Author: desk

  • মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের হামলায় আহত ৪

    মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের হামলায় আহত ৪

    লিটন মাহমুদ।
    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
    মুন্সীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মজিবুর শেখ পরিবারকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে আপন চাচাতো ভাই বাছেদ শেখ গংদের বিরুদ্ধে । এসময় মজিবুর শেখের সিমানা প্রাচির দেয়াল ও বাড়িঘরে ভাংচুর চালালে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি বেধে যায় এতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহতদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়রা জানান,পঞ্চসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের মো. মজিবুর শেখ তার নামজারিকৃত ২১ শতাংশ সম্পত্তিতে বুধবার কাঠ-টিন দিয়ে ঘর তুলতে গেলে প্রতিপক্ষের মো. বাছেদ শেখ ও তার লোকজন এসে বাঁধা দেয় ও বাক বিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে মো. বাছেদ শেখ ও তার লোকজন মো. মজিবুর শেখের বসতঘর ভাংচুর ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি বেধে যায় । এ সময় উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়। এদিকে আহত মো. মজিবুর শেখ ও তার ছেলে শাকিল হোসেন শেখ জানান, আর এস রেকর্ড ও পঞ্চসার মৌজার খতিয়ান নং- ৫৭১১,এর ২১ শতাংশ জায়গার মালিক আমরা। আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি এটি। প্রতিনিয়ত খাজনা পরিশোধ করে আসছি। সকালে সেই জায়গায় টিন-কাঠের ঘর নিমার্ণ করতে গেলে সন্ত্রাসীদের নিয়ে বাছেদ শেখ আমাদের কাজে বাধা দেয়। ভাংচুর করে টিন কাঠ নিয়ে যায়।আমাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আমাদের পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এতে করে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
    অবরুদ্ধের কথা অস্বীকার করে ও সিমানা প্রাচির ভেঙ্গে দেয়ার কথা শিকার করে প্রতিপক্ষে বাছেদ শেখ জানান, আদালতে এ জমি নিয়ে মামলা চলছে। বিরোধপূর্ণ জমিটিতে জোরপৃর্বক ঘরবাড়ি উত্তোলন করতে গেলে আমরা বাধা দেই, তখন তারা আমাদের উপর হামলা করে।
    ঘটনার বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: তারিকুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিলো।বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন মারামারি ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মুন্সীগঞ্জ গাইডের  কিনতে দিশেহারা স্কুল মাদরাসার অভিভাবকেরা। ১ সেট গাইড প্রায় ৫০০০টাকা

    মুন্সীগঞ্জ গাইডের কিনতে দিশেহারা স্কুল মাদরাসার অভিভাবকেরা। ১ সেট গাইড প্রায় ৫০০০টাকা

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    মুন্সীগঞ্জ গাইড বই কিনতে এক রকমের দিশেহারা স্কুল ও মাদরাসার অভিভাবকেরা। সরকার বিনামুল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করলেও স্কুল মাদরাসার গাইড নির্ভর পড়াশোনা হওয়ায় উচ্চমুল্য গাইড কিনতে হিমসিম খাচ্ছে দরিদ্র অভিভাবকরা।

    স্থানীয় লাইব্রেরী ঘুরে দেখা যায় ৯ম শ্রণীর ১ সেট গাইড বিক্রি করছে ৪৬৫০ টাকা। পরে আরও কিছু গ্রামার ও সাজেশন কিনতে হবে। সবমিলিয়ে গাইড বই ক্রয় করতে ৫ হাজার টাকার উপরে লাগবে বলে জানিয়েছেন ঐ শিক্ষার্থী। একইভাবে ৮ম শ্রেনীর এক সেট গাইড বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার পাচশত টাকা, ৭ ম শ্রেনির ৮৫০ টাকা , ৬ষষ্ঠ শ্রেণির ৭৭৫ টাকা, ৫ম শ্রনি ৫৭০ টাকা এবং ১ম, ২য়, ৩য় ও চতুর্থ শ্রেণির গাইড বিক্রি হচ্ছে অবাধে।

    স্নিগ্ধা নামের ৯ শ্রেণির অপর এক ছাত্রীর অভিভাবক জানান আমার এই মেয়ের পিতা নেই তাই আমার পক্ষে এত দাম দিয়ে গাইড কিনে পড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায় বছরের শুরুতেই গাইড বই নিয়ে ক্লাস করছে এবং শিক্ষকরাও মুল বইয়ের চেয়ে গাইড নির্ভর পাঠদানে আগ্রহী।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) স্পষ্ট ঘোষণা যে ৮ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবইয়ের বাইরে কোন ধরনের নোট গাইড পড়াতে বা বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু মুন্সীগঞ্জ এর কোন কিছুই তোয়াক্কা করছেন না লাইব্রেরীগুলো।

  • প্রকল্পের ঘরের লোন নিয়ে লাপাত্তা-নতুন ঘর হওয়াই দখলের হিরিক

    প্রকল্পের ঘরের লোন নিয়ে লাপাত্তা-নতুন ঘর হওয়াই দখলের হিরিক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে নিজে না থেকে ঘরগুলোর নামে লোন নিয়ে ঘর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেক সামর্থ্যবান যাদের ঘর প্রয়োজন না থাকলেও ঘর বরাদ্দ নিয়েছিলেন৷

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর আবাসন আশ্রয়ণ-প্রকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফেরশা আবাসন প্রকল্পের ৫০ টি ঘর পাকাকরণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

    গত ২০০৪ সালে মামুদপুর উইনিয়নে ফেরশা আবাসন আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রতিষ্ঠা করা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মাধ্যমে বরাদ্দপ্রাপ্ত এই প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের জন্য নির্মাণ করা হয় ৫০ টি আধাপাকা ও টিনশেড বাড়ি। ওই বছরই ইউনিয়নের ভূমিহীন ও দুস্থদের মাঝে স্থানীয় প্রশাসন ঘরগুলো বরাদ্দ দেয়।

    অভিযোগে জানা যায়, আশ্রয়ণের ৫০টি বাড়ি বরাদ্দ পেয়েছিলেন উপকার ভোগীরা। এদের মধ্যে সুবিধাভোগী ৫০ বছর উর্দ্ধো নারী মনোয়ারা বেগম বলেন, সচ্ছল ও নিজস্ব জমি-বসতবাড়ি থাকায় বরাদ্দকৃত আশ্রয়ণের বাড়িটিতে কখনও থাকেননি। বরাদ্দের দিন থেকে প্রায় ১২ টি ঘর পরিত্যক্ত ছিলো আশ্রয়ণ প্রকল্পের আরও কয়েকটি বাড়ির অবস্থা প্রায় একই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা অভিযোগ তুলে বলেন, বড় পরিবার নিয়ে আশ্রয়ণের বাড়িতে আমরা কষ্ট করে বসবাস করছি। অথচ বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে কেউ কেউ একদিনের জন্যও বাড়ির তালা খুলেননি। ফলে দীর্ঘদিন বাড়িগুলো পরিত্যক্ত থাকায় নষ্ট হয়েছিল।

    সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানায়, কেউ কেউ নিজের নামে বরাদ্দ পাওয়া বাসা অন্যকে দিয়েছে। আবার ওই ঘরের দলিলমূলে লোন নিয়ে লাপ্তা হয়েছে। আশ্রয়ণের বাড়িতে যারা থাকেন না, তাদের একটি তালিকা আমাদের প্রতিনিধির হাতে এসেছে।

    সে তালিকা অনুযায়ী যাদের বিরুদ্ধে বাড়িতে না থাকার অভিযোগ রয়েছে তারা হলেন, লেজাম, আছের আলী , লসির উদ্দন, ফয়জার, নূরুল, আব্দুল, মোছলেম, মামুন, ফারাজ, রহিম উদ্দিন, ময়েজ, ছানোয়ার, ইউনুস আলী, লাভলু, আঃ সামাদ, আঃ রাজ্জাক, আমিনুর, মুনছুর, আজিজার, আঃ রুউফ, কামাল, টিপু। প্রায় ১৯ বছর পূর্বে মির্জাপুর আবাসন প্রকল্পের সমবায় সমিতির মাধ্যমে লোন নিয়ে পালিয়ে যায়৷ অদ্যবধি ওইসব সুবিধাভোগী বসত ভিটায় ফিরে না আসায় ছিন্নমূল মানুষ উপকার ভুগীরা বসবাস করেন৷ বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আবাসন প্রকল্পের নতুন ঘরগুলো সম্পন্ন হওয়াই এখন দখল নিতে হিরিক পড়েছে৷

    জহরুল নামে এক ব্যক্তি বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন৷ এ ব্যাপারে স্থানীয় ভূমিহীন পরিবারগুলো সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ওই ইউনিয়নে এখনও কিছু ভূমিহীন পরিবার বাড়ি না পেয়ে বিভিন্ন জনের জমিতে ঘর তুলে ও অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।
    ওই আশ্রয়ণের সভাপতি আঃ সামাদ বলেন, যারা আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দ নিয়ে বসবাস না করে তালা দিয়ে রেখেছেন। সেগুলোর বরাদ্দ বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীন ও অসচ্ছলদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

    বিষয়টি নিয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ নিয়ে না থাকা অথবা যারা উপকার ভোগী ঘর পেয়েও থাকেন না তারা সচ্ছল কেউ যদি এমনটি করে থাকে তবে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট

  • ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    কে এম সোহেব জুয়েল :-বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের পুর্ব ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃক আয়োজিত একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারি রাত -১২:১ মি: ভাষা শহীদদের বেদীতে পুস্পার্ঘ অর্পন ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিদ্যালয় কর্তীপক্ষ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের লোকজন।।

    সকাল সন্ধ্যা নানান কর্মসুচির মধ্যদিয়ে মহান আন্তর্জাতিক ভাষা শহীদদের যথাযথ মর্যদায় এই অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়।

    মঙ্গলবার ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬:৩০মি: বিদ্যালয় চত্তরে নির্মিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে
    বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে প্রধান শিক্ষিকা রাশিদা আক্তারের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে স্কুল কমিটির সভাপতি দানবীয় হাজী মো: মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো : মজিবর রহমান বাদল বিশ্বাস।

    এ সময় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মুল্যবান আলোচনা সহ কচিকাচা শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা নবিস বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মুলক অংশগ্রহণে পুরস্কার বিতরণ করা সহ শহীদদের স্মরনে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    সারাদিনের আলোচনার শেষাংশে সন্ধ্যায় স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো: মিজানু ররহমানের সভাপতিত্বে ব্যাংক কর্মকর্তা সহোদর উদার মনের মানুষ মো: জাকির হোসেন সবুজের সঞ্চলনায় স্হানীয় কবি সাহিত্যিকদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি বই বিতরন ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মুল্যবান বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম আর বাদল বিশ্বাস।

    এ ছারাও অনুষ্ঠান মালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মুল্যবান বক্তব্য পেশ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ হাকিম, আগরপুর ডিগ্রি কলেজর অধ্যপক মো: সেলিম হোসেন মো: অধ্যাপক মো: মাহাবুব প্রমুখ এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মো: সুজন শরিফ, সাংবাদিক কেএম সোহেব জুয়েল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অতিথি আপ্যায়নের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষনা করেছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: মিজানুর রহমান মিজান।

  • গৌরনদী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    গৌরনদী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের ঐতিহ্যবাহি গৌরনদী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুইব্যাপী বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৩,বুধবার ২২ ফেব্রুয়ারী
    অনুষ্ঠিত হয়। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী,গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, গৌরনদী পৌর আওয়ামিলীগ সভাপতি মোঃ মনির হোসেন মিয়া,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিনিয়া আফরোজ হেলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল জলিল, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. সাহিদা আক্তার, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার গৌরাঙ্গ প্রসাদ গাইন, চাঁদশী ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, গৌরনদী পৌরসভার ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রুনু আলম, সরকারি গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ অলিউল্লাহ, নাঠৈ রিজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহীন সহ অন্যানয়রা।

  • সুজানগরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

    সুজানগরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় আধুনিক যন্ত্র রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।এ উপলক্ষ্যে সোমবার উপজেলার ভায়নায় সুজানগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৫০ একরের ব্লক প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদের নিমিত্ত কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আধুনিক যন্ত্র রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ সাইফুল আলম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও এসএপিপিও আলমগীর হোসেনের স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলাম। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা,সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার আব্দুর রউফ ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ। অনুষ্ঠানে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশে দিন দিন জমির পরিমাণ কমছে, মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। সনাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে না। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হলে চাষাবাদে আধুনিক যান্ত্রিকীকরণ প্রয়োজন। আর সে কারণেই সরকার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের মাধ্যমে নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এক টুকরো কৃষি জমিও খালি রাখা যাবে না। কৃষি জমির যথাযথ ব্যবহার করতে হবে বলেও জানান অতিথিরা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার শয্যা পাশে সুজন

    তানোরে আওয়ামী লীগ নেতার শয্যা পাশে সুজন

    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের সরনজাই ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগ নেতা কেরামত আলী ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী রনির বোন গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে(রামেক)চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    এদিকে ২১ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট সমাজসেবক, তরুণ শিল্পপতি এবং আগামির নেতৃত্ব আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন অসুস্থ আওয়ামী লীগ নেতা কেরামত আলী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী রনির বোনের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে রামেক হাসপাতালে ছুটে যান। এ সময় তিনি তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়ে তাদের আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শামসুল ইসলাম, সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইট ও রোকন সরকার প্রমুখ।

  • সাংবাদিকতা পেশা

    সাংবাদিকতা পেশা

    মিজানুর রহমান মিলন :

    সাংবাদিক পেশাকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সন্মান করি । আমাদের বাড়িতে (ফুলকোট -মন্ডলপাড়া) ২০০২ সাল থেকে নিয়মিত পএিকা নেই। স্হানীয়, জাতীয়, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, সালতামামি সহ এমন কোন পএিকা নাই যে আমি পড়িনি, সকাল হলেই সেই দিনের পএিকা না পড়লে ভালো লাগতো না, পএিকা পড়া নিয়েও আমরা দুই ভাই পএিকা নিয়ে কারাকারি করেছি কে আগে পএিকা পড়বে এই নিয়ে, তখন পএিকা পড়ার একটা আনন্দ ছিলো, এখন সবার হাতে হাতে স্মার্টফোনের কারণে পত্রিকার ওপর মানুষের আগ্রহ কমে গেছে । আমাদের বাড়িতে আমাদের পাড়ার অনেকেই পএিকা পড়ার জন্য আসতো । তার মধ্যে আমার বড় আব্বা মরহুম আলহাজ্ব মনছুর আলী মন্ডল, মরহুম ইনসাফ আলী মন্ডল, মরহুম মাহমুদ আলী মন্ডল, আজ তারা কেউ বেঁচে নেই । মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন । পএিকা পড়া আমাদের একটা নেশা ছিলো। এক সময় বই পড়াও আমার নেশা ছিলো,সেটা সব ধরনের বই, বোখারী শরীফ, মেশকাত শরীফ , তাজকেরাতুল আউলিয়া, তাজকেরাতুল আম্বিয়া সহ নাম না জানা প্রায় ৮ /১০ হাজার টাকা মুল্যের বই এখনো আমাদের বাড়িতে আছে । আমার এখন আগের মতো বই পড়ার অত সময় হয়না, আমার আব্বু পড়ে । আমি ছোট বেলায় দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় শনিবারের ছোটদের বিশেষ পাতা সবুজ আসরের সদস্য ছিলাম, এছাড়াও ডাকযোগে শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষা কল্যান ট্রাষ্টের সদস্য ছিলাম, পরিবেশ ও নৈতিকতা বিষয়ক সার্টিফিকেট আছে আমার । আমাদের বাড়িতে
    ছোট বেলা থেকে সাংবাদিকদের কার্যক্রম আমার ভালো লাগতো। আমার ফুফাতো ভাই জাতীয় দৈনিক “যায় যায় দিন ” ও “মানব কন্ঠ” পএিকার বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রতিনিধি , সেই সুবাদে সাংবাদিকদের সাথে চলাফেরা আমার ছোট বেলা থেকেই । যত বড় হয়েছি বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের কার্যক্রম সত্য কথা বলার সাহস অন্যায়ের প্রতিবাদ মূলক নিউজ ইত্যাদি দেখে অনুপ্রানিত হতাম।তখন থেকেই মনে হতো আমি জীবনে কোন এক সময় সম্ভব হলে এই পেশায় কাজ করবো। ইনশাআল্লাহ অবশেষে সেই পেশায় আজ আমি জড়িত ।

    কিন্তু আজ আফসোসের সাথে বলতে হচ্ছে যে,এই পেশাকে না জেনে যত সন্মান করতাম আজ অনেকটাই ঘৃণা করতে ইচ্ছে করে।
    না সাংবাদিক পেশাকে নয়,সাংবাদিক পেশার সাথে জড়িত কিছু নামধারী সাংবাদিক দের জন্য।আজ এই পেশাকে মোটামুটি জানার পর সংখ্যা লঘু কিছু সাংবাদিক দের তেলবাজি,অসৎ উপার্জন,অন্যকে বিপদে ফেলে ফায়দা লুটে নেয়া ইত্যাদি দেখে সন্মান টা হাড়িয়ে যাচ্ছে ।

    হ্যাঁ অনেকেই বলতে পারেন আমিও তো হলুদ সাংবাদিক দের মাঝে একজন হতে পারি
    কিন্তু আমি গর্ব করে বলতে পারি,সাংবাদিক পেশায় এসে কোনদিন কারোর উপকারে না আসলেও কারোর ক্ষতি করিনি এখনো।

    আমি এই পেশাকে ধরে না রাখলেও আমার কোন সমস্যা নাই। কারণ আমি সাংবাদিক পেশাকে অর্থ-উপার্জনের মাধ্যেম হিসেবে বেছে নেই নাই,আমি এই পেশাকে বেছে নিয়েছিলাম সত্যি কথা বলতে গেলেও একটা প্লাটফর্ম প্রয়োজন তাই ।
    এক কথায় সাংবাদিকতা আমার পেশা নয় নেশা ।

    আমি সকল সাংবাদিক ভাই-বোনদের কে করজোড় করে অনুরোধ করছি,সামান্য কিছু অর্থ উপার্জনের জন্য এতো সন্মানিত একটা পেশাকে আপনারা প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না ।

    অনেক মানুষ আছে যারা মুখে কিছু বলেনা
    কিন্তু সাংবাদিক নামটা শুনলেই ভ্রু-কুচকিয়ে ঘৃণার চোখে দেখে ।

    তাই এই পেশাকে পুনরায় সন্মানিত আসনে রাখতে সকল সাংবাদিক কে সঠিক নিয়মে লোভ লালসা ছেড়ে দিয়ে মানুষের ভালোবাসা নিয়ে কাজ করতে হবে ।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

    স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ
    বাঙালি জাতির ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত দিবসটি পালনে সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। দিনব্যাপী এসকল কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নানা আনুষ্ঠানিকতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ময়মনসিংহে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে।

    দিবসের সূচনালগ্ন রাত ১২.০১ মিনিটে ময়মনসিংহের টাউন হল প্রাঙ্গণস্থ শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। এরপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মনিরা সুলতানা ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।

    পরে একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস, রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজার রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঁঞা প্রমুখ।

    পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, নেতৃবৃন্দসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকগণ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
    দিবসটি উপলক্ষ্যে বিকাল ৪.০০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো. শফিকুর রেজা বিশ্বাস। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য প্রদান কালে তিনি বলেন, ভাষা একজন মানুষের সবচেয়ে প্রিয় বিষয়গুলোর একটি। ভাষা আন্দোলনের পটভূমির উপর ভিত্তি করে রচিত হয় ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তিমূল। বাংলাদেশ ছাড়া ভাষার জন্য আত্মত্যাগের ইতিহাস আর কোথাও নেই। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামের পর এখন আমরা মুক্তি সংগ্রামের মধ্যে আছি। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। তবেই শহিদদের আত্মা শান্তি পাবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, বাঙালি জাতির হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুদ্ধারের সূচনা হয় একুশের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এদিন বাঙালি প্রথম ঘুরে দাঁড়ায়। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করেই আমরা মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হয়েছিলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সভাপতি এহতেশামুল আলম, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মযমনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজার রহমান। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

    ভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে এদিন জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বিভিন্ন সামাজিক/সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক খোলা ট্রাকে নগরীর বিভিন্ন সড়ক দ্বীপসমূহে দেশাত্ববোধক সংগীত পরিবেশন করা হয়। জেলার সকল মসজিদ, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রার্থনা করা হয়।

  • অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি শামখোল অভয়ারণ্য ধ্বংসের চেষ্টা

    অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি শামখোল অভয়ারণ্য ধ্বংসের চেষ্টা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের আশুরহাট গ্রামের অতিথি পাখিরা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। ২০০৭ সালে আসা এই অতিথি পাখিরা এখন আর ‘অতিথি’ হয়ে থাকতে পারছে না। পাখিদের আশ্রয় হিসেবে বেড়ে ওঠা গাছগুলো বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে রাতে নিধন করা হচ্ছে পাখি। ফলে যে কোন মুহুর্তে গ্রাম ছাড়তে পারে শামখোল এই পাখির দল। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ১৬ বছর আগে শৈলকুপার আশুরহাট গ্রামটিতে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে শামখোল (শামুক ভাঙ্গা) পাখি আসা শুরু করে। স্থায়ী কোন বাসা না করায় পাখিগুলো যায়-আসে। এরপর কেটে যায় কয়েক বছর। ২০১৩ সালে স্থায়ীভাবে বাসা বেঁধে বসবাস শুরু করে হাজার হাজার পাখি। ১০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠে পাখির অভয়ারণ্য। যা রক্ষার্থে স্থানীয়ভাবে পাহারাদারের ব্যবস্থাও করা হয়। তখন থেকেই আশুরহাট গ্রামটি লোকমুখে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেতে থাকে। যা বর্তমানে সকলের মুখে মুখে ছড়িয়েছে। ২০১৩ সালেই তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন এই এলাকাকে পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতিবছরের মতো গ্রামের মধ্যপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক ও গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসের পুকুর পাড়ে শিমুুল, জাম, মেহগনী গাছের ডালে ডালে বাসা বাঁধে হাজার হাজার পাখি। উপযুক্ত আবহাওয়া ও খাবারের জোগান থাকায় পাখিগুলো আশ্ররহাট গ্রামে জায়গা করে নেয়। অভিযোগ উঠেছে, অভয়ারণ্য তৈরির শুরু থেকেই নানারকম হুমকির মুখে পড়েতে হয় অতিথি পাখিদের। রাতের আধারে পাখি নিধন, নিরাপত্তা ও আশ্রয়স্থল চরম সংকটে পড়ে। বর্তমানে নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কেটে ফেলা হচ্ছে পাখির অভয়ারণ্যের গাছ। গাছ কেটে ফেলার কারণে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন অতিথি পাখি আসা বন্ধ হয়ে যাবে। সেই সাথে পাখিশূন্য হয়ে পড়বে উপজেলার একমাত্র এই পাখি অভয়ারণ্য। আশুরহাট পাখি সংরক্ষণ সমিতির সদস্যরা জানান, কয়েক দিন আগে গ্রামের মকররম আলীর ছেলে নইমুদ্দিন ও বদরউদ্দিনের ছেলে শফি উদ্দিন এই পাখি অভয়ারণ্যের গাছ কেটেছে। আরও কেউ কেউ গাছ কাটার পাঁয়তারা করছে। এভাবে গাছ কেটে ফেললে পাখিশূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গাছ কাটার ব্যাপারে অভিযুক্ত শফি উদ্দিন বলেন, আমার মালিকানাধীন জমির গাছ কেটেছি। আমি কোনো দোষ করিনি। স্থানীয় বাসিন্দা সফর আলী জানান, জমির মালিকেরা মাঝে মধ্যেই গাছ কাটেন। এভাবে গাছ কাটার কারণে পাখিদের আবাসন সংকট দেখা দেবে। সেই সঙ্গে পাখিশূন্য হয়ে পড়বে গ্রামটি। আশুরহাট পাখি সংরক্ষণ সমিতির সভাপতি আ. রাজ্জাক বলেন, এভাবে গাছ কাটলে অতিথি পাখিরা কোথায় এসে দাঁড়াবে? আমি জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। এই মুহূর্তে গাছ কাটা বন্ধ না করতে পারলে সামনে অতিথি পাখিসহ অন্যান্য পাখি এই এলাকায় আসবে না। পাখিশূন্য হয়ে পড়বে উপজেলার একমাত্র অভয়ারণ্য। উপজেলা বন কর্মকর্তা মোখলেচুর রহমান বলেন, গাছ কাটার কথা আমি শুনেছি। এভাবে গাছ কাটলে পাখি অভায়ারণ্য হুমকির মধ্যে পড়বে। সেই সঙ্গে এলাকা পাখিশূন্য হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া আক্তার চৌধুরী বলেন, পাখির অভয়ারণ্যের গাছ কাটার খবর পেয়েছি। পাখিদের আবাসস্থল সুনিশ্চিত করতে এবং পাখি অভায়ারণ্য যাতে হুমকির মধ্যে না পড়ে সে ব্যাপারে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান