Author: desk

  • পাইকগাছায় মুকুলে ভরে গেছে আম গাছ

    পাইকগাছায় মুকুলে ভরে গেছে আম গাছ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।। পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকার আমের গাছে মুকুল সৌরভ ছড়াচ্ছে। সুমিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। বসন্তের শুরু থেকেই মুকুলে শোভা পাচ্ছে গাছ। মৌমাছির দল গুনগুন করে ভিড়তে শুরু করছে আমের মুকুলে। মুকুলের সেই সু-মিষ্টি সুবাসে আন্দোলিত হয়ে উঠেছে চাষীর মনও। এ বছর আশানারুপ মুকুল না হওয়ায় পরও মনে আশা নিয়ে আমচাষি ও বাগান মালিকরা বাগানের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আশার আগে থেকেই গাছের পরিচর্যা করে আসছেন তারা। যাতে করে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় কোন সমস্যার সৃষ্টি না হয়।
    পাইকগাছাসহ উপকুল এলাকায় চলতি বছর অনেক দেরিতে আম গাছে মুকুল বের হওয়া শুরু হয়েছে। অধিকাংশ গাছের মুকুল ভালো হয়েছে। কোন গাছের একটি দুইটি ডালে মুকুল বের হয়েছে আর বাকী ডালের পল্লবে মুকুল হয়নি। অনেক গাছে কোন মুকুলই বের হয়নি। হিসাবে শীতের মধ্যে অতি বৃস্টি ও ঝড়ো হাওয়া এর কারণ হিসাবে বিবেচনা করছে কৃষিবীদরা।
    পাইকগাছার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলী ও পৌরসভা ছাড়া বাকি ইউয়িনগুলোতে সীমিত আমের গাছ রয়েছে। উপজেলায় ৫৮৫ হেক্টর জমিতে মোট আম গাছ রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। কিছু কিছু পরিকল্পিত আম বাগান রয়েছে। এসব বাগানে সর্বনিন্ম ১০টি গাছ রয়েছে। ৫ শতক, ১০ শতক, ১ বিঘা ও ৩ বিঘা পর্যন্ত আমের বাগান রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আম গাছ আছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, এসব বাগানের ৮০/৭৯০ ভাগ গাছে মুকুল ধরেছে।তবে গাছের একটি দুইটি ডালে মুকুল বের হয়েছে আর বাকী ডালের পল্লবে মুকুল হয়নি। অনেক গাছে কোন মুকুলই বের হয়নি।১০/১৫ ভাগ আম গাছে কোন মুকুল বের হয়নি। তবে এখনো সময় আছে আরো কিছু গাছে মুকুল বের হতে পারে এমন আশা করছে চাষী ও বাগান মালিকরা। আম বাগান থেকে চলতি মৌসুমে ৫ হাজার ৮ শত মেট্রিক টন আমের ফলন পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তারপরও বাগান মালিক, কৃষিবিদ, আমচাষিরা আশা করছেন বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উপজেলায় আমের ফলন আশানারুপ হবে।উপজেলায় মল্লিকা, চুষা, আশ্বিনা, ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, লতা, বারি ৪, আম্রপলি, গোপালভোগ সহ অন্যান্য জাতের আম চাষের হয়। সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ও বাগান মালিক জানান, নিয়মিত পরিচর্যা, গাছের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে পানি সেচের কারণে সব বাগানে গাছগুলো নিয়মিত খাদ্য পাচ্ছে। ফলে আশানুরূপ ফলন বাড়ছে।
    উপজেলার কপিলমুনি, গদাইপুর, হরিঢালী, রাড়ুলী, পৌরসভা, চাঁদখালীসহ বিভিন্ন এলাকা আম বাগানের গাছে মুকুল ভালো হয়নি, এমনই চিত্র দেখা গেছে। কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশী গ্রামের পুরস্কারপ্রাপ্ত আম চাষি অখিলবন্ধু ঘোষ জানান, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। বাগানের আম গাছে মুকুল আসা শুরু করেছে। আমরা কৃষি বিভাগে গিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করছি। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আমাদের বাগানে এসে আমের বাগান ভাল রাখার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পুরোপুরিভাবে শীত বিদায়ের আগেই মুকুল না আসলে ভাল ফলন ভালো হবে না। ঘন কুয়াশায় মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও ফাগুনে কুয়াশার আশংকা কম তারপরও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রকৃতির বিরূপ আচারণে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।হরিঢালীর আকবর হোসেন, গদাইপুরের মোবারক ঢালী, তকিয়ার মুজিবর গাজীসহ বিভিন্ন এলাকার আম ব্যবসায়ীরা জানান, ঋণ করে আগাম আম বাগান নিয়েছে। অনেক চাষী আম বিক্রি ঋণের টাকা পরিশোধ করবে।আমের মুকুল বের হওয়া আর ফলনের উপর নির্ভর করছে করছে আম চাষির সপ্ন।
    কুষিবিদরা জানান, আমগাছের বহু সমস্যার মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো প্রতি বছর ফুল ও ফল না আসা। দেখা গেছে, একেবারেই ফুল হয় না বা হলেও কোনো কোনো বছর খুব কম হয়। যখন অনেক গাছে এক বছর খুব ফুল হয় আর পরের বছর একেবারেই হয় না বা খুব সামান্য হয় এবং তৃতীয় বছর আবার খুব বেশি ফুল আর চতুর্থ বছর কিছুই না বা কম অর্থাৎ এরা একটু ছন্দের মতো চলে। এই রকম হলে বলা হয় ‘অলটারনেট বা বায়িনিয়াল বেয়ারিং’। আবার যেসব গাছে হয়তো এক বছর খুব বেশি ফুল হলো, তারপর দু-তিন বছর হলো না বা কম হলো, কিংবা পরপর দু’তিন বছর বেশ ফুল হলো তারপর এক বছর বা কয়েক বছর বন্ধ থাকে অর্থাৎ এরা একটু এলোপাতাড়ি ধরনের। এদের বলা হয় ‘ইরেগুলার বেয়ারার’। এই দুটি সমস্যা অনেক আমগাছে দেখা যায়। যে বছর খুব বেশি ফুল হয়, সেই বছরটিকে উদ্যান বিজ্ঞানে বলা হয় ‘অন ইয়ার’, আর বিনা ফলন বা কম ফলনের বছরকে বলা হয় ‘অফ-ইয়ার’। আমের একটি ডালে মুকুল আসতে হলে, ফুল আসার আগে ডালটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা ও নাইট্রোজেন দুই-ই থাকতে হবে আর শুধু তাই নয়, শর্করার ভাগ নাইট্রোজেনের ভাগের চেয়ে যথেষ্ট বেশি থাকতে হবে তবেই মুকুল আসবে। আর যদি দুটির ভাগ সমান হয় বা বিশেষ করে ডালটির নাইট্রোজেনের মাত্রা শর্করার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে ঐ ডালটির ডগায়, বসন্তকালে মুকুল আসার বদলে পাতা এসে যাবে। আম গাছের এই সমস্যাটির জন্য উদ্ভিদ হরমোন ‘অক্সিন’, ‘জিবেরেলিন’ ও বিশেষ করে ‘গ্রোথ ইনহিবিটর’ জাতীয় হরমোনগুলো দায়ী বলে মনে করা হয়।
    মাটিতে প্রয়োজনীয় পানি/রসের অভাব হলে সার প্রয়োগের পর সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। ফিডার রুটগুলো গাছের গোড়া থেকে দূরে থাকে। যে বছর গাছে প্রচুর ফুল আসে, সে বছর যদি গাছের অধের্ক ফুল ভেঙে দেয়া হয়, তাহলে গাছের সেই অংশ নতুন শাখা উৎপন্ন করবে। আগামী বছর সেই অংশে ফুল ও ফল উৎপন্ন করবে। এভাবে আম গাছ থেকে নিয়মিত ফলন পাওয়া যেতে পারে।
    বাণিজ্যিক জাত যেমন, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, খিরসাপাত, আশ্বিনা ইত্যাদির অলটারনেট বেয়ারিং হ্যাবিট আছে এবং বারি আম-১, বারি আম-২, বারি আম-৩, বারি আম-৪ ইত্যাদি রেগুলার বেয়ারর জাত। তাই বাগানে শুধু ‘অলটারনেট বেয়ারার’ জাতের গাছ না লাগিয়ে, অন্তত কিছুসংখ্যক ‘রেগুলার বেয়ারার’ জাতও লাগানো উচিত। এতে প্রতি বছরই বাগান থেকে কিছু না কিছু ফলন পাওয়া যাবে। বাগানের গাছগুলোকে অধিক উৎপাদনক্ষম করার জন্য অবশ্যই আম বাগান বছরে ৩ বার বর্ষার আগে, বর্ষার পরে ও শীতকালে লাঙল, পাওয়ার টিলার অথবা কোদাল দ্বারা কুপিয়ে ভালোভাবে গভীর চাষাবাদ করতে হবে। ফলে বাগানের আগাছা মারা যাবে এবং মাটির সাথে মিশে জৈবসারে পরিণত হবে। মাটির ভেতরকার পোকামাকড়ও মরে জৈব পদার্থ হিসেবে মাটিতে যোগ হবে। তাছাড়া মাটির আর্দ্রতা ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং পুষ্টি উপাদানগুলো গাছের গ্রহণের উপযোগী হবে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমাদের পাইকগাছায় ৯০ ভাগ গাছে মুকুল চলে এসেছে, চাষীদের ফুল ফোটার অবস্থায় কোন ঔষধ বা কীটনাশক ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ সময়ে বাগানে হপার এবং ফুদকী পোকা গুলো গাছের বাকলে লুকিয়ে থাকে। এ ধরনের পোকা খুব বেশী দেখা দিলে অনুমোদিত কীটনাশক নাশক স্প্রে করার পরামর্শ প্রদান করছি। কুয়াশার কারণে আমের মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে। এজন্য অনুমোদিত সালফার বা বালাই নাশক স্প্রে’র পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া যদি রৌদ্রজ্জ্বল হয় এবং তাপমাত্রা বাড়ে তবে গুটি ভালো হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।

  • ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি!

    ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি!

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    চাকরি নয় সেবা’ শ্লোগানে স্মার্ট পুলিশ তৈরি করতে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হবে। পুলিশের চাকরি পেতে কোন টাকা পয়সা লাগে না। সন্তানের চাকরির জন্য কোন পিতার জমিজমা বিক্রি করতে হবে না। মাত্র ১২০ টাকায় কনস্টেবল পদে পুলিশে চাকরি দেওয়া হবে। গনমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় কথাগুলো বলেছেন ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বিপিএম পিপিএম (বার)। তিনি বলেন, আগামী ২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনস মাঠে কনস্টেবল পদে লোক নিয়োগ হবে। নিয়োগের সময় অনেকে প্রতারণার শিকার হন। চাকরির জন্য দালাল ধরেন। অনেক সময় দেখা যায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে দালালেরা ১০জন প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে এক/দুইজনের চাকরি হয়ে যায়। তখন দালালেরা চাকরি দিয়েছি বলে প্রচার করে এবং চুক্তিকৃত টাকা আদায় করে। এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে সচেতন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশিকুর রহমান। সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, বিনা টাকায় পুলিশে নিয়োগের এই বার্তা আপনারা জেলার সব জায়গায় পৌঁছে দিবেন। সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী লাইনে দাঁড়াবেন। কেবল শারীরিক ভাবে যোগ্য, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই মেধার ভিত্তিতে চাকরি পাবেন। এজন্য ঘুষ ও কোন প্রকার তদবির লাগবে না। যদি কেউ কোথাও চাকরির জন্য টাকা দাবি করে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • যানবাহন থেকে চাঁদাবাজীর সময়  র‌্যাবের হাতে চারজন আটক

    যানবাহন থেকে চাঁদাবাজীর সময় র‌্যাবের হাতে চারজন আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিভিন্ন সংগঠনের নামে মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগে চার জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৬। বুধবার রাতে কালীগঞ্জ কোটচাঁদপুর মহাসড়কের তালেশ্বর নামক স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, কালীগঞ্জের মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন থেকে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় তালেশ্বর নামক স্থান থেকে চাঁদাবাজির সময় হাতে নাতে রবিন দাস, আওয়াল হোসেন, আনজু ও এসএম ফারুক খানকে আটক করা হয়। তারা যাববাহনের চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিলো বলে র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করে তাদের বৃহস্পতিবার বিকালে কালীগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।

  • ঝিনাইদহে সুদখোরদের বিরুদ্ধে অভিযান শৈলকুপার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৬ জন গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে সুদখোরদের বিরুদ্ধে অভিযান শৈলকুপার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৬ জন গ্রেফতার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিভিন্ন উপজেলায় সুদখোরদের অত্যাচার বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ সাড়াশি অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার শৈলকূপার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত ৬ সুদ কারবারিকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন শৈলকূপার হরিহরা গ্রামের মৃত আব্দুল বিশ্বাসের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহিমপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ মোল্লার ছেলে আমজাদ হোসেন মোল্লা, বারইপাড়া গ্রামের মৃত আবুল শেখের রহিম শেখ, শেখপারা গ্রামের শহর আলী শেখের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান, ভাটই বাজারের আব্দুস সালামের পলাশ হোসেন ও চাঁদপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে পিয়ার আলী। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, কয়েকবছর ধরে শৈলকুপা শহরসহ গ্রামগঞ্জে সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরা এক লাখ টাকার বিপরীতে সুদ হিসাবে সপ্তাহে ৮ থেকে ১০হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এতে করে অনেকে তাদের আসল টাকা তো দূরে থাক জীবদ্দশায় সুদের টাকায় পরিশোধ করতে পারে না। পরবর্তীতে তারা কৌশলে আসল আর সুদ একসাথে মিলিয়ে টাকা ধার হিসাবে ষ্ট্যাম্পে লিখে নেয়। কখনো কখনো ব্যাংকের বøাঙ্ক চেকও নিয়ে থাকে। ফলে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে কিছু করার থাকে না। সুদখোরদের চাপে এক সময় গ্রহীতারা বাপদাদার ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় নতুবা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সুদখোরদের অত্যাচের আত্মহত্যার ঘটনা বৃদ্ধির ঘটনায় পুলিশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। পুলিশ বিষয়টি নিবিড় ভাবে তদন্ত চালিয়ে জেলাব্যাপী সুদি কারবারিদের তালিকা তৈরী করে অভিযানে নেমেছেন। বিষয়টি নিয়ে শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, হঠাৎ করেই এই জনপদে সুদ কারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। তাদের বিরুদ্ধে দ্রæত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ওসি জানান। এদিকে সুদখোরদের বিরুদ্ধে অভিযান দ্রæত জেলাব্যাপী চালানোর জন্য সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুরোধ করেছেন।

  • তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে পীরগঞ্জে দোয়া ও মাহফিল

    তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে পীরগঞ্জে দোয়া ও মাহফিল

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোমরাদহ ইউনিয়নের ভোমরাদহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিদ্যালয়ের আয়োজনে তুরস্ক ও সিরিয়ায় গত সোমবারে ঘটে যাওয়া ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    দোয়া ও মাহফিলে পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আখতারুল ইসলাম, ভোমরাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হিটলার হক , ভোমরাদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবাইদুর রহমান, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আঃ সালাম, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ময়নুল হক অংশ নেন।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • পীরগঞ্জে ভুমিহীনদের জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পীরগঞ্জে ভুমিহীনদের জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি : ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জে ‘মুজিব শতবর্ষের অঙ্গিকার, প্রতিষ্ঠিত হোক গৃহহীন-ভুমিহীনদের খাস জমিতে অধিকার’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে জম্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করণ, ভুমি অধিকার ও কৃষি ভুমির সংস্কার বিষয়ে ভুমিহীনদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে । গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোমরাদহ ইউনিয়ন ভুমিহীন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে ও কমিউনিটি ডেভেলপান্ট এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে এ সমাবেশ হয়।
    অনুষ্ঠিত সমাবেশে ইউনিয়ন ভুমিহীন সমন্বয় পরিষদের সভা প্রধান জ্যোস্না বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আখতারুল ইসলাম, ভোমরাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হিটলার হক , পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, উন্নয়ন সংস্থা সিডিএ’র আ লিক সমন্বয়কারী কাওসারুল আলম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, উপজেলা ভুমিহীন সমন্বয় পরিষদের সভা প্রধান অবিনাশ চন্দ্র রায়, জেলা ভুমিহীন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সভা প্রধান এনামুল হক প্রমূখ।

  • নড়াইলের সিমান্তবর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২, আহত ৪০

    নড়াইলের সিমান্তবর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২, আহত ৪০

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২, আহত ৪০। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানি উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় যশোরের একটি পিকনিক বাস উল্টে দুইজন নিহত ও অত্যন্ত ৪০ জন আহত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আহত ও নিহতরা যশোরের বাঘারপাড়া নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ। আহতের গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ফরিদপুর ও যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ৩টি বাসে করে গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে পিকনিকে যায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির লোকজন ও অফিস স্টার্ফরা। সারাদিন গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান ঘুরে সন্ধ্যার পরে সমাধিস্থল থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাস তিনটি ফেরার পথে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি বাটিয়াপাড়া মোড়ে দ্বিতীয় বাসটি প্রথম বাসটিকে অভারটেক করতে যেয়ে দ্বিতীয় বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। মেইন সড়ক থেকে বাসটি উল্টে যেয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এসময দ্বিতীয় বাসটির মধ্যে থাকা অভিভাবক সদস্য বিদুৎ কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত হয় বাসটিতে থাকা আরো ৪০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষকরা। আহতের মধ্যে বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী সুদিপ্ত বিশ্বাসকে যশোর জেনারের হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
    এদিকে দুর্ঘটনার খবর শুনে আহত ও নিহতেন খোঁজ খবর নিতে আসেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। একের পর এক এ্যাম্বুলেন্স আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে যশোর হাসপাতালে আসলে হাসপাতাল চত্বরে শোকাবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল চত্বরে রোগীর স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।
    আহতদের খোঁজ খবর নিতে এসে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, দুর্ঘটনায় কবলিত সকল শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় কোন অসু্বিধা হবে না। চিকিৎসার যাবতীয় অর্থ ও সহযোগিতা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় আমরা শোকাহত। যশোর জেনারেল হাসাপাতারের ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, যশোর জেনারেল হাসাপাতালে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় একজনকে আনা হয়। বাকী আর একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। ১৫ জন আহতের মধ্যে ৩ জনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার মধ্যে এক জনের অবস্থা গুরুতর।

  • গঙ্গা বিলাশের পর্যটকদের স্বরূপকাঠিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন

    গঙ্গা বিলাশের পর্যটকদের স্বরূপকাঠিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন

    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি,
    ‘গঙ্গা বিলাস’ বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘযাত্রার প্রমোদতরী এর পর্যটকরা ঘুরে গেলেন স্বরূপকাঠি। বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির আটঘর কুড়িয়ানার পেয়ারা বাগান ঘুরে দেখেন।বৃৃৃৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টায় ট্রলারযোগে ২৮ পর্যটক (২৭ জন সুইজারল্যান্ডের ও ১জন জার্মান নাগরিক) নেছারাবাদ থানায় পৌছান বেলা ১০ টায়। থানায় পর্যটকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) মো. রিয়াজ হোসেন ও ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন। কুশল বিনিময়ের পর পর্যটকরা উপজেলা সদরের পৌর শহরের মূল বন্দর ঘুরে দেখেন। এরপর একপর্যায়ে সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভাসমান কাঠের বাজার ঘুরে দেখেন। এসময় তারা বিভিন্ন ব্যবসায়ী, দোকানীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে পর্যটকরা ট্রলার যোগে বানারীপাড়া চলে যান। সার্বক্ষনিক তাদের সাথে থেকে সহযোগীতা করেণ নেছারাবাদ থানা পুলিশ, এনএসআই, ডিএসবি কর্মকর্তাগন সাথে ছিলেন।

    আনোয়ার হোসেন
    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর)প্রতিনিধি।

  • ধনবাড়ীতে এক পরিবার কে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

    ধনবাড়ীতে এক পরিবার কে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

    হাফিজুর রহমান,
    টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর মুশুদ্দি গ্রামে এক পরিবার কে পারিবারিক শশ্রুুতার জেরে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভোক্তভূগী পরিবার।

    ভোক্তভূগী সাইফুল জানান, আমি পৈত্তিক সম্পতিত্তে বসবাস করে আসছি। পারিবারিক কলহের জেরে আমার প্রবাসী ভাই হারুন অর রশিদ ও ভাই আব্দুর রহমান টিক্কা’র মেয়ে ঋৃতু ও হারুনের স্ত্রী রুবিনা এবং আনোয়ারা গংরা জোর পূর্বক আমার রান্না ঘর ভেঙ্গে দেয়। শৌচাগারে তালাবদ্ধ করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। এমতাবস্থায় প্রকৃতির ডাকের কাজ করা ও গোসল করতে পারছি না। এঘটনায় ধনবাড়ী থানায় আমি একটি লিখিত অভিযোগ দায়ে করি। পরে থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে এসে বিবাদীদের কে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত তাদের ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। পরে নির্মাণ কাজ ঐ সময় বন্ধ করে রাখে। কোন অদৃশ্য কারণে বিবাদীরা একদিন পর থেকেই আবারো নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসছে। আমার বাড়ীর বাহিরে গরুর গর ভেঙ্গে ফেলে সেখানে আব্দুল করিম ঘর নির্মাণ করছে। বাড়ীর ভিতরে রান্না ঘর ভেঙ্গে দিয়ে হারুনের স্ত্রী রুবিনা তিনি ঘর নির্মাণ করছে। বিবাদীরা খুবই খারাপ মানুষ। বর্তমানে আমি জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। আমি প্রায় ৭ দিন যাবত গোসল করতে পারছি না। খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছি। এঘটনায় আমি সটিক বিচার দাবী করছি।

    এব্যাপারে বিবাদী রুবিনা ও ঋৃতু জানান, আমাদের ঘর নির্মাণ করার দরকার তাই ছাইফুলের রান্না ঘর আমরা ভেঙ্গে দিছি। সেই সাথে তারা আরোও বলেন, থানার ওসির কাছে থানায় গিয়েছিলাম ওসি কে দলিল দেখালে সে বলেছে জায়গায় যেহেতু আপনাদের, সেখানে ঘর ওঠাবেন নাকি পাঘার খুদবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার। তাই আমরা তার রান্না ঘর ভেঙ্গে দিয়ে ঘর নির্মাণ করছি। তবে, থানা কৃর্তপক্ষ কোন লিখিত ভাবে নির্দেশ প্রদান করেছে কিনা জানতে চাইলে তারা কোন প্রমাণ দলিলাদি দেখাতে পারেনি। তবে স্থানীয় মুশুদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু কাউসার তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন এটা তাকে জনানো হয়নি স্থানীয় মেম্বার কে নিয়ে সালিশ করা হয়েছে।

    এব্যাপারে আব্দুর রহমান টিক্কা’র মেয়ে ঋৃতু বলেন, আমাদের জায়গায় আমরা ঘর নির্মাণ করতেছি। এতে ছাইফুলের কী সমস্যা। এই বলে তিনি আর কোন কথা বলেননি।

    এবিষয়ে মুশুদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু কাউসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঢাকাতে রয়েছি। বিষটি নিয়ে এলাকায় এসে বসে মীমাংসা করে দেওয়া হবে।

    এঘটনায় ধনবাড়ী থানার ওসি এইচ এম জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, বিবাদী পক্ষ থানায় আসলে তাদের কে বলা হয়েছে জায়গা-জমির ঝামেলা এটা এসিল্যান্ড অফিস ও আদালতের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। তবে বিবাদীদেরকে কোন ধরণের ঘ্র নির্মান বা ভেঙ্গে ফেলতে বলা হয়নি বলেও তিনি জানান।

  • ধনবাড়ীতে হত্যা মামলার সাক্ষী দেওয়ায় কাউন্সিলর কে হত্যার হুমকি

    ধনবাড়ীতে হত্যা মামলার সাক্ষী দেওয়ায় কাউন্সিলর কে হত্যার হুমকি

    হাফিজুর রহমান,
    টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আ’লীগ নেতা আব্দুল মজিদ মিন্টু’কে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেনের বিরুদ্ধে।

    মামলার বিবরণ থেকে ও মামলার বাদী সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আ’লীগ নেতা আব্দুল মজিদ মিন্টু জানান, পৌরসভার চাতুটিয়া গ্রামের কাদের নামের এক ব্যাক্তিকে প্রকাশ্য দিবালোকে মারপিট করে হত্যা করেন বিবাদী আলতাফ গংরা। হত্যার ঘটনাটার আমি এক নাম্বার সাক্ষী হওয়ায় আমার সাথে বিবাদীরা ঐ সময় থেকে শশ্রুুতা করে আসছে। এর জের ধরে গত (২৭ জানুয়ারী ২৩)ইং শুক্রবার বিবাদী আলতাফ হোসেন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার ঘরে প্রবেশ করে আমাকে এলোপাথারী মারপিট করে। এসময় অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে আমার কাছ থেকে তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক সাক্ষর নেয় ও আলমারীর ড্রয়ার হতে ধনবাড়ী সোনালী ব্যাংকের চেক বইয়ে আমার সাক্ষরিত দুইটি চেক পাতা নিয়ে নেয়। চলে যাওয়ার সময় আমাকে বলে মামলা করলে তোকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলব বলে হুমকি দেয় আলতাফ। পরে আমার ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে আহতবস্থায় উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। আমি চিকিৎসা নিয়ে ধনবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে থানার ভিতরে আলতাফের সন্ত্রাসী বাহিনীরা আমাকে হামলা করে মারপিট করে। পরে আমি এঘটনায় টাঙ্গাইল সিনি: জুডি: ম্যাজি: ধনবাড়ী থানা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করি।

    আলতাফ বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। এই মামলা টি বর্তমানে পুলিশ সুপার(সি আইডি)এর কাছে তদন্তাধীন রয়েছে। মামলা দায়ের এর পর থেকেই আলতাফ গংরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আসামীদের হত্যার হুমকির ভয়ে আমি এখন বাড়ী ছাড়া। এঘটনায় আসামীদের দ্রুুত গ্রেপ্তার সহ সু-বিচরে জন্য আমি মাননীয় জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    আসামীরা হলেন- চাতুটিয়া গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে (১) আলতাফ হোসেন(৬২), মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ(৫০), নওশাদ আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম(৩৬) সহ আরো অজ্ঞাত ৫।

    এব্যাপারে বিবাদী আলতাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মিন্টু আমার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ধার নেয় সেই ধারের টাকা নিয়ে ঝামেলা। আমার বিরুদ্ধে মিন্টু থানায় আভিযোগ করতে গেলে থানায় ভিতরে আমার ভাতিজা সেজনু সে রাগানিত হয়ে মিন্টুকে মারপিট করে । তবে আমি তাকে হুমকি বা মারপিট করিনি।