্তি করে। সকাল থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ডেলিভারী না হওয়ায় পৌর
    সদরের পটিয়া জেনারেল হসপিটালে পরবর্তী ভর্তি করে। গাইনী চিকিৎসক ফারহানা
    নূর ডেলিভারী করার কথা থাকলেও ডেলিভারীর সময় তিনি ছিলেন না। ফলে ওই
    হসপিটালের এমবিবিএস ডাক্তার মিজানুর রশিদ আলমদার জুয়েল ও সার্জারি
    বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এমদাদুল হাসান গাইনী ডাক্তার ছাড়াই প্রসূতির সিজার করান
    রাত ৩টায়। এসময় নিহত ঝর্না কন্যার সন্তান জন্ম দিলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষণের
    কারণে প্রসূতির মৃত্যু হয়। প্রসূতির চাচাতো ভাই মো. আসিফ জানিয়েছেন,
    গাইনী ডাক্তার ছাড়াই ডেলিভারী করার সময় ভুল চিকিৎসায় তার চাচাতো বোনের
    মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ মৃত্যুর জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী।
    আল ইমরান নামের একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে লিখেছেন- গাইনী
    ডাক্তারের কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময়ক্ষেপন করেছে। সিজার করার পর মা
    ও মেয়ে সুস্থ আছে, প্রসূতিকে বেডে স্থাস্তান্তর করা হবে। প্রসূতির মা
    থেকে গোপনে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টাও করেন। ওই সময় মা অতিরিক্ত রক্তক্ষরন,
    খিচুনির বিষয়টি দেখে ফেলায় স্বাক্ষর না করে তিনি চিৎকার করে ফিরে আসেন।
    পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন।
    পটিয়া জেনারেল হসপিটালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাহাদুর খাদেমী জানিয়েছেন,
    ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়টি সঠিক নয়। প্রসূতির প্রসবদেনা দেখা
    দিলে জেনারেল হসপিটালে আনলে তারা গাইনী ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা শুরু
    করেন এবং অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারীও করা হয়েছে। তাদের হসপিটালে
    প্রসূতির মৃত্যু হয়নি।

  • বাতাসে বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা; নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

    বাতাসে বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা; নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

    মোঃ রাসেল সরকার : রাজধানী ঢাকার বাতাসে বিষাক্ত অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রো প্লাস্টিকের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। রাজধানীবাসীর নিশ্বাসের সঙ্গে ওই কণা শরীরে প্রবেশ করছে। 

    এতে ক্যান্সার, শ্বাসপ্রশ্বাসের রোগ তৈরি হচ্ছে, যা ওষুধেও দূর হবে না বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। ফলে এর উৎস নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    ঢাকার বাতাসে এক নতুন বিপদ দানা বাঁধছে। এত দিন বাতাসে নানা দূষিত বস্তুকণা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। শঙ্কা বাড়িয়েছিল অতিভারী ধাতুর উপস্থিতি। মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ওই বস্তুকণা পরিমাপ করে গবেষকেরা ঢাকার বাতাসকে বিপজ্জনক বলছিলেন। 

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় ঢাকার মোট ১৩টি এলাকার বাতাসের নমুনা নেওয়া হয়। এলাকাগুলো হলো ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, মোহাম্মদপুর, মিরপুর-১৩, পশ্চিম কাজীপাড়া, শান্তিনগর, আরামবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ও ফজলুল হক হল, খিলক্ষেত, ফার্মগেট, মহাখালী, মুগদা, বাসাবো। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার বাতাসের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়।

    গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম। তিনি বলেন, আপনি চান বা না চান, নিশ্বাসের সঙ্গে ওই ক্ষতিকর উপাদান প্রবেশ করছে। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং যাতে তা প্রকৃতিতে ফিরে না যায়, সে লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা করা হলেও তার কোনো প্রয়োগ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। যে কারণে এই দূষণ বেড়েই চলেছে।’

    বিশ্বের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ সংস্থা এয়ার ভিজ্যুয়ালসহ বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর হিসাবে, গত দুই বছর ঢাকা সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর হয়ে উঠেছে। গত জানুয়ারি মাসের বেশির ভাগ সময়জুড়ে ঢাকার বাতাস বিপজ্জনক ও দুর্যোগপূর্ণ ছিল।

    বাংলাদেশে হওয়া একাধিক গবেষণায় নদী ও সমুদ্রের মাছ, পানি, মাটি ও চায়ের মধ্যে অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা পান গবেষকেরা। ২০২২ সালে নেদারল্যান্ডসে এক গবেষণায় মানুষের রক্তেও উপাদানটি পাওয়া যায়। সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের রক্তের নমুনা নিয়ে গবেষকেরা পরীক্ষা করেন।

    একই বছর চীনের চারটি শহরের বাতাসে এই বস্তুকণার ভেসে বেড়ানো নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। প্লাস্টিক কণা নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে প্রথমে ফুসফুস, পরে রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে ক্যানসার থেকে শুরু করে স্নায়ুজনিত নানা রোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং শ্বাসজনিত অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    তার আগে ২০২১ সালে বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশের নগরগুলোতে গত দেড় যুগে প্লাস্টিকের ব্যবহার তিন গুণ বেড়েছে। রাজধানীতে বছরে মাথাপিছু প্রায় ২৩ কেজি প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়। এই প্লাস্টিকের প্রায় অর্ধেক মাটি ও পানিতে রয়ে যায়। তৈরি করে মারাত্মক দূষণ। জনস্বাস্থ্যকে ফেলে হুমকিতে।

    অধ্যাপক আবদুস সালামের নেতৃত্বাধীন ওই গবেষণায় বাতাসের নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে গবেষণা এলাকাগুলোতে একটি বিশেষ যন্ত্র স্থাপন করা হয়। পরে গবেষকেরা সেখানে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার পর যে ধুলা জমে থাকে, তা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করেন। এ ছাড়া একটি বিশেষ ধরনের ক্যামেরা দিয়ে ধুলা উড়ে যাওয়ার সময় ছবি তোলেন। মূলত ওই দুই পদ্ধতিতে বাতাসে অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা চিহ্নিত করা হয়।

    গবেষণায় আরও বলা হয়, বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মোট প্লাস্টিক বর্জ্যের ২৫ শতাংশ ছড়িয়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। যার ৯১ শতাংশ ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে। এই অঞ্চলে মোট তৈরি হওয়া ৩ কোটি ২২ লাখ টন বর্জ্যের ১২ শতাংশ হচ্ছে প্লাস্টিক। যার ৭৫ শতাংশ মূলত অপরিকল্পিতভাবে মাটি ও পানিতে ফেলা হয়। এভাবে চলতে থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় ২০৫০ সালের মধ্যে বছরে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ দাঁড়াবে ছয় কোটি টনে। এখন থেকে যদি প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাতেও বিশ্বের প্রতিবেশ ব্যবস্থায় ৫০০ কোটি টন প্লাস্টিক রয়ে যাবে। একটি প্লাস্টিক কণা প্রকৃতি অন্তত ৪০০ বছর টিকে থাকে।

    রাস্তার পাশে মেশিনে পাথর ভাঙার কাজ চলছে। ধুলা ছড়িয়ে গেছে চারপাশে। এ ছাড়া মাস্ক ব্যবহার না করে এভাবেই কাজ করেন শ্রমিকেরা। ধুলা-দূষণের ফলে দিন দিন বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। 

    গবেষণায় বলা হয়, বিশ্বে বায়ুদূষণে মৃত্যু হওয়া মানুষের ৪৭ শতাংশ হয় বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে। সম্প্রতি চীনের ৫টি শহরের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে ১০ থেকে ২০ লাখ টন প্লাস্টিক কণা ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিশ্বাসের সঙ্গে সেখানকার অধিবাসীদের শরীরে প্রবেশ করছে। এতে ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ থেকে শুরু করে নানা ধরনের রোগবালাই হচ্ছে। কিন্তু চীনের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনা করলে দেখা যাবে, চীনে ব্যবহৃত হওয়া প্লাস্টিকের ৭৪ শতাংশ প্রকৃতিতে ফেলে দেওয়া হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই হার ৮৭ শতাংশ।

  • আশুলিয়ায় ব্যবসায়ী তাজিবুল হত্যা মামলা’র আসামী শামীমকে গ্রেফতার-৩দিনের পুলিশ রিমান্ডে

    আশুলিয়ায় ব্যবসায়ী তাজিবুল হত্যা মামলা’র আসামী শামীমকে গ্রেফতার-৩দিনের পুলিশ রিমান্ডে

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুরিয়ার জামগড়ায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ী তাজিবুল মীর (৩১) হত্যা মামলার ৩নং আসামী মোঃ শামীমকে বরিশাল বিভাগের ভোলা থেকে গ্রেফতার করেছেন আশুলিয়া থানা পুলিশের চৌকস একটি দল।
    জানা গেছে, উক্ত মামলার ১নং আসামী সুমন মীর (৩০) উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের জামিনে আসছেন। এ মামলার ২নং আসামী মোঃ হিরা মিয়া (৩০), ৩নং আসামী মোঃ শামীম (৩০), ৪নং আসামী মোঃ সুমন মিয়া (২৮) পলাতক থাকেন। র‌্যাবের সহযোগিতায় তথ্য প্রযুক্তি ও ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আশুলিয়া থানার চৌকস পুলিশ অফিসার (এসআই) নোমান ছিদ্দিক অভিযান চালিয়ে বরিশালের ভোলা এলাকা থেকে উক্ত মামলার ৩নং আসামী শামীমকে গ্রেফতার করেন। পুলিশ জানায়, গত (৬ জানুয়ারি ২০২৩ইং) সন্ধ্যায় উল্লেখ্য আসামীদের যোগসাজসে ৫-৬জন ভাই বন্ধু নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করেন, এসময় তাজিবুল মীর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এরপর ভিকটিম তাজিবুল মীরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় ২১দিন, এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাজিবুল মীরের মৃত্যু ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
    ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর মীর বাড়ির মৃত সফুর উদ্দিন মীরের ছেলে মোঃ ওয়াহিদ মীর (৬০), ভিকটিম তাজিবুল মীরের বাবা বাদী হয়ে উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল সাকিনস্থ ৪নং বিবাদীর অফিসের ভিতর, ভাদাইল, আশুলিয়া, ঢাকা। ৬ জানুয়ারি ২০২৩, সন্ধ্যা অনুমান ৬টা ৩০ মিনিটের দিকে মদ খাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ভাই বন্ধু ব্যবসায়ীদের সাথে তাজিবুল মীরের মিটিং হয়, সেই মিটিং শেষে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য (মদ) সেবন করেন ৫-৬জন, অন্য কারো সমস্যা না হলেও তাজিবুল মীর অকালে মৃত্যুবরণ করেন।
    উক্ত ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে সুমন মিয়াকে তার অফিসে পাওয়া যায়নি, সুমন মিয়ার বাবা মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, এই ঘটনার পর থেকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি অনেকবার ছেলের সাথে কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাচ্ছিনা। এদিকে ভিকটিম তাজিবুল মীরের খালাতো ভাই মোঃ রনি বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আমি সুমন মিয়ার অফিসে গিয়ে ৬-৭জনকে পেয়েছি, সেখানে দুইটি বিদেশী মদের বোতল দেখতে পেয়েছি, সেই দুই বোতলের মধ্যে এক বোতল পুরো খালি ছিলো আর এক বোতলের অর্ধেকটা ছিলো, তাজিবুল মীর ভাইয়ের চোখ দিয়ে কিছু দেখতে পারছিলো না এমন কথা বলছিলো, অনেকেই বলছেন বিষয়টি রহস্যজনক।
    উক্ত মামলার বাদী মোঃ ওয়াহিদ মীর বলেন, আমার বড় ছেলে তাজিবুল মীরের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। আমার ছেলের খালাতো ভাই রনি যাদেরকে চিনতে পেরেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি, এদিকে আমার ছেলে মৃত্যুর মুখে আর আমার ছেলের ইন্টারনেট ব্যবসা দখলের চেষ্টা করে প্রায় ৪০টি সংযোগ কেটেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী মোর্শেদ ভুঁইয়ার ছেলে মোঃ মারুফ আলী ভুঁইয়া (২৬)। তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো বিবাদ নেই, শুধু ছেলেটা নেটের ব্যবসা করতো, আমার জীবনে অনেক কষ্ট করে ছেলে মেয়েদেরকে বড় করেছি, আমার তাজিবুল মীরের ১১ বছরের একটি মেয়ে ও ১৪ মাস বয়সের একটি অবুঝ শিশু ছেলে রয়েছে, আমার ছেলের মৃত্যুর কারণ কি? এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আমি মামলা করেছি, পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবের কাছে আবেদন, এ ব্যাপারে তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আটক করাসহ তাদের কঠিন শাস্তি চাই, আর যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত না-তাদেরকে যেন হয়রানি না করা হয় এটা আমার সবার কাছে অনুরোধ।
    আশুলিয়া থানার (এসআই) নোমান ছিদ্দিক বলেন, আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল (মধ্যপাড়া) এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোঃ সুমন মিয়া’র অফিসে গত ৬ জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখে তাজিবুল মীরকে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করার ঘটনা ঘটে, এ অপরাধে আশুলিয়া থানায় ভিকটিমের বাবা ওয়াহিদ মীর বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন, এই মামলার সাথে জড়িতদের মধ্যে শামীম নামের একজন আসামীকে বরিশালের ভোলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করে ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তাকে ৩দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শনিবার থেকে তার রিমান্ড শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে এই পুলিশ অফিসার জানান। তিনি আরো বলেন, এ মামলার ১নং আসামী সুমন মীর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আসছেন। তিনি আরো বলেন, এটি হত্যা মামলা, ৩০২ ধারা যোগ হয়েছে। অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।

  • বিরামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল রং মিস্ত্রির: এলাকায় শোকের ছাঁয়া

    বিরামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল রং মিস্ত্রির: এলাকায় শোকের ছাঁয়া

    জাকিরল ইসলাম জাকির, (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বিরামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহিনুর ইসলাম (৩৬) নামে এক রং মিস্ত্রির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টায় পৌর শহরের ইসলামপাড়া (হাসপাতাল রোড) মহল্লায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শাহিনুর ইসলাম উপজেলার মুকুন্দপুর ইউনিয়নের পটুয়াকোল গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।

    স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরে পৌরশহরের (৪ নং ওয়ার্ড) ইসলামপাড়া মহল্লায় জহিরুল ইসলামের বিল্ডিংএ রং এর কাজ করার জন্য দোতলার বাহির অংশে বাঁশ ও রশিতে ঝুলে ওয়াল ঘষছিলেন শাহিনুর। এসময় বিল্ডিংএর পাশে থাকা পল্লী বিদ্যুৎতের মেইন তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে ঝুলে থাকতে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রতক্ষদর্শীরা ধারণা করছেন পল্লী বিদ্যুতের মেইন তারে লুজ কানেকশন থাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    বিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন মাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল আজিজ বলেন, শনিবার বেলা সাড়ে ৩টায় মুঠোফোনে সংবাদ পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিদ্যুৎতের তারে ঝুলিয়ে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেছি।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত শাহিনুরের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মো. জাকিরল ইসলাম জাকির
    দিনাজপুর, প্রতিনিধি।

  • উত্তরবঙ্গে একবছরে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৩২ লাখ কেজি

    উত্তরবঙ্গে একবছরে চায়ের উৎপাদন বেড়েছে ৩২ লাখ কেজি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার (পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী) ১২ হাজার ৭৯ দশমিক ০৬ একর সমতল জমির ৩০টি চা বাগান এবং ৮ হাজারেরও অধিক ক্ষুদ্রায়তনের চা বাগান থেকে সদ্য সমাপ্ত (২০২২) মৌসুমে চা উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ২২৬ কেজি। যা বিগত বছরের তুলনায় ৩২ লাখ ১৯ হাজার ২২৬ কেজি বেশি উৎপাদনের মাধ্যমে অতিতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে চা বোর্ড।
    বৃহস্পতিবার বিকেলে পঞ্চগড়স্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
    চা বোর্ড জানান, এবছর এসব বাগান থেকে ৯ কোটি দুই লাখ ৭৪ হাজার ৬৩২ কেজি সবুজ কাঁচা চা পাতা উত্তোলন করা হয়। যা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাটের চলমান ২৫ টি কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে এক কোটি ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ২২৬ কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। এই উৎপাদন জাতীয় উৎপাদনের ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ।
    চা বোর্ড জানিয়েছে, ২০২১ সালে এ অঞ্চলে চা আবাদের পরিমাণ ছিলো ১১ হাজার ৪৩৩ দশমিক ৯৪ একর। উৎপাদন হয়েছিলো এক কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি। সেই তুলনায় গত এক বছরে আবাদ বেড়েছে ৬৪৫ দশমিক ১২ একর। আর উৎপাদন বেড়েছে ৩২ লাখ ১৯ হাজার ২২৬ কেজি।
    চা বোর্ড আরো জানিয়েছে, সিলেট অঞ্চলের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদন অঞ্চল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে পঞ্চগড়। পঞ্চগড়কে অনুসরণ করে চা চাষে এগিয়ে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলা। একসময়ের পতিত গো-চারণ ভূমি এখন চায়ের সবুজ পাতায় ভরে উঠছে। আন্তর্জাতিক মানের চা উৎপাদন হওয়ায় দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এ অঞ্চলের চা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। চা-বাগানের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে উঠায় সৃষ্টি হয়েছে মানুষের কর্মসংস্থান।
    চা বোর্ডের তথ্য মতে, উত্তরবঙ্গের ৫ জেলার মোট ১২ হাজার ৭৯ দশমিক ০৬ একর সমতল জমির চা আবাদের মধ্যে পঞ্চগড়েই ১০ হাজার ২৩৯ দশমিক ৮০ একর। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ে এক হাজার ৪৫৭ দশমিক ২৯ একর, লালমনিরহাটে ২২২ দশমিক ৩৮ একর, দিনাজপুরে ৮৯ একর এবং নীলফামারীতে ৭০ দশমিক ৫৯ একর আবাদ রয়েছ।
    পঞ্চগড়স্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, ‘সমতল ভূমিতে চা চাষের জন্য পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলা অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ১৯৯৬ সালে সর্বপ্রথম পঞ্চগড়ে চা চাষের পরিকল্পপনা হাতে নেয়া হয় এবং ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষুদ্র পর্যায়ে চা চাষ শুরু হয়। দিনদিন এ অঞ্চলে চা চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
    তিনি বলেন, ‘চা চাষ সম্প্রসারণে চাষিদের বিভিন্ন সহায়তার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করে স্বল্পমূল্যে উন্নত জাতের চারা সরবরাহ করা হচ্ছে। ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলে’র মাধ্যমে কর্মশালা হচ্ছে। চাষিদের সমস্যা সমাধানে ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’ নামে একটি মোবাইল এপস চালু করা হয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে একটি পেস্ট ম্যানেজমেন্ট ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে চাষিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, রোগবালাই ও পোকা দমনে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সহায়তা দেয়া হয়।’
    তিনি আরো বলেন, ‘চা লাভজনক ফসল হওয়ায় নতুন নতুন চা আবাদীও বাড়ছে। এতে এ অঞ্চলের মানুষের যেমন দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে তেমনি কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

  • ময়মনসিংহে পুলিশের  অভিযানে চুরখাইয়ের জোড়াখুনের আসামীসহ গ্রেফতার-১৭

    ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানে চুরখাইয়ের জোড়াখুনের আসামীসহ গ্রেফতার-১৭

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে উপজেলার চুড়খাই এলাকার ঘটে যাওয়া জোড়াখুন মামলার আসামীসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে বিভাগীয় নগরী ও সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধসহ আদালতের পরোয়ানা ভুক্ত অপরাধীদের অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

    এর মাঝে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ওয়াজেদ আলীর নেতৃত্বে একটি টীম গাজীপুর জেলার সদরের চান্দনা চৌরাস্তা টিএনটি মোড় থেকে হত্যা মামলার আসামী মোঃ কামাল উদ্দিন ওরফে কামাল ড্রাইভার, জাহানারা, রিয়াদ ও মোঃ নাইম হোসেনকে গ্রেফতার করে। এসআই উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে একটি টীম রঘুরামপুর নলুয়াপাড়া স্টেশন রোড় বড় মসজিদ সংলগ্ন একাকা থেকে দ্রুত বিচার মামলার আসামী রহিম, এসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি টীম কাচিঝুলি এলাকায় বন বিভাগের সামনে থেকে মাদক মামলার আসামী আলো মিয়াকে ৩০ গ্রাম হেরোইনসহ এসআই জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম আকুয়া দক্ষিন পাড়া ইসলামী একাডেমী রোড থেকে ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ রিপন মিয়া ওরফে টেপা, মোঃ বাবুকে দেশীয় অস্ত্র সহ, এসআই ত্রিদীপ কুমার বীরের নেতৃত্বে একটি টীম শম্ভুগঞ্জ মোড় অন্যান্য মামলার আসামী মোঃ রাশেদ, মোঃ সাহাব উদ্দিন, এসআই রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম কেওয়াটখালী হাক্কানীর মোড় থেকে অন্যান্য মামলার আসামী রাসেল, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে একটি টীম বুড়া পীরের মাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্যান্য মামলার আসামী মাসুদুর রহমান টিটু, রোম সরকার, এএসআই হযরত আলীর নেতৃত্বে একটি টীম রেলির মোড় থেকে অন্যান্য মামলার আসামী আকাশ চন্দ্র দেবনাথ, উত্তম চন্দ্র বর্মন, জয় বর্মনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া এসআই নিরুপম নাগ অভিযান চালিয়ে আদালতের পরোয়ানা ভুক্ত আসামি কাচিঝুলি সিদ্দিক মাষ্টার রোডের আলো মিয়াকে গ্রেফতার করে। তার নামে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
    গ্রেফতারকৃতদেরকে শনিবার বিকালে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

  • নারায়ণগঞ্জে দুস্থ অসহায় নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ ও গুণীজন সংবর্ধনা

    নারায়ণগঞ্জে দুস্থ অসহায় নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ ও গুণীজন সংবর্ধনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক,নারায়ণগঞ্জঃ নারায়নগঞ্জে অসহায় মানুষের জন্য কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুস্থ অসহায় নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থার এক যুগ পুর্তি উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে নিজস্ব কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ ও গুণীজন সংবর্ধনার আয়োজন করেছে সংগঠনটি। মহতি এ অনুষ্ঠানটি ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরের চাষাড়াস্থ ডাকবাংলো মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

    অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকার নিউজের সম্পাদক, মানবাধিকার কর্মী ও দুঃস্থ অসহায় নারী ও শিশু কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোনিয়া দেওয়ান প্রীতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও নারী উদ্যোক্তা সাঈদা শিউলি। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী জগৎ এর আলোকিত মুখ জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা সাবিরা সুলতানা নীলা, কবি, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু, কবি ও সাংবাদিক রমজান বিন মোজাম্মেল, কণ্ঠশিল্পী আমজাদ হোসেন, সাংবাদিক এম শিমুল খান, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আকতার হোসেন প্রমুখ।

    সাংবাদিক ও টিভি অভিনেতা মোখলেছুর রহমান তোতা ও সাংবাদিক বদিউজ্জামানের যৌথ সঞ্চালনায় বর্ষপূর্তি এ আয়োজনে সাবিরা সুলতানা নীলাকে আলোকিত নারী হিসেবে সংবর্ধনা দেয়ার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখায় গুণীজন সন্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

    এ সময় সন্মাননা পদক গ্রহন করেন- “দুস্থ মানব কল্যান সোসাইটি’র” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ মিঠুন মিয়া, সাংবাদিক এম শিমুল খান, সালাউদ্দিন রানা, এড.সৈকত, মোঃ বদিউল আলম, মাকসুদা ইয়াসমিন, ভূইয়া কাজল, স্বর্ণালী, জামিল হোসেন, মানিক চক্রবর্তী প্রমুখ।

    অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আক্তার হোসেন, কবি আনিছুল হক হীরা, সাংবাদিক আসলাম, কবি কায়েস সজীব ও নারী উদ্যোক্তা প্রেমা রহমান মুনসহ প্রমুখ।

    আলোচনা ও গুণীজন সংবর্ধনা শেষে বাবু চন্দন শীল এবং সঙ্গীত পরিচালক ও কন্ঠশিল্পী আমজাদ হাসানের মনোমুগ্ধকর সংঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • জাবির অতিথি পাখি রিপোর্টিংয়ে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার লিটন

    জাবির অতিথি পাখি রিপোর্টিংয়ে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার লিটন

    সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখি মেলা ২০২৩- এ অতিথি পাখির রিপোর্টিং কনজারভেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান লিটন।

    শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন প্রাঙ্গণে এ পাখি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত বছর ২০২২ সালে এশিয়ান টেলিভিশনে পাখি তথা জীববৈচিত্র সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তাকে তৃতীয় স্থান বেস্ট রিপোর্টিং কনজারভেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

    এসময় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আলম তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়াকে পুরস্কার প্রদান করেন। মূলত পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করা হয়।

    প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে পাখি তথা জীববৈচিত্র সম্পর্কিত প্রকাশিত সংবাদের উপর তিন জনকে কনজারভেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পাখির উপর বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ পর্যালোচনা করে সায়েন্টিফিক পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

    বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব ২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম পাখি মেলার আয়োজন করে। পরবর্তীতে পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ২০০১ সাল থেকে ক্যাম্পাসে ধারাবাহিকভাবে পাখি মেলার আয়োজন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।