Author: desk

  • কাঠালিয়ায় কলেজছাত্র হত্যার বিচার  দাবিতে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন

    কাঠালিয়ায় কলেজছাত্র হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় কলেজছাত্র হৃদয় হত্যার বিচার দাবিতে বরিশাল-পাথরঘাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজন,এলাকাবাসী, সহপাঠি ও মানবধিকার কর্মীরা।
    ২২ ফব্রæয়ারী বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলার বটতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বরিশাল-পাথরঘাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এত অংশ নেন হৃদয়ের পিতা-মাতা, আত্মীয় স্বজন, সহপাঠি, এলাকাবাসী ও বাংলাদশ আইন সহায়তা কেদ্র ফাউন্ডশনের কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে দ্রæত সময়র মধ্য হৃদয় হত্যা বিচার দাবি করেন নিহতের মা ফজিলাতুন্নেছা ও পিতা আব্দুল কুদ্দুসসহ অংশগ্রহণকারীরা। বক্তাদের অভিযোগ, পুলিশ দীর্ঘ সময় অতিক্রম করলও আসামী সনাক্ত কিংবা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। আমরা ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা করছি। তাই অল্প সময়র মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করে দষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
    হৃদয়ের পিতা আব্দুল কুদ্দুস, মা ফজিলাতুন্নেছা, চাচা মো. এনায়েত হোসেন ছাড়াও মানববন্ধনে অংশ নেন, বটতলা বাজার কমিটির সভাপতি মো.রনি সিকদার, ইউপি সদস্য মো. ফয়সাল আহম্মদ মিঠু সিকদার, মো. মাহমুদুল হক স্বপন, সাবেক ইউপি সদস্য মলিনা রানী, উপজলা আওয়ামীলীগ নেতা মো. হুমায়ুন কবির, শ্রমিক নেতা মো. কবির মিয়া, বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেদ্র ফাউন্ডশনের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান, পরিচালক, মো. মোতালেব খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল কাইয়ুম হাসান প্রমূখ।
    উল্লখ্য, গত ২৩ডিসম্বর ২০২২ইং তারিখে আমুয়া কলেজ পড়ুয়া একাদশ শ্রেণির ছাত্র হৃদয়কে হত্যা করে আনইলবুনিয়া গ্রামের বাড়ীর সামনে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়। অভিযোগ পেয়ে কাঠালিয়া থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং মামলা রজু করে। এরপর দীর্ঘ দুই মাস অতিবাহিত হলেও কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

  • লক্ষ্মীপুরে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে সংঘর্ষ : নিহত ১

    লক্ষ্মীপুরে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে সংঘর্ষ : নিহত ১

    নাজিম উদ্দিন রানাঃলক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইগ্রুফের সংঘর্ষে রাসেল (১৪) নামে এক কিশোর নিহত। এসময় রুহুল আমিনসহ আরও ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চর কাচিয়া গ্রামের মিয়ার হাট রাহুল ঘাটে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।বর্তমানে ওই এলাকার থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    নিহত রাসেল চর কাচিয়া গ্রামের মনির হোসেন ভুট্টুর ছেলে।

    লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃমো. আনোয়ার হোসেন কিশোরের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করছেন।এলাকা সূত্রে জানা যায় মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন ড্রেজার মেশিন, নদী থেকে জেগে উঠা খাসজমি,মাছ ঘাট, দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল রাহুল ও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার দুই গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রাসেল নামে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়। আহত আবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। একসময় মাথায় ধারালো অস্ত্রে আঘাতপ্রাপ্ত রুহুল আমিন নামে আরেক ব্যক্তিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    নিহত রাসেল ইউপি সদস্য নজরুলের ভাতিজা হয় বলে জানা গেছে।

    লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ মুঠোফোনে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তে চার কোটি টাকার সোনার বারসহ দুই জন আটক

    শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তে চার কোটি টাকার সোনার বারসহ দুই জন আটক

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শার রুদ্রপুর সীমান্ত থেকে চার কোটি টাকা মূল্যের ৩৫ পিচ সোনার বার সহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। এসময় একটি প্রাইভেট কার ও একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। আটক সোনার ওজন ৪ কেজি ৮৯ গ্রাম।

    বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারী ) বিকালে শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের আমলাই গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে ইয়াকুব আলী (৩২) ও একই গ্রামের মৃত নূর বক্স বিশ্বাসের ছেলে আতিয়ার রহমান (৪৫) কে সোনা সহ আটক করা হয়।

    খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল তানভীর রহমান পিএসসি জানান, প্রাইভেটকারে করে পাচারকারীরা সোনার একটি চালান ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে রুদ্রপুর সীমান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলো, এসময় বিজিবি জোয়ানরা রুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়া এলাকার কালভার্টের উপরে অবস্থান নেয়।

    পাচারকারীরা একটি প্রাইভেটকার ও একটি মোটর সাইকেল নিয়ে কালভার্টের কাছে আসলে বিজিবি জোয়ানরা তাদেরকে ধাওয়া করে। এসময় দুই পাচারকারী দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। এবং অপর ওই দুই পাচারকারীকে আটক করে তল্লাশি করলে প্রাইভেটকারের গ্লোভস কম্পার্টমেন্ট এর ভিতর এসি ফিল্টারের বক্সে কসটেপ দিয়ে অভিনব কায়দায় মুড়িয়ে লুকানো রাখা অবস্থায় ৩৫ পিচ সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য তিন কোটি ছিয়াশি লক্ষ ঊনআশি হাজার নয়শত টাকা।

    আটক আসামীদের বিরুদ্ধে সোনা পাচার আইনে মামলা দিয়ে তাদেরকে শার্শা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • কালাইয়ে ‘মান সম্মত শিক্ষা বিষয়ক’ সেমিনার অনুষ্ঠিত

    কালাইয়ে ‘মান সম্মত শিক্ষা বিষয়ক’ সেমিনার অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘মান সম্মত শিক্ষা বিষয়ক’ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুড নেইবারস বাংলাদেশ নামে একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
    সংস্থার কালাই সিডিপি’র ম্যানেজার প্রাঞ্জলী মৃ’র সভাপতিত্বে সেমনিারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাত আরা তিথি।
    এ সময় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুল হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাবানা আক্তার, জিন্দারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা পরিষদের সদস্য রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
    সংস্থার সহকারী ম্যানেজার জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে কালাই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

  • খিলগাঁও এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কবির গ্রেফতার

    খিলগাঁও এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কবির গ্রেফতার

    মোঃ রাসেল সরকার//
    রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. কবির (২৮) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

    বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফট্যানেন্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    অধিনায়ক জানান, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলায় বুড়িচং থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। মামলার পর থেকে তিনি কুমিল্লা ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পলাতক জীবনযাপন করে আসছিলেন।  

    গ্রেপ্তারকৃত আসামি কবিরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • টঙ্গীবাড়ী‌তে বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদ ও বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    টঙ্গীবাড়ী‌তে বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদ ও বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মোঃ‌লিটন মাহমুদ ঃ

    আজ ২২‌শে ফেব্রুয়ারী বুধবার বিকাল ৩ঘটিকায় বা‌ঘিয়া বাজার রানা শফিউল্লাহ মাঠে
    বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদ ও বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত ।

    বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদের সভাপ‌তি মোঃ
    মোঃ খোকন মৃধা সভাপতিত্ব ও খতিব, বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদের ইমাম
    হযরত মাওলানা আতিকউল্লাহ সাহেব সঞ্চালনায় এবং বাঘিয়া বাজার জামে মসজিদ ও বা‌ঘিয়া বাজার ক‌মি‌টির আয়োজ‌নে

    উক্ত মাহ‌ফি‌লে প্রধান বক্তা হিসা‌বে উপ‌স্হিত ছি‌লেন আনছারীখতিব, ইস্কাটন গার্ডেন জামে মসজিদ, ঢাকা। সভাপতি “জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশ”, ঢাকা মহানগর মুফাস্সিরে কোরআন আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মীর মোঃ শোয়াইব ।

    বিশেষ বক্তা হিসা‌বে উপস্হ‌িত ছি‌লেন ইমাম ও খতিব আইজী গেইট বাইতুস সালাম জামে মসজিদ ফরিদাবাদ, শ্যামপুর, ঢাকা সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী বক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হযরত মাওলানা মুফতি হাবিবুল্লাহ ফরাজী সাহেব,সেরাজাবাদ মাদরাসার শিক্ষা সচিব ও শাইখুল হাদীস, হযরত মাওলানা মুফতি ইসমাইল হোসেন সাহেব,বায়হাল তা’লিমুদ্দীন মাদ্রাসা মুহতামিম হযরত মাওলানা আবুল কালাম সাহেব ।

  • দেশের প্রথম শহীদ মিনারের স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

    দেশের প্রথম শহীদ মিনারের স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসে নির্মিত দেশের প্রথম শহীদ মিনারের স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি (আরসিআরইউ)। ভাষা সৈনিকদের দাবি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে দেশের প্রথম শহীদ মিনার তৈরি হয়েছে রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসে। যা আজও স্বীকৃতির দাবিতে ধুঁকছে।

    বুধবার ( ২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে রাজশাহী কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করে কলেজের এ সাংবাদিক সংগঠন।

    এ সময় রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন ভাষা সৈনিক মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, ভাষা সৈনিক আব্দুল গাফফারের ছোট ভাই মন্টু, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল খালেক, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা: হবিবুর রহমান, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) সভপতি প্রকৌশলী মো: আমিনুল হক, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান, রাজশাহী টেলিভিশন এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান শ্যামল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রিপনসহ রাজশাহী কলেজের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের ব্যক্তিবর্গ।

    ভাষা সৈনিক মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পর দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলে। সেদিনই ইট ও কাদামাটি দিয়ে ওই রাতেই কলেজের মুসলিম হোস্টেলে শহীদ মিনার তৈরি করেন ছাত্ররা। কিন্তু পরদিন সকালে পুলিশ এসে শহীদ মিনারটি গুড়িয়ে দেয়।

    তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের পর যখন ঢাকার রাজপথ রক্তাক্ত ছিলো ঠিক তখনি আমরা কয়েকজন রাজশাহীর মুসলিম ছাত্রাবাসে একটি শহীদ মিনার তৈরি করি। যেটা ছিলো দেশের প্রথম শহীদ মিনার। দুঃখের বিষয় আজো আমরা এই শহীদ মিনারের কোনো স্বীকৃতি পাইনি। অনেক বার আন্দোলন হলেও এর কোনো সমাধান আমরা পাইনি। এবার আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নিকট জোর দার দাবি জানাচ্ছি, এই শহীদ মিনারের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

    শিক্ষাবিদ ও রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মহাঃ হবিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ আন্দোলন করে যাচ্ছি। এখনও ভাষা সৈনিকরা বেঁচে আছেন। তথ্য-প্রমাণ হাতে আছে। সংসদে এ নিয়ে আলোচনা হোক, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। আমরা আমাদের তথ্য, উপাত্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিব। সবার সহযোগিতায় এই শহীদ মিনারের স্বীকৃতি দেওয়া হোক এটিই আমাদের দাবি।

    রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল খালেক বলেন, রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলের গুটি কয়েক ছাত্র ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রয়ারী রাতে মুসলিম হোস্টেল গেটে দেশের প্রথম শহীদ মিনার, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন। ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার প্রথম আমাদের কলেজে মুসলিম ছাত্রাবাসে নির্মিত হয়। ভাষা আন্দোলনের সত্তর বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এর স্বীকৃতি পাইনি। এই শহীদ মিনার তৈরির পরের কিছু ছবি আমরা সংরক্ষণ করে রেখেছি। আমরা সরকারের নিকট এই শহীদ মিনারের স্বীকৃতির জন্য দাবি জানাচ্ছি।

    রাজশাহী টেলিভিশন এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান শ্যামল বলেন, আজকে দেশের অন্যান্য স্থানে যে শহীদ মিনারগুলো স্থাপিত হয়েছে। সেই শহীদ মিনারগুলোকে দেশের প্রথম শহীদ মিনার আখ্যায়িত করার জন্য একটি অপসংস্কৃতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। কিন্তু ইতিহাস থেকে আমরা যতটুকু জানি, যখন ঢাকার রাজপথে সালাম, বরকত, রফিকরা শাহাদাত বরণ করেন, ঠিক সেই দিনই রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসে কাদা মাটি ও ইট দিয়ে রাতারাতি নির্মাণ করা হয়েছিল দেশের প্রথম শহীদ মিনার। শহীদদের স্মরণে যে স্থাপনা করা হয়েছিল সেটি আজ মাটির নিচে নেমে গেছে। এখন পর্যন্ত সেই স্তম্ভটির স্বীকৃতি পায়নি। এই ব্যর্থতা রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাসহ বড় বড় নেতাদের। তাদের ব্যর্থতার কারণেই আজও এই প্রথম শহীদ মিনারের স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি।

    রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের মাতৃভাষা রক্ষায় সেদিন রাজপথে শহীদ হন সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ আরও অনেকে। এই আন্দোলনে রাজশাহীর সর্বস্তরের পেশাজীবী ছাত্র-জনতার গৌরবময় ভূমিকা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। যা আমরা ইতিহাসে পড়েছি।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন , বর্তমানে দেশের প্রথম শহীদ মিনার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে সেটি কিন্তু তৈরি হয়েছিল ১৯৯২ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারি কিন্তু রাজশাহী কলেজে যদি তৈরি হয়েছে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি। তাই আমরা বলতে পারি, ভাষা শহীদদের স্মরণে দেশের প্রথম নির্মিত শহীদ মিনারটি হচ্ছে মুসলিম ছাত্রাবাস অবস্থিত এই শহীদ মিনারটি। দুটো স্বীকৃতির জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করছে।

    বক্তারা আরোও বলেন, দেশের প্রথম শহীদ মিনার হয়েও আজও তা অবহেলায় জর্জরিত। এখনো স্বীকৃতি মিলেনি প্রথম নির্মিত শহীদ মিনারের। অনেকে জানেনই না এই শহীদ মিনার নির্মাণের ইতিহাস। ভাষা আন্দোলন এর ৭০ বছর পার হলেও দেশের প্রথম শহীদ মিনার এর ইতিহাস জানেনা অনেকেও। আমরা সরকারের কাছে দৃঢ় দাবি জানাই তিনি যেনো দেশের প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার কে স্বীকৃতি প্রদান করেন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারীর ২১ তারিখে এই শহীদ মিনার নির্মিত হয়। মুসলিম হোস্টেলের কয়েকজন ছাত্র এই শহীদ মিনার তৈরি করেন। পাকিস্তান সরকার সেটাকে ভেঙ্গে ফেলে পরবর্তীতে নতুন করে ২০০৬ এবং ২০১৮ সালে তা সংস্কার করা হয়। যতোদিন না আমরা স্বীকৃতি পাচ্ছি ততোদিন আামরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। বিনিময়ে আমরা পরবর্তীতে রাজপথে আন্দোলনে নামবো।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ধর্মপাশায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স কাজে আসছে না-অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা সাধারণ সেবাবঞ্চিত

    ধর্মপাশায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স কাজে আসছে না-অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা সাধারণ সেবাবঞ্চিত

    শান্ত তালুকদার প্রতিনিধিঃ

    মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স কাজে আসছে না
    চারতলাবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন সুউচ্চ ভবন। বাইরে শোভা পাচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বিশালাকৃতির ছবি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মিত সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আয়বর্ধক প্রকল্প হিসেবে নির্মাণ করা হয়। অথচ উদ্বোধনের দুই বছর পরও এটি কাজে আসছে না। অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা পাচ্ছেন না সাধারণ সেবা। সাংগঠনিক কাজকর্মে খোলা হচ্ছে না অফিস ভবন। ভবনটি ব্যবহূত না হওয়ায় অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে কমপ্লেক্সের মূল্যবান আসবাবপত্র।

    প্রতিটি উপজেলার মতো ধর্মপাশায় ২০১৮ সালে উপজেলার ধর্মপাশা থানা সংলগ্ন স্থানে এ ভবনটি নির্মিত হয়। ২ কোটি ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৭১ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭ শতাংশ জমির ওপরে নির্মিত এ ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ১৪টি দোকানঘর। তৃতীয় তলায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয় ও সম্মেলন কক্ষ। এ ছাড়া ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা।রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অযত্ন-অবহেলায় ভবনটির অনেক মূল্যবান আসবাবপত্র দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভবনটির দুটি বাণিজ্যিক ফ্লোরে ১৪টি দোকানঘর ভাড়া না দেওয়ায় আয়ের উৎস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সংগঠনটি। ফলে সুবিধাবঞ্চিত হচ্ছেন অসহায় মুক্তিযোদ্ধারা।ধর্মপাশা উপজেলায় মোট মুক্তিযোদ্ধা ৩৮ জন। তারা সবাই ভাতাপ্রাপ্ত। বর্তমানে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছেন ইউএনও।
    বুধাবার দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ভবনের চারপাশে নোংরা আবর্জনায় ভরপুর। ভবনের মূল ফটকের সামনে বালুর স্তূপ। লোহার গেটে মরিচা ধরে গেছে। ভবন উচ্ছিষ্ট বালু কমপ্লেক্সের সীমানা প্রচীরের মধ্যে পড়ে আবর্জনা সৃষ্টি করেছে।

    ধর্মপাশা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ সালের সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কমপ্লেক্স ভবনটির নির্মাণের কার্যাদেশ পায় মেসার্স আনোয়ারা এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ভবন নির্মাণকাজের শেষ সময়সীমা ছিল। তিনি যথাসময়ে ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পন করেন। ভবনটি ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর সেই থেকে ধর্মপাশা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ধারাবাহিক কার্যক্রম ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে। এই ভবনে নির্মিত ১৪টি দোকানঘরের আয় দিয়ে অসচ্ছল ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষের সে রকম কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। তবে ভবনটি উপজেলা পরিষদ থেকে একটু দূরে হওয়ার ভবনের মধ্যকার বাণিজ্যিক কক্ষগুলো কেউ ভাড়া নিতে চাচ্ছে না বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা।

    এদিকে সাবেক উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার সুলতান মজুমদার সঙ্গে কথা বললে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স বিষয়ে সব দায় ইউএনওর ওপর চাপিয়ে দেন। সর্বশেষ কমিটির মেয়াদ কবে শেষ হয়েছে তিনি বলতে পারেন না। তার সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ সেখানে যাতায়াত করেন না। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা এখান থেকে একেবারেই কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। ফলে অযত্ন-অবহেলায় দিন দিন নষ্ট হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ভবনটি।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নূর উদ্দিন আহম্মেত বলেন, সংগঠনের কোনো কাজে কেউ আমাদের ডাকে না। নতুন ভবনে আমাদের আসা-যাওয়া নেই। কমিটি না থাকায় এমন অবস্থা বিরাজ করছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় ভবনটি মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো কাজে আসছে না।
    উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদির তালুকদার বলেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি উদ্বোধন হয়েছে কি না, সেটি আমাদের কাউকে জানানো হয়নি। নতুন এই ভবন আমাদের কোনো কাজেই আসছে না। এটি দেখভাল করার কেউ না থাকায় অযত্ন–অবহেলায় বিভিন্ন আসবাব নষ্ট হচ্ছে।
    ঠিকাদার মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘আমি ভবনটির নির্মাণকাজ যথাসময়ে শেষ করে এটি এলজিইডির কাছে হস্তান্তর করেছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভবনটি উদ্বোধনও করেছেন। এখন এটিতে আমার আর দায়িত্ব নেই।’
    উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা বলেন, উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তিনতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনটি নির্মাণ করা হলেও এটি যে উদ্দেশে করা হয়েছে, সেটি এখনো বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
    ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শীষেষ চন্দ্র সরকার বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি তবে শিগগিরই ভবনটি পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শান্ত তালুকদার
    মধ্যনগর,সুনামগঞ্জ

  • রাজারহাটে আঃ লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রাজারহাটে আঃ লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    সারাদেশব্যাপী বিএনপি জামাত নৈরাজ্য সহিংসতার প্রতিবাদে রাজারহাট উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।বুধবার সন্ধ্যায় রাজারহাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লার সভাপতিত্বে আখতার আহসান রানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আকবর আলী সরকার, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মতি শিউলি,উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আখতার আহসান রতনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাজেদুর মন্ডল চাঁদ,সহসভাপতি এরশাদুন্নবী,উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম খন্দকার,সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেরা সুলতানা হেপী, চাকিরপশার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক সুমন রায় সহ আরো অনেকেই।এসময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুজ্জোহা মিল্টন,ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক খোয়াইলিদ ইসলাম খালিদ,জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাদসা আলম,নাজিমখান ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মালেক পাটোয়ারী নয়া,ঘড়িয়াল ডাঙা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস প্রামানিক, বিদ্যানন্দ ইউপি চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম, সাত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সম্পাদকসহ নেতাকর্মীগণ।

  • ঝালকাঠিতে জর্দ্দা কোম্পানির কারখানা থেকে ৩ সহস্রাধীক পিছ ইয়াবা উদ্ধার, আটক -১

    ঝালকাঠিতে জর্দ্দা কোম্পানির কারখানা থেকে ৩ সহস্রাধীক পিছ ইয়াবা উদ্ধার, আটক -১

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঝালকাঠিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে জেলা শহরের আদি শাহী ৯৯ জর্দা কোম্পানির কারখানা থেকে ৩ হাজার ৯০০পিছ ইয়াবা উদ্ধার পূর্বক একজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    ২২ ফেব্রুয়ারী বুধবার বিকেলে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল ও ঝালকাঠি শাখার যৌথ অভিযানে ৩ হাজার ৯শত পিছ মাদকদ্রব্য (ইয়াবা ট্যাবলেট) উদ্ধার করা হয়। একই সাথে আদি শাহী ৯৯ জর্দা কোম্পানির কারখানার মধ্য থেকে বরিশাল গৌরনদীর জালাল মাতবরের ছেলে বেলায়েত মাতবরকে আটক।

    এ বিষয় বরিশালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা বরিশালে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান পরিচালনার সময় বরিশাল থেকে রাশেদ নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। বরিশালে আটকৃত মাদক ব্যবসায়ী রাশেদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঝালকাঠিতে আসি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঝালকাঠি শাখার সমন্বয়ে ঝালকাঠির সড়ক ও জনপথ বিভাগ অফিসের একটু উত্তর পাশে আদি শাহী ৯৯ জর্দা কোম্পানির কারখানার ভিতরে আমরা অভিযান পরিচালনা চালিয়ে বেলায়েতকে ৩ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা সহ আটক করি।

    আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।