Author: desk

  • জমকালো ও বর্ণ্যাঢ্য আয়োজনে সারাদেশে  জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রস্তুতি সভা

    জমকালো ও বর্ণ্যাঢ্য আয়োজনে সারাদেশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রস্তুতি সভা

    আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয় প্রেসক্লাবে কেটে পালন করা হবে। ১৯৮২ সালের এই দিনে মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসে ওরা ১১ জনের নেতৃত্বে পথচলা শুরু করে একে একে ৪১টি বছর পিছনে ফেলে এই সংস্থা রচনা করেছে ৪২ বছরের এক গৌরবময় ইতিহাস। এই ইতিহাস অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, সাফল্য আর ঐতিহ্যের ইতিহাস। একটি গঠনমুলক গণতান্ত্রিক সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে, একটি একক ও অনন্য অনানুষ্ঠানিক সাংবাদিক শিক্ষা,গবেষণা ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দেশের হাজার হাজার সংবাদকর্মীর মনে করে নিয়েছে তার স্থায়ী আসন। বর্তমানে সারা দেশে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২১ হাজার এবং শুধু দেশে নয় বাইরে সৌদি আরব, জার্মান, মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন কান্ট্রি তে রয়েছে এর শাখা কমিটি।

    দেশের অভ্যুদয়ের পর একটি স্বাধীন দেশের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজে মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসে একক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা। এর আগে পত্রিকা কেন্দ্রে কর্মরত সাংবাদিক এবং জেলা ও থানা সদরে কর্মরত সাংবাদিকদের কোন একক সাংবাদিক সংগঠনের অস্তিত্ব ছিলো না। তাই গত ৪১ বছরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য মন্ডিত সংগঠন হিসেবে সর্ব মহলে স্বীকৃতি পেয়েছে।

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের সকল জেলা-উপজেলা সদরে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভাসহ বর্ন্যাঢ্য কর্মসূচী পালিত হবে। রাজধানীতে সেদিন সকাল ১১টায জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আনন্দ মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন নুর ইসলাম ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও ঢাকা বিভাগ কমিটির নেতৃবৃন্দ আনন্দ মিছিলে অংশ নেবেন। আনন্দ মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে স্মৃতি-চারণ ও মিলন মেলা।

    এছাড়াও ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সাংবাদিক অধিকার পক্ষ পালনে মানব বন্ধন ও স্মারকলিপি পেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলবে।

    ১৯৮২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পথচলা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যে সকল সহকর্মী সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম, ত্যাগ-তিতিক্ষা, সততা-নিষ্ঠা, দক্ষতা-আন্তরিকতা ও ভালবাসায় সংস্থা বর্তমান পর্যায়ে এসেছে। ধন্যবাদ

    আমন্ত্রণে;
    মোঃ রাসেল সরকার
    যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা।

  • বাগেরহাটের রামপালে বেপরোয়া গাড়ীর ধাক্কায় নিহত-১ আহত-৪

    বাগেরহাটের রামপালে বেপরোয়া গাড়ীর ধাক্কায় নিহত-১ আহত-৪

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাবুর বাড়ি এলাকায় বেপরোয়া কারের ধাক্কায় বুশান মন্ডল (৫২) নামের এক পথচারী নিহতসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত বুশান রামপাল উপজেলার ভেকটমারী গ্রামের পিজুষ কান্তি মন্ডলের পুত্র। আহতরা হলেন ভেকটমারী গ্রামের ললিত মন্ডলের পুত্র সুনীল বিশ্বাস (৫২), ঝনঝনিয়া গ্রামের মকলেস শেখের পুত্র জিল্লুর রহমান (৫০) ও কাশীপুর গ্রামের শুকুর মোল্লার পুত্র রাজীব মোল্লা (৩৫)। আহতদের মধ্যে সুনীল, জিল্লুর রহমান ও রাজীবের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত চিকিৎসক। লকপুর হাইওয়ের সাব ইনস্পেকটর আ. মালেক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোংলা থেকে মদ পান করে ২ টি কারে থাকা ব্যক্তিরা বেপরোয়া গতিতে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় রামপাল উপজেলার বাবুর বাড়ি নামক স্থানে এলে মোংলাগামী একটি ট্রাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা মেট্রো-গ ৪৫-৮৯৯২ নম্বরের একটি সাদা কার রাস্তার পাশে ছিটকে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় ওই পথচারীরা গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বুশান মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বুশানের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে হাইওয়ে পুলিশ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন বলে জানান। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদকসেবী কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। কিন্তু দূর্ঘটনা কবলিত চালক ও তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়। তবে তাদের ধরার জন্য পুলিশ কাজ করেছে বলে জানান। রামপাল থানার ওসি তদন্ত রাধেশ্যাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।#

  • লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পর্যায়ে  শান্তি সমাবেশ

    লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পর্যায়ে শান্তি সমাবেশ

    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
    সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে অশুভ শক্তির সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন পর্যায়ে শান্তি সমাবেশ করেছে যুবলীগ। সমাবেশ থেকে বিএনপি পদযাত্রার নামে নৈরাজ্যে’র প্রতিবাদ জানানো হয়।
    শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার রায়পুরে জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভূঁইয়া উদ্যোগে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলার ৫২টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিকেল ৩টার দিকে জেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে পদযাত্রা করবে বিএনপি।
    শান্তি সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চরমোহনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন ব্যাপারী, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম হাওলাদার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শাকিল চৌধুরী প্রমুখ।

  • মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি”র ইউনিয়ন পদযাত্রা

    মহালছড়ি উপজেলা বিএনপি”র ইউনিয়ন পদযাত্রা

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    মহালছড়ি উপজেলার সকল ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১১ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইং শনিবার বিকাল ৩.০০ঘটিকায় সকল ওয়ার্ডের স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংগ্রহনের মাধ্যমে পদযাত্রা ও এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এ সময়ে উপস্থিত নেতাকর্মী সহ স্থানীয় জনগণের মাঝে ১০দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

    উক্ত (১নং সদর ইউনিয়ন, ২নং মুবাছড়ি, ৩নং ক্যায়াংঘাট, ৪নং মাইসছড়ি) একযোগে ১০দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পদযাত্রা ও প্রতিবাদ সভায় বক্তাগণ বলেন গ‍্যাস, বিদ‍্যুৎ,চাল,ডাল তেল আটাসহ” নিত‍্য প্রয়োজনীয় দ্রব‍্য’ সার’ ডিজেল সহ কৃষি উপকরণের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ফ‍্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ,দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল বিএনপির নেতাকর্মীদের মুক্তি প্রদান। নেতৃবৃন্দগণ বক্তব্যে আরো বলেন সভায় উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি”র নেতারা বলেন এই অবৈধ সরকার বিদ‍্যুৎ খাতে দুর্নীতি,ভুল নীতি,অপচয় অদক্ষতা,দুর না করে পুনরায় বিদ‍্যুৎদের দাম বাড়িয়েছে,তার ভিতরে আবার গ‍্যাস,চাল ডাল, কৃষি উপকরণ সহ নিত‍্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম যেভাবে বাড়াচ্ছে এতে জনজীবনে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে, এসময় নেতারা বিএনপির দেওয়া ১০দফা বাস্তবায়ন সহ বিদ‍্যুৎ,গ‍্যাস সহ সকল নিত‍্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর জোর দাবী জানান।

  • লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগ -বিএনপি’র সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত

    লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগ -বিএনপি’র সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত

    স্টাফ রিপোর্টার: কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরের ৫৮টি ইউনিয়নে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পথযাত্রা কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে, আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হয়ে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

    শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    জেলা বিএনপির আহবায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    তিনি বলেন, আমাদের ১০ দফা দাবি আদায় হচ্ছে মূল লক্ষ্য। আর সেই দাবি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আজ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজীরপাড়া, মান্দারি, চন্দ্রগঞ্জ, চরশাহী, কুশাখালী ও দিঘলী সহ প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

    এ্যানির সঙ্গে হাসপাতালে আহত নেতাকর্মীদের দেখতে আসেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান হাছিব,জেলা যুবদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম লিটন,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ প্রমুখ।

    এদিকে সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় বিভিন্ন জায়গা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এর মধ্যে কমলনগরে ১৫জন, হাজীরপাড়ায় ২০জন আহত হয়। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন (এমপি) জানান, আমাদের শান্তি সমাবেশে জেলার ৫৮টি ইউনিয়নে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে বিএনপি এখন দিশাহারা হয়ে গেছে। জনগণ তাদের পথযাত্রা কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করেনি। তারা এখন নিজেদের নেতাকর্মীদের হাসপাতালে ভর্তি করে নালিশ করছে।

    লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ মুঠোফোনে বলেন, তিনি লক্ষ্মীপুরের বাহিরে, দুই দলের কর্মসূচী থাকায় আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে।

  • মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভাগ্য বদলে গেলো শার্শার সেতাই গ্রামের মৎস্য চাষি  টুটুলের

    মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভাগ্য বদলে গেলো শার্শার সেতাই গ্রামের মৎস্য চাষি টুটুলের

    আজিজুল ইসলামঃ চাকরি না পেয়ে ২০০২ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন যশোরের শার্শা উপজেলার সেতার গ্রামের কামরুজ্জামান টুটুল । এতেই তার ভাগ্য বদলে যায়। অভাবনীয় সাফল্য আসে তার জীবনে।

    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তায় প্রথম দিকে অল্প পরিসরে ও স্বল্প পুঁজিতে নিজস্ব একটি ছোট পুকুরে কার্প জাতীয় মাছ চাষ শুরু করেন টুটুল। তারপর থেকে টুটুলের আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সাফল্য এসেছে। বর্তমানে টুটুল প্রায় ৭.৬ হেক্টরের, জলায়তনে পাবদা মাছ চাষ করছেন। তার পুকুরে পাবদা মাছের পাশাপাশি রয়েছে রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া সহ বেশ কয়েকটি জাতের মাছ।

    এক সময় টুটুল ছিলেন বেকার। অনেক কষ্টে ধার-দেনা করে পাঁচ হাজার টাকা জোগাড় করেন। এ টাকা দিয়ে বগুড়া জেলার কাহালু থানা থেকে ১২ কেজি মাছের রেণু পোনা কিনে পুকুরে ছাড়েন। এসময় মৎস্য অফিসসহ বিভিন্ন এনজিওতে প্রশিক্ষণ নিয়ে মাছ চাষে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। কাজের মধ্য দিয়ে সেই থেকে টুটুলের নতুন জীবনযাত্রা শুরু হয়। এতে তার সংসারে বাড়তি আয়ের ছোঁয়া লাগে,পরিবর্তন আসে জীবনে।

    তিনি পাবদা মাছ উৎপাদন করে গত ২০১৯ সাল থেকে তা বাণিজ্যিক ভাবে ভারতে রপ্তানি করছেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি মৎস্য চাষ করে আসছেন। তার সাফল্য দেখে আশপাশের ৫০ প্রতিবেশীও মৎস্য খামার গড়ে তুলতে উদ্যোগ শুরু করেছেন।শেষ বছর টুটলের খামার থেকে ১১৫ টন পাবদা মাছ উৎপাদিত হয়েছে।যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

    কামুজ্জামান টুটুল বলেন,খুব সহজেই বেকাররা মৎস্য চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। তিনি আরও বলেন, বেকার যুবকদের মৎস্য খামার করায় উৎসাহ দিতে ব্যাংকগুলো সুদমুক্ত ঋণ দিলে এ অঞ্চলের বেকার যুবকরা দ্রুত স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। তিনি আশা করেন, ব্যাংকগুলো এ ধরনের ঋণ সুবিধা চালু করে বেকারত্ব কমাতে সহযোগিতা করবে।

    শার্শা উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আবুল হাসান জানান,সফল মৎস্য খামারী কামরুজ্জামান টুটুল মাছ চাষের কারণে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা পেয়েছেন। তিনি এই উপজেলায় মৎস্য চাষ করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। মৎস্য চাষে সফলতা অর্জনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। তিনি এবার জাতীয় মৎস্য পুরুষ্কার ২০২৩ পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।

  • মানবিক আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    মানবিক আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি।

    মহালছড়ি জোন কর্তৃক আজ শনিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখে আর্ত মানবতার সেবায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

    কমান্ডার লেঃ কর্নেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূঁইয়া এর নির্দেশনায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্থানীয় তৃপন চাকমা (৪১) জ্যাতি লাল চাকমা (২৯) বিকাশ চন্দ্র চাকমা (৩৯) মেচং চাকমা (৩৩) ভূবন জ্যাতি চাকমা (৪৭) আর্য চাকমা (২৭) নাম উল্ল্যেখিত অসহায় মানুষদের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা দাতকুপিয়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন সুবলকিষ্ট পাড়া এবং গোলাক্ক পাড়া এলাকা দাঁতকুপিয়া আর্মি ক্যাম্পের সাবজোন কমান্ডার মেজর এস এম ইমরুল কায়েস গরীব ও দুস্থ পাহাড়িদের সাথে কুশলাদি বিনিময় ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।

  • নির্বাচনে না আসলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে- কৃষিমন্ত্রী

    নির্বাচনে না আসলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে- কৃষিমন্ত্রী

    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপি ভেঙে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, নির্বাচনে না আসলে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। বিএনপির বহুলোক আওয়ামী লীগে যোগ দিতে আলাপ করতে পারে, অন্যান্য দলেও চলে যেতে পারে।

    শনিবার(১১ ফেব্রয়ারী২৩)ইং বিকালে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুরে এমএ করিম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের ছিলিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াত অশুভ শক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

    মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কোন পাল্টা কর্মসূচী দিচ্ছে না। বিএনপি যাতে আন্দোলনের নামে ২০১৫ সালের মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে না পারে, এবং দেশকে অস্থির করে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে না পারে, সেজন্যই এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন। এর মাধ্যমে আমরা আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে সচেতন করছি ও সক্রিয় রাখছি। এ সমাবেশ মানুষের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য।

    তিনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলন কর্মসূচী করুক, কোনক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। আগে ঢাকায় আন্দোলন করতো বিএনপি, সেখানে ব্যর্থ হয়ে তারা বিভাগে, জেলায় আন্দোলন কর্মসূচী দিয়েছে, আর এখন ইউনিয়নে ইউনিয়নে কর্মসূচী দিচ্ছে।

    ড. রাজ্জাক বলেন, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগীতা করা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচীর মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালন করছে। বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচী থেকেও নিরাপদ দূরে থাকছে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছে জনগণ। জনগণই আওয়ামী লীগের পাহারাদার। আন্দোলনে সরকারের পতন হবে না।

    শান্তি সমাবেশে আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

  • বানারীপাড়ায় আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়া প্রতিবেদক।। শনিবার ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টায় বিএনপি জামায়াতেরদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র, অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে পৃথক পৃথক শান্তি সমাবেশে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয়, জেলা এবং উপজেলার নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বানারীপাড়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুশীল কুমার রায়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পৌর মেয়র এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল। বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীগের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল ঘরামী, যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত লাল কুন্ড, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য রিয়াজুল ইসলাম রাজু , ইউনিয়ন যুবলীগ সম্পাদক ফারুক ঘরামী, মনির মল্লিক, সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মামুন মল্লিকের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম, সদস্য মোঃ ফারুক বেপারী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদক মোঃ সুলতান শিকদার প্রমূখ।

    এ ছাড়া অন্যান্য ইউনিয়নে শান্তি সমাবেশে যোগদেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, একে ফাইয়াজুল হক রাজু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক, সহ-সভাপতি এটিএম মোস্তফা সরদার প্রমূখ।#

  • মহেশপুরে মাল্টার লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

    মহেশপুরে মাল্টার লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মাল্টা খেতে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫ বছর বয়সি এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কাজি বেড় গ্রামের ধর্ষতার বাড়ি সাথে চঞ্চলের মাল্টা বাগনে ।ধর্ষক ফজলুর রহমান (৪২) একই গ্রামের জামাই ও কুল্লাহ গ্রামের হুরমত আলীর ছেলে। শিশুটির পিতা শুক্রবার সকালে বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় ধর্ষন মামলা করেছেন।মামলা ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানাগেছে,শিশুটি প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি সাথে চঞ্চলের মাল্টা বাগনে খেলা করছিলো। বাড়িতে কেউ না থাকায় ধর্ষক ফজলুর রহমান শিশুকে মাল্টা খেতে দেওয়াার লোভ দেখিয়ে মাল্টা বাগানেয় ধর্ষণ করে। বর্তমান শিশুটিকে জবানবন্দি ও পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ কোর্টে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষীতার চাচি শিশুকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় আমাকে খারাপ কাজ করে রক্ত বের করে দিয়েছে। আমরা ফজলুকে দাড়াতে বললেই সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ শামিম খন্দকার বলেন,শিশুটির পিতা বাদি হয়ে ফজলুর রহমাকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা করেছে। তিনি আরো জানান, বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার দুপুরের শিশুটিকে মালটা খেতে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে চঞ্চলের মালটা বাগানে নিয়ে যায় লম্পট ফজলু। রক্তাক্ত অবস্থায় ধর্ষক শিশুটিকে বাড়ি পৌঁছে দিলে পরিবারের লোকজন প্রথমে মহেশপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। শিশুটির জবানবন্দি ও পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ কোর্টে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষক ফজলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।