Author: desk

  • মালদ্বীপে দূতাবাসে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

    মালদ্বীপে দূতাবাসে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ২০২৩ মালদ্বীপে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়, দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্যবর হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়, অতঃপর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    এরপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে তৃতীয় সচিব চন্দন কুমার সাহা, মিশনের কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও বার্তা বাহক আবু রায়হান। দিনটির তাৎপর্য ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) ও দূতালয় প্রধান মো: সোহেল পারভেজ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

    অতঃপর প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ হতে বক্তব্য প্রদান করেন মালদ্বীপ আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব দুলাল মাতবর ও বিশিষ্ট চিকিৎসক মোক্তার আলী লস্কর, এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়।

    উল্লেখ্য উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মান্যবর হাইকমিশনার তাঁর মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বীর ভাষা সৈনিকদের। তিনি মহান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি এবং মাতৃভাষা সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য ভাষা আন্দোলনের চেতনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মর্মে উল্লেখ করেন। ২১শের চেতনাকে ধারন পূর্বক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে ভাষা আন্দোলনের উপর লিখিত দুটি কবিতা আবৃত্তি করেন মোহাম্মদ ময়নাল হোসেন ও মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

    এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশী শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

  • নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ ও মানব পাচার মামলার আসামী গ্রেফতার

    নড়াইল সদর থানা পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ ও মানব পাচার মামলার আসামী গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি \

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ ও মানব পাচার মামলায় আসামী গ্রেফতার। নড়াইলে ধর্ষণ ও মানব পাচার মামলায় আরিফুল মোল্যা (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া
    আরিফুল জেলার লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাকা মিয়া
    মোল্যার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আরিফুলের বড় ভাই
    শরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়াতে রয়েছেন। এই সুযোগে আরিফুলের কুনজর
    পড়ে তার ভাবির উপর। সে প্রায়শই তার ভাবিকে উত্যক্ত করতো।বিষয়টি তিনি
    (ভাবি) প্রতিবাদ করলেও আরিফুল তাতে ভ্রæক্ষেপ করতো না। ভুক্তভোগী ওই
    নারীর স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনিও উত্যক্তের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ
    করতে পারেননি। একই বাড়িতে থাকার কারণে আসামী আরিফুল ভয়ভীতি প্রদর্শন করে
    ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী
    লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতে না পেরে তার স্বামীকে বিষয়টি জানালে
    স্বামীর পরার্শক্রমে ওই নারী তার দুই সন্তান নিয়ে নড়াইল জেলার সদর
    উপজেলাধীন দক্ষিণ নড়াইল (দাসপাড়া রাইফেল ক্লাবের পাশে) ভাড়া বাসায় বসবাস
    করতে থাকেন। কিন্তু সেখানেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ভাড়া বাসায় থাকাকালীন
    সময়েও আসামী আরিফুল, মুন ও জালাল প্রায় সময় ভুক্তভোগীর নগ্ন ছবি
    ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করতে
    থাকে।
    গত ১৫ জানুয়ারি অভিযুক্ত আরিফুল ও মুন ওই নারীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে
    অপর দুই অভিযুক্ত জালাল শিকদার ও সেলিম মোল্যার যোগসাজশে ভারতে পাচার করে
    দেয়।পরবর্তীতে গত ১৫ ফেব্রæয়ারি ভুক্তভোগী ওই নারী ভারত থেকে কৌশলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। ঘটনা উল্লেখপূর্বক গত ২০ ফেব্রæয়ারি ওই নারী বাদি হয়ে নড়াইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৯(১) তৎসহ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৬/৭/৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজু হওয়ার পর সদর থানা পুলিশ গত সোমবার (২০ ফেব্রæয়ারি) অভিযান চালিয়ে আরিফুলকে গ্রেফতার করে।এ মামলায় লাহুড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাকা মিয়া মোল্যার জামাতা মুন (৩২), মাগুরা জেলার সদর উপজেলাধীন বলুগ্রাম এলাকার মোঃ আলফু শিকদারের ছেলে জালাল শিকদার (৩৫) ও নড়াইল সদর উপজেলাধীন বরাশুলা গ্রামের
    বাসিন্দা সেলিমকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে।
    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাহমুদুর রহমান জানান,
    ভুক্তভোগী নারী নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ মামলার প্রধান
    আসামি আরিফুলকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে। বাকি আসামিদেরকেও দ্রæত গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

  • কালীগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    কালীগঞ্জে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন, বিএনপি ও তার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবস পালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও শহিদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল।

    কালীগঞ্জ উপজেলা শহিদ মিনারে সমাজ কল্যান মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহম্মেদ এম পি এর, ও উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহির ইমাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)ইসরাত জাহান ছনি, কালীগঞ্জ থানার ওসি এ টি এম গোলাম রসুল, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাহমুদা খাতুন, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক,সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে ও কালীগঞ্জ উপজেলা বি এন পি ও তার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে,জাতীয় পার্টির
    সহযোগী সংগঠনের সহ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, প্রেস ক্লাব,রিপোর্টার্স ক্লাব,বাংলাদেশের প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ও বিভিন্ন এন জিও প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সমিতি, ক্লাব, রাজনৈতিক, সামাজিক, সেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

  • নাচোলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    নাচোলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাত ১২টা ১মিনিটে নাচোল সরকারী কলেজ চত্বরে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ, উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, পৌর যুবলীগ, যুব মহিলা লীগসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

    সকাল ৯টার সময় উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয়, দলীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন শেষে আলোচনা সভা ও ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ খান ঝালু।
    বিশেষ ছিলেন নাচোল উপজেলা শাখা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান জান্নাতুন নাঈম মুন্নি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম ঝাইটোন, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ।

    অপরদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের নেতৃত্বে পূর্বের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

    সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রসাশনের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাইমেনা শারমিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিথিলা দাস, থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান, পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মসিউর রহমান বাবু।
    আলোচনা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।

  • ময়মনসিংহে  শহীদদের প্রতি  শ্রদ্ধা জানালো ভাবখালী নারায়নপুর যুবসমাজ

    ময়মনসিংহে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ভাবখালী নারায়নপুর যুবসমাজ

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের মহিলা মেম্বার রুনা বেগম আদুরীর বাড়ী সংলগ্ন এলাকার যুব সমাজের উদ্যোগে নির্মিত শহীদ মিনারে যুবকদের সাথে নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সদস্য সাংবাদিক আরিফ রববানী।

    প্রথমবারের মতো নিজেদের এলাকায় নির্মিত শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১মিনিটে এলাকার শিক্ষার্থী,দলীয় নেতাকর্মী ও যুবকরা ফুল হাতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে হাজির হয়ে ভাষা সৈনিকদের স্মরণে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সদস্য আলামিন,জাতীয় শ্রমিকলীগ ভাবখালী ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক জুয়েল মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম,আকাশসহ এলাকার শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা।

    এই এলাকায় কোন শহীদ মিনার না থাকায় প্রথমবারের মতো নিজেদের নির্মিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারায় ব্যাপক উৎসাহ ছিলো স্থানীয় শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীদের মাঝে। এছাড়াও দিবসটি পালন করার লক্ষে স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

  • গৌরনদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালন

    গৌরনদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালন

    রিপোর্ট!! সুমন তালুকদার গৌরনদী।

    যথাযোগ্য মর্যাদা ও সরব উপস্থিতির মধ্য দিয়ে বরিশালের গৌরনদীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়েছে।
    একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২ টা ১ মিনিটে সরকারি গৌরনদী কলেজ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পর্গ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন, গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন, গৌরনদী মডেল থানা, উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ।এসময় বক্তব্য রাখেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান। অপর দিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে সর্বদলীয় রাস্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উপজেলার লাখেরাজ কসবা গ্রামে ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুবের সমাধিতে ও সকল শহীদদের স্মরনে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশন।
    এছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন গৌরনদী রিপোর্টাস ইউনিটি, লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামি প্রি-ক্যাডেটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ও সাংবাদিকরা ।
    পরে লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিদ্যালয়ের সভাপতি হাসান জাকির রিপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক ও গৌরনদী বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও লাখেরাজ কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কুতুব উদ্দিন,, গৌরনদী রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, ইসলামি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ ছিবরুল আশরাফ হেমায়েত। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ও সকল ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ ছিবরুল আশরাফ হেমায়েত। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পর্গ অর্পণ করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণ।

    সুমন তালুকদার
    গৌরনদী, বরিশাল

  • ক্ষেতলালে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    ক্ষেতলালে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২১ (ফেব্রুয়ারী) মঙ্গলবার সকাল ৯.৩০ মিনিটের সময় ক্ষেতলাল উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার আলোচ্য বিষয় “বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন” উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বন্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মন্ডল।
    উপজেলা পরিষদের সিএ এস.এম শওকত এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ মোল্লা,ক্ষেতলাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল হাসান, থানা অফিসার ইনচার্জ( ওসি) রাজিবুল ইসলাম প্রমূখ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন,ক্ষেতলাল উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজাহার আলী, পৌর মেয়র সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নরুন নাহার গুন্নাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছফিউল্লাহ সরকার, কৃষি অফিসার জাহিদুর রহমানসহ উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
    আলোচনা সভা শেষে, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও ক্ষেতলাল সংগীতালয়ের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে রাত ১২টা ১ মিনিটেই ভাষা শহীদদের প্রতি প্রথম শ্রদ্ধা জানান ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বণ্যা, ক্ষেতলাল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার,ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌরসভার মেয়র,ক্ষেতলাল প্রেস ক্লাব, ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

  • রাঙ্গাবালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা  দিবস পালন

    রাঙ্গাবালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

    রফিকুল ইসলাম ,
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা অমর একুশে ফেব্রুয়ারি । মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাঙ্গাবালী প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেণ ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেক মুহিদ, রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ জহির উদ্দিন আহমেদ ও ভাইস চেয়ারম্যান মাতোয়ারা লিপি, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ ইকবাল আহম্মেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ারুল হক বাবুল, রাঙ্গাবালী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিকদার জোবায়ের হোসেন । উপজেলা প্রসাশনের শেষে রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম ফকু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিলন হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনজু হাওলাদার- সহ উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গোদাগাড়ীতে শহিদ দিবস ও আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে শহিদ দিবস ও আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

    প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ডের দুটি ভিন্ন ভাষার জাতিসত্তাকে মিলিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম থেকেই মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে সূচনা হয়েছিল আন্দোলনের। আর এই ভাষা আন্দোলনকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এই ইতিহাস বাংলাদেশের অনেকেরই জানা। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রয়েছে আরও অনেক সংগ্রামের ইতিহাস।
    ভাষা থেকে যেভাবে আন্দোলনের সূচনাঃ
    ১৯৪৭ সালে যখন দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছিল তার আগেই আসলে শুরু হয়েছিল ভাষা নিয়ে বিতর্ক। ভাষা সৈনিক আবদুল মতিন ও আহমদ রফিক তাদের ভাষা আন্দোলন-ইতিহাস ও তাৎপর্য বইয়ে লিখেছেন, “প্রথম লড়াইটা প্রধানত ছিল সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ”।

    এই বইটির বর্ণনা অনুযায়ী দেশভাগের আগেই চল্লিশের দশকের শুরুতেই সাহিত্যিকরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। সেসময় বাঙালী মুসলমান সাহিত্যিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদদের মধ্যে বাংলা, উর্দু, আরবি ও ইংরেজি এই চারটি ভাষার পক্ষ-বিপক্ষে নানান মত ছিল।

    এ উপলক্ষ্যে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গোদাগাড়ী উপজেলা শহীদ মিনারে রাত ১২ টা ১ মিনিটে ভাষা শদীদের ফুল দিয়ে স্মরণ করা হয়।
    সূর্য্যদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারী, বেসরকারী, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত করা হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় উপজেলা পরিষদ নতুন অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,

    এবিএম কামারুজ্জামের সঞ্চালনায় বক্তব্য প্রদান করেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী, সহকার কমিশনার (ভূমি) মোঃ সবুজ হাসান, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম, গোদাগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুল গনি, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি।

    উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ দুলাল আলম,সমাজসেবা অফিসার মোঃ রাশেদুজ্জামান, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, গোদাগাড়ী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ শরিফুল ইসলাম, প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শেষে চিত্রাংকন, রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে বই উপহার প্রদান হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে অনুরুপ কর্মসূচি পালন করেন, গোদাগাড়ী সরকারী কলেজ, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সুলতানগজ্ঞ উচ্চ বিদ্যালয়, গুনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, গোগ্রাম আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজ, রাজাবাড়ী ডিগ্রী কলেজ, দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়, কাশিমপুর একে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, পিরিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান চিত্রাংকন, রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচ পালন করে বলে জানা গেছে। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এনজিও, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    , রাজশাহী।

  • জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন করে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা।

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন নুর ইসলামের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পনের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কার্যকরী সভাপতি মোঃ আবুল বাশার মজুমদার, মহাসচিব মোঃ ফারুক হোসেন,সাংগঠনিক সচিব খন্দকার মাসুদুর রহমান দিপু,কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, রুবেল খান কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, আবু তাহের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, রুবিনা আক্তার সহ অন‍্যন‍্যারা।

    শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন জানাতে কেন্দ্রীয় ফারিয়ার নেতৃবৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন

    একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
    এবং পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর মুহাম্মদ আলি জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ এবং ২৪ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোষণা দেন। “উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা”তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা চরম বিরক্তি প্রকাশ করে। ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় এসে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ এর কথার পুনরাবৃত্তি করেন। তখন ছাত্ররা প্রতিবাদে ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল সহ বিভিন্ন সভার সিদ্ধান্ত নেন।

    সরকারের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা রাজ পথে নামলে পুলিশ তাদের উপর গুলিবর্ষণ শুরু করে। যার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদের আন্দোলনটি জনমানুষের আন্দোলনে রুপ নেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য এই ভাষা আন্দোলন ছিলও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত ইতিহাস জানা। লাখো শহীদের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষায় একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে সর্বদা সচেতন থাকা।

    মাতৃভাষা মায়ের মুখের ভাসাকে সম্মান করা, বুকে ধারণ করা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানাতে হবে। জানাতে হবে মাতৃভাষার জন্য শহীদদের আত্মত্যাগের কথা। এখানেই সকলের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করা হয়।