Author: desk

  • ডোমারে গোমনাতী মহাবিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে- এমপি

    ডোমারে গোমনাতী মহাবিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে- এমপি

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

    “শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনাতী মহাবিদ্যালয়ের চারতলা ভিত বিশিষ্ট একতলা ভবনের উদ্বোধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (১৫ই ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার গোমনাতী মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্ব ও
    অধ্যক্ষ ফরিদুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে,
    গোমনাতী মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের মাননীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূবন আখতার, নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুর ইসলাম, ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মাহমুদ উন নবী ডোমার উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম রৌশন কানিজ, গোমনাতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহম্মেদ ফয়সাল শুভ প্রমূখ। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দসহ এলাকার গন্যমান্যব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভা পর্বে গোমনাতী মহাবিদ্যালয়ের চার তলা ভিত্তি বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়। এরপর মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

  • প্রধান শিক্ষকের ইমো আই হ্যাক, থানায় জিডি, লেনদেন না করার অনুরোধ

    প্রধান শিক্ষকের ইমো আই হ্যাক, থানায় জিডি, লেনদেন না করার অনুরোধ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, দৈনিক ইনকিলাবের গোদাগাড়ী উপজেলা সংবাদদাতা, দি বাংলাদেশ টুডে ও শিক্ষাবার্তার জেলা প্রতিনিধি মোঃ হায়দার আলীর ইমো আইডি imo ID কে বা কারা কোলন করে বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট হতে ম্যাসেজ করে বিকাশ নাম্বার দিয়ে টাকা চাচ্ছেন। কোন প্রকার টাকা লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
    এব্যপারে গোদাগাড়ী মডেল থানায় জিডি করা হয়েছে, জিডি নম্বর ৬৬৪ তারিখ ১৫/০২/২০২৩ ইং, ১৪ /০২/২০২৩ ইং তারিখ রাত ৯ টা ১৯ মিনিটের সময়৪৪৭৮৭৩০৪৭০৬৭ ও রাত ৯ টা ৪০ মিনিটের সময় রিং করে গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়রের ভাতিজা পরিচয় দানকারী বলেন, মেয়র সাহেবের মোবাইল ও গ্রুপে সমস্যা হচ্ছে, তাকে বিরক্ত করছেন। সমাধানের জন্য স্যার ম্যাসেজের উত্তর দিতে হবে এর পর থেকে আমার ইমো আইডি হ্যাক হয়ে যায়। একটি প্রতারক চক্র দীর্ঘ দিন থেকে এ অবৈধ কাজটি করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। তাদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিৎ বলে সচেতন মহল মনে করেন।

    বিষয়টি নিয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, থানায় ১ টি জিডি করেন। গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়রের ইমো নাম্বারে এককই কেস ঘটেছে তিনিও জিডি করেছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • রাজশাহীর চারঘাটে প্রথম ধাপে বীর নিবাস পেলো ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা

    রাজশাহীর চারঘাটে প্রথম ধাপে বীর নিবাস পেলো ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা

    নিজস্ব প্রতিবেদক চারঘাট (রাজশাহী):

    রাজশাহী চারঘাটে ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রথম ধাপে পেলো বাসগৃহ “বীর নিবাস”।

    বুধবার সারা দেশের ৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা কে বীর নিবাস হস্তান্তর করা হয়েছে।

    গণ ভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে বীর নিবাসের চাবি হস্থান্তের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন অস্বচ্চল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস প্রকল্পের আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

    এরই মধ্যে যে সকল বীর নিবাসের কাজ শেষ হয়েছে সে গুলো চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১০ টায় চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বীর নিবাসের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

    চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান আলমাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামিম আহমেদ, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষি বিদ লুৎফুন নাহার, সরদহ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, নিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও চারঘাট ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান সহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • মোকামের শিকারপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    মোকামের শিকারপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    বুধবার বিকালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়ন এর শিকারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক বিষয়ক ভিত্তিক কুইজ ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ জাহান ভূইয়া স্বপন এবং পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন।
    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিকারপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সভাপতি মোঃ নাজমুল আলম খন্দকার শাহীন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং সাংবাদিক মোঃ জাকির হোসেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ শামীম খন্দকার,নিমসার জুনাব আলী কলেজের অব: আব্দুল ওয়াদুদ, ঠিকাদার মোঃ মোতালেব হোসেন।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: নুসরাত জাহান।
    আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে মোসা: আলেয়া বেগম, মোসা: নাজমা আক্তার, মোসা: সামিমা আক্তার, তাহমিনা শারমিন, নাজনীন সুলতানা, জ্যোসনা আক্তার প্রমুখ।
    অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও সভাপতি বৃন্দ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

  • ভুয়া এনজিও খুলে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা র‍্যাবের অভিযানে এমডিসহ দুই জন আটক

    ভুয়া এনজিও খুলে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা র‍্যাবের অভিযানে এমডিসহ দুই জন আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    নওগাঁর পোরশায় ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভুয়া এনজিও ‘সাকো’ এর এমডিসহ দুই জন প্রতারক কে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের র‍্যাব সদস্যরা।

    বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে র‌্যাব-৫ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলার সরাইগাছি বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন,উপজেলার কালাইবাড়ী গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা (২৯) ও সরাইগাছী এলাকার মৃত.নুরুল ইসলামের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৫৭)।

    র‍্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত মাসুদ রানা, তোফাজ্জল হোসেন ও জহুরুল ইসলাম সরাইগাছি বাজারে একটি অফিস ভাড়া নিয়ে ‘সাকো’ নামে একটি এনজিও খুলে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মাসিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে জুডিশিয়াল ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে এফডিআর খুলে লাখ লাখ টাকা আদায় করে। শুরুতে প্রথম দুই এক মাস মুনাফা প্রদান করে এবং পরবর্তীতে মুনাফা প্রদান করা বন্ধ করে দেয়। ফলে গ্রাহকরা তাদের জমা করা টাকা ফেরত চাইলে তারা টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করে। এরকম ভুক্তভোগীদের মধ্যে শাহাবুদ্দিন, আমিনুল ও আমানুল্লাহ ‘সাকো’ এনজিওকে সাড়ে (১০) দশ লাখ টাকা দিলে তাদেরকে প্রতি মাসে লাখে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে এনজিও-এর এমডি মূলহোতা মাসুদ রানা ও নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলামের কাছে মুনাফা চাইতে গেলে তারা টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করে। পরে আসল টাকা ফেরত চাইলে আজ দেব কাল দেব বলে কালক্ষেপণ করে। কিন্তু টাকা ফেরত দেয় না।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এ ব্যাপারে সাপাহার ও পোরশা উপজেলার প্রায় আট-দশ জন ভুক্তভোগী র‌্যাব ক্যাম্প জয়পুরহাটে এসে তাদের সঙ্গে সাকো এনজিও প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করলে। অভিযোগ পেয়ে র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তের এক পর্যায়ে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়, এনজিওর এমডি মাসুদ রানা ও জহুরুল ইসলাম সবকিছু বিক্রি করে ১৬ তারিখে পালিয়ে যাবে। এরপর মঙ্গলবার সরাইগাছি বাজারে র‍্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে জুডিশিয়াল ও নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পসহ মাসুদ রানা ও মাঠকর্মী তোফাজ্জল হোসেনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় নির্বাহী পরিচালক জহুরুল ইসলাম র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটককের পর ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে পোরশা থানায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।

  • বেতাগীতে প্রথমবারের মতো প্রসব পূর্র্ব পরিচর্চা নিশ্চিতকরণে এএনসি ক্যাম্পেইন

    বেতাগীতে প্রথমবারের মতো প্রসব পূর্র্ব পরিচর্চা নিশ্চিতকরণে এএনসি ক্যাম্পেইন

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না
    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার বেতাগীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে কাউনিয়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র দিনব্যাপি প্রসব পূর্র্ব পরিচর্চা নিশ্চিতকরণে এএনসি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এই ক্যাম্পেইনে প্রায় আড়াই শতাধিক গর্ভবতী মহিলাকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।
    বৃধবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৮টায় এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাহমিদা লস্কর। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. বুশরা, ডা. শীলা ও উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সাগর দত্ত। এ সময়ে গর্ভবতী মহিলাদের বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। এছাড়াও রোগীদের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা ও ঔষুদ সরবরাহ করা হয়। এ ক্যাম্পেইনে মোট ২১৫ জন গর্ভবতী মহিলা রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। রোগীরা হাতের কাছে এ ধরনের উন্নত সেবা পেয়ে দারুন খুশি। তার এ ধরনের ক্যাম্পেইন নিয়মিত আয়োজনের আহবান জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাহমিদা লস্কর জানান, সরকারের পক্ষ থেকে গর্ভবতী মহিলাদের বিনামূল্যে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয় সেসব তথ্য জানানো এবং তারা যেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করে সেই সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়েছে। আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পর্যায়ে এ ধরণের ক্যাম্পেইন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে।

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না
    বেতাগী বরগুনা

  • পঞ্চগড়ে জাল খতিয়ানে হচ্ছে ‘সরকারি সম্পত্তি’র দলিল

    পঞ্চগড়ে জাল খতিয়ানে হচ্ছে ‘সরকারি সম্পত্তি’র দলিল

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন হস্তান্তর অযোগ্য ‘মোহাজের সম্পত্তি’ কেনা-বেচার রেওয়াজ বেশ পুরনো। তবে রীতিমত ব্যক্তি মালিকানা জমির ন্যায় পঞ্চগড়ে রেজিষ্ট্রি হচ্ছে এসব জমি। তাও আবার স্বয়ং সাব-রেজিষ্ট্রারের মাধ্যমে।
    পঞ্চগড় সদর উপজেলার টুনিরহাট সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মোহাজের সম্পত্তি রেজিষ্ট্রির দলিল প্রস্তুতের এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে। ভুয়া খতিয়ান দেখিয়ে সব প্রতিবন্ধকতা ডিঙ্গিয়ে এসব জমি রেজিষ্ট্রিতে তার দক্ষতাও বেশ। এসবে যোগসাজশ রয়েছে সংশ্লিষ্ট রেজিষ্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদেরও।
    গত বছরের ২২ জুন এই সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে সম্পন্ন হওয়া একটি দলিলের নম্বর ৩৮৩/২২। এই দলিলে উল্লেখ করা এবং সংযুক্ত তথ্যের সবই যেন প্রতারণা। এই দলিলমুলে হস্তান্তর অযোগ্য সরকারি জমি রেজিষ্ট্রি করেছেন তৎকালিন সাব-রেজিষ্ট্রার। দলিলে দেখানো হয়েছে জাল খতিয়ান। এ কাজে ভুক্তভোগিদের ভুলভাল বুঝিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ দলিল লেখক আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে। এই দলিল লেখকের বিরুদ্ধে এ ঘটনার বাইরেও ভূমিসংক্রান্ত নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে ইতোপূর্বেও অনিয়ম করে বিভিন্ন দলিল করেছেন তিনি। তবে অফিসে কর্মরত কেরানী থেকে সাব-রেজিষ্ট্রার সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে এসব দলিল হচ্ছে- এ নিয়ে প্রশ্ন জনমনে।
    জানা গেছে, দলিল লেখক আব্দুল কুদ্দুসের প্রস্তুত করা দলিলটি সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর মৌজার ৮২২, ৮২১ এবং ৮২৪ নম্বর দাগের। এই তিনটি দাগই ৩০৮ নম্বর এসএ খতিয়ানভুক্ত। যা দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন হস্তান্তর অযোগ্য সম্পত্তি। যার বাস্তবতাও মিলেছে ভূমি অফিসের তথ্যে। অথচ আব্দুল কুদ্দুস তার প্রস্তুত করা দলিলে ৮২২ নং দাগের খতিয়ান দেখিয়েছে এসএ ১৮৮ আর ৮২১ নং দাগের খতিয়ান দেখিয়েছে এসএ ১৯৮ এবং ৮২৪ নং দাগের খতিয়ান দেখিয়েছে এসএ ১০৮।
    ভূমি অফিসের তথ্যমতে, এসএ ১৮৮ নং খতিয়ানে মোট ৫টি দাগ রয়েছে। সেগুলো হলো- ১০৮, ১২৪, ১০১ এবং ১০২। এসএ ১৯৮ খতিয়ানে একটি দাগ হলো- ১০৭ এবং এসএ ১০৮ খতিয়ানের একটি দাগ হলো- ৩৫৬।
    স্থানীয়রা জানান, মোহাম্মদপুর মৌজায় বিপুল পরিমাণ হস্তান্তর অযোগ্য মোহাজের সম্পত্তি রয়েছে। যার বেশিরভাগই দলিল লেখক আব্দুল কুদ্দুসের নখদর্পনে। তিনি এসব জমির ভোগদখলে থাকা ব্যক্তিদের ভুলভাল বুঝিয়ে কয়েকবছর ধরেই অবৈধভাবে রেজিষ্ট্রি করাচ্ছেন। বিনিময়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা।
    হাড়িভাসা ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অমর চক্রবর্তী বলেন, মোহাজের সম্পত্তি দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। এসএ ৩০৮ খতিয়ানভুক্ত এই জমি রেজিষ্ট্রির প্রশ্নই আসেনা। কেউ করলে সেটা অবৈধভাবে করছে, যা মূল্যহীন এবং মারাত্মক অন্যায়।
    একই কথা বলেন টুনিরহাট দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহামদ আলী। খতিয়ান জাল করে সরকারি জমি রেজিষ্ট্রি মারাত্মক অপরাধ মনে করেন তিনি।
    এদিকে, টুনিরহাট সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই হ-য-ব-র-ল অবস্থা। নৈশপ্রহরী দিয়ে চলছে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। হাতে এসেছে উমেদার পদে চাকরি করা নৈশপ্রহরী মোঃ দবির উদ্দীনের একটি ভিডিও ক্লিপ। রাতের চাকরি হলেও তাকে দেখা যায় অফিস চলাকালীন চেয়ার টেবিল নিয়ে অফিসার বেশে বসে থাকতে। দলিল রেজিষ্ট্রির পূর্বাহ্নে দলিল লেখকরা দলিলের ভুল সংশোধনের জন্য দ্বারস্থ হন তার। তিনি সবকিছু ঠিকঠাক মনে করলে দলিল যায় পরের ধাপে। তবে নৈশপ্রহরী হয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজে তিনি কেন- এমন প্রশ্নের সদোত্তর মিলেনি।
    অভিযুক্ত দলিল লেখক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সরকারি সম্পত্তি রেজিষ্ট্রির দলিল আমরা করিনা। ওই দলিলটি হেবা দলিল। বাবা তার সন্তানদের সম্পত্তি দান করেছে, এজন্য দলিলটি করে দিয়েছি।
    অভিযোগের বিষয়ে জানতে গেলে চটে যান সাব-রেজিষ্ট্রার নিশাদুর রহমান। বলেন, একজন সাব-রেজিষ্ট্রার যেটা সঠিক মনে করবে সেটাই সঠিক। কারো কোন বিষয়ে অভিযোগ থাকলে সে আদালতে যাক।

  • রাজশাহীতে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীতে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর অগ্রণী বিদ‍্যালয় ও মহাবিদ্যালয়, রুয়েট চত্বরে সকালে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধ‍্যক্ষ মোঃ সাইফুল হকের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চল, রাজশাহীর উপ-পরিচালক ড. শরমিন ফেরদৌস চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাঃ নাসির উদ্দিন, সাবেক অধ‍্যক্ষ, অগ্রণী বিদ‍্যালয় ও মহাবিদ্যালয়, তহুরা আক্তার খাতুন,উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ স্কাউটস, রাজশাহী অঞ্চল, অলোক চক্রবর্তী,
    থানা শিক্ষা অফিসার, মতিহার রাজশাহীর মোঃ মিজানুর রহমান, উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বড়ির সম্মানিত সকল সদস্য। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক, কর্মচারী, ও শিক্ষার্থী।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পঞ্চগড়ে অনুমতি না  নিয়েই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ৫৮ টি গাছ কর্তন

    পঞ্চগড়ে অনুমতি না নিয়েই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ৫৮ টি গাছ কর্তন

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :পঞ্চগড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অমান্য করে মাদ্রাসা’র অধ্যক্ষ ৫৮ টি ইউক্যালিপটাস গাছ কর্তন করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় সদর উপজেলার খানবাহাদুর মোখলেছুর রহমান দারুচ্ছুন্নাত আলিম মাদ্রাসায়। একটি বিশেষ সূত্রে জানাযায় মাদ্রাসা’র অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সামাদ আইনের তোয়াক্কা না করেই বড়ো ছোটো মিলিয়ে ৫৮ টি গাছ কর্তন করেছেন।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাদ্রাসার ভিতরে সাড়ি সাড়ি ভাবে যেখানে সেখানে কর্তন কৃত গাছ পড়ে রয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ বলেন আমরা কমিটির লোকজন নিয়ে রেজুলেশন করে গাছ কেটেছি।রেজুলেশন দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেনি এবং গাছ কাটার বিষয়ে উনার কাছে বক্তব্য চাইলে তিনি দিতে পারবেনা বোলে রুম থেকে বেড়িয়ে যায়।এদিকে বিনা অনুমতিতে গাছ কাটার দায়ে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেনা মর্মে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। গাছ কাটার বিষয়ে মুঠো ফোনে পঞ্চগড় সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান তারা গাছ কাটার পর আমাদের জানান।এবিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।তিনি এও জানান তদন্ত করার জন্য বিট অফিসার কে দিছি গাছের সংখ্যার জন্য, আর উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারকে বলা হয়েছে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

  • বাবুগঞ্জের আগরপুরে দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও গড়ে উঠেনি শহীদ মিনার

    বাবুগঞ্জের আগরপুরে দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও গড়ে উঠেনি শহীদ মিনার

    কে এম সোহেব জুয়েল :- মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস বারবার পেড়িয়ে গেলেও দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সময়ে গড়ে উঠে নাই বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর ডিগ্রী কলেজে শহীদ মিনারটি।

    সরকারিভাবে প্রতিটি প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার নির্মানের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না ওই কলেজের বেলায়। তারা নিয়ম নিতীর তোয়াক্কা না করে শ্রদ্ধার নামে নানান অজুহাতে বৃদ্বা আঙ্গুলী দেখিয়ে দীর্ঘ দুই যুগেরও অধিক সময় অতিবাহিত করছেন শহীদ মিনার তৈরির বেলায়।

    উপজেলা শিক্ষা অফিস সহ সড়জমিন খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,কতিপয় প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভাষা দিবস সহ বিভিন্ন দিবসে শহীদ ব্যধীতে পুষ্পমাল্য অপর্ণ হয় নামকাস্তে অস্থায়ী ভিত্তিতে শহীদ মিনার তৈরি করে।

    তদরুপ আগরপুর ডিগ্রি কলেজেও দুই যুগের অধিক সময় ধরে কলাগাছ কিম্বা কাঠের গুরি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে ফুল দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা ।

    শহীদ মিনার নির্মানে সরকারি কোন অর্থ বরাদ্দ দেওয়া না হলেও স্থানীয় উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয় শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২০২১ সালে ৯ মে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে অভিন্ন শহীদ মিনার তৈরি করতে এবং
    সারাদেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্টানে নকশা পাঠানো হয় ওই সময়। পাঠানো হয় শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শহীদ মিনার তৈরির যাবতীয় তথ্য। সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনাও দেওয়া হয় সেই সময়ে।

    সরকারের এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও দেশের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও আগরপুর ডিগ্রি কলেজের বেলায়ও একই অবস্থায় নির্মান করা হয়নি শহীদ মিনার।

    এ বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সুধিসমাজের অভিমত আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনা ছড়িয়ে দিতে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ভাষা প্রেম, উদ্ভুদ্ব করতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা দরকার শহীদ মিনার এমনটি মনে করে স্বাধীনতার চেতনার ভাষাপ্রেমী মানুষেরা। ওই কলেজের একাধিক শিক্ষার্থীদের সাথে সাক্ষাৎ করা হলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ,দুই যুগ পেড়িয়ে গেলেও এই শিক্ষা প্রতিষ্টানের কর্তীপক্ষের মধ্যে ভাষা শহীদের শ্রদ্ধ্যার্থে কিঞ্চিৎ পরিমান সাড়া জাগেনি। তাই নিরুৎসায়ী ভাবে নামকাস্তে শিক্ষা প্রতিষ্টানে জড়িতদের চাকুরী বাচানো সহ সমালোচনার ঝড় থেকে পরিত্রান পেতে দায়সাড়া ভাবে কলাগাছ কিম্বা কখনেো গাছের গুরি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে । এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ মো: এবায়দুল হক শাহীন সাথে স্বাক্ষাৎ করা হলে তিনি বলেন শহীদ মিনার তৈরির কাজ চলছে ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদের স্মরনে পাকা স্হাপনার তৈরি শহীদ মিনারে ফুল দিয়েই শহীদদের স্মরন করা হবে বলে আশা করছেন কলেজ অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন।

    তাই এ সকল প্রতিষ্টানে দ্রুত শহীদ মিনার তৈরি করে ভাষা শহীদদের সঠিক ভাবে শ্রদ্ধা দিতে শিক্ষাঙ্গনে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্তীপক্ষের সু- দৃষ্টি কামনা করছেন সচেতন মহলের লোকজন।।

    অন্যথায় এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদের শ্রদ্ধা সম্পর্কে চীরঅজ্ঞ হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবক মহলের লোকজন।