Author: desk

  • নড়াইলে চাঁদা/বাজি মামলার আসামি গ্রে/প্তার

    নড়াইলে চাঁদা/বাজি মামলার আসামি গ্রে/প্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের কালিয়া থানা পুলিশের অভিযান চাঁদাবাজি মামলার আসামি আমিন সরদার গ্রেপ্তার। নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বালু মহলকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আমিন সরদার ওরফে জুয়েল ৩৫ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, পুলিশ জানায়, আমিন সরদার বর্তমানে নড়াইল জেলা কারাগারে রয়েছেন। তিনি কালিয়া উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আঞ্জু সরদারের ছেলে।
    মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কালিয়া উপজেলার ভোমবাগ বালু মহলের ইজারাদার মফিজ সরদারের কর্মচারী হিসেবে মো. জিয়াউর রহমান সিকদার বালু মহলের অর্থ আদায়ের দায়িত্বে ছিলেন। গত ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে আমিন সরদারসহ কয়েকজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাঁর ঘরে প্রবেশ করে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে ওই সময় এক লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন ভুক্তভোগী। পাশাপাশি বাকি চার লাখ টাকা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধ না করলে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়াসহ হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
    এরপর ১৬ অক্টোবর ২০২৫ ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা বন্দুক, পিস্তল, হকিস্টিক ও লোহার রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে টোল ঘরে প্রবেশ করে পুনরায় চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা টোল ঘরে থাকা ক্যাশবাক্স ভেঙে এক লাখ ৩৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় দায়িত্বরত কর্মচারীদের মারধর করে আহত করা হয় এবং একটি ভিভো মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. জিয়াউর রহমান সিকদার বাদী হয়ে কালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি কালিয়া থানার মামলা নম্বর ৬, (১৬ জানুয়ারি) ২০২৬। এতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৭, ৩২৩, ৩২৬ ৩৮৫ ও ৩৮৬, ৩৮০,ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
    কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শুকুর আলী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা গ্রহণ করা হয়। পরে এজাহারভুক্ত আসামি আমিন সরদারকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্র-তিজ্ঞাবদ্ধ- ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

    ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্র-তিজ্ঞাবদ্ধ- ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। আমরা অঙ্গিকারবদ্ধ হয়েছি শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যা যা করণীয় তাই করবো। আমরা দেশের মানুষকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধান অতিথি ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সকলকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট- ২০২৬ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করতে বলেন। জেলার সকল দপ্তরের সাথে ভালো সমন্বয় রেখে কাজ করতে বলেন।এছাড়া জনগণের বন্ধু হয়ে পুলিশকে সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্বের সাথে কাজের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের সুসম্পর্ক বজায় রাখাসহ পুলিশের ইমেজ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ- জামান, গোপালগঞ্জ জেলার অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প কমান্ডার (১৯ ই বেঙ্গল) লে. কর্নেল জেড এম মাবরুকূল ইসলাম, পিএসসি, পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, গোপালগঞ্জ অস্থায়ী সোনা ক্যাম্পের মেজর জুভিন ওয়াহিদ, জেলা এনএসআই’র উপ-পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ডেন্ট অফিসার মোঃ টিটুল মিয়া, ভাটিয়াপাড়া র‍্যাব-৬ এর ক্যাম্প কমান্ডার
    (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) এস এম রেজাউল করিম, জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ অলিউল ইসলাম, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিন মিয়া, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুপ্তা হক, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির,
    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জিয়াউল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর (সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু, সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুর রহমান, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা জানুয়ারি /২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বচ্ছতা’য় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (উপসচিব) আরিফ -উজ-জামান।

    গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ জিয়াউল হক (পিপিএম), গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের পরিচালক (অঃ দাঃ) ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাঈদ ফারুক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অসিত কুমার সাহা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ মামুনুর রহমান, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহিন মিয়া, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম, কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাগুপ্তা হক, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির,
    সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) অনিরুদ্ধ দেব রায়,
    গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ খালিদ হোসেন সরদার, গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক এস এম আরমান, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস – এর উপ-পরিচালক মোঃ নুরুল হুদা, গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তন্ময় কর্মকার, গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহমুদ হাসান, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী অনুজ কুমার দে, গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়েজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার হোসেন, গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিস হায়দার খান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, গোপালগঞ্জ ওজোপাডিকো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিন,
    জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ, জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অঃ দাঃ) লাখসানা লাকী, জেলা সঞ্চয় অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ নুরুল আলম, গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যবস্থাপক এ কে এম কামরুজ্জামান, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মুন্নী খাতুন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, গোপালগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল ইসলাম, জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ, গোপালগঞ্জ বিআরটিএ -এর সহকারী পরিচালক (অঃ দাঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান, গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মী কে এম সাইফুর রহমান সহ জেলা উন্নয়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • র‍্যাবের অ/ভিযানে বহু মামলার আসামি চিহ্নিত চাঁদাবাজ কিশোরগ্যাং লিডার শীর্ষ স/ন্ত্রাসী এরফান গ্রেফতার

    র‍্যাবের অ/ভিযানে বহু মামলার আসামি চিহ্নিত চাঁদাবাজ কিশোরগ্যাং লিডার শীর্ষ স/ন্ত্রাসী এরফান গ্রেফতার

    হেলাল শেখঃ র‍্যাব-১ এর সিপিএসসি, গাজীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান ও ঢাকার সাভারের র‍্যাব-৪ এর সিপিসি-২ এর এডি হালিউজ্জামান এর নেতৃত্বে অভিযান কালিয়াকৈর, ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার ত্রাস, চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং লিডার এবং একাধিক মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি এরফান’কে ঢাকার সাভার হতে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

    র‍্যাব-১ এর সিপিএসসি, গাজীপুর ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার, ঢাকা জানায়, গত ২৩/০২/ ২০২৫ ইং তারিখ রাত অনুমান সাড়ে ৯ টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চান্দুরা পল্লীবিদ্যুৎ সাত্তারগেইট এলাকায় বাদীর স্বামীর মালিকানাধীন মার্কেট এর সামনে বর্তমানে গ্রেফতারকৃত আসামি কিশোরগ্যাং লিডার এরফান (৩১) সহ এজাহারনামীয় আরোও ৪০/৪৫ জন আসামি পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম মোঃ তানভীর আহম্মেদ এর নিকট ২০,০০০০০/- টাকা চাঁদা দাবি করে। ভিকটিম অস্বীকৃতি জানালে ভিকটিমের উপর অতর্কিত হামলা করে তারা। বর্তমানে আসামি এরফান (৩১) এর হাতে থাকা ধারালো রামদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পিঠে কোপ মারিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে এজাহারনামীয় পিচ্চি আকাশ (২৫)সহ অন্যান্য আসামিগণ তাদের হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল, হকষ্টিক, লোহার পাইপ, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে ভিকটিম’কে কাটা ও নীলাফুলা জখম করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম মোঃ তানভীর আহম্মেদ এর স্ত্রী মোছাঃ আফরোজা বেগম বাদী হয়ে একটি চাঁদাবাজি সহ হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। যাহার গাজীপুর জেলার কালিয়াকেইর থানার মামলা নং-০১, তারিখঃ ০১/০৩/২৫ ইং, ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩৮৫/৩০৭/৩২৪/৩২৬/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পিসি ১৮৬০ রুজু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় (১৭ জানুয়ারি ২০২৬ইং) রাত সাড়ে ৯ টা ৩৫ মিনিটের দিকে র‌্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর এবং র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার, ঢাকা এর যৌথ আভিযানিক দল বিশ্বস্ত সোর্স ও র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে এজাহারনামীয় ০২ নং আসামি এরফান’কে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন থানা স্ট্যান্ডের বিপরীত পার্শ্বস্ত ইমান্দিরপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনায় গ্রেফতার করে। র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ০৪টি গ্রেফতারী পরোয়ানাসহ মোট ০৫ টি মামলা রয়েছে।

  • সাভারে একই ভবন থেকে অজ্ঞাত মোট ৫টি পো/ড়ানো লা/শ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    সাভারে একই ভবন থেকে অজ্ঞাত মোট ৫টি পো/ড়ানো লা/শ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের আজ দুইটি লাশ উদ্ধারসহ মোট ৫ ব্যক্তির পোড়ানো ও অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) দুপুরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, লাশ দুটি আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে, ফলে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, এর আগেও আরও ৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক মাসে একই ভবন থেকে মোট ৫টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে
    ২৯ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে ১টি
    ১১ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে ১টি, এবং সর্বশেষ ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আরও ২টি লাশ উদ্ধার করা হলো।

    এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর মোহাম্মদ বলেন, “আজ দুইটি অজ্ঞাত পরিচয়ের পোড়ানো লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এর আগেও একই স্থান থেকে আরও ৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।”

    পুলিশ ও র‍্যাব সূত্র জানায়, সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় প্রায়ই নারী ও পুরুষের অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। তবে মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও অনেক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন।

  • আশুলিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    আশুলিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    হেলাল শেখ: ঢাকার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং আশুলিয়া থানা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফারুক খন্দকারের সঞ্চালনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ধামসোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোরশেদ মোল্লাসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইং) বাদ মাগরিব সন্ধ্যা ৭টায় আশুলিয়া থানার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন।

    এ অনুষ্ঠানে আশুলিয়া থানা বিএনপি ও ধামসোনা ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দোয়া শেষে উপস্থিত লোকজন সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

  • সাভারে ভবঘুরের ছ-দ্মবেশে নৃ/শংস ৫ খু/ন-সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়লো ‘সাইকো সম্রাট’

    সাভারে ভবঘুরের ছ-দ্মবেশে নৃ/শংস ৫ খু/ন-সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়লো ‘সাইকো সম্রাট’

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে একের পর এক মানুষের পোড়ানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন পুরো এলাকা আতঙ্কে থমকে গেছে, ঠিক তখন অভিযানে রহস্যের জট খুলে দিলো থানা পুলিশ। জানা যায়, ভবঘুরের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়ানো এক নীরব ঘাতক- মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, রবিবার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬ইং) বিকেল সাড়ে ৩ টায় এই ঘাতক খুনিকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ২ টায় কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে নতুন করে পোড়ানো দুই লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভিতে প্রথম দেখা যায় যে খুনি, দেখে কেউই সন্দেহ করবে না-সেই ভবঘুরে বেশে ঘুরে বেড়ানো সম্রাটই যে, এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল হোতা, তা ছিলো কল্পনারও বাইরে। স্থানীয় এক সাংবাদিকের আগের দিনের করা একটি ভিডিও ও হত্যাকাণ্ডের দিনের একটি সিসিটিভি ফুটেজই বদলে দেয় সবকিছু।

    পুলিশ জানায়, একটি ভিডিও ও কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সন্দেহজনক ভাবে এক ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। তার চলাফেরার সময় ও অবস্থান মিলিয়ে তদন্তকারীদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে ওই ভবঘুরে ব্যক্তির দিকেই। এরপরই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’।

    পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একই জায়গায় রবিবারের দুইটি হত্যাকাণ্ড, পূর্বের পৃথক তিনটিসহ মোট পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে খুনি। বর্তমানে তাকে থানায় রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সোমবার তাকে আদালতে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ।

    একটি দায়িত্বশীল পুলিশ সূত্র জানায়, “লাশ উদ্ধারের পরপরই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি। ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয় এবং দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতাট করা সম্ভব হয়।”

    এলাকাবাসী জানায়, সম্রাটকে সবাই ভবঘুরে হিসেবেই চিনতো। কখনো রাস্তায়, কখনো কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতো। তার মধ্যে যে এমন ভয়ংকর নৃশংসতা লুকিয়ে আছে, তা কেউ কল্পনাও করেনি।

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রতিদিন যাকে দেখি রাস্তায় হাটাহাটি করতে, চুপচাপ বসে থাকতে, কখনো বিড়বিড় করে কথা বলতে, সেই লোক যে একের পর এক মানুষ হত্যা করেছে-এটা ভাবতেই গা শিউরে উঠছে।”

    পরপর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যখন সাভারজুড়ে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা চরমে, তখন পুলিশের দ্রুত ও সাহসী অভিযানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন এলাকাবাসী। তারা দাবি জানিয়েছেন-এই নৃশংস খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    সাভার মডেল থানার তদন্ত (ওসি) নুর মোহাম্মদ জানান, ৫ খুন ও ভিকটিমদের হত্যার পর লাশ পোড়িয়ে ফেলে হত্যাকারী। তবে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এইসব ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

    এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও নৃশংস। লাশ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ শুরু করি। ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছি এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে।”

    সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারটি একসময় ছিল আনন্দ ও মিলনের ঠিকানা, সেই জায়গাই এখন সাক্ষী রইলো একের পর এক ৫টি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিভীষিকা।

  • রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে সলঙ্গার মেহেদী হাসান নির্বাচিত

    রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে সলঙ্গার মেহেদী হাসান নির্বাচিত

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার জগজীবনপুর গ্রামের কৃতী সন্তান আব্দুস সাত্তারের পুত্র ও সলঙ্গার নাইমুড়ী কিষান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০১ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (বিদ্যালয়) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ বি.এল উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
    এবারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগিতা শুরু হয়।মোট ১২টি ক্যাটাগরিতে নম্বর প্রদানের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষককে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন কমিটি। এ প্রতিযোগিতায় মেহেদী হাসান ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯১ নম্বর অর্জন করে জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (বিদ্যালয়) নির্বাচিত হন।
    পরবর্তীতে তিনি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (বিদ্যালয়) হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
    শিক্ষাজীবনে মেহেদী হাসানের রয়েছে উজ্জ্বল একাডেমিক রেকর্ড। তিনি ২০০৭ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতক এবং ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়াও ২০১৮ সালে পাবনা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণীতে পেশাগত ডিগ্রি বি.এড সম্পন্ন করেন।তার এই অসাধারণ সাফল্যে পরিবার-পরিজন,সহকর্মী,প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সলঙ্গাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। সকলে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও সাফল্য কামনা করছেন।

  • পটিয়ায় মোখলেছ ভান্ডার দরবার  শরীফের ওরশ আজ (সোমবার)

    পটিয়ায় মোখলেছ ভান্ডার দরবার শরীফের ওরশ আজ (সোমবার)

    নিজস্ব প্রতিনিধি,পটিয়াঃ
    পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নে হযরত শাহছুফী ছৈয়দ মোখলেছুর রহমান আল মাইজভান্ডারি এর বেলায়েত বার্ষিকী উপলক্ষে মোখলেস ভান্ডার দরবার শরীফে আজ (সোমবার) ওরশ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বাদে ফজর খতমে কোরআন শরীফ, বাদে আছর খতমে গাউছিয়া, বাদে মাগরিব মিলাদ মাহফিল ও বাদে এশা আখেরী মুনাজাত ও পরে তবরুক বিতরন করা হবে।

    মোকলেছুর রহমান মাইজভান্ডারির দরবারের আওলাদ মাস্টার মো: আবদুল গণি মাইজভান্ডারি জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবছর বার্ষিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিতে চান প্রফেসর ড.এ আর খান

    আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিতে চান প্রফেসর ড.এ আর খান

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পুরোনো সব বদনাম কলঙ্ক ধুয়ে-মুছে দেশের সকলের কাছে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে আগামীদিনে দলটির কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে দলের দায়িত্ব নিতে চায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী পর্যটন লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সাবেক সদস্য প্রফেসর এ আর খান।

    তিনি ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের আচারগাঁও গ্রামের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ খানের ছেলে। ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন।

    সম্প্রতি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও আওয়ামী লীগ করার কারণে তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তিনি এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার স্থান দখল করে নেন।

    প্রফেসর ড এ আর খান গত ২০০৪ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। পরবর্তীতে ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী পর্যটন লীগ নামে একটি সংগঠন গঠন করে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সে সময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যার্শী ছিলেন। কিন্তু দল থেকে সে সময় মনোনয়ন পাননি বিশিষ্ট এই পর্যটনবিদ।

    পরে গত ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়ে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও ভোটে দাঁড়াতে পারেননি।

    প্রফেসর এ আর খান নিজেই একটি রাজনৈতিক দল—ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টি গঠন করেন। বর্তমানে তিনি এফডি পার্টির প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন। তবে এখন পর্যন্ত দলটি নিবন্ধন না পাওয়ায় প্রফেসর ড এ আর খান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেন। তাতেও শেষ রক্ষা হলো না তার। আওয়ামী লীগের গন্ধ শরীরে থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার মনোনয়ন পত্রটি অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করে দেয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরবর্তীতে আপিল করেও মনোনয়ন পত্রের বৈধতা পাননি প্রফেসর ড.এ আর খান।

    প্রফেসর ড. এ আর খান কখনো অপরাজনীতি করেনি, তিনি মনে করেন রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য কাজ করা, মানব সেবার ব্রত নিয়ে নিয়ে তিনি কাজ করে যেতে চান। তাই তিনি নিজে একটি দল গঠন করেন। তার গঠিত দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পুর্বে নিবন্ধিত না হওয়ায় তিনি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ করার কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়ায় দলটির দায়িত্ব নিয়েই কাজ করতে চান।

    প্রফেসর ড. এ আর খান বলেন, দলটিকে শক্তিশালী সংগঠনে তৈরী করতে আমি দলের দায়িত্ব নিতে চাই তবে এটি দলের সদস্যদের ওপর নির্ভর করছে। যদি দল চায় তিনি (শেখ হাসিনা) নেতৃত্ব দেবেন, তবে তিনিই থাকবেন। কারণ আওয়ামী লীগ পুরোপুরি গণতান্ত্রিক দল। জনগণের দল, কে নেতৃত্ব দেবে, সেটি সম্পূর্ণরূপে দলের সদস্য ও দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করবে।’

    তবে দলের এই দুঃসময়ে দলকে সাংগঠনিক ভাবে এগিয়ে নেওয়াটা জরুরি আর সে লক্ষেই তিনি দলটির দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে চান বলে জানিয়ে তিনি বলেন- তার নেতৃত্ব ও দলের প্রতি আনুগত্য থাকবে প্রশ্নাতীত। তিনি দলের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে কাজ করতে চান, যা দলের সংকটময় মুহূর্তে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সাহায্য করবে।

    তিনি বিশ্বাস করেন আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি এদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, আবেগ, অনুভূতি আর ভালোবাসার এক বহিঃপ্রকাশ। তিনি দলের ঐক্য ও শৃংখলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।