Author: desk

  • গোলাম মোস্তাফার ‘ঐতিহ্যের কথকতা”বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    গোলাম মোস্তাফার ‘ঐতিহ্যের কথকতা”বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

    সুমন খান:

    পুরনো দিনের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যে নিয়ে গোলাম মোস্তাফার লেখায় ঐতিহ্যের কতকথা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

    গতকাল বিকেল রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে বিকেল ৪টায় ,প্রধান অতিথি হিসেবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক তপন বাক্সি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন, একুশে পদক প্রাপ্ত কবি আসলাম সানি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক দপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী,সাংবাদিক ও সাহিত্যক গোলাম কাদের , বাংলাদেশ গণমাধ্যম কর্মী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন মোল্লা, হুমায়ুন রহমান (আপন প্রকাশ ও প্রকাশনা), সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগনেতা মো.শাহ্ আলম,মো. ইমন হোসেন স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক আমার সময়, আশ্রয় প্রতিদিন ও দ্যা প্রেস জার্নাল সিনিয়র রিপোর্টার সুমন খান,ও দৈনিক মানবজমিন স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি এস এম সায়েম প্রমূখ।

    বক্তারা লেখক সম্পর্কে বলেন, লেখার মত আন শুদ্ধ অনেক ভালো তার অনেক আগে থেকেই ভালো লেখে মনে হয়,

    কিন্তু প্রকাশের কোনো আগ্রহ তার কখনই ছিল না। জীবনের বেশিরভাগ সময়টা কাটিয়েছেন সাংবাদিকতার মাধ্যমে । তার লেখার মধ্যে সারল্যতার প্রাধান্যটাই বেশি।
    মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে লেখক বলেন,আধুনিকতার ছোয়ায় হাজার বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায়,তরুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করলাম।

  • পীরগঞ্জে নারী উন্নয়নে ব্যয় নিশ্চিতকরণ বিষয়ক সেমিনার

    পীরগঞ্জে নারী উন্নয়নে ব্যয় নিশ্চিতকরণ বিষয়ক সেমিনার

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বার্ষিক উন্নয়ন বরাদ্দের ৩ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ এবং নারী উন্নয়নে ব্যয় নিশ্চিতকরণ বিষয়ক শোভাযাত্রা ও সেমিনার হয়েছে । রোববার বিকালে উইমেন্স এম্পাওয়ারমেন্ট ফর ইনক্লুসিভ গ্রোথ (উইং) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পরিষদে এ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালী শেষে উপজেলা হলরুমে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ভারতি রানী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য দেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ঠাকুরগাওয়ের উপপরিচালক রাম কৃষ্ণ বর্মন, পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা ইকরামুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী শামীম আকতার, ইউপি চেয়ারম্যান টেলিনা সরকার হিমু, ইউএনডিপি’র প্রতিনিধি কাজল চেটার্জি প্রমূখ। সেমিনারে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, ইউপি চেয়ারম্যান মকলেসুর রহমান, বিবেকানন্দ নিমাই সহ বে-সরকারি সংস্থা ইএসডিও’র কর্মকর্তা, নারী ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • বিরামপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপনের লক্ষ্যে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

    বিরামপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপনের লক্ষ্যে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশু মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (২০ ফেব্রুয়ারি -২০২৩) উপলক্ষে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভাকক্ষে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসনাত রবিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, পঃ পঃ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তাহেরা খাতুন, শিক্ষা কর্মকর্তা মিনারা বেগম, ওসি সুমন কুমার মহন্ত, প্যানেল মেয়র আবুল আজাদ বকুল, সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদুল হক মানিক, এনজিও ফোরামের সভাপতি এনামুল হক প্রমুখ। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (এমওডিসি) ডা. শামসুজ্জামান সরকার সবুজ।

    মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মাসুদ রানা জানান, সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) একদিনব্যাপী সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ১৬৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ১টি স্থায়ী কেন্দ্রে এ কর্মসূচি চলবে। ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলার একটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ হাজার ৮৩৫ শিশুকে একটি করে নীল রংয়ের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৪ হাজার ৬৮০ শিশুকে একটি করে লাল রংয়ের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এসময় অন্যান্য চিকিৎসক, স্থানীয় সাংবাদিক, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • পঞ্চগড়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে চলছে ইটভাটা অধিকাংশের ছাড়পত্র নেই

    পঞ্চগড়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে চলছে ইটভাটা অধিকাংশের ছাড়পত্র নেই

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়;
    পঞ্চগড়ে এক ইউনিয়নেই ১৭ ইটভাটা, দূষণ ভয়াবহ
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার এক ইউনিয়নেই গড়ে উঠেছে ১৭ ইটভাটা। আর জেলার ৫১টি ভাটার মধ্যে পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে মাত্র আটটির। আবাদি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর লোকালয়ে গড়ে ওঠা এসব ইটভাটায় ভয়াবহ পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট। বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ। বছরে দু একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দায় সারছে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ প্রশাসন।

    সম্প্রতি জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পাশাপাশি দুই ভাটার মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী দেলোয়ার হোসেন ও মো. শাহিন। স্থানীয় মাটিয়ারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে আরেকটি ভাটা। এ ইউনিয়নের বিভিন্ন মহল্লায় লোকালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশেই গড়ে উঠেছে পরিবেশ ধ্বংসকারী এসব ইটভাটা।

    দন্ডপাল ইউনিয়নেই গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ১৭টি ইটভাটা। তবে এগুলোর কোনোটাতেই কয়লার ব্যবহার নেই। পোড়ানো হচ্ছে কাঠের গুঁড়ি, কাঠ। মাটি উপযোগিতায় দেবীগঞ্জসহ জেলার বোদা ও আটোয়ারী উপজেলায় ভাটার সংখ্যা ৫১টি। এসব ভাটায় টপ সয়েল (মটির উপরিভাগ) বিক্রির যেন প্রতিযোগিতা চলছে। ৫১টি ইটভাটার মধ্যে মাত্র আটটির পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাত্রপত্র রয়েছে। তবে এগুলোও অবৈধ দাবি স্থানীয় পরিবেশকর্মীদের।

    পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিবেশ ছাত্রপত্র পাওয়া আটটি ভাটার বাইরে অন্য সব ভাটায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি ইট উৎপাদন মৌসুমে এ পর্যন্ত কয়েকটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তবে জরিমানা দিয়ে আবারও সেই অবৈধ কার্যক্রম চালু রাখছেন ভাটামালিকরা।

    স্থানীয় মাটিয়াপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ভাটার জন্য আমরা ঠিকমতো আবাদ করতে পারি না। ক্ষেত-খামারে কাজ করা যায় না। প্রতিবছর বোরো আবাদে সমস্যা হয়।’

    দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারি এলাকার হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যখন বোরো ধান পাকার উপযুক্ত হয় ঠিক তখনি ভাটায় ইট তৈরির কাজও শেষ হয়। সে সময় তারা ভাটার এক ধরনের গ্যাস ছেড়ে দেন। সেই গ্যাসে বোরো ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া এখানে কোনো গাছে ফল হয় না। আমের যে সময় মুকুল ধরে, ভাটার ধোঁয়ায় তাও ঝরে যায়।’

    দেবীগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর দন্ডপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যন আজগর আলী বলেন, “জেলার মধ্যে দন্ডপাল ইউনিয়ন ‘খাদ্য ভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত। এখানকার মাটি বেশ উর্বর। কিন্তু ভাটামালিকদের কূটকৌশলে সেই উর্বর জমির টপ সয়েল চলে যাচ্ছে ভাটায়। তারা স্থানীয় কৃষকদের প্রলোভন দেখিয়ে এক ফুট মাটি কাটার কথা বলে কৌশলে দেড় ফুটের বেশি কেটে ফেলেন। তবে আমরা এর যথাসাধ্য প্রতিবাদ করে যাচ্ছ।

    এ বিষয়ে দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারি এলাকার ‘এমডি’ ও ‘শাহিন’ ভাটার মালিক মো. শাহিন বলেন, ‘এখানে প্রায় পাশাপাশি আমার তিনটি ইটভাটা রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য একাধিক আবেদন করা হয়েছে। কিন্ত আমার ভাটা স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে হওয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে না।’

    ভাটায় কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানো হয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘স্কুলের কাছ থেকে ভাটার স্থান পরিবর্তনের জন্য চেষ্টা করছি। আগামী মৌসুমে নির্দিষ্ট দূরে কোথাও নিয়ে যাবো।’

    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) পঞ্চগড় জেলা শাখার আহ্বায়ক আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের বলেন, ‘জেলার ৫১টি ইটভাটার মধ্যে যে আটটি ভাটার পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে, সেগুলোও পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়ার মতো না। অবৈধভাবেই তাদের এ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কৃষিজমি নষ্ট করে, বায়ুদূষণ করে, পরিবেশ দূষণ করে যেসব ভাটা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বেআইনি।’

    তিনি বলেন, ‘এক ইটভাটা থেকে আরেকটির যে মিনিমাম দূরত্ব থাকার কথা, তাও মানা হয়নি। একই এলাকায় পরপর অবৈধ ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে। স্কুলের ২০ থেকে ৫০০ গজের মধ্যেও ভাটা রয়েছে। এটা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।’

    এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইউসুফ আলী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ইটভাটা স্থাপন না করলে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয় না। তবে অবৈধ একাধিক ইটভাটায় আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করছি। জরিমানার পাশাপাশি ভাটা বন্ধ রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ধরনের অভিযান চলবে।

  • রাজধানীর গুলশানে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান বাহিনীর টিম

    রাজধানীর গুলশানে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান বাহিনীর টিম

    মোঃ রাসেল সরকার//
    রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরে একটি ১২ তলা আবাসিক ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৩টি ইউনিট কাজ করছে। 

    রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।

    তিনি বলেন, প্রথমে ৬টি, পরে ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় পরে আরো ৬টি ইউনিট কাজে যোগ দেয়। বর্তমানে ১৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    ইতোমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিমান বাহিনীর ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।

    এদিকে ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ভবন থেকে এক জন নারীসহ চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

  • ঢাকায় পঞ্চগড় জেলা সমিত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    ঢাকায় পঞ্চগড় জেলা সমিত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    নিতিশ চন্দ্র বর্মন স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় পঞ্চগড় জেলা সমিত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।
    পঞ্চগড় জেলা সমিত, ঢাকা এর আয়োজনে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বনভোজন-২০২৩ সাভার মিলিটারী ফার্ম বনরূপা-১ এ অনুষ্ঠিত হয়। জাকজমকপূর্ণ বনভোজন অনুষ্ঠানে এক হাজারের অধিক ঢাকায় অবস্থানরত পঞ্চগড় জেলাবাসী অংশগ্রগণ করে। অনুষ্ঠান আনন্দঘন পরিবেশে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লটারী ড্র অনুষ্ঠিত। আগত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় -১ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য জনাব মজাহারুল হক প্রধান, সাবেক সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব নাজমুল হক প্রধান, সাবেক সংসদ সদস্য রিনা পারভিন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পঞ্চগড় জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব আনোয়ার সাদাত সম্রাট, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব হান্নান শেখ, কেন্দ্রীয় জাসদের যুগ্ন সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা জাসদের সভাপতি অধ্যাপক এমরান আল- আমীন এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি মেধাবী ছাত্রনেতা সাদ্দাম হোসেন। আগত অতিথি,সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, পঞ্চগড় জেলার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক মিলন মেলা হিসাবে রুপ নেয়। পঞ্চগড় জেলাবাসী দিনব্যাপী এই বনভোজন অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এই সময় বনভোজন অনুষ্ঠানে যারা আর্থিক ও বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করছেন তাদের সকলকে পঞ্চগড় জেলা সমিতি, সভাপতি/সম্পাদক ধ্যনবাদ জানিয়ে বনভোজন অনুষ্ঠান শেষ হয় ।

  • অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি শামখোল অভয়ারণ্য ধ্বংসের চেষ্টা

    অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি শামখোল অভয়ারণ্য ধ্বংসের চেষ্টা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের আশুরহাট গ্রামের অতিথি পাখিরা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। ২০০৭ সালে আসা এই অতিথি পাখিরা এখন আর ‘অতিথি’ হয়ে থাকতে পারছে না। পাখিদের আশ্রয় হিসেবে বেড়ে ওঠা গাছগুলো বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে রাতে নিধন করা হচ্ছে পাখি। ফলে যে কোন মুহুর্তে গ্রাম ছাড়তে পারে শামখোল এই পাখির দল। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ১৬ বছর আগে শৈলকুপার আশুরহাট গ্রামটিতে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে শামখোল (শামুক ভাঙ্গা) পাখি আসা শুরু করে। স্থায়ী কোন বাসা না করায় পাখিগুলো যায়-আসে। এরপর কেটে যায় কয়েক বছর। ২০১৩ সালে স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধে বসবাস শুরু করে হাজার হাজার পাখি। ১০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠে পাখির অভয়ারণ্য। যা রক্ষার্থে স্থানীয়ভাবে পাহারাদারের ব্যবস্থাও করা হয়। তখন থেকেই আশুরহাট গ্রামটি লোকমুখে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেতে থাকে। যা বর্তমানে সকলের মুখে মুখে ছড়িয়েছে। ২০১৩ সালেই তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন এই এলাকাকে পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতিবছরের মতো গ্রামের মধ্যপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক ও গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসের পুকুর পাড়ে শিমুুল, জাম, মেহগনী গাছের ডালে ডালে বাসা বাঁধে হাজার হাজার পাখি। উপযুক্ত আবহাওয়া ও খাবারের জোগান থাকায় পাখিগুলো আশ্ররহাট গ্রামে জায়গা করে নেয়। অভিযোগ উঠেছে, অভয়ারণ্য তৈরির শুরু থেকেই নানারকম হুমকির মুখে পড়েতে হয় অতিথি পাখিদের। রাতের আধারে পাখি নিধন, নিরাপত্তা ও আশ্রয়স্থল চরম সংকটে পড়ে। বর্তমানে নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কেটে ফেলা হচ্ছে পাখির অভয়ারণ্যের গাছ। গাছ কেটে ফেলার কারণে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন অতিথি পাখি আসা বন্ধ হয়ে যাবে। সেই সাথে পাখিশূন্য হয়ে পড়বে উপজেলার একমাত্র এই পাখি অভয়ারণ্য। আশুরহাট পাখি সংরক্ষণ সমিতির সদস্যরা জানান, কয়েক দিন আগে গ্রামের মকররম আলীর ছেলে নইমুদ্দিন ও বদরউদ্দিনের ছেলে শফি উদ্দিন এই পাখি অভয়ারণ্যের গাছ কেটেছে। আরও কেউ কেউ গাছ কাটার পাঁয়তারা করছে। এভাবে গাছ কেটে ফেললে পাখিশূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গাছ কাটার ব্যাপারে অভিযুক্ত শফি উদ্দিন বলেন, আমার মালিকানাধীন জমির গাছ কেটেছি। আমি কোনো দোষ করিনি। স্থানীয় বাসিন্দা সফর আলী জানান, জমির মালিকেরা মাঝে মধ্যেই গাছ কাটেন। এভাবে গাছ কাটার কারণে পাখিদের আবাসন সংকট দেখা দেবে। সেই সঙ্গে পাখিশূন্য হয়ে পড়বে গ্রামটি। আশুরহাট পাখি সংরক্ষণ সমিতির সভাপতি আ. রাজ্জাক বলেন, এভাবে গাছ কাটলে অতিথি পাখিরা কোথায় এসে দাঁড়াবে? আমি জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। এই মুহূর্তে গাছ কাটা বন্ধ না করতে পারলে সামনে অতিথি পাখিসহ অন্যান্য পাখি এই এলাকায় আসবে না। পাখিশূন্য হয়ে পড়বে উপজেলার একমাত্র অভয়ারণ্য। উপজেলা বন কর্মকর্তা মোখলেচুর রহমান বলেন, গাছ কাটার কথা আমি শুনেছি। এভাবে গাছ কাটলে পাখি অভায়ারণ্য হুমকির মধ্যে পড়বে। সেই সঙ্গে এলাকা পাখিশূন্য হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া আক্তার চৌধুরী বলেন, পাখির অভয়ারণ্যের গাছ কাটার খবর পেয়েছি। পাখিদের আবাসস্থল সুনিশ্চিত করতে এবং পাখি অভায়ারণ্য যাতে হুমকির মধ্যে না পড়ে সে ব্যাপারে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের ১৩৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের ১৩৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের দিক নির্দেশনায় ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ খ্রিঃ বিকাল ১৫.৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন কড্ডার মোড়ে নিমার্নাধীন ফ্লাইওভার এর নিচে বগুড়া টু ঢাকাগামী মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৩৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মাইক্রোবাস, ০১ টি মোটরসাইকেল ও ৬ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ শহিদুল ইসলাম (২৩) পিতা-মোঃ নাজিম উদ্দিন, সাং-চকাদিন হিন্দুপাড়া ২। মোঃ আলমগীর কবির আলম(৩১), পিতা-মৃত ইসমাইল হোসেন, সাং-চককুতুব, ৩। মোঃ আব্দুর রাজ্জাক(৩৫), পিতা-মৃত ইয়াদ আলী প্রামানিক, সাং-সগরামপুর (কাশিমপুর দক্ষিণপাড়া), ৪। মোঃ ইমরান হোসেন(৩৫), পিতা-মোঃ বিল্লাল মোল্লা, সাং-বাহাদুরপুর, সর্বথানা-রানীনগর, জেলা-নওগাঁ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ এরশাদুর রহমান

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৫

  • পুঠিয়া-আড়ানি সড়কের সার্পেজ ট্রিটমেন্ট কাজের নানা অনিয়ম

    পুঠিয়া-আড়ানি সড়কের সার্পেজ ট্রিটমেন্ট কাজের নানা অনিয়ম

    স্টাফ রিপোর্টার, পুঠিয়া (রাজশাহী)ঃ পুঠিয়া-আড়ানি সড়কের।সার্পেজ ট্রিটমেন্টে কাজের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তহ আগে এ কাজ শেষ করা হয়।

    এরই মধ্যে এ সড়কের সার্পেজ ট্রিটমেন্টের কাজে ব্যবহৃত খুয়া উঠতে সুরু করেছে। বর্তমানে সড়কটিতে দেখে মনে হবে আগের থেকে খারাপ অবস্থা।

    সার্পেজট্রিটমেন্টে কাজ করা হয় যে সব সড়কের কার্পেটিংএ ফাটল বা মাঝেমধ্যে খানাখন্দ সৃষ্ট হয়েছে। পুঠিয়া-আড়ানি সড়কের জাগির পাড়ামোড় থেকে শুরু করে আড়ানি রেললাই পর্যন্ত সড়কটির কার্পেটিং এফাটল ও খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় রাজশাহীর সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রায় ৮০কোটি টাকা ব্যায়ে পুঠিয়া-আড়ানি সড়কের ৫ কিলোমিটারসার্পেজ ট্রিটমেন্ট কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

    সরজমিনে গিয়েদেখাযায়, সঠিক ভাবে কাজ না করায় সড়কটির ব্যবহৃত পাথর উঠেযাচ্ছে। এসব পাথর গুলো সড়কটির দুই পাশে জমে আছে।

    সড়কটির পাথরউঠে যাওয়ার ফলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কটিতে যানবাহনেচালাচলকারী যাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

    এছাড়াওমোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেড়ে গেছে। ভ্যান ও অটো রিক্সা উক্তসড়কটিতে বেশিরভাগ সময় চলাচল করে থাকে। ভ্যান ও অটো রিক্সার চালক রাঅভিযোগ করে বলেন, উঠে যাওয়া পাথরের কারণে টায়ার টিউবের চরম ক্ষতি হচ্ছে। মাঝে মধ্যেই ট্রায়ার বাস্ট হচ্ছে। তখন যাত্রি নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছি আমরা।

    এব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগিয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসিফ পাথর উঠে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেবলেন, সড়কের সার্পেজ ট্রিটন্টে কাজের ১০ থেকে ২০ ভাগ পাথর উঠেযাবে।

    বেশ কিছুদিন পর পাথর উঠে যাওয়ার পর সড়কডি আবারস্বাভাবিক হবে এতে করে সড়কটির স্থায়ীত্ব বাড়বে।

    এছাড়াও যে পরিমানপাথর উঠার কথা তিনি জানান এর চেয়ে বেশি পরিমান পাথর উঠার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরজমিনে গিয়ে দেখার কথা জানান এ কর্মকর্তা।#

    মাজেদুর রহমান (মাজদার)
    পুঠিয়া রাজশাহী।

  • ময়মনসিংহে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

    ময়মনসিংহে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
    ময়মনসিংহে দেশবিরোধী বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর নির্দেশে ময়মনসিংহে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক এর নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (১৯শে ফেব্রুয়ারী) বিকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর টাউন হল মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে
    একত্রিত হয়ে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।

    সমাবেশে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক বলেন-অতীতে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস, সহিংস রাজনীতি প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া,জনগণ ও পুলিশের উপর হামলা করেছে। এবার আর তা করতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে ময়মনসিংহ জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ এর নেতাকর্মীরা সতর্ক আছে। তাদের যে কোন নৈরাজ্য আর প্রতিহত করা হবে।
    শুরুতেই বিশাল মটর সাইকেল রেলী নিয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে শেষ হয়।

    এসময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলার মুক্তিকামী, দেশপ্রেমী জনতার পাশে পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়েছে। বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্র, সকল চক্রান্তকে রুখে দেয়ার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ ঐক্যবদ্ধ।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ দেশের আরও উন্নয়ন করতে হলে আবারও আওয়ামী লীগ সরকার দরকার। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত এ দেশকে পিছিয়ে ফেলতে চাচ্ছে। এজন্য তারা দেশে নৈরাজ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করছে। বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দিতে যুবলীগ সব সময় রাজপথে ছিলো আগামীতেও থাকবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ প্যানেল মেয়র শামীমা আক্তার ও ময়মনসিংহ জেলা মহিলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক স্বপ্না খন্দকার।উল্লেখ্য ৫ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে যুবলীগ নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশ গ্রহণ করে।

    আজকের এই সমাবেশে আমরা বাংলার যুবসমাজ ও বাংলার মানুষের কাছে বলতে চাই, বিএনপি-জামাত একটি জঙ্গি ওসন্ত্রাসী সংগঠন। তারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক। বাংলা ভাই, আব্দুর রহমানের মত জঙ্গি সৃষ্টিকারী, ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলাকারী, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ নানা অপকর্মে দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল বিএনপি-জামাত। সেই বিএনপি-জামাত আজকে নতুন করে বাংলাদেশকে আবারো বিশ্বের বুকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জঙ্গি হামলার চক্রান্ত করছে। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাধাগ্রস্ত করছে।