Author: desk

  • ই-প্রেস ক্লাব আজমিরীগঞ্জ উপজেলা  শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটি  অনুমোদন-আশিকুর সভাপতি ও মুজিবুর সম্পাদক

    ই-প্রেস ক্লাব আজমিরীগঞ্জ উপজেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন-আশিকুর সভাপতি ও মুজিবুর সম্পাদক

    আজমিরীগঞ্জ ( হবিগঞ্জ ) প্রতিনিধি।
    আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন ই-প্রেসক্লাবের আরও একটি উপজেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে ই-প্রেস ক্লাব। হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসূখা ইউনিয়নের বাসিন্দা দৈনিক আলোকিত সকালের আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি, দৈনিক হবিগঞ্জের বানীর আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক আশিকুর রহমান সোহেল কে সভাপতি ও উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা দৈনিক তৃতীয় মাত্রার আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি ,দৈনিক মতপ্রকাশ ও দৈনিক তরফ বার্তার স্টাফ রিপোর্টার সময় বার্তা ফেইসবুক পেইজের এডমিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মুজিবুর রহমান মুজিব কে সাধারণ সম্পাদক ও, দৈনিক লোকালয় বার্তার ই-প্রেস নিউজের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি, মোঃ আল আমিন সাংগঠনিক সম্পাদক সহ ৩১ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    শুক্রবার ১০ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ ঘটিকায় হবিগঞ্জ জজকোর্ট বার লাইব্রেরিতে ই-প্রেস ক্লাবের সিলেট বিভাগীয় প্রধান, ই-প্রেস নিউজ এর নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ লস্কর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আগামী তিন বছরের জন্য আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন ই-প্রেসক্লাব আজমিরীগঞ্জ উপজেলা শাখার অনুমোদন দেওয়া হলো।
    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা শাখার মিজানুর রহমান সিঃ সহ সভাপতি, শিহাব উদ্দিন, ও সোহাগ মিয়া সহ সভাপতি , কনেীজ ব্যানার্জী যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, নজরুল ইসলাম কোষাধ্যক্ষ, সাইদুর ইসলাম দপ্তর সম্পাদক, জামিনুল ইসলাম প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, শাকিল ভুইয়া ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, তোফাজ্জুল হোসেন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক , মনসাদ আহমেদ আইন বিষয়ক সম্পাদক, কামাল হোসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, শাওন ঘোপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, মোস্তফা কামাল প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক , আরজিনা বেগম মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, পলাশ আহমেদ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, আঙ্গুর মিয়া সহ কীড়া বিষয়ক সম্পাদক, ইয়াসিন মিয়া সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক , সিরাজুল ইসলাম সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক , সদস্য রবিন, তারেক, প্রভা আক্তার, শৈলেন্দ চক্রবর্তি আলনুর হাসান প্রমুখ।

    এ সময় অন্যন্যদের মধ্যে হবিগঞ্জ প্রেস লিগ্যাল এইড এর ইনচার্জ এডভোকেট জসিম উদ্দিন, হবিগঞ্জের উদ্যোক্তা দেওয়ান মিয়া, ই-প্রেস নিউজ এর ব্রাহ্মণ বাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি দৈনিক দেশ রুপান্তর ও এশিয়ান টিভির সাংবাদিক আব্দুল হান্নান সহ জজকোর্ট এর বিশিষ্ট কয়েকজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

  • পূবাইলে যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে  বাৎসরিক ওরশ শরীফ ও বাউল গান

    পূবাইলে যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে বাৎসরিক ওরশ শরীফ ও বাউল গান

    রবিউল আলম, পূবাইল গাজীপুর প্রতিনিধি:

    গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল মেট্রোপলিটন থানার ৪২ নং ওয়ার্ডে বাৎসরিক ওরশ শরীফ ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ১১ ফেব্রুয়ারি ঐ ওয়ার্ডের কামারগাঁও যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আধ্যাত্মিক সাধক ফসি পাগলা ও আইয়ুব পাগলা স্মরণে বাৎসরিক ওরস শরীফ ও বাউল গানের আয়োজন করা হয়।

    বাৎসরিক ওরশ শরীফ ও বাউল গান অনুষ্ঠানে,৪২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মাস্টার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব এডভোকেট মুজিবুর রহমান (মুজিব) কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ৪২ নং ওয়ার্ড গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও সাবেক ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক পূবাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

    উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানিক ভূইয়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উত্তরা। প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন মো:আরিফ হোসেন ভূঁইয়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সহযোগিতায় ছিলেন, জনাব আওলাদ ভান্ডারী বিশিষ্ট সমাজসেবক কামারগাও। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ডাক্তার মুজিবুর রহমান, সমাজসেবক কামারগাও, ডাক্তার হাবিবুর রহমান বিশিষ্ট সমাজ সেবক ৪২ নং ওয়ার্ড, আহাদ আলী বক্স,বিশিষ্ট দলিল লেখক ও তল্লাশি কারক গাজীপুর জেলা রেকর্ড রুম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম মুন্সী বিশিষ্ট সমাজসেবক কামারগাও। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আতাউর রহমান খোকা বিশিষ্ট সমাজসেবক কামারগাও।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মনির হোসেন, কন্ট্রাকটর, ফাতেমা কনস্ট্রাকশন।নুর ইসলাম সরকার বিশিষ্ট সমাজসেবক কামারগাঁও। আতাউর রহমান বিশিষ্ট সমাজসেবক কামারগাঁও।অত্র বাৎসরিক ওরশ শরীফ ও বাউল গান অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাতেম এবং সহযোগিতায় ছিলেন, রুবেল,জুয়েল বক্স, রোমান, শাহীন, রাশেদ খান সহ অনেকে। বাউল গান শুরুর পূর্বে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়। উক্ত পালা গানে গুরু শিষ্য দলে বিভক্ত করে দেন বিচারকেরা। গুরুর ভূমিকায় ছিলেন, তাসলিমা আক্তার ওরফে মায়া রানী এবং শিষ্যর ভূমিকায় ছিলেন অন্ধ দুলাল।

  • নৌকার প্রতি অনুগত রাখতে জনপ্রতিনিধিদের কোরআনে হাত রেখে শপথ করালেন এমপি ফারুক চৌধুরী

    নৌকার প্রতি অনুগত রাখতে জনপ্রতিনিধিদের কোরআনে হাত রেখে শপথ করালেন এমপি ফারুক চৌধুরী

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :নৌকার পক্ষে থাকতে জনপ্রতিনিধিদের কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ করালেন রাজশাহী-১ এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। শনিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের নিজের কার্যালয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী তার নির্বাচনী এলাকার ১২ জন দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের কোরআন শরীফ ছুয়ে আনুগত্যের শপথ করান। যার ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অফিসে পাঠানো হয়েছে।

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী তার নিজের চেয়ারে বসে থেকে মোবাইলে ভিডিও করছেন। আর এক এক করে জনপ্রতিনিধিরা এসে এমপির সামনে টেবিলে রাখা কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ করছেন। কোরআন শরীফে হাত রেখে বলতে শোনা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ, নৌকা ও স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরোধীতা বা তাদের সঙ্গে বেইমানি করবো না।

    পবিত্র কোরআন শরীফে হাত রেখে সাংসদ ফারুক চৌধুরীর প্রতি আনুগত্যের শপথ করার মধ্যে রয়েছেন, গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র ওয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানা, দেওপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল, গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল গনি মাসুদ, মোহনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খায়রুল ইসলাম, বাসেদেবপুর ইউনিয়নের নজরুল ইসলামসহ তানোর ও গোদাগাড়ীর বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র। তাদের শপথ গ্রহনের পুরো ভিডিও করেন তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।

    নৌকার প্রতি অনুগত থাকতে পবিত্র কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ করার বিষয়টি স্বীকার করে গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নৌকার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এমপি তাদের শপথ করিয়েছেন। কারণ এখন এমপির পক্ষে থাকলেও ভোটের আগে অনেকেই সরে দাঁড়ায়। তাদের শপথ করাতে বাধ্য করা হয়নি বলেও দাবি করেন এই জনপ্রতিনিধি।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র ও গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আয়েজ উদ্দিন বলেন, আমরা সংসদ সদস্যের প্রতি আনুগত্য থাকার শপথ নিয়েছি। এসময় অনেকেই ছিল; সবাই কোরআন শরীফ ছুয়ে শপথ গ্রহন করেছেন।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ইউপি চেয়ারম্যান জানান, দুইদিন আগে গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলার পৌরসভার মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের ডেকে পাঠান এমপি। শনিবার সন্ধ্যা সংসদ ভবনের নিজের চেম্বারে সবাইকে নিয়ে যান। সেখানে কোরআন শরীফে হাত রেখে এক এক করে সবাইকে শপথ করার। প্রথমে তার অনুগতরা শপথ করেন। ফলে বাধ্য হয়ে অন্যদের শপথ করতে হয়েছে।

    এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে ফোন ও হোয়ার্টঅ্যাসে একাধিকবার ফোন দিয়েও তিনি রিসিভ করেননি। আর এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার।

    এদিকে, নিজের পক্ষে রাখতে জনপ্রতিনিধিদের কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ করানোর এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর ভিডিও প্রকাশ হলে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।

  • নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে দক্ষিণবঙ্গের সাথে যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা শ্রমিকদের

    নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে দক্ষিণবঙ্গের সাথে যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা শ্রমিকদের

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে নির্ধারিত তারিখে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন না হলে দক্ষিণবঙ্গের সাথে যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের একাংশের নেতৃবৃন্দ।

    আজ রবিবার ১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্ধারিত তারিখে নির্বাচনের দাবীতে শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বুলবুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের কুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

    পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে উপর দাঁড়িয়ে হাত হাত ধরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। মানবন্ধন চলাকালে সাবেক সভাপতি বুলবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী কাজী সাঈদ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করে নেতৃবৃন্দ।

    এসব কর্মসূচীতে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া প্রার্থীসহ জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের তিন শতাধিক মটর শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

    মানববন্ধন চলাকালে বক্তরা বলেন, গেল বছরের ১৩ অক্টোবর নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করে ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।পরবর্তিতে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ২১ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ পুননির্ধারণ করেও সেই তারিখও অতিবাহিত করে আগামী ৪ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বারবার তারিখ পরিবর্তনের ফলে শ্রমিকদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে সংশয় ও ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।

    তারা আরো বলেন, আগামী ৭২ ঘন্টা সময় সীমা বেধে দিয়ে আগামী ৪ মার্চ নির্বাচন করতে গড়িমশি করা হলে শ্রমিকরা সড়কে নেমে কঠোর আন্দোলন শুরু করে দক্ষিণ বঙ্গের সাথে সকল ধরনের যানবাহন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়ার ঘোষনা দেন।

  • দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সম্পর্কে জেনে নেই

    দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সম্পর্কে জেনে নেই

    বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। সাবেক দায়রা জজ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

    রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার পক্ষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়।

    চলুন জেনে নেয়া যাক সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সংক্ষিপ্ত পরিচয়….

    মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ১৯৪৯ সালে পাবনা শহরের জুবিলি ট্যাঙ্কপাড়ার (শিবরামপুর) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শরফুদ্দিন আনছারী ও মাতা খায়রুন্নেসা। তিনি ১৯৬৬ সালে পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ১৯৬৮ সালে এইচএসসি পাস করেন ও ১৯৭১ সালে (অনুষ্ঠিত ১৯৭২ সালে) বিএসসি পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে মনোবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং পাবনা শহিদ অ্যাডভোকেট আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    ছাত্রজীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

    ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পরপরই আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর উপর হামলা হয়। যাতে হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

    ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাহাবুদ্দিন চুপপু ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে পরপর দুইবার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব নির্বাচিত হন। পেশাগত জীবনে প্রথম দিকে সাংবাদিকতাও করেছেন। তিনি পাবনা প্রেসক্লাব ও অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরির জীবন-সদস্য।

    দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বব্যাংকের কথিত পদ্মাসেতু সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করা সাহাবুদ্দিন চু্পপু অভিযোগটি মিথ্যা ও অন্তঃসারশূন্যতা প্রমাণে সমর্থ হন। তার দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন কানাডা কোর্ট কর্তৃক সমর্থিত হয়।

    ১৯৭২ সালের ১৬ নভেম্বর পাবনা শহরের দিলালপুর নিবাসী আলী আকতারের জ্যেষ্ঠ কন্যা ড. রেবেকা সুলতানার সঙ্গে সাহাবুদ্দিন চুপপু বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। ড. রেবেকা সুলতানা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দিয়ে যুগ্ম-সচিব হিসেবে ২০০৯ সালে অবসরে যান। তিনি বর্তমানে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান রিসোর্চ প্রোগ্রাম বিভাগের অধ্যাপক এবং ফ্রেন্ডস ফর চিলড্রেন অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। চুপপু-রেবেকা দম্পতির একমাত্র সন্তান মো. আরশাদ আদনান (রনি) দেশে ও বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে বর্তমানে প্রাইম ব্যাংকের উচ্চপদে কর্মরত।

  • দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার দরকার শান্তি সমাবেশে জসিম উদ্দিন

    দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার দরকার শান্তি সমাবেশে জসিম উদ্দিন

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা অনুযায়ী শান্তি সমাবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আওয়ামী লীগ সরকারকে বারবার দরকার তাই নৌকায় ভোট দিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন।
    উক্ত শান্তি সমাবেশ মহালছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠন কর্তৃক আজ ১১ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়।

    ৩নং ক্যায়াংঘাটে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহেন্দ্র চাকমা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফি আলম এবং ৪নং মাইসছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক চাম্পার নেতৃত্বে পৃথক পৃথক শান্তি সমাবেশ কর্মসূচী সফল করেছেন।

    এ সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রতন কুমার শীল বলেছেন, আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচি দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি যতদিন আন্দোলন করবে, আমাদের ‘শান্তি সমাবেশ’ ততদিন অব্যাহত থাকবে। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে। আমরা সকলেই আন্তরিকভাবে আশা রাখছি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮নং আসনে যাকেই মনোনয়ন দেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নেতৃত্বে আমরা মহালছড়ি উপজেলাবাসী নৌকা মার্কাকে জয়যুক্ত করে সভানেত্রী সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেবো।

    প্রধান আলোচক বলেন,বিএনপি-জামায়াত ফাঁকা মাঠ পেলে আবারও নৈরাজ্য ও সহিংসতা করতে পারে। ফলে জনগণের শান্তি এবং জানমালের নিরাপত্তায় তারা মাঠে থাকবেন। এ ধরনের শান্তি সমাবেশ নানা কর্মসূচি নির্বাচন পর্যন্ত চলবে। তবে এগুলো আমাদের এসব পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি নয় দাবি আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকায় রায় দিতে হবে।

    উক্ত শান্তি সমাবেশ মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রতন কুমার শীল বক্তব্য প্রদানসহ সভাপতিত্ব করেন ও প্রধান আলোচক হিসেবে সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং প্রতিটি সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য রাখেন। সেই সাথে অংসাথোয়াই মারমার নেতৃত্বে মুবাছড়ি ইউনিয়ন ইউনিয়ন থেকে আগত আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত কর্মসূচিতে পথসভা দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিএমবি মাঠে র‍্যালী শেষ হয় এবং যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক মাসুদ সঞ্চালনা করেন।

  • রাজধানীর মুগদায় তালাকপ্রাপ্ত এক নারীর আত্মহত্যা

    রাজধানীর মুগদায় তালাকপ্রাপ্ত এক নারীর আত্মহত্যা

    মোঃ রাসেল সরকার//
    রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে তামান্না আক্তার (২৭) নামে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উত্তর মান্ডার একটি পাঁচ তলা বাড়ির নিচতলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

    মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ বলেন, শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে মান্ডার ওই বাসা থেকে বিছানায় শায়িত অবস্থায় তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, ওই নারীর বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

    এরপর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে মা তহমিনা বেগমের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন।

    বড় ভাই মো. মাসুম বলেন, তারা এক ভাই এক বোন। তামান্না ছিল ছোট। ২০১৫ সালে এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সেই ঘরে ৬ বছরের এক ছেলেও আছে। পারিবারিক বিষয় নিয়ে ২০১৯ সালে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার রাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া হয়। পরে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

  • কেশবপুরে বিএনপির পদযাত্রায় আওয়ামী লীগের হামলায় ১৭ নেতাকর্মী আহত

    কেশবপুরে বিএনপির পদযাত্রায় আওয়ামী লীগের হামলায় ১৭ নেতাকর্মী আহত

    মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুর(যশোর):
    গ্যাস-বিদুৎ-চাল-ডালসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেশবপুরের ১১টি ইউনিয়ন বিএনপির পদযাত্রা চলাকালে ৫টি ইউনিয়নে হামলা চালিয়ে ১৭নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এর মধ্যে ৫জনকে কেশবপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহতরা হলেন হাসানপুর ইউনিয়নের বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম, নাসির উদ্দীন, আব্দুল মমিন, আশরাফুজ্জামান রুমি, ফজর আলী, শরিফুল ইসলাম, বাবু, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আব্দুল কাদের খাঁ, মজিবর রহমান, সেলিম সানা, ইয়াসিন শেখ, পাঁজিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবুল কাসেম, মোহাম্মদ ইসলাম, গৌরিঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ফারুক হোসেন, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আনারুল সহ লেওকাত হোসেন,শহিদুল ইসলাম ।

    পদযাত্রা ১১ফেব্রুয়ারী বিকেলে বিভিন্ন ইউনিয়নে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ, কেশবপুর উপজেলা বিএনপি আহবায়ক মশিয়ার রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক আব্দুল রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম শহীদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা, মাসুদুজ্জামান মাসুদ, রেজাউল ইসলাম, হুমায়ুন কবির সুমন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হালিম অটল ও আব্দুল হালিম সহ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও যুগ্ন আহবায়ক, যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এবিষয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ বলেন আমাদের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় আওয়ামী লীগের ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় ১৭জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এছাড়াও তারা বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

  • বানারীপাড়ায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা

    বানারীপাড়ায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা

    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচীর ধারাবাহিকতায় বরিশালের বানাারীপাড়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় উপজেলার সলিয়া বাকপুর সহ চাখার,বাইশারী,সৈয়দকাঠী, উদয়কাঠী,বিশারকান্দি,ইলুহার,সদর ইউনিয়নে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।১০দফা দাবির ভিত্তিতে জনজীবনে নাভিশ্বাস সৃষ্টিকারী আওয়ামী দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং রাষ্টকাঠামো মেরামত করে জনগনের কাঙ্খিত গণতান্ত্রিক রাষ্টব্যবস্থা কায়েম করার লক্ষে পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা,সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন,সলিয়া বাকপুর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আঃ লতিফ হাওলাদার,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম,সদস্য সচিব তোফায়েল আহমেদ তপন, সলিয়া বাকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ হোসেন,উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হাওলাদার,ইউনিয়ন যুবদল নেতা হেমায়েত হোসেন,ছাত্রদল নেতা টিপু, শাহাদাত,ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সাব্বির আহমেদ প্রমুখ।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • সুজানগরে ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে বিএনপির পদযাত্রা

    সুজানগরে ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে বিএনপির পদযাত্রা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাবনার সুজানগরে বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও সার, ডিজেলসহ কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার,বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও নেতাকর্মীদের মুক্তি, নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে জাতীয় নির্বাচন আদায়সহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে শনিবার বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ কর্মসূচি পালিত হয়। সুজানগরে এই পদযাত্রা কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুল হালিম সাজ্জাদ। পদযাত্রা কর্মসূচিতে এ সময় সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর খাঁ, সাবেক দপ্তর সম্পাদক খাজা মহিতুর মাষ্টার, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন খান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, সাবেক পৌর আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান, রবিউল আওয়াল টিপু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বুলবুল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক আলম মন্ডল, এন এ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন,যুবদল নেতা মানিক খান সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি