Author: desk

  • গোদাগাড়ীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন  কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

    গোদাগাড়ীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ আজ বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সেে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি),

    মোঃ সবুজ হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাজশাহী বিভাগীয়
    পরিচালক, মোঃ রেজ্জাকুল হায়দার।

    উপজেলা মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ আব্দুল কাদেরের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। ফিল্ড সুপারভাইজার, ইফার মোঃ আব্দুল অদুদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোঃ রেজ্জাকুল হায়দার, ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাওঃ মোঃ শরিফুল ইসলাম।
    হাফেজ মাওঃ মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমূখ

    বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, সরকার ইমামদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী ও দক্ষ মানবসম্পদ করে গড়ে তুলতে চায়। তাই ইমামদের প্রশিক্ষণের জন্য ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি তৈরি করে দিয়েছেন। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মাধ্যমে আপনারা যে জ্ঞান অর্জন করেছেন তা বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে নিজেদের জীবনের উন্নয়ন করতে হবে এবং সমাজে যেসব কুসংস্কার আছে তা দূর করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, হাফেজ মুফতি মাও মোঃ শিবগাতুল্লাহ, পেশ ইমাম ও খতিব, মডেল মসজিদ, মোঃ মাসুদ আলম, শিক্ষক ও সাংবাদিক, মোঃ আতাউর রহমান মডেল কেয়ার টেকার, মোঃ মুনিরুল ইসলাম জিসি,মোঃ জায়দুল হক, মোঃ দুরুল হোদা, মোঃ ফরহাদুজ্জামান, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ শরিফুল ইসলাম সহ ১৩০ জন ইমাম মহোদয়গণ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় বিশেষ দোয়া মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমাম হাফেজ মাওঃ আব্দুল মোমিন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • এনআইএ প্রতিনিধি দলের ডিবি কার্যালয় পরিদর্শন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

    এনআইএ প্রতিনিধি দলের ডিবি কার্যালয় পরিদর্শন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

    মোঃ রাসেল সরকার//
    ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)’র একটি প্রতিনিধি দল বুধবার ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর গোয়েন্দা কার্যালয় পরিদর্শন করেছে।

    এ সময় তারা ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম-বার, পিপিএম-বার এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    এনআইএর প্রতিনিধি হিসেবে ডিআইজি মিস কে.ভি. বন্দনা আইপিএস, ইন্সপেক্টর মিস শশী রেখা, ইন্সপেক্টর জনাব জাক্কা ওবুলেসু ও ইন্সপেক্টর জনাব কৃষ্ণ কুমার ভরদ্বাজ উপস্থিত ছিলেন।

    সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ তাদের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

    এসময় ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ও এনআইএ তাদের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যৌথভাবে আঞ্চলিক পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সম্পর্কোন্নয়নের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (এডমিন এন্ড ডিবি-দক্ষিণ) সঞ্জিত কুমার রায় বিপিএম-সেবা, পিপিএম-সেবা, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম ডিবি-উত্তর) খোন্দকার নুরুন্নবী বিপিএম-সেবা, পিপিএম-সহ ডিবির অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ফুলছড়িতে বন কর্মকর্তা  আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

    ফুলছড়িতে বন কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

    মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ
    ফুলছড়িতে বন কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে চলছে অবাধে বনভূমি দখল নিত্যনতুন পদ্ধতিতে বনের জমি জবর দখল হচ্ছে। কোথাও কোথাও বনভূমি কেটে সমতল করে পাকা দালান থেকে শুরু করে পোলট্রি ফার্ম ও নানা স্থাপনাসহ বনভূমির প্রায় সিংহ ভাগ জায়গায় দখলবাজরা নিয়মিত পাহাড় কেটে পাকা ঘর নির্মাণ ও পাহাড়ি মাটি অবৈধভাবে বিক্রি করছে।

    কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জ এর আওতাধীন নাপিত খালী বিটের এলাকা নাপিত খালীতে বনের জমিতে অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে বহুতল ভবন নির্মাণকারী মোঃ ইব্রাহিমকে ২০ হাজার টাকায় অনুমতি দিয়েছে নাপিত খালী বিট অফিসে কর্মরত মোঃ আনিছুর রহমান নামের এক কর্মকর্তা।

    বুধবার ৮ ফেব্রুয়ারী বিকালে শাহ ফকির বাজার ব্যবসায়ী মোঃ ইব্রাহিম আনিছুর রহমান নামের কর্মকর্তাকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বাড়ী নির্মাণ করেন বলে জানান।

    একর্মকর্তা আনিছুর রহমানের সহযোগিতায় ভূমিদস্যুরা নির্বিচারে ধ্বংস করছে বনভূমি। পাহাড় কাটা, পাহাড় দখল ও ভবন নির্মাণসহ খাল থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করে চিহ্নিত ভূমিদস্যুর এসুযোগ কাজে লাগিয়ে আনিছুর রহমান নামের এ কর্মকর্তা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অবগত হলেও অজ্ঞাত কারণে উদাসীনতা প্রদর্শন করে আসছেন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব নাপিত খালী এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে বহতল ভবনটি।

    বন বিভাগের নাপিত খালী বিট অফিস সূত্রে জানা যায়,প্রায় তিন মাসে আগে আনিছুর রহমান নামের এ কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকে শুরু হয়েছে বিট এলাকায় চাঁদাবাজির মহোৎসব। তার চাঁদাবাজিতে কেউ বাঁধা প্রধান করিলে তার শক্তিশালী সিন্ডিকেট দিয়ে হুমকি প্রধান করে।

    বনবিভাগের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণে চাঁদাবাজির বিষয়টি উঠে আসায় ঘটনা ধামাচাপা দিতে নাপিতখালী বনবিটের অফিসে কর্মরত মোঃ আনিছুর রহমান শুরু করে বাকযুদ্ধ। রহস্যজনক কারণে বনবিট কর্মকর্তাই অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজে উৎসাহ দেন বলে অভিযোগ এই আনিছুর রহমান নামের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

    এতে জীববৈচিত্রও ধ্বংস হচ্ছে। পরিবেশের এই বিপন্নতা নিয়ে বন বিভাগ একেবারেই উদাসীন। বনজমি দখলদারদের বিরুদ্ধে বন বিভাগ জিরো টলারেন্সে থাকার ঘোষনা দিলেও মাঠপর্যায়ে এ ঘোষনা তেমন কার্যকর হচ্ছে না। বনকর্তাদের গুটিকয়েক ভূমিদস্যুদের সাথে আনিছুর রহমানের আতাত করায় বনজমি দখলের হিড়িক আগের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ। চিহ্নিত এই বনভূমি দখলবাজরা ভবন নির্মাণ করে ভাড়া দিলেও সংশ্লিষ্ট বনকর্তারা তাদের আইন প্রয়োগে রহস্যজনক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।

    বহুতল ভবন নির্মানের বিষয় জানতে ভবনের মালিক মোঃ ইব্রাহিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আনিছুর রহমান নামের এক কর্মকর্তা আমার দোকানে এসে অফিসের কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে।আর বাড়ী নির্মাণ করতে কোন সমস্যা হবে বলেও জানিয়েছেন।

    অভিযুক্ত আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, আমি মোবাইলে কথা বলতে চাইনা আপনি বটতলী আসেন।পরে যোগাযোগ করা জন্য বটুতলী আসলে সে প্রতিবেদক দেখে পালিয়ে যায়।

    বিষয়টি জানতে নাপিত খালী বিট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয় টা তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানান।

    কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারি বন সংরক্ষক প্রান্তোষ চন্দ্র রায় জানান, কাউকেই বন বিভাগের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণ করতে দেয়া হবে না। অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও আনিছুর রহমান ভূমিদস্যুদের থেকে টাকা নেওয়ার বিষয় প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।

    এ ব্যাপারে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার’র মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে রিচভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এলাকার লোকজন জানান, প্রতিটি এলাকায় বন ভূমি দখলকারীরা স্থানীয় বিট অফিসে অসাধু বন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে মোটা অংকের নজরানা দিয়ে বন ভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ সহ অবৈধ দখলে নিয়ে থাকেন। তবে এই বিপুল পরিমাণ বেদখলী বনভূমি উদ্ধারে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন বলে বন বিশেষজ্ঞগন মনে করেন।

  • মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি-বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি-বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকা, উত্তরা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন করা হয়। ঢাকার আশুলিয়ার বসুন্ধরাসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছেন। বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড। ধর্ষণের ঘটনাও বেড়েই চলেছে।
    বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ইং) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা ও ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইলের বসুন্ধরা চারালপাড়া ডিআইজি’র বাগান ও ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা-মাদক ও জুয়ার আসর বসিয়ে জমজমাটভাবে অবৈধ কারবার করছে। মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে এসবের সাথে জড়িতরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড (ক্রাইম) করছে। ভয়ংকর মাদক সেবন করে জামগড়ার তাজিবুল মীর অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। মাদক বিক্রির সাথে জড়িত শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। মাদক সেবনের কারণে যুবসমাজের ভয়াবহ অবস্থার জন্য দায়ী কারা?। এসব মাদকের ব্যবসা করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশ ও র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার করা হলেও অনেকেই ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে, পুরোপুরিভাবে এসব বন্ধ হচ্ছে না বলে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য অপরাধীদের সাথে জড়িত থাকার কারণে সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলে উল্টো সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা করা হয়। মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক হয়রানিমূলক মামলায় পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে অবশেষে প্রতিবন্ধী হয়েছেন জাতীয় দৈনিক লাখোকণ্ঠ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক মাইনুল ইসলাম শেখ।
    ঢাকার আশুলিয়ার সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম বলেন, আমি পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় লেখালেখি করেছি, এরই জের ধরিয়া সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ী বিপ্লব ও তাহার মাদক ব্যবসার আর্থিক যোগানদাতা আব্বাছ উদ্দিন ও আরও লোকজনের সহযোগিতায় আমাকে গত ০৩/০৭/২০২০ইং তারিখে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে ভোলা জেলা কারাগারে পাঠায়। তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে মামলা করার পূর্বে আমি গত ০৬/১২/ ২০১৮ইং এবং গত ১২/০৩/২০২০ইং তারিখে আশুলিয়া থানায় বিপ্লব ও আব্বাসের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করি। তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলা করিয়া আমাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে মারপিট করায় এবং আমাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে বিভিন্ন কৌশলে হল কামালের ৫ম তলা বাড়িতে আমার ভাড়া বাসার কক্ষের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে বাড়ির মালিক কামাল হোসেন ওরফে হল কামালের সহযোগিতায় আমার স্ত্রী মোছাঃ রকসানা ইসলামের নামের ব্যাংক একাউন্টের চেক বহি, ভূমির দলিল এবং সন্ত্রসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অপরাধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসসহ নগদ অর্থ ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়, এ বিষয়ে কামালসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছি। আমি আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে এ ঘটনা জেনে শুনে এ বিষয়ে আমি বাদি হয়ে মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি এরপর দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলাটি রেকর্ড করা হয়।“ঢাকার কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী বিপ্লব এখন রাজাপুরের মাদক স¤্রাট” শিরোনামে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা প্রতারণা মামলা দিয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করায় বলে মাইনুল ইসলাম জানায়। তিনি আরও বলেন, বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানা পুলিশের দিয়ে বিপ্লব ও আব্বাসসহ তাদের লোকজন আমাকে কারাভোগ করিয়ে নির্যাতন করেছে, এখন আমি একজন প্রতিবন্ধি, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের সঠিক বিচার দাবী করেন এই সাংবাদিক।
    সারাদেশে ভয়ংকর মাদকের নেশাসহ অসামাজিক কর্মকান্ড ধবংস করছে যুবসমাজ। “হোম ডেলিভারি করা হয় মাদক” চাইলেই হাতের কাছে পেয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। রাজধানী ঢাকার আশপাশের এলাকা সাভার ও আশুলিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘মাদকদ্রব্য হোম ডেলিভারিতে’ ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। গ্রামগঞ্জে পাড়া মহল্লায়ও চলছে বিভিন্ন মাদকের জমজমাট কারবার। এইসব মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদক সেবনকারীরা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। জুয়া ও মাদকের বিষয়ে বিবাদ সৃষ্টি হওয়ায় বেশিরভাগ হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে বলে সূত্র জানায়। সূত্র আরও জানায়, বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অর্ডার করলেই হোম ডেলিভারি করতে পারছে সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিরা। মাদক সেবনকারীরাও খুব সহজেই কাছে পেয়ে যাচ্ছে নানারকম মাদক। অভিযোগ রয়েছে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যও এসবের সাথে জড়িত থাকায় পুরোপুরিভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না মাদক কারবার ও জুয়া খেলা। এইসব মাদক ও জুয়া সিন্ডিকেট চক্রের সাথে অনেকেই জড়িত রয়েছে। সচেতন মহল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক চেষ্টা করেও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    বিশেষ করে চাল, ডাল, দুধ, চিনি ও পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আগে থেকেই ভোক্তা বাড়ি বসেই পেয়ে থাকেন। ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা এসব পণ্য চাহিদা অনুযায়ী ভোক্তার বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেন, এখন দূর-দূরান্ত থেকেও ই-বাণিজ্যের কল্যাণে নিত্যব্যবহার্য বা সৌখিন সব ধরণের পণ্য চলে আসে ভোক্তার ঘরে। “তাই বলে মাদকের হোম ডেলিভারি”! হ্যাঁ সম্প্রতি যশোরের অন্তত ৬জন মাদক ব্যবসায়ী দম্প্রতি চাহিদা অনুযায়ী মাদক সেবীদের ঘরে মাদক ডেলিভারি দিয়ে থাকে।বিশেষ করে দক্ষিণা ল, উত্তরা ল, রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা সাভার, আশুলিয়া ও চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জীবন ধ্বংসকারী হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা ট্যাবলেট, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য অর্ডার করলেই হাতের কাছে পাচ্ছে (হোম ডেলিভারি) এইসব মাদক সেবন করে একদিকে যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদক সেবনকারীরা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। সেই সাথে মাদক সেবন করা অবস্থায় নেশার মধ্যে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ করে থাকে কিছু মাদক সেবনকারীরা। সেই সাথে তিন তাস ও ডিজিটাল চায়না জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে মাদক সেবনকারী ও জুয়ারুরা। সূত্র জানায়, অনেক মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ার মালিকরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে মোবাইল ফোনে কল করে অথবা ম্যাসেজ এর মাধ্যমে কাঙ্খিত স্থানে মাদক পৌঁছে দেয়।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুছ আলীর কাছে জানতে চাইলে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, মাইনুল ইসলামের বিষয়টি আমি তদন্ত করেছি। এ বিষয়ে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বাড়ির মালিক কামাল হোসেন বলেন, মাইনুলের রুমের মালামাল তার পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছে, ডাকাতি বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে আশুলিয়া থানার (এসআই) নোমান ছিদ্দিক বলেন, তাজিবুল মীরের মৃত্যুর জন্য দায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে, শামীম নামের একজনকে গ্রেফতার করে ৩দিনের রিমান্ডে আনা হয়, অন্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। র‌্যাব জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে কিশোর গ্যাং শব্দটা মানুষের কাছে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এদিকে মাদক সন্ত্রাসী র্নিমূলে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য চেয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ ও র‌্যাব।

  • আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিক নাজমা গণধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামী সবাই আদালত থেকে জামিন

    আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিক নাজমা গণধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামী সবাই আদালত থেকে জামিন

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর বেরণ এইচ পি টাওয়ার ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড শ্রমিক গরীব সুন্দরী নাজমা গণধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামী সবাই আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এসে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে এলাকা ছাড়া করেছে বলে এই মামলার বাদী মোঃ হানিফ ওরফে নাজমুল জানান। উক্ত নাজমা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সাথে জড়িতরা নাজমার বাবাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করায় নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এদিকে আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। ্উক্ত মামলার একজন আসামীর রহস্যজনক মূত্যু ও অন্য আসামীদের গ্রেফতার না করা এবং দুইজন আসামী আদালত থেকে জামিনে আছেন, পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই।
    বুধবার (০৮/০২/২০২৩ইং সকালে উক্ত নিহত নাজমার বাবা হানিফ ওরফে নাজমুল জানান, আমার মেয়ে নাজমা’কে গণধর্ষণ ও হত্যাকারীদের মধ্যে রিপন নামের একজনের মৃত্যু হলেও অন্য আসামীরা আদালত থেকে জামিনে আসছেন। নাজমাকে ৩-৪ জন বখাটে যুবক গণধর্ষণ করে। আশুলিয়ার জামগড়ার রূপায়ন আবাসন-১ এর ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া, পাবনার সাঁথিয়ার আবু হানিফ ওরফে নাজমুল এর মেয়ে মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬) কে গণধর্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানা মামলা না নেওয়ায় সে ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভিকটিম নিহত হওয়ার পর পুলিশ মামলা রুজু করে। নাজমাকে গণধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা করার পর মোঃ আব্দুর রহিম (২৬), ১নং আসামীকে জনতা কর্তৃক আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর এ মামলার ২নং আসামী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার বিপিনগর গ্রামের আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ রিপন (৩৫) এর লাশ সাভারের বিরুলিয়া এলাকার একটি বাগান থেকে উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এরপর মামলার ৩নং আসামী ইব্রাহিম খলিল শিপনকে র‌্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে ছায়া তদন্ত করে আটক করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ফেনী জেলার সোনাগাজী আকিলপুরের মোঃ ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) কে গ্রেফতারের পর র‌্যাব তাকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করেন।
    তথ্যমতে, গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯ইং ভিকটিম মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬), গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর (৬ জানুয়ারি ২০১৯ইং) নাজমা নিজে বাদী হয়ে প্রথমে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বিবরণঃ জীবিত নাজমা জানায়, জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ীতে মা বাবাসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভাড়া থেকে জামগড়া ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ পোশাক কারখানায় সুইং অপরেটার হিসাবে চাকুরি করতেন। নাজমার সম্পর্কে চাচা আব্দুর রহিম, রিপন, শিপনসহ তারা বিভিন্ন পদে এক সাথে কাজ করতেন একই পোশাক কারখানায়। প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৫/০১/২০১৯ইং তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় অফিস ছুটির পর চাচা আব্দুর রহিম (২৬) সহ আমি পায়ে হাটিয়া বাসায় যাওয়ার পথে আমাদের ফ্যাক্টরীর প্রায় ২০০গজ দুরে গলির রাস্তায় পৌছার পর অপরিচিত আরও ২জন বিবাদী তাদের নাম রানা ও শাকিলসহ ওদের সহায়তায় ১নং বিবাদী রিপন ও শিপন আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার পরিহিত কাপড় খুলিয়া আমাকে তারা সবাই মিলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার সাথে ৫ জন জড়িত বলে সে বেঁচে থাকা অবস্থায় জানায়।
    ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার দিনগত রাত ১২টার দিকে উক্ত বিবাদী রিপন, শিপনগণসহ ৫ জন নাজমাকে বলে এ ঘটনা যেন কাউকে না বলিস, এই বলে হুমকি দিয়ে তারা ভিকটিমকে বাসায় পৌছাইয়া দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর সকালে আশুলিয়া থানায় গিয়ে মামলা করার জন্য অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আর বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় লোকলজ্জায় নাজমা ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী-নাজমাকে নির্যাতন ও গণধর্ষণ করার পর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্থানীয় আশুলিয়ার সরকার মার্কেট নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা নং ১০/ তারিখঃ ০৭/০১/২০১৯ইং। ধারা: ৯(৩)/৩০, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩: ধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধ।
    উক্ত মামলার আসামী শিপন ও রহিম আদালত থেকে জামিনে আসছেন। এ মামলার ৩নং আসামী ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) যিনি ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। মামলার ৩ জন আসামীর তথ্য পাওয়া গেলেও অন্য আরও দুইজন ব্যক্তি জড়িত ছিলো তারা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে, এদিকে থানায় ও আদালতে অন্য দুই আসামীর নাম প্রকাশ করেছেন রহিম ও শিপন। প্রায় ৩ বছর ধরে এখন পর্যন্ত তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি এবং এ মামলায় তাদের নামও নেই। নাজমা’র বয়স (১৬)। ২বছর সুইং অপরেটার হিসেবে চাকুরি করেন। কাজ শিখে সুইং অপারেটার হতে আরও এক বছর সময় লাগছে। শিশু শ্রম আইনে পোশাক কারখানায় ১৮ বছরের কম কোনো শ্রমিক চাকরি করতে পারবেন না এমন নিয়ম রয়েছে। উক্ত ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা আবার তদন্ত করলে হয়ত কেচু খুঁজতে গিয়ে সাপের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে শ্রমিকসহ সচেতন মহলের দাবী। পোশাক কারখানার নারী শ্রমিক গণধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে যে মামলাটি হয়েছে, সেই মামলার আসামী রহিম ও শিপন গ্রেফতার হয়েছে, আর রিপন এর লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। উক্ত মামলাটি আদালতে বিচার চলমান রয়েছে বলে আদালত সূত্র জানায়।

  • বরিশালে আলফা ইসলামিক লাইফ ইনসুরেন্সে পরিচালককে ফুলেলে শুভেচ্ছা

    বরিশালে আলফা ইসলামিক লাইফ ইনসুরেন্সে পরিচালককে ফুলেলে শুভেচ্ছা

    কে এম সোহেব জুয়েল : বরিশাল সদর উপজেলার সিএন্ডবি রোডের চৌমাথায় অবস্থিত আলফা লাইফ ইনসুরেন্সে গতকাল বুধবার সাকাল ১০ টায় কার্যালয়ের ব্যাবস্হাপনা পরিচালক বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবীর মো: নুরেআলম সিদ্দিক পরিদর্শনে আসলে ওই অফিসের সাথে জরিত সংশ্লিষ্টরা সভার শুরুতেই তাকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা দিয়ে বরন করেন নেয়।

    অতপর অফিসে জড়িত সংশ্লিষ্টদের সাথে মত বিনিময় করেন ব্যাবস্হপনা পরিচালক মো: নুরেআলম অভি। আলোচনার শেষে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

  • গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগীয় স্বাস্থ্য সেবা কাযর্ক্রম চালু

    গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগীয় স্বাস্থ্য সেবা কাযর্ক্রম চালু

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগীয় স্বাস্থ্য সেবা কাযর্ক্রম চালু করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হাসপাতালের বহির্বিভাগীয় স্বাস্থ্য সেবা কাযর্ক্রম চালু উপলক্ষে হাসপাতালে কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ডা: মো: সামিউল ইসলাম।

    শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ড: মো: মনোয়ার হোসেনর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা: মো: জাকির হোসেন, ঢাকা বিভাগের পরিচালক ডা: মো: ফরিদ হোসেন মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ জোবায়ের হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা শহরের নবীববাগ এলাকায় ৩৬ একর জায়গার উপর প্রায় ৭০৫ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫০০ শয্যাবিশিস্ট শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। বহির্বিভাগীয় স্বাস্থ্য সেবা কাযর্ক্রম চালু হওয়ার ফলে মাত্র ১০ টাকা মূল্যের টিকিটের বিনিময়ে স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারবে গোপালগঞ্জসহ এর আশপাশের জেলার সাধারন রোগীরা। #

  • শাহীন আকতার রেনীকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

    শাহীন আকতার রেনীকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় শাখা ও জেলা শাখার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশিষ্ট নারী নেতৃ শাহীন আকতার রেনীর সাথে রাসিক মেয়রের বাস ভবনে আজ বুধবার দুপুর ২ টায় সংস্থার নেতৃবৃন্দ সৌজন্যে সাক্ষাৎ করে সাংগঠনিক মত বিনিময় করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা শাখার প্রধান নির্বাচন কমিশনার দৈনিক সোনালী সংবাদ সম্পাদক মোঃ লিয়াকত আলী ও নির্বাচন কমিশনার রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ জুলফিকার, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল আলম, জেলা শাখার নব নির্বাচিত সভাপতি দৈনিক আমাদের রাজশাহীর সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বি.টিভি রাজশাহী প্রতিনিধি মোঃ আজিজুল ইসলাম, বিভাগীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মাই টিভির ফয়সাল শাহরিয়ার অনতু, সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক বাংলার সকালের আমিনুল ইসলাম বনি ও মোহনপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদের।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চ বিদ্যালয়ে   দুই দিন ব্যাপি আন্ত.বিদ্যালয়  বার্ষিক  ক্রিড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই দিন ব্যাপি আন্ত.বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রিড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চবিদ্যালয়ে দুই দিন ব্যাপি আন্ত.বিদ্যালয় ও বার্ষিক ক্রিড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা প্রধান শিক্ষক কে এম আবদুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ওছমান আলমদার,বিশেষ অতিথি ছিলেন অভিভাবক সদস্য উওম বৈদ্য,মুজিবুর রহমান,ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন ও ছেনোয়ারা বেগম। ছনহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সোনালী দও,চাটরা নোমানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল চন্দ্র দে সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা। ক্রিড়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম আবদুল গনি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং ইউনিয়নের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করে।
    এসময় বক্তারা বলেন,ক্রিড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আলোকিত শিক্ষার্থী তৈরীতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

  • যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেল যুবধ্বনি সমাজকল্যাণ সংঘ

    যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেল যুবধ্বনি সমাজকল্যাণ সংঘ

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ কর্তৃক নিবন্ধন পেলেন মুন্সীগঞ্জের অন্যতম যুব সংগঠন যুবধ্বনি সমাজকল্যাণ সংঘ। জেলাব্যপী যুবকদের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের দীর্ঘ পথ চলার স্বীকৃতি স্বরুপ সংগঠনটিকে এই নিবন্ধন প্রদান করা হয়। যুব সংগঠন (নিবন্ধন ও পরিচালনা) আইন, ২০১৫ এবং যুব সংগঠন (নিবন্ধন ও পরিচালনা) বিধিমাল, ২০১৭ মোতাবেক যুবধ্বনি সমাজকল্যাণ সংঘকে এই নিবন্ধন প্রদান করা হয়। যার নিবন্ধন নং-যুউঅ/মুন্সী/সদর/৪৭ এবং সনদ পত্রের সিরিয়াল নম্বরঃ ০৫৫৪৮।

    বুধবার দুপুর ২ টায় জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি জিতু রায়ের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ তুলে দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মরিয়ম আক্তার এবং সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আফাজউদ্দিন, উচ্চমান সহকারী মো. দেলোয়ার হোসেন, যুবধ্বনি সমাজকল্যাণ সংঘের সহ-সভাপতি মো. রাহিদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদনান সাদ, ক্রীড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রমিত দাস দীপ্ত।