Author: desk

  • ইটভাটার মাটি বুঝাই ট্রাক -ট্রাক্টরের চাকায়  বেহাল অবস্থায় বাহুবলের  সড়ক ব্যবস্থা

    ইটভাটার মাটি বুঝাই ট্রাক -ট্রাক্টরের চাকায় বেহাল অবস্থায় বাহুবলের সড়ক ব্যবস্থা

    মশিউর রহমান,
    বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।। বাহুবল উপজেলার অভ্যন্তরিন সড়ক ব্যবস্থায় বিরাজ করছে বেহাল অবস্থা। বিভিন্ন কোম্পানি এবং ইটভাটার মাটি বুঝাই ট্রাক-ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে এ পরিস্থিতি। গত দুই সপ্তাহ ধরে কৃষি জমি থেকে এক্সেবেটর দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক-ট্রাক্টরযোগে মাটি পাচারের কারণে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে রাস্তাঘাট।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চক্রামপুর-রশিদপুর সড়কটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাটি বুঝাই ভারী ড্রার্ম ট্রাক চলাচলের কারণে। পায়ে হেটে চলাচল করতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারীরা।

    মাটি পাচারের সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী জড়িত থাকায় প্রতিবাদ করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এতে সরকারি রাস্তা দিয়ে বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর। এখানে দিনে রাতে চলছে ১০/১২ টি মাটি বুঝাই ড্রাম ট্রাক। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা সহ পথচারীরা। রাস্তার ধুলোবালি উড়ে আশপাশের বাড়িঘরে পড়ে টিনের ক্ষতি সহ বিড়ম্বনায় পড়ছেন পথচারীরা। এনিয়ে ভুক্তভোগীদের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ।

  • ধর্ষনের শিকার স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা, বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    ধর্ষনের শিকার স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা, বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    ধর্ষনের শিকার স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় ধর্ষকের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার বিকালে পঞ্চগড়ে লিখিত বক্তব্যে ওই স্কুল ছাত্রীর মা নুরজাহান বেগম ধর্ষক জুয়েল ইসলাম ও তার মেয়ের আত্মহত্যার প্ররোচনারকারীদের সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান।
    ধর্ষক জুয়েল বোদা উপজেলার কালিয়াগঞ্জ কাজলদিঘী ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে। তার স্ত্রী ও সন্তানও রয়েছে।
    সংবাদ সম্মেলনে নুরজাহান বলেন, জুয়েল আমার মেয়ের শোয়ার রুমে গভীর রাতে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। এসময় মেয়ের চিৎকারের এক পর্যায়ে তাকে আটক করার চেষ্টা করা হলে সে পালিয়ে যায়। ঘরে ছেলের ব্যবহৃত মোবাইল, জুতাসহ পরিহিত কাপড় পাওয়া যায়। ওই দিন সকালে আমরা বাড়ির বাইরে গেলে মেয়ে একা ঘরে আত্মহত্যা করে।
    বোদা থানা অফিসার ইনচার্জ সুজয় কুমার রায় জানান, ওই স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যার বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে পরবর্তীতে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • এইচএসসি’র ফলাফলে অতীতের চেয়ে এগিয়ে জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজ

    এইচএসসি’র ফলাফলে অতীতের চেয়ে এগিয়ে জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    সারা দেশেরন্যায় নওগাঁর ধামইরহাটে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২২ এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারী বেলা ১১ টায় এই ফলাফল প্রকাশ হলে উচ্ছসিত হয় জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইলিয়াস আলম জানান, জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজ হতে ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সাধারণ শাখায় নিবন্ধনকারী ৩৪ জনের মধ্যে ৩২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই উত্তীর্ন হয়। অপরদিকে কলেজের বিএমটি শাখার নিবন্ধনকারি ৯৮ জনের মধ্যে ৯২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ন হয়েছে। সাধারণ শাখায় জিপিএ-৫ ২জন ও বিএমটি শাখায় ৫ জন জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছেন।
    জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের গভর্ণিং বডির সভাপতি ও সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দেলদার হোসেন জানান, এই ফলাফল আমি সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উৎস্বর্গ করছি। কারণ শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রম ও অভিভাবকের নিবির পরিচর্যার ফলেই এই ফলাফল সম্ভব হয়েছে বলে আমি মনে করি। এই ধারাবাকিতা কলেজ কর্তৃপক্ষ ধরে রাখবে বলে আমার আশাবাদ।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিজ্ঞান ক্লাব পরিচালনা কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিজ্ঞান ক্লাব পরিচালনা কমিটির সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাটে
    সিসিবিভিও’র আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানী-এর সহায়তায় “রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী”-এর আওতায় ক্যাম্পেইন কর্মসূচির প্রথম অংশের ৫টি বিজ্ঞান ক্লাব পরিচালনা কমিটির ৩০ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে “স্কুল-কলেজ পযার্য়ে জলবায়ু পরিবর্তন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, জেন্ডার সমতা ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন সক্ষমতা বৃদ্ধি” শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জলবায়ু পরিবর্তন, তার কারণ ও করণীয়, জাতিগত সম্প্রীতি, জাতিগত পরিচয়, অন্যান্য জাতিসত্তার সাথে আচরণ ও করণীয়, জেন্ডার সমতা বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে করনীয়, নারীর প্রতি সহিংসতা ও ইভটিজিং, কমিটি পরিচালনা এবং উক্ত বিষয়ে সিসিবিভিও’র ভূমিকা।

    প্রশিক্ষণের আলোচনায় সহায়ক হিসাব কর্মকর্তা প্রদীপ মার্ডী, উর্দ্ধতন মাঠ কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম, প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন সিসিবিভিও’র প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিত্র বিশ্বাস এবং তাকে সার্বিকভাবে সহায়তা করেন সংস্থার সমাজ সংগঠক (শিক্ষা) ইমরুল সাদাত মিলন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • নীলফামারীতে”উগ্রবাদ প্রতিরোধে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত

    নীলফামারীতে”উগ্রবাদ প্রতিরোধে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    অদ্য (০৮ ফেব্রুয়ারি/২০২৩ খ্রিঃ) ড্রিল সেড, পুলিশ ২০২৩নীলফামারীতে কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ডিএমপি, ঢাকার আয়োজনে ও জেলা পুলিশ নীলফামারীর সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও ২০২৩ অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প কর্তৃক “উগ্রবাদ প্রতিরোধে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব প্রফেসর মোঃ দিদারুল ইসলাম, অধ্যক্ষ, নীলফামারী সরকারি কলেজ, নীলফামারী। সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ আমিরুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী। এসময় প্রধান অতিথি ও সভাপতি মহোদয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং উগ্রবাদ জঙ্গিবাদ ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে করণীয় বর্জনীয়সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য প্রদান করেন। স্বাগত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ নাজমুল ইসলাম, বিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সিটিটিসি, ডিএমপি, ঢাকা। তিনি উগ্রবাদ প্রতিরোধে করনীয় এবং সাইবার ক্রাইম বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

    এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ অহিদুল হক ,সহকারী অধ্যাপক, নীলফামার সরকারি কলেজ, নীলফামারী। জনাব জুয়েল মিয়া, সহকারী অধ্যাপক, নীলফামার সরকারি কলেজ নীলফামারী। এছাড়া নীলফামারী জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ, নীলফামারী সরকারি কলেজ, নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজ, মশিউর রহমান ডিগ্রী কলেজ ও পুলিশ লাইন্স একাডেমী নীলফামারীর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

  • মানবিক ইউপি সদস্য হিসেবে মানুষের হৃদয়ে কেড়েছেন জামাল মেম্বার এমনটাই জনগণের কথা

    মানবিক ইউপি সদস্য হিসেবে মানুষের হৃদয়ে কেড়েছেন জামাল মেম্বার এমনটাই জনগণের কথা

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম জেলার রাংগুনীয়া উপজেলার ১১নং চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও রাংগুনীয়া উপজেলা তাঁতী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ জামাল মেম্বার তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অধিক গুণে গুনান্বিত। ব্যক্তিগত জীবনে সৎ, নির্ভীক, জনদরদী এবং এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিত।

    তিনি ২ নং ওয়ার্ডের জনগনের নির্বাচিত একজন সফল মেম্বার। ইউপি সদস্যর পাশাপাশি তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান ও একজন সমাজসেবক। মোহাম্মদ জামাল করোনাকালীন সময়েও নিজস্ব অর্থায়নে ওয়ার্ডবাসীর জন্য যে উন্নয়নমুলক কার্যক্রম চালিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রেখে একজন নিঃস্বার্থ মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রশংসিত হয়েছে মানবিক কর্মকান্ডের জন্য ২নং ওয়ার্ড বাসীর হৃদয়ে তার স্হান।

    ইউপি সদস্য হিসেবে জীবনে ওয়ার্ডবাসীর উন্নয়নে কি ভুমিকা পালন করেছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব ইদ্রিস আজগর সাহেবের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী ২নং ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, মক্তব, মসজিদ’র কাজ প্রায় ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। যাহা সকল উন্নয়মুলক কার্যক্রমের একমাত্র অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে ১১নং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস আজগর ।

    তিনি আরো জানান, শুধু তাই নয় ২ নং ওয়ার্ডের , মাদ্রাসা, গরীব মেয়ের বিয়ে পর্যন্ত সামাজিক ভাবে অনুদান দিয়ে থাকি। করোনাকালীন সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে ত্রান, সাবান, হ্যান্ডস্যানিটাইজার, মাস্ক সহ নগদ টাকা বিভিন্ন পর্যায়ে অনুদান দিয়েছেন।

    ২ন ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আরো বলেন, আমাদের দলীয় হাইকমান্ড যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন ও ওয়ার্ডবাসীর সমর্থন পাই তাহলে আমি এত্র ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রয়েছে।

    ২নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ জনগন জানান, একজন মানবিক, একজন সফল ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ জামাল । তিনি একজন জনপ্রিয় ওয়ার্ডবাসীর কাছে মানবিক ইউপি সদস্য হিসেবে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন। ওয়ার্ডবাসীর হৃদয়ে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকবেন। এমনটাই আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ২নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগন।

  • পানছড়িতে মা-মেয়ে ও মা-ছেলের এইচএসসি জয়

    পানছড়িতে মা-মেয়ে ও মা-ছেলের এইচএসসি জয়

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    এইচএসসি পরীক্ষায় খাগড়াছড়ির পানছড়িতে মা-ছেলে ও মা-মেয়ের একসাথে এইচএসসি পাশ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।তাদের এই সফলতায় পুরো পানছড়ি এলাকা জুড়ে চলছে আনন্দের জোয়ার।

    বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ করা হলে কলেজ এর ওয়েবসাইট থেকে এই তথ্য জানা যায়।

    জানা যায়, পানছড়িতে মেয়ের সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মা রাবিয়া আক্তার। তিনি খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের উন্মুক্ত বিভাগ থেকে জিপিএ ৩.৮৯ আর মেয়ে ইসরাত জাহান ইমতিয়া খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ এর জেনারেল শাখার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ- ৪.০০ পেয়ে পাশ করেছেন।তারা পানছড়ি উপজেলার ইসলামপুর এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল হোসেনের সহধর্মিণী ও কণ্যা।

    অপরদিকে ছেলের সঙ্গে এইচএসসি পাশ করেছেন ২নম্বর চেংগী ইউপির রত্নসেন পাড়ার সুলেন্দু বিকাশ চাকমার সহধর্মিণী মা মানেকপুতি চাকমা। তার ছেলে সুমেন চাকমাও একই সাথে এইচএসসি পাশ করেন। মানিকপুতি চাকমা দিঘীনালা কলেজের উন্মুক্ত বিভাগ থেকে জিপিএ ৩.৬৭ আর তারই ছেলে সুমেন চাকমা পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ৩.৩৩ পেয়ে পাশ করেন।

    তাদের এই সফলতায় পুরো পানছড়ি এলাকায় চলছে আনন্দের জোয়ার।আত্মীয় স্বজন সহ এলাকায় চলেছে মিষ্টি বিতরণ।

  • পুঠিয়ার বানেশ্বর হাটে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় নেই কোন উন্নয়ন

    পুঠিয়ার বানেশ্বর হাটে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় নেই কোন উন্নয়ন

    পুঠিয়া  (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ পুঠিয়ার বানেশ^র হাটে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় নেই কোন উন্নয়ন বলে অভিযোগ উঠেছে। মাছ ও মাংস হাটায় পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় মাছের পানি ও গরু, খাসি জবেহর রক্ত জমে পচা-দুর্গন্ধময় পরিবেশের মধ্যে বেচাকেনা চলছে উপজেলার বানেশ^র হাটে।

    গত মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে ওই হাটে এ দৃশ্য দেখাগেছে। হাটের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, উপজেলার গরু, ছাগল ও গৃহস্থালি পণ্যের জন্য প্রসিদ্ধ বানেশ^র হাট। সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার দুইদিন বসে এখানে হাট। এটি উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট হিসেবে পরিচিত। এই হাট থেকে প্রতিবছর সরকার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে।

    কিন্তু হাটটি উন্নয়নেরবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন নজরদারি নেই। গত বছর এই হাট থেকে ১ কোটি ৬ লক্ষ ২৭ হাজার টাকায় হাটটি ইজারা দেওয়া হয়। এছাড়াও ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১০ শতাংশ আয়কর দিয়ে মোট ১ কোটি ৩২ লক্ষ৮৩ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়।

    ২০০২ সালে স্থানীয় সরকার পল্লীউন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় বিভাগ থেকে জারিকৃত সরকারি হাটবাজার ইজারা পদ্ধতি, ব্যবস্থাপনা ও আয় বন্টন বিষয়ক নীতিমালা অনুযায়ী, হাট ইজারার ১৫ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট হাটের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কাজে খরচ করার কথা রয়েছে।

    তবে যেসব হাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর উন্নয়নমূলক কাজ করছে, সেসব হাটে শতকরা ১৫টাকার পরিবর্তে শতকার ২৫ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া যাবে। উপজেলার অন্য সব হাটের বিক্রয় ছাউনি, নলকুপ, গণশৗচাগার উন্নয়নের কাজের জন্য ইজারাদার শতকরা ১০ টাকা উপজেলার উন্নয়ন তহবিলে জমা করতে হবে।

    এছাড়াও ইজারার শতকরা ৫ টাকা হাটটি যে ইউনিয়নে অবস্থিত সে ইউনিয়ন পরিষদকে অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। বানেশ^র হাটটি ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের দুই পশে অবস্থিত। হাটটির স্থায়ী- অস্থায়ী মিলে প্রায় হাজার খানেকের বেশি দোকান রয়েছে।

    বেশির ভাগদোকানে নেই কোন ছাউনি। মাছ হাটা ও মাংস হাটায় অবস্থা পরিবেশ পচা দুর্গন্ধ যুক্ত। মাছ, মাংস হাটার একমাত্র ড্রেনটি বন্ধ রয়েছে। তাইগরু খাসির জবেহর রক্ত ও মাছের পানি জমে পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলেই হাটে জমে পানি। এছড়াও মাছ হাটার পশের পুকুরটি বর্তমানে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

    হাটের মাছ ব্যবসায়ী,আমিনুল, শাহজাহান, শাহারুলসহ বেশ কিছু মাছ ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ময়লার ভাগ থেকে বর্ষার সময় পোকা মাকড় উঠে আসে মাছ হাটায় এরই মধ্যেই আমাদের ব্যবসা করতে হয়।

    এছাড়াও মাংস হাটার কসাই অলমগীর, মাহাবুল ও হযরত আলী জানান, বাংলাদেশের সবচেয়ে নোাংড়া হাট বর্তমানে এটি। এখানে একটি ড্রেন ছিলো।

    এই ড্রেনের মাধ্যমে রক্ত, পানি পাশের নদীতে যেতো। বর্তমানে ড্রেনটি বন্ধ থাকায় এগুলো আমাদের মাংস হাটা বা মাছ হাটায় জমা হচ্ছে।

    ড্রেনটি সংস্কারের দাবি আমাদের দীর্ঘদিনের। হাট ইজারাদার ওসমান গণি জানান, প্রতিবছর কোটি টাকার বেশি দিয়ে হাটটি ইজারা নেওয়া হয়। তবে হাটটির তেমন কোন উন্নয়ন হয়না।

    আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে হাটটির উন্নয়নের কথা জানালেও হাটটি তেমন কোন উন্নয়ন হয়না। এছাড়াও তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদে হাটবাজার

    উন্নয়নের জন্য ৭৮ লক্ষ টাকা রয়েছে। এই টাকা দিয়ে উপজেলা বিভিন্ন হাটবাজারের উন্নয়ন করা সম্ভব।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ পিএএ জানান, বানেশ^র হাটের মাংস ও মাছ হাটার বন্ধ ড্রেনটি একটি প্রজেক্টের মাধ্যম সংস্কার করা হবে। এছাড়াও

    হাটের অন্যান্য যে সকল সমস্যা আছে তা পর্যায় ক্রমে দেখা হবে বলে এ কর্মকর্তা জানান।#মাজেদুর রহমান( মাজদার) পুঠিয়া রাজশাহী 

  • জয়পুরহাটে পাঁচবিবিতে সরিষার ক্ষেতে মৌ চাষ

    জয়পুরহাটে পাঁচবিবিতে সরিষার ক্ষেতে মৌ চাষ

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    আকাশের নিচে বিস্তুত ফসলের মাঠ জুড়ে হলুদ সরিষা ফুলের সমারোহ। বিকেলে
    কুয়াশার ধূম্রজাল চিরে সূর্যের কিরণ প্রতিফলিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই সরিষা ফুলের
    সমারোহে হেসে ওঠে চারদিক। পড়ন্ত বিকেলের মিষ্টি রোদে সরিষা ফুলগুলো বাতাসে
    দোল খেতে থাকে। সরিষা ফুলগুলোর তাদের কলি ভেদ করে সুভাস ছড়িয়ে দিচ্ছে
    চারদিকে। মৌমাছিরা এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ভোঁ ভোঁ শব্দে উড়ে বেড়াচ্ছে । আর
    সেখানেই বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পরেছে মৌসুমী মৌমাছিরা।
    এমন দৃশ্য এখন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সরিষার মাঠে মাঠে।
    এ উপজেলায় স্থানীয়ভাবে তেমন কোন মৌচাষি না থাকলেও চলতি মৌসুমে রংপুর, টাঙ্গাইল, খুলনা, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মৌ চাষীরা মধু সংগ্রহেরজন্য এ উপজেলায় এসেছেন। এবার সরিষার ভালো চাষ হওয়ায় মধু আহরণও ভালো হচ্ছে
    বলে জানিয়েছেন তারা।জানা যায়, সরিষার মৌসুমে বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌ চাষিরা মধু সংগ্রহের জন্য বাক্স নিয়ে আসেন। সরিষা ফুল ফোটার সাথেই মৌ চাষিরা সরিষা ক্ষেতের পাশে
    সারি সারি মৌমাছির বাক্স বসিয়ে থাকেন। ফুল থেকে মধু এনে বাক্সের ভেতরের জমা
    করে মৌমাছিরা। বাক্স থেকে ৮-১০ দিন পর পর মধু সংগ্রহ করেন মৌচাষিরা। মাঠে
    মাঠে সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌমাছির শত শত বাক্স সারি করে বসিয়েছেন মৌয়ালরা।
    ওই সব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে সরিষা ফুলের মাঠ থেকে মধু
    সংগ্রহ করছে। মৌচাষিরা জানান, প্রতিটি বাক্সে ১২-১৩টি কৃতিম মমের সিড দেয়া হয়। সেই
    সিডে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। একটি বাক্সে একটি রানী মৌমাছি থাকে।
    একটি রানী মৌমাছি প্রায় ৪ থেকে ৫ বছর বেঁচে থাকে। তবে পুরুষ ও শ্রমিক
    মৌমাছির গড় আয়ু ৬০ দিন। একটি রানী মৌমাছি প্রতিদিন ২২শ থেকে ২৫শ
    ডিম দেয়। ডিম দেওয়ার ২১দিন পর মৌমাছির জন্ম হয়। মৌমাছি জন্মের ৬দিন পরথেকে মুধ সংগ্রহের শুরু করে। প্রতি বছর ৫ মাস তারা মধু সংগ্রহ করে।
    তিনি আরো বলেন, প্রতি কেজি মধু সাড়ে ৩শ টাকা থেকে ৪শ টাকা দরে পর্যন্ত
    বিক্রি হচ্ছে। সরিষা ফুলের মৌসুমে ৫০ থেকে ৫৫ মণ মধু সংগ্রহ করতে পারবো।
    আশা করছি সব মিলিয়ে প্রায় চার থেকে সাড়ে চার লাখ মধু বিক্রি করা যাবে।
    নিজের প্রয়োজনে মধু কিনতে আসা হাকিমপুর সরকারী ডিগ্রী কলেজের
    অবঃপ্রাপ্ত অধ্যাপক মোঃ আজাদ আলী বলেন, আমি সেখানে মধু আহরণ দেখলাম এবখেয়ে দেখলাম এখানকার মধুগুলো অত্যন্ত সু-স্বাদু ও স্বাস্থ্যকর মধু বলে আমার কাছেমনে হয়েছে।
    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পৌরসভা ও
    ৮টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ৫হাজার একশত হেক্টর জমিতে চলতি মৌসুমে সরিষা চাষ করা হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় তিন’শ হেক্টর বেশী।

  • নাচোলে আদালতের নির্দেশে  ৯টি বাড়ির উচ্ছেদ অভিযান

    নাচোলে আদালতের নির্দেশে ৯টি বাড়ির উচ্ছেদ অভিযান

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে ৯টি বাড়ি উচ্ছেদ অভিযান করা হয়েছে।
    আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের শুড়লা গ্রামের ৫০০শত বছরের প্রাচীন তেঁতুল গাছের পাশে ৬টি হিন্দু সম্প্রদায় ও ৩টি মুসলিম পরিবারে বাড়ি ঘর উচ্ছেদ অভিযান করা হয়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় আদালত কর্তৃক পক্ষ ও থানা পুলিশ বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় বাড়িঘর উচ্ছেদ অভিযান করছেন।

    ভুক্তভোগী ষষ্ঠী প্রামানিক এর স্ত্রী কল্পনা রাণী বলেন আমরা ৭১ সাল থেকে আমরা এই খাস জমিতে বসবাস করছি। আমার পরিবারে স্বামী ছেলেসহ ৩জন প্রতিবন্ধী রয়েছে। কোন নোটিশ ছাড়াই আজ হঠাৎ আমার বাড়িঘর ভেঙ্গে ফেললো। আমি এখন কোথায় যাব।
    ভুক্তভোগী শ্রী ফনো, শ্রীচন্দ্র, শ্রী কষ্ঠধর, শ্রী মহেষ চন্দ্র বর্মন, শ্রী জগদীশ, মোঃ আবুবক্কর, মোঃ মোবারক ও তাবারক বলেন আমরা সবাই খাস জমিতে ৪০-৫০বছর ধরে বসবাস করে আসছি। তবে এখানে একটি কালি মন্দির রয়েছে। সেই মন্দিরের জমি বলে মন্দিরের সভাপতি বিরেন মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক দয়াল অনেক পূর্বে কোটে মামলা করেছিল।

    বিজ্ঞ আদালতের মামলার রায় সূত্রে নাকি আমাদের ঘরবাড়ী উচ্ছেদ করছেন আদালত কর্তৃপক্ষ।
    তারা আরও বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাস জায়গা দেখে আমাদের মতো গরিব দুঃখী মানুষদের ঘড়বাড়ি করে দিচ্ছে। আর আমাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
    প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন করছি যে, আমাদের যেন কোথাও মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেন।

    তবে মন্দির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কোন
    কথা বলতে রাজি হননি।
    আদালত কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের কাছে জানতে চাইলে তারা বলে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায়
    আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছি।