Author: desk

  • বেতাগীতে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন ও ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা

    বেতাগীতে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন ও ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা)

    দেশের উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগীতে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন ও ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। গত বছর তুলনায় এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের। তবে তরমুজের বীজ, কীটনাশক, সার ও ডিজেলের দিন দিন মূল্যবৃদ্ধির কারণে হিমশিম খাচ্ছে চাষিরা।

    জানা গেছে, সারাদেশে যে পরিমাণ তরমুজের চাহিদা রয়েছে তার একটি অংশ মেলে বরগুনা জেলা থেকে। এখানকার তরমুজের ভাল স্বাদ ও সুমিষ্ট হওয়ায়, দেশজুড়ে এর বাড়তি চাহিদার কারণে জেলার অন্য উপজেলার পাশাপাশি বেতাগীবাসীও পিছিয়ে নেই।

    সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রবি /২০২২-২৩ তরমুজ মৌসুমে আমন ধান কাটার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। চাষিরা। মাঠের পর মাঠ চাষাবাদ করে তরমুজ বীজ বপনের জন্য গর্ত তৈরি করে রেখেছেন। এ কাজে এখন যেন কোন ফুসরত নেই। পুরুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুরাও কাজ করছে। এ কাজ করে ভীষণ খুশি তারা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছরে ৫৬ একর ৬ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ে ছিলো।

    কিন্তু উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের পুটিয়াখালী, বিবিসি চনি, বেতাগী সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাণীপুর, হোসনাবাদের দক্ষিন বাসন্ডা, দক্ষিন হোসনাবাদ, ঝুঁকছেন। মোকামিয়া ইউনিয়নের করুনা, মোকামিয়া মাদরাসা, চরখালী, বুড়ামজুমদারের পূর্ব বুড়ামজুমদার, পশ্চিম কাউ- নিয়া ও কাজিরাবাদ ইউনিয়নের আয়লা চান্দখালী, পূর্ব কাজিরাবাদ ও কাজিরাবাদ গ্রামে লক্ষমাত্রার চেয়ে ইতোমধ্যে বেশি জমিতে তরমুজজের আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর আরও বেশি

    জমিতে তরমুজ আবাদের উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিগত বছরের চেয়ে এবার তরমুজের বীজ, সার এবং কীটনাশকের দাম বেড়েছে যাওয়ার কারণে তারা চাষে হিমশিম খাচ্ছেন বলেন অভিযোগ করলেন একাধিক চাষী। কিছু কিছু এলাকায় অসাধু ব্যাবসায়ীরা ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি সার এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বস্তাপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে চাষীদের। সরকারিভাবে ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি সারের দাম এক হাজার ১০০ টাকা। সুযোগে সার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছে এমন অভিযোগ তাদের। অপর দিকে বাজারে এক কৌটা (১০০ গ্রাম) বিঘ ফ্যামিলি ৩০০০ টাকা, জাগুয়া ৩২০০ টাকা ও এশিয়ান বীজ ৩১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের পুটিয়াখালী গ্রামের তরমুজ চাষী মো. এমাদুল হক জানান, গত বছর একই বীজের দাম ছিল ২৫০০-২৭০০ টাকা। একই গ্রামের মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, পাশাপাশি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জমি চাষেও বেশি খরচ হচ্ছে। এর ফলে, এবার তরমুজের উৎপাদন খরচ বাড়বে বলে তিনি আশঙ্কা করেন। এবারে তরমুজ উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রির সময় উপযুক্ত দাম না পেলে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের তরমুজ চাষী। আমিরুল ইসলাম বলেন, তবুও গত বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় এ বছর চাষীরা বেশি তরমুজ চাষে

    বরগুনা জেলা (বিএফএ) ডিলার সমিতির সভাপতি মোঃ ফেরদাউস জামান শাহীন বলেন, জেলার সবখানেই সরকারি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে। তবে গ্রামাঞ্চলে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। এর সঠিক তথ্য প্রমান পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা আমাদের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করবো।

  • মাকে ফিরে পেতে চায় ৩ বছরের শিশু সিফাত,মিথ্যা মামলায় হয়রানি

    মাকে ফিরে পেতে চায় ৩ বছরের শিশু সিফাত,মিথ্যা মামলায় হয়রানি

    লিটন মাহমুদ,
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মাকে ফিরে পেতে আকুতি তিন বছরের ছোট্ট শিশু সিফাতের। প্রতিনিয়ত মাকে খুজে বেড়ায় শিশুটি। এমন ঘটনা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যে শিয়ালদী গ্রামে। অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে শিশুটির মা শবনম বেগম দীর্ঘ একবছর যাবত ভারতে আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলখানায় বন্দি থাকে । সেখানে সাজা শেষ হলেও এখন বাড়ি ফিরতে পারেনি শবনম। এর আগে তাদের আটকের বিষয়ে আসামের একটি বেসরকারি স্থানীয় প্রাগ নিউজ চ্যানেলে একটি সংবাদ প্রচার হয়।
    জানাগেছে,বিগত দেড় বছর আগে শিয়ালদী গ্রামের মানষিকভারসাম্যহী মোঃ লতিফ তালুকদারের মেয়ে শবনমকে নিয়ে পালিয়ে যায় তার আপন চাচাতো ভাই জনি তালুকদার। পরে তারা অবৈধ ভাবে ভারত অনুপ্রবেশ করলে আসাম পুলিশ তাদের আটক করে অবৈধ অনুপ্রেবেশের দায়ে আসাম আদালত মাসের কারাদন্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। পরে করিমগঞ্জ জেলা খানায় ৯ মাসের সাজা কাটে। সাজা শেষ হলেও পাসপোর্ট ও ভিসা না থাকায় আইনি জটিলতায় দীর্ঘ ৭ মাস পার হলেও দেশে ফিরতে পারেনি শবনম। মাকে হারিয়ে প্রতিনিয়ত কান্না করে যাচ্ছে শিশু সিফাত। মাকে হারিয়ে শিশু সিফাত দেড় বছর যাবত তার নানি মাকসুদা বেগমের কাছে রয়েছে। এছাড়াও ভারতে অবস্থাণ রত শবনম তার মা মাসুদা বেগম ও অপর ২ বোন ও এক ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানবপাচার মামলা দিয়ে জমি দখলের চেষ্টাসহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানির অভিযোগ জনি তুলকদারের বাবা রহিম তালুকদারের বিরুদ্ধে।
    এদিকে চাচাতো ভাই জনি তালুকদার ফুসলিয়ে শবনমকে ভারত নিয়েছে বলে শবনমের স্বীকারুক্তি মুলক একটি ভিডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে। সেই ভিডিওতে শবনম বলেন, তার চাচতো ভাই জনি তালুকদার ও তার পরিবারে সদস্যরা তাকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ভারতে নিয়ে যায়।
    শবনমের মা মাকসুদা বেগম বলেন,২০০৭ সাল চাকরী দেয়ার কথা বলে নিয়ে যায় রহিম তালুকদারের গংরা। সেই থেকে আমার স্বামীকে নিখোঁজ থাকে পরে দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৮ সালে একবার বাড়িতে এসে আবার নিখোঁজ হন। পরে দুই হাজার ২২ সালে পাগল বেসে বাড়ি এসে আবারো চলে যায় তার পরে এখন পর্যন্ত খোজ মেলেনি তার । আমার স্বামীকে নিখোঁজ রেখে রহিম তালুকদার গংরা দালালি করে বিভিন্ন জমিজমা প্রভাবশালীদের নামে বেনামে কিনে নিয়েছে দাবী করে দখল করে রেখেছে। পরে গত দেড় বছর আগে রহিম তালুকদারের ছেলে জনি তালুকদার আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে পালিয়ে ভারত নিয়ে যায়। পরে সেখানে পুলিশের হাতে আটক হয় তারা। তাদের ছাড়াতে আমার থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে উল্টো মানবপাচার মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। যাতে আমার বাড়িটি দখলে নিতে পারে। এর আগেও আমাদের অনেক জমি বিভিন্ন জাল দলিল করে দখলে নিয়েছে ভূমিসদ্যুরা। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তার নিখোঁজ স্বামীকে ফিরে পেতে ও ভারত থেকে তার মেয়েকে মুক্তকরে দেশে ফিরে আনার দাবীও জানান তিনি।
    শবনম ও জনি এখনো কোথায় আছে জানানেই জানিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের আদলতের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন জানান,তারা পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করায় আসাম পুলিশ তাদের আটক করে। পরে আদালত তাদের দুজনকে ৯ মাসের কারাদন্ডসহ দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন। ৯ মাসের সাজা শেষ হলেও জরিমানার অর্থ প্রদার করতে না পারায় আরো দুই মাসের সাজা কেটে মুক্ত হয়েছে । ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যায় সেখান থেকে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের আলোচনার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কথা ছিলো ।
    মাকসুদা বেগমের স্বামীকে নিখোঁজের বিষয়টি ভিত্তিহীন দাবী করে ও জাল দলিল করে জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে রহিম তালুকদারের ছেলে রনি তালুকদার বলেন,কাজের কথা বলে আমার ভাইকে ভারত পাচার করেছে মাকসুদা বেগম গংরা। তাই আমার ভাইকে ফিরে পেতে আদালদের ধারস্ত হয়েছি। এছাড়া তার স্বামী আরএকটি বিয়ে করে ভারত বা খুলনা সংসার করছে বলে দাবী করেন রনি।
    মানবপাচার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন বলেন,রহিম তালুকদারের ছেলে জনি তালুকদারকে ভারত পাচার করা হয়েছে এমন মামলার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আসল ঘটনা জানাযাবে।

  • নাচোলে স্বপ্নের আল্পনা বাড়ি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

    নাচোলে স্বপ্নের আল্পনা বাড়ি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে নতুন সাজে স্বপ্নের দ্বিতীয় আল্পনা বাড়ি দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

    উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের কাজলকেশর
    গ্রামে মোঃ মমিনুর এর স্ত্রী সাহিদা বেগম তার মাটির পুরো বাড়িটিকে মনোমুগ্ধকর ভাবে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে দেশবাসীর কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে।
    সাহিদা বেগম বলেন বিয়ের পর থেকেই আমার মনে একটা স্বপ্ন ছিল যে, ইটের পাকা বাড়ি নয়, আমার যে মাটির বাড়ি আছে এটাকেই আমি বিভিন্ন ফুলের গাছ ও রংতুলি দিয়ে বিভিন্ন রকমের আট করে মনের মতো সাজাবো।
    তাই আমি আজ দুই বছর ধরে এই বাড়িটির ভিতর, বাহির, আঙ্গিনা সহ পুরোটায় ফুলের গাছ এবং রংতুলি দিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে নাম দিয়েছি স্বপ্নের বাড়ি আল্পানা।
    এই বাড়িতে স্বামী ও ছোট দুই ছেলে নিয়ে বসবাস করি।
    বাড়িটি সাজাতে গিয়ে সংসারের দিকে ঠিক মতো সময় দিতে না পারলেও
    আমার স্বামী ও দুই সন্তান কোনদিন আমাকে কোন কথা না বলেও তারা আমাকে সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন বলে আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি।
    প্রতিদিন অনেক মানুষ আমার স্বপ্নের বাড়ি দেখতে ভিড় জমান। যত মানুষ আসে ততুই যেন আনন্দে আমার মনটা ভরে যায়, মানুষ যখন বাড়ি দেখতে ভিড় জমায় তখন আমার মনে হয়, যেটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা আজ পুরণ হয়েছে। আমি আসা করছি যে, আমার মতো যদি পুরো গ্রামটা সাজে সজ্জিত হতো তাহলে এই গ্রামটি হয়তো সারা বিশ্বের কাছে স্বপ্নের বাড়ি আল্পানা গ্রাম নামে পরিচিত হতো।

    নেজামপু্র ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ঐ ওয়ার্ডের মেম্বার তসলিম উদ্দিন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলেন সাহিদা বেগম যেভাবে তার বাড়িটিকে সাজিয়েছে, তাতে সে অনেক টাকা ব্যয় করেছেন। তার এই স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে আমি আমার ব্যক্তিগত ভাবে যতটুক পারি সাহায্য সহযোগিতা করব এবং আরো উৎসাহ যোগাব। জেলা ও উপজেলা পরিষদ, জনপ্রতিনিধি, ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করব যে, তিনারাও যদি এই বাড়িটির দিকে সুনজর দেন, এবং একবার দেখে যান তাহলে তাদেরও মনটা জুড়িয়ে যাবে এবং যতবার দেখবে ততবারই আসার জন্য মন চাইবে বলে আসা করি।

    উল্লেখ্য যে প্রায় এক দেড় বছর পূর্বে একই ইউনিয়নের ঠিকইল গ্রামে দেখন বর্মন নামে একটি আল্পনা বাড়ি থেকে আল্পানা গ্রাম হিসাবে
    দেশের গুন্ডী পেরিয়েও বিদেশে গিয়েছিল। সেই উপলক্ষে হাটবাকইল থেকে ঐ গ্রামে যেতে রাস্তাসহ গ্রামটির অনেক উন্নয়ন হয়েছে।
    সেইটাকে উপলক্ষে কর বর্তমান কাজলকেশর গ্রামের সাহিদা বেগমের বাড়িটির নাম হয়েছে, দ্বিতীয়, স্বপ্নের বাড়ি আল্পানা।

  • রাজাপুরে ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের দাবীতে মানববন্ধন

    রাজাপুরে ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের দাবীতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়া রহমাতিয়া দাখিল মাদ্রাসার শ্রেণি কক্ষের উপরের পল্লী বিদ্যুতের ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুতের হাই ভোল্টেজ তাঁর ও খুটি স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে।

    বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় মাদ্রাসার চত্বরে আয়োজিত এ মানববন্ধনে ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসী অংশ নেন। এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুনসুর আলম, সুপার শহিদুল্লাহ আকন, সহ সুপার ওমর ফারুক, এনামুল কবির।

    বক্তারা বলেন, মাদ্রাসার টিনসেট শ্রেণিকক্ষের উপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে ঝুকিপূর্ণ বিদ্যুতের হাই ভোল্টেজ তাঁর ও মাঠ ও মাদ্রাসার কক্ষ সংলগ্ন ২ খুটি রয়েছে। যা নিয়ে সব সময় দুঘর্ঘটনার আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ সকলকে। সম্প্রতি এ মাদ্রাসার নামে বহু তল ভবন বরাদ্দ এসেছে কিন্তু বিদ্যুতের তার ও খুঁটির কারন ভবন নির্মান কাজ শুরু করতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যুতের তার ও খুটি না সরিয়ে বর্তমানে কাঠের খুটি পরিবর্তন করে পাকা খুটি স্থাপন করার চেস্টা চালাচ্ছে। তাই দ্রুত তার ও খুটি সরিয়ে মাদ্রাসার উত্তর পাশ থেকে নেয়ার দাবি জানানো হয়।

    এ বিষয়ে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ পল্লী বিদ্যুতের জিএম ও ইউএনওকে বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎতের রাজাপুরের এজিএম জানান, লোক পাঠানো হচ্ছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • মাদারীপুরে চাঁদা না দেয়ায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে

    মাদারীপুরে চাঁদা না দেয়ায় হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে

    আরিফুর রহমান,
    মাদারীপুর প্রতিনিধি:
    মাদারীপুর দক্ষিন মহিষেরচর শিকদার বাড়ি সংলগ্ন চাঁদা না দেয়ায় তোতা মুন্সী,র(৬৫) বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
    অভিযোগ সূত্রে যানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ ঘটিকার সময় ১, মোঃ আলী(৪০) ২,জসিম খান(৪০) ৩,মনজুরুল ইসলাম লিটন নপ্তি (৪৫) ৪, এসকান খান (৫৭)সহ প্রায় ১৬ জন রামদা সেনদা লোহার রট,লোহার হাতুড়ি ইত্যাদি মারাত্বক প্রাননাশক অষ্রাদি সহকারে বেয়াইনী জনতা বদ্ধে বসত বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে, চাদা না দেওয়ায় হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ করেন ভুক্তভুগী পরিবার।
    ভুক্তভুগী তোতা মুন্সী বলেন, আমার বাড়িতে ডুকে এলাকার প্রভাবশালী মো: আলীর নেতৃত্বে প্রায় ১৬ জন নিয়ে রামদা সেনদা লোহার রট,লোহার হাতুড়ি ইত্যাদি মারাত্বক প্রাননাশক অস্রাদি নিয়ে বেয়াইনী জনতা বদ্ধে বসত বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাদের উপর হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট করে স্বর্ণ অলংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। এদিষয়ে আমি মাদারীপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সূষ্ঠ বিচার চাই।
    অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তাদের নিজের ঘর, টিন,বাউন্ডারী সবকিছু ভেঙ্গে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করতেছে। সবকিছু বানোয়াট ও মিথ্যা।
    এবিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন,এবিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনানুক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত

    পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি’র উদ্যোগে পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত হয়েছে। বিশ্ব ভালবাসা দিবসে সুন্দরবনকে ভালবাসুন এই আহবানে পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি’র আয়োজনে নতুন বাজারস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন,ইউনিটি ফর ইউনিভাস হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ ফাউণ্ডেশন কেন্দীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা কমিটির চেয়ারম্যান এ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি, বিশেষ অতিথি ছিলেন, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রাণী সাধু, নতুন বাজার ব্যবসাহী সমবায় সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ,সমাজ সেবক শাহাজান আলী। বক্তৃতা করেন, কবি ঐশী আক্তার লিমা, কবি রোজী সিদ্দিকী,কবি রাবেয়া আক্তার মলি,এ কে এম নেওয়াজ শরীফ (তুহিন), পরিবেশ কর্মি গনেশ দাশ,শাহিনুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন আমাদের গর্ব।সুন্দরবন আমাদের সম্পদ। সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি বিশ্বের একটি বিরল সম্পদ। এই বন আমাদের গর্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ ও ঐতিহ্যের প্রতিক সুন্দরবনকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুন্দরবন বাংলাদেশের উপকূলের সম্ভাবনাময় ও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।তাই সুন্দরবন দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নাগরপুরে অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন প্রকল্প বীরনিবাস উদ্বোধন

    নাগরপুরে অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন প্রকল্প বীরনিবাস উদ্বোধন

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল নাগরপুরে উপজেলায় অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত আবাসন প্রকল্পের ১৮ টি বীর নিবাস এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
    বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)ওয়াহিদুজ্জামান। এসময় অন্যান্য মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের (মহিলা) ভাইস চেয়ারম্যান ছামিনা বেগম শিপ্রা, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার হাবিবুর রহমান, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দেস আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন ছানাসহ অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাগন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকি বলেন, ‘অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে ৫৪টি বীর নিবাস মধ্যে ১৮টি হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ৩৬টি নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিটি ঘরের আয়তন ৭৩২ বর্গফুট। প্রতিটি একতলা ঘরের নির্মাণের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে ১৪ লাখ ১০ হাজার ৩৮২ টাকা।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের কথা ভেবে তাদের জন্য পাকা ঘর নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করেছেন।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • তেঁতুলিয়ায় ছলেমান আলীর তৎপরতায় চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার

    তেঁতুলিয়ায় ছলেমান আলীর তৎপরতায় চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধি। তেঁতুলিয়ায় চেয়ারম্যান ছলেমান আলীর তৎপরতায় চুরি যাওয়া গাই-বাছুর উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের মুর্খাগছ সংগঠন নামক এলাকায় এই উদ্ধার করা হয়। প্রায়শই মানুষের পাশে থেকে গরু উদ্ধারের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান।

    জানা যায়, গত সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের সুরিগছ গ্রামের অলিয়রের ছেলে শামীমের বাড়ি থেকে চোরাকারবারীরা ২টি গরু (গাই-বাছুর) চুরি করে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযোগের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান অভিযান শুরু করে। এক পর্যায় মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের মুর্খাগছ সংগঠন এলাকায় চোরাকারবারিরা গরু দুটি ছাড়িয়ে দিলে স্থানীয় এক বাড়িওয়ালা ব্যক্তি দেখতে পেয়ে স্থানীয় আরোও ব্যক্তির উপস্থিতে গরু ২টি(গাই-বাছুর) তার বাড়িতে রাখেন। পরে সকালের দিকে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মসলিম উদ্দিন ও দেবনগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে খবর দেয়া হলে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে শামীমের হাতে চুরি যাওয়া গরু ২টি (গাই-বাছুর) তুলে দেয়া হয়।

    এ ব্যাপারে দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলীর এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

    সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী শহিদ ইব্রাহিম মোস্তফা কামাল দুলালের নামে ১৯৭২ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে প্রতিষ্ঠিত সুজানগর উপজেলার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার এন্ড লাইব্রেরী উদ্বোধন করা হয়েছে। পৌর মেয়র ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধ কর্ণার ও লাইব্রেরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাননান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল জলিল বিশ্বাস, সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আলহাজ্ব এসকেন্দার আলী, মেহেদী মাসুদ, এমদাদুল হক বাঁকা,আব্দুর রহিম, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্ণারে রয়েছে দুর্লভ সব ছবি। সেখানে সাদাকালো ফ্রেমে আলো-ছায়ার মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে মৃত্যু, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবন, রাষ্ট্রপরিচালনার সব পর্যায়ের ছবি দিয়ে কর্ণারটি সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া সাল অনুয়ায়ী বঙ্গবন্ধুর জীবনবৃত্তান্ত ছবির নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হয়েছে।কর্ণারে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্ম, কৈশোর, কলেজজীবন, ১৯৫৪ এর নির্বাচন থেকে শুরু করে আন্দোলন সংগ্রাম, দেশগঠন ও ঘাতকের বুলেটে রক্তাক্ত চিত্র। এ ছাড়া সেখানে স্থান পেয়েছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রসহ এ সংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্লভ দলিল, দেশি-বিদেশি পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রকাশিত সংবাদের ছবি ও চিত্র। আরও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বিভিন্ন বই। উদ্বোধনের সময় পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন বলেন,বাংলাদেশকে জানতে হলে আমাদের অবশ্যই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ় নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছি। এই বঙ্গবন্ধু কর্নারের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা রাখি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে মৃত্যু, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবন,রাষ্ট্রপরিচালনা-সব পর্যায়ের ছবি দিয়ে কর্ণারটি সাজানো হয়েছে। এছাড়া লাইব্রেরীতে রাখা বই পড়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারবে ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • রমজান মাসে নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীকে কোন প্রকার কারসাজি করতে দেয়া হবেনা-জেলা প্রশাসক

    রমজান মাসে নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীকে কোন প্রকার কারসাজি করতে দেয়া হবেনা-জেলা প্রশাসক

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোঃ ফখরুজ্জমান বলেছেন, আসন্ন পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীকে কোন প্রকার কারসাজি করতে দেয়া হবে না। সেজন্য আমদানিকারক ও উৎপাদককে তাদের পণ্যের সরবরাহ ও বিতরনের দৈনিক তথ্য জেলা প্রশাসনকে প্রদান করতে হবে এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রটরা এগুলো মাঠ পর্যায়ে যাচাই করবে।
    এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্টের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করে অনিরাপদ খাদ্যের বিপনন বন্ধ, স্বাস্থ্য সেবার ভোগান্তি ও নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের মতো ভোক্তা অধিকার লংগনের বিষয়গুলো কঠোরভাবে দমন করা হবে। আর এ কাজে জেলা প্রশাসন ক্যাবসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন। একই সাথে পরিবেশ বিধ্বংসী পলিথিনের বিরুদ্ধেও সর্বাত্মক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
    গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন হলে মাহে রমজানে বানিজ্যিক রাজধানীখ্যাত চট্টগ্রামে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের বাজার দর স্থিতিশীল রাখা, নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় করনীয় নিয়ে ক্যাব চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল বাসার মোঃ ফখরুজ্জমানের মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

    মতবিনিময় সভায় ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব বিভাগীয় সাঃসম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব
    আবদুল মান্নান, মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, আকবর শাহ থানা সভাপতি ডাঃ মাসবাহ উদ্দীন তুহিন, সদরঘাট থানা সভাপতি শাহীন চৌধুরী, জামালখান ওয়ার্ড সভাপতি সালাহউদ্দীন আহমদ, পাহাড়তলী থানার হারুন গফুর ভইয়া, পাঁচলাইশ থানার সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাকিব হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা প্রশাসক মো:ফখরুজ্জমান জানান,দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে ভোক্তা অধিকার লংগনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট জোরদার করা হয়েছে। নগরবাসীর যে কোন ভোগান্তি নিরসনে মোবাইল কোর্ট সার্বক্ষনিকভাবে সচল থাকছে। জেলা প্রশাসন ভোক্তা অধিকার লংগন বা যে কোন নাগরিক ভোগান্তি নিরসনে একটি হটলাইন চালু করবে। তিনি আরও জানান বিগত জানুয়ারি মাসে খাদ্যে ভেজাল আইনে ৩৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৬৭টি মামলায় ১৫,৮৭,০০০ টাকা, ওষুধ আইনে ৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৩টি মামলায় ২,২৩,০০০ টাকা, হোটেল অ্যান্ড রেস্টেুরেন্ট আইনে ০৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১টি মামলায় ২,৬৬,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আগামি মাসগুলোতে এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

    মতবিনিময় সভায় ক্যাব এর পক্ষ থেকে আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় নিত্যপণ্যের বাজার তদারকিতে ০৫জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সার্বক্ষনিক দায়িত্ব প্রদান, একটি হটলাইন চালু, মোবাইল কোর্টে নির্বাহী ম্যাসিজস্ট্রেটদের সময়কাল বাড়ানো, অবৈধ পানি, ঘি, বেকারী, মুড়ির ফ্যাক্টরীগুলিতে অভিযান জোরদার করা, পাইকারী ও খুচরা বাজারে বিক্রয় রশিদ প্রদান ও দর যাচাই করা, কাপড়ের দোকানে মূল্য তালিকা লাগানো, ওজনে কম দেয়া রোধে বিএসটিআই এর ভ্রাম্যমান স্কেল দিয়ে ওজন পরিমাপক যন্ত্রগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করা, মোবাইল কোর্টে দোকানের কর্মচারীর পরিবর্তে মালিককে শাস্তির আওতায় আনা, রমজানে বৃহৎ আমদানিকারক ও উৎপাদকদের সহযোগিতায় নগরীর গুরুত্বপূর্ন বাজারগুলিতে ন্যায্যমূল্যের দোকান খোলার উদ্যোগ নেবার সুপারিশ করা হয়।