Author: desk

  • যুব সমাজকে মা-দক থেকে দূরে রাখতে সুজানগরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অ-নুষ্ঠিত

    যুব সমাজকে মা-দক থেকে দূরে রাখতে সুজানগরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অ-নুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে এবং তাদের মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে সুজানগরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ খেলায় পৌর এলাকার মসজিদপাড়া সিনিয়র ফুটবল একাদশ ও জুনিয়র ফুটবল একাদশ অংশগ্রহণ করে। খেলায় দুই এক গোলে সিনিয়র ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে জুনিয়র ফুটবল একাদশ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।এর আগে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রীতি এ ফুটবল ম্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিএনপি নেতা মজিবর রহমান খান।জাতীয়তাবাদী কৃষক দল সুজানগর উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক রবিউল ইসলাম রবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ।অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্য বলেন, তরুণদের মোবাইল ও প্রযুক্তির নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মাঠে নামলে তারা শুধু নিজের স্বাস্থ্যের উন্নয়নই করবে না, বরং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই, কারণ এটি তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরু, আরাফাত রহমান কোকো পরিষদের জেলা সদস্য সচিব সাজন, রকিবুল ইসলাম রকিব, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য রজব আলী, জীবন, রুমান, মহিদুল ইসলাম মাখন ফকির, শফি মোল্লা, বুলু, মান্নান, ফরিদ,শাহিন শহিদ, মারুফ মিলন, শাওন,রুপম, সামী, বঁাধন, রুহান, সিমন, সাবিত, রাহাত, নিরব, আবির, চয়ন, নাসিম, আকিব, রাইম, আলামিন, শিমুল, হৃদয়, আসমান ও সিজান সহস্থানে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন তুহিন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে আজম আলী বিশ্বাসের বিশাল মোটরসাইকেল শো-ডাউন

    পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে আজম আলী বিশ্বাসের বিশাল মোটরসাইকেল শো-ডাউন

    এম এ আলীম রিপন, সুজানগর: পাবনা-২ ( সুজানগর -বেড়া) আসনে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ আজম আলী বিশ্বাসের বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সুজানগর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে নির্বাচনী শোডাউন শুরু হয়। শত শত মোটরসাইকেলের এই শোডাউনে একটি খোলা জিপে জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে নেতৃত্ব দেন পাবনা-২ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ আজম আলী বিশ্বাস। মোটরসাইকেলের এই বিশাল বহর সুজানগর ও বেড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ এ দুই উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ ও কয়েকটি পথসভায় ভোটার-সমর্থকদের সাথে মিলিত হয়ে সুজানগর উপজেলার তঁাতীবন্দ ইউনিয়নের জাহানারা কাঞ্চন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

    শোডাউনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী ও সমর্থক ফেস্টুন,ব্যানার,দলীয় পতাকা ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে অংশ নেন। মোটরসাইকেল শোডাউন চলাকালে সড়কের দুই পাশে দঁাড়িয়ে নারী ও পুরুষেরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাসও তাদেরকে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান।

    শোডাউনে নেতা-কর্মীর মুখে ‘আজম ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, দাবি মোদের একটাই আজম ভাইকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই,যাবো গো যাবো গো আজম ভাইয়ের হাত ধরে সংসদে যাবো গো স্লোগান দিতে দেখা যায়। শোডাউন পরবর্তী সমাবেশে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব আযম আলী বিশ্বাস বলেন, দলের দুঃসময়ে এ অঞ্চলের নেতা কর্মীদের পাশে থেকে কাজ করেছি, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনামলে হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে করতে হয়েছে কারাবরণ । তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে দল আমাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবেন বলে প্রত্যাশা রাখি। জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে, তাই চঁাদাবাজ লুটতরাজকারীদের বিএনপিতে কোনক্রমেই ঠঁাই হবেনা জানিয়ে আজম আলী বিশ্বাস আরো বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা সর্বস্তারের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে । আগামী নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে জাতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এতে থাকবে না কোনো রাজনৈতিক বৈষম্য। এমনকি স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যেভাবে ধ্বংস করেছে, তা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতেও ৩১ দফা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর প্রতিনিধি।

  • রাজশাহীর  দুর্গাপুর, বাগমারার পর এবার  গোদাগাড়ী  খাদ্য গুদামে পচা চাল মিলছে গরি-বের ভাগ্যে

    রাজশাহীর দুর্গাপুর, বাগমারার পর এবার গোদাগাড়ী খাদ্য গুদামে পচা চাল মিলছে গরি-বের ভাগ্যে

    নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: রাজশাহীর দুর্গাপুর, বাগমারার উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদাম গুলোতে বিপুল পরিমাণ খাওয়ার অনুপযোগী পচা চাল পাওয়ার পর এবার পচা চালের সন্ধান পাওয়া গেছে গোদাগাড়ী এলএসডি রেলবাজার খাদ্য গুদামে।
    খাদ্যগুদামের বাস্তব চিত্র দেখে রীতিমত অবাক সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষ। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গোদাগাড়ীর মানুষের আলোচনার কেন্দ্রীয় বিন্দুতে উঠে এসেছে।

    এদিকে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার ভবানীগঞ্জ সরকারি খাদ্যগুদামের চারটি সংরক্ষণাগারে অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করেছেন। এসব চালের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। খাওয়ার অনুপযোগী চাল গুদামে ঢুকানোর অভিযোগে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাচ্চু মিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    গত ২৬ আগস্ট দুর্গাপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন ১৩২ বস্তা পচা চাল জব্দ করেছিলেন। তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। বাগমারার গুদামে পচা চাল থাকার খবর পেয়ে চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে গোদাগাড়ীর এলএসডি খাদ্য গুদামের চিত্র এককই ভাবে উঠে আসলো।

    খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রিত সিদ্ধ চালের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। নিম্নমানের চাল মজুত তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলএসডি রেলবাজার খাদ্য গুদামে গিয়ে দেখা যায় এর বাস্তব চিত্র। খুদ মিশ্রিত নিম্নমানের চালে রয়েছে বড় ভাঙা দানা, চালের গুড়ার মিশ্রণ, মরা চাল, ছোট ভাঙা দানা, বিজাতীয় পদার্থ, ভিন্ন জাতের মিশ্রণ, অর্ধসিদ্ধ চাল, সাথে বিকট গন্ধ। বিনির্দেশ অনুযায়ী যে পরিমাণ মিশ্রণ থাকার কথা তার ৫০ শতাংশ বেশি মিশ্রণ রয়েছে। গরীবের চালে এমন অনিয়ম হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কামাল অটো রাইস মিল, হাসেম অটো রাইস মিল, আজিজ অটো রাইস মিলের সাথে চুক্তি অনুযায়ী বিনির্দেশ আছে সিদ্ধ চালের আর্দ্রতা ১৪ %, বড় ভাঙা দানা ৬%, ছোট ভাঙা দানা ২%, ভিন্ন জাতের মিশ্রণ ৮%, বিনষ্ট দানা ০.৫%, মরা দানা ০.৫%, বিবর্ণ দানা ০.৫% ধান প্রতি কেজিতে ১টি, বিজাতীয় পদার্থ ০.৩%, খুদিময় দানা ০%, অর্ধসিদ্ধ দানা ১%, ছাটাই উত্তম হওয়ার কথা।আর গমের ক্ষেত্রে আর্দ্রতা ১৪% বিজাতীয় পদার্থ ২ %, কুঁচকানো ও অপুষ্ট দানা ১০%, বিনষ্ট দানা ৩%।

    সরজমিন অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়, খুদের দানা, অর্ধসিদ্ধ দানা, বড় ভাঙা দানা, ছোট ভাঙা দানা, ভিন্ন জাতের মিশ্রণ, বিনষ্ট দানা, মরা দানাসহ বিবর্ণ দানাই ভরপুর। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গুদামঘরে চাল ও গম দেখতে চাইলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলী জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিতে হবে মর্মে সাফ জানিয়ে দেন। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে দেখতে চাইলেও মোহাম্মদ আলী বলেন, ১ জন সাংবাদিক যেতে পারবেন তবে মোবাইল ছাড়া। কোন ভিডিও ধারণ করা যাবে না।

    ঘটনার দিন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার সাইফুল ইসলামের কাছে ৫০৯ বস্তায় ১৫ হাজার ২ শ ৭০ কেজি চাল হস্তান্তর করা হয়। এসময় অন্যত্র আরও চাল সরিয়ে নিতেও দেখা গেছে। ট্রলি, ট্রাক এবং ট্রাক্টরে করে চাল সরানোর প্রমাণ মিলেছে।

    গোদাগাড়ী উপজেলায় মোট ২৫ জন ডিলারের মাধ্যমে সিদ্ধ চালগুলো খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কার্ডধারীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া টিআর, টিসিবি, ভিজিবি ভিজিএফ, ভিজিডি প্রকল্পেও রয়েছে এই নিম্নমানের চালের বিস্তার।

    নিরাপত্তা প্রহরী মনিরুজ্জামান জানান, একটি ট্রাক লোড দিয়ে পাঠানো হয়েছে এবং আরেকটি ট্রাক কিছুক্ষণের মধ্যেই আসবে। এসময় চারটি ট্রলি, ২টি ট্রাক্টরসহ ট্রাক লোড দিয়ে বাইরে চাল সরিয়ে নিতেও দেখা গেছে।

    ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোদাগাড়ী এলএসডি নাজমুল আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া গুদামের চালের মান আপনাদের দেখাতে পারবো না। আপনি তাদের অনুমতি নিয়ে আসেন।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলী বলেন, মজুত আছে ১১ টন গম এবং ৫ হাজার টন চাল। এসব চাল দেখতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি লাগবে। আর ১ জন যেতে চাইলে দেখাতে পারি, কিন্তু কোন ভিডিও করা যাবে না।

    গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, আমি ইন্সপেকশন করেছি এবং সেটি জেলায় রিপোর্ট করেছি। আমি চাল ভালো পেয়েছি।
    গোদাগাড়ীর খাদ্য গুদামের পাচা চালের ব্যপারে জরুরীভিক্তিতে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বাবুগঞ্জে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবস-রপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সং-বর্ধনা অ-নুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবস-রপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সং-বর্ধনা অ-নুষ্ঠান

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে এবং ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে।

    রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান জনাব এ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
    প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক সহ সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদল এ্যাডঃ এইচ এম তসলিম উদ্দিন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
    বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স
    সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এ্যাডঃ ইউনুস আলী রবি
    ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদল মামুন রেজা খান
    প্রাক্তন ছাত্র ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ রকিবুল হাসান খান
    অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে বিদ্যালয়ের ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
    ১. জনাব মোঃ আবদুল আজিজ খান
    ২. মোঃ আব্দুল বারী তালুকদার
    ৩. মোঃ ওয়াজেদ আলী শরীফ
    ৪. মোঃ আলী আহম্মেদ হাওলাদার
    ৫. মোঃ বজলুর রহমান
    ৬. মোঃ আব্দুল হাই হাওলাদার
    ৭. মোঃ আমির হোসেন
    ৮. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক শরীফ
    ৯. শিশির কুমার মুখার্জী
    ১০. অশোক কুমার মন্ডল
    ১১. খোকন চন্দ্র দাস
    ১২. মোঃ রফিকুল ইসলাম
    ১৩. মোঃ আছাদউজ্জামান খান
    ১৪. মোঃ নুরুল আলম শরীফ
    ১৫. এস এন কিউ জুলফিকার আলী
    ১৬. মোঃ নুরে আলম জমাদ্দার
    ১৭. রনজিৎ কুমার মুখার্জী
    ১৮. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
    ১৯. আঃ হক হাওলাদার (মোয়াজ হাওলাদার)

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—
    বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস
    বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক আল-আমিন
    বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইয়াসিন আরাফাত
    বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি মোঃ আসিফ সিকদার
    অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও প্রাণবন্ত।

  • র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে হ-ত্যা মাম-লার যা-বজ্জীবন সাজা-প্রাপ্ত পলা-তক আ-সামি গ্রে-ফতার

    র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে হ-ত্যা মাম-লার যা-বজ্জীবন সাজা-প্রাপ্ত পলা-তক আ-সামি গ্রে-ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর অভিযানে শাহজাদপুর থানা এলাকা হতে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। গত ২৩ আগস্ট ২০১২ খ্রিঃ তারিখে আসামি মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে বাদী মোঃ ওসমান গণী শাহজাদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪ পেনাল কোড। উক্ত মামলার বিচার কাজ শেষে বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত নং-০২, সিরাজগঞ্জ গত ২৭ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ উক্ত মামলায় অভিযুক্ত মোঃ সেলিম রেজাকে পেনাল কোড এর ৩০২/৩৪/১৪৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২০,০০০/-টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ০২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন এবং তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন। রায় হওয়ার পর থেকেই উক্ত মামলার আসামি মোঃ সেলিম রেজা আত্মগোপনে থাকেন বলে তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ২। এরই ধারাবাহিকতায় অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ, বিকাল ১৭.০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ‘‘সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর বিসিক বাসস্ট্যান্ড হতে’’ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    ৩। গ্রেফতারকৃত আসামি ১। মোঃ সেলিম রেজা, পিতা-ওয়াজ আলী, সাং-পোতাজিয়া, থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • অ-বৈধভাবে কাঠ পো-ড়ানো ব-ন্ধের দাবি এলাকাবাসীর

    অ-বৈধভাবে কাঠ পো-ড়ানো ব-ন্ধের দাবি এলাকাবাসীর

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে কয়লার চুল্লি।ফলে হুমকির মুখে পরিবেশ। প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে কয়লার চুল্লি। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরিতে পরিবেশ বিপর্যয় মুখে।এ নিয়ে বিভিন্ন সময় পত্রপত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে নড়ে চড়ে বসে চুল্লির গোলা মালিকরা। অধিক লাভজনক হওয়ায় সবদিক ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসায় নেমে পড়েছেন এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরীর ক্ষমতার উৎস কি রয়ে গেছে মানুষের অজানা!

    সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, খুলনা জেলার পাইকগাছা-কয়রা উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে, চাঁদখালী বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণে কয়লার চুল্লি গড়ে উঠেছে।এ চুল্লিতে প্রতিদিন শত শত মন কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা হচ্ছে এতে করে পরিবেশের ব্যাপকভাবে ক্ষতি হচ্ছে।

    প্রতিদিন এমন ভাবে কাঠ পুড়তে থাকলে বনজসম্পদ উজাড় হয়ে যাবে। ফলে জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণীর অস্তিত্বকে হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়াও এটি জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমিধস, বন্যা,খরা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়িয়ে মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় সচেতন মহল বলেছেন অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

    স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,একটি চুল্লিতে প্রতিবার দুই থেকে চার’শ মন পর্যন্ত কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিবার কমপক্ষে পঁচিশ হাজার মন কাঠ পোড়ানো হয়। প্রতিমাসে প্রত্যেকটি চুল্লিতে তিন থেকে চারবার কাঠ পুড়িয়ে কয়লা করা হয়। প্রতিমাসে কয়লার চুল্লিতে আশি হাজার থেকে এক লক্ষ মন কাঠ পোড়ানো হয়।কয়লার চুল্লির এই গোলায় ১২ মাস চলে এতে প্রতি বছর হাজার হাজার মন কাঠ পোড়ানো হয় এ গোলায়। ফলে ধ্বংস হচ্ছে প্রাকৃতিক সহ সামাজিক বনায়ন। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। এদিকে বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, প্রকৃতি ধ্বংস সহ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও অদৃশ্য কারনে এতদিন কর্তৃপক্ষ্য নিরব। এবং গোলার মালিকরা সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়লার চুল্লির ধোঁয়ার কারনে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় পথচারীরা এ সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় চোখ জ্বালা সহ যেনো দম বন্ধ হয়ে যায় তাদের। এলাকাবাসীর অভিযোগ কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ার কারনে বসবাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে চোখের বিভিন্ন সমস্যা সহ শ্বাসতন্ত্র জনিত সমস্যা যেন লেগেই থাকে। কয়লার চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়া থেকে পরিত্রাণ পেতে চান এলাকাবাসী।

    সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবৈধ চুল্লি ধ্বংস বা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট মো. আসিফুর রহমান ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।সে সময়ে ৬৯টি চুল্লির মধ্যে স্কাভেটর দিয়ে ৫টি ধ্বংস করা হয়েছিলো। বাকী কয়লা চুল্লি গুলো বন্ধ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। মানবিক কারনে ১ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ ও অপসারণ করার শর্তে স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু শাহাজাদা ইলিয়াস মুচলিকা দেওয়ায় কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নেন। তিন বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও বন্ধ হয়নি কয়লার চুল্লি, অভিযান পরিচালনার পরে পুনরায় নড়েচড়ে বসে মালিকপক্ষ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এ প্রতিবেদককে জানান, এই কয়লার গোলা মালিকদের একটা সমিতি রয়েছে।তাদের একটি ফান্ডও আছে, মাসিক চাঁদা উঠিয়ে সেই ফান্ডে রাখে এবং সেটা দিয়ে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে। তারা খুব ক্ষমতাশালী, সব দিক ম্যানেজ করে তারা চলে যার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ কেউ করে না। কয়লার এই গোলা স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে না পারলে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।

    পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এফএমএ রাজ্জাক বলেন, প্রতিবছর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে যেয়ে কিছু টাকা জরিমানা করে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে এই অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করা বন্ধ করতে না পারলে পরিবেশের জন্য এটি হুমকিস্বরূপ। এই ভাবে চলতে থাকলে পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। তাই দ্রুত কয়লার চুল্লি গুলো স্থায়ী ভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন।

    কাঠের চুল্লিতে ব্যবহার, অধিক জনসংখ্যার চাপ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বন উজাড় হচ্ছে। বনজ সম্পদ রক্ষা করা না হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে, যার প্রভাব পড়বে প্রকৃতিতে। দিনের পর দিন এমনি ভাবে বনজ সম্পদ উজাড় করার ফলে পরিবেশ আজ বিপর্যয়ের মুখে।ফলে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামবাসী। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

    এবিষয়ে উপজেলার চাঁদখালী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ সরদার জানান, এই কয়লার চুল্লি গুলো ১২ (বারো) মাস চলে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অভিযান চালায় স্থানীয় প্রশাসন। কয়েকটি চুল্লি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে এবিষয়ে তার কাছে কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ করলে আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তিনি আরো বলেন এই কয়লার চুল্লি পরিবেশের ক্ষতি করছে। এছাড়াও বায়ু দূষণ সহ এলাকার গাছপালা উজাড় করে ফেলেছে।

    এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম জানান, আমরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পবিত্র মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    পবিত্র মীলাদুন্নবী উপলক্ষে খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    হারুন অর রশিদ।

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদরাসায় মীলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
    শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ২ টায় ভুজনা কালিকাপুর খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদরাসা কক্ষে ডা. আব্দুল হামিদ এর সভাপতিত্বে ও মাদরাসা শিক্ষক হাফিজ খালেদ আহমেদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনাদের ছেলে মেয়েদের ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রী নিতে মাদরাসায় পড়ান। আলিয়া মাদরাসা গুলো এখন আর পিছিয়ে নয়। আপনাদের সন্তানের কথা চিন্তা করেই খায়রুন মুজিব আহলুস সুন্নাহ মাদ্রাসার তৈরি করা হয়েছে। আপনারা সবাই মাদরাসার দায়িত্ব পালন করলে অচিরেই এর সুফল ভোগ করবেন। এসময় তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, হাজী আব্দুর নূর, আব্দুল মতিন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম নেয়ামত, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক, সাইদ হাসান, মুজিবুর রহমান, কবির মিয়া, নূরুল আমিন, আলি আহমদ, আলি আসকর, আব্দুল জলিল, মাদরাসার শিক্ষক রাকিব হাসান, হাফিজ মাসরুর আহমেদ, মাওলানা হাফিজুর রহমান, হাফিজ খালেদ আহমেদ প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানে মাদরাসার উন্নয়ন, নতুন একাডেমিক ভবনে স্থানান্তর। স্থানীয়দের মাদরাসার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উৎসাহ প্রদান। এছাড়াও মীলাদুন্নবী উপলক্ষে হাম, নাত গজল ও কুরআন তেলাওয়াতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • নড়াইলে আসন্ন শার-দীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আই-ন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অ-নুষ্ঠিত

    নড়াইলে আসন্ন শার-দীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে আই-ন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অ-নুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষ্যে উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) টাউন কালী বাড়ি মন্দিরে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে নড়াইল পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে শারমিন আক্তার জাহান, জেলা প্রশাসক, নড়াইল; এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে মোঃ রবিউল ইসলাম, পুলিশ সুপার, নড়াইল উপস্থিত ছিলেন।
    মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার তার বক্তব্যের শুরুতে সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং পূজা উদযাপন বিষয়ে পূর্বপ্রস্তুতি ও গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা ও মত প্রকাশ করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নড়াইল জেলা পুলিশ সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সরকারি সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ পূর্বক শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে এবং নড়াইল জেলা পুলিশের মেসেজ তৃণমূল পর্যায়ে সকলের নিকট পৌঁছে দিতে আহবান জানান।
    এ সময় তিনি পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, কলাপসিবল গেটের ব্যবস্থা করা, পূজা মন্ডপে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মন্ডপে পালাক্রমে ডিউটির ব্যবস্থা করার জন্য পূজা উদযাপন কমিটিকে অনুরোধ করেন। নারী ও শিশুদের প্রতি বিশেষ নিরাপত্তা এবং মাদক থেকে বিরত থাকতে সবাইকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।
    এছাড়া কোথাও কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিট অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ৯৯৯ অথবা পুলিশ সুপারকে অবহিত করার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।
    উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, নড়াইল, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নড়াইল জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দরজা সবার জন্য খোলা-  শামীম সাঈদী

    বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দরজা সবার জন্য খোলা- শামীম সাঈদী

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    সিরাতুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আয়োজনে নৌ র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। নৌ র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ২ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সালঈদীর পুত্র শামীম সাঈদী। ঐ র‍্যালিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের জলাবাড়ি ও আটঘর কুড়িয়ানার শতাধিক লোকজন র‍্যালি শেষে তার সাথে দেখা করেন এবং বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীতে যোগদানের সময় তিনি ঐ কথা বলেন।

    ১৩ই সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল দশটায় জগন্নাথকাঠি বন্দর থেকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে মসজিদ ঘাট থেকে শতাধিক টলার নিয়ে র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিতে জামায়াতে ইসলামী নেছারাবাদ উপজেলার নেতৃবৃন্দ ও জেলা নেতৃবৃন্দ, ছাত্র শিবির ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঐ নৌ র‍্যালির অংশগ্রহণ করে।

    নেছারাবাদ উপজেলা শাখার জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল কালাম আজাদের দিক নির্দেশনায় র‍্যালিটি পরিচালিত হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে মিয়ারহাট বন্দরে এসে শেষ হয়।

    পূর্বে দুপুরে মধ্যাহ্ন বিরতির সময় জলাবাড়ি এবং আটঘর কুড়িয়ানা থেকে ঐ নৌর‍্যালিতে অংশ নেয়া প্রায় শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন, সামীম সাঈদীর সাথে দেখা করে জামাইয়েত ইসলামীতে যোগদান করেন। এ সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন, আমরা আওয়ামীলীগ দেখেছি, বিএনপিকে দেখেছি, জাতীয় পার্টিকে দেখেছি তারা সবাই আমাদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করেছে। তাই আমরা জামায়েত ইসলামী যোগ দিয়েছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়ি পাল্লায় ভোট দেব।

    এসময় শামীম সাঈদী সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামে সবার জন্য দরজা খোলা যারাই জামায়েত ইসলামের যোগ দিতে চায় আমরা তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করবো। এই পিরিজপুরে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এমপি ছিলেন, তার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শান্তিতে ছিল তাই তারা মনে করছেন জামায়েত ইসলামের দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে তারা শান্তিতে থাকতে পারবেন।এজন্য তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিচ্ছেন।

    এ সময় শামীম সাঈদীর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাময়েত ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওঃ মো মহিউদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো আব্দুর রশিদ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো জহিরুল ইসলাম, বাইতুল মাল সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দিন, কর্মপরিষদ সদস্য মো গোলাম আযম আছলাম, শাহ মোঃ জাকির হোসাইন, মো সাইদুর রহমান, মজলিশে শূরা সদস্য মো মাছুম বিল্লাহ, মাওলানা আবুল হালিম প্রমুখ।

  • খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা টাউন ডিফেন্স পার্টি (টিডিপি)। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামাজিক উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, টিডিপি সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে লবনচরা সুইজগেট খালের জমে থাকা কচুরিপনা অপসারণ করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে অপরিষ্কার থাকা এই খালটি ডেঙ্গু মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল, যা স্থানীয়দের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছিল।

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর খুলনা জেলা কমান্ড্যান্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবী টিডিপি এবং আনসার টিডিপি ক্লাবের সদস্যরা। শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন খুলনা সদর থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষিকা হামিদা খাতুন। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড টিডিপি দলনেতা মোঃ শফিকুজ্জামান বলেন, দেশের মোট ডেঙ্গু রোগীর প্রায় ৫২ শতাংশ উপকূলীয় ১৩টি জেলায়, যার মধ্যে খুলনা অন্যতম। শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা টিডিপি সদস্যরা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে এই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। স্থানীয়রা টিডিপি সদস্যদের এই মহৎ উদ্যোগকে সাধারণ মানুষজন সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপনায় ভরে থাকা এই খালটি শুধুমাত্র জলাবদ্ধতাই নয়, বরং ডেঙ্গু মশার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট হয়ে উঠেছিল। টিডিপির এই স্বতঃস্ফূর্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এলাকার স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। এ সময় আনসার ভিডিপি ও টিডিপি সদস্য ও সদস্যা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।