Author: desk

  • ময়মনসিংহে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের সতর্ক করতে ট্রাফিকের মাসব্যাসী সচেতন কার্যক্রম

    ময়মনসিংহে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের সতর্ক করতে ট্রাফিকের মাসব্যাসী সচেতন কার্যক্রম

    ময়মনসিংহে মোটরসাইকেল চালকদের সুরক্ষায় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের সতর্ক করতে ট্রাফিক বিভাগের মাসব্যাসী সচেতন কার্যক্রম চলছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে ট্রাফিক বিভাগ নগরীর টাউনহল, নতুন বাজার, পাটগুদাম ব্রীজ মোড়, চরপাড়া মোড়, দিঘারকান্দা, আকুয়া বাইপাস মোড়, পুলিশ লাইন, রহমতপুরসহ প্রতিটি মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদেও আটক করছে। আটককৃত চালকদেরকে সড়ক দুর্ঘটনায় নিজের জীবন রক্ষা ও নিরাপত্তায় হেলমেটের গুরুত্ব তুলে ধরে কথা বলে চালকদেরকে সতর্ক করছেন। এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। মঙ্গলবার সকালে ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে ট্রাফিক পুলিশ নগরীর টাউনহল মোড়ে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদেও আটক কওে সতর্ককরণসহ হেলমেট কিনে পরিধান করতে বাধ্য বাধ্য করেন। ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদেও সতর্কীকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মেদ ভুঞা। হেলমেটবিহীন ২০/২৫ জন মোটরসাইকেল চালককে আটক দেখে পুলিশ সুপার বলেন, হেলমেটবিহীন মোটর সাইকেল চালনায় দুর্ঘটনায় নিজে ও পরিবারের সর্বনাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নিজের পাশাপাশি পরিবারের সর্বনাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট পরিধান কওে রাস্তায় বের হওয়ার পরামর্শ দেন। পুলিশ সুপার ও ট্রাফিক বিভাগের পরামর্শে আটককৃত হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকরা হেলমেট কিনে তাদের মোটরসাইকেল নিয়ে গন্তব্যে চলে যান। পুলিশ সুপার বলেন, আমরা চালকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য হেলমেটবিহীন চালকদেরকে হেলমেট পরিধানে সতর্ক করছি। কোন ধরণের দুর্ঘটনায় পড়লে শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান মাথা সবচেয়ে বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে মৃত্যু ডেকে আনে। তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহ ট্রাফিক বিভাগ মাসব্যাপী এই সতর্কীকরণ কর্মসুচি নিয়েছে। পরবর্তীতে যানবাহন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরে অতিরিক্ত ডিআইজি আবিদা সুলতানা পুলিশ সুপারের কার্যক্রম পরির্দশনে সম্পৃক্ত হন। পরে চালকরা নিজের হেয়ালিপনার কথা স্বিকার করে বলেন, আমরা কখনো হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হবো না। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাহীনুল ইসলাম ফকির, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক সুমন চন্দ্র রায়, ১নং ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে পুলিশি সেবা জনতার দোরগোড়ায় পৌছাতে বিট পুলিশিং সাইনবোর্ড  উদ্বোধন

    ময়মনসিংহে পুলিশি সেবা জনতার দোরগোড়ায় পৌছাতে বিট পুলিশিং সাইনবোর্ড উদ্বোধন

    স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ ॥ মাদক,ছিনতাই, জুয়া,চুরি-ডাকাতি,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ নির্মুলে আইনী সেবা কে জনকল্যাণে জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে যে কোন প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা পেতে সহজ করার লক্ষে ময়মনসিংহে বিট পুলিশিং সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ৩ নং বিট এলাকার জয়নাল আবেদীন পার্কের সাইনবোর্ড নগরীর টাউনহল মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সাইনবোর্ড উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা।

    এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে পুলিশ আছে জনতার পাশে এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পুলিশী সেবা সহজীকরণ এবং জনগনের হয়রানি কমাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জেলার প্রতিটি থানার ২০৮টি বিটে এক হাজার গুরুত্বপুর্ণ স্থানে পুলিশের প্রয়োজনীয় সকল নম্বর সম্বলিত (পুলিশ সুপার, সার্কেল, ওসি, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ও বিট কর্মকর্তা) নম্বরসহ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। এই সাইনবোর্ড কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো। যাতে সাধারণ মানুষজন পুলিশী সেবার প্রয়োজনে কোন ধরনের হয়রানির ছাড়াই অতি সহজে বিভাগীয় নগরীর প্রতিটি গুরুত্¦পুর্ণ মোড় ও বিটে এবং থানাগুলোর প্রতিটি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাটে-বাজারে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। অপরাধমুক্ত জেলা ও বিভাগীয় নগরী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি আরো বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদসহ যে কোন অপরাধ দমনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। তথ্যদাতাদের নাম ঠিকানা গোপন রেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে অপরাধমুক্ত করণে আরো সহজ হবে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শাহীনুল ইসলাম ফকির, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক সুমন চন্দ্র রায়, ১নং ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএমএ-র আল্টিমেটাম

    টুঙ্গিপাড়ায় চিকিৎসকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএমএ-র আল্টিমেটাম

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১০০-শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা: কমলেশ বাগচীর উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই সাথে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মবিরতির ঘোষনা দিয়ে কঠোর কর্মসূচি হুমকি দিয়েছে বিএমএ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

    বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) গোপালগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে আজ মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে টুঙ্গিপাড়া ১০০-শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে হাতে হাত ধরে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় তারা দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

    মানববন্ধনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন, অর্থোপেডিক ডা: এ.এফ.এম জুলফিকার রহমান, চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা: তানভীর মহোসেন, ডা: তরিকুল ইসলাম, ডা: মনির হোসাইন, ডা: আলিফ শাহারিয়াসহ ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সংগঠন ফারিয়ার সদস্যবৃন্দ ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

    মামলা সূত্রে জানাগেছে গতকাল সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭ টায় উপজেলার গিমাডাঙ্গা গ্রামের জায়েদ মুন্সী (১৭) প্রচন্ড জ্বর, শ্বাসকষ্ট, শারীরিক দূর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা: কমলেশ বাগচী তাকে দ্রুত গোপালগঞ্জ সদর অথবা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে যেতে বলেন।

    কিন্তু, পরিবারের লোকজন গড়িমশি করে সময় নষ্ট করে উন্নত চিকিৎসার জন্য গোপালগঞ্জ অথবা খুলনা নেয়নি। এমনকি রোগীর স্বজনেরা চিকিৎসকের দেয়া প্রয়োজনীয় টেস্টগুলোও করায়নি। পরে দুপুরে রোগীর অবস্থা আরো আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত নার্স ডা: কমলেশ বাগচীকে জানান। তখন তিনি শারিরীক পরীক্ষা শেষে রোগীকে মৃত ঘোষণা দিয়ে মৃত্যু সনদ প্রদান করেন। এতে রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎস ডা: কমলেশ বাগচীকে মারধর করে আহত করে। পরে হাসপাতালে দায়িত্বরত কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী কক্ষে রাখেন।

    এ ঘটনায় সোমবার রাতে ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন হামলার শিকার ডা: কমলেশ বাগচী। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন বলেন, আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা: কমলেশ বাগচীর উপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানান তিনি।

    গোপালগঞ্জ জেলা বিএমএ-এর মহাসচিব ডা: হুমায়ুন কবির এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবী জানিয়ে বলেন, আগামীকাল (আজ) বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত জেলার সকল হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন এবং ১৬ ফেব্রুয়রি ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হবে। ওই দিন রাত ১২ টার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি হুশিয়ারী দেন।

    এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল মুনসুর বলেন, চিকিৎসকের উপর হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। #

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ২১শে ফেব্রুয়ারী ও ৭ই মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ২১শে ফেব্রুয়ারী ও ৭ই মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালবাসা দিবসে পীরগঞ্জ উপজেলা সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে ২১ফেব্রুয়ারী ও ৭ই মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃআখতারুল ইসলাম, পৌর মেয়র মোঃ ইকরামুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব,পীরগঞ্জ থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম,প্রমুখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে ৮নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সনাতন চন্দ্র রায়,৫নং সৈয়দ পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিমাই,৯ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর ইসলাম, ৭নং হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃজয়নাল আবেদীন,১নং ভোমরা দহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃহিটলার হক প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন নেতাকর্মী, রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নলছিটি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শ্রমিক লীগের কমিটি গঠন

    নলছিটি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শ্রমিক লীগের কমিটি গঠন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠি জেলার নলছিটি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জাতীয় শ্রমিক লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মিরাজ সরকারকে সভাপতি ,মো. সেন্টু হাওলাদার কে সাধারন সম্পাদক ও মো. উজ্জল হাওলাদারকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
    এ উপলক্ষে আমির হোসেন আমু বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা ওয়াহেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি পারভেজ হোসেন হান্নান,৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. কবির হোসেন, বিশেষ বক্তা ছিলেন পৌর শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক মনির বিশ্বাস।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. জুলহাস খান নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা পৌর শ্রমিক লীগ কে শক্তিশালি করার মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রম সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • রাজশাহী-১ আসন এমপি ফারুকেই আস্থা

    রাজশাহী-১ আসন এমপি ফারুকেই আস্থা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) সংসদীয় আসন ভিআইপি আসন হিসেবে স্বীকৃত। ফলে এই আসনের নির্বাচনী হিসেব-নিকেশ সবসময় একটু ভিন্ন হয়। দলীয়ভাবেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলে এ আসন ঘিরে। ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বরাবরই মাঠে আছেন এবং নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি পৌরসভা, ইউনিয়ন, গ্রাম ও পাড়া ও মহল্লায় বিচরণ করছেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানো তার বিকল্প কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি, সম্ভবনাও নেই। তবে মাঝে মাঝে ডুলিয়া-পাপিয়া-মহীয়ারা শীতের সুর্যের মতো দুর থেকে উঁকিঝুঁকি দিলেও সেটা (বগী) আওয়াজ ব্যতিত কিছু নয় বলে মনে করছে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। কারণ দলের সাংগঠনিক দায়িত্বশীল কোনো নেতাকর্মী এমপির বিপক্ষে নাই। ফলে তিনি আবারো নৌকার টিকেট পাচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। আসনটিতে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না ও প্রার্থী নিয়ে রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব। তারপরও মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন, সাজেদুর রহমান মার্কনী, অধ্যাপক শাহাদৎ হোসেন শাহীনসহ দু-একজন নেতার নাম নেতাকর্মীদের মুখে ঘুরে ফিরছে। অন্যদিকে সুকৌশল ও মন্থরগতিতে নির্বাচনী মাঠ তৈরি করছে জামায়াতে ইসলামী। আর নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা জানান দিচ্ছে জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে
    নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা না থাকলেও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে চায়ের দোকান, আড্ডাখানায় চলছে রসালো আলাপচারিতা। যেখানে বরাবরের মতো এগিয়ে রয়েছে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে আসন্ন নির্বাচনে কারা হচ্ছেন দলীয় প্রার্থী এ নিয়েও বেশ বাক চর্চা শুরু হয়েছে। রাজশাহী-১ আসনটি ১৬টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। রাজনীতিতে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন। আসনটিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত তিন দলেরই রয়েছে ভোট ব্যাংক। তিন দল থেকেই এমপি নির্বাচিত হয়েছে।
    জানা গেছে, রাজশাহী-১ আসন ছিল বিএনপি-জামাতের দুর্গ। বিগত ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রায় দেড় দশক ছিল বিএনপি-জামাতের একচ্ছত্র আধিপত্য। আর প্রয়াত ব্যরিস্টার আমিনুল হক ছিলেন অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব। একবার জামায়াত ও তিনবার বিএনপির এমপি ছিলেন। সেই বিবেচনায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মনে করেন, এই আসনটি সারা দেশের মধ্যে জামায়াতের অন্যতম দুর্গ। ফলে জোটগত হোক আর এককভাবে হোক; আসনটিতে তারা জামায়াতের প্রার্থী আশা করেন।
    জানা গেছে, বিগত ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রথমবারের মত নৌকা প্রতীকে এমপি নির্বাচিত হন শিল্পপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এদিকে ফারুক চৌধুরীর বিজয়ের মধ্যদিয়ে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি-জামায়াতের সুর্য অস্তমিত হয়। এমপি ফারুক চৌধুরী তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় বিএনপি-জামায়াতের আতুড় ঘর তছনছ করে আওয়ামী লীগের বসত ঘরে পরিণত করেছেন। রাজশাহী অঞ্চলের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সিআইপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগে আশার পর, তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিদের ঐক্যবদ্ধ করে রাজনীতিতে নব জাগরণের সৃষ্টি করেছেন। তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, বিগত ২০০৯ সাল থেকে উপজেলা পরিষদ বিএনপির দখলে, তানোর পৌরসভা ২৬ বছর ধরে বিএনপি রাজত্ব করেছে। কিন্তু এমপির দিক নির্দেশনায় উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলো আওয়ামী লীগের দখলে, এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির রাজনৈতিক দুরদর্শীতায়, অথচ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন আসলেই তার বিরুদ্ধে চলে নানামুখী ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, আবারো আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এমপির বিরুদ্ধে চালানো হচ্ছে নানামুখী ষড়যন্ত্র। এর আগেও বিগত ২০১৮ সালের নির্বাচনে কথিত সেভেন স্টার গঠন করে এমপিকে ঠেকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে বিপদগামীরা। ফারুক চৌধুরী তার মনোনায়ন নিয়ে ভাবেন না বরং তার সুপারিশে কারো কারো মনোয়ন হয়। তিনি এমন এক নেতা যতদিন ধরে রাজনীতি করছেন কখনো নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন নি এবং লাখো নেতাকর্মীদের দোয়ায় আগামীতেও তিনিই মনোনায়ন পাবেন এবং পুনরায় এমপিও হবেন ইনশাল্লাহ। এবিষয়ে বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিল্পপতি ও তরুণ নেতৃত্ব আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু দলের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এটাকে দল করা বলে না। আর এমপি ভাই কোনো সময়ের জন্য দলের হাইকমান্ডের বা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কখনো অবস্থান নেন নি। তিনি বলেন, এমপি ভাইয়ের বড় অপরাধ তিনি কখানো অন্যায় কাজকে প্রশ্রয় দেয় না, দলকে পকেট বন্দী রাখে না। তিনি বলেন,
    অতীতে রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের কি অবস্থা ছিল আর এখন কি অবস্থা সেটা বিবেচনা করলই বুঝতে পারবে। তিনি বলেন, তানোর গোদাগাড়ী বিএনপির ঘাটি, সেটাকে সুকৌশলে
    তিনি রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এবিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকার বলেন, তানোর গোদাগাড়ীতে এমপি ফারুক চৌধুরীর বিকল্প নেতা তৈরি হয় নি, তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় আজ ঘরে ঘরে আওয়ামী লীগ। তিনি এমন একজন নেতা যার দরজা ন্যায়ের জন্য খোলা, অন্যায়ের জন্য বন্ধ। এমপি শুধু নেতাই না আমাদের অহংকার। যারা তাকে নিয়ে অযথা ষড়যন্ত্র করেছেন বা করছেন তাদের ভাবা উচিত যারাই এমপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে তারাই রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে, সুতরাং তিনি যতদিন সুস্থ থাকবেন আমাদের বিশ্বাস ও দাবি নেত্রী ততোদিন তাকেই নৌকার টিকিট দিবেন। কারন নেত্রীও ভালো ভাবে জানেন এই এলাকায় শুধুমাত্র ওমর ফারুক চৌধুরীর জন্য আওয়ামীলীগ এক সুসংগঠিত দলে পরিনত হয়েছে।#

  • মালদ্বীপে  পিঠা ও বসন্ত উৎসব উদযাপন

    মালদ্বীপে পিঠা ও বসন্ত উৎসব উদযাপন

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- “সমুদ্রের পাড়ে বাসন্তী হাওয়া, বাসন্তী সাজে রঙ্গিন মালদ্বীপ” স্লোগানকে সামনে রেখে মালদ্বীপ প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্যোগে সমুদ্রের পাড়ে সোমবার( ১৩ ফেব্রুয়ারি) ২০২৩ পহেলা ফাল্গুনের আয়োজনে মেতে উঠে সবাই। প্রবাস জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও বাংলাদেশীদের একত্রিত করতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন, মালদ্বীপ। হাই কমিশনার মহোদয়ের সহধর্মিনী মিসেস নাওমি নাহরিন কনিকার বিশেষ তত্ত্বাবধানে বষন্ত বরণের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয় করেন হাই কমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) এর সহধর্মিনী মিসেস রোমানা রাজিয়া সিদ্দিকা।
    বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ বাহারি পিঠায় মুগ্ধ হয়ে বলেন, এ যেন সাগরের বুকে একখণ্ড বাংলাদেশ। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে পিঠা। আর তাই পিঠা বাঙালির জীবন ও লোকজ খাদ্য সংস্কৃতির এক অপরিহার্য অংশ। বিদেশিদের কাছে আমাদের দেশের ভালো দিক ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে।

    উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে নারী, পুরুষ ও শিশুদের উপস্থিতি প্রাণবন্ত করে তোলে বাসন্তী বিকেল।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস.এম. আবুল কালাম আজাদ, কাউন্সেলর (শ্রম) মো: সোহেল পারভেজ, তৃতীয় সচিব চন্দন কুমার সাহা, মালদ্বীপের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিআইপি আলহাজ্ব সোহেল রানা, দুলাল হোসেন, বাবুল হোসেন,আলতাফ হোসেন, এন.বি.এল মানি ট্রান্সফার এর সিইও মাসুদুর রহমান, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: মোক্তার আলী লস্কর, ডা: জেবা উন নাহার, ডা: ফারহানা, ডা: আসিফ, ডা: হুরিয়া, ডাঃ সুজন ও তাদের পরিবারবর্গ, হাই কমিশনের সকল কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশী পরিবারের সদস্য বৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

    অনুষ্ঠানে ঘরে তৈরী ফাগুনের পিঠা ও দেশীয় খাবার দাবার পরিবেশন বাড়তি আনন্দ নিয়ে আসে। অনুষ্ঠানে আগতরা জানান, সামাজিক এবং রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের বাইরেও বাংলাদেশের সার্বজনীন এমন উৎসবের আয়োজনে দেশের আমেজ পাওয়া যায়। এসব আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান তাদের। প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্ম ও স্থানীয়দের মাঝে বাংলাদেশী সংস্কৃতি তুলে ধরাই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।

  • ঝিনাইদহে ফুলের বাজার সরগরম ৫০ কোটির বাজার ধরতে মরিয়া ব্যবসায়ীরা

    ঝিনাইদহে ফুলের বাজার সরগরম ৫০ কোটির বাজার ধরতে মরিয়া ব্যবসায়ীরা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে ফুলের বাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। গতকাল সোমবার থেকেই ফুল বিক্রির ধুম পড়েছে। ফুলের দোকানগুলো সেজেছে অপরূপ সাজে। ঝিনাইদহ শহরের ব্যাপারীপাড়া সড়কে জমিরের ফুলঘর জেলার বৃহৎ ফুলের দোকান। লাখ লাখ টাকার বাহারী ফুল এখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌছে যাচ্ছে। জমির নিজেও ফুল সমিতির সভাপতি। তিনি আশশা করছেন তিন উৎসবকে ক্রেন্দ করে জেলায় ৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে। এদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে ঘিরে বাজার ধরতে ফুল পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষীরা। গাদা, গোলাপ, জারবেরাসহ অন্যান্য ফুলের জমিতে সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে মান ভালো রাখতে পোকা দমনে নানা ধরনের ছত্রাক নাশকও স্প্রে করা হচ্ছে। অনেকে আবার ক্ষেতেই রেখে দিচ্ছেন ফুল। তবে পরিচর্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান কৃষি বিভাগ। চলতি মৌসুমে জেলায় ফুলের আবাদ হয়েছে ১৬৮ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে গাদা ফুলের পরিমানই শতকরা ৬৫ ভাগ। দেশের মোট গাদা ফুলের চাহিদার সিংহ ভাগই পুরণ হয় ঝিনাইদহের ফুলের মাধ্যমে। আসা করা হচ্ছে চলতি মৌসুমে ২১শে ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার বেশি ফুল বিক্রয় হবে। ফুটে আছে লাল, হলুদ, কমলা রঙের জারবেরা, কোথাও গাদা ফুল গাছে এসেছে কুড়ি, কোথাও বা ফুটেছে ফুল। এমনই চিত্র ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার ফুল ক্ষেতের। এই ক্ষেতগুলোতে চাষীরা দিনান্ত পরিশ্রম করে চলেছে পরিচর্যায়। ফুল চাষীরা বলছেন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, বসন্ত আর আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস। এই উৎসব ঘিরে ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুন। দামও হয় অনেক বেশী। তাই শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা চলছে। সামনের বাজার পেতে অনেক ফুলই ক্ষেতে রেখে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ফুল ব্যবসায়ীরা বলছেন, আজ ১৪ ফেব্রয়ারি থেকে চাহিদা ও দাম বেড়ে যাবে কয়েকগুন। প্রতিদিন এক একটি বাজারে গড়ে ৫০ লাখ থেকে ৬০ লাখ টাকার ফুল বিক্রি হবে। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে হলুদ কালারের ফুলের চাহিদা সব থেকে বেশী। ফুল ব্যাবসায়ী সমিরি সভাপতি জমির উদ্দীন জানান, এবছর ফুলের বাজার চড়া। বৈশ্বিক মন্দা ও সব কিছুর দাম বৃদ্ধির কারণে ফুলের দামও বেড়েছে। তিনি আশা করছেন এসব সত্তেও ফুল প্রেমীরা প্রিয়জনকে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা দিতে ভুলবেন না। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আজগর আলী বলেন, ফুলের শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা ও ফুল সংরক্ষণে কৃষকদের নিয়মিতই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে এবার পদ্মা সেতু চালুর ফলে ঢাকা, চট্রগ্রাম সহ বিভিন্ন স্থানে যানজটের বিড়ম্বনা ছাড়াই সঠিক সময়ে ফুল পৌছাতে পারবে ব্যবসায়ীরা। গ্রাহকরাও পাবে তাজা ফুলের সুগন্ধ।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • বাখরনগর উচ্চ বিদ‍‍্যানিকেতন’র নবগঠিত ম‍্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা

    বাখরনগর উচ্চ বিদ‍‍্যানিকেতন’র নবগঠিত ম‍্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা

    মোঃতরিকুল ইসলাম, তরুন,কুমিল্লা,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর (পূর্ব) ইউনিয়নের বাখরনগর উচ্চ বিদ্যা নিকেতন’র নতুন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শীর্ষক পরিচিতি সভায় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান শিক্ষকের অফিস রুমে বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এম.কে নাজমুল হাসান (নিঝুম)’র সভাপতিত্বে নতুন ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আমার অনেক অতীত জড়িয়ে আছে এই বিদ্যালয়ে। আমি এই বিদ্যালয়কে খুবই ভালবাসি। যে কারণে আমি নিরলস পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এই বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষার্থী ও নব-গঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই।বিদ্যালয়ের উন্নয়ন করার লক্ষ্যে সকলে আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা যেন আমি সঠিকভাবে পালন করতে পারি সে জন্য সকলে আমার জন্য দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করবেন সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ম্যানেজিং কমিটির সভার শুরুতে বাখরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ নতুন ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টিমুখ করান।

    নতুন ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভায় শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এম.কে নাজমুল হাসান (নিঝুম), সদস্য সচিব বাখরনগর উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক শরীফ নাসির উদ্দিন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিপ্লব, মোঃ আব্দুস সাত্তার। এ সময় অন‍্যান‍্যদের মাঝে আরোও উপস্থিত ছিলেন, নবীপুর (পূর্ব) ইউপি’র ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদ আলী শাহ আলম, ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার জালাল হোসেন প্রমূখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে স্কুলের উন্নয়নমূলক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। নব-নিযুক্ত ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক বৃন্দ, সকল শিক্ষক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নবীনগরে প্রথম নারী ব্যারিষ্টার ইফফাত সুলতানা তমা

    নবীনগরে প্রথম নারী ব্যারিষ্টার ইফফাত সুলতানা তমা

    কুমিল্লা থেকে, মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার প্রথম নারী ব্যারিষ্টার হলেন ইফফাত সুলতানা তমা।বাবার ইচ্ছেতে ব্যারিস্টার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে আইনে ভর্তি হন। সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি।

    ইফফাত সুলতানা তমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর পৌর এলাকার ভোলাচং গ্রামে।পিতা হাবিবুর রহমান খায়ের, মাতা আইনুন নাহার দম্পতির ২ মেয়ের মধ্যে ইফফাত সুলতানা তমা সবার ছোট।

    তমার পিতা নবীনগর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি গার্মেন্টস ব্যবসায় জড়িত।
    ইফফাত সুলতানা তমার শিক্ষাজীবন শুরু হয় নবীনগর কল্লোল কিন্ডার গার্ডেন থেকে, সেখানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ সহ উত্তরা রাজউক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকেও গোল্ডেন জিপিএ-5 পেয়ে উর্ত্তীণ হয় সে।

    পরবর্তীতে উচ্চতর শিক্ষালাভের আশায় ব্যারিস্টার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ব্যারিস্টারি পড়তে পাড়ি জমান লন্ডনে।

    এদিকে নবীনগর উপজেলায় প্রথম নারী ব্যারিষ্টার হওয়ায় গৌরব অর্জন করায় নবীনগরের আপামর জনতা বেশ খুশি। এই খবর প্রকাশের পর থেকে সোশ্যালমিডিয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দেয়ার হিড়িক লক্ষ করা গেছে।

    তমার পিতা হাবিবুর রহমান খায়ের জানান, মেয়ের এই সাফল্যে তিনি বেশ গর্বিত। মেয়ের সুন্দর জীবন ও আইনি পেশায় দেশ ও দশের সেবায় জনকল্যাণে নিয়োজিত থাকতে পারে সেজন্য নবীনগরবাসী তথা দেশবাসীর দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন তিনি।