Author: desk

  • সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের পাক্ষিক সাহিত্য আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাইকগাছার নতুন বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাহিত্য আসরে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।
    সাহিত্য আসরে কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধও গল্প পাঠে অংশ গ্রহন করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানী সাধু, প ানন সরকার,অসিম রায়, ঐশী আক্তার লিমা, রোজী সিদ্দকিী, কওসার আলী মোড়ল, রাবেয়া আক্তার মলি, শাহিনুর রহমান, দিবাশিস সাধু প্রমুখ। ২৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের বাৎসরিক বনভোজন বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে আয়োজন করা হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।।

  • পাইকগাছায় বইমেলা হতাশ করেছে বইপ্রেমীদের

    পাইকগাছায় বইমেলা হতাশ করেছে বইপ্রেমীদের

    পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।।পাইকগাছায় বই মেলা শুরুতে উদ্দিপনা সৃস্টি করলেও বইহিন হয়ে পড়া বই মেলা পাঠকদের হতাশ করেছে। বই ছাড়া নামেই যেন বই মেলা। বই মেলায় ১৫টি স্টল স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে বইয়ের স্টল মাত্র দুইটি। পদক্ষেপ ও রাজু বুক হাউজ। প্রথম কয়েক দিন তারা বই নিয়ে স্টলে বসলেও পরে তাদের নিয়মিত বইয়ের স্টলে দেখা যায় না। এতে বই মেলা বই শূন্য হয়ে পড়ে। তবে মেলা শেষে ১ মার্চ র্যাফল ড্র অনুস্ঠিত হবে।আগ্রহটা বেশী যেন র্যাফল ড্র য়েতে, আর এ কারণে বইমেলা নিয়ে তেমন কোন সাড়া নেই।
    বইমেলা বাঙালির সার্বজনীন উৎসব। লেখক-পাঠককের এই মিলনকেন্দ্রে। একটি জাতিগোষ্ঠীর সভ্যতা বিনির্মাণ ও জ্ঞানগত উন্নয়নে বই মেলা ব্যাপক ভূমিকা রাখে। সাহিত্য, গল্প, উপন্যাস, কবিতা, গবেষণা জার্নালসহ বিষয়ভিত্তিক বইয়ের বিপুল সমাহার পাঠকদের সামনে তুলে ধরে জ্ঞানের বিস্তৃত জগৎকে। তাই তো বইপ্রেমিকরা বছরের পুরো সময়টুকু অপেক্ষা করে প্রাণের এ মেলার জন্য। পৃথিবীতে যত মেলা হতে পারে তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর মেলা হচ্ছে বইমেলা। আর পৃথিবীতে যত বইমেলা আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে মধুর হচ্ছে আমাদের ফেব্রুয়ারীর বইমেলা।

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিন ব্যাপি এ বই মেলার আয়োজন করেছে পৌরসভা ও অরণ্য পাইকগাছা নামে একটি সামাজিক সংগঠন। পৌরসভা মাঠেই প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ বই মেলা চলে। মেলায় ১৫টির মত স্টল স্থান পেয়েছে। পোশাক, ইলেকট্রিক সামগ্রী, খেলাধুলা সামগ্রী, বেত শিল্পের পণ্য, রকমারী ফুল ও খাবার সহ বিভিন্ন প্রশাধনী এবং পণ্যর স্টল মেলায় বসেছে।আর আছে নাম মাত্র দুইটি বইযের স্টল।মেলা ঘুরে গত বুধবার এমনটা দেখতে পাওয়া যায়। মেলায় আগত স্থানিয় কবি প ানন সরকার বলেন, বইমেলায় বইয়ের স্টল খুব কম। বইয়ের স্টল বেশী খাকলে ভালো লাগত। স্থানীয় কবি সাহিত্যিক ও সাহিত্য সংগঠণের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা করে বইমেলা করলে মনে হয় বইমেলা সুন্দর হতো। আগামিতে বইপ্রেমি এমন সকলে নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে বই মেলা করার দাবি করেন। মেলায় ঘুরতে আসা বিশিস্ট ছড়াকার অ্যাড.শফিকুল ইসলাম কচি বলেন, অনেক দিন পর পাইকগাছায় বইমেলা হচ্ছে জেনে বইমেলায় এসে হতাশ হয়েছি। বইমেলায় বইয়ের স্টল দুই একটি অছে, আর বইয়ের স্টলে ঠিকমত বই নিয়ে বসতে দেখা যায কম। আর এতে মনে হচ্ছে বই ছাড়া বই মেলা। আর ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বইমেলা করলে ভালো হয়। উপজেলা পর্যায় ১৩ দিন বইমেলা আয়োজন করা বেশ কস্টকর ও ব্যায়বহুল। তবে মেলার পরিবেশ বেশ সুন্দর লেগেছে।

    আয়োজক কমিটির প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু জানান,বইয়ের দোকানগুলোরে মালিকদের বইমেলার স্টলে বই নিয়ে বসতে বারবার অনুরোধ করলেও তারা আসেনি। আগামিতে সবার সাথে আলোচনা করে বইমেলা সুন্দর করার চেন্টা করা হবে। মেলায় আশা দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এবিষয়ে পৈৗর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, আগামী এক মার্চ র‌্যাফল ড্র হবে। বইমেলায় বইয়ের স্টলে এতো কম থাকার বিষয় জানতে চাহিলে তিনি বলেন, বই এখন তেমন কেউ পড়তে চায় না। যেন আগ্রহটা কম, আগামীতে বইয়ের স্টল বাড়ানোর চেস্টা করা হবে।

    বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বইমেলা। মানুষকে বইমুখী করে তোলার বহুমুখী প্রচেষ্টার মধ্যে বইমেলা গুরুত্ব ভূমিকা রাখে। অমর একুশে বইমেলা এখন বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। পৃথিবীর কোথাও এক মাসব্যাপী বইমেলা হয় না, বাংলাদেশে হয়। এটা একটা ব্যতিক্রম ঘটনা। পাইকগাছার লেখক, সাহিত্যিক ও বইপ্রেমীরা আগামীতে যেন ভালো বইমেলা হয় তার প্রত্যাশা করেছে।

  • সিংড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল

    সিংড়ায় ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল

    মোল্লা মোঃ এম এ রানা নাটোর প্রতিনিধিঃ
    দ্রব্যমুল্যের ক্রমাগত উধর্বগতি,পাঠ্যপুস্তক হতে ধর্ম ও জাতি সত্বা বিরোধী বিতর্কিত বিষয় সমুহ বাতিল ও শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীও শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিংড়া উপজেলা শাখা।
    শুক্রবার জুম্বা নামায পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের মাদ্রাসা মোড়, বালুয়াবাসুয়া মোড় প্রদক্ষিণ করে বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এসে শেষ হয়। এখানে সমাবেশে বক্তব্য দেন, মাওলানা আঃ ছালাম সভাপতি ইসলামি আন্দোলন, মাষ্টার মোঃ শাহ্ ওলিউল্লাহ, ছেলিম মাষ্টার সাঃ সম্পাদক ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, মোঃ আরিফুল ইসলাম সভাপতি ইসলামি যুব আন্দোলন, মাওলানা আঃ কুদ্দুস সাধারণ সম্পাদক ইসলামি যুব আন্দোলন, মুফতি আব্দুলাহ্ কাসেমী মহতামিম হামিদিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম সভাপতি বাংলাদেশ মুজাহিদ।

  • নলছিটিতে বিতর্কিত সিলেবাস ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নলছিটিতে বিতর্কিত সিলেবাস ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক।

    ঝালকাঠির নলছিটিতে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলা শাখার আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে নলছিটি বিজয় উল্লাস চত্বরে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষন করে।
    এসময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলা শাখার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নলছিটি উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস,সাধারন সম্পাদক মাওলানা মো. মাইনুল ইসলাম,যুব আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল কাদের,ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ইসা আল মারুফ প্রমুখ।
    বক্তারা বিতর্কিত সিলেবাস বাতিল ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের জোর দাবি জানান। তারা বলেন,সাধারন জনগন দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারনে অসহায় হয়ে পরেছে। আপনারা বির্তকিত সিলেবাস বাতিল করুন এবং দ্রব্যমূল্যের দাম কমান অন্যথায় ক্ষমতা ছেড়ে দিন যারা পারে তারা দেশ চালাবে আপনাদের দরকার নাই।

  • ভরি বা গ্রাম নয় সীমান্তে মিলছে কেজি কেজি সোনা

    ভরি বা গ্রাম নয় সীমান্তে মিলছে কেজি কেজি সোনা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহসহ দেশের দক্ষিন-পশ্চিম সীমান্ত পথে ভারতে সোনা পাচার বেড়েছে। ভরি বা গ্রাম নয়, পাচার হচ্ছে কেজি কেজি সোনা। বলা যায় সীমান্ত এখন সোনার খনি। এপারের বিজিবি এবং ওপারের বিএসএফ’র হাতে কোটি কোটি টাকার সোনা আটক হচ্ছে। তারপরও লাগাম টানা যাচ্ছে না সোনা পাচারের। বরং সোনা পাচারকারীরা কৌশল বদল করছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা সোনার বার আটক হয়েছিল। ২০২৩ সালের দুই মাসে ২৪টি সোনার বার জব্দ করেছে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি। যার বর্তমান বাজার মুল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি বিজিবির দুইটি আভিযানিক দল গোপন সুত্রে খবর পেয়ে মহেশপুর উপজেলার পদ্ম পুকুর ডিগ্রী কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কসটেপে মোড়ানো ৪৬৬.৩৮ গ্রাম ওজনের চারটি সোনার বারসহ বহনকারী বায়েজিদকে আটক করে। উদ্ধারকৃত সোনার মুল্য চৌত্রিশ লাখ আটান্ন হাজার টাকা। গত ১১ ফেব্রয়ারি মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্তে অভিযানে সাড়ে ৯২ লাখ টাকা মুল্যের ১০টি সোনার বারসহ মফিজুর রহমান নামে এক পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি। মফিজ যশোরের শার্শা উপজেলার গেড়িপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। ২০২২ সালের পহেলা এপ্রিল মহেশপুরের করিমপুর গ্রাম থেকে সর্ববৃহৎ সোনার চালান আটক হয়। ওই দিন ৮ কোটি টাকা মুল্যের ৯৯টি সোনার বার জব্দ করে বিজিবি। একই বছরের ফেব্রয়ারি মহেশপুরের নিশ্চিন্তপুর গ্রাম থেকে বিজিবি ১০টি সোনার বার উদ্ধরি করে যার মুল্য ৭৪ লাখ টাকা। ২৭ এপ্রিল পিপুলবাড়িয়া থেকে ৯টি, গয়াসপুর থেকে ১০টি ও ২৯ এপ্রিল জুলুলী গ্রাম থেকে ৪০টি সোনার বার ধরা পড়ে। ১৫ সেপ্টেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা উপজেলার নস্তিপুর সীমান্ত থেকে ৫৮টি সোনার বার উদ্ধার করে বিজিবি। যার মূল্য ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আটক করা হয় একজন পাচারকারিকে। ঐ দিন রাতে চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে দর্শনা সীমান্তে যাওয়ার পথে একটি প্রাইভেঠ কার তল্লাশী করে ৫টি সোনার বার উদ্ধা করে পুলিশ। আটক করা হয় কামরুল হাসান জুয়েল ও অরিফ হোসেন নামে ২ জনকে। ১৭ সেপ্টেম্বর শার্শার পুটখালী বামুন্ডা সীমান্ত থেকে ২০টি সোনার বার উদ্ধার করে বিজিবি। হৃদয় হোসেন নামে এক পাচারকারির সপিং ভ্যাগ থেকে সোনার বার গুলো উদ্ধার করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গোগা বাজারের পাশ থেকে ১৫টি সোনার বারসহ জসিম উদ্দিন নামে এক পাচারকারিকে আ্টক করে বিজিবি। যার মূল্য ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে বিজিবি চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্ত থেকে ভারতে পাচার কালে ৪টি সোনার বারসহ তাজমুল হোসেন নামে এক পাচারকারিকে আটক করে। ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার কালে ১০টি সোনার বারসহ সাইফুল ইসলাম নামে এক পাচারকারিকে আটক করে বিজিবি। ঐ দিন রাতে পুটখালী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার কালে মসজিদ বাড়ি এলাকা হতে একটি প্রাইভেট কার থেকে ১ কেজি ৬০ গ্রাম ওজনের সোনার বার উদ্ধার করে বিজিবি। আটক করা হয় কারের ২ যাত্রীকে। একই দিন বেনাপোলের মালিপোতা সীমান্ত থেকে ১৮টি সোনার বার উদ্ধার করে বিজিবি। যার ওজন ২ কেজি ১০০ গ্রাম। বিজিবি’র খুলনা ২১ ব্যাটালিয়নের একটি সুত্র জানায়, গত বছর প্রায় ২৩ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। বিজিবি’র যশোর ৪৭ ব্যাটালিয়নের সুত্রমতে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচারকালে ৩৫ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। বিজিবি’র চুয়াডাঙ্গা ৬ ব্যাটালিয়নের একটি সুত্র জানায়, ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১ কেজি ১৭০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রয়ারি) বিকালে মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১০ পিচ সোনার বারসহ এক চোরাকারবারীকে আটক করে ৫৮ বিজিবি। খালিশপুর ৫৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ পারভেজ রানা শুক্রবার জানান, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের জন্য যাদবপুর সীমান্তের পোড়াপারা কাঠবাজার এলাকায় অবস্থান করছিল আব্দুল হাদি নামে এক পাচারকারী। এ সময় তাকে ১ কেজি ১’শ ৬৬ গ্রাম ওজনের ১০টি সোনার বারসহ আটক করা হয়। আব্দুল হাদির বাড়ি যশোর র্শাশা উপজেলার সালকোন গ্রামে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ পারভেজ রানা আরো জানান, সোনাসহ বিভিন্ন পন্যের চোরাচালান রোধে সীমান্তে বিজিবি কঠোর নজদারী বাড়িয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • পুবাইলে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী তক্ষক উদ্ধার, গ্রেফতার ২

    পুবাইলে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী তক্ষক উদ্ধার, গ্রেফতার ২

    পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

    গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী তক্ষক বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে মজুদ রেখে কালোবাজারের মাধ্যমে চোরাচালানের চেষ্টা করার অপরাধে ০২ জনকে গ্রেফতার করেছে পূবাইল থানা পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পূবাইল থানাধীন সাতপোয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    এসময় তাদের কাছ থেকে ০১ টি লাল রংয়ের প্লাস্টিকের বালতিতে ঢাকনা দিয়ে আটকানো
    ধূসর ছাপযুক্ত ০৭ ইঞ্চি ২১ গ্রাম ওজনের ১ টি বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী “তক্ষক” উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তাদের ব্যবহৃত ১টি ITEL L-6502 মডেলের স্মার্ট মোবাইল জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, ১. মোঃ এজাজুল (৩২)। ২. মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির (৪০)। তারা উভয়ই গাইবান্ধা জেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে পূবাইল থানাধীন হারবাইদ, আঠাইয়াবাড়ী এলাকায় বসবাসকারী।

    এবিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ এর ৩৪(খ) তৎসহ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা ২৫-B, ২৫-D মামলায় তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা নং-১০/৩০

  • নড়াইলে বাস থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে  ডিবি পুলিশের হাতে আটক ২, বাস চলাচল বন্ধ যাত্রীদের ভোগান্তি

    নড়াইলে বাস থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে ডিবি পুলিশের হাতে আটক ২, বাস চলাচল বন্ধ যাত্রীদের ভোগান্তি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে//
    নড়াইলে বাস থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে
    ডিবি পুলিশের হাতে আটক ২, বাস চলাচল বন্ধ যাত্রীদের ভোগান্তি। নড়াইলে বাস থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে আটক ২, বাস চলাচল বন্ধ নড়াইলে বাস থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নড়াইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও নড়াইল জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। তাই অনেকেই গন্তব্যে বিকল্প পথে রওনা হয়েছেন।
    নড়াইল জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন,বাস চলাচল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও নড়াইল জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন এবং পৌরসভা এলাকায় সড়কে টাকা তুলছিলেন দুই ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ডিবি পুলিশ টাকা আদায়কারী খোকন ও সাকিব নামের ওই দুইজনকে আটক করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ সিদ্ধান্তে।
    নড়াইল জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম-সম্পাদক মকতুল হোসেন বলেন, সারাদেশে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন তারা তাদের সমিতিতে অনুদান এবং পৌর টোল দিয়ে থাকেন। আমরা আমাদের টাকা দিচ্ছি। অথচ পুলিশ আমাদের লোকদের আটক করছে। এর সুষ্ঠ সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।
    এদিকে হঠাৎ করে বাস বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। যাত্রী মালা খানম বলেন, ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে স্টান্ডে আসি। এখন দেখছি বাস বন্ধ খুব ভোগান্তি হচ্ছে।

  • নড়াইলে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেলেন ২৭ জন

    নড়াইলে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেলেন ২৭ জন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেলেন ২৭ জন। চাকরি নয়, সেবা-এই স্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নড়াইলে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নড়াইল পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে রাত ১০. টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সভাপতি ও পুলিশ সুপার (এসপি) মোসাঃ সাদিরা খাতুন।
    পুলিশ সুপার সভাপতিত্বে ও খুলনা রেঞ্জের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত নিয়োগ বোর্ডের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে ২৪ জন পুরুষ এবং ০৩ জন নারী কৃতকার্য হয়েছে। নিয়োগ পদ্ধতির স্বচ্ছতায় মোট ২৭ জন প্রার্থী চাকরি পেয়েছেন নিজ যোগ্যতায়।
    পুলিশ সুপার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশের উপযোগী করে স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণের প্রত্যয়ে বিদ্যমান কনস্টেবল পদে নিয়োগ পদ্ধতির আধুনিকায়ন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
    তিনি আরো বলেন, সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যতম প্রার্থীকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। যে সকল প্রার্থী প্রতিটি পরীক্ষায় নিজ নিজ যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে শুধুমাত্র তারাই নিয়োগযোগ্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে।
    এ সময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্য তাপস কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক), খুলনা জেলা এবং জনাব মীর আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), সাতক্ষীরা জেলাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আগৈলঝাড়াার গিয়াসউদ্দীন ফকিরের আত্মার মাগফিরাত কামনার্থে দোয়া

    আগৈলঝাড়াার গিয়াসউদ্দীন ফকিরের আত্মার মাগফিরাত কামনার্থে দোয়া

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বড় বাশাইল গ্রামের মরহুম গিয়াসউদ্দীন ফকিরের
    আত্মার মাগফিরাত কামনার্থে দোয়া। ২৪ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুম্মার নামাজ সেসে বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ বাশাইলের ১৯ টি মসজিদে রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দেয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুম গিয়াসউদ্দীন ফকিরের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দেয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আবু সাইদ নান্টু, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, পয়সার হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান,বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সহ-সভাপতি খোন্দকার মোহাম্মদ আলী, লকিতুল্লা মিয়া, মোঃ হায়দার মিয়া, মোঃ রহমতুল্লাহ মিয়া,কোষাধ্যক্ষ মোঃ ফরিদ উদ্দিন ফকির, আদায়কারী মোঃ লিটন ফকির, মোঃ মজিবুর রহমান খান, মরহুমের আত্তিয় সজন বাড়ির লোকজন মোঃ ইমরান হোসেন, সাংবাদিক মোঃ মাসুদ হোসেন, সাংবাদিক আহাদুল ইসলাম রানা,মোঃ ইসমাইল হোসেন রনিসহ অনেকে। রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দেয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন বাশাইল হাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মোঃ রমিজুল ইসলাম ও মরহুমের(বড় মেয়ে) জামাই হাফেজ মোঃ আমিনুল ইসলাম।

  • মাকে নিয়ে উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তার  ইমরান হোসেন এর কিছু কথা ছিলো- চান মিয়ার গল্প

    মাকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ইমরান হোসেন এর কিছু কথা ছিলো- চান মিয়ার গল্প

    মায়ের সাথে আমার বয়সের ব্যবধান ১৯ বছর। মহাকালের বিস্তার বিবেচনায় সময়ের এই পার্থক্য খুব বেশি নয়, কিন্তু মায়ের জীবন-দর্শন, অভিজ্ঞতা ও জানাশোনার পরিধি দেখে আমি অবাক হতাম। প্রায়ই মনে হত উনি আমার হাজার বছর আগে পৃথিবীতে এসেছেন। আমার চিন্তা-ভাবনার বিকাশ ও বোধশক্তির শুরুর আগে জগতে যা কিছু ঘটেছে, মা যেন সব জানেন। আমার পড়ালেখার শুরু মায়ের কাছেই। মনে পরে যখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ি, মা আমাকে হাতে ধরে লেখা শেখাতেন। শৈশবের পড়ালেখা শুরুর স্মৃতির সাথে আরেকটি মধুর বিষয় জড়িয়ে আছে। আমাদের বাড়ি ছিল ওয়াবদা বাঁধের সাথে লাগানো। পাহাড়ের মত উঁচু পথ পেড়িয়ে রাস্তায় উঠতে হত। রাস্তার ঠিক উপরে ছিল একটি টং দোকান। দোকানের মালিকের নাম চান মিয়া। তাঁর বয়স প্রায় পনের বছর তখন। তাঁদের পরিবার নদীর ওপার হতে সিকস্তি হয়ে এসেছিল। তাঁর পিতা নৌকা মেরামতের কাজ করত। চান মিয়ার আরো তিন ভাই ও ছোট দুই বোন ছিল। এরা কেউ পড়ালেখা করত না। অভাবের সংসারে পড়ালেখা শেখার কোনো সুযোগ ছিল না। এ নিয়ে চান মিয়ার খুব মনোকষ্ট ছিল। সে যোগ-বিয়োগ করতে পারত। দোকানের বেচাকেনার হিসেব রাখার প্রয়োজনে মুখেমুখে শিখে নিয়েছিল। কিন্তু লিখতে পারত না। আমার চেয়ে বয়সে সে বড় হলেও সে ছিল আমার অনেকটা বন্ধুর মত। আমার কাছে সুখদুঃখের গল্প করত। সে পড়ালেখা করে নি, এইটা নিয়ে আমারও খারাপ লাগত। একদিন চমৎকার একটা ঘটনা ঘটল। চান মিয়া বর্ণমালা শেখার একটি বই কিনে ফেলল। বিকালে আমাকে বলল, সে পড়ালেখা শিখবে। আমার সেদিনের খুশি আর ধরে না। আমি মাকে এসে ঘটনাটি বললাম। মা শুনে খুশি হলেন।

    চানমিয়া খুব দ্রুত অক্ষর চিনে ফেলল। লিখতেও শুরু করে দিল। সে তাঁর নাম লেখা শিখতে খুব উৎসাহী ছিল। আমি মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন বানান শিখে বাড়ি থেকে উঁচু ঢাল পেড়িয়ে রাস্তায় উঠে চানমিয়াকে শিখিয়ে দিয়ে আসতাম। আমার কাছে মনে হত, চান মিয়া ও আমি একই সাথে পড়তে শিখছি। মা যেন আমাদের শিক্ষক।

    এক বছরের মধ্যে চান মিয়া কিছুটা পড়া ও লিখতে শিখে ফেলল। এরমধ্যে তাঁর দোকানের ব্যবসাও বাড়তে থাকল। সবকিছু ঠিকভাবেই চলছিল। সহসা একদিন চানমিয়ার পিতা কঠিন এক সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি চানমিয়ার ছোট ভাই সুরুজমিয়াকে দোকানে বসিয়ে দিলেন , চানমিয়াকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিলেন।

    চানমিয়া বাড়ি ছেড়ে পুরান ঢাকায় বসতি গড়ল। সে বুড়িগঙ্গার তীরে এক কেমিক্যালের দোকানে কাজ করত। প্রথম দিকে তাঁর কাজ ছিল নদীর কালো পানিতে কেমিক্যালের কালো ড্রাম ধুয়ে পরিষ্কার করা। কয়েকমাস পর সে দোকানে মালামাল দেখভালের দায়িত্ব পায়। চানমিয়ার সাথে আমার বছরে দুই-একবার দেখা হত। সে ঈদে-উৎসবে বাড়ি যেত। নানা রঙের জামাকাপড় পরত। আমি ভাবতাম চানমিয়া ঢাকার বড় সাহেব হয়েছে।

    এখন মনে হয় চানমিয়া ঢাকায় আসতে চায়নি। সে চায়নি, পুরান ঢাকার সরু গলিতে তাঁর স্বপ্ন পুড়ে মরুক, জীবন নিয়ে হাহাকার উঠুক। সে চেয়েছিল পড়ালেখা শিখতে। গ্রামে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়ে নিজেকে বদলিয়ে দেয়ার এক সুখস্বপ্নের নাম ছিল চানমিয়া।
    লেখাটা পেজবুক পেজ থেকে সংগ্রহ করা।