Author: desk

  • পটুয়াখালী বসত ঘরে ঢুকে নারীকে মারধর করার অভিযোগ

    পটুয়াখালী বসত ঘরে ঢুকে নারীকে মারধর করার অভিযোগ

    এস আল আমিন,
    পটুয়াখালী প্রতিনিধি।

    পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২ নং বদরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড খলিশাখালী গ্রামে বসত ঘরে ঢুকে শিখা রানী (৪০) ও তার স্বামী উজ্জ্বল দেবনাথ (৪৭) কে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সোমবার (১৩-ফেব্রুয়ারি-২০২৩ ইং) তারিখ সকাল আনুমানিক ১০ টার সময় এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে আহত উজ্জ্বল দেবনাথ বাদী হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগ সুত্রে বিবাদীরা হলো, (১). অভিনাশ দেবনাথ (৩৫), পিতাঃ অমল তালুকদার, (২). বিপ্লব দেবনাথ (৩০), পিতাঃ লক্ষন চন্দ্র দেবনাথ, (৩). কল্পনা রানী (৫৫), স্বামীঃ লক্ষন চন্দ্র দেবনাথ, (৪). আলো রানী (৬৫), স্বামীঃ শ্রীবাস দেবনাথ, (৫). মুক্তা দেবনাথ, স্বামীঃ অবিনাশ দেবনাথ, (৬). লক্ষন দেবনাথ, পিতাঃ মৃত রামেশ্বর দেবনাথ সহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জন, সর্ব সাং-খলিশাখালী, ইউপি বদরপুর। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুর্বে জমা জমার বিরোধ থাকায় ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ১০ টার সময় সকল বিবাদীরা বসত ঘরে ঢুকে ভিকটিম উজ্জ্বল দেবনাথ এর সঙ্গে কথার কাটাকাটি করে। এক পর্যায়ে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর শুরু করলে তার স্ত্রী শিখা রানী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে বিবাদীরা শিখা রানীকে কিল ঘুশি লাতি মেরে মাটিতে ফেলে মারধর করে এতে স্বামী ও স্ত্রী দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জযম হয়। পরে তাদের ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে প্রান নাশের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে বিবাদীরা। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে আহত শিখা রানী ও তার স্বামী উজ্জ্বল দেবনাথ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    এবিষয়ে আহত শিখা রানী বলেন, বিবাদীরা তাদের জমি দখল করে নেয়ার জন্য পূর্বে থেকেই বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করে আসছে। এলাকার সালিশ ব্যাবস্থা কোন কিছু মানে না। আমার স্বামী ও আমাকে মারধর করে জোরপূর্বক জমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে আইনের মাধ্যমে মারধরকারীদের বিচার দাবি করেন। আহত শিখা রানী ও আহত উজ্জ্বল দেবনাথ এর ছেলে উওম দেবনাথ বলেন, আমরা বাড়িতে ছিলাম না এমতাবস্থায় লক্ষন দেবনাথ এর নেতৃত্বে সকলে মিলে ঘরে ঢুকে আমার মা ও বাবাকে মারধর করে ও অস্মানি করার বিচার দাবি করি। এরা এলাকায় ভুমি দখলবাজ সন্ত্রাসী রাজত্ব করে আসছে ভয়ে তাদের সামনে কেহই মুখ খুলতে চায় না। এদের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আইনের দারস্থ হয়েছি। আইনের মাধ্যমে মারধর করার বিচারের দাবি জানান।

    এ ব্যাপারে বিবাদীদের বক্তব্য নিতে বিভিন্ন মাধ্যমে চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

  • রওশন এরশাদের দেয়া খেলাধুলা সামগ্রী পেলো ভাবখালীর বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীরা

    রওশন এরশাদের দেয়া খেলাধুলা সামগ্রী পেলো ভাবখালীর বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীরা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরো এগিয়ে নিতে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে তার বিশ্বস্ত আস্থাভাজন মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম এর সার্বিক সহযোগীতায় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের হাতে ক্রীড়া সামগ্রি তুলে দেন ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক রমজান আলী।

    ক্রিড়া সামগ্রী প্রাপ্ত স্কুল গুলোর মধ্যে রয়েছে সুতিয়াখালী শহীদ ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, ভাবখালী দাখিল মাদ্রাসা, ভাবখালী উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়,নাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, হলিপাথ আইডিয়াল স্কুল।

  • বাগেরহাটে ৭১  বছরেও শহীদ মিনার নেই অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    বাগেরহাটে ৭১ বছরেও শহীদ মিনার নেই অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির:মহান একুশে ফেব্রæয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ৭১ বছর পেরিয়ে গেলেও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক তৃতীয়াংশে নেই শহীদ মিনার। উপজেলার ৩০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬০টিতে নেই শহীদ মিনার। সরকারিভাবে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মানের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
    উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, এ উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভাষা দিবসসহ বিভিন্ন দিবসে শহীদ ব্যধীতে পুষ্পমাল্য অপর্ণ হয় অস্থায়ী ভিত্তিতে শহীদ মিনার করে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কলাগাছের শহীদ মিনার তৈরি করে ফুল দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। শহীদ মিনার নির্মানে সরকারি কোন অর্থ বরাদ্দ দেওয়া না হলেও স্থানীয় উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয় শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২০২১ সালে ৯ মে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে অভিন্ন শহীদ মিনার তৈরি করতে।
    সারাদেশে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নকশা পাঠানো হয়। পাঠানো হয় শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শহীদ মিনার তৈরির যাবতীয় তথ্য। সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয় সেই সময়ে। সরকারের এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নে এ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হয়নি শহীদ মিনার। মাত্র ৪৯টি বিদ্যালয়ে রয়েছে স্থায়ী শহীদ মিনার।
    চিংড়াখালী ইউনিয়নে ১৯ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৪টি বিদ্যালয়ে রয়েছে শহীদ মিনার, দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নে ২০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫টি রয়েছে, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে ১৯টির মধ্যে ৩টি রয়েছে, হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নে ২৪টি মধ্যে ৩টিতে রয়েছে, বলইবুনিয়া ইউনিয়নে ১৪টি মধ্যে ৩টি রয়েছে স্থায়ী শহীদ মিনার। এছাড়ও খাউলিয়া ইউনিয়নে ৩৩টি বিদ্যালয়ে একটিতেও নেই শহীদ মিনার।
    এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সুধিসমাজের অভিমত আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনা ছড়িয়ে দিতে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ভাষা প্রেম, উদ্ভুদ্ব করতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা দরকার শহীদ মিনার এমনটি মনে করে স্বাধীনতার চেতনার ভাষাপ্রেমী মানুষেরা।
    এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০২১ সালের শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনার নির্মানের পদক্ষেপ কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তিনি অবহিত নন। সদ্যমাত্র এ উপজেলার কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করায়। প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ খবর নিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ যাতে হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে এ কর্মকর্তা জানান।
    এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম তারেক সুলতান বলেন, বাধ্যতামূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশনা শিক্ষা কমিটির সভায় তোলা হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। #

  • ময়মনসিংহে ওসির উদ্যোগে দীর্ঘ দিনের বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় স্বস্থিতে হিজড়া সম্প্রদায়

    ময়মনসিংহে ওসির উদ্যোগে দীর্ঘ দিনের বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় স্বস্থিতে হিজড়া সম্প্রদায়

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী এক সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সম্প্রতি ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ মোড়ে
    তৃতীয় লিঙ্গ হিজড়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ দিনের বিরোধের জেড় ধরে আধিপত্য বিস্তার ও টাকা পয়সা সংক্রান্তে হিজরা সম্প্রদায়ের দুই গ্রুপে মারামারির ঘটনা ঘটলে ঘটনাটি তদন্ত করে এক শালিস বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ সমাধান দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৩ই ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় কোতোয়ালী মডেল থানা কম্পাউন্ডে গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সমাধান দেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ।এর আগে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গ হিজড়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ দিনের বিরোধে গত ৯ফেব্রুয়ারী টাকা পয়সা সংক্রান্তে হিজরা সম্প্রদায়ের দুই গ্রুপে এই মারামারির ঘটনা ঘটে।
    বৈঠক শালিসে ওসি শাহ কামাল আকন্দের কথায় মুগ্ধ হয়ে হিজড়াদের দুই পক্ষের লোকজন সভায় উপস্থিত সকলের সামনে শান্তির শপথ করে বলেন, তারা আর কখনও সংঘাতে লিপ্ত হবেন না। এসময় কোতোয়ালী মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মোঃ ফারুক হোসেন ও অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই/ জহিরুল ইসলামসহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন

    এসময় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, কাঁদা ছোড়াছুড়ি যাতে না করে; সবাই যাতে শান্তিতে থাকে। আমরা সর্বাবস্থায় নিরপেক্ষ থাকব, আইনের মধ্যে থাকব। শান্তির পথে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে, তাদেরই আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

    এদিকে বিভিন্নভাবে তদন্ত করে ঘটনাটি নিষ্পত্তি করে বিবদমান দুই হিজড়া গ্রুপের মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় ওসি কামালের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সর্বত্র সাড়া জাগিয়েছে। ওসির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে দুই হিজড়া গ্রুপের মাঝে।

    শালিস বৈঠকে ওসি শাহ কামাল আকন্দ দুই হিজড়া পক্ষকে আগের মতো শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করে এলাকার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানান। এসময় দুই পক্ষ নিজেদের ভুল বুঝতে পেয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘাতে লিপ্ত না হওয়ার অঙ্গীকার করেন।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন- একটি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তা বিচারিক পর্যায়ে ছিলো। কিন্তু কিছু কুচক্রী ব্যক্তি তা নিয়ে সাজানো গুজব রটিয়ে দুই হিজড়া পক্ষকে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে ইন্ধন দিয়েছে। তিনি সবাইকে দ্বন্ধে না জড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার অনুরোধ জানিয়ে এলাকায় যে কোন প্রকার দ্বন্ধ-সংঘাত সৃষ্টি হলে তা নিয়ে গুজব না ছড়ানোর জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়।

    বৈঠকে জনতার সামনে সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষের হিজরাগণ প্রদত্ত সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করে এ ধরনের সংঘাত থেকে মুক্ত থাকার ঘোষনা দেন। ওসি শাহ কামালের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে হিজড়াগণ জানান- এভাবে কোন ওসি অতীতে মানুষ তথা হিজরা সম্প্রদায়ের সমস্যা সমাধানে ভ‚মিকা রাখেনি। এটা রা
    ময়মনসিংহ বাসীর জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

  • নাচোলে ভটভটি উল্টে ১ জনের মৃত্যু ও ১জন আহত

    নাচোলে ভটভটি উল্টে ১ জনের মৃত্যু ও ১জন আহত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ভটভটি উল্টে ১জনের মৃত্যু ও ১জন গুরুতর আহত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভোলার মোড় পাকা রাস্তার উপরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    মৃত ব্যক্তি হচ্ছে নাওগাঁ জেলার সাপাহার থানার গোডাউন পাড়ার নাইমুল হক এর ছেলে মহবুল (৪০)।
    আহত ব্যক্তি হচ্ছে একই থানার বাবুপুর গ্রামের মৃত রউফ এর ছেলে কালাম (৪০)।
    নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান সাপাহার হতে চালকুমড়া ভর্তি করে ভটভটি যোগে নাচোল আসার পথে নাচোল থানার ভোলার মোড়ে গাড়ির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে নিজে নিজেই উল্টে যায়। উল্টে গেলে ভটভটিতে থাকা ডাইভার সহ দুইজন ভটভটি নিচে পড়ে যায়।

    ঐ মুহুর্তে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালকুমড়া ব্যবসায়ী মহবুল কে মৃত ঘোষণা করেন এবং ভটভটি চালক মোঃ কালাম এর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • তাল গাছের কান্না

    তাল গাছের কান্না

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে তালগাছের কান্নায় পরিবেশ ভারী ও জনমনে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা ও বজ্রপাত প্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে বজ্রপাত প্রতিরোধে, রাস্তার ধারে তালগাছ রোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কিন্ত্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সম্প্রসারণ কাজে নির্বিচারে এসব তালগাছ হত্যা করা হয়। পরিবেশ বিদগণের ভাষ্য তালগাছ যদি হত্যা করা হবে, তাহলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তার ধারে তালগাছসহ বৃক্ষরোপণ কেনো ? স্থানীয়রা জানান, খড়ি বাণিজ্য করতে ঠিকাদারের লোকজন। প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে নির্বিচারে বিভিন্ন গাছের ডালাপালা কেটে, তা জ্বালানী হিসেবে বিক্রি করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
    সরেজমিন দেখা গেছে, তানোর-বায়া রাস্তায় আকচা, কাশিমবাজার, জিওল-কালীগঞ্জহাট এবং তানোর-তালন্দ প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় নির্বিচারে বিভিন্ন গাছের ডালাপালা কাটা ও খড়ি বিক্রি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঠিকাদারের অগোচরে সাইড ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন এবং মিস্ত্রী ফারুক হোসেন ডালপালা ও কোনো ক্ষেত্রে বড় গাছের অর্ধেক কেটে বিক্রি করছে। কিন্ত্ত পরিপত্র অনুযায়ী গাছ বা বড় আকারের ডাল কেটে বিক্রির কোনো সুযোগ নাই। প্রয়োজনের তাগিদে ছোট-বড় ডাল কাটা যাবে, তবে তা বিক্রি করা যাবে না, সেখানেই রাখতে হবে এলাকার জনসাধারণ এসব ডাল পালা ব্যবহার করতে পারবেন।
    প্রসঙ্গত, যশোর এলাকায় ৫০টি তালগাছে কীটনাশক প্রয়োগের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে গত ৩১ জানুয়ারি শাহরিয়ার আলমকে তলব করেন হাইকোর্ট। বাংলায় দেওয়া আদেশে আদালত বলেন, ‘খবরে উল্লেখিত ঘটনা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সবুজ বনায়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার বিবেচনায় নিয়ে স্বপ্রণোদিত রুল দিচ্ছি।’
    এবিষয়ে ঠিকাদারের সাইড ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন জানান, প্রয়োজন ছাড়া ডালপালা কাটা হয়নি। আবার প্রয়োজনে ডাল কেন গাছ কাটারও হুকুম আছে। আর শ্রমিকদের খরচের জন্য কিছু ডালপালা বিক্রি করা হয়েছে। এসব ছোট বিষয়। এবিষয়ে মিস্ত্রী ফারুক হোসেন জানান, বিদ্যুতের লাইনের জন্য ডালপালা কেন গাছ কাটার কথাও বলা আছে। এবিষয়ে ঠিকাদার শাহিন জানান, প্রয়োজনে গাছ নয় ডাল কাটার কথা। তাল গাছের মাথা কাটায় গাছ মরে গেছে, আর কাটা ডাল পালা বিক্রি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গাছের ডাল কাটার পর মরে গেলে কি করার আছে। কিন্ত্ত কত কিলোমিটার, কত টাকার কাজ ও সিডিউল দেখতে চাইলে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এবিষয়ে তানোর নেসকো (পিডিবির) আবাসিক প্রকৌশলী কিবরিয়া জানান,প্রয়োজন ছাড়া ডালপালা কাটা যাবে না, তালগাছের মাথা কাটেনি, অন্য কারনে মরতে পারে, আার কাটা ডালপালা বিক্রির কোন সুযোগ নেই। যদি এমন হয়ে থাকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#

  • মরণ বাঁধ ফারাক্কার প্রভাবে পদ্মা  ও মহানন্দা নদী মরা খালে পরিণত হচ্ছে

    মরণ বাঁধ ফারাক্কার প্রভাবে পদ্মা ও মহানন্দা নদী মরা খালে পরিণত হচ্ছে

    রাজশাহী থেকে মো. হায়দার আলী : নদীর দেশ বাংলাদেশে বর্তমানে নদীর বেহালদশা। পদ্মা নদীসহ শ শ নদী মরে যাচ্ছে, অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে । দেশে জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব পড়ছে । এখন শুধু ইতিহাসের পাতায় লেখা একটি নদীর নাম পদ্মা । এটা কি নদী ? বিশ্বাস করা যায় না । পদ্মার সেই খরস্রোত নেই কেন ? এমন সব প্রশ্নের জবাব দিতে হচ্ছে একালের শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রীসহ কোন আগন্তুককে । বিশাল-বিস্তৃত ধুধু বালুচর আর পানির ক্ষীণ বিল কিংবা লেকের মতো পদ্মার ঐতিহ্য অস্তিত্বকে এতটা বিপন্ন করেছে।

    ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মিত হয়েছে আবহমানকাল ধরে প্রবাহিত গঙ্গা-পদ্মা নদীর ভারতের অংশ ফারাক্কায় । ১৯৬৮-১৯৬৯ সালে ফরাক্কা ব্যরেজটি একতরফাভাবে নির্মাণ করে ভারত। কিন্তু ভারত কৌশলগতভাবে ব্যারেজটি তখনই চালু করেনি । তখন পাকিস্থানে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুথানের ১৯৭০ সালের জেনারেল ইয়াহিয়া সামরিক শাসন জারি এবং সবশেষে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বধীনতা অর্জনের কাল। তারপরেও ভারত অপেক্ষা করে এবং অবশেষে ১৯৭৫ ইং সালের ২১ এপ্রিল ভারত ফারাক্কা চালু করার পর থেকে অব্যাহতভাবে মরণদশা শুরু হয়েছে ।

    নদী আছে পানি নেই, বালু আছে কিন্তু কোথায় যেন কোন মাটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে পদ্মার কোলে জেগে উঠা চরে সবুজ ফসল ফলানো সম্ভাব হচ্ছেনা । প্রতি বছর বালু জমতে জমতে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে । পদ্মার ভয়াবহ রুপ দিনে দিনে হারিয়ে ফেলেছে । বিগত বছরগুলোতে এ নদীর ক্ষীণ স্রোতধারা থাকলেও এ বার তাও নেই । একটা বিলে পরিণত হয়েছে । এখন রেলবাজার ঘাটের সামনে মানুষ সাঁতার দিয়ে নদী পার হতে পারছেন। কয়েক বছর পর নৌকার পরিবর্তে গরুর গাড়ী কিংবা সাইকেলে নদী পার হওয়া যাবে বলে সচেতন মহলের ধারণা।
    ফারাক্কা ব্যরেজের সব কয়টি গেট বন্ধ করে নদী শাসন করে মেরে ফেলা হয়েছে অসংখ্য নদ নদীকে জলবায়ুর বিরুপ প্রভাবে পরিবেশ জীবন জীবিকায় নেমে এসেছে প্রচন্ড ধ্বস। দেশের এক তৃতীয়াংশ এলাকা ধীরে ধীরে মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে । গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নীচে নেমে যাওযায় উত্তাঞ্চলের বেশীর ভাগ নলকূপে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায় । দেখা দেয় তীব্র পানির সংকট । উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের জীবনে অভিশাপ বয়ে এনেছে এই ফারাক্কা ব্যারেজ; এসব এলাকার মানুষ যাকে মরণ ফাঁদ বলে জানে ।

    এ ব্যারেজ চালু হওয়ার সময় বলা হয়েছিল এটি উভয় রাষ্টের কল্যাণের প্রতীক। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভরতের বিমাতাসুলভ আচারণের কারণে আজ এ ব্যারেজ দেশের মানুষের জন্য অকল্যাণ। একতরফা পানি প্রত্যাহার করে ভারত তাদের বন্দর, কৃষি, সেচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা সচল রাখলেও এদেশের কৃষি, নৌযোগাযোগ, পরিবেশ, জীবন-জীবিকাকে ঠেলে দিয়েছে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে । বিভিন্ন সময়ে পদ্মার পানি বন্টন নিয়ে অনেক আলোচনা মাপজোঁক আর পর্যবেক্ষণ হয়েছে । চুক্তি হয়েছে, চুক্তি নিয়ে সংসদে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়ছে। কিন্ত বাংলাদেশের ভাগ্যে কখনই চুক্তি মোতাবেক পানি জুটেনি । তবে পানি এসেছে সংসদে, টেলিভিশন, রেডিও, প্রিন্ট মিডিয়া, অন লাইন পত্রিকায়, টেলিফোনে। এর ফলে শুধু পদ্মা নয় অভিন্ন ৫৪টি নদ-নদীর পানি ভারত একতরফা প্রত্যাহার করে চলেছে । ফলে এপারের নদ-নদীগুলো মরে যাচ্ছে ।
    পদ্মা নদী মরে যাওয়ার সাথে সাথে শাখা নদী বড়াল, মরাবড়াল, নারোদ, মুছাখান, ইছামতি, চিকনাই, নাগর, ধলাই, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, হিসলা, কাজলা, চিত্রা, সাগোরখালি, চন্দনা, কপোতাক্ষ মরে যাচ্ছে। কালিগঙ্গা, বেলাবত এসব নদীর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে । বর্ষা মৌসুমে কিছু দিনের জন্য এসব নদীতে পানি থাকলেও প্রায় সারা বছর থাকে পানিশূন্য । তাছাড়া এসব নদী মরে যাওয়ার সাথে সাথে দু পার্শ্ব অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে । সরকারী দলের তথা কথিত যারা বালিখোর, টিআর গোর, টেন্ডার বাজ, চালখোর, তেল খোর, সরকারী খাদ্য গুদামে ধান গমখোর, খাস পুকুরখোর, তারা ড্রেজার, টলি, ট্রাক, লরি প্রকাশ্যে নামিয়ে নদী থেকে দেদারসে বালি মাটি নিয়ে গিয়ে ইটভাটা, ভরাটসহ বিভিন্ন নির্মাণ কাজ করায় পদ্মাসহ বিভিন্ন নদীর পাড়ে কোটি কোটি টাকার নির্মিত বাঁধ নষ্ট করে দিচ্ছে যা দেখার যেন কেউ নেই। দেশের নদী এতটা বিপন্ন হয়েছে যেন এখন এসব নদীর নাম বইয়ের পাতায় কিংবা মানচিত্রে স্থান পেয়েছে ।

    বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশর কোটি কোটি মানুষ বন্যা, খরা, জলচ্ছাসের কবলে পতিত হয়, সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়, দুঃখের সীমা থাকে না । অকালে ঝরে যায় লাখ লাখ মানুষ, গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগীর প্রাণ । জলবায়ুর উপর দেখা দেয় বিরুপ প্রভাব। এর অন্যতম প্রধান কারণ মরণ বাঁধ ফারাক্কা । মৃত. মৌলানা আবদুল হামিদ খাঁন ভাসানী ফারক্কা ব্যারেজের বিরুদ্ধে ব্যারেজমূখি ফারাক্কা লং মার্চ করেছিলেন, ব্যরেজটির মারাত্বক পরিণতির কথা বিবেচনা করে ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈপরীত্যের কারণ, জলবায়ুর পরিবর্তন। জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত প্রতিক্রিয়া বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বেশি। একই দেশে একই সময়ে বৃষ্টি ও অনাবৃষ্টি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজাত ফল। এটা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বৃষ্টি হয়েছে সেখানে খুব বেশি হয়েছে। যেখানে হয়নি সেখানে একেবারেই হয়নি। অতীতে এরকমটি কখনো দেখা যায়নি।

    ভারত পানি না দিয়ে বাংলাদেশকে শুকিয়ে মারার ভারতীয় অভিসন্ধির কারণে নদী স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়ে ক্রমাগত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শতাধিক ছোট নদী মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। বড় নদীগুলোর অস্তিত্বের সংকটও তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। প্রথমেই বলেছি ভাটির দেশ বাংলাদেশ, ভাটির দেশের ক্ষতি হয়, এমন কিছু উজানের দেশের না করার নীতি-বিধানের তোয়াক্কা না করেই ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে পানি সরিয়ে নিচ্ছে।

    গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের এ যাবৎ দুটি চুক্তি হলেও বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী পানি পায়নি। চলমান ৩০ সালা চুক্তি বাংলাদেশের ন্যায্য পানিপ্রাপ্তির কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। আগের চুক্তিতে যতটুকু নিশ্চয়তা ছিল, এ চুক্তিতে তাও নেই। ফলে পানিবঞ্চনা আরো বেড়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    , রাজশাহী।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক সেবন  জুয়া খেলা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক সেবন জুয়া খেলা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক সেবন জুয়া খেলা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪।
    কেউ করেন ঠিকাদারি, কেউ পোলট্রি খামারি, কেউ আবার পরিবহন চালক। তারা সকলেই দিনের বেলায় টাকা উপার্জনের জন্য মরিয়া হয়ে ছোটেন। কিন্তু রাত হলেই উল্টো চিত্র। একত্রিত হয়ে বসায় জুয়ার আসর। টাকার ছড়াছড়ির পাশাপাশি চলে মাদক সেবন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এমনই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-লোহাগড়া উপজেলার মঙ্গলহাটা গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে ও পোলট্রি খামারি মো. সোহেল রানা রনি (৪০), সদরের বুড়িখালী গ্রামের মৃত আজহার মোল্যার ছেলে পরিবহন চালক আলমগীর মোল্যা (৩৬), মৃত আক্কাস শেখের ছেলে ঠিকাদার আমিনুর শেখ (৪২) এবং ওই গ্রামের মৃত মহিয়ার ভূইয়ার ছেলে ঠিকাদার হুমায়ুন কবির (৩৬)।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি দল রোববার দিবাগত রাতে বের হয়। ডিবির উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে জনতে পারেন বুড়িখালী এলাকায় একটি জুয়ার আসর বসেছে। দলের সদস্যদের নিয়ে সাইফুল ইসলাম তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করেন। ওই এলাকার নারগিস বেগমের রান্নাঘর থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় জুয়ার আসর চলাকালীন চার জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় নগদ ৩০ হাজার ২০০ টাকা, ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ গ্রাম গাঁজা, তাস, ১টি মোবাইল জব্দ করা হয়।
    জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদক ও জুয়া আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা ডিবির এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৪২৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারী এমদাদুল আটক- মটরসাইকেল জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৪২৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারী এমদাদুল আটক- মটরসাইকেল জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ১৩ ফেব্রæয়ারী ২০২৩ খ্রিঃ দুপুর ১.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন ঢাকা টু বগুড়া মহাসড়কের পূর্ব পার্শ্বে চান্দাইকোনা বাইপাস মোড়স্থ জমজম দই ঘরের সামনে একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪২৩ (চারশত তেইশ) বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া ও তাহার সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মটরসাইকেল এবং ০৩ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ এমদাদুল হক, পিতা মোঃ সাইদুল ইসলাম, সাং- টেংরিয়া পশ্চিম ঝাড়বাড়ি, থানা- হরিপুর, জেলা- ঠাকুরগাঁও।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোঃ এরশাদুর রহমান

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৫

  • গলাচিপায় নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক সহ ৯জন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

    গলাচিপায় নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক সহ ৯জন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

    এস আল-আমিন খাঁন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

    গলাচিপার গোলাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের কর্মচারী নৈশ প্রহরী নিয়োগ পদে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের মামলা করেছে এক ভুক্তভোগী।

    গলাচিপা সহকারী জজ আদালতে গত ৩১ শে জানুয়ারি ৯ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ে করেন।

    বিবাদীরা হলেন, গোলাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব মোঃ শাহ-আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবুল আক্তার, বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ শফিসহ পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদয়ালয়ের প্রধান শিক্ষক, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং নিয়োগ প্রাপ্ত নৈশপ্রহরী মোঃ নবীন ।

    এবিষয়ে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করে ভুক্তভোগী সায়েম হাওলাদার।

    তিনি বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখে প্রকাশিত জাতীয় পত্রিকা যায়যায় দিন এর মাধ্যমে গোলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়েটর নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আমি উক্ত পদের জন্য আবেদন করি এবং পরিক্ষায় যোগদান করিয়া পরিক্ষা দিয়েছি। প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রেরিত নিয়োগ পরিক্ষার প্রবেশ পত্র যার স্মারক নং গোমারি/২০২৩/নিঃ/০১। আমি পরিক্ষায় শতভাগ প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিয়েছি। পরিক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক না আসায় আমার সন্দেহের সঞ্চার হয়। তাই আমি উক্ত পরিক্ষার খাতা পুনরায় যাচাই বাছাই এর প্রয়োজন মনে করে প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন করি, তিনি কর্নপাত না করায় গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করি, তাতেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা হয়নি।

    পরে আমি গলাচিপা সহকারী জজ আদালতে গত ৩১ শে জানুয়ারি ৯ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবাদী পক্ষে ব্যাখা প্রদানের জন্য আদেশ দিয়েছে আদালত।

    এবিষয়ে গোলাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব মোঃ শাহ-আলম, বলেন, নিয়োগে কোন অনিয়ম হয়নি, আমরা বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ দিয়েছি। সায়েম নামে একজন প্রার্থী মামলা করেছেন, আমরা তার জবাব আদালতে দিবো বলে জানান তিনি।