কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সুনামগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এবং শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুটকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতারা।
দীর্ঘ ৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এই সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এই সম্মেলনকে সামনে রেখে সারা জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নেতা কর্মীদের দৌড় যাপ। গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবী হাতিয়ে নেওয়ার আশায় খন্ড খন্ড গ্রপের নেতাদের প্রচার প্রচারণার যেন শেষ নেই। যার যার সমর্থকরা তাদের পছন্দের নেতাদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান। ১১ই ফেব্রুয়ারী সুনামগঞ্জ পৌর শহরের জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন। যেখানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দরা এবং সম্মেলনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবেন ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কার কাঁদে তুলে দেওয়া হবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব? গত সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যাদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির তালিকা প্রকাশের পর খন্ড খন্ড হয়েছিল জেলা আওয়ামী লীগ। রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মসূচি পালন করতে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট ও তার অনুসারীদেরই দেখা গিয়েছে মাঠে ময়দানে রাজ পথে আন্দোলন করে জামাত বিএনপিকে মোকাবেলা করতে। এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলায় নুরুল হুদা মুকুটের নেতৃত্বে ত্যাগী নেতা কর্মীদের প্রতিটি কর্মসূচি পালন করতে দেখাগেছে জেলাজুড়ে। তারই ধারা বাহিকথায়। এবার সম্মেলনে দল নুরুল হুদা মুকুটকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করবেন এমনটি আশাবাদী মুকুট অনুসারীরা। সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে শুনেই তাদের তৃণমূলের নেতা কর্মীদের মনে আশার আলো দেখা দিয়েছে। নেতারা জানান আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুটের কোন বিকল্প নেই এমন গুনঞ্জন শুনা যাচ্ছে জেলাজুড়ে।
গত সপ্তাহ খানেক সরেজমিনে ঘুরে শতাধিক নেতা কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় নুরুল হুদা মুকুট ছাড়া সুনামগঞ্জ অন্য কোন নেতা কর্মীরা যদি আওয়ামী লীগের সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান তাহলে আগামীতে খন্ড খন্ড হয়ে ধংশের দাড়প্রান্তে চলে যাবে জেলা আওয়ামী লীগ। এমনকি আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় অনিশ্চিত হতে পারে? কারন গত ৭ বছর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অবহেলার কারনে প্রতিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের ভরা ডুবি হয়েছে। তাই এবার দল নুরুল হুদা মুকুটকে সভাপতি করে ত্যাগী নেতাদের স্বপ্ন পূরণ করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবেন এমনটি আশাবাদ ব্যক্ত করেন শতশত তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।
আর তাদের প্রিয় নেতার জন্য সম্মেলনে দলে দলে হাজার হাজার নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় ভরে উঠবে শহরের রাজপথ।
বিশ্বম্ভপুর উপজেলা থেকে কয়েক হাজার নেতা কর্মীদের নিয়ে বিশাল শোডাউন নিয়ে প্রিয় নেতা নুরুল হুদা মুকুটকে সভাপতি হিসেবে দেখতে বিশ্বম্ভপুর উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ তৈয়বুর রহমান এর নেতৃত্বে সকাল ১০টায় শহরে প্রবেশ করবে ৪০টি ট্রাক ভর্তি ও ৪ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে একটি বিশাল মিছিল। এছাড়া জেলা মুক্তি যোদ্ধা সন্তান কমান্ড, মুক্তি যোদ্ধা সংসদসহ ছাত্রলীগ যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা কেপ মাথায় তৈয়বুরের নেতৃত্বে শহরে প্রবেশ করবে।এছাড়াও ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল, যুবলীগ এবং প্রতিটি অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্বে মুকুট অনুসারীরা মিছিলে মিছিলে নুরুল হুদা মুকুটকে সভাপতি হিসেবে দেখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট দাবী জানিয়ে মুখরিত করে তুলবেন সারাশহর। কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীরা মুকটকে সভাপতি করে তৃণমূল নেতাদের প্রাণের দাবীর মূল্যায়ন করবেন এমনটি আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
Author: desk
-

সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে নুরুল হুদা মুকুটকে চায় তৃণমূল নেতারা
-

বেতাগীর মোকামিয়া বাজারে বিএনপি কর্মির বসত ঘরে হামলা ও ভাংচুর
বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া বাজারে বিএনপির কর্মি প্রভাষক রফিকুল ইসলামের বসত ঘরে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।ইউনিয়ন বিএনপি সুত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় বিএনপির ঘোষিত ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য শুক্রবার (১০ ফ্রেরুয়ারি) বিকেল ৫টায় মোকামিয়া বাজারে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রভাষক মো: রফিকুল ইসলামের বাসার সম্মুখে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের একটি প্রস্তুতি সভা ও চা চক্র অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রভাষক মো: রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান এটিকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী জালাল আহম্মেদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মি মিছিলসহ এসে তাঁর বসত ঘরে হামলা চালায়। তাঁরা বসত ঘরে ভাংচুর চালিয়ে আসবাবপত্র তছনছকরে ও আলমীরা থেকে কানের দুল নিয়ে যায়। এসময় তার স্ত্রী আঞ্জুমানারাা বেগম (৩০) ও মেয়ে অরিশা (৬) আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ছোটাছুটির চেষ্টা করলে তাদেরকে ঘরের ভেতরে বসিয়ে রাখা হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাত ১০ টায় উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো: হুমায়ূন কবির মল্লিক নিন্দা জানিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত ইউনিয়ন পর্যায়ে আগামী শনিবার মোকামিয়া বাজারে পদযাত্রা অনুষ্ঠানের কথা ছিলো এ খবর পেয়ে উক্ত কর্মসূচি নস্যাৎ করার জন্যই এ হামলা এবং বসত ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। এর মাঝেও পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। মোকামিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি মো. ফিরোজ আলমসহ একাধিক নেতাও এর তীব্র প্রতিবাদ করেন।
বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ বিষয়ে তার কাছে কোন তথ্য জানা নেই। এপর্যন্ত এ নিয়ে কেউ থানায় কোন অভিযোগও করেনি। মোকামিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জালাল আহম্মেদ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। কেউ অভিযোগ করলে তা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।তবে বিএনপি নেতার ঘরে বোমা তৈরি করা হচ্ছে এমন খবরে পেয়ে সেখানে দলীয় কর্মিরা গিয়ে ছিলো বলে আমি যতটুকু জানি।
-

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদক ও ইফটিজিং বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর মহিশালবাড়ীতে নবজাগরণ সেচ্ছাসেবী সংগঠনের আয়োজনে মাদক ও ইফটিজিং বিরোধী এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় নবজাগরণ সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম।
কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা সুফিয়া জামালের সঞ্চলনায় বক্তব্য প্রদান করেন, মহিশালবাড়ী জামে মসজিদের খতিব, শাহ সুলতান কামিল মাদ্রাসার আরবী বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মাও. মোঃ দুরুল হোদা, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলমগীর কবির তোতা, সি এন্ড জামে মসজিদের খতিব মাও. মীম ওবাইদুল্লাহ, সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন প্রমূখ।
উপস্থিত ছিলেন, আল ইসলা ইসলামী একাডেমীর সহকারি প্রধান শিক্ষক তারেক আহম্মেদ আনীক, অফিস সহকারি হামিদ রানা, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম, সহকারি শিক্ষক জিয়াউর রহমান।
বক্তাগণ বলেন বিভিন্ন দপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই শক্তিশালি, মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশ, বিজিপি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সদস্যরা এখন বীর দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
গোদাগাড়ীতে কেজি কেজি হেরোইন, গাঁজা, হাজার বোতল ফেনসিডিল, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া থাকা শর্তেও হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, মদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য আসে কি করে। সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রশাসন, সচেতন মহল আন্তরিক হলে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাদকবদ্র্য প্রতিরোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ইমাম, এলাকাবাসী সাংবাদিকদের একযোগে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। হেরোইন, ইয়াবা, ইদানিং গাঁজা, মাদক ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। মহিশালবাড়ী গরুর হাটে, বিদিরপুর ক্লাব, প্রেমতলী, নিমতোলা, রাজাবড়ি, পিরিজপুর, আলিমগজ্ঞ, গোপালপুর প্রভূতি স্থানে মাদকের হাট বসে। উপজেলার বসুদেবপুর, মাদারপুর, গোপালপুর, মিষ্টির দোকানের সামনে হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিলের কারবার চলে এছাড়া রাজাবাড়ী, প্রেমতলী হাসপাতাল এলাকা, রেলবাজার মনির হোটেল, কসাইপাড়া, মহিশালবাড়ী গরুরহাট, সুলতানগজ্ঞ, ফিরোজচত্তর, সুলতানগজ্ঞ, বাসুদেবপুর, পিরিজপুর, কুমুরপুর, মাদারপুর, শিবসাগর প্রভূতি এলাকায় অবাদে হোরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্নধরের মাদকসেবন, বেচাবিক্রিসহ ছোটবড় অপরাধ হয়। ওই স্থানে অভিযান ও মোবাইল কোর্টসহ মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম বলেন, গোদাগাড়ীর স্বল্প সংখ্যক লোক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এদের প্রতিহত করতে না পারলে আমরা সাবাই কি বেঁচে আছি, মরে গেছি। মাদক ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে নিয়ে মসজিদ বানাচ্ছি, মসজিদ তিনতলা করতে হবে কেন, তার বড় দানের জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারী বানাচ্ছেন। মাদক ব্যবসায়ীর নিকট ছেলে মেয়ের বিয়ে দিবেন না, তাদের সাথে কোন সম্পর্ক রাথবেন না। তাদেরকে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা মসজিদ কমিটির সভাপতি বানাবেন না, যদি বানায় তবে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছেলে মেয়েদের ভর্তি করবেন না। যারা মাদক ব্যবসা করে তারা নিজের পরিবারের সদস্য দিয়ে মাদক টেষ্ট করান এবং টেষ্ট করতে করতে সে মাদক সেবী হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ পাস করা এক ছাত্রকে মাদক সেবন করার অভিযোগে মোবাইল কোট করে জেল দেয়া হয়েছে। ইফটিজিং করে এলাকার ছেলেরা অভিভাবক যদি সচেতন হয় তবে মাদক ও মুক্ত হবে।এসভায় ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, কোন পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতা থাকে প্রমান করতে পারেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। থানায় আসতে দালাল লাগবে না। জি.ডি করার জন্য এক দালাল ৫ শ টাকা উৎকোচ গ্রহন করায় তাকে গ্রেফতার জেল হাজাতে প্রেরন করা হয়েছে। শ্রমিক, ভ্যানচালকসহ যে কেউ আসতে পারেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কোন মাদক ব্যবসায়ী, শিশু নির্যাতন, কোন আপরাধ করে পার পাবে না। সুলতানগঞ্জ থেকে রাজশাহী পর্যন্ত মাদক কারবার চলে। গোদাগাড়ী মডেল থানা থেকে কোন মাদক ব্যবসায়ী ছাড় পায়নি। ইফটিজারকে গ্রেফতারকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। এ সংগঠনের হাত ধরে মহিশালবাড়ী মাদকমুক্ত, ইফটিজিং মুক্ত গোদাগাড়ী উপহার দিবেন।
মোঃ হায়দার আলী
নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজশাহী। -

মামীর গরম চায়ের পানিতে ঝলছে গেলো এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী
নাজিম উদ্দিন রানাঃলক্ষ্মীপুরে কলেজ ছাত্রী মাইশা আলম প্রীতির (১৭) মুখমণ্ডল ও গাঢ়ে গরম চা ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রীতির মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি নিয়ে তার মামী রাশেদা বেগম লিপি এ ঘটনা ঘটায়। আহত অবস্থায় প্রীতিকে সদর হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার (৯ নম্বর ওয়ার্ড) লামচরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্ত লিপিকে ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয় প্রীতির অন্যান্য স্বজনরা।
প্রীতি একই এলাকার আবুধাবি প্রবাসী খোরশেদ আলমের মেয়ে ও লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী। অভিযুক্ত লিপি আবুধাবি প্রবাসী রাকিবুল হাসানের স্ত্রী।
প্রীতির মা রোমানা বেগম ও মামা মো. শাকিলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রীতির টনসেলের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। এতে ঘটনার সময় গোসল করার জন্য পানি গরম করতে যায় তার মা রোমানা। তখন গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে লিপি বাধা দেয়। এতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লিপির হাতে থাকা ফুটন্ত গরম চা প্রীতির মুখ ও ঘাড়ে ঢেলে দেয়। এতে তার মুখ ও ঘাড় ঝলসে যায়।
অভিযুক্ত রাশেদা বেগম লিপি বলেন, আমাকে একা পেয়ে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে প্রায়ই রোমানা ও প্রীতি মারধর করে। ঘটনার সময় আমি গ্যাসের চুলাতে চা বানাচ্ছিলাম। গ্যাসের স্পিড কম থাকায় অন্য চুলা জ্বালাতে নিষেধ করি। এতে প্রীতির মা রোমানা আমাকে গালামন্দ করে। এনিয়ে প্রতিবাদ করায় তারা মা-মেয়ে আমার মাথার চুল টেনে ধরে। তখন আমার হাতে থাকা চা ছিল। চুল ছাড়তে বললেও তারা ছাড়েনি। এতে আমার হাত থেকে চা পড়ে গিয়ে প্রীতির মুখসহ শরীরে পড়ে। আমি ইচ্ছে করে কিছু করিনি। পরে তারা আমাকে বেদম মারধর করে ঘরের দরজা বন্ধ করে।
আহত মাইশা আলম প্রীতি বলেন, মামি আমার মুখে গরম চা ঢেলে দিয়েছে। এতে আমার মুখ ও ঘাড় ঝলসে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কমলাশীষ রায় সাংবাদিকে জানান, মেয়েটির মুখমণ্ডল ও ঘাড়ে গরম পানিতে ঝলসে গেছে। এতে শরীরের ৫ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে। তবুও আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে রাখছি।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন ঢাকা মেইলকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

ধামইরহাটে ২ দিন ব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
আবুল বয়ান, ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে ২ দিন ব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০ টায় মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে সামাজিক সংগঠন চিরি পাড়ের যুব সমাজের উদ্যোগে ও ধামইরহাট উপজেলা সুধী সমাজের সহযোগিতায় ১ম রাউন্ডের প্রতিযোগিতায় ‘যুক্তিই হোক মুক্তির পথ’ প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা বিতর্ক উৎসব ২০২২-২৩ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল ই রব্বানীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আজাহার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে সরকারি এম এম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ইতিহাসবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম, মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মাকসুদুর রহমান বিদুৎ, সফিয়া পাইলট উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান সাবু, সুপার স্টার গ্রুপের এজিএম হোসেন শাহনেওয়াজ, প্যানেল মেয়র মেহেদি হাসান, অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও আয়োজন চিরিপাড়ের যুব সমাজের সভাপতি মো. আবাবিল, সম্পাদক মাবুদ হোসেন, ইসবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম, লক্ষন পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি সাদেকুর রহমান, খেলনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিনিধ ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে খেলনা, আড়ানগর, লক্ষনপাড়া ও পলাশবাড়ী সরকার পক্ষে ও ইসবপুর, হরিতকীডাঙ্গা, চন্ডিপুর ও ভাতকুন্ডু কেএন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিরোধী দলের পক্ষে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
আবুল বয়ান
ধামইরহাট ,নওগাঁ। -

মাদারীপুরে অবৈধ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
মাদারীপুর প্রতিনিধি :
মাদারীপুর সদর উপজেলা ঝাউদি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অবৈধ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সভা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫ টায় কুলপদ্দি বাজার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগের ঝাউদি ইউনিয়ন শাখার সিনিয়র সহ – সভাপতি ইউনুস মোল্লার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম হালিমের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, রেজাউল হক রিজেন ও বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী লোকমান বেপারী, সাবেক ঝাউদি ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, লুৎফর সর্দার,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি, মোক্তার হোসেন আকোন,মো: মন্টু খান, সভাপতি ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগ, এনামুল হক খান, সুজন হাওলাদার, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান হবি প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ঝাউদি ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মজুমদার ও সভাপতি ফিরোজ মুন্সি কাউকে না জানিয়ে গোপনে একটি কমিটি গঠন করে যাহা নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়। আমরা এই অবৈধ কমিটি মানি না আর মানবো না। এই ভুয়া কমিটির বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাই। অবৈধ কমিটি বাতিল করে পুনরায় নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা।
-

কক্সবাজারের ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় শীতার্ত মানুষ উপকৃত
মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় এলাকার বিভিন্ন মানুষের মধ্যে আজ (১০ ফেব্রুয়ারি) কম্বল ও শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বিকেলে স্থানীয় হাইস্কুল মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঈদগাঁও থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবির। কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়ার সহায়তায় এবং ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ এর অর্থায়নে সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। শীত সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার (শিশু বিভাগ) ডাক্তার আবদুর রহিম আমানি, ঈদগাঁও মডার্ন হাসপাতাল এন্ড ডায়াবেটিক কেয়ার সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার মোঃ ইউসুফ আলী, ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপি’র অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস শুক্কুর, ঈদগাহ মেডিকেল সেন্টারের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নজরুল ইসলাম, বদরখালী ডিগ্রী কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক জাহেদুল হাসান, ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক নুরুল আমিন, ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য রমজান আলী, মাছুয়াখালী রত্নগর্ভা রিজিয়া আহমদ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা ঈদগাঁও উপজেলা শাখার সহ- যুব বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন আলপনা, ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবসায়ী নুরুল আমিন প্রমুখ।
ঈদগাঁও প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় ও সাধারণ সম্পাদক শেফাইল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর বাঙালি, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম, শফিউল আলম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন পিন্টু, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আলা উদ্দিন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক কাউছার উদ্দিন শরীফ, কার্যনির্বাহী সদস্য রাশেদ কামাল সহ অন্য নেতৃবৃন্দ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অফিসার ইনচার্জ এ ধরনের মহতি কার্যক্রমে এলাকার বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। গোলাম কবির বলেন, এলাকাবাসীর কল্যাণে ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের এ উদোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে আনতে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রেস ক্লাব সভাপতি বলেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রশাসন এবং ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা দিয়ে এলাকাবাসীর জন্য কিছুটা ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আগামীতেও মানুষের কল্যাণে নানা জনহিতকর কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান।
উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার সুবিধাবঞ্চিত অর্ধ-শতাধিক শীতার্ত মানুষ উপকৃত হয়েছে। -

আগৈলঝাড়ায় আঃখালেক সেরনিয়াবাতের আত্মার মাগফিরাত কামনার্থে দোয়া
বি এম মনির হোসেনঃ-
স্বাধীন দেশের প্রথম কৃষি, সেচ ও পানি সম্পদ মন্ত্রী, বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা, ’৭৫এর ১৫ আগষ্ট জাতির পিতার পরিবারের সাথে শহীদ হওয়া আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাবা এবং মন্ত্রী মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ -এমপি’র দাদা, আগৈলঝাড়ার গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট আঃখালেক সেরনিয়াবাতের ৫০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আঃখালেক সেরনিয়াবাতের রুহের মাগফিরাত কামনায় তাঁর নাতি মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র উদ্যোগে আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল গ্রামের নিজ বাড়িতে ১০ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার দিন ব্যাপী কোরান খতম, বাদ জুম্মা দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরিশাল পোর্ট রোড জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা কাশেম এর পরিচালনায় মরহুম আঃখালেক সেরনিয়াবাত, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জননী বেগম সাহান আরা আবদুল্লাহ, ১৫ আগষ্ট সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল ও দেয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসনানাত আবদুল্লাহ, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাদেকুল আরেফিন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, জেলা প্রশাসক মাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার মোঃ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর, এফবিসিসিআইসির পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা সেরনিয়াবাত মঈন আবদুল্লঅহ, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌরনদী সার্কেল এস এম আলবেরুনী,আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু সাইদ নান্টু,আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম ছরোয়ার, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ হেলাল উদ্দিন, গৌরনদী উপজেলা
প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান দিপ, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন,
গৌরনদী রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি ও আনন্দ টিভির বিভাগীয় বুরপ্রধান কাজি আলামিনসহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রগন, সরকারী পদস্থ কর্মকর্তাগণ, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগন। -

শেখ হাসিনা সুনামগঞ্জে যার হাতে নেতৃত্ব দিবেন তার হয়ে কাজ করবো-সেলিম আহমদ
কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ
১১ই ফেব্রুয়ারী ২০২৩ইং অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। আর এই সম্মেলনকে ঘিরে শুরু হয়েছে নেতা কর্মীদের দৌড় যাপ। কে হবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সেই ভাবনা জল্পনা-কল্পনা নিয়ে হতাশায় পহর গুনছেন গ্রুপিংয়ের নেতা কর্মীরা। অনুসন্ধান দেখা যায় আদর্শের পরিবর্তে ক্ষমতার লোভই রয়েছে বেশি নেতা কর্মীদের মনে। আর ক্ষমতাসীন নেতাদের কথা যেন ভিন্নতা অনেকে সারা বছর মাঠে কাজ না করে আন্ডার গ্রাউন্ডে রাজনীতি করে অদৃশ্য ক্ষমতার বলে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবী হাতিয়ে নেবেন এমন গুনজন রয়েছে সারা জেলাজুড়ে। গত ৭ বছর পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে সভাপতি হন আলহাজ্ব মতিউর রহমান এবং সিনিয়র সহ সভাপতি হন আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট ও সাধারণ সম্পাদক হয়ে ছিলেন ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন? পরবর্তীতে দেখা যায় জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির তালিকায় এক ঘরের ভিতরে গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবী ভাগিয়ে নেন অনেকে। যে কমিটিতে অনেক ত্যাগী নেতাদের স্থান হয়নি। যে কারনে জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে শুরু হয় গ্রুপিং। খন্ড খন্ড হতে থাকে জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে। যার জন্য গত ৭ বছর বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ফায়দা লুটেন জাতীয় প্রার্টির নেতা কর্মীরা। যেখানে উন্নয়ন হচ্ছে খোঁজ নিলেই সাধারণ মানুষের মুখে জাতীয় প্রার্টির নেতাদের নাম চলে আসে? আওয়ামী লীগের সরকারের উন্নয়ন ফায়দা লুঠে আগামী সংসদ নির্বাচনে নিজেদের জন্য ভোটের মাঠ তৈরী করে নিয়েছেন অন্য দলের নেতারা।নির্বাচন এলেই দেখা যায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে গ্রুপিংয়ের কারনে নৌকার প্রার্থীদের বড়াডুবির দৃশ্য যা দেখেছেন সবাই। এছাড়াও অনেক শীর্ষ নেতাদের রাজনৈতিক মাঠে বছরে একদিনও কোন মিটিং মিছিল করতেও দেখা যায়নি এমন নেতারাও রয়েছেন বসন্তের কোকিলের মত ১১ তারিখের সম্মলনে গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবী হাতিয়ে নেওয়ার আশায়। আবার অনেক ত্যাগী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতারাও রয়েছেন যারা ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতি করে রাজ পথকে দখলে রেখেছেন আন্দোলন সংগ্রাম করে জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির গ্রুরুত্বপূর্ণ একটি পদের আশায়। আবার অনেক তরুণ প্রজন্মের নেতাদের দেখা যাচ্ছে যারা পদ পদবীর আশা না করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিজেদের অর্থায়নে ও মেধা শ্রম দিয়ে দিনে রাতে সমাজের উন্নয়ন করে অসহায় মানুষের পাশে চলেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সপ্ন পূরণ করতে।
যার রূপেরেখা ফুঠে উঠেছে সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ সেলিম আহমদের মধ্যে। সারা জেলাজুরে যিনি ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন পরিক্ষিত নেতা হিসেবে সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন। ১১ তারিখের সম্মেলনে সকল নেতাদের চেয়ে সেলিম আহমদের মধ্যে ফুঠে উঠেছে বিন্নচিত্র? যেখানে সবাই পদ পদবীর আশায় নিজেদের ঘুম হারাম করে নিয়েছেন সেখানে সেলিম আহমদের পদ পদবীর কোন টেনশন নেই? বা কে হবেন জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সেই পছন্দের কোন প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে কোন মন্তব্য নেই তার কাছে? রাত শেষে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কিন্তু সেলিম আহমদ সামাজিক উন্নয়নশীল শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ নিয়ে ব্যস্ত, শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ নিয়ে ব্যস্ত, অসহায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা স্কুল কলেজে অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছে না তাদের মধ্যে শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া, যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেনা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া এইসব নিয়ে দিনরাত একজন সমাজ সেবকের ভূমিকা পালন করে চলেছেন। সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ সেলিম আহমদ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা যার হাতেই জেলা কমিটির নেতৃত্ব দিবেন আমি তার হয়েই কাজ করব। সুনামগঞ্জ জেলার সকল নেতাদের আমল নামা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে রয়েছ তিনি যাকেই নেতৃত্বের আসনে বসাবেন আমি একজন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে তার হয়ে কাজ করে যাব। আমি আশাবাদী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত সবাই মেনে নেবেন তিনি আরও বলেন আওয়ামী লীগের মধ্যে যতই গ্রুপিং থাকুক দিন শেষে সবাই এক এবং সকল নেতাদের কাছে সুন্দর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এমনটি আশাবদ ব্যক্ত করেন তিনি এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ১আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন শ্রমিক সভাপতি সেলিম আহমদ তিনি বলেন শেখহাসিনা তাকে নৌকার মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন বলেও জানান।## -

জয়পুরহাটের কালাইয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের কালাই হাজিপাড়া মোড়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নজরুল ইসলাম (৭২) নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। ওই ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক গুরুত্বর আহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের হাজিপাড়া মোড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত পথচারী কালাই উপজেলার হাজিপাড়া গ্রামের মৃত নইমুদ্দিনের ছেলে।
গুরুত্বর আহত মোটরসাইকেল চালক শান্ত ইসলাম (২০) জেলার আক্কেলপুর উপজেলার ভান্ডারিপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, মোটরসাইকেল চালক শান্ত মোটর সাইকেলযোগে জয়পুরহাট থেকে বগুড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মহাসড়কের হাজিপাড়া মোড়ে রাস্তা পারাপারের সময় ওই মোটর সাইকেলটি বৃদ্ধকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ওই বৃদ্ধ মারা যান।
এ সময় চালক শান্ত মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তার উপরে পরে গুরুত্বর আহত হন। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।
কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ, এস এম মঈনুদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।