Author: desk

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মিনি ট্রাক জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মিনি ট্রাক জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ খ্রিঃ রাত ০৪.৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বারপুর মৌজাস্থ রংপুর টু বগুড়াগামী মহাসড়কের বগুড়া সিএনজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের পশ্চিম পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১১ (এগার) কেজি ৯০০ (নয়শত) গ্রাম গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও তাহাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মিনিট্রাক এবং ০২ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ আজিজুল ইসলাম (৩০), পিতা- মোঃ একরামুল হক, ২। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (২৪), পিতা- মোঃ শামছুল হক, উভয়ের সাং-চরগোকুন্ডা, থানাও জেলা-লালমনিরহাট সদর, লালমনিরহাট।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে বগুড়া জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতঃ উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাদেরকে বগুড়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ এরশাদুর রহমান

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৫

  • নড়াইলে মধ্যযুগীয় কায়দায় ৮ মাসের শিশুকে আমগাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা  পুলিশের হাতে বাবা গ্রেফতার

    নড়াইলে মধ্যযুগীয় কায়দায় ৮ মাসের শিশুকে আমগাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা পুলিশের হাতে বাবা গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে মধ্যযুগীয় কায়দায় ৮ মাসের শিশুকে আমগাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা
    বাবা গ্রেফতার। দ্বিতীয় বউ চলে যাওয়ায় আমগাছের সঙ্গে বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে ৮ মাসের শিশু আল-হাবিবকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ও হত্যা চেষ্টা করেছে তার জন্মদাতা বাবা মামুন শেখ (৩৬)। এ ঘটনায় জড়িত ওই শিশুর বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নড়াইলের
    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মামুন শেখ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে।
    পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৩ বছর আগে ইসলামি শরিয়াত মোতাবেক নড়াইলের
    লোহাগড়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে মামুন শেখের সঙ্গে বিয়ে হয় কুলসুম বেগমের (৩০)। বিয়ের পর থেকে তারা সংসার করে আসছিলেন। সংসার করাকালীন তাদের ঘরে দুইটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়। এক বছর আগে মামুন শেখ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে প্রথম স্ত্রীর কোনো খোঁজ খবর নেন না এবং ছেলে মেয়েদের খাওয়া পরা সংসারিক কোনো খরচ দেন না। এছাড়া প্রায়ই যৌতুকের জন্য কুলসুম বেগমকে মারপিট ও নির্যাতন করতে থাকেন মামুন শেখ।
    সোমবার দুপুর ২টার দিকে স্বামী মামুন শেখ, কুলসুম বেগমকে তার বাবার বাড়ি হতে ১ লাখ টাকা যৌতুক আনতে বলেন। কিন্তু বাবা-মা গরীব লোক বিধায় টাকা আনতে অস্বীকার করেন কুলসুম। পরে তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করেন মামুন। এতে তার হাতে পায়ে, পিঠে, মাথায় জখম হয়। এরপর গলা চেপে শ্বাস রোধ করে হত্যা করার চেষ্টা করেন মামুন শেখ। এ সময় মামুন শেখের দ্বিতীয় স্ত্রী মাফুজা আক্তার সাথী (২৫) চুলের মুঠি ধরে কুলসুমকে কিল ঘুষি মেরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
    এরপর দ্বিতীয় বউ চলে যাওয়ায় রাগান্বিত হয়ে মামুন শেখ দুধের শিশু বাচ্চা আল হাবিবকে (৮ মাস) ধরে নিয়ে আম গাছের ডালে পা ওপর দিকে করে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে মারধর করে ও শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। কুলসুম বেগম ও তার শাশুড়ি মামুনের হাত থেকে শিশুকে রক্ষা করতে গেলে তাদের ও মারপিট করে। এসময় তার শাশুড়ি আসমা বেগম কুলসুমকে ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি দেয়। নড়াইলের
    লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় শিশুর মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামি মামুন শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • মালদ্বীপে যুবলীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

    মালদ্বীপে যুবলীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- মালদ্বীপের রাজধানী গ্রান্ড ভিউ রেস্তোরাঁয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ২০২৩ মোহাম্মদ ফারুক হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুগ্ন আহবায়ক মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগ মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ সাগর । পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মোঃ সুমন। উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী যুগ্ন-আহবায়ক আওয়ামী যুবলীগ মোস্তফা কামাল জিশান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মালদ্বীপ যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সামিম আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর হোসেন, অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্টানে বক্তৃতারা তাদের বক্তব্যয় বঙ্গবন্ধুর আত্মাত্যাগের তাতপর্য তুলে ধরেন,এবং ভাষা আন্দোলনে শহিদ হওয়া সকলের সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মোঃ
    কবির, মোঃ সজিব, মোঃ ফারুক, মোঃ আউয়াল,মোঃ নাচির, মোঃ মনির,মোঃ জয়নাল হাজারী প্রমুখ।

    উল্লেখ্য প্রধান অতিথি তাঁর মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন, তিনি তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বীর ভাষা সৈনিকদের। তিনি মহান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি এবং মাতৃভাষা সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। ২১শের চেতনাকে ধারন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকবৃন্দ অংশগ্রহণে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করেন ।

  • গৌরনদীতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ

    গৌরনদীতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, ক্রীড়া জাতির মানদণ্ড, বরিশাল জেলার গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিংবডির সভাপতি ও গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি আবু সাইদ নান্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান হারিছ, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিনিয়া আফরোজ হেলেন। গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মাসুদ রানার সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মীর আব্দুল আহসান, উপজেলা আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ হালিম,
    গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান দ্বীপ, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, গৌরনদী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিংবডির সদস্য মোঃ আনিসুর রহমান,গনেষ দাস,মোঃ মনিরুজ্জামান, দিপাংশু কুমার মন্ডল, সদস্য ও এবি সিদ্দিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমান, গৌরনদী গার্লস স্কুল কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক আলী আজিম খান পলাশ, গৌরনদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ সুবীর চাকলাদার, সহকারী অধ্যক্ষ নির্মল, গৌরনদী পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর মোঃ আল-আমীন হাওলাদার,গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু ভূইয়া,গৌরনদী পৌরসভার ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রুনা আলম, কাউন্সিল মিলন খলিফা সহ অন্যান্যরা।

  • যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা বাস আর হকারদের দখলে; ৩টি মহাসড়কের মিলনস্থল হলেও পুলিশের কাছে গুরুত্বহীন

    যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা বাস আর হকারদের দখলে; ৩টি মহাসড়কের মিলনস্থল হলেও পুলিশের কাছে গুরুত্বহীন

    মোঃ রাসেল সরকার::
    উপরে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার। নিচে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা। ঢাকা-চট্টগ্রাম ৮ লেনের মহাসড়ক, ঢাকা-মাওয়া, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একাংশ (ডেমরা সড়ক), এবং সর্বোপরী রাজধানী থেকে বের হওয়ার পথ মিলেছে এই চৌরাস্তায়। গুরুত্বপূর্ণ এই মোড়ে দিন রাত ভয়াবহ যানজট লেগে থাকে।
    শুধু যানজট বললে ভুল হবে, বাসের ভিড়ে পথচারীদের হাঁটার মতোও জায়গা থাকে না। ভুক্তভোগিদের মতে, পুলিশ ইচ্ছা করলে সে যানজট নিরসন করতে পারে। কিন্তু কেনো করে না সে প্রশ্নের জবাবে পরিবহন শ্রমিকরা বলেছেন, এখানে বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠালেই পুলিশকে বাড়তি টাকা দিতে হয়। সরেজমিনে পুরো এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হলেও যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার যানজট নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের কোনো ভাবনা নেই। বরং পুলিশের সামনেই একটার পর একটা বাস এসে দাঁড়াচ্ছে রাস্তার মোড়ে। হেলপাররা হাঁক ছেড়ে যাত্রী ওঠাচ্ছে। একটার পেছনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে আরেকটা।

    এক পর্যায়ে বাসের ভিড়ে পথচারীদের চলার মতো পথ থাকছে না। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার উপর দিয়ে গেছে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার। ঢাকা-চট্টগ্রাম ৮ লেনের মহাসড়ক ফ্লাইওভারের সামনে মিশেছে চৌরাস্তা থেকে কিছু দূরেই। সেখানে ৮ লেনের মধ্যে ৬ লেনই দখলে নিয়েছে ফ্লাইওভার। দুই পাশে সরু রাস্তা দিয়ে কোনো মতে একটা করে গাড়ি প্রবেশ করতে পারে। সেই রাস্তাও এক বছরের বেশি সময় ধরে ভাঙা। যদিও কিছুদিন যাবত রাস্তার কাজ চলছে জোড়েসোড়ে। ভাঙাচোরা এই রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে ফ্লাইওভারের মুখে যানজট লেগে থাকে। এরপর খানাখন্দের রাস্তা পার হয়ে চৌরাস্তায় এসে আবার যানজট।

    এখানে কোন গাড়ি কোনদিকে যাবে তার কোনো নির্দ্দিষ্ট গতিপথ নেই বললেই চলে। ট্রাফিক পুলিশ মোড়ে ডিউটি করলেও তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। চৌরাস্তা থেকে মাওয়ার দিকে যে রাস্তাটি গেছে তার বেশিরভাগ অংশ দখল করে রেখেছে হকাররা। ভ্যান গাড়ি, ঠেলাগাড়ির উপর হরেক রকমের পসরা সাজিয়ে তারা রাস্তার বেশিরভাগ অংশ দখলে রেখেছে। বাকী অংশে দাঁড়িয়ে থাকে বাস। তুরাগ পরিবহনের বাসে পুরো চৌরাস্তা দখল হয়ে থাকে দিন রাত। শহীদ ফারুক সড়কের মাথা থেকে ছাড়ে সিটি সার্ভিসের বাসগুলো। বাসগুলো ভিড়ে শহীদ ফারুক সড়কে প্রবেশ করা যায় না। শহীদ ফারুক সড়কের বেশিরভাগ অংশও দখলে রেখেছে হকাররা।

    বাকী যতোটুকু খালি আছে তা হিউম্যান হলারের দখলে। সদরঘাটমুখি হিউম্যান হলারগুলোর ভিড়ে শহীদ ফারুক সড়কে রিকশা চলাচলের মতো অবস্থা থাকে না। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তার যানজট মনুষ্য সৃষ্টি। পরিবহন শ্রমিক আর হকাররা মিলে পুরো এলাকার রাস্তা দখল করে রাখে। দিনে এমনকি রাতেই একই অবস্থা থাকে। এগুলো নিয়ে কথা বলার মতো কেউ নেই। স্থানীয় হকাররা জানান, ফুটপাত দখলে নেয়ার জন্য প্রতিদিনই চাঁদা দিতে হয়। চাঁদার টাকা তোলে সরকারী দলের স্থানীয় নেতারা।

    ওই টাকা থেকে মোটা অংক যায় ট্রাফিক পুলিশের পকেটে। কামাল নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, বাসগুলোকে যদি নিয়ন্ত্রণ করা যেতো তাহলে এতোটা খারাপ অবস্থা হতো না। তুরাগের বাসগুলো এমনভাবে রাস্তা দখল করে রাখে যে পথচারীরাও হাঁটতে পারে না। সিটি পরিবহনের বাসগুলোও শহীদ ফারুক সড়কের সামনে এলোমেলোভাবে রাখা থাকে। যে কারনে ফ্লাইওভারের নিচে লেন পদ্ধতি কোনো কাজে আসছে না। চার লেনের মধ্যে এক লেন সিটি সার্ভিসের বাসগুলো দখল করে রাখে। পরিবহন শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তার উপর বাসগুলো দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে বাড়তি টাকা দিতে হয়। এজন্য পুলিশ কিছু বলে না।

    বাসগুলো এলোপাথারী দাঁড়ালে পুলিশেরই লাভ। তবে ডিউটিরত দুজন ট্রাফিক পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রাতদিন পরিশ্রম করছি। অনেকেরই অভিযোগ, যাত্রাবাড়ীতে ট্রাফিক পুলিশের বর্তমান ইন্সপেক্টর আসার পর থেকে বিশৃঙ্খলা বেড়েছে। এর আগে যিনি ছিলেন তিনি বাসগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে রাস্তার একপাশে দাঁড় করানোসহ চৌরাস্তা এলাকা যানজটমুক্ত রাখার জন্য তৎপর ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জে আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৫ দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা

    গোপালগঞ্জে আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৫ দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আগামীকাল বুধবার (১ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা। ইতোমধ্যে মেলার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করেছে।

    জানাগেছে. কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিক ভিটায় পাঁচ দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা অনুষ্ঠিত হবে। করোনার কারণে গত বছর তিন দিনব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হলেও এ বছর পাঁচ দিনের আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার বিকালে জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মেলাটি উদ্বোধন করবেন।

    মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও থাকবে বাংলাদেশের বিভিন্ন নামী-দামী শিল্পীর অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বসবে বই ও গ্রামীন মেলা। এই মেলাকে ঘিরে উপজেলা ব্যাপী বইছে উৎসবের আমেজ। উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী কবির বাড়ীটি সার্বক্ষনিকভাবে মনিটরিং করছেন। অপরদিকে এই মেলাকে কেন্দ্র করে নবরুপে সেজেছে কবির বাড়ী ও এর আশপাশের এলাকা।

    কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, “এ মেলাকে ঘিরে উপজেলা জুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা এ মেলার আয়োজন করেছি। আগামীতেও এ মেলা যাতে অব্যাহত থাকে সে জন্য উপজেলা পরিষদ কাজ করে যাবে।”

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ বলেন, “আমি চাইবো সরকার কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিশেষ করে কবির পৈত্রিক ভিটায় একটি পর্যটন কেন্দ্র ও একটি আধুনিক লাইব্রেরী গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে কবিকে তুলে ধরবেন।”

    কবি সুকান্ত স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক অশোক কর্মকার বলেন, “কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১০বছর ধরে কবির পৈত্রিক ভিটায় আমরা মেলা করে আসছি। কবির জন্ম আগস্ট মাসে। আগস্ট মাস শোকের মাস থাকায় আমরা প্রতিবছর মার্চের প্রথম সপ্তাহে এ মেলার আয়োজন করে থাকি।”

    শেখ হাসিনা আদর্শ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কবি মিন্টু রায় বলেন, “প্রতি বছরই সুকান্ত মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশ বরণ্যে কবি, লেখক, সাহিত্যিকদের আড্ডা বসে। আশা করছি এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবেনা। এ মেলায় এসে কবি সাহিত্যিকরা তাদের প্রাণ খুলে কথা বলতে পারে। তাদেরকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়। এ জন্য আয়োজকদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

    জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল বলেন, “প্রতি বছর আমরা এই মেলায় বইয়ের স্টল দিয়ে থাকি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আমরা বড় পরিসরে বইয়ের স্টল দিবো”।

    কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, “স্থানীয় সুধীজনদের সহযোগিতায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন এ মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা মেলার সকল আয়োজন শেষ করেছি। আমি চাইবো প্রশাসন ও এলাকাবাসী যেন আগামীতে কবির স্মৃতি ধরে রাখার জন্য এ ধরনের গ্রামীন মেলার আয়োজন করেন। এ ছাড়া কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আদর্শকে বর্তমান যুব সমাজের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের আরো নানা মূখী উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।”

    প্রসঙ্গত, ১৯২৬ সালের ১৫ আগষ্ট কবি সুকান্ত ভট্রাচার্য্য কলিকাতার কালীঘাটের মহিমা হালদার স্ট্রিটে মামা বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম নিবারন ভট্রাচায্য ও মাতা সুনীতি দেবী। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। “ছাড়পত্র”, “ঘুম নেই”, “পূর্বাভাস”, “অভিযান”, “হরতাল”-তার উল্লেখ যোগ্য কাব্যগ্রন্থ। কবির প্রতিটি কবিতায় অনাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছে। #

  • স্কালোনিই জিতলেন দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স কোচ পুরস্কার

    স্কালোনিই জিতলেন দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স কোচ পুরস্কার

    কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষা ঘুচেছে যার হাত ধরে। গত বছরের ডিসেম্বরে কাতারের মাটিতে ফুটবলের মহাযজ্ঞের সবশেষ আসরে তিনি আলবিসেলেস্তেদের এনে দিয়েছেন শিরোপা। সেই লিওনেল স্কালোনিই জিতলেন দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স কোচ পুরস্কার।

    সোমবার রাতে ফ্রান্সের প্যারিসে দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ২০২২ সালের বর্ষসেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন স্কালোনি। তার সঙ্গে লড়াইয়ে পেরে ওঠেননি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা।

  • দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স গোলকিপার নির্বাচিত হলেন এমিলিয়ানো

    দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স গোলকিপার নির্বাচিত হলেন এমিলিয়ানো

    বিশ্বকাপে নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখানো এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। দ্য বেস্ট ফিফা মেন’স গোলকিপার নির্বাচিত হলেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার এই তারকা।

    সোমবার রাতে ফ্রান্সের প্যারিসে দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ২০২২ সালের বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন এমিলিয়ানো। ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার এই ফুটবলার পরাস্ত করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ও সেভিয়ার মরোক্কান গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনুকে।

    বিশ্বকাপে কাতারের মাটিতে সবশেষ বিশ্বকাপে অনবদ্য নৈপুণ্য উপহার দেন ৩০ বছর বয়সী এমিলিয়ানো। দীর্ঘ তিন দশকের অপেক্ষার ইতি টেনে ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের শিরোপা জেতা আর্জেন্টিনার জয়যাত্রার তিনি রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেটার স্বীকৃতি হিসেবে তার হাতেই ওঠে বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোভ।

  • সুস্থভাবে জীবন-যাপন করতে খেলাধুলার বিকল্প নাই- ময়মনসিংহে চেয়ারম্যান সাঈদ

    সুস্থভাবে জীবন-যাপন করতে খেলাধুলার বিকল্প নাই- ময়মনসিংহে চেয়ারম্যান সাঈদ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সভাপতি, উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেছেন, সু-নাগরিক হতে হলে লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই। আর লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা মানুষের মনকে সচেতন করে তোলে। খেলাধুলা সমাজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সমাজকে দূরে রাখে। তাই সুস্থভাবে জীবন-যাপন করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই ভালভাবে লেখাপড়া করতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলার সুন্দর পরিবেশ রাখতে হবে।

    সোমবার (২৭ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার ৪ নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীর কান্দাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সিরতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি লেখাপড়ার সঙ্গে খেলাধুলায় মগ্ন থাকে তাহলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাস, মাদক তাদের স্পর্শ করতে পারবে না।
    লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা মানুষের মনকে সচেতন করে তোলে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের মনকে উৎফুল্ল করে। যার ফলে বৃদ্ধি পায় শিক্ষার হারও। তাই সুস্থভাবে জীবন-যাপন করতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা চালিয়ে যেতে হবে।
    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও খেলাধুলায় দেশের বর্তমান প্রজন্মকে একজন দক্ষ খেলোয়াড় হিসাবে গড়ে তুলতে জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সুতরাং ধনী আর গরীব কোন পরিবারের সন্তানরা যাতে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকেও অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে।

    এসময় চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাই মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিং থেকে দূরে থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে তোমাদেরও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

    বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সোলেমান কবির ও সহকারী শিক্ষকগণের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবু হানিফ সরকার,সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া। এসময় স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মহালছড়িতে পরিসংখ্যান দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    মহালছড়িতে পরিসংখ্যান দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    মহালছড়িতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে। “পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১.০০টায় দিবসটি পালিত হয়।

    আজকের দিবসে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    উক্ত র‌্যালীটি উপজেলা পরিষদ ভবন থেকে শুরু হয়ে মহালছড়ি বাজার প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের টাউন হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার। তিনি বলেন, এসময় বলা হত জ্ঞানই শক্তি, আর এখন বলা হয় তথ্যই শক্তি। সময়োপযোগী ও সঠিক পরিসংখ্যানের সাহায্যে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। দেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন, উন্নয়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সঠিক, সময়োপযোগী এবং মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা বিবিএসের দায়িত্ব। জনশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারিসহ বিভিন্ন ধরনের সার্ভে পরিচালনা করে পরিসংখ্যান অধিদপ্তর। হালনাগাদ তথ্য প্রস্তুতে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নেতৃত্বে বিবিএস কাজ করছে।