Author: desk

  • উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ার পেতে কাজ করেন কে এই রমজান

    উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ার পেতে কাজ করেন কে এই রমজান

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    নাম রমজান আলী। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাজ করেন। তবে তিনি কোন সরকারী কর্মচারী নয়। খন্ডকালীন তাকে কেউ নিয়োগও দেননি। রমজান আলী উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার পাশে চেয়ারে বসে কাজ করেন। ভুমি অফিসের গুরুত্বপুর্ন নথি তিনি ঘাটাঘাটি করেন। অনেকের গুরুত্বপুর্ন কাগজ টেম্পারিং করে সর্বনাশও করেছেন এই রমজান। বিনিময়ে কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কৃষকদের কোন অভিযোগ না থাকলেও তার মৌন সম্মতিতে মাসের পর মাস রমজান আলী খতিয়ান খোলাসহ বিভিন্ন কাজ করেন। কাজ শেষ হলেই ভুমি অফিসের বাইরে এসে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নেন। এমন একজন কৃষক গোবিন্দপুরের আকমল হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন নাম খারিজের পর খতিয়ান বইতে হোল্ডিং বসাতে নেন এক’শ টাকা করে। দালাদের উৎপাতে ভুমি অফিসে আসা গ্রামের কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে রমজানের কর্মকান্ডে জমির মালিকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকদিন সাধুহাটি ইউনিয়ন ভুমি অফিস পরিদর্শন করে এমন চিত্র মিলেছে। দেখা গেছে রমজান আলী ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভুমি কর্মকর্তার পাশের চেয়ারে বসে ভোলিয়াম বই নিয়ে লেখা লেখি করছেন। বিষয়টি নিয়ে উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা সালিমা সুলতানা জানান, তাকে তো এমন ভাবে কাজ করার কথা নয়। আমার অজান্তেই হয়তো তিনি ভলিউম বই নিয়ে লেখালেখি করনে। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলেও জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • গোপালগঞ্জ বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এমদাদুল হক রাষ্ট্রীয় দাফন

    গোপালগঞ্জ বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এমদাদুল হক রাষ্ট্রীয় দাফন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এমদাদুল হককে (৮৫) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রæয়ারি) ১০টায় সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজ মাঠে মরহুমের মরদেহ নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ, উদীচীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়। এরপর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহসীন উদ্দিনের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

    পরে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাযায় ইমামতি করেন কোর্ট মসজিদের উমান মুফতী হাফিজুর রহমান। নামাজে জানাজায় জেলা প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদাহ গ্রামে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের মরদেহ দাফন করা হয়।

    এর আগে সোমবার বেলা ১১ টায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন।

    ছাত্রলীগ দিয়েই বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এমদাদুল হকের বর্ণঢ্য রাজনৈতিক জীবন শুররু হয়। তিনি যুবলীগ করেছেন। এরপর তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সৎ, নির্লোভ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতির বাতিঘর এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর গণ আন্দোলনসহ বিভিন্ন লড়াই সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি পত্নী বিয়োগের পর কয়েক যুগ ছেলে মেয়েদের সাথে অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করেছেন। তার মতো ত্যাগী ও ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন রাজনীতিবিদ বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে বিরল।

  • ধর্মপাশায়   নদী সেচ শুকানোর পাঁয়তারা বোরো ফসল বিনষ্টের আশঙ্কা

    ধর্মপাশায় নদী সেচ শুকানোর পাঁয়তারা বোরো ফসল বিনষ্টের আশঙ্কা

    শান্ত তালুকদার প্রতিনিধি।
    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় মনাই নদী সেচ দিয়ে শুকিয়ে অবৈধভাবে মাছ আহরণের অভিযোগ উঠেছে।
    এতে করে জয়শ্রী ইউনিয়নের বাগড়া হাওরের অন্তত ১০০ একর বোরো জমি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য সোমবার বিকেলে ওই ইউনিয়নের বরই গ্রামের কৃষক আ. ছাত্তার বাদি হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
    লিখিত অভিযোগ সুত্রে যানা যায়, জয়শ্রী ইউনিয়নের বাগড়া হাওরের মনাই নদীর পূর্বপাড়ে কৃষক আ. ছাত্তারসহ স্থানীয় ২০/২৫ জন কৃষকের প্রায় ১০০ একর বোরো ফসল চাষাবাদ করা হয়েছে। ওইসব জমির একমাত্র পানির উৎস মনাই নদীর পানি। কিন্তু সোমবার সকালে একই ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে পাকন মিয়া, নূর হোসেনের ছেলে সেনারুল, আতাউর রহমানের ছেলে শামীম, আবুল হোসেনের ছেলে আক্তার হোসেন, মোতালিব মিয়ার ছেলে কামালসহ আরও কয়েকজন নদীটি সেচে মাছ ধরার জন্য কয়েকটি সেলু মেশিন বসায়। মেশিন দিয়ে পানি সেচে মাছ আহরণ করা হলে পানির অভাবে ওই কৃষকদের বোরো ফসল উৎপাদন বাধাগ্রস্থ হবে।
    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পাকন মিয়ার বাবা খোকন মিয়া বলেন, ‘সেচের জন্য মেশিন বসানো হয়েছিল। কিন্তু তা চালু করা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সেচ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। যে জায়াগাটি সেচ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল তা স্থানীয় কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাকনসহ অন্যরা (অভিযুক্তরা) লিজ নিয়েছে। মাছ ধরার প্রস্তুতি নিলে ছাত্তার তাদের (পাকন) কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না পাওয়ায় ছাত্তার মিথ্যা অভিযোগ করেছে।’
    কৃষক আ. ছাত্তার বলেন, ‘আমি কোনো টাকা দাবি করিনি। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। সেচ দিয়ে নদী শুকিয়ে মাছ ধরলে পানির অভাবে আমাদের জমিগুলো নষ্ট হবে। আর নদী শুকিয়ে মাছ ধরা আইনগত নিষেধ। জমির ফসল
    বাঁচাতে ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার্থে অভিযোগ করা হয়েছে।’
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘সেচ দিয়ে নদী শুকিয়ে মাছ ধরার কোনো সুযোগ নেই। ওই সেচ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বোরো ফসলের ক্ষতি হয় এমন কোনো কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

  • গোপালগঞ্জে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস পালিত

    গোপালগঞ্জে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস পালিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

    জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয় এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র যৌথভাবে এ কর্মসূচী পালন করে।

    “বাংলা ইশারা ভাষার প্রচলন-বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির জীবনমান উন্নয়ন” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ মঙ্গলবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে ওই একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

    পরে জেলা প্রশাসকের কায়্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ জোবায়ের আহমেদ। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: হারুন অর রশীদ।

    পরে দুইজন প্রতিবন্ধী শিশুর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারী কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী শিশুরা, অভিভাবক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা একটি অন্যতম অনুসঙ্গ। যে কারনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ইশারা ভাষা দিবস চালু করছেন। প্রতিবন্ধী শিশুরা সমাজের ও আমাদের বোঝা নয়। কারন এসব শিশুদের মেধা রয়েছে। এদের প্রতি আমাদের যত্নবান হওয়া উচিত।

  • গোপালগঞ্জে সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খূঁটি সড়ানো নিয়ে দুই বিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি

    গোপালগঞ্জে সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খূঁটি সড়ানো নিয়ে দুই বিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের খুঁটি অপসারন নিয়ে সড়ক ও বিদ্যুত বিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। দুই বিভাগের রশি টানাটানিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে দেখা দিয়েছে শংকা। এ মহাসড়কের মাঝখানে রয়েছে প্রায় ২’শ বৈদ্যুতিক খুঁটি। সব খুঁটি রেখেই চলছে মহাসড়ক প্রশস্তকরন ও উন্নয়নমূলক কাজ। এতে রাস্তা প্রশস্ত হলেও যানবাহন ও সাধারন মানুষের চালাচলে পড়তে হবে দূর্ভোগে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, বিদ্যুত বিভাগকে (ওজোপাডিকো) খুঁটি সরানোর জন্য চিঠি দেয়া হলেও তারা খুঁটি সরানোর কোন উদ্যোগ নিচ্ছেনা। তবে বিদ্যুত বিভাগ (ওজোপাডিকো)বলছে অর্থ বরাদ্দ না থাকার কারনে খুঁটি সড়ানো যাচ্ছে না। অর্থ বরাদ্দ পেলেই তারা খুঁটি সরানোর কাজ করবে।

    ২০২৪ সালের ৩০ জুন এই মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এই মহাসড়কের কাজ শেষ হলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উপর যানবাহনের চাপ কমবে। ঢাকার সাথে খুলনার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার কমে আসবে। এতে যানবাহনের জ্বালানী খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি যাতায়াতকারীদের সময়ও কম লাগবে।

    জানাগেছে, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া ৪৪ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ৬টি প্যাকেজে ১৮ ফুট থেকে ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজের ১ বছর পেরিয়েছে। আগামী ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার তাড়া রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের। কিন্তু, গোপালগঞ্জ অংশে ৫ ও ৬ নম্বর প্যাকেজের বর্ধিত অংশের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুত (ওজোপাডিকোর) বিভাগের প্রায় দুই’শ বৈদ্যুতিক খুঁটি। রাস্তা প্রশস্ত কাজ করতে গিয়ে এসব খুঁটি রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছে। এসব বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারন না করেই চলছে রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ।

    রাস্তার মাঝ থেকে খুঁটি না সরানোর কারনে সঠিক মত রোলার দিয়ে মাটি ভরাট করতে পারছেনা শ্রমিকরা। এতে করে ঐ স্থানে মাটি ঠিক মত না বসার কারনে পরবর্তিতে মাটি বসে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন তারা। এসব খুঁটির কারনে দুর্ঘটনা বাড়বে বলে এলাকাবাসি ও যানবাহন চালকরা মনে করেন।

    সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের মো: দিদার শেখ বলেন, দূর্ভোগ কমাতে টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। কিন্তু বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই সড়কের কাজ করা হচ্ছে। সড়কের মাঝে যদি খুঁটি থাকে তাহলে এমক দিয়ে চলাচল করতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

    মোলোপাড়া এলাকার মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, খুঁটি রেখে সড়কের কাজ করা হচ্ছে এটা একটি হাস্যকর ব্যাপার। খুঁটি রেখে কিভাবে সড়কের কাজ করা হয় তা আমার বুঝে আসে না। আসলে কি সড়কের উন্নয়ন হচ্ছে না কি সাধারণ মানুষের সাথে মশকরা করা হচ্ছে বুঝে উঠতে পারছি না।

    অ্যাম্বুলেন্স চালক জিহাদ শেখ বলেন, প্রতিনিয়ত রোগী নিয়ে আমাদের খুলনা যেতে হয়। আর আমরা শহর হয়ে এই সড়কটি ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু সড়কে যদি খুঁটি রেখে কাজ করে তাহলে এ সড়ক দিয়ে যানচলাচল করবে কিভাবে। খুঁটি অপসারন না করে সড়ক বড় করলেও প্রতিনিয়ন দূর্ঘটনার ঘটনার আশংকা থেকে যাবে। দ্রুত খুঁটি অপসারন করার দাবী জানাই।

    টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যনেজার বিভূতি ভূষন ভৌমিক ও ঠিকাদার কামরুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটি না সরিয়ে কাজ করায় মাটি ঠিকমত বসানো যাচ্ছে না। কাজের পর যদি আবার খুঁটি উঠিয়ে কাজ করা হয় তাহলে ঠিকমত কমপেকশন হবে না। আর এ কারেন কাজের মান ভাল হবে না এবং সময় মতো কাজ শেষ করা সম্ভব হবেনা।

    গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাহিদ হোসেন বলেন, সদর উপজেলার হরিদাসপুর এলাকা থেকে ঘোনাপাড়া পর্যন্ত বিদ্যুত বিভাগকে তাদের প্রায় দুই’শ বৈদ্যুতিক খুঁটি সরিয়ে নেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হলেও তারা তা করছেন না। যে কারেন কাজের অগ্রগতি কমে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    গোপালগঞ্জ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানীর (ওজোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের খুঁটি সরোনোর জন্য কোন বরাদ্দ পাওয়া যায় নি। তবে প্রাক্কলিত টাকা হাতে পেলেই সরানোর কাজ হাতে নেয়া হবে।

  • গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

    গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : পিঠা গ্রামীন বাংলার সংস্কৃতির একটি অংশ। স্নিগ্ধ শীতের সকালে, পড়ন্ত দুপুরে কিংবা আবছায়া গোধূলির ফুরফুর মেজাজে পিঠা খেতে কার না ভালো লাগে! শুধু এক প্রকার নয় যদি হয় হরেক রকমের তাহলে তো কোন কথাই নেই। এরপর যদি আয়োজন হয় স্টলে স্টলে তাহলেতো আনন্দ হয় দ্বিগুন।

    বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপি পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উপজেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমিক চত্ত্বরে এ পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়, শেখ হাসিনা আদর্শ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিলীপ ভাবুক, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মুকুল উপস্থিত ছিলেন।

    এ পিঠা উৎসবে বসেছে ৯টি স্টল। স্টলগুলোতে শোভা পেয়েছে চিতই, ভাপা, পুলি, নারকলের তক্তি, খাঁজা পাকন, নারকেল নাক, শিমফুল, চাঁন্দোসা, সবজি কুলি, তারা, কলা, কাঠাল, পাটি সাপটা, বৈশাখী, আঙ্গুরী, সংসারী, লবঙ্গসহ প্রায় শতাধিক প্রকার পিঠা। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নানা বয়সি মানুষ এ উৎসবে যোগ দেন। বিভিন্ন পিঠা থেকে স্বাদ গ্রহন করেন তারা। আজ মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় এ পিঠা উৎসব শেষ হবে।

    পিঠা উৎসবে আসা শিশু লাভলী খানম বলেন, বাবার সাথে পিঠা উসবে এসেছি। একসাথে এত রকমের পিঠা কোন দিন দেখিনি। কয়েক রকমের পিঠা খেলাম খুব ভাল লাগছে।

    পিঠা উৎসবে আসা গৃহবধু জেসমিন বেগম বলেন, আমি এখানে এসে অনেক ধরনের নতুন নতুন পিঠা দেখলাম। এখান থেকে কিছু নতুন পিঠা বাড়ির জন্য কিনে নিয়ে নিয়েছি।

    রোভার স্কাউট লিডার অমিত হাসান বলেন, আমরা রোভার স্কাউট থেকে পিঠা-পুলির বিক্রির একটি স্টল দিয়েছি। আমাদের এই স্টলে ৫০ প্রকারের পিঠা রয়েছে। আমরা সকল শ্রেণির ক্রেতার কথা চিন্তা করে প্রকার ভেদে এক একটি পিঠা ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করেছি।

    কবি মিন্টু রায় বলেন, একদিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অন্যদিকে পিঠা-পুলির আয়োজন। এই দুই আয়োজনে বর্ণিল সাজে সেজেছে পুরো শিল্পকলা একাডেমির চত্ত্বর। এটি সত্যি মনোমুগ্ধকর।

    শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মুকুল বলেণ, আমাদের নতুন প্রজন্ম অপরিচিত বাঙালির পিঠা-পুলির সঙ্গে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের পিঠা-পুলির পরিচয় টুকু যেনো বিলুপ্ত হয়ে না যায় সেজন্য এমন আয়োজন করা হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, এই পিঠা উৎসব আমাদের লোকজ সংস্কৃতিরই একটি অংশ। সম্মিলিতভাবে এ বছরই প্রথম আমরা এ উপজেলায় পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি। সাথে রয়েছে বাড়তি আয়োজন হিসেবে রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথম দিনে ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। এভাবে ভিড় থাকলে আমাদের এ উৎসব আরও একদিন বাড়তে পারে।

  • সুজানগরে ৮০ কেজি জাটকা মাছ জব্দ,এতিমখানায় বিতরণ

    সুজানগরে ৮০ কেজি জাটকা মাছ জব্দ,এতিমখানায় বিতরণ

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ পাবনার সুজানগরে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি জাটকা (ছোট ইলিশ) মাছ জব্দ করেছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। সোমবার(০৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার চিনাখড়া ও দুলাই বাজারে বিক্রি করার সময় অভিযান চালিয়ে এ মাছ জব্দ করা হয়। জানাযায়, গত নভেম্বর মাসের ৯ তারিখ থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা (ছোট ইলিশ) মাছ ধরা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু সরকারি সেই আদেশ উপেক্ষা করে দুলাই ও চিনাখড়া বাজারে বিক্রি করার সময় ৮০ কেজি জাটকা মাছ জব্দ করা হয়। এ সময় বিক্রয়কারীদের এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়। পরে ঝাটকা মাছ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিলি করা হয়। সুজানগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম স্যারের নির্দেশক্রমে এদিন সকালে অভিযান চালিয়ে ৮০ কেজি ঝাটকা (ছোট ইলিশ) মাছ জব্দ করা হয়। এবং পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম স্যারের পরামর্শ অনুযায়ী স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিলি করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম জানান,সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • রংপুরে ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগারের  পাঠকদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    রংপুরে ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগারের পাঠকদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ডের রংপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন খেরবাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগার এর পাঠকদের মাঝে গতকাল জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন উপলক্ষে কম্বল বিতরণ করা হয়।
    কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়িতা নাসরিন নাজ, সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন, পাঠাগারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দ।
    উল্লেখ্য ডাঃ হারুন স্মৃতি পাঠাগার প্রতিবছর স্থানীয় পাঠকদের মাঝে কম্বল, শীতবস্ত্র,ফ্রি চিকিৎসা সেবা, বই উপহার, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিনোদনের ব্যবস্থা করা, জাতিয় দিবস পালন, খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় এবছর স্থানীয় পাঠকদের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হলো।

  • পঞ্চগড় বি আর টি এর হালচাল অনলাইন সেবাই মিলছে স্বস্তি

    পঞ্চগড় বি আর টি এর হালচাল অনলাইন সেবাই মিলছে স্বস্তি

    বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
    ফি বাড়লেও অনলাইন সেবার মাধ্যমে সহজ সেবা পাচ্ছে গ্রাহকেরা অফিসে না গিয়েও ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে পাওয়া যাচ্ছে শিক্ষানবিশ তথা অফিস ড্রাইভিং লাইসেন্স এছাড়া স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন ফ্রি প্রদান করা যায় এ চিত্র বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বি আর টি পঞ্চগড় সার্কেলে সাম্প্রতিক গিয়ে দেখা যায় গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ বিরাজ করছে সকল ক্ষেত্রে ফ্রি বৃদ্ধির কারণে। কিন্তু অনেকেই অফিসে না গিয়ে বাসায় বসে পারছেন অনলাইন বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল অনলাইন সেবা প্রদানের মাধ্যমে সেবা পাচ্ছে বলে সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়। আর এমন অনলাইন সেবার ফলে ভোগান্তি অনেকটা কমেছে। পঞ্চগড় সার্কেল এর সহকারি পরিচালক কিছু ব্যতিক্রম উদ্যোগের ফলে সেবা কার্যকর্মের কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।এর ফলে বিআরাটি পঞ্চগড় এর তুলনা সেবার মান অনেকটা বেড়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে আগে ১ থেকে ২ মাস সময় লাগলেও এখন সেটি কয়েকদিনের মধ্যেই হচ্ছে।
    সরাসরি না এসেও যে কেউ বিএমপি পোর্টালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিয়ে অনলাইনে ঘরে বসে শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে পারবেন
    এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ফি প্রদান করার সুযোগ থাকছে। ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে হাইসিকিউরিটি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স মোটরযান রেজিস্ট্রেশন এর আবেদন করা যাচ্ছে। অপরদিকে রেজিস্ট্রেশনের সনদের জন্য আঙ্গুলের ছাপ দেওয়া সার্টিফিকেট নাম্বার প্লেট আইডি এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে । এসএমএস এর মাধ্যমে ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন বৈধতার মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ট্যাক্স টোকেনের প্রয়োজনীয় ফ্রি সম্পর্কে অবহতি করা হয়। তোমার সহকারি পরিচালক অনিয়ম ঠেকাতে সিসি ক্যামেরা প্রত্যেকটি কার্যক্রম মনিটরং ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষার ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করা হচ্ছে । নিয়মিত অবৈধ মোটর বাইক থেকে শুরু করে সকল যানবাহন বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলমান।

  • পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বিডি ক্লিন আমতলী উপজেলা টিম।

    পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বিডি ক্লিন আমতলী উপজেলা টিম।

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না

    “পরিচ্ছন্নতা শুর হোক আমার থেকে” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং আগামীর প্রজন্মকে একটি পরিবেশ বান্ধব ও জীবাণুমুক্ত একটি রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে কাজ করে যাচ্ছে বিডি ক্লিন নামের একটি সম্পূর্ন অরাজনৈতিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন।এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি সপ্তাহে পরিচ্ছন্ন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান পরিচ্ছন্ন করে যাচ্ছে একদল স্বপ্নবাজ তরুণ্যরা।

    তারই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার সকালে বিডি ক্লিন আমতলী সদস্যরা পরিচ্ছন্ন করলো শেখ হাসিনা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ক্যাম্পাস। শপথ পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় কার্যক্রম এরপর বিডি ক্লিন এর সদস্য ও স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পোসের সকল ময়লা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করা হয় এবং তাদের মাঝে পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় যাতে আগামী প্রজন্মার হাতে পরিছন্ন সোনার বাংলা গড়ার নিমিত্তে বিডি ক্লিন আন্তরিক এই পরিকল্পনা।

    বিডি ক্লিন আমতলী উপজেলার সমন্বয়ক সাজিদার আরমান সজীব বলেন, আজকের পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমে আমরা এসব ছাত্র ছাত্রীদের সচেতনতা করেছি তাদের ময়লা নিদিষ্ট জায়গায় ফেলতে তাদের ব্যবহৃত ময়লা কলেজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করছে তাদের ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব ও তাদের। আরো বলেন,নিঃস্বার্থ এবং নিরলস পরিশ্রম করে লক্ষ্যের দিকে ধাবমান এ সকল দেশপ্রেমীর স্বপ্ন এখন বাস্তবমুখী।

    আপনার-আমার আমাদের সকলের সচেতন মনোভাবই পারে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার গতিকে ক্রমশ ত্বরান্বিত করতে। আসুন আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করি একটি ময়লাও আর যত্রতত্র নয়,আমরা আমাদের দ্বারা তৈরীকৃত ময়লা-আর্বজনা নিদিষ্ট স্থানে ফেলব।

    এইসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজে শিক্ষবৃন্দ ও বিডি ক্লিন আমতলীর এর সদস্য ও ছাত্র ছাত্রীরা।